সর্বশেষ সংবাদ-
 শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে আশাশুনির বাঁকড়া আজিজিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার রেকর্ডীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগদখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই অবৈধদখলদারদের কবল থেকে সম্পত্তি উদ্ধারে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মাদ্রাসা কর্তৃক এবং জমিদাতার পরিবার।

জমিদাতা পরিবারের সদস্য আব্দুস সবুর জানান, বাঁকড়া মৌজায় ২.৬৫ একর জমি বাঁকড়া আজিজিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার পরিচালনার জন্য প্রদান করা হয়। সে অনুযায়ী মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে হারি নেন নেবারন কিনি(কামালকাটি) গ্রামের মৃত নেকাব উদ্দিন মোড়লের পুত্র নজির আলী মোড়ল গং।

হারী নিয়ে তারা নিয়মিত হারীর টাকা পরিশোধ করতো। কিন্তু ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই তৎকালিন আশাশুনি সহকারী কমিশনার ভূমি উক্ত সম্পত্তি খাস করার আদেশ দেন। এ আদেশের পর থেকে নজির আলী মোড়লসহ একই এলাকার মৃত. সালাম মোড়লের পুত্র বনি আমিন মোড়ল, মৃত রূপচাঁদ গাজীর পুত্র আতি গাজী, মৃত জাফর সরদারের পুত্র আনিস সরদার, মৃত গহর সরদারের পুত্র সুবহান সরদার,মৃত গহর সরদারের পুত্র শহিদ সরদার, মৃত লাল চাঁদগাজীর পুত্র মিজান গাজী, মৃত রশিদ সরদারের পুত্র শাহিনুর সরদার, মৃত আবুল সরদারের পুত্র আব্দুস সাত্তার সরদার, মৃত আক্কাজ সরদারের পুত্র সামাদ গাজী, মৃত হাকিম সরদারের পুত্র মোজাফফর সরদার গং অবৈধভাবে ওই সম্পত্তি ভোগদখল করতে থাকে। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করলে দীর্ঘ শুনানির পর আদালত ২৯ আগস্ট ২০২২ সহকারী কমিশনার ভূমির উক্ত আদেশ বেআইনী বলে রায় প্রদান করে। কিন্তু তারপরও উল্লেখিত ব্যক্তিরা ওই সম্পত্তি দখল না ছেড়ে জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন। এদিকে উক্ত সম্পত্তির হারির টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের অসহায় ও এতিম ছাত্রদের খরচ বহন করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে হারির টাকা না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় অত্যান্ত কষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কর্তৃপক্ষ।

এবিষয়ে বার বার বসাবসির তারিখ দিলেও রবিউল ইসলামের কু পরামর্শে উল্লেখিত ব্যক্তিরা বসাবসি না করে তালবাহানা করে যাচ্ছেন।

এঘটনায় অভিযুক্ত রবিউল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, যার কাছে কাগজপত্র ছিলো তিনি মারা যাওয়ায় একটু সমস্যা হয়েছে। তবে কাগজপত্র জোগাড় করে ফেলেছি দ্রুত বসাবসি করে এটির সমাধান করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : কৈখালীতে প্রধান শিক্ষক আবুল বাসারের আত্মহত্যার ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আ: রহিমসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, সাংবাদিক ও শিক্ষককে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, সাংবাদিক শেখ আলী মোর্তজা। তিনি বলেন, গত ০৪ জানুয়ারি ২০২৩ সামছুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকস্মিকভাবে আত্মহত্যা করেন।

এঘটনায় আমরা অত্যান্ত ব্যাথিত ও শোকাহত। প্রকৃতপক্ষে প্রধান শিক্ষক আবুল বাসার অসুস্থতাজনিত কারনে এক মাস ছুটিতে থাকা অবস্থায় বিদ্যালয় থেকে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে শ্যামনগরের গোপালপুরের ভাড়া বাসায় দুপুর ১টার দিকে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

বিষয়টি আমরা বিদ্যালয়ে পাঠদানরত অবস্থায় বিভিন্ন মাধ্যমে অবগত হই। কিন্তু অত্যান্ত দু:খের বিষয় হলো ওই আত্মহত্যার ঘটনাকে পুজি করে সাবেক জামায়াত সমর্থিত নেতা জি এম রেজাউল করিম বার বার নির্বাচনে পরাজয় বরণ করে প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে কৈখালী ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ আ: আব্দুর রহিমসহ বিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষক, দুইজন বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান একজন সাংবাদিক ও অপর একজন ম্যানেজিং কমিটির মহিলা সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করে জেলহাজত খাটিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। প্রয়াত প্রধান শিক্ষকের আপন মামাত শ্যালক জি এম রেজাউল করিম অত্র বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ১০ দশ বছর যাবৎ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে দুইজন মিলে প্রায় ১ কোটি ৬২ লক্ষ টাকা নিয়োগ বাণিজ্য ও বিদ্যালয়ের ফ্যাসিলিটিস ভবন, ১০ বছরের ছাত্রছাত্রীদের বেতনের টাকা অবৈধভাবে আত্মসাৎ করেছেন। নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের সাথে একমত পোষন করায় বিগত সভাপতির রোষানলে পড়েন।

তিনি বিভিন্নভাবে শিক্ষকদের ও ম্যানেজিং কমিটিকে বিপদে ফেলার ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। বিগত ২০২২ খ্রি: অত্র বিদ্যালয়ের চারজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে মামলায় ৬নং আসামী মারুফা বেগমের সাথে প্রধান শিক্ষক আর্থিক লেনদেন করেন অডিও রেকর্ড আদালতে উপস্থাপন করেন। কৌশলে ধর্ষনের চেষ্টা করেন। মারুফা বেগম নারী শিশু নির্যাতন আদালতে মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ চার্জশীটও দাখিল করেন। মামলার ৭নং আসামী বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান জাকির হোসেন উক্ত অবৈধ নিয়োগের ব্যাপারে মামলা দায়ের করেন। যেকারনে সাবেক সভাপতি জি এম রেজাউল করিম তার ফুফাতো বোন প্রায়ত প্রধান শিক্ষকের স্ত্রী নূরুন্নাহার পারভীন কে বাদিনী করে প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা ঘটনাকে পুঁজি করে মিথ্যা মামলায় নিরাপরাধ সভাপতি, শিক্ষকবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের ফাসিয়ে দেন।

প্রয়াত প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যার প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং নিরাপরাধ মানুষগুলোকে উক্ত মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান পূর্বক বিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তাগণের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কৈখালী সামছুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শেখ সালাউদ্দীন আহমেদ, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো: আ: মুজিদ, সহকারী শিক্ষক মো: আ: মান্নান, ভুক্তভোগী মারুফার স্বামী মোস্তফা মাহমুদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি এক সভা ৭ ফেব্রুয়ারি‘২৩ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপীর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ৯ জন সদস্যর সর্বসম্মতিক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহীত হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজনকে গঠনতন্ত্র লংঘনের কারনে সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যহতি দেয়া হয়। একইসাথে যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পন করা হয়। একইসভা থেকে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে (কক্সবাজার ও সেন্টেমার্টিনে) বার্ষিক পিকনিকের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পিকনিকের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়।

অপর দিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী অসুস্থতার কারন দেখিয়ে লিখিত ভাবে এক মাসের জন্য সভাপতির দায়িত্বভার সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমানের ওপর অর্পনের প্রস্তাব করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে সভায় গৃহীত হয়।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, এম শাহীন গোলদার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : “কবির ভাষায় মা তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে” সেই চিরাচরিত গানের ভাষায় মনে দোলা দেই, যখন বাস্তবে প্রকৃতির সেই দৃশ্য চোখে পড়ে। দেবহাটায় ঋতুরাজ বসন্তের আগমনের সাথে সাথে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে সোনালী রঙের আমের মুকুল।
দেবহাটা উপজেলা ও তার আশেপাশের এলাকাগুলোতে ছোট-বড় প্রায় সকল গাছে ঝুলছে থোকা থোকা আমের মুকুল। এতে বেড়েছে ভ্রমরের আনাগোনা আর সেই সাথে মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত হচ্ছে দেবহাটা।
দেবহাটার গ্রামগুলোতে ঘুরে দেখা যায় বাড়ির আঙিনায় পুকুরপাড় বাগানসহ সকল আম গাছে ঝাঁপিয়ে পড়েছে মুকুলে। ছোট-বড় প্রায় সকল গাছ মুকুলে ভরে গেছে স্থানীয় দেশি জাতসহ অম্রপালি, ফজলি, লতাই, ন্যাংড়াসহ নানা জাতের আম। আর গাছে এসেছে পর্যাপ্ত মুকুল। মুকুল আসলে অনেকেই গাছে স্প্রে করার জন্য ভ্রাম্যমাণ স্প্রেয়ের অপেক্ষায় থাকে। আবার কেউ কেউ নিজ উদ্যোগে স্প্রে করে থাকে।
দেবহাটার বিভিন্ন নার্সারিতে কথা বললে নার্সারি মালিকগন বলেন, মুকুল আসার সাথে সাথে মুকুলে সকালে পানি স্প্রে করতে হয় ও হালকা কীটনাশক স্প্রে করা দরকার। কুয়াশা বেশি হলে আমের মুকুল পুড়ে যায়। মুকুল থেকে গুটি ধরার পরে গাছে পিপড়া লাগতে পারে, পিঁপড়া আমের গুটি ক্ষতিসাধন করে থাকে। তবে এ বছর কুয়াশা কিছুটা কম থাকায় আমের ফলন ভালো ও বেশি হতে পারে।
এই ব্যাপারে কয়েক জন, আম বাগান মালিকদের কাছে জানতে চাইলে আম ব্যবসায়ী ঝন্টু দে বলেন, তারা এবছর আমের আশানুরুপ ফলন আশা করছেন। তিনি বলেন, সার্বিক দিক বিবেচনায় এবার আমের বাম্পার ফলন হবে এবং ৭৫ ভাগ আম পাওয়া যাবে বলে তাদের ধারনা। তিনি আরো বলেন, দেবহাটার আম এলাকার বিভিন্ন বাজারের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়। তবে তিনি এই বছর মুকুল আসার মুহুর্তে বৃষ্টি না হওয়ায় এবছর আমের মুকুল তাপে পুড়ে যাওয়ায় সম্ভাবনা থাকবে বলে কিছুটা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তবে আশা করছেন গত বছরের চেয়ে এবছর আমের বাম্পার ফলন হবে। তিনি বলেন, তিনিসহ এই এলাকার অনেক ব্যবসায়ী নিজস্ব আম বাগান থেকে অনলাইন বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফরমালিনমুক্ত আম বিক্রি করে থাকেন। তিনি কোন মানুষ ভাল জাতের আম কিনতে চাইলে তার নিজস্ব মোবাইল (০১৭১০-৩১৭৯৫২) এই নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান।
এবিষয়ে দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর বলেন,  এবছর আমের চাষ হয়েছে ৩৬৮ হেক্টর জমিতে।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফল পাবেন চাষীরা এবং চাষীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে পরিচালিত ব্রাদার্স ব্রিকস ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ভেঙে ফেলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার জেলা প্রশাসকের নির্দেশে উপজেলার শীতলপুর গ্রামে গড়ে ওঠা অবৈধ ব্রাদার্স ব্রিকস ওরফে সিয়াম ভাটা ভ্রাম্যমাণ আদালত বন্ধ করে দিয়েছে। একই সাথে ইট ভাটাটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজাহার আলী এবং সাতক্ষীরার বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শরিফুল ইসলাম।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজাহার আলী বলেন, কয়েক বছর ধরে কোন অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ব্রাদার্স ব্রিকস প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বহাল তবিয়াদের চলিয়ে আসছে।

মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইট ভাটাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সাথে ইট ভাটার মালিক আব্দুল ওদুদ কে ৫০ হাজার টাকা জরিমান করা হয় এবং ইট ভাটা টি বুলডোজার মেশিন দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় কুকুরের ভ্যাক্সিন কার্যক্রম আগামী বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৪ তারিখ পর্যন্ত। এই বিশেষ কর্মসূচিতে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকায় এক্সপার্টদের একাধীক টিম কুকুর ও বিড়ালের খুঁজে বের করে প্রতিরোধক ভ্যাক্সিন প্রদান করবেন।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারী) সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় ব্যাপকহারে কুকুরের টিকাদান (এমডিভি) কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে অবহিতকরণ সভায় অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে উক্ত অবহিতকরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল লতিফ। উপস্থাপনায় করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ বিপ্লব মন্ডল, বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ তহিদুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহজাহান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (এমডিভি) কার্যক্রমের ফিল্ড সুপারভাইজার কাওসার আহমেদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সাধারণ সম্পদাক রফিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (এমডিভি) কার্যক্রমের ফিল্ড সুপারভাইজার জনকল্যান চক্রবর্তী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

বক্তরা বলেন, জলাতঙ্ক একটি ভয়ংকর মরণব্যাধি। এ রোগের মৃত্যুর হার শতভাগ। জলাতঙ্গ রোগ মুলত কুকুরের কামড় বা আচঁড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়া বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানরের কামড় ও আঁচড় থেকে হতে পারে। বাংলাদেশে ২০১০ সালের আগে প্রতিবছর প্রায় ২ হাজারের বেশি মানুষ জলাতঙ্কে মারা যেত এবং গবাদী পশুর মৃত্যুর সংখ্যা অগনিত ছিল। ২০১১ সাল থেকে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে এটি ২০১৬ সালে ৯০% এর নিচে নামিয়ে আনে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে জলাতঙ্ক মুক্ত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছেন সরকার। যার মধ্যে ভ্যাক্সিন কার্যক্রম অন্যতম।

জলাতঙ্ক একটি তীব্র ভাইরাল সংক্রমণ যা প্রায় সবসময়ই মারাত্মক। সাধারণত কুকুর, বিড়াল, শেয়াল, বানরের মাধ্যমে সংক্রমন হয়ে থাকে। প্রথম পর্যায়ে বাদুড় থেকে এই ভাইরাস অন্যপ্রাণি বহন করে সব শেষে মানুষে দেহে প্রবেশ করে। আক্রান্ত মানুষের মাধ্যমে অন্য মানুষ সংক্রমনিত হয় না। এ জন্য বেশি বেশি সচেতনতা দরকার। এমনকি আক্রান্ত প্রাণি থেকে মানুষের দেহে প্রবেশ করার আগে প্রতিরোধ করা গেলে ক্ষতির মাত্রা কমিয়ে আনা সম্ভব। যেহেতু প্রাণীর লালার মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়ায়।

বিপথগামী কুকুরগুলি সংক্রমণের সবচেয়ে সম্ভাব্য উৎস, সে কারণে পোষা প্রাণীদের টিকা দেওয়া হয়। যদি একটি উন্মত্ত প্রাণী একজন ব্যক্তির উপর একটি খোলা ক্ষত চাটতে পারে, তাহলে ভাইরাসটি সহজে সংক্রমণ হতে পারে। মাথা এবং ঘাড়ের ক্ষতগুলি আরও বিপজ্জনক কারণ সংক্রমণ দ্রুত মস্তিষ্কে পৌঁছাতে পারে। জলাতঙ্কের উপসর্গ এবং লক্ষণগুলি রোগের শেষ পর্যায়ে দেখা যায় না, এই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটি মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে এনসেফালাইটিস সৃষ্টি করে এবং এর পরেই মৃত্যু ঘটে। প্রাথমিক উপসর্গগুলি হল: মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর এবং কামড়ের জায়গায় খিঁচুনি। অত্যধিক লালা নিঃসরণ, গিলতে অসুবিধা, গিলতে অসুবিধার কারণে পানির ভয়, উদ্বেগ, বিভ্রান্তি, অনিদ্রা এমনকি আংশিক পক্ষাঘাত এবং কখনও কখনও কোমার মতো লক্ষণগুলি জলাতঙ্কের ইঙ্গিত দেয়। ব্যক্তি শব্দ, আলো এবং এমনকি বাতাসের ভয় দেখা যায়।

বক্তরা আরো বলেন, জলাতঙ্ক ৩টি স্থরের ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রথমত যদি কোন মানুষকে কুকুর, বিড়াল বা শিয়ালে কামড়ে বা আঁচড় বা জিহ্বা দিয়ে কোন স্থানে চাটতে পারে তাহলে ক্ষত স্থান থেকে রক্ত বের না হয় সেক্ষেত্রে ওই স্থানে সাবান পানি, হ্যান্ড স্যানিটাইজার জাতীয় জিনিস দিয়ে ৩০-৪০ মিনিট ধরে ধুতে ফেলতে হবে। ২য় স্থরে যদি কোন ব্যক্তিকে কামড় দেয় সেই স্থান থেকে রক্ত নিগত হতে থাকে তাহলে ক্ষত স্থান চেপে ধরে রাখতে হবে এবং সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এমনকি ২৪ ঘন্টার মধ্যে স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে কিংবা রেজিস্টার্ড ডাক্তারের নিকট হতে ভ্যাক্সিন গ্রহন করতে হবে। ৩য় স্থরে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যদি একাধিক স্থানে কামড়িয়ে জখম করে থাকে সেক্ষেত্রে যতদ্রুত সম্ভব হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

সেখানে ডাক্তারের বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। মনে রাখতে হবে জলাতঙ্ক সাথে সাথে ছড়িয়ে না পড়লেও এটি ১০/১৫ বছর পরেও লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তাই ঝাঁড় ফুক না দিয়ে রুগিকে সরাসরি চিকিৎসকের নিকট নিয়ে এসে ভ্যাক্সিনের আওতায় আনতে হবে। মানুষ আক্রান্ত হওয়ার আগে যদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা করা যায় তাহলে দেশ থেকে জলাতঙ্ক কমে যাবে। সে জন্য বিপথগামী কুকুর, পোষা প্রাণীদের টিকার আওতায় আনতে হবে। এজন্য এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাজী ফিরোজের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নাজিমউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে প্যানেল মেয়র কাজী ফিরোজ হাসানকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন ।

জানা যায়, সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি নাশকতা মামলায় কারাগারে থাকায় তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আব্দুর রহমান সই করা এক পত্রে প্যানেল মেয়র কাজী ফিরোজ হাসান কে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এ কারণে তাকে মেয়রের পদ থেকে অপসারণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

এমতাবস্থায়, তিনি মেয়রের দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হওয়ায়, তিনি পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৪০(২) অনুযায়ী সাতক্ষীরা পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ কাজী ফিরোজ হাসানকে পৌরসভার মেয়রের দায়িত্বসহ আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করা হলো।

ভারপ্রাপ্ত মেয়ের হিসেবে কাজী ফিরোজ হোসেনের দায়িত্ব গ্রহণ করলে উপস্থিত ছিলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১নং ওয়ার্ডে কায়ছারুজ্জামান হিমেল, ৫নং ওয়ার্ডে আনোয়ার হোসেন মিলন, ৬নং ওয়ার্ডে শেখ মারুফ হোসেন, ৭নং ওয়ার্ডে জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, ৮নং ওয়ার্ডে শফিকুল আলম বাবু,

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিল নুরজাহান খাতুন নুরী ও অনিমা রানী মন্ডল প্রমুখ। অভিষেক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিল শেখ শফিকউদ্দৌলা সাগর প্রমুখসহ পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-১ এর পোল্ডার-৩ এর আওতাধীন দেবহাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাতশালা এলাকায় বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারনী ইছামতি নদীর প্রবল জোয়ারের তোড়ে সেখানে প্রায় ১৫০ মিটার এলাকা জুড়ে বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যেই বেড়িবাাঁধের কিছু অংশ নদী গর্ভে ধসে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে বেড়িবাঁধে ক্রমশ ফাঁটলের পরিমান বাড়ছিল। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফাঁটল গুলো ভয়াবহ ভাঙনে রুপ নিতে দেখে এলাকাবাসি। ইছামতি নদীর বেড়িবাঁধের পাশবর্তী বাড়িঘর জুড়ে এ ভাঙন দেখা দিয়েছে।
এতেকরে যেকোন মুহুর্তে বেড়িবাঁধ ভেঙে আশপাশের কয়েক গ্ৰাম এলাকা প্লাবিতের আশঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ভাঙন কবলিত এলাকায় বসবাসকারী মানুষেরা।
এদিকে বেড়িবাঁধে ভাঙনের খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মুজিবর রহমান ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল সকালেই ঝুকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।ইছামতি পাড়ের বাসিন্দা ফেরদৌসী বেগম বলেন, ইতোপূর্বে পাশ্ববর্তী সুশীলগাতি, কোমরপুর ও নাংলা সীমান্তে ইছামতি নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে আশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়। প্রতিবারই বেড়িবাঁধ ভাঙলে প্রায় মাসখানেক প্লাবিত এলাকা পানিতে নিমজ্জিত থাকে।
এভাবে যদি বারবার বেড়িবাঁধ ভাঙতে থাকে তাহলে বসতবাড়ি হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে পথে বসতে হবে সীমান্তের বাসিন্দাদের। তারা ভাতশালার ভাঙন কবলিত এলাকায় জরুরিভাবে কংক্রিটের ব্লক, বালুভর্তি বস্তা ডাম্পিংয়ের পাশাপাশি নদী ভাঙনরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি  জানিয়ে বলেন, বাঁধ ভাঙার আগে কার্যকর পদক্ষেপ নিলে আর জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়না। কিন্তু পাউবো কর্তৃপক্ষ বাঁধ ভেঙে গেলেই ভাঙন কবলিত এলাকায় সেখানে কাজ শুরু করেন। আগে থেকে তারা কোন পদক্ষেপ নেন না। সাতক্ষীরা পাউবোর কিছু অসাধু কর্মকর্তার গাফিলাতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে উপক‚লের অধিকাংশ এলাকার বেড়িবাঁধের বর্তমান অবস্থা খুবই নাজুক। ফলে কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ হলেই সামান্য জলোচ্ছ¡সে বাঁধ ভেঙে জেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়।
সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল বলেন, ভাতশালা এলাকায় ইছামতির বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যেই বেড়িবাঁধের বেশিরভাগ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
বাঁধ ভাঙনের ভয়ে আতঙ্কিত এলাকাবাসি অন্যত্র অবস্থানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বেড়িবাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলাতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় পাউবো’র বেড়িবাঁধ সংষ্কারে কোন বরাদ্দ হলে সংশ্লিষ্ট সেকশান অফিসারদের (এসও) সাথে ঠিকাদাররা যোগসাজসে দায়সারা গোছের কাজ করে চলে যান।
কোন কোন ক্ষেত্রে ঠিকাদারের কাছ থেকে সংষ্কার কাজ কিনে নিয়ে পাউবোর এসও’রা নিজে তা লেবার সর্দ্দারের কাছে ফের বিক্রি করে অতিরিক্ত অর্থ পকেটস্থ করেন। যে কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সংষ্কার কাজের সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন তদারকি থাকে না। ফলে বরাদ্দের অধিকাংশ টাকা লোপাট হয়ে যায়। কাজ হয় যৎসামান্য। উপক‚লের মানুষের জানমাল রক্ষায় ও বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ সঠিক ভাবে করতে তিনি এসব দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের চিহিৃত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মুজিবর রহমান বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও কংক্রিটের ব্লক ডাম্পিংয়ের জন্য সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড’র সংশ্লিষ্ট সেকশন অফিসার (এসও) সাইদুর রহমান বলেন, ভাঙন কবলিত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছি। ভাঙনের মাত্র তীব্র হওয়ায় কেবলমাত্র কংক্রিটের ব্যোলক এবং বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে তা রোধ করা কষ্টসাধ্য। মুলত ভাঙন কবলিত ওই এলাকাটিতে নতুন করে রিং বাঁধ দেয়া প্রয়োজন। কিন্তু স্থানীয়রা রিং বাঁধ নির্মানের পক্ষে মতামত দিচ্ছেননা। তবুও শীঘ্রই বালুর ব্যাগ ও ব্লক ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest