সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

ঝাড়ুদার থেকে ডেপুটি কালেক্টর

ভিন্ন স্বাদরে খবর : ভারতের যোধপুর মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের ঝাড়ুদার ছিলেন আশা কান্দারা। সম্প্রতি সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি রাজস্থান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস পাশ করে একজন ডেপুটি কালেক্টর হতে চলেছেন। শীগগিরই সম্মানজন এ পদে যোগ দেবেন তিনি। এ খবর দিয়েছে টাইমসনাউনিউজ।

খবরে বলা হয়, দুই সন্তানের মা আশার ৮ বছর আগেই তার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। সে সময় থেকেই দুই সন্তানকে একাই লালন-পালন করেছেন তিনি। পাশাপাশি চালিয়ে গেছেন নিজের পড়াশুনা। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন আশা। বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষাও দিয়ে যাচ্ছিলেন।

এরই অংশ হিসেবে ২০১৯ সালে তিনি রাজস্থান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস পরীক্ষা দেন তিনি। সেই পরীক্ষার ফলাফলই বের হয়েছে দীর্ঘ দুই বছর পর। তাতেই ডেপুটি কালেক্টর হতে যাচ্ছেন আশা।

তবে বাবার বাড়িতে বিনা আয়ে বেশিদিন থাকতে তারর সংকোচ বোধ হচ্ছিল বলে সেই ২০১৯ সালেই অন্য একটি চাকরি নিয়েছিলেন আশা। রাজস্থান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস পরীক্ষা দিয়েই তিনি যোধপুর মিউনিসিপ্যালিটিতে সুইপারের চাকরি শুরু করেন। গত ২ বছর ধরেই তিনি সাফাইকর্মী বা ঝাড়ুদার হিসেবে কাজ করেছেন সেখানে। তিনি জানান, রাজস্থান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস পরীক্ষার ফলাফল বের হতে দুই বছর লেগে গেছে। আমি মাঝে একদম আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। অবশেষে ২ বছর পর সেই রেজাল্ট বের হল।

নিজের সফলতার কথা শুনে তার উচ্ছ্বাসের বাঁধ ভেঙ্গে যায়। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, কোনো বাধাই একজন নারীকে থামিয়ে রাখতে পারে না যতক্ষন তিনি নিজে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকেন। আশা জানিয়েছেন, তার এই সফলতার কৃতিত্ব তার পরিবারের সদস্যদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৫ মণের ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’ এর দাম হাঁকা হচ্ছে সাড়ে ৩ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২২ বছরের টগবগে যুবক মো. হুসাইন। গ্রামের আর দশটা ছেলের মতো চাকরির পেছনে না ছুটে লেখাপড়ার পাশাপাশি শুরু করেছেন শখের খামার। আসন্ন ঈদুল আযহায় তার খামারের প্রথম ও একমাত্র গরু ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’কে বিক্রি খামার বড় করতে চান তিনি।

মো. হুসাইন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের যোগরাজপুর গ্রামের হাফেজ মো. আবদুল জব্বারের ছেলে। ছোট থেকে বাবা-মাকে গরু লালন-পালন করা দেখে হুসাইনের আগ্রহ জন্মে গরুর খামার করার। সে ইচ্ছে থেকেই পড়ালেখার পাশাপাশি ২০১৯ সালে বাড়ির একটি ছোট্ট গরুর বাছুর নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেন শখের খামার। তার খামারের সেই ছোট্ট গরুর বাছুরটি ২৪ মাসের পরম যতœ আর ভালোবাসায় ১৫ মণ ওজনের ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’-এ রূপ নিয়েছে। আসন্ন ঈদুল আযহায় এই ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’কে সাড়ে তিন লক্ষ টাকায় বিক্রি করতে চান তরুন এই খামারী।

মো. হুসাইন ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানের ভক্ত হওয়ায় তার উপাধি ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’-এর সাথে মিল রেখে খামারের প্রথম গরুটির নাম রেখেছেন। সম্পূর্ণ দেশীয় উপায়ে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বিচালী, কাচা ঘাস, গমের ভ‚সি, ভুট্টার গুড়া ও ধানের কুড়া খাইয়ে বড় করেছেন গরুটিকে।

ফ্রিজিয়ান জাতের ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’ এর দৈর্ঘ্য ৭৭ইঞ্চি আর বুকের বেড় ৯২ইঞ্চি। এখন দৈনিক ৫শতাধিক টাকার খাবার খায় সে।

খামারী মো. হুসাইন বলেন, দীর্ঘ ২৪মাস পরিবারের সদস্যের মতোই পরম মমতা আর ভালোবাসায় ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’কে বড় করেছি। ওকে ঘিরে আমার অনেক স্বপ্ন। এই ঈদে সাড়ে তিন লক্ষ টাকায় ওকে বিক্রি করে খামার বড় করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, যদিও ঈদের আর বেশি দিন বাকি নেই তবুও আমার বিশ^াস শেষ মূহুর্তে হলেও ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’ ন্যয্যমূল্যে বিক্রি হবে। ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’কে যারা কিনবে তারা যদি চান তো ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত ‘সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস’কে বিনামূলে খাওয়াবো আমরা।

স্থানীয় এলাকাবাসী মো. জালাল হোসেন বলেন, আমি ছোট থেকেই গরুটি দেখছি। খুব ভালোবেসে লালন করেছে হুসাইন। ওকে খারাপ কোন খাবার দেওয়া হয়নি। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে বড় করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার জয়দেব কুমার সিংহ বলেন, এবছর বড় গরু বিক্রির তুলনামূলক কম। তারপরও আমরা ওই গরুটি বিক্রির জন্য আমাদের সরকারি অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে সহযোগীতা করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইভ্যালি-সহ ১০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিকাশের লেনদেন স্থগিত

অর্থনীতির খবর : ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সঙ্গে আর্থিক লেনদেন স্থগিত রেখেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন ভিত্তিক অর্থ স্থানান্তর (এমএফএস) সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। একই সাথে আরও নয়টি প্রতিষ্ঠানের সাথেও লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে বিকাশ।

নিজ ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিকাশ জানায়, গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় কয়েকটি মার্চেন্টের জন্য বিকাশ-এর পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

ওই মার্চেন্টগুলোর মধ্যে ইভ্যালি ছাড়াও রয়েছে আলেশা মার্ট, ধামাকা শপিং, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদীনের প্রদীপ, কিউকুম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস।

অবশ্য, ‘রেগুলেটরি নীতিমালা অনুযায়ী পেমেন্ট ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পর পুনরায় বিকাশ পেমেন্ট সেবা চালু করা হবে,’ বলে উল্লেখ করেছে বিকাশ।

গত মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দেওয়া এক পরিদর্শন প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায় যে, ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭.১৮ কোটি টাকা।

গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ ২১৩.৯৪ কোটি টাকা এবং মার্চেন্টদের নিকট হতে ১৮৯.৮৫ কোটি টাকার মালামাল বাকিতে গ্রহণের পর স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৩.৮০ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ৬৫.১৭ কোটি টাকা।

গ্রাহকদের কাছ থেকে ২১৪ কোটি টাকা অগ্রিম গ্রহণ করে পণ্য ডেলিভারি না দেওয়া ও মার্চেন্টদের ১৯০ কোটি টাকা পাওনা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকেও নির্দেশ দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির প্রকৃত দেনা আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় গত মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে। এজন্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দলকে কোম্পানির ডাটাবেজে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ। এরপর গত ৯ জুলাই, ইভ্যালির বিরুদ্ধে ৩৩৮ কোটি টাকা জালিয়াতি বা আত্মসাতের তদন্ত চলমান থাকায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং তার স্বামী ও কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

একই কারণে শনিবার এই দম্পতির বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয় ঢাকার একটি আদালত।

বিভিন্ন ব্যাংক তাদের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ইভ্যালির সঙ্গে লেনদেন স্থগিত করার পর গত ১৪ জুলাই কোম্পানিটির গিফট ভাউচার গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে নোটিশ জারি করে দেশের কয়েকটি ব্র্যান্ডশপ।

গত ১৫ জুলাই, গ্রাহক ও মার্চেন্টদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে ইভ্যালি ডট কমের সদস্যপদ স্থগিত করার উদ্যোগ নেয় ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।
গত ১৪জুলাই২০২১ তারিখে সকলের সম্মতিক্রমে উক্ত কমিটি অনুমোদন দেওয়ার হয়।
কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন, সভাপতি- ডা. সুমন কুমার শীল, সহ সভাপতি ডা. নাজমুস সাকিব চৌধুরী, ডা. আরাফাত আহমেদ,ডা. ফারিয়া তাবাসসুম আরুশা; সাধারণ সম্পাদক- ডা. রসিফুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- ডা. তকি তাজওয়ার, ডা. পল্লব রায়; সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আলমাহমুদ, ডা. মীর সাজিদ শফিক। উপদেষ্টা- ডা. নিউটন হালদার, ডা. কাওসার আহমেদ অনিক, ডা. রাফিজুর রহমান সহ আরও অনেকে। নির্বাচিত কমিটিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, সাতক্ষীরা-২ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ও মেডিকেল কলেজের তত্ত্বাবধায়ক ডা. কুদরত ই খুদা সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং কোভিড ১৯ মোকাবিলায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদেরকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় সর্বাত্মক ভাবে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন। এ বিষয়ে নব নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সকলকে নিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বালু উত্তোলনকারির থেকে রেভিনিউ আদায়ের ঘটনায় অভিযোগ দায়ের

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে সহকারী কমিশনার ‘ভূমি’ (এসিল্যান্ডের) এর নাম ভাঙিয়ে বালু উত্তোলনকারির থেকে রেভিনিউ আদায়ের ঘটনায় গ্রাম পুলিশ খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুঁন্দুড়িয়া গ্রামের সুব্রত মন্ডলের ছেলে অমরেশ মন্ডল বাদী হয়ে এ অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, সরকারীভাবে কুঁন্দুড়িয়া হাইস্কুল মাঠে মেশিন দ্বারা বালু ভরাটের কাজ চলছিলো। কাজ শেষে মেশিন বন্ধ থাকায় বাদী মিস্ত্রীদের বলে তার দুইটি পাঁকা রুমে বালু ভরাটের কাজ করিয়ে নেন। এসময় বুধহাটা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এসে বালু উত্তোলন করা বন্ধ করে দেন। নায়েব চলে যাওয়ার পর

ইং-০৮/০৭/২০২১ তারিখ বিকাল অনু: ৪.০০ ঘটিকার উক্ত বিবাদী গ্ৰাম পুলিশ খলিলুর রহমান আমার কাছে বালু উত্তোলন করায় বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে ও তার পিতাকে সন্ধ্যার ভিতরে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশাশুনির নাম ভাঙিয়ে বিদীর নিকট হতে জোর পূর্বক ৭ হাজার টাকা নেয়। এরপর ইং-১২/০৭/২০২১ তারিখ বেলা অনু: ২.০০ ঘটিকার সময় বিবাদীর কাছে টাকা নেওয়ার বিষয়ে রিসিভ চাওয়ায় বিবাদী তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ঘটনার বহু স্বাক্ষী ও প্রমান আছে। বিবাদী যখন তার কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অফিসের নাম করে টাকা নেয় তখন বিষয়টি কৌশলে মোবাইল ফোনে রেকর্ডীং করেও রাখা আছে। ইতিপূর্বে তৎকালিন ইউএনও মীর আলিফ রেজার নাম করে উক্ত বিবাদী একাধিক অসহায় বিধবার ভাতার টাকা আত্মসাতের ঘটনার নিউজ ফেইসবুকসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত হলে একাধিক বিধবা মহিলাদের প্রাপ্য টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়। সেটিও ফেইসবুকসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত প্রচারিত হয়।

এছাড়াও বিবাদীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের একাধিক অভিযোগ আছে। এদিকে, গ্রাম পুলিশ খলিলুর রহমান ইতিমধ্যে সাংবাদিকদের কাছে ৫ হাজার টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বুধহাটা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঐ দিন সেখানে গিয়েছিলাম এবং মাঠ ভরাটের বাহিরে বালু উত্তোলন করলে সরকারী রেভিনিউ জমা দেওয়ার কথা বলে চলে এসেছিলাম। আমি টাকা পয়সা লেনদেনের বিষয়ে কিছুই জানি না। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। এবিষয়ে তারা ইউএনও মহোদয় বরাবর অভিযোগ করেছেন। আগামী রবিবার ইউএনও মহোদয় অফিসে আসলে বিষয়টি উনি দেখবেন। বিষয়টির তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার হাড়দ্দহায় মুজিবর্ষের গৃহ নির্মাণে অনিয়ম: পুটিং দিয়ে মেরামতের চেষ্টা!

নিজস্ব প্রতিনিধি :
নির্মানের মাত্র ২ মাসের মধ্যেই ঘরের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে, খসে পড়ছে পলেস্তারা, বসে যাচ্ছে ঘরের মেঝে। সাতক্ষীরা সদরের ভোমরা ইউনিয়নের হাড়দ্দহা এলাকার একটি সরকারি খালের দুই পাশে দুই সারিতে ৯৪ শতক জমির উপর মোট ৪৭টি ঘরের অধিকাংই একই অবস্থা।
খালের ধারে তোলা মাটির উপর তড়িঘড়ি করে এসব ঘর নির্মাণ করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সরেজমিনে হাড়দ্দহ রাধানগর খাল সংলগ্ন আশ্রয়ন প্রকল্পে গেলে কয়েকটি নব নির্মিত কয়েকটি বাড়ির দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়া, মেঝে বসে যেয়ে প্লাস্তার ভেঙে যাওয়ায় সম্প্রতি পুটিং করে দেওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে।

যদিও প্রধানমন্ত্রী ঘরের বিষয়ে তদন্তের টিম পাঠানোর খবর পেয়ে ইতোমধ্যে ঠিকাদার মিস্ত্রি পাঠিয়ে মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।

প্রকল্পের পরিপত্র অনুযায়ী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিলে ঘর বরাদ্দের তালিকা প্রস্তুত করবেন। প্রাক্কলন অনুযায়ী, ১৯ ফুট ৬ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ২২ ফুট ৬ ইঞ্চি প্রস্থের ঘরের ভেতরে দুটি কক্ষ, রান্নাঘর ও শৌচাগার থাকবে। নকশা অনুযায়ী ঘর নির্মাণে ৬ হাজার ইট, ৫০ বস্তা সিমেন্ট, ২০০ ঘনফুট বালু এবং ভিটা নির্মাণে ৫০ ফুট বালু ব্যবহার করার কথা।

হাড়দ্দহে রাধানগর খালের দু’ পাশে প্রায় দু’ একর জমির মধ্যে ৯৪ শতক সরকারি খাস জমিতে ৪৭টি ভূমিহীন পরিবারের বসতি নির্মাণ করা হয়েছে। জমিসহ একটি ঘরের খরচ ধরা হয় এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। ফেব্র“য়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে নির্মাণের কাজ শুরু হয়। মে মাসের দিকে নির্মান কাজ শেষ হয়। তবে তিনটি ঘরের কাজ জুলাই এর প্রথম সপ্তাহে শেষ হয়েছে। ৪৭টি ঘরের মধ্যে ৩০টির দলিল রেজিষ্ট্রি হয়েছে। বাকী ১৭টা খুব শ্রীঘ্রই রেজিষ্ট্রি হবে।

উপকারভোগী ৫ নং ঘরের মালিক বৃদ্ধা রহিমা খাতুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘর পেয়ে উপকৃত হয়েছি। কিন্তু ঘরে উঠার পরে দেখছি পূর্বে পাশের দেওয়াল, বারান্দায় ফাটল দেখা দিয়েছে। গত রাববার মিস্ত্রি এসে পুটিং করে দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামবাসী জানান, তৎকালিন ইউএনও তড়িঘড়ি করে খালের পাশে মাটি ভরাট করে ঘরগুলো নির্মাণ করেছেন। এছাড়া বরাদ্ধের পুরো টাকা ঘরের পিছনে খরচ করা হয়নি। ফলে মাত্র দু মাসের মধ্যে ঘরগুলোতে ফাটল দেখা দিয়েছে। দুর্যোগ প্রবণ এলাকায় এসব ঘর বেশিদিন টিকবে না।

উপকারভোগী মালিক মিন্টু মোল্লা বলেন, ঘরে ওঠার মাত্র কয়েকদিন পরে ঘরের পলেস্তারা খসে পড়তে শুরু করেছে। ঘরের বিভিন্ন স্থানে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকরা আসার খবরে মিস্ত্রি এসে পুটিং দিয়ে মেরামত করে দিছে।
আম্বিয়া খাতুন জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৌলতে হাড়দ্দহ আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর পেয়ে দু’ সপ্তাহ সেখানে অবস্থান করছেন। কিন্তু ঘরে ওঠার পরদিন থেকে দেয়ালের ও ঘরের মেঝের কয়েকটি জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়তে দেখেন। কয়েকদিন আগে সাংবাদিকরা আসে। এ খবর পেয়েই গত রোববার তড়িঘড়ি করে সরকারিভাবে নতুন করে দেয়ালে ও মেঝেতে পুটিং করে দেওয়া হয়েছে।
একই কথা জানান মারুফা খাতুনও। তার ঘরের পলেস্তারা খসে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে এমন খবর পাওয়ায় তড়ি ঘড়ি করে পুটিং করা হয়েছে তার ঘর। ৪৭টি বাড়ির প্রত্যেকটিতে একই অবস্থা। নিম্ন মানের বালি, ইট ও সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে অভিযোগ করে মারুফা বলেন, ঘরের মেঝের তলায় একটির বেশি দু’টি ইট নেই। ফলে একটু ঝড় হলেই এ ঘরের টিন উড়ে যেয়ে ও দেয়াল চাপা পড়ে মরতে সময় লাগবে না।

ঠিকাদার শহীদুল ইসলামের পুত্র সুজন জানিয়েছেন ঘর প্রতি ইট লেগেছে ৭ হাজার ৩০০, সিমেন্ট ৫৫ বস্তা, বালি ৩৫০ ফুট। এখানে কাজ কয়েকটি ভাগে ভাগ করে দিয়েছিলেন ডিসি সাহেব। সে অনুযায়ী আমরা শুধুমাত্র মিস্ত্রির জন্য ঠিকাদারী নিয়েছিলাম ঘর প্রতি ৩৫ হাজার টাকায়। আর কাঠের পাটকেলঘাটার আলমগীর, ইট রেজাউল ইসলাম, টিন খুলনার মুশফিকুর রহমান এবং রড সিমেন্টের ঠিকাদারী পেয়েছিলেন শহরের নারকেতলা মোড়স্থ এস এম ট্রেডার্স।
তবে মিস্ত্রি গাজী রহমান বলেন আমরা ঘরপ্রতি ২৫ হাজার টাকা পেয়েছিলাম। এছাড়া ঠিকাদারের জামাতা ইমরান সাহেব একজন মিস্ত্রি দিয়ে কাজ না করিয়ে একাধিক মিস্ত্রি দিয়ে করিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী ইসরাইল বলেন, ওই স্থানটি খাল ছিল তোলা মাটির উপর ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমাকে খুব বেশি জানানো হয়নি। সবই করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা এবং ঠিকাদাররা। ঘর ফাটার বিষয়টি তাকে কেউ জানায়নি।

সাতক্ষীরা সদরের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইয়ারুল ইসলাম কিছু কিছু বাড়ির দেয়াল ও মেঝের প্লাস্তার খসে পড়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাওয়ার পর তা আবার সংস্কার করা হয়েছে। তবে তোলা মাটির উপর ঘর নির্মাণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ঘরের পাশে ছোট একটি নালা রয়েছে। ওটাকে খাল বলা যাবে না। শুধু পানি নিস্কাশনের জন্য ওটা আমরাই কেটেছিলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাস সারাদেশে আরও ২০৪ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৭ হাজার ৬৬৯ জনে।

২৪ ঘণ্টায় মৃত ২০৪ জনের মধ্যে পুরুষ ১২৫ ও নারী ৭৯ জন। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৬১ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৪১ জন এবং বাড়িতে দুইজন মারা যান।

একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও আট হাজার ৪৮৯ জন। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৯২ হাজার ৪১১ জনে।

শনিবার (১৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে শুক্রবার (১৬ জুলাই) ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৮৭ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। একই সময়ে নতুন ১২ হাজার ১৪৮ জন রোগী শনাক্ত হয়। গত ১১ জুলাই রেকর্ড ২৩০ জনের মৃত্যু হয়। এটিই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ৬২৭টি ল্যাবরেটরিতে ৩০ হাজার ১৫টি নমুনা সংগ্রহ ও ২৯ হাজার ১১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৭২ লাখ ১৫ হাজার ৫৮১টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৫ দশমিক শূন্য ১৪ শতাংশ।

এদিকে, ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন আট হাজার ৮২০ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা নয় লাখ ২৩ হাজার ১৬৩ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৫১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২০৪ জনের মধ্যে বয়সের হিসাবে দশোর্ধ্ব দুইজন, বিশোর্ধ্ব পাঁচজন, ত্রিশোর্ধ্ব ১২ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ২৫ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৫৮ জন, ষাটোর্ধ্ব ৫১ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৩৫ জন, আশির্ধ্ব ১৫ জন এবং নব্বইয়ের বেশি বয়সী একজন রয়েছেন।

বিভাগওয়ারী হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে ৮২ জন, চট্টগ্রামে ৩২ জন, রাজশাহীতে ২০ জন, খুলনায় ৪৯ জন, বরিশালে পাঁচজন, সিলেটে দুইজন, রংপুরে ১০ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে চারজন রয়েছেন।

বাংলাদেশে করোনা প্রথম শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর ভাইরাসটিতে একজনের মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় রান্না করা খাবার বিতরণ করলেন রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিনিধি : মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেশ ব্যাপি কঠোর লকডাউনে সাতক্ষীরায় কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিট।

প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের সুলতানপুর এলাকায় প্রধান অতিথি হিসেবে এ রান্না করা খাবার বিতরণ করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো. নজরুল ইসলাম।

দেশব্যাপি কঠোর লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষের কথা ভেবে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিট আত্মমানবতার সেবায় প্রতিদিন এ রান্না করা খাবার বিতরণ করছে।

রান্না করা খাবার বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা শেখ নুরুল হক, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যকরী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ ও সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের যুব প্রধানের সমন্বয়ে ডেপুটি চীপস ইলিয়াছ হোসেন প্রমুখ। এসময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের যুব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest