সর্বশেষ সংবাদ-
সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

দেবহাটা থানা পুলিশের তৎপরতায় সদ্য দিনেই ২ কিশোরী উদ্ধার

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা থেকে হারিয়ে যাওয়া ২ শিশু কন্যাকে উদ্ধার করলেন দেবহাটা থানা পুলিশ। হারিয়ে যাওয়া শিশুদের পিতার দেবহাটা থানায় দায়ের করা জিডির সূত্র ধরে পুলিশ তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া ২ শিশু কন্যাকে গোয়ালন্দ এলাকা থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মতে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর কুলিয়া গ্রামের মফিজুল ইসলামের ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া কন্যা মরিয়ম (১১) ও একই গ্রামের কামরুল ইসলামের ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া কন্যা ইতি আক্তার খুশি (৯) গত ইং ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২২ তারিখ দুপুর ২ টার দিকে প্রাইভেট পড়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়।

কিন্তু সন্ধ্যার পরেও তারা বাড়িতে না ফিরে আসায় তাদের পরিবারের লোকজন খোজাখুজি শুরু করে। কিন্তু কোথাও তাদেরকে খুজে না পেয়ে মরিয়মের পিতা মফিজুল ইসলাম গত ইং ১৭-০২-২০২২ তারিখে বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় ৫৭৩ নং জিডি করেন। পুলিশ ঐ জিডির সূত্র ধরে দ্রুত ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে অভিযান পরিচালনা করে গোয়ালন্দ এলাকা থেকে শুক্রবার ভোরের দিকে তাদেরকে উদ্ধার করে দেবহাটা থানায় নিয়ে আসে। ওসি শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান, হারিয়ে যাওয়া শিশুর পিতার জিডির সূত্র ধরে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অভিভাবকদের কাছে তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের সকল ষাটোর্ধ নাগরিকের জন্য পেনশন স্কিম গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভিন্নরকম খবর: দেশের ষাটোর্ধ্ব জনগণের জন্য একটি সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রণয়ন এবং কর্তৃপক্ষ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবনে অর্থ বিভাগ কর্তৃক ‘সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তন’ বিষয়ক একটি উপস্থাপনা অবলোকন করেন।
সম্পর্কিত খবর

এসময় আওয়ামী লীগের গত নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারিসহ সকল ধরনের অনানুষ্ঠানিক খাতের ষাটোর্ধ জনগণের জন্য একটি সার্বজনীন পেনশন স্কিম প্রণয়ন এবং কর্তৃপক্ষ স্থাপনের নির্দেশনা দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদারসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নায়িকা একার বিরুদ্ধে মাদক মামলায় চার্জশিট

বিনোদন ডেস্ক: মাদক মামলায় ঢাকাই চলচ্চিত্রের নায়িকা সিমন হাসান একার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) হাতিরঝিল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনির মণ্ডল গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ১১ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. ফয়সাল আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত ২৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলামের আদালতে এ অভিযোগপত্র গৃহীত হয়। বর্তমানে মামলাটি বদলির অপেক্ষায় রয়েছে।

এর আগে গত বছরের ৩১ জুলা রাজধানীতে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ রামপুরার নিঝুম এলাকার বাসা থেকে নায়িকা একা’কে আটক করে পুলিশ। পরে তার বাসায় মাদক পাওয়া গেলে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হলেও পরবর্তীতে জামিন পান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করার অভিযোগ

দেশের খবর: ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে করোনাভাইরাসের টিকা নিতে আসা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। এতে অনেক শিক্ষার্থীকে টিকা না নিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবকেরা শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করেছে বলে অভিযোগ একাধিক শিক্ষার্থীর।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৫৯জন শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর জেলায় শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। গত বুধবার পর্যন্ত ১ লাখ ১৫ হাজার ৫০২ শিক্ষার্থীকে প্রথম ডোজ ও ৬২ হাজার ৮৮ শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। আজ ওই কেন্দ্রে টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রের বাইরে উপচে পড়া ভিড়। ভেতরে বাঁ পাশের লাইনে ছাত্র ও ডান পাশে ছাত্রীরা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে। ভিড়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। কারও কারও মুখে মাস্ক নেই। বাইরে অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীরা হুড়োহুড়ি করে ভেতরে প্রবেশ করছে। হুড়োহুড়ি দেখে একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের নিয়োজিত ১০-১২ জন স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা শুরু করেন। লাঠিপেটা থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীরা ছুটোছুটি করতে থাকে। অনেকেই পাশের নর্দমায় পড়ে আহত হয়। এ অবস্থায় অনেক শিক্ষার্থীকে টিকা না নিয়েই বাড়ি ফিরে যেতে দেখা যায়।
মনোয়ারা নামে এক শিক্ষার্থী জানায়, সকাল ৬টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়েছি। স্কুল থেকে প্রায় ৩০টি ইজিবাইকে করে আমরা হাসপাতালে এসেছি। ৯টার দিকে এসে দেখি প্রচুর ভিড়। লাইনে দাঁড়াতেই শুরু হয় লাঠিপেটা। বাঁচতে আমার তিন সহপাঠী নর্দমায় পড়ে আঘাত পায়। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিমা বলেন, বড় ভাইয়ের সঙ্গে টিকা নিতে এসেছি। কিন্তু টিকা কেন্দ্রে ভিড় আর স্বেচ্ছাসেবীদের হাতে থাকা লাঠি দেখে ভয়ে আর টিকা নিতে যায়নি। রাকিব নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান, এখানে শৃঙ্খলার কোনো বালাই নাই।

এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ফিরোজ জামান জুয়েল জানান, শিক্ষার্থীরা ধর্য না ধরে হুরোহুরি করে কে কার আগে টিকা নিবে এমন প্রতিযোগিতা চলছিল। সেকারনে স্বেচ্ছাসেবীরা পরিস্থিতি সামলাতে ছত্রভঙ্গ করেন। এছাড়া তেমন কিছু ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুনিয়া হত্যায় হুইপের সাবেক পুত্রবধু মিমের জামিন নামঞ্জুর

দেশের খবর: কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়া হত্যা মামলার আসামি সাইফা রহমান মিমের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. আতাউল্লাহর আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

মিম জাতীয় সংসদের হুইপ ও চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের সাবেক স্ত্রী। মুনিয়া হত্যা মামলায় তিনি ৬ নম্বর আসামি।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে ঢাকার ধানমণ্ডির বাসা থেকে মিমকে পিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) কার্যালয়ে নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সন্ধ্যার দিকে তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন বুধবার আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ।

আদালত মিমকে কারাগারে পাঠিয়ে জামিন শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। পরে আজ মিমের পক্ষে আইনজীবী গাজী শাহ আলম জামিন শুনানি করেন।

শাহ আলম বলেন, ‘মিম এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। যে ধারায় মামলা করা হয়েছে, তা তাঁকে অভিযুক্ত করে না। এজন্য তাঁর জামিন প্রার্থনা করছি। এ ছাড়া আসামি একজন নারী। যেকোনো শর্তে তাঁর জামিন প্রার্থনা করছি।’

যদিও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মিমের জামিনের বিরোধিতা করে।

আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার গুলশান থানার (নারী-শিশু) কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ঢাকার গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে গত বছরের ২৬ এপ্রিল রাতে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ২১ বছর বয়সী মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া। আনভীরের বিরুদ্ধে মুনিয়াকে বিয়ের প্রলোভনে সম্পর্ক এবং আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ আনেন তানিয়া। ওই মামলায় গত ১৯ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। ১৮ আগস্ট চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তাঁকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জের বাঁশঝা‌ড়িয়া এক অপার সম্ভাবনায় পর্যটন স্পট

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : সুন্দরবনের সৌন্দর্য হৃদয়কে স্পর্শ করে না এমন মানুষ নেহাত কমই আছে। প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য ও মায়াজাল দেখার জন্য দূর দূরান্ত থেকে ছুটে যান অনেকে। তবে সে জন্য সময়, শ্রম, অর্থ সব কিছুর প্রয়োজন হয় ভ্রমণে। সহজেই সুন্দরবনের সেই ছোঁয়া পাবেন বাংলা‌দেশ ও ভ‌ারত সীমান্তের কালিন্দী নদীর পা‌ড়ে অাস‌লে। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থে‌কে আগতরা সৌন্দর্য উপভোগ করেন। সুন্দরবনের এই অপরূপ সৌন্দর্য। হ্যা, বাস্তবেই তাই। সে‌টি হ‌লো বাঁশঝা‌ড়িয়া মি‌নি সুন্দরবন! সুন্দরবনের মূল ভূখন্ড থেকে ৪০/৫০ কিঃ মিঃ উত্তরে কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশঝা‌ড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন কালিন্দী নদীর বুক চি‌রে জেগে ওঠা চরে ৬’শ একরের অ‌ধিক চরভরাটে জমি ইতিমধ্যে মিনি সুন্দরবন না‌মে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানকার বিস্তীর্ণ চর জুড়ে গড়ে উঠেছে সবুজ অরণ্য। সুন্দরবনের অসংখ্যা প্রজাতির উদ্ভিদ, বন্যপ্রাণী ও বিভিন্ন প্রকার গাছের দেখা মিল‌বে এখা‌নে। নদীর মাঝখানে সবুজ সুন্দরী বৃক্ষের সারি অার ব‌নের চারিপা‌শে জলরাশি যা সক‌লের মনকে আপ্লুত করবেই। প্রতিদিন প্রকৃতি প্রেমী অসংখ্য মানুষ অবসর সময় কাটাতে ও ছবি তুল‌তে এখা‌নে অা‌সেন। এই ব‌নে মৌমাছিরা মধু আহরণ করে তৈরি কর‌ছে মৌচাক। পাখিদের বসবাসের জন্য অভয়ারণ্য বলা হয় এই বনকে। সুন্দরী, কেওড়া বাইন গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি পাখি ও বন্য প্রানীদের কারণে ই‌তিম‌ধ্যে মিনি সুন্দরবন না‌মে যার পরিচিতি পে‌য়ে‌ছে জেলা জু‌ড়ে। এখা‌নে এ‌লে গাছের শীতল ছায়া আর নির্মল বাতাস সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয় ভ্রমণ পিপাসুদের। এই মিনি সুন্দরবনকে ঘিরে এ অঞ্চা‌লে আসার আলো দেখা দিয়েছে। বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্যতম ম্যানগ্রোভ বন হিসাবে এটি বিস্তৃতি লাভ করায় অনেকটা সম্ভবনার দ্বার খুলে যাচ্ছে বলে মনে করছেন স‌চেতন মহল। চারপাশে পানি বেষ্ঠিত এ বনভূমিটি সৌর্ন্দয্য পিপাসু ব্যাক্তির জন্য একটি আকর্ষনীয় স্থান হ‌য়ে উ‌ঠে‌ছে। সরকার বাহাদুর যথাযথ ব‌্যবস্থা নিলে বাঁশঝাড়িয়া মি‌নি সুন্দরবন হতে পারে দেশের অন্যতম একটি সম্ভাবনার পর্যটন স্পট ও পিকনিক কর্নার। প্রাপ্ততথ্যে জানা যায়, ১৯২৬ সালের দিকে বাঁশঝাড়িয়া মৌজায় প্রায় ৩’শ একর জমি কালিন্দীর নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়। এর ১৫ বছর পর ১৯৪০ সালের দিকে কালিন্দী নদীর বাংলাদেশের সীমানায় জেগে ওঠে একটি বিশাল চর। তখন থেকে বাঁশঝাড়িয়া চর নামে এই মিনি সুন্দর বনের আত্ন প্রকাশ ঘটে।
ভূতপূর্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ থাকা কা‌লে
বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন সচিব মাসুদ হোসেন এ মিনি সুন্দরবন পরিদর্শন করেন। এসময় স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ সা‌থে ছি‌লেন।
স্থানীয় গ্রামবা‌সিরা অাকবার অালী গাজী (৮০) ও পিয়ার অালী গাইন (৭৫) ব‌লেন, তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের কাঠুরিয়ারা বাঁশঝাড়িয়া বনে নির্বিঘ্নে কাঠ কাঠতো। ১৯৭৭ সালের দিকে সহস্রাধিক ভারতীয় মৎস্য শিকারী বন জবর দখলের জন‌্য বাঁশঝাড়িয়া বনে একতরফা ভাবে অনুপ্রবেশ করে। এসময় মৎষ্য শিকারের সুবিধার্থে তারা বাংলাদেশের সীমানায় বাঁধ দিতে শুরু ক‌রে। বিষয়‌টি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্ঠি হলে ১৯৭৮ সালে ভারতের নয়াদিল্লীতে বিডিআর ও বিএসএফ‘র মহাপরিচালক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ন বৈঠক অনু‌ষ্ঠিত হয়। সেখানে সিধান্ত হয় যতদিন পর্যন্ত উভয় দেশের মধ্যে যৌথ সীমানা জরিপ সম্পন্ন না হবে ততদিন পর্যন্ত বিরোধপূর্ন ঐ বনভূমির মালিকানা কেউ দাবী করতে পারবে না। সেই থেকে ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও সম্পন্ন হয়নি সীমানা জরিপের কাজ। ফলে বাঁশঝাড়িয়া বনভূমি সংক্রান্ত বিরোধেরও কোন নিস্পত্তি হয়নি। তবে চর ও বনভূমি নিয়ে বর্তমানে কোন উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নেই বলে বাঁশঝাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার ক্যাম্প কমান্ডার আশরাফুল ইসলাম জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ছেলের জন্মদিনে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ও তার সহধর্মিণী নাদিয়া আফরোজ।

বুধবার দুপুর ২ টায় শহরের মাগুরাস্থ হযরত মাতেমা (রাঃ) মহিলা কওমী মাদ্রাসা লিল্লাহ বোডিং ও এতিমখানায় ওই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় হযরত মাতেমা (রাঃ) মহিলা কওমী মাদ্রাসা লিল্লাহ বোডিং ও এতিমখানার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার পত্নী নাদিয়া আফরোজ।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, মা-বাবা হারানোর কষ্ট কতটুকু তা কেবলমাত্র এতিমরাই জানে। এতিমদের মনে অনেক কষ্ট, অনেক বেদনা। আমাদের কাছ থেকে একটু সাহায্য, সহযোগিতা পেলে তারা একটু ভাল থাকে। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন এমিতদের পাশে থাকবো। তাদের সাহায্য করতে পারলে আমার অনেক ভাল লাগে। স্ব-স্ব অবস্থান থেকে প্রত্যেক মানুষের এতিমদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পূর্ব শত্রুতার জেরে কলারোয়ায় দেড়শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কলারোয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সিংগা গ্রামের মৃত রুহুল কুদ্দুসের পুত্র ফজলুল করিমের সাথে একই এলাকার নাছিমা খাতুন গংয়ের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে বিভিন্ন সময়ে নাছিমা খাতুন গং হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছিল। একপর্যয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারী ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নাছিমা খাতুন, মৃত ইমান আলী দালালের পুত্র শফিউল আযম, মৃত. আতর আলী দালালের পুত্র নেছার আলীসহ কতিপয় ব্যক্তি ফজলুল করিমের স্ত্রী নাজমা খাতুনের নামীয় সম্পত্তিতে প্রবেশ করে সেখানে লাগানো ৪৩টি মেহগনি গাছ, ২৫টি ফলন্ত আম গাছ এবং ৭০টি কুল গাছ কেটে সাবাড় করে। এর প্রতিবাদ করায় নাছিমা খাতুন গং উল্টো খুন জখমসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির হুমকি প্রদর্শন করেন। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কলারোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest