সর্বশেষ সংবাদ-
ষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোকলেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতমWie Slots-Boni Ihnen helfen können, Ihre Spielziele zu erreichen

শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গাজী মোহাম্মদ আলী বিরুদ্ধে শ্যামনগর মৌজার ভূমি মালিকদের বিরুদ্ধে লিখিত নোটিশ দিয়ে মিথ্যা হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। পহেলা মার্চ ২২ স্বাক্ষরিত লিখিত নোটিশে নকিপুর গ্রামের মৃত আনছার উদ্দিন খান এর পুত্র আব্দুল ছালাম খান কে বাদি করে একই গ্রামের মৃত ছকিমুদ্দীন এর পুত্র মোঃ মোকছেদ আলী কে বিবাদী করে এ নোটিশ পাঠানোর অভিযোগ করেন।

আব্দুল ছালাম খান এর পরিবারের পক্ষ থেকে তার পুত্র যানান, আমার পিতা অসুস্থ সাতক্ষীরা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ কিন্তু আমার পিতা বলেছেন আমি কোথাও কোন অভিযোগ করেনি আমকে খতি করার জন্য ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গাজী মোহাম্মদ আলী অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তপশীল সম্পত্তি মৌজা – শ্যামনগর, খতিয়ান – ডি পি -১ ও ৫৫৯, দাগ হাল -৩২৮,৩২৮ / ৬৯০.৩২৮ / ৬৮৯ জমি -১.১০ একর মধ্যে নালিশী জমি -১০.৫১ একর উল্লেখ করেছেন।
এই পাতানো অভিযোগ সাজিয়েছে।

একইভাবে নকিপুর গ্রামের মৃত আঃ কাশেম ( নাটু গাজী ) পুত্র আব্দুল জব্বার, মেহের আলীর পুত্র ওমর ফারুক এবং বিশু পাড়ের পুত্র কাশেম পাড় সহ আরো কয়েকজনের নামে একইভাবে বাবি করে এলাকার ভূমি দস্যু খ্যাত সভাপতি, ব্যস্তহারা ভূমিহীন সমাজ কল্যাণ সংস্থা।
সদস্য, কৃষি খাসজমি বন্দোবস্থা ও ব্যবসস্থাপনা কমিটি নকিপুর পরিচয় দানকারী মোকছেদ আলী কে বিবাদী করে এ নোটিশ পাঠানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

উল্লেখ থাকে যে বিগত কয়েক দিন আগে ২৯ জানুয়ারী গভীর রাতে শ্যামনগর মৌজার সুজা মাহমুদ গাজীর ৬২ বছরের দখলীয় রেকর্ডোয় সম্পত্তি রাতের অন্ধকারে জবর দখল নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ভূমি জবরদখল কারী ভূমিহীন পরিচয় দানকারী নেতা মোকছেদ ও বেআইনিভাবে ভূমি মালিকদের বাদি সাজিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদ করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করেছেন।

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জিএম মোহাম্মদ আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন প্রকৃতপক্ষে বাদী হবে মোকসেদ আলী কিন্তু ভুলবশত তাদেরকে বাদি করা হয়েছে। সরি ভাই ওটা কোনো বিষয় না বিষয়টা হলো মোকসেদ কে বাদি করতে হতো।

তাদের আমি নোটিশ সাফ করার পরে জানতে পেরেছি এটা আসলে আমার ভুল হয়েছে। মোকসেদ বলেছে আমি তাদের কাছে জমি পাবো বইছেন অনেকে আমার কাছে কাগজ দিয়েছে তাদের দেখে বলে দিছি আপনাদের আর আসা লাগবে না। আপনার যদি কেউ থেকে থাকে পাঠিয়ে দেবেন আমি কাগজ দেখে মকসদকে বলে দেব ওখানে আর যাওয়া যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাকের স্মরণ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ঈক্ষণ সাংস্কৃতিক সংসদ’র উদ্যোগে ৩রা মার্চ ১৯৭১ ও শহীদ আব্দুর রাজ্জাক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৩ মার্চ) বিকালে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারে ঈক্ষণ সাংস্কৃতিক সংসদ’র আয়োজনে সংগঠনের সভাপতি পলটু বাসার’র সভাপতিত্বে ও ঈক্ষণ সাংস্কৃতিক সংসদ’র সহ-সাধারণ সম্পাদক শেখ সেলিম উল্লাহর সঞ্চালনায়

ভার্চুয়ালে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, ১৯৭১ সালে ৩রা মার্চ গুলিতে আহত এম খলিলুল্লাহ ঝড়ু , শেখ নিজাম উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ডা. মুনসুর আহমেদ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় মহিলা সংস্থা জেলা শাখার চেয়ারম্যান জ্যোৎনা আরা, সাতক্ষীরা জেলা জাসদ’র সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন লস্কর শেলী, পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর রাবেয়া পারভীন, জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস.এম রেজাউল ইসলাম, গাজী শাহজান সিরাজ, উদীচি জেলা সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক তহমিনা ইসলাম, কবি ও সাহিত্যিক শেখ শহীদুর রহমান, কবি শুভ্র আহমেদ, জহুরুল কবির, সৈয়দ একতেদার আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ঈক্ষণ সাংস্কৃতিক সংসদ’র আয়োজনে সমাজ ও সাহিত্য বিষয়ক পত্রিকা ৩রা মার্চ ১৯৭১ ও শহীদ আব্দুর রাজ্জাক স্মরণ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় বীরমুক্তিযোদ্ধা, কবি-সাহিত্যিকসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে গুরুদেব শ্রীশ্রী রতিকান্ত প্রভুর শিষ্যদের সর্ববৃহৎ মহাভক্ত সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন উপকুলীয় মুন্সিগঞ্জ সাধুপাড়ার গুরু আশ্রমে মহাভক্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দীনতার প্রতিমুর্তি পরমারধ্যতম গুরুদেব রতিকান্ত প্রভুর শিষ্যদের উদ্যোগে বৃহষ্পতিবার সকাল ১১টায় একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা গুরু আশ্রয় শুরু করে নবদ্বীপ ও বৃন্দাবনের অনুকরণে সুন্দরবন সংলগ্ন মালঞ্চ নদীর কূলে গড়ে তোলা শ্যাম কুণ্ড, মাধবকুণ্ডের যুগলঘাট ও গিরি গোবর্ধন পরিক্রমা শেষে গুরু আশ্রমে এসে শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর বিগ্রহ উন্মোচন করেন।
পরবর্তীতে গুরু পুজা, গুরু প্রণামে নৃত্য পরিবেশন, সর্ব তীর্থ উদ্বোধন, পঞ্চতত্ব বন্দনা, ভগবত আরতি, ভগবত পাঠ ও ভজন কীর্তণ অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া রতিকান্ত প্রভু নিত্য ভজন দীপিকা বই এর মোড়ক এর উন্মোচন করেন।
ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন ডাক্তার হরিপদ অধিকারী, তাপস কুমার অধিকারী। ভগবত আলোচনায় অংশ নেন নিতাই চন্দ্র মণ্ডল (কাঁচড়াহাটি), প্রমিলা দাসী, অদ্বৈত কৃষ্ণদাস, গোপাল কৃষ্ণ দাস, বৃন্দদাসী গোস্বামী, বিল্লমঙ্গল দেবনাথ ও খুলনা বিএল কলেজের সহকারি অধ্যাপক পবিত্র কৃষ্ণ দাস প্রমুখ।
উক্ত মহাসম্মেলনে আগত ভক্তদের সাধুবাদ এবং সকলকে সংবর্ধনা জানান, গুরুদেব শ্রী শ্রী রতিকান্ত প্রভুর চেলে চারু কৃষ্ণ দাস। তারা ৪মার্চ মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠানে সকলকে সবান্ধবে আমন্ত্রণ জানান।

এ সময় মহাসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ শ্যামনগর শাখার আহবায়ক অনাথ মণ্ডল, যুগ্ম আহবায়ক পীযুস বাউলিয়া পিন্টু, সদস্য সচীব উৎপল মণ্ডল হিন্দু বিবাহ রেজিষ্টার সুজন কুমার দাস, হিমাংশু মণ্ডল প্রমুখ।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী ও দুই এমপির বিরুদ্ধে কাদের মির্জার জিডি

রাজনীতির খবর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী ইসরাতুন্নেসা কাদেরসহ ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে জনতার আদালতে জিডি করেছেন (সাধারণ ডায়েরি) বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা। এর মধ্যে দুজন সংসদ সদস্যও রয়েছেন।

কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই। তার দাবি, তাকে হত্যা ও নেতাকর্মী শূন্য করার জন্য তারা নীলনকশা এঁকেছে।

জিডিতে ফেনী-২ (ফেনী সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী ও নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী এবং নোয়াখালীর এসপি ও কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও-ওসিসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আভিযোগ আনা হয়েছে।

বুধবার (২ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কাদের মির্জা তাঁর ফেসবুক পেজ থেকে এক স্ট্যাটাসে জনতার আদালতে এ জিডি করেন। এ ছাড়াও জিডিতে তাঁর দুই ভাগ্নের নামও রয়েছে। তারা হলেন কাদের মির্জার ছোট বোনের ছেলে তাঁর অন্যতম প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত ফখরুল ইসলাম রাহাত ও রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সিরাজিস সালেকিন রিমন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রীর ভাগ্নে রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সিরাজিস সালেকিন রিমন বলেন, কাদের মির্জার এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। বরং কোম্পানীগঞ্জের গত এক বছর অস্থিতিশীল পরিস্থিতির নৈপথ্যের মূল নায়ক তিনি। কোম্পানীগঞ্জে যখন কাদের মির্জার পেশীবাদী রাজনীতি ও লুটপাটের রাজনীতি বন্ধ হতে যাচ্ছে, তখনই তিনি কূটচাল শুরু করেছেন। প্রশাসননের কর্মকর্তারা যখন ওনার অন্যায় আবদার ও পেশীবাদী মানসিকতাকে সাপোর্ট দিচ্ছে না; তখনই এসপি, ইউএনও, ওসির বিরুদ্ধে তিনি বিষোদগার করছেন। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিষোদগারই এখন তাঁর মূল হাতিয়ার।

ফেসবুক স্ট্যাটাসের বিষয়ে জানতে কাদের মির্জার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। তিনি ফোন ধরেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী ২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী বলেন, কাদের মির্জা কি করছে, না করছে, এটা আমার বিবেচ্য বিষয় নয়। তিনি কি করেন, না করেন, এটা আমি জানতেও চাই না। আমি হচ্ছি ফেনীতে। আমি ফেনীর বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাবো। নোয়াখালীর কোনো বিষয় আমার চিন্তার মধ্যে নেই। মির্জা আমার বিরুদ্ধে কি করল না করল, সেটা নিয়ে আমি চিন্তাও করি না।

কাদের মির্জার স্ট্যটাসটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো। স্ট্যাটাসে কাদের মির্জা অভিযোগ করে লিখেন, আমাকে হত্যা ও নেতাকর্মী শূন্য করার জন্য যারা নীলনকশা এঁকেছে তাদের বিরুদ্ধে জনতার আদালতে জিডি করলাম- ১। ইসরাতুনেসা কাদের ২। নিজাম হাজারী ৩। একরামুল করিম ৪। ফখরুল ইসলাম রাহাত ৫। মিজানুর রহমান বাদল ৬। খিজির হায়াত ৭। আজম পাশা রুমেল ৮। সিরাজিস সালেকিন রিমন । কানা আবদুর রেজ্জাক ১০। জাহেদুল হক কচি ১১। হানিফ সবুজ ১২। নজরুল ইসলাম শাহিন ১৩। আজ্জুমান পারভীন রুনু ১৪। শহীদুল হক (এস.পি, নোয়াখালী) ১৫। জিয়াউল হক মীর ১৬। সাজ্জাদ রোমন ১৭। দিদারুল কবির রতন। ১৮ জাহাঙ্গীর (মন্ত্রী মহোদয়ের কথিত সহকারী)।

তিনি আরো লিখেন, বিচারপতির কাছে বিচার চেয়েছি, বিচার পাইনি। তাই বিচারপতির বিচার করে যেই জনতা, বিচার দিলাম সেই জনতার কাছে। যে জনগণ আমার প্রাণ শক্তি সেই জনগণ আমাকে প্রেরণা যোগাবেন। সত্যের যে প্রদীপ শিখা জ্বালিয়েছি- রাজভয়/লোকভয় তা কখনোই নেবাতে পারবে না। মহান আল্লাহ আমার সহায় হোক। দোয়া করবেন সকলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এ মাসের শেষে তাপপ্রবাহ, কালবৈশাখী-শিলাবৃষ্টির আভাস

দেশের খবর: মার্চের শেষের দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি মাসে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে অধিদপ্তর। দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এ পূর্বাভাস দিয়েছে।

বুধবার (২ মার্চ) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকার ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কমিটির নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।

বিশেষজ্ঞ কমিটির চলতি মাসের পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্চ মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুদিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ মাঝারি বা তীব্র কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে দু-তিনদিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা বা মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী হতে পারে।

এ মাসের শেষের দিকে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে এক থেকে দুটি মৃদু (৩৬-৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা মাঝারি (৩৮-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য বেশি এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে।

এতে আরও বলা হয়, মার্চ মাসে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে।

বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান জানান, সদ্য শেষ হওয়া ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫৩ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এবং ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হয়েছে।

পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে পূবালী বায়ুপ্রবাহের সংযোগ ঘটায় ৩-৫, ২০-২১ ও ২৪-২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হয়। এসময় সর্বোচ্চ ৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টি খুলনায় (৪ ফেব্রুয়ারি) রেকর্ড করা হয়।

উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তার লাভ করায় ১-২ ও ৬-৮ ফেব্রুয়ারি রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায় বলেও জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক।

ফেব্রুয়ারিতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তেঁতুলিয়ায় (৬ ফেব্রুয়ারি) রেকর্ড করা হয়। এ মাসে ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এ মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ড্যাব নেতা ডা: সহিদুর কর্তৃক রেকর্ডীয় সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ ড্যাব নেতা ডা: সহিদুর রহমান কর্তৃক প্রভাব খাটিয়ে সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুরে রেকর্ডীয় সম্পত্তি দখল এবং ভাড়াটিয়া মস্তান
দিয়ে যাতায়াতের রাস্তা দখলের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ
সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন, শহরের পলাশপোল এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলী সরদারের পুত্র ইফতেখার জালাল। তিনি এসময় এ ঘটনার প্রতিবাদে জানান।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, শহরের রসুলপুর মৌজায় এস এ ২২৪ খতিয়ানের ২৬৩ দাগে এবং এস এ ২১৮ খতিয়ানে ২৬২ দাগ হতে আমি ও আমার তিন ভাই পৃথক পৃথক
দলিলে মোট ১৫.৩২ শতক জমি ক্রয় করি। এছাড়া আমার মা মোমেনা খাতুন এস এ ২১৫ খতিয়ানে ২৬২ দাগে এবং এস এ ২২৪ খতিয়ানে ২৬৩ দাগে মোট ৭.৬৬ শতক জমি ক্রয় করেন। বর্তমানে জরিপে আমাদের চার ভাই ও মা’র নামে মৌজা রসুলপুর ডিপি ৪২ এ ২১.৮৯ শতক জমি রেকর্ড হয়। আমার মা মোমেনা খাতুন গত ২৫ মার্চ ২০১০ ইং তারিখে ২৭৩১ নং দলিলে মুজিবরের নিকট ২ শতক জমি বিক্রয় করেন।

আমার মা এর অবশিষ্ট থাকে ৫.৬৬ শতক জমি। গত ১০ নভেম্বর ২০১০ ইং তারিখে ১০৩৫৬ নং দলিলে আমরা চার ভাই ৯.৫০ শতক এবং
মা এর অবশিষ্ট দখলে থাকা ৫.৬৬ শতক জমি রসুলপুর এলাকার মৃত মোকছেদ আলীর পুত্র ড্যাব নেতা (বিএনপির সংগঠন) ডাক্তার সহিদুর রহমান এর নিকট বিক্রয় করি। দলিলে আমাদের চার ভাই এর বিক্রিত জমির পরিমান উল্লেখ রয়েছে। আমাদের চার ভাইয়ের অবশিষ্ট থাকে ৯.৫০ শতকের মধ্যে ৪.৮২ শতক জমি।

ডা: সহিদুর রহমান যোগসাজস করে বর্তমানে আমাদের চার ভাইয়ের অবশিষ্ট জমি জবর দখলের উদ্দেশ্যে স্থানীয় মস্তান ও প্রভাব বিস্তার করে দখলচুত্য করার চেষ্টা করছেন এবং বর্তমান মাঠপর্চা হতে আমাদের নাম মুছে ফেলার জন্য জালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া কাগজ সৃষ্টি করেছেন।

তিনি আরো বলেন, আমার দখলীয় ৪.৮২ জমি হতে .২০ শতক জমি স্থানীয়দের চলাচলের জন্য পৌরসভার রাস্তার জন্য দিলে উক্ত রাস্তায় প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করে ডা: সহিদুর রহমান বিবাদ সৃষ্টি করছেন ও আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা করছেন।

স্থানীয়দের ভয় দেখিয়ে রাস্তা বন্ধ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আর এ উদ্দেশ্যে ভাড়াটিয়া বাহিনীর সহযোগিতায় খুন, জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি
প্রদর্শন করে যাচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় ডা: সহিদুর রহমানের কবল থেকে তাদের সম্পত্তি রক্ষা এবং যাতে তাদের চলাচলের রাস্তায় কোন
প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারেন সে জন্য সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান: প্রজ্ঞাপন জারি

অনলাইন ডেস্ক : ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বুধবার (২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকার এ নির্দেশনা জারি করেছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব শফিউল আজিম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে।

সাংবিধানিক পদাধিকারীরা, দেশে ও দেশের বাইরে কর্মরত সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারীরা সব জাতীয় দিবস উদযাপন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় ও সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রত্যেক দিনের সমাবেশ শেষ হওয়ার পর এবং সভা-সেমিনারে বক্তব্যের শেষে শিক্ষকরা ও ছাত্রছাত্রীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজে নবীন বরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যে দিয়ে এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কলেজের বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি ভবনে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার রমেশ চন্দ্র’র সভাপতিত্বে ও শিক্ষক প্রতিনিধি প্রভাষক এম সুশান্তের পরিচালনা প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বিশিস্ট ব্যবসায়ী আবুল হোসেন মো: মকসুদুর রহমান।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল মজিদ,

গণিত বিভাগের অধ্যাপক কমলেশ চন্দ্র মন্ডল, ব্যাবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেনসহ কলেজের শিক্ষমন্ডলী, কর্মচারিবৃন্দ ও ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে ফুল দিয়ে কলেজের নতুন ছাত্র ছাত্রীদের বরণ করে নেন প্রধান অতিথি ও শিক্ষকবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest