সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

তালায় সাপের দংশনে গৃহবধূর মৃত্যু

তালা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় বিষাক্ত সাপের দংশনে ডলি খাতুন (২০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তিনি তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের ইট ভাটা শ্রমিক ইকবাল হোসেন খাঁ’র স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহষ্পতিবার (১৬ জুন) রাতে। নিহত গৃহবধূর ৩ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

নিহতের স্বজন জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তারা একসাথে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতের কোন এক সময়ে বিষাক্ত সাপ ইকবালের স্ত্রী ডলি খাতুনকে দংশন করে। সকালে ডলি খাতুনের শিশু কন্যার পিঠের নীচে সাপটিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ কামরুল ইসলাম লাল্টু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আগামী ১৯ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া সব শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সব শিক্ষাবোর্ডের সব বিষয়ের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। নতুন সময়সূচি পরে জানানো হবে।’

গত কয়েক দিন ধরে সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। পানির কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সড়ক ও বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নেয়া নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন তারা।

সিলেটে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা। গোয়াইনঘাটে ৪৮ ও কোম্পানীগঞ্জে ২৬ প্রতিষ্ঠানের সবগুলোতেই পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া কানাইঘাটে ৩৭টি, জৈন্তাপুরে ১২টি, বিশ্বনাথে ১৩টি, সিলেট সদরে ১৯ ও জকিগঞ্জে ১৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর গার্লস স্কুলে নবীবনবরণ
প্রেসবিজ্ঞপ্তি:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডিবি) মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নবীনবরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
 হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্কুলের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স. ম শহিদুল ইসলাম।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ এমাদুল ইসলাম দুলুর সভাপতিত্বে ও সহকারি শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও মা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ মমিনুর রহমান মুকুল, ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য মোঃ আব্দুল হামিদ বাবু, অভিভাবক সদস্য মোশারফ হোসেন,
রবিন কর্মকার, মিয়ারাজ হোসেন, মুন্নাফ মন্ডল, সাবেক অভিভাবক সদস্য নজরউদ্দীন সরদার প্রমুখ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারি প্রধান শিক্ষক অনুজিৎ কুমার মন্ডল, অরুন কুমার মন্ডল, মোঃ হাফিজুল ইসলাম, বিদায়ী শিক্ষার্থী তমালিকা সরদার, শিক্ষার্থী মাহিরা আফরিন, তৃষা মন্ডল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মোঃ হারুন অর রশিদ। আলোচনা শেষে পরীক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্রসহ অন্যান্য শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেন অতিথিগণ। অনুষ্ঠানে সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।#
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে একই পরিবারের ৪ জনকে পিটিয়ে জখম, বাড়িঘর ভাংচুর

নিজস্ব প্রতিনিধি : কালিগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে একই পরিবারের ৪ জনকে পিটিয়ে জখম এবং বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনার ৫ দিন অতিবাহিত হলেও মামলা না হওয়া এবং পুনরায় খুনজখমের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উত্তরশ্রীপুর মৃত. সোলায়মানের পুত্র আব্দুল বারী।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমি অবসর প্রাপ্ত একজন সেনা সদস্য। উত্তরশ্রীপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের পুত্র আশরাফুল ইসলাম সাবু গংদের সাথে বিগত ইউপি নির্বাচন নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

এর জের ধরে প্রায় আশরাফুল ইসলাম সাবুসহ তার অন্যান্য ভাই এবং সহযোগীরা আমাদের নানাভাবে হয়রানির চক্রান্ত করে আসছিল।

একপর্যায়ে গত ১০ জুন ২০২২ তারিখে আশরাফুল ইসলাম সাবুর নেতৃত্বে তার ভাই শরিফুল ইসলাম মধু ও মিঠু গাজী, মৃত. জুব্বার সরদারের পুত্র আল মামুন সরদার, রাশিদা বেগমের পুত্র এরশাদ আলী, মৃত কাশেম শেখের পুত্র শিমুল শেখ, নূর মোহাম্মাদ মোড়লের পুত্র আমিনুর সহ কতিপয় ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের প্রবেশ করে লোহার গেইট ভাংচুর করে আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করতে থাকে।

এর প্রতিবাদ করলে আশরাফুল ইসলাম সাবুর নেতৃত্বে আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করে। এসময় আমাকেসহ স্ত্রী ও সন্তানকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। তাদের মারপিটে আমার স্ত্রীর ডান হাত ভেঙে যায় এবং মাথায় জখম প্রাপ্ত হয়।

উল্লেখিত সন্ত্রাসী বাহিনীর মারপিটের একপর্যায়ে আমাদের ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের হাত থেকে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। উল্লেখিত আশরাফুল ইসলাম সাবু গং এলাকার অত্যান্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি। আমাদের পিটিয়ে হাড়ভাঙ্গা জখম করার ঘটনায় আমি বাদী হয়ে কালিগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছি।

কিন্তু সাবু এবং তার ইন্ধনদাতা প্রভাবশালীদের কারনে এজাহারটি রেকর্ড করা হয়নি। উল্টো সাবু ও তার সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে আমাদের বাড়িতে এসে খুন জখমসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি প্রদর্শণ করে যাচ্ছে।

এছাড়া উল্লেখিত সাবু মারপিটের ঘটনার পূর্বে মোবাইলে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজসহ হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছিল। যার কলরেকর্ড সংরক্ষিত আছে এবং বাড়িঘর ভাংচুরের ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। অবিলম্বে সাবু গংয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা আনছার ও ভিডিপি কার্যালয়ে বাংলাদেশ ৮৮’র বৃক্ষরোপন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় পরিবেশ ফোরাম বাংলাদেশ ৮৮ এর মাসব্যাপি বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা আনছার ও ভিডিপি কার্যালয়ে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপন করা হয়েছে।

১৬ জুন ২২ বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা আনছার ও ভিডিপি চত্বরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কমান্ড্যান্ট মোরশেদা খানম।

বাংলাদেশ ৮৮ সাতক্ষীরা জেলা প্যানেলের কো-অর্ডিনেটর কাজী কবির এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন,

সহ:জেলা কমান্ড্যান্ট মো: কামরুজ্জামান, সার্কের এ্যাডজুটেন্ট মিয়াজান আলী, ক্যাম্প কমান্ডার হালিদার রমেশ চন্দ্র ও সৈনিকবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌরসভার ওয়াস নারী ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা পৌরসভার ওয়াস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি মূলক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স রুম, প্রেস ক্লাব ভবন, সাতক্ষীরাতে দিন ব্যাপী তথা ১৬ জুন ২০২২ তারিখে প্রশ্ক্ষিণের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা সহকারী পরিদর্শক শেখ মিজানুর রহমান, টাউন কো-অর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার ও মার্কেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার নন্দিতা রানী দত্ত।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমবায় সমিতির সদস্যবৃন্দ তাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দক্ষতা অর্জন করবেন এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হয়। ওয়াস ব্যবসায়ীগণ প্রতিষ্ঠানের কর্মী ব্যবস্থাপনা, দল গঠন ও নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন। এছাড়া অর্থ ব্যবস্থাপনা, অর্থ সংগ্রহের কৌশল ও পদ্ধতি বিষয়ক দক্ষতা অর্জন করেন।

ব্যবসায়ী সাবিহা খাতুন, রাবেয়া খাতুন, ফরিদা খাতুন, মনিরা খাতুন, রাবেয়া খাতুন, সালমা খাতুন, জেসমিন আরা, মনোয়ার খাতুন, তাহেরা পারভীন হীরা, পিংকী দাশ, তিলোকা রানী রায়, রেহেনা খাতুন, সখিনা খাতুন, রওশনারা, আফরোজা, জেসমিন আরাসহ অন্যান্য সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন আশা’র জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ আশরাফুল ইসলাম। উল্লেখ্য, এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মান বৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘের অধ্যুষিত এলাকার উন্নয়ন টেকসইকরণে ‘আউট ড্রেন’ বাধ্যতামূলক করতে হবে: গবেষণা

নিজস্ব প্রতিনিধি :  ‘উপকূলীয় মৎস্য ঘের অধ্যুষিত জেলাগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়ন টেকসইকরণে আউট ড্রেন নির্মাণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। আউট ড্রেন না রেখে গ্রামীণ রাস্তাকে ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করায় তা দ্রুত ভেঙে চলে যাচ্ছে ঘেরের মধ্যে। একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদীর বেড়িবাঁধও।

নির্ধারিত স্থান দিয়ে নদীর পানি তুলে আউট ড্রেনের মাধ্যমে ঘেরে নেওয়ার প্রবণতা কমেছে। উল্টো ইচ্ছামত যত্রতত্র নাইন্টি পাইপ বসিয়ে নদীর পানি উত্তোলনে বেড়িবাঁধগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে। এতে জরাজীর্ণ হয়ে পড়া বেড়িবাঁধ সামান্য জলোচ্ছ্বাসের চাপে বিলীন হয়ে প্লাবিত হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। ফলে গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট ও নদীর বেড়িবাঁধ নির্মাণে সরকারের ব্যয় করা হাজার হাজার কোটি টাকা চলে যাচ্ছে পানিতে। একই সাথে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে।

লবণাক্ত পানি চুইয়ে আসায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি প্রাণবৈচিত্র্য। তাই তৃণমূলের আর্থসামাজিক উন্নয়ন টেকসইকরণে ঘেরে আউট ড্রেন নির্মাণের বিকল্প নেই।’

‘উপকূলীয় অঞ্চলে ঘেরে আউট ড্রেনের প্রভাব অনুসন্ধান’ শীর্ষক এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি আয়োজিত এক সংলাপে এই গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।

সংলাপে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিসুর রহিমের সভাপতিত্বে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফ্রিল্যান্স গবেষক তানজির কচি।

গবেষণার ফলাফলে আরও বলা হয়, উপকূলীয় এলাকায় ঘেরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চিংড়ি চাষ শুরুর পর থেকে নদীর লবণ পানি উত্তোলনের জন্য প্রাথমিকভাবে আউট ড্রেন করা হতো। কিন্তু ঘেরের সংখ্যা বেশি ও আয়তনে দিন দিন ছোট হওয়ার কারণে আউট ড্রেনের সংখ্যা দিন দিন কমছে। সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার মতো অন্যান্য উপজেলায়ও আউট ড্রেন না রেখেই ঘেরের আওতা সম্প্রসারিত হয়েছে। এতে গ্রামীণ সড়ক অল্প দিনেই ধসে ঘেরের মধ্যে পড়ছে। আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে নদীর বেড়িবাঁধ। পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় জলাবদ্ধ হয়ে পড়ছে গ্রামের পর গ্রাম। জলাবদ্ধতার কারণে কৃষি জমিতে ফসল উৎপাদন করা যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে মানুষের কাঁচা বাড়িঘর ধসে পড়ছে। এছাড়াও ঘেরের পানি পরিবর্তনের প্রয়োজনে হলে বিপাকে পড়তে হচ্ছে ঘের মালিকদের।

এক্ষেত্রে ঘের অধ্যুষিত এলাকায় বহুমাত্রিক ব্যবহারের কারণে আউট ড্রেনের গুরুত্ব অপরিসীম। যা একই সাথে উপকূলীয় এলাকার নদীর বেড়িবাঁধ ও গ্রামীণ সড়কের সুরক্ষা, পানি নিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, ঘেরের পানি পরিবর্তনে সহায়ক, কৃষি জমি রক্ষা, রাস্তার ধোয়ানি রোধসহ নানামুখী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম।
গবেষণায় সর্বত্র ঘেরে আউট ড্রেন বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, মৎস্য অধিদপ্তর ও কৃষি অধিদপ্তরের সমন্বয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ সম্পর্কিত নীতিমালা প্রণয়ন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, বিনাশর্তে উপকূলীয় ঘের অধ্যুষিত জেলাগুলোতে পূর্বের ন্যায় ৪০ দিনের কর্মসূচি তথা অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি প্রবর্তন, ঘেরে আউট ড্রেন বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি সম্পৃক্তকরণ, নদীর বেড়িবাঁধ বা গ্রামীণ সড়ক ঘেরের বেড়ি হিসেবে ব্যবহার করলে শুধু লাইসেন্সই বাতিল নয়, জেল জরিমানার বিধান প্রয়োগ,  ঘেরে আউট ড্রেন বাস্তবায়নে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য এর উপকারী দিকসমূহ তুলে ধরে নিয়মিত প্রচার প্রচারণার উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

সংলাপে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন, শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, জাসদ নেতা ওবায়দুস সুলতান বাবলু, সিপিবি নেতা আবুল হোসেন, নাগরিক নেতা শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, গণফোরাম নেতা আলী নুর খান বাবুল, বাংলাদেশ জাসদের নেতা এম ইদ্রিস আলী, উদীচীর সিদ্দিকুর রহমান, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী পার্থ সারথী পাল, ইউপি সদস্য ও ঘের মালিক শাসমুর রহমান, মৎস্য চাষী মশিউর রহমান, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সংগঠক হাবিবুল হাসান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রাম ডাক্তারদের নিয়ে স্কয়ার সাইন্টিফিক সেমিনার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার পৌরসভার গ্রাম ডাক্তারদের নিয়ে স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালের সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় সাতক্ষীরা খুলনা রোড মোড়ে গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সাতক্ষীরা পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন চেম্বারে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি ডাঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার দেওয়ান আরিফুর রহমান,

এরিয়া ম্যানেজার ফজলে রাব্বী, জেলার গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক গ্রাম ডাঃ আব্দুল গফফার, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আশরাফ হোসেন বাবু, অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব গ্রাম ডাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন,

দপ্তর সম্পাদক অপূর্ব মজুমদার, সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক গ্রাম ডাঃ আবুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক অনির্বাণ সরকার, পৌরসভার সভাপতি রেজাউল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ শামীমা সুলতানাসহ সেমিনারে পৌরসভার ৩৫ জন ডাক্তার অংশগ্রহণ করেন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest