সর্বশেষ সংবাদ-
সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডেএবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভাআশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ৭ আসামি গ্রেপ্তারদেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষাসাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার : ৬টি মোবাইল জব্দদেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভাসাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি 

সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবারের এতিম শিশুদের ইফতার করালেন এমপি রবি

নিজস্ব প্রতিনিধি : পবিত্র মাহে রমজানের রহমতের এর দ্বিতীয় দিনে সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার (বালক) এতিম শিশুদেরকে ইফতার করালেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। সোমবার (০৪ এপ্রিল) ২ রমজান বিকাল সাড়ে ৫টায় পুরাতন
সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার (বালক) এ যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবি এবং সেখানে এতিম শিশুদের সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন, তাদের সাথে কথা বলেন এবং কিছু সময় অতিবাহিত করেন। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি
এমপি সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার (বালক) এ এতিম শিশুদের হাতে ইফতার তুলে দেন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপপরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল
হাকিম, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, শহর সমাজসেবা
অফিসার মো. মিজানুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক জিয়াউর বিন
সেলিম যাদু, সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার (বালক)’র উপ-তত্বাবধায়ক আয়েশা খাতুন ও জেলা ছাত্ররীগের সহ-সভাপতি কাজী হাশিম উদ্দিন হিমেল প্রমুখ।

এসময় ১৯৫২, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ও ১৫-ই আগস্ট
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবার এবং জাতীয় চারনেতার রুহের মাগফিরাত
কামনার পাশা পাশি দেশের সমৃদ্ধি অগ্রগতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থ্যতা কামনা মুসলীম উম্মাহর শান্তি ও মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার (বালক) এর ধর্মীয় শিক্ষক হাফেজ ইউনুছ আলী। এসময় জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও শিশু পরিবারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে পবিত্র মাহে রমজানের রহমতের এর দ্বিতীয় দিনে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে অসহায় ভ্যান চালক দুস্থ্য, ভিক্ষুক ও পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় স্কুল ছাত্রী সেজুতি হত্যার ৭দিন পর ঘাতক প্রেমিক গ্রেপ্তার

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা কলারোয়ায় অষ্টম শ্রেনীতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী সানচিতা হোসেন সেজুতি হত্যার সাত দিন পর নিহতের প্রেমিক ঘাতক আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার গভীর রাতে কলারোয়া পৌরসভার আফজালের মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ২৮ মার্চ সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে সেজুতির মরদেহ উপজেলার জালালাবাদ মাষ্টার পাড়া গ্রামের আলাউদ্দিন সরদারের কুল বাগানের ড্রেন থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত সেজুতির মা লায়লা পারভীন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃত ঘাতক আব্দুর রহমান কলারেয়া উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে ও হাবিবুল ইসলাম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ।
কলারোয়া থানার ওসি নাসির উদ্দীন মৃধা জানান, সানচিতা হোসেন সেজুতির সাথে তার প্রেমিক প্রতিবেশী আব্দুর রহমানের সাথে দীর্ঘদিনের গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুর রহমান তার জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করে বলেছে, সেজুতির সাথে তার গভীর প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি সে অন্য ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।

বিষয়টি মানতে পারেনি প্রেমিক আব্দুর রহমান। এমতাবস্থায় আব্দুর রহমান তার প্রেমিকা সেজুতিকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। এক পর্যায়ে গত ২৭ মার্চ সোমবার রাতে আব্দুর রহমান তার প্রেমিকা সেজুতিকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে কোন একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আব্দুর রহমান তার প্রেমিকা সেজুতিকে ধাক্কা দিলে সে পার্শ্ববর্তী বড়ির দেওয়ালে পড়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

তাৎক্ষণিক জ্ঞান না ফেরায় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আব্দুর রহমান তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর তার মরদেহ প্রতিবেশী আলাউদ্দিন সরদারের কৃষি ক্ষেতের কুল বাগানের ড্রেনে ফেলে রাখে।

ওসি আরও জানান, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘাতক আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রহমানকে আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দি প্রদানের জন্য আনা হয়েছে। জবানবন্দী প্রদান শেষে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার অমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিমের গেজেট বাতিল

নিজস্ব প্রতিনিধি :
অবশেষে বাতিল হয়েছে সাতক্ষীরার অমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিমের গেজেট। গত ২৪ মার্চ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল(জামুকা) এর ৭৮ তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৮১ জন অ মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়।

উল্লেখিত ৮১ জনের মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাহমুদ গ্রামের মৃত. হাজের সরদারের পুত্র আব্দুল করিমের নাম রয়েছে। আব্দুল করিমের বেসরকারী গেজেট নং ২৮৪, মুক্তিবার্তা নং – ৪০৪০১০৩৭৩। জামুকার ৭৮ তম সভায় সাতক্ষীরার একজনের গেজেট বাতিল হয়েছে। সেটি অমুক্তিযোদ্ধা করিম।

জানা গেছে, অমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কমির ৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করেও বিভিন্ন কৌশলে মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত হন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের যাবতীয় সুবিধা ভোগ করে আসছিলেন। সম্প্রতি সাতক্ষীরার বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম আব্দুল গফুর এর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হয়।

তদন্তে আব্দুর করিম অমুক্তিযোদ্ধা প্রমানিত হওয়ায় জামুকা তার গেজেট বাতিল করেন। এবিষয়ে অমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তার ব্যবহৃত নাম্বার বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম আব্দুল গফুর বলেন, আব্দুল করিম অমুক্তিযোদ্ধা প্রমানিত হয়েছে। সুতরাং আব্দুল করিমের সাথে মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত কোন কার্যক্রম না করার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমাদের সম্পর্কের সেতু গড়তে হবে, সম্পর্কের দেয়াল নয় … সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর

ডেস্ক রিপোর্ট:
৩ এপ্রিল সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান এর বিচার বিভাগ, সাতক্ষীরাতে যোগদানের ৩ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলনে তিনি।
তিনি আরো বলেন, উপস্থিত সকলে বলেছেন, আমি ৩ বছরে অনেক কিছু করেছি। কিন্তু আমি মনে করি আমার অনেক কিছু করার ছিলো এবং আছে যা আমি করতে পারি নি। আমি মনে করি ভালো কাজে যদি কেউ নাও থাকে তবুও রবীন্দ্রনাথের ভাষায় – যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে। বিচার বিভাগ হলো অন্ধকারে ভোরের সূর্যোদয়, সেই সূর্যের আলোকে আমাদেরই ধরে রাখতে হবে।”

এর আগে বিচার বিভাগ, সাতক্ষীরার সকল বিচারক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের উপস্থিতিতে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ।
বিচার বিভাগ, সাতক্ষীরার পক্ষ থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) এম জি আজম, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হুমায়ূন কবীর, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বিশ্বনাথ মন্ডল, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোঃ ফারুক ইকবাল, সিনিয়র সহকারী জজ নাসির উদ্দিন ফরাজী, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মনিরুল ইসলাম, জেলা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার হারাধন কুমার রায়চৌধুরী, জুডিসিয়াল পেশকার মোঃ ইদ্রিস আলী, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোঃ কামরুজ্জামান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির পক্ষে রোজাদার পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ

পবিত্র রমজান মাসের প্রথম রোজায় পথচারী রোজাদারদের মাঝে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির পক্ষ থেকে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে।

৩ এপ্রিল প্রথম রমজানে রোজাদার পথচারীর মাঝে ইফতার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি এস এম আশিকুর রহমানের পক্ষ ইফতার সামগ্রি বিতরণ করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। সাতক্ষীরা শহরের নারকেলতলা মোড়, আমতলা মোড়, কাটিয়া টাউন বাজার ও ফাড়ির সামনে দোকানদার, ভ্যান চালক সহ রাস্তায় অবস্থানরত মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ রাখায়  ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা
দেবহাটা ব্যুরোঃ দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী উপজেলার গাজীরহাটে গ্রাম্য চিকিৎসক মনিরুল ইসলামের ঔষধের দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এক অভিযান পরিচালনা করেন।
উক্ত দোকানে মেয়াদ উর্ত্তীর্ন ঔষধ রাখায় জরিমানা আদায় করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সূত্র জানায়, উক্ত গ্রাম্য চিকিৎসক মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন গ্রাম্য চিকিৎসক হওয়ায় তার গাজীরহাটস্থ নিজস্ব ঔষধের দোকানের মাধ্যমে ঔষধ বিক্রয় করেন।
তিনি মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধ বিক্রয় করছেন এমন অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালিদ হোসেন সিদ্দিকী তার দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় তার দোকান থেকে বিভিন্ন প্রকারের মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধ পাওয়া যায়। এমনকি ২০১০ সালে মেয়াদ শেষ হওয়া ঔষধও পাওয়া যায়। এ অভিযোগে ইউএনও মনিরুল ইসলাম, পিতা- মুজিবর রহমান, গ্রাম- চাঁদপুর, দেবহাটা, সাতক্ষীরাকে নগদ ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। এসময় স্থানীয়রা ২০১০ সালের ঔষধ পাওয়া যাওয়ায় অবাক হন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্ত্রী দায়েরকৃত মামলায় কারাগারে পুলিশ কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ ২০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় স্বামী পুলিশ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের জামিন বাতিল করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জি আজম এ আদেশ দেন।

আসামী রফিকুল ইসলাম ঝিনাইদহ জেলা সদরের হলিধানী প্রতাপপুর গ্রামের মৃত আফছার আলীর ছেলে ও বরগুনা জেলার তালতলি থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত হিসেবে কর্মরত।
মামলার বিবরনে জানা যায়, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব নারায়নপুর গ্রামের ঠিকাদার মৃত আব্দুল মজিদের মেয়ে তানিয়া আফরিনের সাথে ২০১৩ সালের ২২ মার্চ কালিগঞ্জ থানায় উপপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিন লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে হয় ঝিনাইদহ সদরের হলিধানী গ্রামের রফিকুল ইসলামের। বিয়ে আগে ৫ লাখ ও বিয়ের পর ১৩ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে নেয় রফিকুল। এরপরও ২০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে ঢাকার উত্তরার বাসা থেকে মারপিট করে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর তাড়িয়ে দেয় রফিকুল ও তার পরিবারের সদস্যরা। ওই বছরের ২৫ ডিসেম্বর মীমাংসার নামে কালিগঞ্জের পূর্ব নারায়নপুর গ্রামে এসে স্ত্রীকে দোতলায় ডেকে নিয়ে সেখানে কেই না থাকার সুযোগে মারপিট করে চলে যায় রফিকুল। মারাত্মক জখম অবস্থায় তানিয়াকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ২০২১ সালের ১০ জানুয়ারি তানিয়া তার স্বামী রফিকুল, শ্বাশুড়ি রাহেলা, দেবর সাইফুল ও সাইফুলের স্ত্রী নাহারের নামে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন ২৯/২১ মামলা দায়ের করেন। বিচারক এমজি আযম মামলাটির বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলায় বাদি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. আব্দুল মজিদ(২) এর সেরেস্তার অ্যাড. বসির আহম্মেদ। বিচারিক হাকিম ইয়াসমিন নাহার ছয় জনের সাক্ষী গ্রহণ করে রফিকুলের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতা আছে মর্মে গত বছরের ২২ মার্চ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম আসামী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

তানিয়া আরেফিনের অভিযোগ, বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. বসির আহম্মেদ হলেও আসামীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে একই সেরেস্তার আব্দুল মজিদ (২) হওয়ায় তিনি অবাক হয়ে যান। কারণ অ্যাড. আব্দুল মজিদের পরামর্শ অনুযায়ি তারই সেরেস্তায় মামলা করা হয়। একপর্যায়ে আসামী মীমাংসার নামে তিন বার জামিন নেন। বিপদ বুঝে তিনি আইনজীবী পরিবর্তণ করেন।

রবিবার আসামীপক্ষের আইনজীবী আসামী রফিকুলের স্থায়ী জামিনের(না: শিশু ৩৬৪/২১) আবেদন করেন। তার পক্ষের আইনজীবী বিশেষ পিপি অ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু, অ্যাড. এসএম হায়দার, অ্যাড. তপন কুমার দাস জামিন বাতিলের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানী শেষে বিচারক এমজি আযম আসামী রফিকুল ইসলামের জামিন বাতিল করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জজ কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাড. আব্দুল মজিদ(২) এর সাথে তার মোবাইল ফোনে যোগযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালেল বিশেষ পিপি অ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু পুলিশ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের জামিনাবেদন নাকচ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কা‌লিগ‌ঞ্জে করোনা এক্সপার্ট টিমের অসহায় সদস‌্যকে সহায়তা প্রদান

কা‌লিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কা‌লিগঞ্জ উপ‌জেলার চাম্পাফুল ইউ‌নিয়ন ক‌রোনা এক্সপার্ট টিমের অসুস্থ‌্য সদস‌্য অসহায়, হতদ‌রিদ্র সুব্রত বিশ্বাসকে স্বাবলম্বী কর‌তে সহায়তা প্রদান করা হ‌য়ে‌ছে। র‌বিবার বেলা ১১টার প‌রিষদ চত্ত্বরে অানুষ্ঠ‌নিক ভা‌বে চা‌য়ের দোকানের সকল প্রকার মালামাল, গ্যাসের চুলা-সিলিন্ডারসহ নগদ ৫ হাজার টাকা মূলধন তু‌লে দেন করোনা এক্সপার্ট টিমের এডমিন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলাম।

উ‌ল্লেখ‌্য ক‌রোনা এক্সপার্ট টি‌মের সদস‌্য চাম্পাফুল ইউনিয়নের সাইহাটি গ্রামের রনজিৎ বিশ্বাস ওর‌ফে চাদু বিশ্বাসের একমাত্র ছেলে সুব্রত বিশ্বাস (৩৫) গ্যাংগ্রীণ জনিত রো‌গে অাক্রান্ত হ‌লে ক‌রোনা এক্সপার্ট টি‌মের সদস‌্য,

এলাকাবাসীসহ হৃদয় বান ব‌্যা‌ক্তি‌দের সহ‌যো‌গিতায় দীর্ঘ‌দিন চি‌কিৎসা শে‌ষে সুস্থ‌্য হ‌য়ে বা‌ড়ি‌তে ফি‌রে অা‌সে।

এসময় সুব্রত প‌রিবার প‌রিজন নি‌য়ে বিপা‌কে পড়ার খবর ক‌রোনা এক্সপার্ট টি‌মের এড‌মিন উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্যান্য সদস্যদের নজ‌রে অাস‌লে তা‌কে স্বাবলম্বী করতে আবারও সহায়তার উদ্যোগ নিয়ে চা‌য়ের দোকানের সা‌থে ভাঁজার দোকান বা‌নি‌য়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরই প্রেক্ষিতে রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে দোকান তৈরীর সকল প্রকার সরঞ্জাম ও নগদ মূলধন ৫ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হ‌য়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খান, ক‌রোনা এক্সপার্ট টি‌মের এডমিন-২ সেলিম শাহরিয়ার, মিডিয়া সমন্বয়ক আহম্মদ উল্ল্যাহ বাচ্চু, ইউ‌নিয়ন টিম লিডার আমিনুর রহমান, দেবাশীষ বিশ্বাস, মোমিনুর রশিদসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest