সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশাবাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদসাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণসাতক্ষীরায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের উদ্যোগে সমন্বয় সভা

সাতক্ষীরায় প্রায় ১ শ বছরের দখলীয় সংখ্যালঘু সম্পত্তি দখল চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদরের হাবাসপুরে প্রায় ১ শ বছরের দখলীয় সংখ্যালঘু সম্পত্তি দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এঘটনায় পরিত্রাণ চেয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার হাবাসপুর মৌজায় খতিয়ান নং এসএ ২১, হাল ১৯৫, ১৭, দাগ নং- ৩১২, ৩১৪, ৩১৩ জমির পরিমান ৫১ শতকের মধ্যে ৪৫ শতক সম্পত্তি দীর্ঘ প্রায় ১শ বছর ধরে আশাশুনির কুলতিয়া গ্রামের মৃত. কালিপদেরপুত্র জগবন্ধু ঘোষসহ অন্যান্য শরিকরা শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন।

কিন্তু সম্প্রতি আশাশুনি উপজেলার গুনাকরকাটি গ্রামের মৃত মোছেল উদ্দীন সানার পুত্র জিয়াউর রহমানগং উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের চক্রান্ত শুরু করে। একপর্যায়ে গত ৪ জুলাই ২২তারিখে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে কুল্যা গ্রামের মৃত গোলাম সরদারের পুত্র ওজিয়ার সরদার, ওজিয়ার সরদারের পুত্র রবিউল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, গুনাকরকাটি গ্রামের মোসেল উদ্দীন, হাবাসপুর গ্রামের মৃত মিয়ারাজ আলীর পুত্র আব্দুল হান্নান,

নজরুল ইসলাম, আ: রহিম, ভালুকাচাঁদপুর গ্রামের মৃত কলিম উদ্দীন সরদারের পুত্র আব্দুল মুজিদ, আব্দুল আজিত, জোড়দিয়া গ্রামের আব্দুল গফুরসহ দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করে। এতে বাধা দেওয়ায় আমাকে, আমার ভাইপো সঞ্জয়, ভাই অরবিন্দু ঘোষ, দীনবন্ধু ঘোষ,

অশোক কুমার ঘোষকে মারপিটের হুমকির ধামকি প্রদর্শন করে। এঘটনায় ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু জগবন্ধু ঘোষ গং এর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছেন।
১শ বছরের দখলীয় সম্পত্তি রক্ষা এবং নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি গঠন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শাখার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

৪ জুলাই ২২ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মো: আহছানুল কাদির(স্বপন) স্বাক্ষরিত এক পত্রে মো: আবু সাঈদ কে আহবায়ক এবং বি এম রাশেদ কে সদস্য সচিব করে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে হত্যার ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারকে বিভিন্ন হুমকি: হত্যা মামলা গ্রহণের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি : শ্যামনগরে প্রতিপক্ষের মারপিটে হত্যার ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হওয়ায় ভুক্তভোগীর পরিবারকে বিভিন্ন হুমকি প্রতিবাদে এবং হত্যা মামলা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তরে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভেটখালী গ্রামের অর্জুন কুমার মন্ডলের ছেলে শান্তি মন্ডল। তিনি বলেন আমাদের ভিটাবাড়ির সম্পত্তি নিয়ে একই এলাকার মৃত পরেশ কয়ালের পুত্র দেবেন্দ্র নাথ কয়াল গং এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২২ তারিখ সন্ধ্যায় আমাদের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তায় মাটি ফেলার সময় দেবেন্দ্র নাথ কয়াল,

তার দুই পুত্র স্বপন কয়াল, তপন কয়াল, মৃত জগন্নাথ কয়ালের পুত্র তেজেন্দ্র নাথ কয়াল ও সুখদেব মন্ডলসহ কতিপয় ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার উপর হামলা করে। এসময় অর্জুন মন্ডল, কাকা উপেন মন্ডল এবং বড় ভাই রবীন্দ্র নাথ মন্ডলকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই আমার বড় ভাইয়ের মৃত্যু হয়।

এঘটনায় অর্জুন কুমার শ্যামনগর থানায় হত্যা মামলা দায়েরের চেষ্টা করলে দেবেন্দ্র নাথ কয়াল এবং তার সহযোগীরা আমার পিতার কাছ থেকে কাগজপত্র নিয়ে ছিড়ে ফেলে মারপিট করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

পরে আমার পিতার স্বাক্ষর নকল করে তড়িঘড়ি করে একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করে। ওই মামলার কপিতে আমার বড় ভাই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ আমার বড় ভাই সুস্থ ছিলেন। শুধুমাত্র আমার ভাইকে হত্যার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে গভীর চক্রান্ত করে দেবেন্দ্র নাথ কয়াল গং অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করিয়েছে। এছাড়া উল্টো আদালতে আমাকেসহ আমার কাকা এবং কাকাতো ভাইকে বিবাদী করে মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করে হয়রানি করে যাচ্ছে।

দেবেন্দ্র গংয়ের দায়েরকৃত মামলার আসামী আমার দুই কাকাতো ভাই ভবেশ মন্ডল সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ছাত্র। সে কলেজ হোস্টেলে থাকে এবং রমেশ মন্ডল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তারা কলেজে থেকেও দেবেন্দ্র কয়ালের মিথ্যা মামলার আসামী হয়েছে। আমাদের সহযোগিতা করায় প্রতিবেশী সুলতান গাজীর বিরুদ্ধেও মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে তারা। এছাড়া হত্যার ঘটনার ৪মাস অতিবাহিত হলেও পোস্টমর্টেম রিপোর্ট যাতে না আসে সেকারণে টাকা দিয়ে চাপিয়ে রেখেছিল বলে প্রচার দেয় দেবেন্দ্র কয়াল। তিনি আরো বলেন আমি বিষয়টি নিয়ে আদালতের শ্বরনাপন্ন হওয়ার চেষ্টা করলে দেবেন্দ্র নাথ প্রচার দিচ্ছে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে হত্যা মামলা থেকে রেহায় পেয়েছি।

তোর বড়ভাইয়ের মত তোকেও হত্যা করে অপমৃত্যু বলে চালিয়ে দেবো। মামলা দায়ের করলে পরিবারসহ উচ্ছেদ করা হবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। এঘটনায় আমার পিতা গত ৯ এপ্রিল ২২ তারিখে শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। যার নং- ৬২৭। হত্যা করা হলো আমার বড় ভাইকে আবার আমাদের আসামী করেই উল্টো মিথ্যা মামলা দায়ের করল দেবেন্দ্র কয়াল গং। বর্তমানে তাদের হুমকিতে আমার পরিবারসহ দিশেহারা হয়ে পড়েছি। তিনি বড় ভাই হত্যাকারী দেবেন্দ্র কয়ালের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জুবলি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ক্ষতিগ্রস্তের চেষ্টাকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা শহরের মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় জুবলি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ক্ষতিগ্রস্তের চেষ্টাকারী শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের ৩৫ জন অভিভাবক।
রোববার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল গণির কাছে এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তারা।

জানা গেছে, সম্প্রতি একটি তুচ্ছ বিষয়টিকে পুজিঁ করে প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম মডেল জুবলি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি শিক্ষার পরিবেশ নষ্টের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল। এর প্রেক্ষিতে মুনজিতপুর এলাকার জনৈক শারমিন আক্তার বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল গনি রোববার বিদ্যালয়ের তদন্তে আসেন। এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বিদ্যালয়ের অন্যান্য অভিভাবকবৃন্দ।

এছাড়া বর্তমান বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্টের ষড়যন্ত্রকারী শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন অভিভাবকবৃন্দ।

এবিষয়ে সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল গণি বলেন, শারমিন আক্তারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে গিয়েছিলাম। কিন্তু তার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। আর বিদ্যালয়টির শিক্ষা মান নিয়ে আমারও সন্তুষ্ট। সুতরাং বিদ্যালয়টি যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সে বিষয়টি আমরা দেখছি। প্রকৃতপক্ষে অভিভাবকদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝির কারনে এঘটনা ঘটেছে। আশা করি দ্রুত সমাধান হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষক হত্যা- লাঞ্চিতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং শাস্তির দাবিতে বাকশিসের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাভারে কলেজ শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারের হত্যাকারী এবং নড়াইলের অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের লাঞ্চিত করার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে।

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস) সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে রবিবার বেলা ১১ টায় জেলা প্রেসক্লাবের সামনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখারর সভাপতি অধ্যক্ষ এনামুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্মসম্পাদক সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান,

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ কামরুল ইসলাম সেলিম, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ এ.আর.এম মোবাশে^রুল হক, অধ্যক্ষ আবু সাঈদ, অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র সাধু,

উপধ্যাক্ষ ময়নুল হাসান, অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ পাড়, অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, অমিত চক্রবর্তী, প্রভাষক বাসু দেব সিংহ প্রমূখ।
বক্তারা এ সময় কলেজ শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারের হত্যাকারী এবং অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসসহ দেশব্যাপী শিক্ষক লাঞ্ছিতকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টামূলক শাস্তির জোর দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির প্রতাপনগরে প্রধান সড়কে আবারও ভাঙ্গন
বি এম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে যোগাযোগের প্রধান সড়কে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। বাঁধ/সড়ক রক্ষা করতে না পারলে প্রতাপনগরের সাথে উপজেলা-জেলাসহস সকল এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
বিগত ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড় আম্পান ও ইয়াসে ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে ওয়াপদার বেড়ী বাঁধ ভেঙ্গে গেলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সামান্য উত্তরে প্রধান সড়কে কালভার্ট ভেসে গেলে এলাকার সকল রাস্তাবাড়িঘর, প্রতিষ্ঠান ও মৎস্যঘের,
জমির ফসল ভেসে যায়। জোয়ার ভাটায় রাস্তার বিশাল এলাকা জুড়ে ভেঙ্গে গিয়ে নদীতে পরিণত হয়। বাধ্য হয়ে নৌকায় খেয়া পারাপারের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা রক্ষার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে সেখানে বাঁধ দিয়ে যোগাযোগ পুনস্থাপন করা হয়েছিল।
কিন্তু সেখানে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহন না করায় সম্প্রতি বাঁধ/রাস্তায় ফাটল ধরে। ক্রমে ক্রমে রাস্তার দু’পাশে ভাঙ্গন শুরু হলে রাস্তা সংকীর্ণ ও ভেসে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়।
বর্তমানে দু’চাকার যানবাহন চলাচল করতে পারলেও ৩ বা ৪ চাকার যানবাহন চলাচল করতে পাারছেনা।
বিষয়টি নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু দাউদ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে তাৎক্ষণিক ভাবে সহায়তা ও নির্মান কাজের বরাদ্দ না থাকায় চেয়ারম্যান নিজ অর্থে কাজ শুরু করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ বলেন, প্রথমে বালি ফেলে রক্ষার চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। পরে দু’পাশে পাইলিং দিয়ে ভিতরে বালুর বস্তা ফেলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পরে উপরে শক্তমাটি বালি ও উটের সোলিং করে সড়ক ব্যবহারে উপযুক্ত করা হবে বলে তিনি জানান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বহুল প্রতীক্ষিত শ্যামনগরের নওয়াবেঁকি ফেরিঘাটের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :

উৎসব মুখর পরিবেশে উদ্বোধন করা হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেঁকি ফেরিঘাট।

রবিবার সকাল ১১ টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ ফেরিঘাটের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার।

সড়ক জনপদ সাতক্ষীরা নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলন, সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক তানজিল্লুর রহমান, সড়ক জনপদ খুলনার (ফেরি বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী আজম শেখ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস,

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আখতার হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ, শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর কবির, ভাইস চেয়ারম্যান সাইদ উজ জামান প্রমুখ।

পাঁচ কোটি টাকা ব্যয় এ ফেরিঘাটের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এরমধ্যে মূল ফেরি ঘটে আড়াই কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এবং পদ্মপুকুর ইউনিয়নের পারে রাস্তার কাজের জন্য আড়াই কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দীন জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এক সময়ে অসুস্থ্য মানুষ নৌকায় পার হতে গিয়ে মারা গেছেন। অনেক গভবর্তী মায়েরা নৌকায় সন্তান প্রসব করেছেন। পদ্মপুকুর ও গাবুরা ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি দুর করতে এ ফেরির ব্যবস্থা করেছে সরকার।
২০১৩ সালে এখানেই জামায়াত বিএনপির দুর্বৃত্তরা জননেত্রী শেখ হাসিনার কবর রচনা করেছিল । আজ জননেত্রী শেখ হাসিনা সেখানেই ফেরিঘাট উদ্বোধন করে তাদের কবর রচনা করলেন।

উন্নয়নের সরকার আওয়ামীলীগ সরকার। সম্প্রতি পদ্মাসেতুর উদ্বোধন করে জননেত্রী শেখ হাসিনা সেটি প্রমান করেছেন। আজ শ্যামনগর উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা গাবুরা,পদ্মপুকুরের মানুষের যাতায়াতের জন্য এখানে ফেরি উদ্বোধন করা হয়েছে।

এখানে ফেরি উদ্বোধন হওয়ায় পদ্মপুকুর, গাবুরা, আশাশুনির প্রতাপনগর সহ খুলনা জেলার কয়রাসহ খুলনা জেলার মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন হবে। ফলে পাল্টে যাবে এ অঞ্চলের অর্থনীতি এবং মানুষের জীবন যাত্রার মান। মানুষের সময় ও অর্থ দুটোই বাঁচবে। থাকবে নিরাপত্তা। বক্তারা এই সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে ফেরির সুষ্ঠু ব্যবহার করতে জনসাধারনের প্রতি উদ্যাত্ত আহ্বান জানান। আলোচনাসভা শেষে ফিতা কেটে ফেরির উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। এছাড়া সর্বপ্রথম টোল দিয়ে গাড়ী পার করে পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিদর্শন করে অতিথিবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহর ইউনিয়ন কৃষকলীগের ৭টি ওয়ার্ডের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সদর উপজেলার ৮নং ধুলিহর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আয়োজনে ৭টি ওয়ার্ডের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল বিকালে কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধুলিহর ইউনিয়ন কৃষকলীগের ১,৩, ৪, ৫, ৬,৭ ও ৯নং ওয়ার্ডের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, ৮নং ধুলিহর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক এস এম রবিউল ইসলাম।
প্রধান অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি সাংবাদিক স ম তাজমিনুর রহমান টুটুল।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু রায়হান, জেলা কমিটির ঋণ বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

সম্মেলনে ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি মঙ্গল সানা, সাধারণ সম্পাদক অজিত সরকার, ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি বিষ্টুপদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক হরষিত সরকার, ৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি অনন্ত সরকার, সাধারণ সম্পাদক নগেন মন্ডল, ৭নং ওয়ার্ডের সভাপতি ইউনুচ আলী, সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়ারুল ইসলাম, ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি সাজ্জাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল বারি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, ৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আক্তারুল ইসলাম ও সাদ্দাম হোসেন কে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest