সর্বশেষ সংবাদ-
সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

চলে গেলেন কিংবদন্তি গায়িকা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা গানের সোনালী যুগের কিংবদন্তি গায়িকা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভোগার পর মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) পরলোক গমন করেন কিংবদন্তি এই শিল্পী।

গত ২৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার অসুস্থ হয়ে পড়েন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। ওই দিনই তাঁকে গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছিল তার। ঘটনাচক্রে তার দুই দিন আগেই কেন্দ্রের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি।

বাংলা গানের স্বর্ণযুগের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁর কন্ঠের জাদুতে মজে কয়েক প্রজন্ম। ৫০ বছরেরও বেশি সময় নানা ভাষার ছবিতে প্লেব্যাক করেছেন তিনি। ছবির গানের পাশাপাশি বাংলা আধুনিক গান ও ধ্রুপদী সঙ্গীতেও তিনি ছিলেন সমান পারদর্শী। উস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খাঁর শিষ্যা ছিলেন তিনি। ১৯৩১ সালের ৪ অক্টোবর দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গীত শিক্ষার মূল কান্ডারী ছিলেন তাঁর দাদা রবীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। ১৯৪৫ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে প্রথম গান রেকর্ড করেন তিনি। কলম্বিয়া থেকে তাঁর প্রথম রেকর্ড করা গান গিরীন চক্রবর্তীর কথায় ও সুরে ‘তুমি ফিরায়ে দিয়াছ’ ও ‘তোমার আকাশে ঝিলমিল করে’। ১৯৪৮ সালে প্রথমবার রাইচাঁদ বড়ালের সঙ্গীত পরিচালনায় প্লেব্যাক করেন, ছবির নাম ‘অঞ্জনগড়’। ওই একই বছরে আরও তিনটি আধুনিক গান রেকর্ড করে সঙ্গীতজগতে নিজের জায়গা পাকা করে ফেলেন ভবিষ্যতের কিংবদন্তি।

১৯৫০ সালে মুম্বই পাড়ি দিয়েছিলেন বাংলা বেসিক আধুনিক গানের সম্রাজ্ঞী সন্ধ্যা। ১৭ টি হিন্দি ছবিতে প্লেব্যাক করেন তিনি। শচীন দেব বর্মনের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল তাঁর বম্বে সফর। শচীন দেববর্মন নিয়ে গেলেও মুম্বইয়ে প্রথম প্লেব্যাকের সুযোগ হল অনিল বিশ্বাসের সুরে ‘তারানা’ ছবিতে। সন্ধ্যার বড়দাই মুম্বইয়ে অনিল বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই ছবিতে গান গাইতে গিয়েই তাঁর পরিচয় হয় লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে। লতার সঙ্গে ডুয়েট গেয়েছিলেন ‘বাল পাপিহে বোল রে’, ‘তু বোল পাপিহে বোল’। গানের সূত্রে দুজনে ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন। পরবর্তীকালে সন্ধ্যার ঢাকুরিয়ার বাড়িতেও এসেছেন লতা। রাইচাঁদ বড়াল, শচীন দেব বর্মন থেকে শুরু করে সলিল চৌধুরী, নচিকেতা ঘোষ, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় সহ সেই সময়ের সমস্ত দিকপাল সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গেই কাজ করেছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। উত্তম সুচিত্রার লিপে তাঁর ও হেমন্তের রোমান্টিক গান আজও সমান জনপ্রিয়। ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’,’এ শুধু গানের দিন’,’এই মধুরাত’ গানগুলো আজও বাঙালির কাছে রোমান্টিসিজমের সমার্থক।

ছবির গানের পাশাপাশি সমান জনপ্রিয় সন্ধ্যা মুখোপাধ্য়ায়ের গাওয়া বাংলা বেসিক গান। ‘হয়ত কিছুই নাহি পাবো’,’আয় বৃষ্টি ঝেপে ধান দেব মেপে’,’মায়াবতী মেঘে এল তন্দ্রা’,’শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি’,’চম্পা চামেলি গোলাপেরই বাগে’-র মতো অসংখ্য কালজয়ী গান তাঁকে অমর করে রেখেছে সঙ্গীতের দুনিয়ায়। ১৯৭১ সালে ‘জয়জয়ন্তী’ ও ‘নিশিপদ্ম’ ছবিতে গান গেয়ে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ১৯৯৯সালে লাইফটাইম অ্য়াচিভমেন্টের জন্য ভারত নির্মান পুরস্কার পান। ২০১১ সালে বঙ্গবিভূষণ সম্মান পান তিনি। ২০২২ সালে তাঁকে ‘পদ্মশ্রী’ দিতে চেয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার, কিন্তু এতদিন সে সম্মান তাঁকে না দেওয়ায় অভিমানে পদ্মশ্রী প্রত্যাখান করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় জমিদার ফণীভূষণ মন্ডল স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল
 দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় জমিদার ফণীভূষণ মন্ডল স্মৃতি ৮দলীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে দেবহাটা ফুটবল একাদশের আয়োজনে দেবহাটা পাইলাট স্কুল মাঠে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় দেবহাটা ক্রিকেট একাদশ সুশীলগাতি ক্রিকেট একাদশকে ৫ উইকেটে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
ফাইনাল খেলার ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ দেবহাটা ক্রিকেট একাদশের সাজু এবং ম্যান দ্যা টুর্নামেন্ট দেবহাটা ক্রিকেট একাদশ এর আল-আমিন হোসেন।
অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ।
ক্রীড়া সংগঠক রামকৃঞ্চ দত্তের সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ক্রিড়ামোদী অনিক দত্ত, সমীর পাল, আবুল কালাম, জিন্নাত আলী প্রমুখ। খেলাটির পরিচালনায় দায়িত্ব ছিলেন হাসানুর এবং ফারুক হোসেন এবং স্কোরার ছিলো আশিকুজ্জামান। পরে উপস্থিত অতিথিরা বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশিদের ইউক্রেন ছাড়ার পরামর্শ দিল দূতাবাস

বিদেশের খবর: ইউক্রেনে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের দেশটি ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে পোল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। ইউক্রেনে সাম্প্রতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ পরামর্শ দিয়েছে পোল্যান্ডের বাংলাদেশ দূতাবাস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে ইউক্রেনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবিলম্বে ইউক্রেন ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। অন্য কোনো দেশে যেতে না পারলে তারা বাংলাদেশে যেতে পারেন। ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সময়ে দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরামর্শ হালনাগাদ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, একই সঙ্গে সব বাংলাদেশিকে অত্যাবশ্যকীয় না হলে ইউক্রেনে সব ধরনের ভ্রমণ পরিহার করার পরামর্শ দেওয়া হলো।

এ ছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে, জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য দেশটিতে অবস্থানরত সব বাংলাদেশিকে তাদের অবস্থানের তথ্য দূতাবাসকে জানিয়ে রাখার অনুরোধ করা হয়।

উল্লেখ্য, সমদূরবর্তী দায়িত্বের অংশ হিসেবে পোল্যান্ডে অবস্থিত দূতাবাসের মাধ্যমে ইউক্রেনের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : বেসরকারী শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ ও পূর্নাঙ্গ উৎসব ভাতাসহ ০৮ দফা দাবি দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন সাতক্ষীর জেলা শাখা।

সংগঠনটির জেলা শাখার আয়োজনে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।
স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন সাতক্ষীর জেলা শাখার আহবায়ক প্রভাষক এম. সুশান্তের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্বাশিপ এর সাংগঠনিক সম্পাদক সহ-কারী অধ্যাপক আকবর হোসেন সরদার,

অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, সহ-কারী অধ্যাপক মো. সাইফুল্লাহ, অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, আব্দুর রউফ, তাহমিনা বিলকিচ, সহ-কারী অধ্যাপক আব্দুলাহ আল মামুন, প্রভাষক জাফরুল্লাহ, দেবব্রত কুমার মিস্ত্রী প্রমূখ।
বক্তারা এ সময় সরকারি সকল শর্ত পূরণ করে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানকে অতিদ্রুত এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা গ্রহন, সার্বজনীন বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ানসহ ০৮ দফা দাবি তুলে ধরেন। মানববন্ধন শেষে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় শ্রমিকলীগ পাটকেলঘাটা শাখার সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
জাতীয় শ্রমিকলীগ পাটকেলঘাটা শাখার সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২ তারিখে জেলা শ্রমিকলীগের আহবায়ক আব্দুল্লাহ সরদার ও সদস্য সচিব মাহমুদুল আলম বিবিসি স্বাক্ষরিত এক পত্রে বাসুদেব বিশ্বাস কে আহবায়ক ও রিপন হোসেন কে সদস্য সচিব করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

পাটকেলঘাটা থানা শাখার সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন, যুগ্ম আহবায়ক লিটন সরদার, হায়দার আলী মোড়ল, কামাল হোসেন, সদস্য যথাক্রমে ইসমাইল হোসেন সরদার,

রবি ঠাকুর, স্বপন কুমার সাধু, জি এম মমতাজ উদ্দীন, ইকবাল হোসেন,

আবু দাউদ বিশ্বাস, সুশান্ত কুমার সরকার, ডালিম সরদার, সিরাজুল ইসলাম, মালেক সিরাজুল ইসলাম, মালেক সরদার, তালেব সরদার, শহর আলী সরদার, হাসেম আলী শেখ, আলী আহম্মদ, আলী আকবর, ওসমান গণি, আহাদুর রহমান, সাইফুল সরদার, আলাউদ্দিন সরদার, হান্নান সরদার, জাহাঙ্গীর সরদার, রাজু বিশ্বাস, আজিজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মোড়ল,

পিন্টু ঘোষ, শেখ কুদ্দুস, শেখ আনিছুর রহমান, মো: আনিছুর রহমান, এমরান হোসেন ও শওকাত মোড়ল।
অনুমোদনকালে জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, আপনারা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী, মহান স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে জামাত-বিএনপির সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা’র শ্রমবান্ধব সরকারের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, সততা ও সাহসের সাথে আপনাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য অত্র কমিটি অর্পণ করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুত্র হত্যার বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অসহায় পিতা-মাতা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় পুত্র হত্যার বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক অসহায় পিতা-মাতা। ন্যায় বিচার পেতে ইতোমধ্যে নিজের বসতবাড়ীসহ সারা জীবনের সঞ্চিত অর্থ ঘুচিয়েছেন তালা উপজেলার মুড়াগাছা গ্রামের আসমানতুল্লাহ সরদারের পুত্র আবু সাঈদ।
মামলার বাদী আনার আলী মামলা থেকে আসামীদের অব্যাহতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
গতকাল সাতক্ষীরা সাংবাদিকদের কাছে কান্না জড়িত কণ্ঠে অভিযোগ জানান ভুক্তভোগী আবু সাঈদ ও তার স্ত্রী।

সন্তান হারা দম্পত্তি জানান, বিগত ২০১৯ সালের ২২ জুলাই জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই এলাকার জনাব আলী সরদারের পুত্র রহমত আলী সরদার, মৃত. মান্নান আলী সরদারের পুত্র জনাব আলীসহ কতিপয় ব্যক্তি আবু সাঈদের পুত্র আব্দুল খালকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হলেও তড়িঘড়ি করে মামলার বাদী হন আবু সাঈদের আপন ভাই আনার আলী সরদার। এরপর মামলা পরিচালনা করার অযুহাতে বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করতে থাকে আনার আলী সরদার। সন্তান হত্যার ন্যায় বিচার পেতে ভুক্তভোগী পিতা-মাতা নিজেদের বসত ভিটেও বিক্রয় করতে বাধ্য হন। এছাড়া বিভিন্ন স্থান থেকে ঋণ করেও টাকা তুলে দেন ভাই আনার আলীর কাছে। কিন্তু মামলার কার্যক্রম ধীর গতিতে চলতে থাকে। এতে সন্দেহ হওয়ায় ভুক্তভোগী পিতা আবু সাঈদ খোজ খবর নিয়ে জানতে পারেন ভাই আনার আলী বাদী হওয়ার সুবাদে আসামী পক্ষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে মামলার কার্যক্রম দুর্বল করে দিয়েছেন। সন্তান হারা ওই সম্পত্তি দ্রুত মামলার বাদী পরিবর্তন পূর্বক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে মামলার বাদী আনার আলী সরদারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নিজের ভাই আবু সাঈদকে পাগল দাবি করে বলেন, আসলে মামলা ধীর গতিতে চলছে এটি সঠিক। কিন্তু আসামীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা। এছাড়া আমিও চাই মামলার বাদী পরিবর্তন করা হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ী প্রতিনিধি :: ইউনিয়নবাসীর ভালবাসায় সিক্ত হয়েছেন কাশিমাড়ী ইউপির ৩ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ। মঙ্গলবার ৩য় মেয়াদের প্রথমদিনে ইউনিয়ন পরিষদে এক গণসংবর্ধনার মাধ্যমে ইউনিয়নবাসী নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে এ ভালবাসায় সিক্ত করেন। এসময় ইউপি সচিব আব্দুস সবুর নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান কে ইউনিয়নের দায়িত্বভার হস্তান্তর করনে।
এসময় ইউনিয়নের আপামর জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক প্রভাষক জহুরুল হকের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা দেবী রন্জন মন্ডল, শামসুর রহমান দুখী, রাজাগুলা বাহার, আকবর আলী পিয়াদা,
অধ্যক্ষ গাজী মোঃ সফিকুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুস সবুর মোল্যা, মুকুন্দ কুমার মন্ডল, মাওলানা নেছার উদ্দীন, মাওলানা আব্দুল আজিজ সহ নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য হামিদুল কবীর বাবু,
আজহারুল ইসলাম, গাজী আকতার ফারুক, আনোয়ার হোসেন ঢালী, গাজী আব্দুল অহিদ, আব্দুস সবুর গাজী, নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সাহাবুদ্দিন সানা, জামিরুল আলম বাবলু, আব্দুল মজিদ,
সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য সাহিদা পারভীন, পাপিয়া হক ও হোসনেয়ারা রেণু প্রমুখ।
এসময় নব নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ কাশিমাড়ীকে একটি জনবান্ধব আধুনিক মডেল ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মিথ্যা নাটক সাজিয়ে ব্যবসায়ীকে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পাওনা টাকা চাওয়ায় মারপিটের মিথ্যা নাটক সাজিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোত্তালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল গ্রামের রবিউল ইসলামের পুত্র রায়হান ইসলাম মিলন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জুয়েল কর্তৃক হয়রানির শিকার হওয়া মেজবাউদ্দীন।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমি একজন থাই ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন সাতক্ষীরা জেলায় অত্যন্ত সুনামের সাথে ব্যবসায় পরিচালনা করে আসছি। গত কয়েক বছর পূর্বে সাতক্ষীরা শহরের কাশেমপুর গ্রামের মৃত. ছুরমান আলীর পুত্র শাহাবুজ্জামান জুয়েলের সাথে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে কয়েকমাস আগে আমাকে একটি মোবাইল দেওয়ার শর্তে ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করে সে। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও টাকা ফেরত বা মোবাইল না দেওয়ায় তার কাছে টাকা চাইলে টাকা না দিয়ে তালবাহানা করতে থাকে।

সর্ব শেষ ১৩ ফেব্রুয়ারী মোবাইল ফোনে টাকা চাইলে জুয়েলের সাথে বাকবিত-া বাধে। এরপর ওই রাতেই একটি নাটক সাজিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আমিসহ আমার সঙ্গীরা তাকে ফিল্মি স্টাইলে তুলে নিয়ে মারপিট করেছি মর্মে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে। অথচ ঘটনায় উল্লেখিত দিন ও সময়ে আমি ব্যবসায়ীক কাজে ধুলিহর ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গায় ছিলাম। সহযোগি হিসেবে যাদের নাম দেওয়া হয়েছে তাদের সাথে আমার বহুদিন যোগাযোগ হয় না। এছাড়া ঘটনাস্থল হিসেবে পানসি রেস্তোরা উল্লেখ করেছে জুয়েল। শহরের একটি জনবহুল এলাকা থেকে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাবো অথচ কেউ দেখবে না এটি কেমন করে হতে পারে।
তিনি আরো বলেন জুয়েল একজন প্রতারক। বিভিন্ন স্থানে প্রতারনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্দে। এসব প্রতারনার ঘটনা ধামা চাপা দিতে সে ইতোপূর্বের এমন ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমরা অবগত হয়েছি। আমি ওই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তদন্তে আমার ন্যুনতম সম্পৃক্ততা থাকলে আমার শাস্তি হোক। তিনি জুয়েলের সাজানো নাটকের তদন্তপূর্বক প্রকৃত ঘটনা উৎঘটন করতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সাতক্ষীরায় মিথ্যা নাটক সাজিয়ে ব্যবসায়ীকে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পাওনা টাকা চাওয়ায় মারপিটের মিথ্যা নাটক সাজিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোত্তালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল গ্রামের রবিউল ইসলামের পুত্র রায়হান ইসলাম মিলন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জুয়েল কর্তৃক হয়রানির শিকার হওয়া মেজবাউদ্দীন।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমি একজন থাই ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন সাতক্ষীরা জেলায় অত্যন্ত সুনামের সাথে ব্যবসায় পরিচালনা করে আসছি। গত কয়েক বছর পূর্বে সাতক্ষীরা শহরের কাশেমপুর গ্রামের মৃত. ছুরমান আলীর পুত্র শাহাবুজ্জামান জুয়েলের সাথে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে কয়েকমাস আগে আমাকে একটি মোবাইল দেওয়ার শর্তে ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করে সে।

কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও টাকা ফেরত বা মোবাইল না দেওয়ায় তার কাছে টাকা চাইলে টাকা না দিয়ে তালবাহানা করতে থাকে। সর্ব শেষ ১৩ ফেব্রুয়ারী মোবাইল ফোনে টাকা চাইলে জুয়েলের সাথে বাকবিত-া বাধে। এরপর ওই রাতেই একটি নাটক সাজিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আমিসহ আমার সঙ্গীরা তাকে ফিল্মি স্টাইলে তুলে নিয়ে মারপিট করেছি মর্মে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে। অথচ ঘটনায় উল্লেখিত দিন ও সময়ে আমি ব্যবসায়ীক কাজে ধুলিহর ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গায় ছিলাম। সহযোগি হিসেবে যাদের নাম দেওয়া হয়েছে তাদের সাথে আমার বহুদিন যোগাযোগ হয় না। এছাড়া ঘটনাস্থল হিসেবে পানসি রেস্তোরা উল্লেখ করেছে জুয়েল। শহরের একটি জনবহুল এলাকা থেকে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাবো অথচ কেউ দেখবে না এটি কেমন করে হতে পারে।

তিনি আরো বলেন জুয়েল একজন প্রতারক। বিভিন্ন স্থানে প্রতারনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্দে। এসব প্রতারনার ঘটনা ধামা চাপা দিতে সে ইতোপূর্বের এমন ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমরা অবগত হয়েছি। আমি ওই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তদন্তে আমার ন্যুনতম সম্পৃক্ততা থাকলে আমার শাস্তি হোক। তিনি জুয়েলের সাজানো নাটকের তদন্তপূর্বক প্রকৃত ঘটনা উৎঘটন করতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest