নিজস্ব প্রতিনিধি :
নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই স্কুল চলাকালিন সময়ে ছাত্রীদের নিয়ে শ্রেণি কক্ষেই জন্ম দিন পালন করেছেন ভালুকা চাঁদপুর মডেল হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু অহিদ বাবলু। এঘটনায় বিদ্যালয়ের অভিভাবকসহ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
একজন শিক্ষকের এমন কর্মকান্ডে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন সাতক্ষীরার উর্দ্ধতন শিক্ষা কর্মকর্তারাও। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অনেকে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার স্কুল চলাকালিন সময়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক কয়েকজন ছাত্রীদের নিয়ে নিজের জন্মদিন পালন করেন। তবে সেখানে কোন ছেলে শিক্ষার্থীদের ডাকেননি তিনি।
অভিযুক্ত শিক্ষক বাবলু ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে কয়েকবার ফোন দিয়েও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিয়াকত আলী বলেন, ওই শিক্ষক আমার সাথে কোন কথা না বলেই ইচ্ছামত নিজের জন্ম দিন শ্রেণি কক্ষেই পালন করেছে। এটি ঠিক হয়নি। আমি বিষয়টি জেনেই তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করেছি। তবে সে যেটি করেছে সেটি অন্যায়। কিন্তু আপনারা আর কিছু করে না। এতে আমরাও বিব্রত।
সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার অজিত কুমার সরকার বলেন, একজন শিক্ষক কিভাবে এমন কান্ডজ্ঞানহীন কাজ করতে পারে। তার মত কিছু শিক্ষকের কারনে আজ আমাদের শিক্ষকদের বদনাম ছাড়াচ্ছে। আমি অবশ্যই এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান শিক্ষককে বলবো।
বিদ্যালয়ের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ওই শিক্ষক বাবলু নিজের জন্মদিন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পালন করা হয় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আমার কাছে তার বিরুদ্ধে এ ছাড়াও নানা অভিযোগ রয়েছে। আমি বিষয়টি নিয়ে কমিটির অন্যান্যদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
কালীগঞ্জের মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকসহ তিনটি পদে নিয়োগে অনিময় ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর্থিক সুবিধা নিয়ে এ নিয়োগ বোর্ড পরিচালনা করা হয়েরছ। শুক্রবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে এ নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগ বোর্ডের পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুইজন রেজাল্টশিলে দুই সাক্ষর না করার নিয়োগ প্রক্রিয়া বৈধ হবে না বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অজিত কুমার সরকার।
প্রধান শিক্ষক পদের একজন পরীক্ষার্থী সফিকুল ইসলাম জানান, কালীগঞ্জের মোজাহার মেমোরিয়াল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকটি পদে নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।
সেই অনুযায়ী তিনি আবেদন করেন। কিন্তু প্রথম থেকেই পরীক্ষা নিয়ে থেকে লুকোচুরি শুরু করা হয়। একর পর এক তিনবার পরীক্ষার দিন পিছানো হয়। একপর্যায়ে পরীক্ষার পিছিয়ে তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২০২২ সালের ৮ আগস্ট। ওইদিন পরীক্ষা হলেও প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও নৈশ প্রহরী পদে কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে আবারও ৯ আগস্ট একটি ঢাকার একটি দৈনিকে ও একটি স্থানীয় সাতক্ষীরার দৈনিকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। বিজ্ঞাপনের পর চলতি বছর ২০২৩ সালের ২১ জানুয়ারি পরীক্ষার দিন নিধারণ করা হয়।
সফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, তাকে ১৫ জানুয়ারি চিঠি দিয়ে জানানো হয় তার আবেদনপত্র বাতিল করা হয়েছে। কেন বাতিল করা হয়েছে জানতে চেয়ে তিনি সাতক্ষীরা জজ আদালতের আইনজীবী আব্দুস সোহবানকে দিয়ে নোটিশ পাঠায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে পরীক্ষার মাত্র ৪৮ ঘন্টা আগে ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় চিঠি দিয়ে বলা হয় তিনি পরীক্ষা অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু ২১ জানুয়ারি ওই বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য হাজির হলে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে পরীক্ষা আবার পিছিয়ে ২৫ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে তিনিসহ আটজন পরীক্ষার্থী সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন বার বার পরীক্ষার তারিখ পিছানোর কারণ তদন্ত ও ২৬ জানুয়ারি সরস্বতী পূজা হওয়ায় ২৫ জানুয়ারি পরীক্ষা না নিয়ে কার্যদিবসে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২৪ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের পক্ষে সহকারী কমিশনার মো: আল আমিন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অজিত কুমার সরকারকে চিঠি দেন। কিন্তু তিনি তদন্ত না করেই শুক্রবার ছুটিরদিন পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেন। শুক্রবার ডিজি প্রতিনিধি হিসেবে পরীক্ষা নিতে যান তালা সরকারি শহীদ আহম্মদ আলী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অলোক তরফদার। আগে থেকে অভিযোগে উঠে মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক পদে আব্দুস সেলিম,সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সাইফুল ইসলাম ও নৈশ প্রহরী পদে মনিরুল ইসলাম। স্থানীয় কয়েকটি অন লাইনে ও পত্রিকায় এ সম্পর্কিত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। সেইসব প্রার্থীদের কাছ থেকে ডিজি প্রতিনিধি আর্থিক সুবিধা নিয়ে নিজের ইচ্ছামতো পরীক্ষা নেন।
প্রধান শিক্ষক পদের প্রার্থী পার্থ সারথি সেন জানান, পরীক্ষায় অনিময় ও দুর্নীতি হবে প্রকাশ হয়ে পড়ায় তিনিসহ ১১জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জন অংশ নেয়নি। একই অবস্থা সহকারী প্রধান শিক্ষক পদেও। সহকারী শিক্ষক পদের প্রার্থী হয়েও পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া শিশির দত্ত জানান, আগে থেকেই তারা জানতে পেরেছিলেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নেবেন। এ জন্য ওই পদের ১৩জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে আটজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়নি।
পাঁচ সদস্য নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ও বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শম্পা গোস্বামী জানান, নিয়ম হচ্ছে বোর্ডের সকল সদস্যের কাছ থেকে আলাদা আলাদা করে প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষার জন্য সম্বলিতভাবে একটি প্রশ্নপত্র তৈরি করা। কাজটি নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব হিসেবে তারই করার কথা। কিন্তু ডিজি প্রতিনিধি অলোক তদফদার তাদের কাছ থেকে প্রশ্ন নিলেও তিনি আগে থেকে পকেট কর নিয়ে আসা প্রশ্নে পরীক্ষা নেন।
একই কথা বলেন বোর্ডে অপর সদস্য ওই বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসলেম আলী। তিনি অভিযোগ করেন পরীক্ষায় আর্থিক লেনদেন হয়েছে। এমনকি নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ও তার মুঠোফোন কৌশলে ডিজি প্রতিনিধি অলোক তরফদার নিয়ে নেয়। পরীক্ষা যথাযথ না হওয়ায় তিনি ও শম্পা গোস্বামী রেজাল্টশিটে সাক্ষর করেননি।
নিয়োগ বোর্ডের সদস্য কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রশ্ন করার সময় নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব শম্পা গোস্বামী প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু অনিময় ও দুর্নীতি সম্পর্কে তার কাছে কেউ অভিযোগ করেননি। পরে শুনেছেন নানা অভিযোগে শম্পা গোস্বামী ও মোসলেম আলী পরীক্ষার রেজাল্টশিটে সাক্ষকর করেননি।
ডিজি প্রতিনিধি অলোক কুমার তরফদারের সঙ্গে যোগাযোগ কারার চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অজিত কুমার সরকার জানান, রেজাল্টশিটে দুইজন নয়, আইন অনুযায়ী একজন স্বাক্ষর না করলে ফলাফলের বৈধতা হয় না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, পরীক্ষার্থীদের মূল আবেদন ছিল সরস্বতী পূজার জন্য পরীক্ষার দিন পুন:নিধারণ করা। তাই করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি সাতক্ষীরা জেলা কমিটির দুইদিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে কমরেড মহিবুল্লাহ মোড়লের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সমাপনী বক্তব্য রাখেন কমরেড মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি।
সমাপনী বক্তব্যে এ অঞ্চলের ভূ রাজনীতি, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে এবং সাম্প্রদায়িক মৌলিকবাদী শক্তির অবস্থান সম্পর্কে তিনি দিক নিদের্শনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রশিক্ষণের সমাপনী দিনে কমিউনিস্ট জীবন ও আচরণ রীতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এড. ফাহিমুল কিসলু।
সমসাময়িক রাজনীতির উপর বক্তব্য রাখেন, কমরেড মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি। এর আগে শুক্রবার প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে গ্রাম শহরের গরিব মানুষ জোটবাঁধো তৈরি হও এর উপরে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন কমরেড ময়নুল হাসান, কমরেড স্বপন কুমার শীল। পার্টির গঠনতন্ত্র বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করেন কমরেড মহিবুল্লাহ মোড়ল।
জাতীয় সংগীত ও আন্তজার্তিক সংগীতের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুরু হয়। প্রশিক্ষণে ৬টি গ্রুপে বিভক্ত করে গ্রুপ ওয়ার্ক করা হয়। গ্রুপ ওয়ার্ক পরিচালনা করেন কমরেড মহিবুল্লাহ মোড়ল। গ্রুপ ওয়ার্কে স্ব স্ব গ্রুপ থেকে গঠনতন্ত্র সম্পর্কে বক্তব্য উপস্থাপন করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।
দ্বিতীয় সেশনে জেলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফাহিমুল হক কিসলুর পরিচালনায় সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় জেলা কমিটি, উপজেলা ও ইউনিয়ন ও শাখা কমিটির মোট ৪৯ জন অংশগ্রহণ করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে আগামী ৪ মার্চ ২০২৩ তারিখে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি, গরিব মানুষের রেশনিং ব্যবস্থা ও পেনশন স্কীম, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক শক্তি প্রতিহতসহ জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে ওয়ার্কার্স পার্টির জনসভাকে সফল করার জন্য তিনি সকল নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানান।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি সাতক্ষীরা জেলা কমিটির দুইদিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে জেলা পার্টির সভাপতিত্ব মহিবুল্লাহ মোড়লের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সূচনা বক্তব্য ও উদ্বোধন করেন কমরেড মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি।
গ্রাম শহরের গরিব মানুষ জোটবাঁধো তৈরি হও এর উপরে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন কমরেড ময়নুল হাসান, কমরেড স্বপন কুমার শীল। পার্টির গঠনতন্ত্র বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করেন কমরেড মহিবুল্লাহ মোড়ল।
জাতীয় সংগীত ও আন্তজার্তিক সংগীতের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুরু হয়। প্রশিক্ষণে ৬টি গ্রুপে বিভক্ত করে গ্রুপ ওয়ার্ক করা হয়। গ্রুপ ওয়ার্ক পরিচালনা করেন কমরেড মহিবুল্লাহ মোড়ল। গ্রুপ ওয়ার্কে স্ব স্ব গ্রুপ থেকে গঠনতন্ত্র সম্পর্কে বক্তব্য উপস্থাপন করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।
দ্বিতীয় সেশনে জেলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফাহিমুল হক কিসলুর পরিচালনায় সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় জেলা কমিটি, উপজেলা ও ইউনিয়ন ও শাখা কমিটির মোট ৪৯ জন অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি প্রশিক্ষন ও সাধারণ সভায় দিক নিদের্শনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
সাধারণ সভায় আগামী ৪ মার্চ ২০২৩ তারিখে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি, গরিব মানুষের রেশনিং ব্যবস্থা ও পেনশন স্কীম, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক শক্তি প্রতিহতসহ জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে ওয়ার্কার্স পার্টির জনসভা করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
কালীগঞ্জের মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর ৩টি পদে স্থগিত হওয়া নিয়োগ পরীক্ষা আবারো অসম্পন্ন রয়েছে গেছে। ৩ ফেব্রুয়ারি ২৩ তারিখে সাতক্ষীরা তালা শহীদ আলি আহমেদ সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অলোক কুমার তরফদার বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগসাজসে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এ নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করার চেষ্টা করেন। কিন্তু নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব শম্পা গোস্বামী ও সদস্য মোসলেম আলী স্বাক্ষর না করায় নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হলেও তা অসম্পন্ন রয়েছে। তারপরও অবৈধভাবে সভাপতি পূর্ব নির্ধারিত তিনজন শিক্ষকের নাম ঘোষনা করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি সাহাদত হোসেন।
গত দুই বছর ধরে প্রধান শিক্ষক পদে আব্দুস সেলিম, সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সাইফুল ইসলাম ও নৈশ প্রহরী পদে মনিরুল ইসলামকেই বিদ্যালয়ের অর্থবাণিজ্যের মাধ্যমে নিয়োগ নেওয়ার পায়তারা করে আসছিলেন সভাপতিসহ অন্যরা। ৩ ফেব্রুয়ারি সেই পূর্ব পরিকল্পিত নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আবেদনকারীরা।
এদিকে, পরীক্ষার সময় নিয়োগ কমিটির কাছ থেকে প্রশ্ন নেওয়ার কথা থাকলেও অলোক কুমার তরফদার প্রশ্ন নিলেও প্রশ্নে পরীক্ষা না নিয়ে নিজের বানানো প্রশ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন বলে নিয়োগ কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন।
নিয়োগের জন্য আবেদন করলেও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হবে এমন খবর পেয়ে পরীক্ষায় দিতে যাননি পার্থ সেন নামের এক প্রার্থী। তিনি জানান, পূর্ব নির্ধারিত প্রার্থীদেরকেই সেখানে নিয়োগ দেওয়া হবে। সুতরাং পরীক্ষা দিয়ে সময় নষ্ট করে লাভ নেই। একই অভিযোগ করেছেন আরো অনেক প্রার্থী।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কালিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ বলেন, সেখানে কোন অনিয়ম হয়নি।
এবিষয়ে তালা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অলক কুমার তরফদারের ব্যহৃত মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বিদ্যালয়ের সভাপতি সাহাদত হোসেনের মোবাইল নাম্বারটিও বার বার যোগাযোগ করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য : এই নিয়োগ বাণিজ্যের পরীক্ষা বন্ধ ও পরিবর্তনের জন্য আবেদনকারী শিক্ষকগণ গত ২৩ জানুয়ারি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার(শিক্ষা) স্বাক্ষরিত গত ২৪ জানয়ারি০৫- ৪৪- ৮৭- ০০ ১৭- ২১- ০০২ -২২ -৮৫ স্মারকে বিষয়টি তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। উক্ত নির্দেশ উপেক্ষা করে মোটা অংকের টাকায় নিয়োগ বাণিজ্য সম্পন্ন করতে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অজিত কুমার সরকার এর যোগ ‘সাযোগে অত্র স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহাদাত হোসেন তড়িঘড়ি করে ৩ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ শুক্রবার সকাল ১০টার সময় নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।
কালিগঞ্জ আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, (সার্বিক) সহকারি কমিশনার (শিক্ষা) সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষক কে লিগাল নোটিশ প্রদান করলে গত ২১-১ ২০২৩ ইং তারিখে মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় নিয়োগ পরীক্ষা চতুর্থবারের মতো বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রেক্ষিতে আবেদনকারীরা গত ২৩ জানুয়ারি প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর এক লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য জেলা প্রশাসক জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কে নির্দেশ দিলেও তদন্ত ছাড়াই ৩ ফেব্রুয়ারী অলোক কুমার তরফদার, কালিগঞ্জ উপজেলা আবুল কালাম আজাদ বিদ্যালয়ের সভাপতির সাথে যোগসাজস করে শুক্রবার পাতানো নিয়োগ সম্পন্ন করেন।
০৩.০২.২০২৩
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে সাতক্ষীরা সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের নব-গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত ও ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নব-গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের নব-গঠিত কমিটির সভাপতি- আব্দুল্লাহ আল-মামুন, সাধারণ সম্পাদক মো. রাহাত রাজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুজ্জামান শিমুল, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী ফরহাদ, নির্বাহী সদস্য- মীর মোস্তাফা আলী, মাহফিজুল ইসলাম আক্কাজ ও মো. আব্দুর রহিম। উপস্থিত ছিলেন, সদস্য সৈয়দ সাদিকুর রহমান, রেজাউল করিম, কামরুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম ইমরান, আব্দুর রহমান, সৌরভ হোসেন, ফিরোজ হোসেন, মাসুদ আলী প্রমুখ।
এসময় পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিক একে অপরের পরিপূরক। কাজেই সাংবাদিকদের কাছে তথ্য এড়িয়ে যাওয়া বা সাংবাদিকদের তথ্য প্রদানে অসহযোগিতা করার কোনো অবকাশ নেই।
তিনি বলেন, দেশ ও সমাজ থেকে সব ধরনের অপকর্ম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও সন্ত্রাস দমনে পুলিশের ন্যায় সাংবাদিকদের ভূমিকাও অতুলনীয়। আমি সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের নব-গঠিত কমিটির সাফল্য কামনা করছি।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
ভালুকা চাঁদপুর মডেল হাইস্কুলের ৪ তলা একাডেমিক ভবন নির্মানে নি¤œমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষ টাইলস করিয়ে নেওয়ার শর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু অহিদ বাবলু ঠিকাদারের সাথে গোপন আতাত করে এ নি¤œমানের ইট ব্যবহার করেছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
জানা গেছে, প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে ভালুকা চাঁদপুর মডেল হাইস্কুলের ৪ তলা একাডেমিক ভবন নির্মান করছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। কাজটির ঠিকাদারী পেয়েছেন বিকাশ দাস। টেন্ডারের শর্তানুযায়ী গুনাগত মান ঠিক রেখে এবং ১নং ইট ব্যবহার করতে হবে। সে অনুযায়ী নির্মান কাজ শুরু হলেও আকস্মিকভাবে নি¤œমানের ২নং ইট ব্যবহার করা হচ্ছে ভবনটির নির্মান কাজে। বিষয়টি নজরে আসায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক সদস্য জানিয়েছেন, বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকারের কারনে দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয়ে ৪ তলা ভবন নির্মাণ শুরু হয়েছে। সেখানে আমাদের সন্তানরা লেখাপড়া করবে। আমরা আজ আছি কাল থাকবো না। কিন্তু সন্তানরা থাকবে, লেখাপড়া করবে। সে বিষয়টি না মাথায় না রেখে ব্যক্তিস্বার্থে এধরনের কাজ করা অত্যন্ত দু:খ জনক।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, এধরনের অভিযোগ আমার কাছে আসার পর আমিও দেখেছি নি¤œমানের অনেক ইট সেখানে আনা হয়েছিল। আমি প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি বলেছিলাম। বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষ টাইলস করিয়ে নেওয়ার শর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু অহিদ বাবলু ঠিকাদারের সাথে গোপন আতাতের বিষয়ে কিছু শুনেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন লোকমুখে শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে মিটিং ডাকা হবে। অভিযোগ প্রমানিত হলে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু অহেদ বাবলু বলেন, আমার কোন হাত নেই। যে কাজ হচ্ছে সম্পূর্ণ ঠিকাদার থেকেই করছেন।
ঠিকাদার বিকাশ দাস বলেন, বিদ্যালয়ের নির্মান কাজে কোন নি¤œমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে না। তবে ইটভাটার মালিক ভুলক্রমে কিছু নি¤œমানের ইট পাঠিয়েছিল। নির্মান কাজে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। তাছাড়া মালামালের যে দাম তাতে আমার লস হয়ে যাচ্ছে। তারপরও কাজটি করে দিচ্ছি।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…