সর্বশেষ সংবাদ-
আইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎতালায় বিএনপি নেতার বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট: সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১০ বোতল কেরেক্সসহ মাদক ব্যবসায়ী আটকজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ককে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: থানায় জিডিসাংবাদিক আলিমের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম আর নেইস্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে ডাঃ শিহাবের তত্ত্বাবধানে শুরু হলো অত্যাধুনিক লিভারের পরীক্ষা ফাইব্রোস্ক্যানসাতক্ষীরায় পাঁচ দিনে ৭২ ডেঙ্গু রোগী, সচেতনতায় বাড়ি বাড়ি স্বেচ্ছাসেবকবিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্ত

ঢাকায় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। পৃথিবীর সকলের মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, সচেতনতার দিন। এটি ১৯৯২ সালে প্রথমবার পালন করা হয়েছিল। কিছু দেশে একে মানসিক রোগ সচেতনতা সপ্তাহের অংশ হিসাবে পালন করা হয় ।
দিবসটি উপলক্ষে বুধবার সকাল ১০ টায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা এর আয়োজনে এক আলেচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকার পরিচালক অধ্যাপক ডা: মো: ফারুক আলম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
এ সময় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তেব্যে বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে জনগণের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকে মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা না দিয়ে ঝাড়ফুঁক বা তাবিজ-কবজের আশ্রয় নেন।’ তিনি বলেন, এ সমস্ত ভ্রান্ত ধারণা, কুসংস্কার পরিবর্তনের মাধ্যমে এ রোগের সঠিক চিকিৎসা দিয়ে রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব। কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সবার সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি সব ধরনের মানসিক রোগের বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবাসহ সব ধরণের স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিছেন । মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির অধিকার ও সুযোগের সমতা বিধানে বদ্ধপরিকর।’
উল্লেখ্য, এ বছরে দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘পরিবর্তনশীল বিশ্বে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য’। বাংলাদেশে মানসিক রোগে আক্রান্ত প্রায় দুই কোটি মানুষের চিকিৎসার জন্য সরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন হাসপাতালে মাত্র ৮১৩টি শয্যা রয়েছে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কোনো সেবাকেন্দ্র নেই। হাতেগোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ওপর এ রোগের চিকিৎসা নির্ভরশীল। এছাড়া এ রোগেন চিকিৎসার জন্য দেশে মাত্র ১৯৫ জন চিকিৎসক রয়েছেন। এর ফলে মানসিক রোগে আক্রান্তরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরার নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাংবাদিকতাকে আমি সব সময় ইতিবাচক হিসাবে দেখি। সাংবাদিকতা নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্নও রয়েছে। এমনকি গোয়েবলসীয় পদ্ধতিতে সত্যকে চাপা দেওয়ার চেষ্টাও হয়ে থাকে। তারপরও সাংবাদিকদের রিপোর্টে সমাজের প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠবে এটাই আমাদের আশা। কিন্তু তা সব সময় প্রতিফলিত হয় কিনা এমন প্রশ্ন রাখলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল।
তিনি বলেন সমাজ পরিবর্তনে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। তারা এই পরিবর্তনে কাজ করবেন এটাই স্বাভাবিক। এ প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের ‘পাইন অ্যাপেল আইস’ (আনারসের বহু চক্ষু) হিসাবে আখ্যায়িত করে আরও বলেন ‘ আপনারা গঠনমূলক সমালোচনা করবেন, প্রয়োজনে আমাকে সংশোধনের সুযোগ দেবেন’।
২০ তম জেলা প্রশাসক হিসাবে যোগদানের ২৪ ঘন্টা পার না হতেই সাংবাদিকদের সাথে পরিচিতি মূলক মত বিনিময় সভায় এ কথা বলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল। বুধবার দুপুরে তার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই মত বিনিময় সভায় উপস্থিত থেকে আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শাহ আবদুল সাদী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, প্রথম আলোর কল্যাণ ব্যানার্জি ও সংবাদপত্র পরিষদের আহবায়ক জিএম নুর ইসলাম। ্ সেময় জেলা তথ্য অফিসার মোজাম্মেল হক ছাড়াও সাতক্ষীরার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য নয়, কারও কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর জন্য নয়, বরং সাংবাদিকরা সঠিক রিপোর্ট লিখে কাজের গতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারেন। যেখানে ভুল সেখানে প্রাথমিকভাবে সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে। আমরা সবাই উন্নয়নের পক্ষে একযোগে কাজ করবো মন্তব্য করে তিনি বলেন মাদকের ভয়াবহতার বিরুদ্ধে আমরা কর্মসূচি দেব। ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ বাংলাদেশ নামক এই রাষ্ট্রের ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন সারা বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। আগামি ২০৪১ সালে বাংলাদেশ এক উন্নত দেশে পরিণত হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সামনেই হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা, তাছাড়া সংসদ নির্বাচনও নিকটে এই মন্তব্য করে মোস্তফা কামাল বলেন এই দুটি বিষয়কে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। আইন শৃংখলা রক্ষার পাশাপাশি মানুষের মাঝে শান্তি রক্ষায় পুলিশ বাহিনী তৎপর রয়েছে। আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হয়েছি জানিয়ে তিনি আরও বলেন গ্রাম উন্নয়নে গ্রামীণ অর্থনীতি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। তিনি তার দায়িত্ব পালনে সকল সংবাদকর্মীর সহযোগিতা কামনা করেন।
সাতক্ষীরা একটি অপার সম্ভাবনার জেলা উল্লেখ করে তিনি বলেন বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন, ক্রীড়াঙ্গনের সৌম্য , মুস্তাফিজ , সাবিনা , সাতক্ষীরার সংস্কৃতি, এখানকার আম, চিংড়ি , সাদা মাছ কৃষি এসবই মিলিতভাবে সাতক্ষীরাকে দেশে ও বিদেশে পরিচিত করেছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক আরও বলেন এই জেলাকে এগিয়ে নিতে সবাই মিলে কাজ করতে হবে। এ জন্য জনগনের সাথে সেতুবন্ধন চাই উল্লেখ করে তিনি বলেন আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষকে সেবা দিতে চাই।
আলোচনায় উঠে আসে সাতক্ষীরার নানাবিধ সমস্যা ও তা সমাধানের পথ। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন সমাজে গুনি মানুষ আছে। মানুষের অনেক গুনাবলী আছে। তাদের গুন নিয়ে আলোচনা করা আরেকটি ভালো গুন উল্লেখ করে তিনি বলেন কারও অনুপস্থিতিতে সমালোচনা করা ঠিক নয়। ধর্মীয় মতেও তা নিষিদ্ধ বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই , এটাই একটি সুসংবাদ । এটাকে ধরে রাখতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
১০.১০.১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি গঠন

 

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার অন্তর্গত ৮নং ধুলিহর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি গঠন ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক এড. ফারুক হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, ত্রাণ ও পূণর্বাসন সম্পাদক স ম জালাল উদ্দীন, ৮নং ধুলিহর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আজহারুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন, ধুলিহর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু। বিশেষ বক্তা ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাঈদুজ্জামান জিকো, সাংগঠনিক সম্পাদক ওহিদুজ্জামান টিটু, ত্রাণ ও পূর্নবাসন সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ নাজমুল হক রনি, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক শফি খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম,সহ-সভাপতি আক্তারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম উজ্জুলসহ জীবন, হযরত, শওকত, রবিউল, শফিকুল, শাহারুল প্রমুখ। আলোচনা শেষে রবিউল ইসলামকে আহবায়ক ও বাইদুল্লাহকে যুগ্ম আহবায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক শাহাদাৎ হোসেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের আগে শিক্ষা প্রশাসনে নিয়োগ-পদোন্নতির হিড়িক

অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনের আগে শিক্ষা প্রশাসনে বড় ধরনের নিয়োগ ও পদোন্নতির তোড়জোড় চলছে। ইতিমধ্যে মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে বড় ধরনের নিয়োগ ও পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। আরো কয়েকটি নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচনের আগেই এসব নিয়োগ ও পদোন্নতি শেষ করতে চায় সরকার। ক্যাডার থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত এসব নিয়োগ ও পদোন্নতি চলছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নির্দেশনার পর অপেক্ষমাণ যত পদোন্নতি ও নিয়োগ রয়েছে সব শেষ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে শিক্ষা ক্যাডারে সহযোগী অধ্যাপক থেকে রেকর্ড সংখ্যক ৪০৯ জনকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। পদ না থাকার পরও ৪০৯ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।
একইভাবে সহকারী থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়ার জন্য আগামী ১৪ই অক্টোবর বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি (ডিপিসি) সভা ডাকা হয়েছে। পদ না থাকার পরও এ পদে হাজারের বেশি পদোন্নতি দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। এ পদে ২১ ব্যাচের সবাইকে পদোন্নতি দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছে মাউশি’র সংশ্লিষ্ট শাখা। এরপর চলতি মাসেই প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপকে আরো বড় ধরনের পদোন্নতি দেয়ার প্রস্তুতি সেরে রেখেছে মাউশি। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, অধ্যাপক পদে যাদের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে সবাই পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে ২০১৩ সালে। পদের কারণে তাদের পদোন্নতি দেয়া যাচ্ছিল না। একইভাবে সহযোগী ও সহকারী পদে পদোন্নতি দেয়া হবে। তিনি বলেন, পদোন্নতিতে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।

এদিকে নির্বাচনের আগে সরকারি বিদ্যালয় থেকে বেসরকারি বিদ্যালয় সব পর্যায়ে নিয়োগ দেয়ার তোড়জোড় চলছে। ইতিমধ্যে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪২০ জন শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৭১ জন সহকারী প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকা এবং ৫২ জন সহকারী মাধ্যমিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। নিয়োগের ২৭ বছর পর পদোন্নতি পেলেন তারা। এই পদোন্নতির মধ্য দিয়ে ওই শিক্ষকরা নবম গ্রেডে অর্থাৎ প্রথম শ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত হলেন। আর সারা দেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন করে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে ১৩৭৮ জন শিক্ষক। প্রথমবারের মতো পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) অধীনে এ নিয়োগ দেয়ার জন্য গত ৯ই সেপ্টেম্বর পিএসসি এ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। গত ১০ই সেপ্টেম্বর থেকে ৮ই অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন চলে। শিগগিরই পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করবে পিএসসি। তারা দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদায় নিয়োগ পাবেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, বাংলায় ৩৬৫ জন, ইংরেজিতে ১০৬ জন, গণিতে ২০৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞানে ৮৩ জন, ভৌতবিজ্ঞানে ১০ জন, জীববিজ্ঞানে ১১৮ জন, ব্যবসায় শিক্ষায় ৮ জন, ভূগোলে ৫৪ জন, চারুকলায় ৯২ জন, শারীরিক শিক্ষায় ৯৩ জন, ধর্মে ১৭২ জন এবং কৃষি শিক্ষায় ৭২ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

অন্যদিকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা) ৩৮ হাজার ৮০০টি শিক্ষকের শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নিয়োগ নির্বাচনের আগে শেষ করতে চায় সরকার। এজন্য বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) যাচাই বাছাই করে সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগে নারী কোটা কিছুটা শিথিল করা হচ্ছে। প্রথমবারের মতো সরকারি হাইস্কুলের ৫৫০০ হাজার সহকারী শিক্ষককে ‘সিনিয়র শিক্ষক’ পদে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে। সরকারি হাইস্কুল শিক্ষকদের নতুন চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকের মোট পদের অর্ধেককে নতুন এ পদে পদোন্নতি দিতে কার্যক্রম শুরু করেছে মাউশি। সহকারী শিক্ষক থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের প্রমার্জন করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আর পদোন্নতি তালিকায় আছে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষকরা। তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার প্রস্তাবে জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি রয়েছে। এর ফলে শিক্ষকরা দশম গ্রেডে বেতন পাবেন। শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ (টিটিসি), সরকারি আলীয়া মাদরাসাসহ সারা দেশে ৩২৭টি পুরাতন সরকারি কলেজসহ সদ্য সরকারি হওয়া ২৯০টি কলেজ সরকারি কলেজে শারীরিক শিক্ষকদের পদ সংখ্যা ৬০৭টি। দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত হলে নতুন সরকারি কলেজে পদ সৃজন হলে সেসব কলেজের শিক্ষকরাও সমমর্যাদা পাবেন। এ ব্যাপারে মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর আব্দুল মান্নান মানবজমিনকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে পদোন্নতি ও নিয়োগ বন্ধ ছিল।

এ জট খোলার উদ্যোগ নিয়েছি। এখানে নির্বাচন কোনো বিষয় না। তিনি বলেন, এসব শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত। শুধু যে গণহারে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে তাই না, তাদের এসিআর (বার্ষিক গোপন প্রতিবেদন) যাচাই-বাছাই করে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করেই পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহাবুবের বদলীর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুল আলোচিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহবুবুর রহমানকে বদলী করার জন্য সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ২০তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলেও গতকাল রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহাসীন আলী ওই রেজুলেশনে স্বাক্ষর করেন। এরআগে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষর করেছিলেন গত ১৯ সেপ্টেম্বর।
বিভিন্ন কারণে আলোচিত সমালোচিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহবুবুর রহমান। সম্প্রতি জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সাটলিপিকারকে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের অভিযানে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ও সদস্যবৃন্দ স্বশরীরে প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনও করেন। কিন্তু এক যাদুবলে মাহাবুব অতীতের মতই পার পেয়ে যান। জেলা পরিষদের নির্বাচনের পূর্বেও প্রার্থী হিসেবে মো. নজরুল ইসলাম বিভিন্নস্থানে মাহাবুবকে অপসারণ করার অঙ্গীকারও করেছিলেন। কিন্তু সবাইকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মাহাবুব জেলা পরিষদে ছিলেন বহাল তবিয়তে।
এদিকে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, বর্তমান নির্বাচিত পরিষদ দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বের ৫ বছরে জেলা পরিষদের কমপক্ষে সাড়ে ৩ কোটি টাকার কোন হিসাব নেই। বিষয়টি সম্প্রতি নজরে আসার পর তোলপাড় শুরু হয়। আর এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে দুর্নীতিবাজ চক্রটি তৎপর হয়ে উঠেছে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ পরিষদের ২১তম সভার নোটিশে ৪নং আলোচ্য সূচি হিসেবে ‘২০১০-২০১১ হতে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছর পর্যন্ত এডিপি’র বরাদ্দকৃত অর্থ রাজস্বখাতে ব্যয় এবং এডিপি’র বরাদ্দকৃত অর্থের হিসাব ঘাটতি সংক্রান্ত’ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও মাহাবুবের পিতা স. ম আব্দুর রউফ এর নামে প্রতিষ্ঠিত কমপ্লেক্স জেলা পরিষদের টাকায় আর পরিচালিত হবে কি না সেটিও ৩নং আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর নির্বাচিত পরিষদ ক্ষমতা গ্রহণ করেন। এরপর থেকে পরিষদে ঘটে যাওয়া একটির পর একটি দুর্নীতি অনিয়ম বেরিয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে ছড়ি ঘুরিয়েছেন ‘টুয়েন্টি পার্সেন্ট’ নামে পরিচিত মাহবুব। জেলা পরিষদকে জনগণের সেবা কেন্দ্রে পরিণত করতে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। জেলা পরিষদ সূত্র জানায়, ইতোপূর্বে জেলা পরিষদ থেকে কোন প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ দেয়া হলে বরাদ্দের ২০ শতাংশ উৎকোচ দিতে হতো মাহবুবকে। নজরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর দুর্নীতিবাজরা এ ২০ শতাংশ উৎকোচ পাচ্ছে না। ঘুষ দুর্নীতিমুক্ত জনবান্ধব সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে জেলা পরিষদকে রূপান্তরিত করার ঘোষণা দিলে গাত্রদাহ শুরু হয় দুর্নীতিবাজদের। তারা শুরু করে ষড়যন্ত্র। নানা কৌশলে জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতে থাকে মাহবুব ও তার লোকজন। সূত্র জানায়, জেলা পরিষদের অর্থায়নে কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হলে মাহবুবুর রহমান শর্ত জুড়ে দিতেন। শর্ত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি হতে হবে তার পছন্দের নামে। তার পিতা স.ম আব্দুর রউফের নামে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে এবং বরাদ্দ থেকে ২০ ভাগ টাকা তাকে দিতে হবে। এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুললে বরাদ্দের টাকা বন্ধ রাখা হতো। অথবা বরাদ্দ বাতিল করা হতো। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপোষহীনভাবে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নেন নজরুল ইসলাম। জেলা পরিষদকে উন্নয়নের সূতিকাগার হিসেবে গড়ে তোলার দৃপ্ত শপথ নিয়ে এগিয়ে চলেছেন দুর্বার গতিতে। ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত জেলা পরিষদ গড়তে তিনি বদ্ধপরিকর। জেলা পরিষদের অতীতের কলঙ্ক মোচন করে সাতক্ষীরাবাসির আশা-আকাক্সক্ষার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান হিবেবে গড়ে তুলতে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোন ঠাঁই এ পরিষদে নেই বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেনেড হামলার রায়ে জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয় থেকে মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক ওহেদুজ্জামান টিটু, এড. সাইদুজ্জামান জিকো, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি শাওন, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাহেদ পারভেজ ইমন সহ আওয়ামীলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২১ আগস্ট চালানো গ্রেনেড হামলা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। এই মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, সাবেক সাংসদ কায়কোবাদসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেনেড হামলার রায়ে পৌর যুবলীগের আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বাবুরসহ ১৯ জনের ফাঁসি এবং তারেক রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ে আনন্দ মিছিল করেছে সাতক্ষীরা পৌর যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। বুধবার বেলা ১২টায় শহরের সংগ্রাম টাওয়ারের সামনে থেকে আন্দন মিছিল ও মটরসাইকেল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শহরেরর নিউ মার্কেট, নারকেলতলা মোড়, টার্মিনালসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়। পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু ও সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিনের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগ নেতা ইলিয়াছ কবির, রবিউল ইসলাম ,ইউসুফ সুলতান মিলন ,হাসিব সরকার, মোশারফ হোসেন, বারিক, জি এম হাসান, মুজাহিদুর রহমান অন্ত ,মেহেদি হাসান, শরীফ, জাকির,ইব্রাহিম রাজা , মফিজুল, বাদল মিন্টু , রনি, রবি,মুজাহিদ আল আমিন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেনেড হামলার রায়ে সদর উপজেলা যুবলীগের আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বাবুরসহ ১৯ জনের ফাঁসি এবং তারেক রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ে আনন্দ মিছিল করেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় টার্মিনালে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল হাসান, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইনজামামুল হক ইনজাসহ সদর উপজেলা যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest