সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টিতে সাইকেল র‍্যালিদেবহাটায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্য কার্যক্রমের প্রতিবাদে বিক্ষোভসাতক্ষীরার নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মালেক গাজী সাময়িক বরখাস্তবেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের দোয়াসাংবাদিক সুমন ফেসিয়াল ভাইরাসে আক্রান্ত : সুস্থতা কামনায় বিবৃতিদৈনিক প্রবাহ অফিসে হামলা: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নিন্দাবল্লীতে জমিজমা বিরোধের জেরে নারীসহ পরিবারের ওপর হামলা: থানায় অভিযোগদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ ১ জন আটক : থানায় মামলাআন্তর্জাতিক নাট্য প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পেলেন  আসাদুল ইসলামশ্যামনগরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ধান রোপন করে প্রতিবাদ

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের ৬৬নং বড়কুপট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির কয়েক হাজার টাকা ও বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য সরকারের দেওয়া ৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে বদলির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ মে) সকালে বিদ্যালয়ের সামনে কয়েক শ’ অভিভাবক ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দীন গাজী। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার সরকারের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন গাজী সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিএম শাহবুদ্দিন পারভেজ, অভিভাবক খায়রুল ইসলাম, অভিভাবক ফারুক হোসেন, মন্টু মিয়া, অভিভাবক নাসিমা খাতুন প্রমুখ।
এসময় কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন এলাকার তিন শতাধিক অভিভাবক, পিটিএ এবং এসএমসির সদস্যরা।

এদিকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের সময় প্রধান শিক্ষক স্কুলে না থাকলেও সহকারী শিক্ষকগণ স্কুলে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কোন শিক্ষার্থী স্কুলে আসেনি। শিক্ষার্থীরা কেন স্কুলে আসেনি জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক হোসনেয়ারা পারভীন বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপবৃত্তি কয়েক হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষক তার নিজের মোবাইল ফোনে  ওই টাকা আত্মসাত করেছেন মর্মে অভিভাবকরা অভিযোগ করলে তা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। এতে অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তিনি আরও জানান, শুধু তাই নয়, স্কুলের উন্নয়নে তিন বছরে সরকার ৭ লক্ষ ৫৫ হাজার দেয়। কোন কাজ না করে সেই টাকাও আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক। এর আগে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছিল ওই প্রধান শিক্ষককে। এতে অভিভাবকরা হয় তো মনে করছেন, তাদের সন্তানরা ওই প্রধান শিক্ষকের কাছে নিরাপদ নয়। যে কারণে স্কুলে কোন শিক্ষার্থী আসছে না।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যতদিন এই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও বদলি না করা হবে ততদিন এই স্কুলে কোন শিক্ষার্থী পাঠদানের উদ্দেশ্য আসবে না।

বক্তারা আরও বলেন, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলার সোনাখালি প্রাইমারি স্কুল থেকে বহিস্কার হয়েছিলেন অজয় কুমার সরকার। পরে তিনি যোগদান করেন ৬৬নং বড়কুপট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
এখানেও নতুন করে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সরকারের দেওয়া টাকা আত্মসাত করায় আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি।  তারা বলেন, ২০১৬ সালে অর্থ আত্মসাতের দায়ে কয়েকমাস বহিষ্কার ছিলেন এই প্রধান শিক্ষক। এছাড়া শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির নামের তালিকায় নিজের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে টাকা উঠিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
বিদ্যালয়ের সভাপতি জিএম শরফুদ্দীন পারভেজ বলেন, গত ২০২০-২১-২২ অর্থ বছরের বিদ্যালয়ের বরাদ্দের হিসাব জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তথ্য সংগ্রহ করলে তাতে দেখা যায়, বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কাজের বরাদ্দের ৮ লক্ষ টাকা উঠালেও তিনি বিদ্যালয়ে কোন কাজ করেননি। খাতা কলমে কাজ দেখিয়ে টাকাগুলো আত্মসাত করেছেন। বাস্তবে দেখা গেছে, যে কাজের জন্যে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তার কোন কাজই তিনি করেননি।

সাবেক সভাপতি গাজী নাসির উদ্দীন বলেন, স্কুলে খাতা-কলমে কাজ দেখানো হয়েছে ৮ লক্ষ টাকার। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমাদের কোন হিসাব দেখাতে পারছেন না। এমনকি কোন ভাউচারও দেখাতে পারছেন না।
দীর্ঘদিন এমন হিসাবের সমস্যা নিয়ে গভর্নিং বডির সভাপতি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রধান শিক্ষককে নিয়ে বসাবসি করার পরে একটা হিসাব দিলে সহকারী শিক্ষকরা বলছেন, এখানে যেসব জিনিসপত্রের কথা লেখা হয়েছে তার ৯০ ভাগ জিনিস না কিনেই হিসাব দেখানো হচ্ছে।
অভিভাবক নাসিমা বেগম বলেন, ছেলে নাহিদ হাসান নয়ন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। আজ পর্যন্ত উপবৃত্তি টাকা পাইনি। এজন্য একাধিকবার স্কুলে আসছি। কোন সুরাহা মেলেনি। একপর্যায়ে শীটে দেখা যায়, আমার ছেলের নামের সাথে প্রধান শিক্ষকের নাম্বার দেয়া। ওই নাম্বারে টাকা উঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধু আমার ছেলে নয়, অনেকের টাকাও প্রধান শিক্ষকের নাম্বারে আসে।
প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার সরকার বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে সেগুলো ঠিক নয়। ২০১৬ সালে বহিস্কার হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: রফিজ মিয়া বলেন, আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির কোন ছাড় দেওয়া হবে না।###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পাটকেলঘাটার পাঁচপাড়া মাঠে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ৩০টি ঘোড়ার সমষ্টিতে এই ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পাঁচপাড়া মাঠ থেকে শানতলা গ্রাম পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতা দেখতে হাজারো মানুষ ভিড় করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

৩০টি ঘোড়ার মধ্যে প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে ফ্রিজ জিতে নেন নড়াইলের লোহাগড়ার লাকী-৭ ঘোড়া। দ্বিতীয় হয়ে এলইডি টিভি জিতে নেন খুলনার বটিয়াঘাটার টাইগার ঘোড়া। আর তৃতীয় হয়ে বাই-সাইকেল জিতে নেন যশোরের অভয়নগরের একটি ঘোড়া।

পূর্ব পাঁচপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুবলীগ নেতা ইস্কান্দর হোসেন বাবু।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন তালা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার মশিউর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা মান্নান খাঁ,আফজাল খাঁ,রেজাউল ধাবক,মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ এপ্রিল সাতক্ষীরা শহরের আসমানী স্কুল রোড কামালনগরস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের প্রথম আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ গোলাম রসুল রাসেল। আলোচনা সভায় আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমানের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সহ সভাপতি মোঃ আনারুল ইসলাম রনি,

আব্দুস সামাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ সেলিম হোসেন, সহ অর্থ সম্পাদক মোঃ লুৎফর রহমান, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহাজান আলী ছোট বাবু, প্রচার সম্পাদক শেখ রিয়াজুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইউছুফ আলী সরদার, শিশু ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শাহানারা খাতুন রিনা, কার্যকারী সদস্য আলমগীর হোসেন প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিদের সাথে যুবদের সংযুক্ত বিষয়ে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় বিনেরপোতাস্থ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র টিটিসিতে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়নে একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় যুবদের সংযুক্ত বিষয়ে এডভোকেসি সভায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কে এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাশ, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সুপারভাইজার শুভাশিস সরকার নবজীবন পলিটেকনিক ইন্সিটিটিউটের অধ্যক্ষ শেখ রফিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সুপারভাইজার আজিজুর রহমান, আনোয়ারা খান মেমোরিয়াল ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের কম্পিউটার ইন্সট্রাক্টর প্রশিক্ষক রাশিদুল ইসলাম, টিটিসির জব প্লেসমেন্ট অফিসার আরিফুল ইসলাম, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সরদার প্রমুখ।
উক্ত এডভোকেসি সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ^াস। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম ও সভার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: তহিদুজ্জামান (তহিদ)।
বক্তরা বলেন, একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় সিডো সংস্থার বাস্তবায়নে এফরটি প্রকল্পের আওতায় যুবদের জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমুলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ করে দিয়ে তাদের দক্ষতা উন্নয়ণের জন্য যে ভুমিকা রাখছে সত্যিই সেটি প্রশংসার দাবিদার। যুব সদস্যবৃন্দ তাদের চাহিদা অনুযায়ী উপস্থিত অতিথিবৃন্দের তাদের নিজস্ব কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সেবা সমুহ সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। প্রশ্নের উত্তরে যুবদের কিভাবে সহযোগিতা করতে পারবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। চাকুরির পেছনে না ছুটে প্রত্যেকে কারিগরি শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। নিজেদেরকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে যে সুযোগ আছে লক্ষ্য নিদিষ্ট করে সেই প্রশিক্ষণ গ্রহন করতে হবে। একাধিক প্রশিক্ষণ গ্রহন করলে কোনটাই হয় না। সিদ্ধান্ত গ্রহনের এখনই সময়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালচনায় ছিলেন প্রোগ্রাম অফিসার গিয়াসউদ্দীন, উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেরিটর, একশনএইড বাংলাদেশর কেয়া অধিকারী, চন্দ্রশেখর হালদার, চন্দন কুমার বৈদ্য, বৈশাখী সুলতানা ও যুব সংঘের সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ স্ত্রীকে ভারতে পীরের মাজারে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পাচারের পরে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে এক ব্যক্তির ১৫ বছর সশ্রম কারাদ-, ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো পাঁচ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এক জনাকীর্ণ আদালতে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম এ আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামীর নাম শচীন্দ্রনাথ ম-ল ওরফে ইব্রাহীম খলিল (৫২)। সে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার চুনাখালি গ্রামের কিশোরী মোহন ম-লের ছেলে।
মামলার বিবরনে জানা যায়, ২০০৯ সালের মার্চ মাসে শ্যামনগরের চুনাখালি গ্রামের শচীন্দ্রনাথ ম-ল ধর্মান্তরিত হয়ে কালিগঞ্জ উপজেলার খড়িতলা গ্রামের আরশাদ আলী শেখের মেয়ে আফরোজা খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর শচীন্দ্রনাথ ম-লের নাম হয় ইব্রাহীম খলিল। ভারতে পীরের মাজারে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে স্থানীয় সুশান্ত ম-ল বাচ্চু, সুশীত ওরফে বড়চুন্নু, সাইফুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ ও নিমাই বাগদীর সহযোগিতায় ওই বছরের ৩০ মে রাত সাড়ে সাতটার দিকে ইছামতী নদী পার করে আফরোজাকে ভারতে নিয়ে যায়। পরে তাকে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে চলে যায় সে। সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে দেশে ফিরে ২০০৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর শচীন্দ্রনাথ ম-লসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে আফরোজা কালিগঞ্জ থানায় একটি মানবপাচারের মামলা (জিআর-১৭১-০৯ কালিঃ)দায়ের করেন। পুলিশ সকল আসামীকে গ্রেপ্তার করলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে তারা পালিয়ে যায়। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক লস্কর জায়াদুল হক এজাহারভুক্ত ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ২০১০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। জামিন পাওয়ার পর দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা নিমাই বাগদীকে পুলিশ ২০২২ সালের ডিসম্বের মাসে গ্রেপ্তার করে।

মামলার ১০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে পলাতক আসামী শচীন্দ্রনাথ ম-ল ওরফে ইব্রাহীম খলিলের বিরুদ্ধে আফরোজাকে ভারতে পাচারের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে মানবপাচার আইনের ৫(১) ধারায় ১৫ বছর সশ্রম কারাদ-, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদ-াদেশ দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কাঠগোড়ায় থাকা নিমাই বাগদীসহ অপর পলাতক চার আসামীকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

পলাতক আসামীদের পক্ষে সহায়তা করেন(স্টেট ডিফেন্স) লিগ্যাল এইডের আইনজীবী অ্যাড. বসির আহম্মেদ।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পিপি অ্যাড. এসএম জহুরুল হায়দার বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমান আদালতে এক দোকানিকে জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরার নেতৃত্বে সুলতানপুর এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।

এসময় ‘ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন লঙ্ঘন করে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অপরাধে সুলতানপুর এলাকার ল কলেজ সংলগ্ন চা এর দোকান মালিক মো: ফজর আলীকে একহাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা বলেন, আইন অনুসারে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ হলেও তামাক কোম্পানীগুলো সারাদেশে আইনটি লঙ্ঘন করে বিজ্ঞাপন প্রচার উদ্ধুদ্ধকরণ কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে।

যা সরকারের জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও সার্বিক তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্থ করছে। আইন লঙ্ঘনকারী কোম্পানিগুলোকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যয় ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে এ ধরনের ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এসময় উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, বেঞ্চ সহকারি শেখ সামছুজ্জামান, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে মৌমাছির নির্বাহী পরিচালক সুশান্ত মল্লিক, সুন্দরবন ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক শেখ আফজাল হোসেন, মিডা’র নির্বাহী পরিচালক দুলাল চন্দ্র দাশ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় কাজের মেয়াদ শেষ হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের(পওর-২) এর  গাফিলতিতে দূর্ভোগে রয়েছে কমপক্ষে ৫  গ্রামের মানুষ। এছাড়া ও উক্ত এলাকায় অবস্থিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গুলো আছে চরম সংকটে।
সূত্র জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-২ এর পোল্ডার নং- ১, ২, ৬-৮ এ সম্প্রসারন নিস্কাশন ব্যবহার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বাধ পুন: আকৃতিকরন কাজের শুরু হয় ৫ জুলাই ২০২২ তারিখে এবং কাজ শেষ হওয়ার কথা ২৭ মে ২০২৩ তারিখে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের তত্বাবধায়নে কাজ করলেও উক্ত পোল্ডারের রাজনগর থেকে বিনেরপোতা অভিমুখে ১০০ মিটারের কাজ অসম্পন্ন রাখা হয়েছে। যেখানে রাস্তাটি এ ১০০ মিটারে কাদা থাকায় পুরোপুরি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। যেকারনে  বিনেরপোতা, খেজুরডাঙ্গার বেলে পাড়া, রাজনগর, শিবনগরসহ কয়েকে গ্রামের মানুষের চলাচলে ব্যবহার করতে হচ্ছে বিকল্প রাস্তা। আর এ এলাকায় বসবাস করা সাধারন মানুষেরা বর্তমানে সরকারের উন্নয়ন কাজে পানি উন্নয়ন বোর্ডের(পওর-২) গাফিলতি ও বিভিন্ন অনিয়মে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী,এস ও, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কাটা, বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে উঠেছে।
অন্যদিকে, সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের গন শুনানিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড দুই এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন দুই ব্যক্তি। যার একটিতে স্থান পায় বাঁধ নির্মাণ কাজে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়টি। দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক ইতিমধ্য ে বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার প্রতিনিধি আবু সালেহ জানান, কাজ কিছু বাকি থাকতে পারে। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ঠিক করে দেবো। অনেক বিপদে ছিলাম কাজটা নিয়ে। এলাকার কেউ সহযোগিতা করেনি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, এস ও, এসডিস্যার কাজ পরিদর্শন করেছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের(পওর-২) এর সংশ্লিষ্ট এস ও জিয়াউর রহমান অভিযোগের বিষয়গুলো অস্বীকার করে বলেন, কিছু ত্রুটি থাকতে পারে দ্রুত সমাধান হবে।
এলাকাবাসী এ অবস্থার প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের  কর্মকর্তাদের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কামালনগরে সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ মে) সকালে কামালনগর দারুল উলুম মহিউস সুন্নাহ মাদ্রাসা ও ডিপ জামে মসজিদ
এলাকায় প্রধান অতিথি হিসেবে নির্মাণ সামগ্রী ঢেলে সিসি ঢালাই রাস্তার
নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র কাজী
ফিরোজ হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা কমিউনিটি পুলিশিং
ফোরামের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শফিকুল আলম বাবু, পৌরসভার
৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ড মহিলা কাউন্সিলর রাবেয়া পারভীন, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রকৌশলী নাজমুল করিম, সহকারী প্রকৌশলী কামরুল আখতার তপু, পৌরসভার এসও সাগর দেবনাথ, মো. আজগর আলী সরদার, আব্দুল আজিজ বাবু, মো. আবু সাঈদসহ
এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

কামালনগর ডিপ জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা হতে ডিপ বটতলা পর্যন্ত ৩৫০ ফুট সিসি ঢলাই রাস্তা সাতক্ষীরা পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে তিন লক্ষ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে এ সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কামালনগর দারুল উলুম মহিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মুক্তার হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest