সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

সাতক্ষীরায় ১’শ বছরের ভোগ দখলীয় সংখ্যালঘুর সম্পত্তি দখল চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরায় প্রায় ১’শ বছরের ভোগ দখলীয় সংখ্যালঘুর সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের কুলতলী গ্রামের কালিপদ ঘোষের পুত্র ভুক্তভোগী অরবিন্দু ঘোষ।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, সাতক্ষীরার হাবাসপুর মৌজায় এসএ ২১ নং ও হাল ১৯৫ ও ১৭ নং খতিয়ানে ৩১২, ৩১৪, ৩১৩ দাগে ৮ একর ১৮ শতকের মধ্যে ৪৫ শতক সম্পত্তি বিগত ২৪/১১/১৯৩৪ সালে বাংলাদেশ সরকার নিলাম করলে শহরের ইটাগাছা গ্রামের উপেন্দ্র ঘোষ উক্ত সম্পত্তি নিলাম ক্রয় করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে থাকা অবস্থায় বিগত ১৭/০৭/১৯৩৫ তারিখে কুলতিয়া গ্রামের পঞ্চানন ও জ্যোতিন্দ্র ঘোষের কাছে বিক্রয় করে।

পরবর্তীতে পঞ্চানন ও জ্যোতিন্দ্র ঘোষ ভোগদখলে থাকা অবস্থায় ১৯৬২ সালে এস এ এর মালিক হন। তাদের পিতা চন্ডিচরনের ৪ পুত্র যথাক্রমে পঞ্চানন, জোতিন্দ্র, সতিন্দ্র ও কালিপদ। পরবর্তীতে চার ভাই একই সংসারে থাকাকালে বিগত ১৯/১২/১৯৬৯ সালে উক্ত সম্পত্তি ৪ ভায়ের মধ্যে সমানভাবে বন্টন করা হয়। যার রেজিস্ট্রি বন্টননামাও রয়েছে। সে অনুযায়ী কালিপদের ওয়ারেশ হিসেবে দীর্ঘ প্রায় ১’শ বছর ধরে আমরাসহ অন্যান্য শরিকরা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি আশাশুনি উপজেলার গুনাকরকাটি গ্রামের মৃত মোছেল উদ্দীন সানার পুত্র জিয়াউর রহমানগং উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের চক্রান্ত শুরু করে। একপর্যায়ে গত ৪ জুলাই ২০২২তারিখে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে কুল্যা গ্রামের ওজিয়ার সরদার,

ওজিয়ার সরদারের পুত্র রবিউল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, গুনাকরকাটি গ্রামের মোসেল উদ্দীন, হাবাসপুর গ্রামের আব্দুল হান্নান, নজরুল ইসলাম, আব্দুর রহিম, ভালুকাচাঁদপুর গ্রামের আব্দুল মুজিদ, আব্দুল আজিত, জোড়দিয়া গ্রামের আব্দুল গফুর, হাবাসপুর গ্রামের আব্দুল মোমিন, শ্বেতপুর গ্রামের আব্দুল গফুরসহ কতিপয় সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করে। এতে বাধা দেওয়ায় আমাকে, আমার ভাইপো সঞ্জয়, ভাই জগবন্ধু ঘোষ, দীনবন্ধু ঘোষ, অশোক কুমার ঘোষকে মারপিটের হুমকির ধামকি প্রদর্শন করে। তিনি আরো বলেন, আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ এবং নিরিহ প্রকৃতির হওয়ায় উল্লেখিত জিয়াউর গংয়ের সন্ত্রাসীর বাহিনীর সামনে যেতে সাহস পায় না। এখন নিজেদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে যেতেও ভয় পাচ্ছি। তাদের হুমকি ধামকিতে আমার আতংকিত হয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। জিয়াউর গং হুমকি দিয়ে বলছেন আমাদের উচ্ছেদ করে ভারতে তাড়িয়ে দিয়ে দিবে। প্রয়োজনে ভাড়াটিয়া বাহিনী দিয়ে খুন গুমসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করবে। সংবাদ সম্মেল থেকে তিনি এ সময় উক্ত সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষা এবং নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ১৬ ডাকাত গ্রেপ্তার :  ডাকাতির সরঞ্জাম জব্দ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া জব্দ করা হয়েছে সোনার গহনা,ইজিবাইকসহ ডাকাতি করা বিভিন্ন সামগ্রি। শুক্রবার বিকেলে জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে এসব তথ্য দেন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

পুলিশ সুপার বলেন, ঈদকে সামনে রেখে চুরি ও ডাকাতি বৃদ্ধি পায়। এসকল অপরাধ রুখতে জেলাব্যাপী পুলিশ অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘন্টায় ১৬ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো,তালা থানার চাঁদকাটি গ্রামের আশরাফুল মোল্লা,সাতক্ষীরা সদরের রাজনগর গ্রামের হোসেন আলী,শহরের অদূরে বকচরা এলাকার মোসলেম শেখ, একই এলাকার রবিউল ইসলাম রবি,সাতক্ষীরা সদরের ডুমুরতলা গ্রামের আতাউর রহমান বাবলু ও খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সরলগোপালপুর গ্রামের সাইদুল গাজী।

গত ২০ জুন সদর থানার ঘরচালা গ্রামে ডাকাতির ঘটনায় মামলা হয়। সেই মামলার প্রেক্ষিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে উপরোল্লিখিত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া ডাকাতি ও প্রতারণার অভিযোগে খুলনার গল্লামারির আলমগীর হোসেন,খুলনার দাকোপের নাজমুল মোল্লা, পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া এলাকার সুমন শেখ, খুলনার কয়রা থানা এলাকার ইয়াছিন সরদার, ছিনতাইকরা ইজিবাইকসহ যশোরের ইকবাল হোসেনসহ আরও ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসকল আসামীদের হেফাজত থেকে প্রতারণা করার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা : আসন্ন ঈদুল আযাহা উপলক্ষে দর্শানার্থীদের বিনোদন নিশ্চিত করতে নানা প্রস্তুতি চলছে রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রে।

সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলার ইছামতি নদীর তীরে সুন্দরবনের আদলে গড়ে তোলা পর্যটন কেন্দ্রটি ১৫০ বিঘা জমিতে বিস্তৃর্ণ। এই বনের বুক চিরে প্রায় ১০ একর জমিতে অনামিকা লেক, পিকনিক স্পট, শিশুপার্ক, কনফারেন্স রুম, বনের ভিতরে বাশের তৈরী ট্রেইল, সেলফি পয়েন্ট, প্যাডেল চালিত বোড, ইছমিতির পাড়ে বসে বৈকালিন, তিন নদীর মোহনা দেখার সুব্যবস্থা।

এছাড়া নারী-পুরুষের জন্য আলাদা নামাজের স্থান, ওয়াশবøক, সুপেও পানির ব্যবস্থা ছাড়াও নতুন ভাবে যোগ হচ্ছে রাত্রিযাপনের জন্য কটেজ। নানামূখি বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা বনটিতে বর্তমানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আসন্ন ঈদুল আযাহা উপলক্ষে চলছে নান সাজসজ্জা ও নির্মান কাজ।
জেলার সদর হতে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দুরে ইছামতি নদীর তীরে শিবনগর মৌজায় অবস্থিত এ বনটি। এটি উপজেলার “রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র” নামে পরিচিত। ইছামতি নদীর তীরে কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি এ ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি এ উপজেলায় মানুষকে গর্বিত করে। উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় টাউনশ্রীপুর এলাকায় ভারতের টাকী পৌরসভার বিপরীতে ইছামতি নদীর তীরে শীবনগর মৌজায় এ বনটি তৈরী করা হয়েছে।

এই পর্যটন কেন্দ্রর সার্বিক উন্নয়নের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সহযোগীতা প্রদান করা হয়েছে। এই বনটিতে বহু প্রজাতির ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রয়েছে। সুন্দরবনের আদলে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ বৃক্ষের চারা এনে রোপন করে ব্যাপক বনের সৃষ্টি করা হয়েছে। যার মধ্যে কেওড়া, বাইন, গোলপাতা, কাঁকড়া, নিম, সুন্দরী, হরকচাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ উদ্ভিদ। বিনোদন প্রিয়াসীদের জন্য রয়েছে বসারস্থান।

শিশুদের আনন্দ দেওয়ার জন্য কৃত্রিম বিভিন্ন প্রজাতীর পশুপাখি। স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে এটি পরিপূর্ণ বনে পরিনত করতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।

এদিকে, সাতক্ষীরা জেলার ইছামতি সীমান্তের ইছামতির তীরে গড়ে ওঠা দৃষ্টিনন্দিত মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য ম্যানগ্রোভ মিনি সুন্দরবনটির পরপর পরিধি বাড়ছে। ২০০৯ সালে দেবহাটার সুঁশিলগাতী এলাকার নদীর বেড়িবাধ ভেঙ্গে প্লাবিত হলে বাধ রক্ষায় ২০১০ সালে উপজেলার প্রশাসনের উদ্যোগে বাধ রক্ষায় ও প্রাকৃতিক ভারসম্য রক্ষার জন্য তৈরী করা হয় ম্যানগ্রোভ বন। বেশ কয়েক বছর যেতে যেতে বনের আকার বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর রক্ষা পায় আশে পাশের এলাকাবাসীরা। প্রতিবছরে উপজেলার ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ উপভোগ করতে আসে প্রকৃতির এই দৃর্শ্য। তাছাড়া বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে বনটিতে কানায় কানায় দর্শণার্থী পরিপূর্ণ হয়।
তাছাড়া শীতের প্রথম থেকে শুরু হয় পিকনিক উৎসব। অনেকে এসে রান্নাবান্না করে ধুমধাম চড়–ই ভাতিও করে। কয়েক মাস ধরে চলতে থাকে উৎসবের আমেজ। সেই আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সকলের মাঝে। বর্তমান স্থানটিতে প্রবেশ করতে হলে উপজেলা প্রশাসনেকে টিকিটের মাধ্যমে ২০টাকা ফি দিতে হয়। যার পুরো টাকা সরকারি রাজস্ব তহবিলে জমা হয়। স্থানটি ইছামতির তীরে নিরিবিলি হওয়ায় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এখানে সময় কাটাতে আসেন।

ঘুরতে আসা দর্শানার্থীরা জানান, বনটি ইছামতি নদীর পাড়ে হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। এপাশে বাংলাদেশ অপরপাশে ভারত মাঝ খানে নদী। জায়গাটি অত্যান্ত নিরিবিলি হওয়ায় সব বয়সী মানুষের কাছে প্রিয়। তাছাড়া বিভিন্ন দিবস বা ছুটির দিনে বেশি দুরে যা যেয়ে দেবহাটায় এসে সুন্দরবনের স্বাদ পায়। নারী ও শিশুদের জন্য স্থানটি খুবই নিরাপদ বলেও দাবি দর্শানার্থীদের।
এই স্পটটিতে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

তাছাড়া ছুটি ও বিভিন্ন উৎসব ঘিরে দিনে ৩/৪ হাজার দর্শানার্থীদের পদাচরন ঘটে এই বিনোদন কেন্দ্রে। বর্তমানে পর্যটন কেন্দ্রে দায়িত্বে ম্যানেজার দিপঙ্কর ঘোষ বলেন, বিনোদন কেন্দ্রে এসে যাতে কেউ কোন প্রকার হয়রানি না হয় সেব্যাপারে আমাদের স্টাফরা নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা দর্শানার্থীদের বিনোদনের জন্য নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছি।
এদিকে নানা উদ্যোগ আর আশার কথা জানিয়ে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, যেহেতু আমার সুন্দরবনের কাছাকাছি অবস্থান করি। সেকারনে রাজধানী সহ দেশ-বিদেশী পর্যটক সুন্দর ভ্রমনে আসেন। তাদের কথা বিবেচনা করে রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি দর্শানার্থীদের মত করে সাজানো হচ্ছে।

তাছাড়া আমাদের স্বপ্নের সেতু চালু হওয়ায় বর্তমানে ঢাকা থেকে এসে একদিনে ঘুরে আবার ঢাকায় ফিরতে পারবেন। আমাদের পক্ষ থেকে পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আমি অনুরোধ করব যারা ঈদে ছুটিতে বাড়িতে ফিরবেন অর্ন্তত একবার হলেও দেবহাটা রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি ঘুরে যাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: যুদ্ধরত রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি করা হবে না জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় দেশটি থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি করবে না বাংলাদেশ সরকার।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চলমান সংকট উত্তরণে আমরা অন্য কোনো দেশ থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি করার চিন্তা করছি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ শুক্রবার নিজ জেলা সিলেটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এর আগে গত মে মাসে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল নিতে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় দেশটি। রাশিয়ার এ প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে ওই সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাশিয়া বাংলাদেশে যে ক্রুড ওয়েল (অপরিশোধিত তেল) রপ্তানির প্রস্তাব দিয়েছে, সেটি আমাদের দেশের শোধনাগারের সঙ্গে ম্যাচ করে না। আমাদের দেশে ওই তেল শোধন প্রক্রিয়া নেই।’

রাশিয়ার এ প্রস্তাবের বিষয়ে সে সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, ‘রাশিয়া বাংলাদেশকে জ্বালানি তেল ও গম দিতে চেয়েছে। কিন্তু, নিষেধাজ্ঞার ভয়ে আমরা তা নিচ্ছি না।’

পূর্ব ইউক্রেনের মস্কো সমর্থিত বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র স্বীকৃতি এবং সেখানে সেনা পাঠানোয় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেন ইস্যুতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেওয়া পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন।

বাইডেন বলেন, ‘ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ শুরু হয়েছে। সুতরাং আমি এর জবাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা শুরু করছি।’ ইউক্রেনের বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে রুশ শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর প্রতিক্রিয়ায় এরই মধ্যে পশ্চিমা অর্থায়ন থেকে রাশিয়া সরকারকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে পড়ে। সংকট দেখা দেয় জ্বালানি তেল ও গ্যাসের। খাদ্যের দামও বেড়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মোটরসাইকেল বন্ধের সুযোগে গণপরিবহণে ভাড়া ডাকাতি ও যাত্রী হয়রানি’

অনলাইন ডেস্ক: ঈদযাত্রায় মোটরসাইকেল বন্ধের সুযোগ কাজে লাগিয়ে গণপরিবহণ সংকটকে পুঁজি করে সড়ক, রেল ও নৌ-পথে ভাড়া ডাকাতি ও ইচ্ছেমতো যাত্রী হয়রানি চলছে বলে অভিযোগ করে জরুরি ভিত্তিতে এমন ভাড়া নৈরাজ্য ও পথে পথে যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

ঈদযাত্রায় সড়ক, রেল, নৌ-পথের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আজ শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির তাদের পর্যবেক্ষণের বরাতে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাজধানীর সিটি সার্ভিসের বাসের ভাড়া কোনো কোনো পথে পাঁচ থেকে ছয়গুণ পর্যন্ত বাড়তি আদায় করা হচ্ছে। উত্তরা থেকে সায়েদাবাদে ৫০ টাকার বাস ভাড়া ৩০০ টাকা নিতে দেখা গেছে। শ্যামলী থেকে গুলিস্থানে ৩০ টাকার বাস ভাড়া ২০০ টাকা আদায় করতে দেখা গেছে। ধানমণ্ডি থেকে সদরঘাট ২৫ টাকার বাস ভাড়া ২০০ টাকা আদায় করতে দেখা গেছে। টার্মিনাল-কেন্দ্রিক নয়—এমন পথে যাত্রীপ্রতি ওঠা-নামা ভাড়া কোনো কোনো বাসে ৫০ টাকা, আবার কোনো কোনো বাসে ১০০ টাকা আদায়ের নৈরাজ্য এখনও চলছে। নগরীর প্রতিটি লেগুনা সার্ভিসের ভাড়া কোথাও দ্বিগুণ, আবার কোথাও তিনগুণ আদায় করা হচ্ছে।

কেরানীগঞ্জের কদমতলী ও সদরঘাট থেকে গুলিস্তানের পথে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরত্বে লেগুনা ভাড়া ১৫ টাকা আদায় করা হলেও এখন কখনও ৩০ টাকা, কখনও ৫০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। একই চিত্র নগরীর সব লেগুনা রুটে দেখা যাচ্ছে। রিকশা ভাড়া তিন থেকে চার গুণ বাড়তি আদায় করা হচ্ছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা গুলশান, বনানী ও বারিধারা থেকে স্বাভাবিক সময়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল বা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাতায়াত করা গেলেও গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে এ পথে দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

এদিকে, দূরপাল্লার যাত্রাপথে ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-রাজশাহী, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের প্রতিটি রুটে বিদ্যমান ভাড়া থেকে গন্তব্যভেদে ৩০০ থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। অনুরূপভাবে ঢাকা-কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়িসহ প্রতিটি রুটে এমন ভাড়ানৈরাজ্য চলছে। দেশের এক জেলা থেকে অপর জেলায় চলাচলকারী গণপরিবহণগুলোতেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের এ চিত্র অব্যাহত আছে। পদ্মা সেতু হয়ে যাতায়াতকারী প্রতিটি রুটে বিভিন্ন নন-ব্র্যান্ডের বাসে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চলছে। এ ছাড়া খ্যাতনামা ব্র্যান্ডের বাসগুলো বিদ্যমান ভাড়ায় যাত্রী বহন করলেও কোনো কোনো পথে যাত্রীদের স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বেশির দূরত্বের টিকিট কিনতে বাধ্য করছে। এতে করে নিম্নআয়ের মানুষ, শ্রমজীবী, কর্মজীবী ও দিনমজুর—এ ধরনের স্বল্পআয়ের মানুষ পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে যাতায়াতে বাধ্য হচ্ছে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর যাত্রী সংকটের কারণে ঢাকা-বরিশালের বিভিন্ন নৌপথের ভাড়া আর্কষণীয় হারে কমানো হলেও এখন এ পথেও ভাড়ানৈরাজ্য চরমে ঠেকেছে।

এ ছাড়া রেলে টিকেট কালোবাজারি, অনলাইনে টিকিট পেতে বিড়ম্বনাসহ নানা কারণে যাত্রীর হাতে টিকেট পৌঁছাতে নির্ধারিত মূল্যের তিনগুণ পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে আকাশ পথেও এমন ভাড়ানৈরাজ্যের কারণে যাত্রীরা এখন দিশেহারা।

তাই, জরুরি ভিত্তিতে এমন ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে করোনায় আরও মৃত্যু ৭ জনের, শনাক্ত ১৬১১

দেশের খবর: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৬১১ জন। দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৯৫ জনে। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ১০১ জন।

শুক্রবার (৮ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯ হাজার ৫৮০টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬১১ জনের শরীরে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার১৬ দশমিক ৮২ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮৯০ জন, যা আগের দিন ছিল ৬৭৮ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনামুক্ত হলেন ১৯ লাখ ১১ হাজার ৩৬৭ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গুলিবিদ্ধ জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে মারা গেছেন

বিদেশের খবর: বাঁচানো গেলো না জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে। শুক্রবার (৮ জুলাই) বন্দুকধারীর গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার পর মারা গেছেন তিনি। জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে শুক্রবার সকালে জাপানের পশ্চিমাঞ্চলীয় নারা শহরে প্রচার কর্মসূচিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত হন আবে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই জানানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে চিকিৎসকদের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

এদিকে শিনজো আবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন তার দলীয় এক কর্মকর্তা। পাবলিক ব্রডকাস্টার এনএইচকে-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপানের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, নারা শহরে হামলার শিকার হওয়া স্থানের কাছাকাছি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিনজো আবে মারা যান।

সংবাদমাধ্যম বলছে, পশ্চিমাঞ্চলীয় নারা শহরে প্রচার কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় জাপানের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ওপর গুলি চালানো হয়। এরপরই লুটিয়ে পড়েন শিনজো। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিবিসি বলছে, প্রচার কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেকে পেছন থেকে গুলি করা হয়েছিল।

পৃথক একটি জাপানি সংবাদমাধ্যম কিয়োদো জানায়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে জাপানের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী অচেতন অবস্থায় ছিলেন।

হামলার ঘটনার কিছু সময় পর বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের রাজধানী টোকিওর সাবেক গভর্নর ইয়োচি মাসুজো টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর কার্ডিওপালমোনারি’তে আক্রান্ত হয়েছেন।

বিবিসি বলছে, জাপানে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করার আগে এই শব্দটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এ থেকেই স্পষ্ট, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে শিনজো আবে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের সবচেয়ে কমবয়সী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০০৭ সালে দায়িত্ব নেন শিনজো আবে। তবে অসুস্থতার কারণে ২০২০ সালের আগস্টের শেষে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও এক বছর আগেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান আবে।

৬৭ বছর বয়সী শিনজো আবে সেসময় জানিয়েছিলেন, তার আলসারেটিভ কোলাইটিস রয়েছে এবং নতুন ওষুধ ব্যবহার করে তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি বহু বছর থেকে আলসারেটিভ কোলাইটিস রোগে ভুগছিলেন।

২০১২ সালে আবারও জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া শিনজো আবে সবচেয়ে দীর্ঘসময় ধরে দায়িত্ব পালন করা জাপানি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এর আগে ২০০৭ সালেও প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি আলসারেটিভ কোলাইটিসে ভুগতে থাকায় হঠাৎ পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন। মূলত কৈশোর থেকেই এই রোগে ভুগছিলেন আবে।

প্রসঙ্গত, জাপানে বন্দুক সহিংসতার ঘটনা বেশ বিরল। কারণ পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে হ্যান্ডগান বা বন্দুক নিষিদ্ধ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টানা ৫ দিন ছুটির কবলে ভোমরা স্থলবন্দর

আসাদুজ্জামান :

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা ৫ দিনের ছুটির কবলে পড়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দর। এর ফলে আজ শুক্রবার (৮ জুলাই) থেকে আগামী মঙ্গলবার (১২ জুলাই) পর্যন্ত সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ থাকবে এ বন্দরের।
তবে, এই সময়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা যথারীতি যাতায়াত করতে পারবেন।

আগামী ১৩ জুলাই বুধবার থেকে আবারও যথারীতি শুরু হবে বন্দরের আমাদানী বাণিজ্যিক কার্যক্রম।
ভোমরা স্থল বন্দর সি অ্যান্ড এফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক এসএম মাকসুদ খান জানান, আজ শুক্রবার সরকারী ছুরি দিন।

এর সাথে আগামী ৯ জুলাই শনিবার থেকে ১২ জুলাই মঙ্গলবার পর্যন্ত ৪ দিন ও শুক্রবারসহ মোট ৫ দিন ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এজেন্ট কার্গো ওয়েল ফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের সাথে যৌথ আলোচনা করে সর্ব সম্মতিক্রমে উভয় দেশের বন্দরেরআমদানি-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, আগামী ১৩ জুলাই বুধবার থেকে আবারও যথারীতি আমাদানি-রপ্তানীকার্যক্রম শুরু হবে।

ভোমরা স্থলবন্দর শুল্ক ষ্টেশনের সহকারী কমিশনার আমীর মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভোমরা স্থলবন্দর সি অ্যান্ড এফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন আজ শুক্রবার সরকারী ছুটির সাথে আরো ৪ দিন বাাড়িয়ে (আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত) টানা ৫ দিন আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এর ফলে কার্যত আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম এই ৫ দিন বন্ধ থাকবে।
ভোমরা ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এই সময়ে এ বন্দর দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারবেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest