সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টিতে সাইকেল র‍্যালিদেবহাটায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্য কার্যক্রমের প্রতিবাদে বিক্ষোভসাতক্ষীরার নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মালেক গাজী সাময়িক বরখাস্তবেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের দোয়াসাংবাদিক সুমন ফেসিয়াল ভাইরাসে আক্রান্ত : সুস্থতা কামনায় বিবৃতিদৈনিক প্রবাহ অফিসে হামলা: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নিন্দাবল্লীতে জমিজমা বিরোধের জেরে নারীসহ পরিবারের ওপর হামলা: থানায় অভিযোগদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ ১ জন আটক : থানায় মামলাআন্তর্জাতিক নাট্য প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পেলেন  আসাদুল ইসলামশ্যামনগরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ধান রোপন করে প্রতিবাদ

আসাদুজ্জামান ঃ তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি খালেদ মঞ্জুর রোমেলকে সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল। বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) বিকালে র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা কোম্পানি সদর প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ১৯ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানাধীন বেলতৈল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত খালেদ মঞ্জুর রোমেল (৪২) সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌর এলাকার বাসিন্দা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৮ এপ্রিল তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় বিএনপি দলীয় সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ চারজনকে যাবজ্জীবন ও এ মামলার অপর ৪৪জনকে ৭ বছরের কারাদ্বন্ড প্রদান করে সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ ম-ল। এর মধ্যে খালেদ মঞ্জুর রোমেলও ৭ বছরের কারাদ্বন্ড প্রাপ্ত আসামী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে কলারোয়া থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াাধীন রয়েছে বলে আরো জানায় র‌্যাব।

উল্লেখ্য ঃ ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে বেলা ১১টায় বিএনপির নেতাকর্মীরা কলারোয়ার দলীয় অফিসের সামনে তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগের ১ ডজন নেতা-কর্মী আহত হন। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তালা-কলারোয়ার বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন নেতাকর্মীকে চার থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা প্রদান করেন সাতক্ষীরার মূখ্য বিচারিক হাকিম হুমায়ুন কবির। গতবছরের ১৪ জুন অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের দুটি মামলায় চার্জ গঠন করা হয়। এ মামলায় সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ এ রায় ঘোষনা করেন আদালত।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঈদকে সামনে প্রতারণক চক্র দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা। ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ভুল বুঝিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দিচ্ছে তারা। রবিবার (১৬ এপ্রিল)  সাতক্ষীরা সদরের দহাখুলা মোড় এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদ প্রতারণা শিকার হয়েছে। তার কাছ থেকে ৩৩ হাজার ৫’শ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে  চক্রটি।

এর আগের দিন ১৫ এপ্রিল সদরের আবাদের হাট এলাকা থেকে আরও একজন রড সিমেন্ট ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫৫ হাজার  টাকা নিয়েছে প্রতারকচক্র।
এবিষয়ে দুই ব্যবসায়ী সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদরের দহাকুলা মোড়ে আব্দুস সামাদের “মেসার্স মিতা এন্টার প্রাইজ” নামে আমার একটি রড সিমেন্টের দোকান আছে। গত ১৬ এপ্রিল সকাল ৭টার দিকে ৫০ উর্দ্ধ একজন অজ্ঞাতনামা লোক তার  দোকানে আসে। আসার পর রড সিমেন্টের বিষয়ে কথাবার্তা  বলে এবং বলে সাতক্ষীরা সিটি কলেজে চাকুরী করি। পাশবর্তী হেলাল সাহেবের ভাটা থেকে সে কিছু ইট কিনতে হবে।  আপনি কিছু টাকা দেন, আমার ছেলে টাকা নিয়ে আসছে। তখন তাকে ৩৩ হাজার ৫’শ টাকা দেয় । টাকা নেওয়ার পর মোটর সাইকেল নিয়ে ভাটার দিকে চলে যায়। এরপর তাকে আর খুজে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল নং- ০১৮৩৯-৭১১৯৪৯ কল করেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। দোকানের  সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে এখনও সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদ বলেন, একজন ৫০ উর্দ্ধ ব্যক্তি আমার কাছে রড সিমেন্ট কিনতে আসেন। ২’শ ব্যাগ সিমেন্ট কিনতে চান। কিছু সময় বসার পর বলে আমি ইট কিনেছি। কিছু টাকা দেন আমি ইটের টাকা দিয়ে আসি। আমার ছেলে টাকা নিয়ে আসা মাত্র আপনার টাকা দিয়ে দিচ্ছি। আমার ক্যাশে থাকা ৩৩ হাজার ৫’শ টাকা তাকে দেই। টাকা নেওয়ার পর মোটর সাইকেল নিয়ে ভাটার দিকে চলে যায়। এরপর তাকে খুজে পাওয়া যায়নি। সে আমাকে যে ফোন থেকে কল করেছিলো সেই  মোবাইল বন্ধ পাচ্ছি। এষিয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। পরে জানতে পারলাম আবাদের হাটের আরও একটি রড সিমেন্টের দোকান থেকে এইভাবে প্রতরাণা করে টাকা নিয়েছে। ঈদের সময় এই প্রতারক চক্র দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। প্রশাসনের কাছে দাবী করছি এদের খুজে বের করে শাস্তির আওতায় আনা হোক।

সাতক্ষীরা সদর থানার উপ পরিদর্শক মাজহারুল ইসলাম বলেন,  ভুক্তভোগীর কাছ থেকে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ফোন ট্র্যাকিং করে খুঁজে বের করে প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আবু জিহাদ মো: ফখরুল আলম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়। আর কেউ যেন এদের খপ্পরে না পড়ে সে বিষয়ে ম্যাসেজ দিয়ে দিচ্ছি। ঈদে  আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা সবসময় সতর্ক আছি। এই দুটি ঘটনায় তদন্ত করে চক্রটিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ল স্টুডেন্টস ফোরাম সাতক্ষীরার আয়োজনে অসহায়দের মধ্যে ইদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে সাতক্ষীরা ল কলেজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ইদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ল স্টুডেন্টস ফোরাম সাতক্ষীরার সভাপতি মো: সালাউদ্দিন রানা। শিক্ষকদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, কলেজের প্রভাষক এড. মুনির উদ্দীন।
ল স্টুডেন্টস ফোরাম সাতক্ষীরার সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মো: ফিরোজ আলীর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ল স্টুডেন্টস ফোরাম সাতক্ষীরার সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, বর্তমান কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সানজিদা অহিদ, অর্থ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান, হুমায়ুন কবির, লাবন্য, মুনমুন, বিকাশ, শিল্পী প্রমুখ।
আজকের ইদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য সকল শিক্ষকদের এবং ল স্টুডেন্টস ফোরামের সাবেক সকল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান সংগঠনের সভাপতি।  প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  আদালতের নির্দেশনা অমান্য কতিপয় স্বার্থন্বেষী ব্যক্তি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবকে বিতর্কিত করার পায়তারা চালাচ্ছে। সম্পূর্ণ অগঠনতান্ত্রিকভাবে ইচ্ছামত কমিটি থেকে সদস্যদের বাদ দেওয়া, সদস্য নেওয়াসহ প্রেসক্লাবের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজিসহ নানান অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

সর্বশেষ নির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দের অধিকাংশই বর্তমান অবৈধ কমিটির কার্যক্রমের বিরোধীতা করছেন। সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী সহ কমিটিতে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত সদস্য মকছুমুল হাকিম বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল,অর্থ সম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সদস্য শাহীন গোলদার সহ সভাপতি হাবিবের এহেন কর্মকান্ডের বিরোধীতা করছেন। ১৩ সদস্যের কমিটির সভাপতি সহ ৭ জনের অনুমোদন ব্যতিত কিভাবে ঢালাওভাবে অসাংবাদিকদের সদস্য পদ দেয়া হচ্ছে। হাবিবুর রহমান হাবীব অসাংবাদিকদের সদস্য পদ নিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবকে অশান্ত করার পায়তারা চালাচ্ছেন। কলুষিত করছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবকে। এবিষয়ে দ্রুত প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাতক্ষীরার পেশাদার সাংবাদিকরা।

বিশেষ করে ৫ মার্চ ২০২৩ তারিখে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সর্বশেষ নির্বাচিত সাধারণ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সুজন ও সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে কতিপয় সদস্য একটি সভা দেখিয়ে নির্বাচিত সদস্যদের বাদ নিয়ে কো-অপ্ট নাটক সাজিয়ে ইসি কমিটিতে সদস্যভুক্তি করেছে। এমনকি নির্বাচিত সভাপতির উপর অনাস্থা জ্ঞাপন করে সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান নিজে সভাপতি হিসেবে প্রচার দিচ্ছেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আদালত অবমাননার শামিল। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলা শহরের চিহ্নিত চাঁদাবাজ, পল্লী চিকিৎসক, চাউল ব্যবসায়ী, ড্রাইভার, অসাংবাদিক ও নাশকতা মামলার আসামীদের প্রেসক্লাবের সদস্যপদ দিয়ে ঐতিহ্যবাহী সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে ওই স্বার্থন্বেষী মহলটি।

হাবিবুর রহমান প্রভাব খাটিয়ে মোজাফফার রহমানকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষনা করেন। মোজাফফর রহমান নিজেকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিলেও ৫মার্চ মোজাফফর রহমান কে সদস্য দেখানো হয়েছে। যা হাস্যকর।
এদিকে, প্রেসক্লাবের চলমান সংকট নিরসনে গত ৬ মার্চ ২০২০ আদালতের নির্দেশে একটি কমিটি গঠিত হয়। যার সদস্য ছিলেন তৎকালীন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান নেতৃত্বে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, ডিজিএফআই, এনএসআই, নির্বাচন কমিশন ও তৎকালীন প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক। কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। ৬ মার্চ ২০২১ তারিখে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিজয়ী কমিটি ৮ মার্চ ২০২১ তারিখে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। সে মোতাবেক প্রেসক্লাব সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছিল।
কিন্তু গত ২০২২ সালের ৮ মার্চ কমিটি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন সভাপতির অনুমতি ছাড়াই ইচ্ছামত ১০ জন সদস্যকে সদস্যপদ দেওয়া হয়েছে মর্মে একটি করে চিঠি প্রেরণ করেন। ইতোমধ্যে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে নুর ইসলাম-সুজন প্যানেলের নিশ্চিত পরাজয়ের আশংকা থাকায় সুচতুর মোহাম্মাদ আলী সুজন ওই ১০ জন সদস্যের মধ্য থেকে ৩ জনকে বাদী করিয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিজ্ঞ আদালত মমতাজ আহমেদ-বাপী নেতৃত্বাধীন কমিটি বহাল রেখেই মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন। এছাড়া উক্ত কমিটি কোনভাবেই কাটা ছেড়া করা যাবে না মর্মেও নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কমিটির সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী অসুস্থ্যতা জনিত কারনে ০৮/০২/২০২৩ তারিখ থেকে ২৩/০৩/২০২৩ তারিখ পর্যন্ত ছুটিতে ছিলেন। সে সময় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব গঠনতান্ত্রিক বিধানমতে প্রেসক্লাবের কার্যক্রম চালিয়েছেন। বর্তমান ২৪/০৩/২০২৩ তারিখ থেকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপীর নেতৃত্বাধিন কমিটি প্রেসক্লাবের সার্বিক কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু হাবিবুর রহমান হাবিব ওই পদ না ছেড়ে অবৈধভাবে দখল করে রাখার চক্রান্ত শুরু করে এবং ১৭.০৩.২০২৩ তারিখ রাতে বহিরাগত সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির নেতা, ছাত্রদল নেতা, বিএনপি নেতাসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রেসক্লাবে মহড়া দেয়। যার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।

অন্যদিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটির যে কোন সদস্যের উপর অনাস্থা আনতে হলে সকল সদস্যের ৫১ ভাগের লিখিত আবেদন থাকতে হবে। যা এককভাবে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপির প্রতি অনাস্থা আনা হয়েছে মর্মে প্রচার করা হচ্ছে। যার সম্পূর্ণ অবৈধ। সুতরাং এই অবৈধ কমিটির কার্যক্রমে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ মাইনরিটি পিপলস পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে কেন্দ্রীয় পার্টির সভাপতি শ্যামল কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত একপত্রে মিহির কান্তি সরকারকে আহবায়ক ও সন্দীপ কুমার বর্মন কে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্য বিশিস্ট জেলা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক প্রভাষক মুকুন্দ কুমার ঘোষ, দেবাশীষ সরকার, যুগ্ম আহবায়ক বিপুল মন্ডল, ধীমান সরকার, সদস্য যথাক্ররেম নৃপেন্দ সরকার, অজয় কুমার সানা, ভবরঞ্জন সরকার, নিশিকান্ত গাইন, স্বপন কুমার সানা(পান্ডে), মো: রবিউল ইসলাম,

আব্দুল কাদের, জি এম আজিজ, সোহেল রানা, রঞ্জন সরকার, প্রসেনজিৎ সরকার, রিপন মোল্লা, রাহুল দেব মিস্ত্রি, ইহাছান বাহার ও সন্দিপ বৈরাগী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অতি মুনাফার আশায় অপরিপক্ক আম ক্যামিক্যাল দিয়ে পাঁকিয়ে ঢাকায় পাঠানোর পূর্বকালে মোবাইল কোর্টে জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোররাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী উপজেলার গাজীরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালত তিনটি ছোট মিনি ট্রাকে করে গাজীরহাট এলাকা থেকে দশ টন অপরিপক্ক ও ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম জব্দ করেন।
এক অসাধু ব্যবসায়ী স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির শেল্টারে এই আমগুলো ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলো বলে জানা গেছে। অভিযানে দশ টন আম জব্দ করা হয়েছে বলে ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী জানান। পরে জব্দকরা ক্যামিক্যালযুক্ত আমগুলো মঙ্গলবার দুপুরে দেবহাটা ফুটবল মাঠে জনসম্মুখে বিনষ্ট করে দেয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শওকত ওসমান, প্রমুখ। জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, আগামী ১২ মে থেকে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, বোম্বাই, গোলাপখাস, বৈশাখীসহ স্থানীয় জাতের আম সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া ২৫ মে থেকে হিমসাগর, ১ জুন থেকে ল্যাংড়া এবং ১৫ জুন থেকে আম্রপালি আম পাড়া ও প্রাকৃতিকভাবে পাঁকানো আম বাজারজাত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
অভিযানকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, গোপন খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে কাঁচা ও ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আধাপাঁকা আম জব্দ করা হয়। যেসব আম জব্দ করা হয়েছে তার ভিতরের আঁঠি এখনো পুষ্ট হয়নি। তাছাড়া জব্দকৃত আম জনসম্মুখে গাড়ির চাকায় পিষে এবং কেটে নষ্ট করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাতক্ষীরার আমের সুনাম নষ্ট না হয় সেজন্য এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় প্রচন্ড তাপদাহ ও অনাবৃষ্টির কারণে বৃষ্টি প্রার্থনা করে ইস্তিস্কার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের আহবানে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে স্থানীয় মুসুল্লীরা অংশ নেন।
বৃষ্টি প্রার্থনা করে অনুষ্ঠিত এই ইস্তিস্কার নামাজে ইমামতি করেন পরানদাহ মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাও. মুফতি রবিউল ইসলাম ও খুতবা পাঠ করেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাও. মুফতি আমির হাসান নামাজে অংশ নেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল কালাম বাবলা ২ শতাধিক মুসুল্লি ।
এ সময় মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করে প্রচ- তাপদাহ ও অনাবৃষ্টি থেকে প্রাণীকূল রক্ষায় বৃষ্টি প্রার্থনা করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : কৃষ্ণনগর ইউপির চেয়ারম্যান সাফিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নানান অপ প্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে কালিগঞ্জ উপজেলার রামনগর গ্রামের শওকত ঢালীর ছেলে ও কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদ’র প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।
এসময় মোঃ সাইফুর রহমান বলেন, ‘জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় মহিলা পার্টির সদস্য ও কৃষ্ণনগর ইউপি’র জনপ্রিয় চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন। তার পিতা শহীদ কে.এম মোশাররফ হোসেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির নেতা। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। স্থানীয় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে তার পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করলে পরবর্তীতে উপ-নির্বাচনে জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন কে এম মোশারফ হোসেনের স্ত্রী আকলিমা খাতুন। গত ইউপি নির্বাচনে তারই সুযোগ্য উত্তরসূরী জ্যেষ্ট কন্যা সাফিয়া পারভীন বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে অতি সুনামের সাথে জনকল্যাণে কাজ করে চলেছেন। তার উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কতিপয় দুষ্কৃতকারী প্রতিপক্ষ ব্যক্তি নিজ স্বার্থ হাসিলের লক্ষে নানামুখী যড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাকে সমাজে হেয় করতে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেক ফেসবুক আইডি খুলে আপত্তিকর ছবি ও স্ট্যাটাস দিয়ে জনগনের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে। তিনি অসহায় পিতৃহীন মহিলা মানুষ বলে তার নির্বাচনী প্রতিপক্ষ ও পিতার হত্যাকারীদের সাথে হাত মিলিয়ে বিভিন্নভাবে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে হেও প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা তথ্য ও ভিত্তিহীন মুখরোচক গল্প বানিয়ে মাঝে মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং বিভিন্ন সংবাদপত্রে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এসবের নেপথ্যে বহু অপকর্মের হোতা সাজুসহ তার সহচরকে সন্দেহ করে। সরলমনা ও অপপ্রচার বন্ধে একপর্যায়ে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান সাফিয়া কালিগঞ্জের কূলিয়া দূর্গাপুর গ্রামের সিরাজুল হকের ধুরন্ধর পুত্র বহুরুপী ও নারীলোভী সাজেদুল হক সাজু বাধ্য করে ৯/১১/২২ তারিখে অপরিচিত ব্যাক্তিকে ম্যারেজ রেজিস্ট্রার সাজিয়ে কাবিননামায় স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে স্বামী পরিচয় দিতে থাকে। এরপর থেকে সাজু ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিতভাবে যাতায়াত করতে থাকে এবং চেয়ারম্যানের আপন হওয়ার চেষ্টা করে বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করার কথা বলে ইউপির সাদা প্যাডে সীল ও স্বাক্ষরীত ৮/১০ টি প্যাডের পৃষ্টা নেয়। এরপর থেকে নানান ছলে নগদ টাকা দাবী করতে থাকে। সাজু সহ তার একান্ত সহযোগি বানিয়াপাড়া গ্রামের জামাত আলীর পুত্র কেরামত আলীর আচারণ সন্দেহ হলে তিনি ঐ কাবিনের অস্তিত্ব খুঁজতে গেলে দশ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে এবং নানামুখী হুমকী দিতে থাকে। এঘটনায় কালিগঞ্জ থানায় ২৫/০৩/২৩ তারিখে মামলা রুজু হয়, যার নং ২৮। এরপর থেকে সাজু আরও বেপরোয়া হয়ে নানান অপ প্রচার ও হুমকী ধমকী দিতে থাকে। সম্মান রক্ষায় নিরুপায় হয়ে চেয়ারম্যান সাফিয়া সাজুর অঙ্গিকার মতে ৯/১১/২২ তারিখে ১ কোটি টাকা দেনমোহরে আবারও একটি কাবিনে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে নতুনভাবে প্রতারণা শুরু করলে রেজিস্ট্রারের নিকট কাবিনের নকল নিতে গেলে তিনি এ বিবাহ জাল এবং জালিয়াতি বলে জানান। মুল ভলিয়মে এ ঠিকানায় কোনো কাবিন নেই। সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে নানান মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করিয়ে অপদস্ত ও সামাজিকভাবে হেয় করে সাফিয়ার দীর্ঘদিনের অর্জিত সম্মান ক্ষুন্ন করছে।

আমি কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে পরিষদবর্গের পক্ষ হতে চেয়ারম্যানকে নিয়ে যে সকল মিথ্যাচার করা হয় তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান এবং সাজুসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, আইজি, ডিআইজি, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest