সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

সাতক্ষীরায় সামাজিক যাত্রাপালা ‘নিয়তি কাঁদছে ভাগ্যের কারাগারে’ প্রদর্শিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: যাত্রাশিল্পকলা পুর্নজ্জিবিত করার লক্ষে সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরায় দেশীয় সামাজিক যাত্রাপালা ‘নিয়তি কাঁদছে ভাগ্যের কারাগারে’ প্রদর্শিত হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় এবং জেল প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এ যাত্রাপালা প্রদর্শিত হয়।

জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা- ১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহসিন আলী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি আবু আহমেদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, এনডিসি দেওয়ান আকরামুল, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুুরুল হক, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আনিসুর রহিম, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পি এম এ জলিল, নাছরিন খান লিপি, রোজ বাবু, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মোসফিকুর রহমান মিল্টন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিমের দাম সহনীয় রাখতে হচ্ছে ‘এগ কমিশন’

অনলাইন ডেস্ক: ভোক্তা পর্যায়ে ডিমের দাম সহনীয় রাখতে ‘এগ কমিশন’ গঠন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর পাশাপাশি নিরাপদ ডিম উৎপাদনে প্রান্তিক পর্যায়ে পোলট্রি ফার্ম উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, কৃষি রেটে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সিঙ্গেল ডিজিটে ক্ষুদ্রঋণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের ফলে ২০২১ সালের মধ্যে ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।
বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে শুক্রবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) যৌথভাবে এ বৈঠকের আয়োজন করে।
বিপিআইসিসি সভাপতি মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার।
ডা. হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক বলেন, ডিম খাওয়ার কোনো বয়স নেই। শিশু থেকে বৃদ্ধ- সবাই ডিম খেতে পারেন। নকল ডিম নিয়ে অনেকে দুশ্চিন্তা করেন।
কিন্তু নকল ডিম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ার যে লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী হাতে নিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়ন করতে হলে ডিমের মাথাপিছু ভোগ দ্বিগুণ করতে হবে।
প্রতিটি মানুষকে দৈনিক অন্তত একটি করে ডিম খেতে হবে। কারণ সুস্থসবল মানুষ ছাড়া উন্নত দেশ গঠন সম্ভব নয়। আর সুস্থ থাকতে হলে ডিমের বিকল্প নেই।

বিপিআইসিসির সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, ডিমের উপকারিতা সম্পর্কে জনগণকে জানাতে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে। যেহেতু ডিম ব্যবসার সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জড়িত এবং লাভও খুব সীমিত, তাই এ কাজে তথ্য মন্ত্রণালয়কে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সুস্থসবল জাতি গড়তে পুষ্টির বিকল্প নেই। তাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চারা যেন সপ্তাহে অন্তত দুটি ডিম খায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকারিভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি ডিমের ইতিবাচক প্রচারণায় চিকিৎসক, পুষ্টিবিদ ও রন্ধনশিল্পীদের সহযোগিতা করতে হবে।

মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শওকত আলী ও বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন নাহার নাহিদ বলেন, ডিম নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত আছে।
কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান মতে, ডিম হার্টের জন্য উপকারী, ডিম খেয়ে ওজন কমানো যায়, ব্রেন ডেভেলপমেন্ট ও হাড় মজবুত করতে ডিম অত্যন্ত কার্যকর। ডায়াবেটিসের রোগীরাও ডিম খেতে পারবেন। অনেকে ডিমের কুসুম না খেয়ে সাদা অংশ খান। এতে তারা ডিমের পরিপূর্ণ পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এর আগে সকালে বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি পল্টন মোড় ঘুরে সিরডাপ মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। এবারের বিশ্ব ডিম দিবসের প্রতিপাদ্য- ‘প্রোটিন ফর লাইফ’। আর বাংলাদেশে স্লোগান হচ্ছে- ‘সুস্থ-সবল জাতি চাই, সব বয়সেই ডিম খাই।’

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে দেশের সব বিভাগীয় শহরে পোলট্রি শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। কিছু জেলা শহর ও উপজেলা সদরে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও পেশাজীবী সংগঠনের সহযোগিতায় ডিম দিবস উদযাপিত হয়।
আর ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে, কারওয়ান বাজার, মিরপুর ও ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবর এলাকায় শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ৩০ হাজার সিদ্ধ ডিম বিতরণ করা হয়েছে।
এসওএস শিশু পল্লী, স্যার সলিমুল্লাহ এতিমখানা, ঢাকা অরফানেজ সোসাইটির শিশুদের জন্য ও প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সদস্যদের জন্য বিনামূল্যে ১৫ হাজার ডিম দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লুকাকুর জোড়া গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারাল বেলজিয়াম

খেলার খবর: উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে বেলজিয়াম। শুক্রবার ঘরের জয়ের ফলে গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে উঠে গেছে বেলজিয়ানরা। দুই ম্যাচ খেলে গ্রুপ-২ তে ছয় পয়েন্ট নিয়ে সেরা অবস্থানে আছে বেলজিয়াম।
এদিন ম্যাচটিতে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে লিড নেয় বেলজিয়াম। ৫৮ মিনিটে গোলটি করেন লুকাকু। ৭৬ মিনিটে ম্যাচে ফেরে সুইজারল্যান্ড। গোলটি করেন মারিও গ্যাব্রানোভিচ। এর কিছুক্ষণ পর আবার এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। ৮৪ মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, গ্রুপে দুই ম্যাচ খেলে তিন পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সুইজারল্যান্ড। দুই ম্যাচ খেলে কোনো পয়েন্ট ছাড়া তৃতীয় তথা সবার নিচে অবস্থান করছে আইসল্যান্ড। আগের রাতেই তারা হারে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কাছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির আন্দোলনের ভরসা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে

দেশের খবর: এককভাবে নয়, ঐক্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দাবি আদায়ের আন্দোলনে মাঠে নামতে চায় বিএনপি। তারা এখন অনেকটা ঐক্যের ওপর ভরসা করছেন। দলের একাধিক নেতার সাথে আলাপকালে তারা বলেন, বিএনপি হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দিয়ে নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিলো এখন তা ঐক্যের মাধ্যমে যৌথ কর্মসূচিতে আসবে। এটা দলের সিদ্ধান্ত এবং দলের হাইকমান্ডের নির্দেশনা। ইতিমধ্যে যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার অভিন্ন দাবি, লক্ষ্য এবং কর্মসূচিতে একমত হয়ে আন্দোলন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিএনপি। এখন সমন্বিত কর্মসূচি চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। গঠন করা হয়েছে বিএনপি ও অন্য দলগুলোর সমন্বয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি। যারা ৭ অক্টোবর ঘোষণা দেন ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করবেন। তারা ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ নামে বৃহৎ ঐক্যের আত্মপ্রকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়ায় আছে। ক্ষমতার ভারসাম্য এবং আসন বণ্টন- এই দুই ইস্যুতে গতকালও ঐক্যের নেতারা বৈঠক করেছেন। আজ ড. কামাল হোসেনের বাসায় বিকাল ৫টায় আবার বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন।
জানা গেছে, জোটের নতুন নাম দিয়ে শিগগিরই অভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ইতিমধ্যে সাত দফা দাবি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১. সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বাতিল, সব রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার গঠন, বেগম খালেদা জিয়াসহ রাজবন্দীদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা; ২. যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করা; ৩. নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নির্শ্চিত করা; ৪. শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ সবার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সব কালো আইন বাতিল; ৫. নির্বাচনের ১০ দিন আগে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন; ৬. দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ ও গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করা এবং ৭. নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে ফলাফল চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সব রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা ও নতুন কোনো মামলা না দেওয়া।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এ প্রসঙ্গে বলেন, দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বার্তা দিয়েছেন। এক নম্বর বার্তা হলো জাতীয় ঐক্যের পর আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে সরানোর পদক্ষেপ নেওয়া। বিএনপি এককভাবে আন্দোলনে যাবে না, ঐক্যের ব্যানারে রাজপথে নামবো আমরা সবাই। জাতীয় ঐক্য গঠন করে আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে। কর্মসূচির ধরন কী হবে তা শিগগিরই নির্ধারণ করা হবে। আমরা অতি শিগগিরই ঐক্যের একটা রূপরেখা দেবো, জাতীয় ঐক্যের আন্দোলনের কাঠামো ঘোষণা করবো। খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ ৫টি মৌলিক দাবিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। এই দাবিগুলো আদায় করে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করব।

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, আমরা জনগণের দাবি আদায় করার জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করবো। অতীতে যেমন আমাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন প্রতিবার সফল হয়েছে, এবারো ইনশাআল্লাহ সফল হবে। জনগণের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরে আসবে। জনগণের বৃহত্তর ঐক্যের সামনে কোনো স্বৈরাচার সরকার টিকবে না।

জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, আমাদের গতিপথ এখন আন্দোলনের দিকে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করবো আমরা। আমাদের লক্ষ্য গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।

যুক্তফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না জানিয়েছেন, চলমান ঐক্য প্রক্রিয়ার দাবি ও লক্ষ্যের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। অচিরেই আন্দোলনের অভিন্ন কর্মসূচি দেওয়া হবে। আজ শনিবার বৈঠকের পর এসব বিষয় পুরোপুরি চূড়ান্ত করা হবে। মান্না বলেন, বিএনপি-যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া অভিন্ন দাবি, লক্ষ্য এবং কর্মসূচিতে একমত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে ও পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাই কমিশনে

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি হামলা চালানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে ঢাকায় পাকিস্তান হাই কমিশন থেকেই। ভারতীয় গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যম জি-নিউজের এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় পাকিস্তান হাই কমিশনের কর্মকর্তারা ভারত-বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, কূটনীতিকের আড়ালে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের কর্মকর্তারা গোপনে ঢাকায় জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছে এবং বাংলাদেশ ও ভারতে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা চালানোর নির্দেশনা দিচ্ছে।
পাকিস্তান হাই কমিশনের এক কূটনীতিক সম্প্রতি গোপনে একটি বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে আত্মঘাতী হামলার জন্য কমপক্ষে ১০০ জন জঙ্গিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ঠিক হয়েছে। প্রশিক্ষণের পর আত্মঘাতী জঙ্গিদের পশ্চিমবঙ্গেও হামলার জন্য পাঠানো হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি এক কূটনীতিকের ব্যাপারে আপত্তি তোলে বাংলাদেশ সরকার। ঢাকা অভিযোগ তুলেছে যে, আইএসআইয়ের কাজকর্মের জন্য কূটনীতির আশ্রয় নিচ্ছে পাকিস্তান। সেক্ষেত্রে ঢাকায় পাকিস্তান হাই কমিশনকে বাংলাদেশ বিরোধী কার্যকলাপের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গত মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা রিপোর্ট আসে। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের নির্বাচনের সময়ে সেখানে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করেছে জেএমবি। এ নিয়ে একটি বৈঠকও হয়েছে। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে হামলার জন্য অস্ত্র ও আত্মঘাতী হামলার পোশাক কেনা হবে অন্য জঙ্গি সংগঠনগুলোর কাছ থেকে। চট্টগ্রামে তাদের ২ সপ্তাহের একটি ট্রেনিংয়েরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেএমবি জানিয়েছে তারা নতুন আরো ৩০০ জন সদস্য সংগ্রহ করবে এবং নির্বাচনের আগে তাদের প্রশিক্ষণ দেবে। দেশের বিভিন্ন জেলায় তারা পাকিস্তানের লস্কর জঙ্গিদের সহযোগিতায় ৫০টি নতুন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট চালু

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের দীর্ঘতম বিরতিহীন বাণিজ্যিক ফ্লাইট ১৫ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে গতকাল শুক্রবার নিউ ইয়র্কে অবতরণ করেছে। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের এই ফ্লাইটটি যাত্রা শুরু করেছিল সিঙ্গাপুর থেকে। পুরো যাত্রায় সময় লেগেছে ১৭ ঘন্টা ৫২ মিনিট। এই ফ্লাইটে ছিলেন ১৫০ জন যাত্রী এবং ১৭ জন ক্রু।
বিমানের যাত্রীদের একজন ‘এয়ারলাইন্সরেটিংস ডট কমে’র প্রধান সম্পাদক জিওফ্রে থমাস জানান, খুব দ্রুত সময় পেরিয়ে গেছে। মনেই হয়নি যে সাড়ে ১৭ ঘন্টার বেশি সময় তারা আকাশে ছিলেন। সিঙ্গাপুরের চ্যাঙ্গি এয়ারপোর্ট থেকে নিউ ইয়র্কের নিওয়ার্ক এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এই ফ্লাইটের উদ্বোধন হয় বেশ জাঁকজমক করে। বিশ্বে এরকম দূর পাল্লার ফ্লাইট আরো আছে। এ বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ থেকে লন্ডন পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ ঘন্টার এক ফ্লাইট চালু করে কানটাস এয়ারলাইন্স। অন্যদিকে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট আছে অকল্যান্ড থেকে দোহা পর্যন্ত যেটিতে সময় লাগে সাড়ে ১৭ ঘন্টা।
সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স তাদের এই ফ্লাইটে উড়িয়েছে একেবারে নতুন একটি এয়ারবাস যেটিতে রাখা হয়েছে মাত্র ১৬১টি আসন। এর মধ্যে ৬৭ টি বিজনেস ক্লাসে এবং ৯৪টি ইকনমি ক্লাসে। বিশ্বের আর্থিক লেনদেনের বড় দুটি কেন্দ্র নিউ ইয়র্ক এবং সিঙ্গাপুরের মধ্যে এই ফ্লাইট বেশ জনপ্রিয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স এর আগেও ২০০৪ সালে এরকম একটি ফ্লাইট চালু করেছিল। কিন্তু পরে তারা সেটি বাতিল করতে বাধ্য হয়। কারণ যে বিমান দিয়ে এই ফ্লাইট চালানো হতো, সেটিতে বেশি জ্বালানি খরচ হতো এবং সেজন্যে এটিতে কোন লাভ করা যাচ্ছিল না। নতুন এয়ারবাস ৩৫০-৯০০ সেদিক থেকে বেশ সাশ্রয়ী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এটি বিরতিহীনভাবে ২০ ঘন্টা পর্যন্ত আকাশে উড়তে পারে। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাশোগি হত্যা নিয়ে চরম বিপাকে সৌদি

বিদেশের খবর: ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাশোগি’র অন্তর্ধান মামলায় আরও সমস্যায় সৌদি আরব সরকার। তুরস্ক সরকার দাবি করেছে, তাদের কাছে অডিও–ভিডিও ফুটেজের রেকর্ডিং আছে, যাতে তারা প্রমাণ করতে পারবে, তুরস্কের রাজধআনী ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাসের ভিতরেই গত ২ তারিখ খুন হয়েছিলেন নিজের দেশের কট্টর সমালোচক খাশোগি।
মার্কিন তদন্তকারী অফিসারদের তারা সেকথা জানিয়েছে। ওই রেকর্ডিং–এ দেখা গেছে, সৌদি দূতাবাসের ভিতর ঢুকেছিলেন জামাল খাশোগি। তুর্কি বাগদত্তাকে বিয়ের জন্য নিজের দেশের সরকারের কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি আনতে এবং সৌদি যুবরাজ সালমান বা এমবিএস–এর সঙ্গে বেড়ে চলা সমস্যা মিটমাট করতেই যুবরাজের আহ্বানে জামাল সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।
তুর্কি তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, তাদের কাছে থাকা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, দূতাবাসে ঢোকার পর কিছুক্ষণ পরই জামালকে সৌদির গোয়েন্দারা খুন করে এবং তারপর তার দেহ টুকরো টুকরো করে লোপাট করে দেয়। অডিও ফুটেজে শোনা গেছে, যে দূতাবাসের ভিতর ঢোকার পর কীভাবে আরবি ভাষায় অনেকে মিলে খাশোগিকে প্রশ্ন করছে।
তারপর তাকে অত্যাচার করে খুন করছে। এমনকি অডিও রেকর্ডিং–এ খাশোগিকে মারধরের আওয়াজ, তার আর্তনাদও স্পষ্ট শোনা গেছে।
এদিকে, খাশোগির অন্তর্ধান নিয়ে ফের মার্কিন কংগ্রেসের সঙ্গে সংঘাতের পথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে অস্ত্রচুক্তি বাতিল করবেন না তিনি। বরং আমেরিকা পৃথক তদন্ত করবে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিকের নিখোঁজকাণ্ডের।
ট্রাম্পের মতে, অস্ত্রচুক্তির জন্য ব্যয় হবে ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ বন্ধ করার অর্থ আমেরিকার পক্ষে লাভজনক হবে না। কারণ ওই বিনিয়োগের টাকায় আমেরিকায় অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। যদি ওই চুক্তি বাতিল হয় তাহলে রাশিয়া বা চীন তা লুফে নেবে বলে আশঙ্কা ট্রাম্পের।
অন্যদিকে, মার্কিন সেনেটের ফরেন রিলেশন্‌স কমিটির চেয়ারম্যান বব কর্কারের বক্তব্য, যদি তদন্তে উঠে আসে যে দূতাবাসের ভিতর সৌদি সরকার কোনও সাংবাদিককে হত্যা করেছে তাহলে আমেরিকার সঙ্গে সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বদলে যাবে। ফলে খাশোগি অন্তর্ধানকাণ্ডে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফের মতান্তর বেঁধেছে কংগ্রেসের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি আনোয়ার ইব্রাহিম

অনলাইন ডেস্ক: কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো বড় ধরনের কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি হতে চলেছেন মালয়েশিয়ার ক্ষমতাসীন জোটের নেতা আনোয়ার ইব্রাহিম। আজ শনিবার একটি আসনে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। এতে জয়ী হলে প্রতিশ্রুতি অনুসারে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পথ প্রস্তত হবে এবং দেশটির মূলধারার রাজনীতিতে শুরু হবে আনোয়ার যুগ।
উপকূলীয় আসন পোর্ট ডিকসনের এই নির্বাচনে আনোয়ার ইব্রাহিমই জিতবেন এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু জিতলেই হবে না, সমালোচকদের জবাব দেওয়ার জন্য জয়ের ব্যবধানটা যে অনেক বড় হতে হবে সেটাই ভাবিয়ে তুলছে আনোয়ারকে।
গত মে মাসের নির্বাচনে এই আসনে যিনি জয়ী হয়েছিলেন তার ভোটের ব্যবধান ছিলে ১৭ হাজারের বেশি। মূলত আনোয়ারকে পার্লামেন্টে যাওয়ার সুযোগ করে দিতেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। তাই বড় ব্যবধানে জয়ী হওয়াটা আনোয়ার ইব্রাহিমের জন্য প্রেস্টিজ ইস্যু। আর এটা হলে দায়িত্ব নেয়া তার পক্ষে সহজ হবে। অন্যথায় মাহাথিরের জনপ্রিয়তায় ভর করে তিনি ক্ষমতায় বসছেন বলে ধরে নেবেন সমালোচকরা।
গত মে মাসের একাদশ নির্বাচনে পাকাতান হারাপান জোট ক্ষমতায় আসে। এতে ৬১ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা বারিসন নাসিওনাল জোট ক্ষমতাচ্যুত হয়। এক সময় বারিসন নাসিওনাল জোটের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মাহাথির। ক্ষমতাসীন জোটের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিরোধীদলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নির্বাচনে তার প্রতিশ্রুতি ছিল, এক সময় তার সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ার ইব্রাহিমকে কারাগার থেকে মুক্ত করা এবং প্রধাধমন্ত্রীর আসনে বসানো। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেদিকেই এগিয়ে যাচ্ছে মাহাথির মোহাম্মদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest