সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণ

সালমান খানের সঙ্গে শাকিব খানের তুলনা

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের তুলনা টানলেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পায়েল সরকার।

ঈদে মুক্তি পেতে চলেছে শাকিব খান অভিনীত ছবি ‘ভাইজান এলো রে’। এতে শ্রীবন্তীর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন পায়েলও। ছবিটিসহ ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলাকে একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন অভিনেত্রী।

সেখানে একটি প্রশ্নের জবাবে পায়েল বলেন, ”বাংলাদেশে শাকিব আমাদের দেশের সালমান খানের মতো জনপ্রিয়। ওর মতো একজন সুপারস্টারের সঙ্গে অভিনয় করা নিয়ে একটু চিন্তাতেই ছিলাম। তবে শ্যুটিংয়ের সময় দেখলাম, শাকিব অসম্ভব ডাউন-টু-আর্থ! ওর বিন্দুমাত্র ট্যানট্রাম নেই! অভিনেতা হিসেবেও অসম্ভব ডেডিকেটেড। জয়দ্বীপদা (মুখোপাধ্যায়, পরিচালক) যেভাবে শট দিতে বলেছে, শাকিব সেভাবেই অভিনয় করেছে।”

মুখের কথা শেষ হতেই সাংবাদিকের প্রশ্ন ‘ভাইজান’ কথাটা শুনলে প্রথমেই যার কথা মাথায় আসে তিনি সালমান খান। তাই না? জবাবে অভিনেত্রী হেসে বলেন, সালমান তো সকলের ভাইজান। তা নিয়ে সন্দেহ নেই! তবে আমার বিশ্বাস, এই ছবিটা মুক্তি পেলে বাঙালি দর্শকও শাকিবকে ভাইজান বলে মেনে নেবেন। ছবিতেও দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছে। দুটি চরিত্রেই নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে শাকিব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আইজিপি কমপ্লেইন সেল’ এ পুলিশের হয়রানির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো যাবে

ন্যাশনাল ডেস্ক: সম্প্রতি ধরে নিয়ে টাকা দাবি, ক্রসফায়ার ও বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ এসেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এছাড়াও প্রায় প্রতিনিয়তই পুলিশের হাতে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগও করেছেন অনেকে। কিন্তু মানুষ কোথায় অভিযোগ করবেন, সেটা জানা নেই। পুলিশের হাতে হয়রানির শিকার হলে অভিযোগ করার জন্য কয়েকটি মাধ্যম রয়েছে। আছে হটলাইনও। তবে হটলাইনগুলো জরুরি সেবার ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা সমীচীন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, পুলিশের হয়রানির বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য রয়েছে কয়েকটি মাধ্যম। তবে এজন্য আলাদাভাবে ‘আইজিপি কমপ্লেইন সেল’ নামে একটি সেল রয়েছে পুলিশ সদর দফতরে। পুলিশ সদস্যদের যেকোনও অপেশাদার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরাসরি অভিযোগ করার জন্য এই সেলে রয়েছে দু’টি মোবাইল ফোন নাম্বার (০১৭৬৯৬৯৩৫৩৫ ও ০১৭৬৯৬৯৩৫৩৬)। এ দু’টি নাম্বারে ফোন করে কিংবা ক্ষুদে বার্তা (এসএমএস) দিয়ে তাৎক্ষণিক অভিযোগ করা যায়।

এছাড়াও রয়েছে একটি ই-মেইল ঠিকানা (complain@police.gov.bd)। এই ই-মেইল ঠিকানাতেও লিখিত অভিযোগ করা যায়। এছাড়া ডাক কিংবা কুরিয়ার যোগে ‘আইজিপি কমপ্লেইন সেল’ –এপুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যায়। ২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর ‘আইজিপি কমপ্লেইন সেল’ চালু করা হয়।

এছাড়া হয়রানির শিকার যে কেউ ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ করতে পারেন।

পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) সহেলী ফেরদৌস বলেন, ‘পুলিশের দুর্নীতি, অনিয়ম ও বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ এবং বাহিনীতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে ‘‘আইজিপি কমপ্লেইন সেল’’ চালু করা হয়। পুলিশের যেকোনও সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে সেটা সংশ্লিষ্ট ইউনিটে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে শাস্তির সুপারিশ করে থাকে। পরে পুলিশ সদর দফতর থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ছাড়াও ফৌজদারি মামলা করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে পুলিশের সব পর্যায়ের সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

সহেলী ফেরদৌস আরও বলেন, ‘৯৯৯-এ যে কেউ অভিযোগ করতে পারবেন। তবে এটি জরুরি সেবার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে হয়রানির বিষয়ে অভিযোগ না করে সুনির্দিষ্টভাবে ‘‘আইজিপি কমপ্লেইন সেল’’-এ মোবাইলে কিংবা ই-মেইল ও ডাকযোগে অভিযোগ করলেই ভালো হয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বড় হয়ে প্রিয়াঙ্কা হতে চায় রোহিঙ্গা শিশু মিমি

বিনোদন ডেস্ক: আফসানা মিমি (৬) বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ এর আশ্রিত জাফর আলমের মেয়ে। বিগত ৮ মাস আগে পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রয় নিলেও সে বোঝে না দেশান্তরি হওয়ার মর্ম। তাই অন্য শিশুদের মতো পুরো পৃথিবীটাই তার ঘর। এ কারণে যেকোনো বিষয়ের সঙ্গেই নিজেকে কল্পনা করতে উৎসুখ সে। তাই ভবিষ্যতে প্রিয়াঙ্কা হতে চায় বালুখালীতে মুক্তি ও ইউনিসেফ পরিচালিত শিশুবান্ধব ‘ভোরের পাখী’ শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থী মিমি।
বুধবার ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত ও বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বালুখালী ক্যাম্পে এসে ‘ভোরের পাখী’ শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার সময় ‘বড় হয়ে কে কী হতে চাও’ এমন প্রশ্নে মিমি এ কথাটি বলে।
তবে বুধবারও শিশুবান্ধব কেন্দ্র পরিদর্শনকালে আগের দিনের মতো কোনো গণমাধ্যমকর্মী তার ধারে কাছে আসতে পারেনি।
ভোরের পাখী শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক জন্নাতুল ফেরদৌস জানায়, বুধবার সকালে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত ও অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া তাদের শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে আসেন। কেন্দ্রে অবস্থান করা শিশুদের কাছে তার পরিচিতি তুলে ধরা হয়। তাকে টিভিতে নাচতে দেখেছে বলে উল্লেখ করে অনেক শিশু। এরপরও সরল ভাবে বোঝাতে প্রিয়াঙ্কা তাদের (নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের) উন্নয়নে কাজ করতে ক্যাম্পে এসেছেন বলে জানানো হয়। তখন রোহিঙ্গা শিশু ও কিশোর-কিশোরিদের সঙ্গে খেলাধুলায় মত্ত হন প্রিয়াঙ্কা। ফাঁকে ফাঁকে রোহিঙ্গা শিশু-কিশোরদের কাছে জানতে চান, তারা বড় হয়ে কে কী হতে চাই। অনেকে অনেক পেশার কথা বললেও আফসানা মিমি বলে, বড় হয়ে সে প্রিয়াঙ্কা হতে চাই। সেও আশ্রিত মানুষ ও শিশুদের উপকারে কাজ করবে বলে জানায়।

জন্নাতুল ফেরদৌস আরও জানান, মিমির মুখে একথা শোনার পর প্রিয়াঙ্কা মিমিকে আদর করে বলেন, এটি হতে হলে তোমাকে পড়ালেখা করতে হবে। বিশ্বকে জানতে হবে। নিয়মিত স্কুলে আসতে হবে।

এখানে রোহিঙ্গা শিশুরা কী ধরনের সেবা পাচ্ছে? শিশুবান্ধব কেন্দ্রের ব্যবস্থাপককে প্রিয়াঙ্কা এমন প্রশ্ন করলে তাকে জানানো হয়, মিয়ানমারে নিপীড়ন দেখে এ দেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা কিশোর-কিশোরীদের মাঝে যে আতঙ্ক বিরাজমান ছিল শিশুবান্ধব কেন্দ্রে বিভিন্ন খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের অন্তর থেকে ক্রমশ সেই স্মৃতি ধূসর হচ্ছে। তারা এখানে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে পড়ালেখা ও খেলাধুলা করতে পেরে আনন্দবোধ করছে।

এরপর তিনি সব শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা নিয়মিত স্কুলে আসবে, মনযোগ দিয়ে পড়বে। যাওয়ার সময় সবাইকে ডেকে ছবি তোলেন প্রিয়াঙ্কা। এ সময় আফসানা মিমি ‘ভি’ চিহ্ন দেখালে তার দেখাদেখি নূর ফাতেমা, আমেনা, হালিমা, মায়মূনা, নূর কায়েস ও রহিমসহ অন্য শিশুরাও তা দেখায়। আর এটি দেখে প্রিয়াঙ্কা হাস্যোজ্জল হয়ে ওঠেন।

এরপর সেখান থেকে জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উদ্দেশে রওনা হন প্রিয়াঙ্কা। সেখানে গিয়েও রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাদের মনের আকুতি-চিন্তাচেতনা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন। এখানেও শিশুদের সঙ্গে খেলেন তিনি।

তিনদিন ধরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৫টি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে সাবেক বিশ্বসুন্দরী প্রিয়ঙ্কা বলেন, সবার সহযোগিতায় বদলে যেতে পারে রোহিঙ্গা শিশুদের জীবন। আসুন হাতে হাত রেখে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবাই একসঙ্গে তাদের জীবনকে পাল্টে দিতে কাজ করি।

এসব কথা তিনি ইউনিসেফের ফেসবুক ভেরিফাইড পেইজেও উপস্থাপন করেন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার আফরাজুল হক টুটুল জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তিনি উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাবেন। সেখান থেকে তিনি প্রায় ১৫ মিনিট সময়ের জন্য ফেসবুক লাইভে আসবেন। এরপর তার কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুইটা বছর অনেক সহ্য করেছি, আর না: মাহি

বিনোদন ডেস্ক: দুইটা বছর অনেক সহ্য করেছি, আর না। আজকে আমি দুঃখিত, আমরা আমাদের বিবাহিত জীবনের তৃতীয় বছরে পা দিব। তাই, কান খুলে শুনে রাখো আজকে থেকে আমাকে একা একা আর যেনো ঝগড়া করতে না হয়। যখনি আমি ক্ষেপে যাব তুমিও আমার উপর ক্ষেপে যাবা। আর আমরা ঝগড়া শুরু করে দিব।

yesssssss…. কি মজাটাইনা হবে দুইজন মিলে ঝগড়া করবো, কাপড় চোপড়, চিরুনি, পারফিউমের বোতল, ঝাড়ু আরও কত কী ছুড়াছুড়ি করবো, wowwww

আর যদি ঝগড়া না করে চুপচাপ থেকে শুধু আমার চিল্লাচিল্লি শুনো, যা যা ছুড়ে মারবো সবকিছু ক্যাচ ধরো তাহলে দুই মিনিট পরে যখন মাথা ঠান্ডা হবে তখন আর ‘আই লাভ ইউ’ বলবোনা এক্কেবারে খামচি মারবো।

মনে থাকে যেনো ।

(অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ সময়টা দারুণ অর্থকষ্টে কেটেছে তাজিনের

বিনোদন ডেস্ক: শেষ জীবনে অর্থকষ্টে ভুগেছেন তাজিন আহমেদ। হাতে তাঁর কাজ ছিল না প্রায়ই। তাজিনের মা দিলারা জলি চেক ডিজঅনার মামলায় দুই বছর ধরে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী আছেন। একাকী বসবাস করতেন তিনি। অনেক ডিপ্রেশনেও ছিলেন বলে জানা যায়।

অর্থের অভাবে নাকি নিজের মা’কে বাসার খাবার পাঠাতে পারতেন না। এমনটাই জানালেন তাজিনের কাছের মানুষজন। নির্মাতা অনিমেষ আইচের ফেসবুক স্ট্যাটাসে পাওয়া যায় তাজিনের অর্থাভাবের কথা। অনিমেষ আইচ নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে লিখেন, ‘মরে গেলেই আহা…উহু! বেঁচে থাকতে কেউ পুছে না। ঈদ নাটক মানেই সব টাকা দিয়ে একটা মোশাররফ করিম, জাহিদ হাসান, অপূর্ব এবং স্টার কাস্ট কিনতে হবে। মরে গিয়ে বেঁচে গেলেন তাজিন। একজন শিল্পির অপমৃত্যুর জন্য আমরাই দায়ী। সামনে অকালমৃত্যুর দীর্ঘ সারি।’

অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে লিখেছেন, এখন নাটকে মিতা,তাজিনদের লাগে না,কিছু অসাধারন কাজিন আর চড়া মুল্যের পেছন ভুলে যাওয়া,কিছু অর্বাচীন হলেই হল!শিল্পী ছাড়ায় শিল্পের বড্ড বেশী জয়জয়াকার। কথা কোনও একজন তাজিনের নয়। অসংখ্য তাজিনরা বিলুপ্ত হচ্ছে নিদারুণ উদাসীনতায়।আমরা বেশ বিবেক কে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে টকশো,র বিবেকের ভুমিকায় দিব্যি অভিনয় করে যাচ্ছি! সময়ের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে! এ দায় যে আপনার,আমার সবার।

নির্মাতা মাহাদী হাসান সোমেনের ফেসবুক স্ট্যাটাসে অর্থাভাবের বিষয়টি স্পষ্ট। তিনি তার স্ট্যাটাসে জানান,পাঁচশ টাকার অভাবে মায়ের জন্য খাবার কিনেও পাঠাতে পারতেন না তাজিন।

সোমেন তার স্ট্যাটাসে হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘তাজিন আহমেদ। গত ৩টা বছর ধরে কি অমানুষিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে দেখেছি তা অব্যক্ত। আজ কত কত মানুষ ঐ মৃত মুখটা দেখতে আসছেন, কিন্তু জীবিত অবস্থায় যদি একবারের জন্যও এই মানুষগুলো পাশে দাঁড়াতো তাহলে অন্তত এভাবে নীরবে চলে যেতে হতো না। পরপর দুইটা চাকরি চলে গেল, কেউ ঐভাবে কাজেও ডাকতো না, মাঝে মাঝে দুই থেকে তিন হাজার টাকার জন্য কত জনের কাছে হাত পেতেছেন, এই আমি তার সাক্ষী।

তিনি বলেন, ৫০০ টাকা হলে মায়ের জন্য কারাগারে খাবার পাঠানো যায়, সেই টাকাটাও থাকত না মাঝে মাঝে এই আমি তার সাক্ষী। আমাকে পাঠানো সর্বশেষ মেসেজ এখন কী করবা? আমি বুঝে উঠতে পারিনি। যেতে যেতেই অভিমানে বিদায়…’

জানা যায় তাজিন আহমেদ জীবনের শেষ সময়গুলোতে অর্থ কষ্ট ও নিদারুণ মানসিক কষ্টের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলেন। মৃত্যুর সময়ও পরিবারের কাউকে পাশে পাননি। তাজিন আহমেদ গতকাল বিকেলে মারা যান। তার মৃত্যুতে বিস্মিত হয়ে যায় গোটা শোবিজ মিডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৃথিবীর হয়ে যুক্তরাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নেবে না, রুহানির হুঙ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পরমাণু ইস্যুতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। চলছে পাল্টাপাল্টি হুমকি। আর তারই জের ধরে ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিল, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নতুন শর্ত মানবে না তেহরান।

ইরানের সঙ্গে হওয়া পরমাণু চুক্তি থেকে চলতি মাসের শুরুর দিকেই বেরিয়ে এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এই একতরফা চুক্তিভঙ্গের তীব্র নিন্দায় সরব হয়েছিল তেহরান। সমালোচনা শোনা গিয়েছিল ওই চুক্তির অন্য অংশীদার রাষ্ট্রগুলোর মুখেও।

তবে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র জানায়, ইরানের সঙ্গে নতুন করে পরমাণু চুক্তি হতে পারে। কিন্তু তার জন্য ১২টি নতুন শর্ত ইরানকে মানতে হবে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব মাইক পম্পেও ঘোষণা করেন। তার পরেই কঠোর বয়ান দিয়েছে ইরান। প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি নিজেই জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপানো আর কোনো নতুন শর্ত ইরান মানবে না ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘একাধিপত্য’ আর মানবে না পৃথিবী, মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট রুহানি। তিনি বলেছেন, গোটা পৃথিবীর হয়ে সব সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রই নেবে, সে যুগ শেষ হয়ে গেছে।

প্রেসিডেন্ট রুহানির কথায়, ‘‘সব দেশই স্বাধীন…। আমাদের জাতির সমর্থনে বলীয়ান হয়ে আমরা নিজেদের পথেই চলব।’’

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ইরানের প্রেসিডেন্টের প্রশ্ন, ‘‘ইরানের হয়ে এবং গোটা পৃথিবীর হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার তোমরা কে?’’

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিটেন ও রাশিয়া ওই চুক্তির অংশীদার ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামীলীগের নতুন ভবনের কাজ শেষ, উদ্বোধনের অপেক্ষা

ন্যাশনাল ডেস্ক: এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী পুরনো ও বৃহৎ দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নতুন ভবনের কাজ শেষ। এখন অপেক্ষা উদ্বোধনের। জানা গেছে, আসন্ন ২৩ জুন দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে এ অফিস উদ্বোধন করবেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নতুন এ অফিস ভবন পরিদর্শন করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। এ সময় তারা ভবনের বিভিন্ন ফ্লোর ঘুরে দেখেন এবং নির্মাণসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ কার্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, আরও সপ্তাহখানেক আগেই মূল ভবনের কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে শোভাবর্ধনের কাজ। ভবনের সামনে দলের নাম ও প্রতীকও স্থাপন করা হয়েছে। ভেতরের টুকিটাকি সাজগোজের কাজ চলছে এখন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ জানিয়েছেন, দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন ২৩ জুন কার্যালয় উদ্বোধনের সম্ভাব্য দিন ঠিক করা হয়েছে।

ভবনের গায়ে ফুটন্ত ফুলের মতো টেরাকোটায় ফুটে উঠবে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি। তার পাশেই ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি মনে করিয়ে দেবে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির সেই দৃশ্য। ভবনের দেয়ালে ভেসে থাকবে বিশ্ব ঐতিহ্যের সেই প্রামাণ্য দলিল, রাজনীতির কবির সেই বজ্রকণ্ঠের উদ্ভাসিত জনস্রোতের চিত্র।

ভবনটির প্রবেশ মুখে দেখা যাবে চলন্ত নৌকা। তার পাশেই দেয়ালে স্মৃতিচিহ্নের মতো স্মরণীয় হয়ে থাকবে দেশের রাজনীতির ইতিহাসের এক কালো দিন।ভবনটির একপাশে লেখা থাকবে স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্যদিয়ে অর্জিত ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘জাতীয়তাবাদ’, ‘গণতন্ত্র’ ও ‘সমাজতন্ত্র’ এই চারমূল নীতির রক্তাক্ত শপথ। ভবনের প্রতিটি তলায় থাকবে ইতিহাস-ঐতিহ্যের নানা চিহ্ন।

আটষট্টি বছর বয়সের এক রাজনৈতিক দলের প্রাণকেন্দ্র এই ভবন। রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের এই ঠিকানায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যক্রম শুরু হয় ৩৭ বছর আগে। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা দেশের ফেরার পর পুরনো ভবনের এই জায়গাটিতে কেন্দ্রীয় কার্যালয় স্থাপন করা হয়।

২০১৭ সালের ২৩ জুন দলের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলতি বছরের দলের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নতুন এই ভবনের উদ্বোধন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ভবনটির প্রবেশমুখের বামপাশে লেখা থাকবে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘জাতীয়তাবাদ’, ‘গণতন্ত্র’, ‘সমাজতন্ত্র’- এই চার মূলনীতি। তার পাশে দেয়ালে মাটি অথবা টাইলসে খোঁচিত হবেন নারীনেত্রী আইভী রহমান। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা নিহত হওয়া এই নারীনেত্রীর স্মৃতিচিহ্নই এটি। ভবনে প্রবেশ মুখ থেকে যে দেয়ালটি দেখা যাবে সেখানে বাংলাদেশের মানচিত্র খোঁচিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, দলের নিজস্ব ফান্ড থেকে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য বিশ্বমানের ভবনটি সামনের দু’পাশের দেয়াল কাচ দিয়ে ঘেরা থাকবে। আর মাঝখানে সিরামিকসের ইটের বন্ধনে গড়ে উঠবে। এর সামনের দেয়ালজুড়ে দলের সাইনবোর্ডসহ দলীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’, চার মূলনীতি, ভাষা আন্দোলন’৫২, মুক্তিযুদ্ধ’৭১ প্রভৃতি শব্দ খোদাই করে লেখা থাকবে। ভবনের সামনে-পেছনে হবে ফুলের বাগান।

জানা গেছে, ১০তলা বিশিষ্ট এ ভবনে চার ও পাঁচতলায় থাকবে আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গ-সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিমসহ সমমনা অন্যান্য সংগঠনের কার্যালয়। সাত, আট ও নয়তলায় দলীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, বিষয়ভিত্তিক সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের কক্ষ থাকবে।

ভবনের বিভিন্ন তলায় থাকবে ডিজিটাল লাইব্রেরি, সেমিনার রুম এবং সাংবাদিক লাউঞ্জ। আধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিতব্য ভবনটিতে থাকবে দুটি স্বতন্ত্র কারপার্কিং, একাধিক লিফট, সিঁড়ি, কারলিফটসহ ভূমিকম্প ও অগ্নিপ্রতিরোধ ব্যবস্থা। ভবনের ছাদে থাকবে হেলিপ্যাড, যেখানে সরাসরি হেলিকপ্টার অবতরণ করতে পারবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুব উলআলম হানিফ বলেন, আমরা আশা করছি, ২৩ জুন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলীয় সভাপতি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ভবনটির কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইথোফেন দিয়ে আম পাকালে স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ইথোফেন দিয়ে ফল পাকালে তাতে স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে বলে সম্প্রতি বাজারে অভিযান চালিয়ে কয়েক হাজার মণ আম ও কলা ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) বলেছে, এতে কোনো প্রকার স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই। যারা এটাকে সমস্যা মনে করে ফলমূল ধ্বংস করছে তাদের কাছে প্রকৃত তথ্য নেই বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

গতকাল বুধবার রাজধানীর বিজ মিলনায়তনে বিএফএসএ আয়োজিত ‘মৌসুমি ফল পাকাতে বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহার ও জনস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এ দাবি করা হয়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিএফএসএর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল রউফ মামুন। বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ড. শাহ মনির, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের পরিচালক (পুষ্টি) ড. মো. মনিরুল ইসলাম, একই প্রতিষ্ঠানের হর্টিকালচার বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক শাহ মো. আকরামুল হক, বারির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মনোরঞ্জন ধর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (অপারেশন) শাহেদ আলম, বিএসটিআইএর সহকারী পরিচালক এ এস এম আবু সাইদ, ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর ভুইয়া, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের আব্দুর রশিদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এবং বিএফএসএর ফুড ইন্সপেক্টর কামরুল হাসান প্রমুখ।

কর্মশালায় বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়, ইথোফেন আসলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রবন্ধে সারা বিশ্বে ইথোফেনের মাধ্যমে ফল পাকানোর বহু তথ্য তুলে ধরা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে যেভাবে ফল ধ্বংস করা হচ্ছে সেটা মূলত ইথোফেন সম্পর্কে সঠিক তথ্য না জানার কারণেই করা হচ্ছে। পাশাপাশি ইথোফেন ফরমালিনের চেয়েও ক্ষতিকর এ তথ্যও সঠিক নয় বলে দাবি করা হয়েছে।

মোহাম্মদ মাহফুজুল হক বলেন, “ফল পাকাতে নির্দিষ্ট মাত্রায় ইথোফেন ব্যবহার বৈধ। এটি ব্যবহার করার ফলে এর কোনো ‘রেসিডিউয়াল ইফেক্ট’ থাকে না, তাই ক্ষতি নেই। কার্বাইড ব্যবহারেও কোনো ক্ষতি নেই, যদি সেটা ফুড গ্রেডের (খাদ্য উপযোগী) হয়। তবে বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রিয়াল কার্বাইড ব্যবহার করা হয়, যা নিম্নমানের। ফুড গ্রেডের কার্বাইডের ব্যবহার দেখা যায় না, কারণ তা অনেক ব্যয়বহুল। যে কারণে কার্বাইড সরকার নিষিদ্ধ করেছে।” ড. মো. ইকবাল রউফ মামুন বিভিন্ন গবেষণার প্রতিবেদন এবং ইথোফেনের বৈজ্ঞানিক কাঠামো বর্ণনা করে বলেন, ‘ফল পরিপক্ব হয়ে যখন পাকতে শুরু করে তখন প্রাকৃতিকভাবেই ইথোফেন তৈরি হয়। এই ইথোফেনই ফল পাকায়। এর বিক্রিয়ার কারণেই ফলের রং পরিবর্তন হয়, ফলে ঘ্রাণ তৈরি হয়। সারা বিশ্বেই নির্দিষ্ট চেম্বারে ইথোফেন ব্যবহার করে ফল পাকানো হয়। যার কোনো স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি নেই।’

অনুষ্ঠানে পুলিশের প্রতিনিধি শাহেদ আলম এবং বিএসটিআইএর সহকারী পরিচালক এ এস এম আবু সাইদ স্বীকার করেন, তাঁরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করলেও ইথোফেন নিয়ে তাঁদের সঠিক ধারণা নেই। এ বিষয়ে তাঁদের আরো বেশি প্রশিক্ষণ দরকার বলে জানান তাঁরা। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যে আমগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে সেগুলোর আঁটিই শক্ত হয়নি। কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে বাজারে এনেছেন ব্যবসায়ীরা। নিরাপদ খাদ্য আইনে আছে, ফলে ক্যালসিয়াম কার্বাইড ব্যবহার করা যাবে না। আর ইথোফেনের ক্ষেত্রে কেউ বলেন, এটা বেশি ক্ষতিকারক না, কেউ বলেন ক্ষতিকারক।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest