সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণসাতক্ষীরায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের উদ্যোগে সমন্বয় সভাতালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা সদরের লাবসায় ‘পাবলিক হেয়ারিং’অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে কল্যাণ ব্যানার্জি’ ফেসবুক আইডির পোস্ট: ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

বিশ্বের বড় বড় নদী শুকিয়ে যাচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কতটা চরম হতে পারে চলতি বছর তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে বিশ্বের অনেক অঞ্চলের বাসিন্দারা। পৃথিবীর কোথাও চলতি বছর তীব্র খরা চলছে আবার কোথাও চলছে ব্যাপক বন্যা। এমনকি আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার বড় বড় নদীর পানি প্রবাহ কমতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে একদিকে সুপেয় পানির উৎস কমে যাচ্ছে, আরেক দিকে চাষাবাদের জন্য পর্যাপ্ত পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া বিশ্বের ছয়টি বড় নদীর ছবি বিশ্লেষণ করে রোববার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

কলোরাডো নদী : যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলে খরা তীব্রতা কমার তেমন লক্ষণ এখনও দেখা যায়নি। খরার প্রভাবে কলোরাডো নদীর তীর শুকিয়ে যাচ্ছে এবং সরু হয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম দুটি জলাধারের মধ্যে একটি হচ্ছে এই নদী। যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি অঙ্গরাজ্য ও প্রতিবেশী মেক্সিকোর চার কোটি মানুষ এই নদীর ওপর নির্ভরশীল। নদী অববাহিকাকে সুরক্ষিত করার জন্য সরকার বাধ্যতামূলক পানি সংগ্রহ কমিয়েছে এবং রাজ্যগুলোকে অতিরিক্ত কর্ম পরিকল্পনা জমা দিতে বলেছে।

ইয়াংজি নদী : এশিয়ার ইয়াংজি নদীর কিছু অঞ্চল শুকিয়ে যাচ্ছে এবং ওই সব এলাকায় নদীর তলদেশ এখন দেখা যাচ্ছে। এর উপনদীগুলি ইতোমধ্যে একেবারে শুকিয়ে গেছে। চীন নয় বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশব্যাপী খরা সতর্কতা ঘোষণা করেছে এবং এর তাপপ্রবাহ ছয় দশকের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। ইয়াংজি নদী শুকানোর প্রভাব অনে বেশি। আট কোটি ৪০ লাখ মানুষের প্রদেশ সিচুয়ানের জলবিদ্যুৎ বিদ্যুতের ৮০ শতাংশ উৎপাদন হয় এই নদী থেকে। নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার সাথে সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। চলতি মাসে কর্তৃপক্ষ সিচুয়ানের সব কারখানা ছয় দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

রাইন নদী : সুইস আল্পসে জন্ম নিয়ে রাইন নদী জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের মধ্য দিয়ে উত্তর সাগরে গিয়ে পড়েছে। এটি ইউরোপীয় জাহাজ যাতায়াতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল। কিন্তু এই মুহূর্তে, এতে জাহাজ চলাচল মুশকিল হয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় নদীর তলদেশের অংশগুলো উপরে উঠে এসেছে, যার অর্থ যে জাহাজগুলি এই নদী দিয়ে যাবে তাদেরকে বহু পথ ঘুরে যেতে হবে।

পো নদী : এই নদীটি ইতালির পার্বত্য অঞ্চল থেকে বের হয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে অ্যাড্রিয়াটিক সাগরে গিয়ে পড়েছে। এটি আল্পসের শীতকালীন তুষার এবং বসন্তে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে প্রতি বছর নদীর চারপাশে বিধ্বংসী বন্যা হয়। কিন্তু এখন, পো নদীর চেহারা বদলে গেছে। উত্তর ইতালিতে শীতকাল শুষ্ক ছিল, তাই তুষার থেকে সামান্য জল প্রবাহিত হয়েছে এবং বসন্ত ও গ্রীষ্ম শুষ্ক ছিল, এই অঞ্চলটিতে গত সাত দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র খরা সইতে হচ্ছে। নদী এখন এতটাই শুকিয়ে গেছে যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের একটি বোমা সম্প্রতি এর শুকনো তলদেশ থেকে পাওয়া গেছে।

লোয়ার নদী : ফ্রান্সের দ্রাক্ষাক্ষেত্রের একটি উপত্যকা বেঁচে আছে এই নদীকে ঘিরে। ওই দ্রাক্ষা দিয়ে তৈরি হয় বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত ওয়াইন। নদীটি প্রায় ৬০০ মাইল জুড়ে বিস্তৃত এবং ফ্রান্সের শেষ বুনো নদী হিসাবে বিবেচিত হয়। সমগ্র উপত্যকায় জীববৈচিত্র্য বাস্তুতন্ত্র এই নদীর ওপর নির্ভরশীল। নদীর কিছু অংশ ইতোমধ্যে মোটামুটি অগভীর হয়ে গেছে। কিছু অংশ বৃষ্টির অভাবে এবং প্রচণ্ড গরমে এতটাই শুকিয়ে গেছে যে, মানুষ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিতে পারে।

দানিউব : এটি হল পশ্চিম ইউরোপের দীর্ঘতম নদী এবং জাহাজ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল। নদীটি ১০ দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। রোমানিয়া, সার্বিয়া ও বুলগেরিয়াতে নদীটি ড্রেজিং করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরাসহ ১৫ জেলায় পেট্রোল পাম্প মালিকদের ধর্মঘট

দেশের খবর: জ্বালানি তেলের কমিশন বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ ১৫ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ রেখে প্রতীকী ধর্মঘট পালন করছে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি।

সোমবার (২২ আগস্ট) ধর্মঘট পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির নেতা মো. ফরহাদ হোসেন।

এদিকে, সোমবার ভোর ৬টা থেকে খুলনার পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখা হয়েছে।

প্রতিকী ধর্মঘটের আওতায় যেসব জেলায় তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে সেগুলো হল- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ।

পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির ধর্মঘট চললেও বেসরকারি পাম্পগুলো থেকে জ্বালানি তেল বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জ্বালানি পরিবেশক সমিতির খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের অফিস সেক্রেটারি সরোজ দাস পিন্টু।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে ১২ ঘণ্টার প্রতিকী ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে। সোমবার ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘট চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- বর্তমান জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে আনুপাতিক হারে জ্বালানি তেল বিক্রয় কমিশন বৃদ্ধি, অয়েল ডিপো থেকে ৪০ কিলোমিটারের বাইরে ট্যাংকলরি ভাড়া বৃদ্ধি এবং পেট্রোল পাম্পের ওপর আরোপিত বিভিন্ন সংস্থার লাইসেন্স প্রথা বাতিল করা।

কর্মসূচি চলাকালে দাবি বাস্তবায়ন না করা হলে পরবর্তীতে সারাদেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির পক্ষ থেকে।

বাংলাদেশ জ্বালানি পরিবেশক সমিতির খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের অফিস সেক্রেটারি সরোজ দাস পিন্টু বলেন, ‘বেসরকারি পাম্পগুলো থেকে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্র থেকে এ প্রতিকী ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। তবে তেল পরিবেশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য অ্যাসোসিয়েশন এই ধর্মঘটের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের মূল্যের (পূর্ব মূল্য) ২ দশমিক ৭১ টাকা কমিশন দেওয়া হয়। অতীতে কমিশন বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনে (বিপিসি) একাধিকবার আবেদন করেও কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। জ্বালানি তেলের মূল্য বর্তমানে অনেক বৃদ্ধি পেলেও তাদের কমিশনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় কমিশন প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের বর্তমান মূল্যের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হারে প্রদানের দাবি জানানো হচ্ছে।

এর আগে একই দাবিতে গত ৭ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য ধর্মঘট শুরু করেছিলো বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও জ্বালানি তেল পাম্প মালিক সমিতি। তবে ৯ ঘণ্টা ধর্মঘট পালনের পর প্রশাসনের আশ্বাসে স্থগিত করা হয়েছিলো সেই ধর্মঘট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় আওয়ামীলীগের আয়োজনে ২১ আগষ্ট উপলক্ষ্যে মিছিল

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে ২১ আগষ্ট উপলক্ষ্যে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার ২১ আগষ্ট, ২২ ইং বিকাল ৫টায় উপজেলার ঈদগাহ শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার বিচার দাবী করে অনুষ্ঠিত উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে সমাবেশে সভাপতিত্ব কররন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আনোয়ারুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আরশাদ আলী, সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সরদার আমজাদ হোসেন, সাধারন সম্পাদক আব্দুল হান্নান, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাহেব আলী, কুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বিধান চন্দ্র, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, সাধারন সম্পাদক বিজয় ঘোষ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক লোকমান হেসেনসহ আওয়ামীলীগ ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে রাজাকার জামির আলী কর্তৃক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা কালিগঞ্জের ধলবাড়িয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় সম্পত্তি অবৈভাবে দখল করতে চিহ্নিত রাজাকার জামির আলী ও তার পরিবার কর্তৃক একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি ও মারপিটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, কালিগঞ্জ থানার খড়মী গ্রামের আক্তার গাইনের স্ত্রী হালিমা খাতুন।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, কালিগঞ্জ থানার জে এল নং ১৩৬, আশিকুড়া মৌজায় খতিয়ান নং ৩৯, দাগ নং ৩৮ মোট জমির পরিমান ১.৬৬ একর সম্পত্তি আমার শ^শুর মৃত. হামিজ উদ্দীন গাইন ১৩.০৩.১৯৬৩ সাল থেকে ভোগদখলে আসছিলেন। শ^শুরের মৃত্যুর পর থেকে আমার স্বামীসহ স্বামীর ১৪ জন ভাই ও বোনেরা শান্তিপূর্ণভাবে উক্ত সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছিলেন।

সম্প্রতি উক্ত সম্পত্তির ডিসিআরও গ্রহণ করেছি আমরা। কিন্তু অত্র এলাকার চিহ্নিত রাজাকার জামির আলী গাজীসহ তার গোষ্ঠীর অত্যাচারে আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি। একের পর এক আমার স্বামীসহ তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। মামলার হাত থেকে নারীরাও রক্ষা পাচ্ছে না। এছাড়া ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে রাজাকার জামির আলীর পুত্র রহিম, আমির, রহমান ও জমাত এবং চাচাতো ভাই রুহুল আমিন,হামিদ গাজী, মুজিবরসহ তার পবিরারের সদস্যরা আমাদের বসতবাড়ী ভাংচুর করে কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল ছিনিয়ে নেয় এবং আমাদের মারপিট করে মারাত্মক আহত করে।

এর আগে ৯ আগস্ট ২২ তারিখে আমাদের অর্পিত সম্পত্তির উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মৎস্যঘেরের বাসা ভাংছুর করে, আগুন লাগিয়ে দেয়। মাছ লুটপাট করে এবং আমার স্বামীকে হত্যার চেষ্টা। অথচ উক্ত ঘটনায় নিজেরা গরম পানি গায়ে ছিটিয়ে এসিড মারা হয়েছে মর্মে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

কিন্তু চিকিৎসক বলছেন এসিড মারা হয়নি। যেটা ছেটানো হয়েছে সেটি গরম পানি। আমাদের শায়েস্তা করতে গত ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে আমার কলেজ পড়–য়া কন্যাকে জড়িয়ে একটি পরিকল্পিতভাবে নাটক সাজিয়ে যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করে। মামলাটি বিজ্ঞ আদালত যশোর পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

পিবিআই তদন্তে উক্ত মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমানিত হলে যশোর পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক শেখ মোনায়েম হোসেন মামলার বাদীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পেনাল কোডের ২১১ ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। তাছাড়া আমাদের পরিবারের ১১ জনের বিরুদ্ধে রাজাকার জামির আলির পুত্র রহিমের স্ত্রী আলেয়া কে বাদী করে আদালতে একটি মিথ্যা ধর্ষন মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলার এজাহারে ধর্ষনের সময় উল্লেখ করা হয়েছে বেলা ১২টা। বেলা ১২টায় প্রকাশ্যে ১২ পুরুষ কোন নারীকে ধর্ষন করে অথচ এলাকাবাসী কেউ বিষয়টি জানবে না এটা কিভাবে সম্ভব? এছাড়া জামির আলী তার অন্য পুত্র আমীর স্ত্রী মর্জিনাকে বাদী করে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করে। যার নং- সি আর ৪/২১। শুধুমাত্র অবৈধভাবে আমাদের দখলীয় সম্পত্তি দখল করতে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানিসহ নানানভাবে হয়রানি করে দিশেহারা হারা করে তুলেছে ওই রাজাকার জামির আলী। জামির আলী অত্র এলাকার চিহ্নিত রাজাকার। তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলার দাবিতে বীরমুক্তিযোদ্ধা শ্রী বিষ্ণুপদ মিস্ত্রি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই অত্যাচারী রাজাকার জামির আলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে গ্রামবাসী গণস্বাক্ষরও করেন। তিনি জামির আলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন পূর্বক আমাদের সম্পত্তি রক্ষাসহ মিথ্যা মামলার দায় হতে অব্যাহতি পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় বসত বাড়ী থেকে উচ্ছেদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : তালার বসত বাড়ী থেকে উচ্ছেদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলা মাগুরা গ্রামের মৃত ইমান আলী সরদার ছেলে আলিম সরদার।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন আমার বসবাস রত, তালা উপজেলা ডি এস খতিয়ান নং ১৭৬৩ দাগ নং ১৩৭৩ বাস্ত ২.৮০ শতক সম্পত্তি ইং ১২. ০৬ ১৯২ তারিখে ১৫৭নং বায়নামা মূলে পাপ্ত হন।

বিভৃতি লাল রায় চৌধুরী গং উক্ত বিভূতি লাল রায় চৌধুরী গং এর নিকট হইতে ইং ৭ জুন ১৯৫৫ তারিখে ১১৭৬ নং কবলিত মূলে বন্দোবস্ত লয়েন শেখ সেকেন্দার আলী উক্ত সম্পত্তি নূরজাহান বেগম গংদের ১৪-১৬ বাংলা সনের ১লা বৈশাখ তারিখে বাচনিক দান করেন এবং দখল দারিত্ব বুঝিয়ে দেন।

পরবর্তীতে নুরজাহান বেগম গং বাদী হয়ে তালা সহকারী জজ আদালতে শেখ সেকেন্দার আলী কে বিবাদী করে দেং ১৪৮/১৩ মোকদ্দমা দাখিল করেন। ওক্ত মোকদ্দমা ইং ০৫/০৩২০১৪ তারিখে দেওয়ানি আদালতে দাখিল করি এবং ১২ মার্চ ২০১৪ তারিখে উক্ত আদালতের ডিগ্রী মূলে সোলেনামা রায় পাপ্ত হই। এঘটনার পর থেকেই উক্ত সম্পত্তিতে নূর জাহান বেগম ভোগ দখল করে আসছেন।

তিনি আরো বলেন গত ইং ১৮ আগস্ট ২০২২ তারিখে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ১ নং বিবাদী আব্দুস সামাদ মোড়ল আমার সম্পত্তি জোর পূর্বক দখল নেয়ার জন্য তার নেতৃত্বে মাগুরা এলাকার সেলিম খাঁ পিতা মৃত নওয়াব আলী খাঁ আবু সাইদ সরদার পিতা মাফুজ সরদার, জাহাঙ্গীর শেখ, মৃত জবেদ শেখ, মেহেদী খাঁ পিতা রহমত আলী খাঁ সহ আরও ১০/১২ জন সন্ত্রাসী বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার সহ আমার পরিবারের লোকজনকে বেধড়ক যামারপিট করে আহত করে এবং সেই সাথে বাড়ী ঘর ভাঙচুর করে মূল্যবান স্বর্ণের গহনা ও টাকা-পয়সা লুটপাট করে নিয়ে যায়। সামাদ বাহিনী ভূয়া কাগজ পএ করে আমাকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা করছে। তিনি ভূমিদস্যু সামাদ বাহিনীর শাস্তির দাবীতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

২১.৮.২০২২

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌরসভার ওয়াস ব্যবসায়ী মহিলা সমবায় সমিতির সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি মূলক ফলোআপ প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌরসভার ওয়াস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি মূলক ফলোআপ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

২১ আগস্ট রোববার সাতক্ষীরা ম্যানগ্রোভ সভাঘরে দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন হোপ ফর দি পুওরেষ্ট (এইচপি) এর টাউন কো-অর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার ও মার্কেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার নন্দিতা রানী দত্ত।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমবায় সমিতির সদস্যবৃন্দ তাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দক্ষতা অর্জন করবেন এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হয়।

ওয়াস ব্যবসায়ীগণ প্রতিষ্ঠানের কর্মী ব্যবস্থাপনা, সংগঠনের সংবিধান সম্পর্কিত দল গঠন ও নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন। এছাড়া অর্থ ব্যবস্থাপনা, অর্থ সংগ্রহের কৌশল ও পদ্ধতি বিষয়ক দক্ষতা অর্জন করেন। ব্যবসায়ী সাবিহা খাতুন, রাবেয়া খাতুন, ফরিদা খাতুন, মনিরা খাতুন, রাবেয়া খাতুন, সালমা খাতুন, জেসমিন আরা, মনোয়ারা খাতুন, পিংকী দাশ, তিলোকা রানী রায়, রেহেনা খাতুন, সখিনা খাতুন, রওশনারা, আফরোজা, জেসমিন আরাসহ অন্যান্য সদস্য অংশগ্রহণ করেন। সাতক্ষীরা পৌরসভা হতে উপস্থিত ছিলেন ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোছাঃ রাবেয়া পারভীন ও সাতক্ষীরা পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ওয়াস এসডিজি ফোকাল পার্সন মোঃ জিয়াউর রহমান। উপজেলা সমবায় অফিস থেকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ কারিমুল হক ও সহকারী সুপারভাইজার শেখ মিজানুর রহমান। প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন আশা’র জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ আশরাফুল ইসলাম ও সাংবাদিক এম. বেলাল হোসেন। উল্লেখ্য, এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মান বৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ- ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে।

২১ আগস্ট রোজ রবিবার সকাল ১১ টায় কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল হয়, মিছিল শেষে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। প্রতিবাদ সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান।

সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তৌহিদ হাসান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ হাসানুজ্জামান নিশান, জেলা ছাত্রলীগ নেতা খায়রুল্লা আরাফাত, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার সভাপতি আবিদ হাসান, ১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী মুনতাসির আহম্মেদ, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সামিউর সানজির, ইকবাল মাহমুদ, আশিকুর রহমান, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা তৌকির প্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিটের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে আদিবাসী মুণ্ডা সম্প্রদায়ের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাটে আদিবাসী মুণ্ডা সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালিয়ে তিন নারীকে পিটিয়ে জখম ও একজনকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠণ রবিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসুচি পালন করে।

জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসুচি চলাকালে বক্তব্য দেন সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যাণার্জী, অধ্যাপক আনিসুর রহিম, অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহম্মদ বাপ্পি, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, মাধব চন্দ্র দত্ত, জ্যোস্না দত্ত, অ্যাড. মনিরউদ্দিন, ফণীন্দ্রনাথ মুণ্ডা, তারপদ মুণ্ডা, জয়দেব মুণ্ডা, প্রশান্ত মুণ্ডা, গোপাল মুণ্ডা, ফরিদা আক্তার বিউটি, আফজাল হোসেন, রানা লুইস গাইন, মরিয়ম মান্নান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, অসিত মুণ্ডা, ধীমান সরকার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আদিবাসি মুণ্ডা সম্প্রদায়ের জমি প্রজাস্বত্ব আইনে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া হস্তান্তরযোগ্য নয়।

অথচ শ্যামনগরের শ্রীফলকাটি গ্রামের রাশেদুল ও এবাদুল ধুমঘাটের মুল্লুক চাদ মুণ্ডার আট বিঘা জমি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে শুক্রবার সকালে জবরদখলের চেষ্টা করে। সেখানে বসবাসরত ২২টি মুণ্ডা সম্প্রদায়ের মানুষজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের ধানের বীজতলা পাওয়ার টিলার দিয়ে চষে দেওয়া হয়। বাধা দেওয়ায় তিন নারী ও এক পুরুষকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়।

শনিবার বিকেলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নরেন্দ্র মুণ্ডা মারা যায়।এ ঘটনায় পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। এ ছাড়া কৈখালি ইউনিয়নের সাহেবখালিতে কর্ণ মুণ্ডা, সঞ্জিত মুণ্ডা ও খুকুমনি মুণ্ডার উপর হামলা চালানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ভোলা আদালতে দেওয়া হয়েছে মিথ্যা মামলা। হামলার সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শুকুর আলী, যুবলীগ নেতা ফিরোজ হোসেনসহ বিভিন্ন রাজৈ নতিক দল ও বংশীপুরের দুটি ক্লাবের বেশ কিছু সদস্য জড়িত।
অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest