সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠন

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আল জাজিরার সাংবাদিকের মৃত্যু

বিদেশের খবর: ইসরায়েলের দখলকৃত পশ্চিম তীরে দেশটির বাহিনীর গুলিতে শিরিন আবু আকলেহ নামের আল জাজিরার এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই মন্ত্রণালয় ও আল জাজিরার সাংবাদিকরা জানান, বুধবার পশ্চিম তীরের জেনিন শহরের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর তল্লাশির খবর সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন শিরিন। ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

আল জাজিরার সাংবাদিক নিদা ইব্রাহিম জানান, শিরিনের মৃত্যুর সময়কার পরিস্থিতি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে ঘটনার ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন।

ফিলিস্তিনের রামাল্লা শহর থেকে নিদা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা জানতে পেরেছি, ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাকে মৃত ঘোষণা করেছে। জেনিনের ঘটনাগুলো বিশেষত দখলকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে জেনিনে ইসরায়েলি বাহিনীর তল্লাশির খবর সংগ্রহ করছিলেন শিরিন আবু আকলেহ। ওই সময় গুলি এসে তার মাথায় লাগে।’

কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিদা আরও বলেন, খুবই প্রশংসিত একজন সাংবাদিক ছিলেন শিরিন। ২০০০ সালে ফিলিস্তিনে দ্বিতীয় ইন্তিফাদা শুরুর সময় থেকে তিনি আল জাজিরার সঙ্গে যুক্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোজ্য তেলের বাজারে হাহাকার, অথচ গুদামে লাখ লাখ লিটার

দেশের খবর: সম্প্রতি ভোজ্যতেল সয়াবিনের দাম লিটারে ৩৮ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এরপরও নিত্যপণ্যটির সংকট কাটছে না বাজারে। একটি চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ভোজ্যতেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এজন্য দেশের নানা এলাকায় গুদামে অভিযান চালাচ্ছে ভোক্তা অধিকার অধিদফতর। সেখান থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে লাখ লাখ লিটার তেল।

মঙ্গলবার (১০ মে) রাজশাহী, চট্টগ্রাম, পাবনা, কুষ্টিয়া, বরিশাল, সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযানে প্রায় পৌনে দুই লাখ লিটার ভোজ্যতেল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে কয়েক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদফতর।

রাজশাহীতে গুদামে ৯৪ হাজার লিটার ভোজ্যতেল: রাজশাহীতে ২০ হাজার লিটার ভোজ্যতেল উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই আরও ৯৪ হাজার লিটার ভোজ্যতেলের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। জেলার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারের কয়েকটি গুদাম ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এসব জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (১০ মে) বিকেলে শুরু হওয়া অভিযান রাত পর্যন্ত চলছে বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই এলাকার চারটি গুদাম থেকে ৯৩ হাজার ৬১৬ লিটার ভোজ্য তেল জব্দ করেছে পুলিশ।

রাজশাহী জেলা পুলিশ ও পুঠিয়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম।

কুষ্টিয়ায় গোডাউনে মিলল ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন: কুষ্টিয়ায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানে শহরের একটি গোডাউনে মজুদ পাওয়া গেছে ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল।

মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল থেকে দিনব্যাপী জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয় এ অভিযান চালায়। এ সময় সোয়াবিন তেল মজুদ করে রাখা ও বেশি দামে বিক্রির অপরাধে তিন দোকানিকে জরিমানা করা হয়।

অধিদফতরের কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডলের নেতৃত্বে শহরের বড় বাজার ও পৌর বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল সাংবাদিকদের জানান, বড় বাজার এলাকায় মেসার্স ফুড প্রোডাক্টস নামের একটি গোডাউনে ৪০ হাজার লিটার সোয়াবিন তেলের মজুদ পাওয়া যায়। বিপুল পরিমাণ এই তেল ক্রেতা সাধারণের কাছে বিক্রি না করে মজুদ করে রাখা হয়েছিল।

এ সময় তেল বিক্রি না করে মজুদ করে রাখার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর শহরের পৌর বাজারে বোতলের মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে সোয়াবিন তেল বিক্রয় করার অপরাধে মা স্টোরকে এক হাজার টাকা এবং বোতলের তেল ঢেলে তা অধিক মূল্যে বিক্রয় করার অপরাধে সবুজ সাথী স্টোরকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পাবনায় ১৮ হাজার লিটার তেল জব্দ: পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ১৮ হাজার লিটার সোয়াবিন তেল জব্দ করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

মঙ্গলবার (১০ মে) বেলা ১১টার দিকে শহরের নূরমহল্লা মাতৃমন্দিরের সামনে শ্যামল স্টোর থেকে এসব তেল জব্দ করা হয়।

মজুদকৃত তেলের মধ্যে রয়েছে ১০ হাজার লিটার খোলা (লুজ) ভোজ্য সোয়াবিন তেল, এক হাজার ২৪৪ লিটার বোতলজাত তেল ও সাত হাজার লিটার সরিষার রয়েছে। তেলগুলো বেশি দামের আশায় প্রায় একমাস আগে দোকানের গোডাউনে মজুদ করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে পাবনা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক জহিুরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমার দোকানের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে এসব তেল জব্ধ করা হয়েছে। অবৈধভাবে তেল মজুদ করায় দোকানের মালিক মালিক শ্যামল দত্ত পালকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি মজুদ করা সমুদয় সয়াবিন তেল দ্রুত ন্যায্য মূল্যে বিক্রির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সয়াবিন তেল মজুদ, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সয়াবিন তেল মজুদ, উচ্চ মূল্য নেওয়া, সয়াবিনের সঙ্গে অন্য পণ্য ক্রয় করতে বাধ্য করার অভিযোগে তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। এ সময় মজুদ করা প্রায় এক হাজার লিটার সয়াবিন তেল নায্যমূল্যে খোলাবাজে বিক্রি করা হয়।

মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার পাচলিয়া বাজারে এই অভিযান চালানো হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সয়াবিন তেল মজুদ রাখা হয়েছে এমন অভিযোগে মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পাচলিয়া বাজারের সততা স্টোরে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় মজুদ করা অবস্থায় প্রায় ৫ হাজার লিটার খোলা সয়াবিন তেল ও প্রায় ১ হাজার লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যায়। এসময় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ও খোলা বাজারে জব্দ করা সয়াবিন তেল বিক্রি করা হয়। একই বাজারের সাহা স্টোর ও সিয়াম স্টোরে সয়াবিন তেল মজুদ ও তেলের সঙ্গে অন্যান্য পণ্য কিনতে বাধ্য করার অভিযোগে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সয়াবিনকাণ্ডে তিন বিক্রেতাকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা: রাজশাহীতে পৃথক অভিযোগে তিন বিক্রেতাকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। নগরীতে সয়াবিন বিক্রিতে মূল্য কারসাজি ও অবৈধভাবে মজুদের অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়।

মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের এ জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হাসান আল মারুফ এসব অভিযান পরিচালনা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসান আল মারুফ বলেন, সকালে নগরীর বোয়ালিয়া ও রাজপাড়া থানাধীন এলাকার দোকানগুলোতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে নগরীর সাহেব বাজার এলাকায় বোতলজাত সয়াবিন তেল মজুদ রেখেও বিক্রি না করায় মেসার্স হুমায়ুন স্টোরকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করায় একই এলাকার মেসার্স পাপ্পু অ্যান্ড ব্রাদার্সকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করায় বহরমপুর মোড় এলাকার মেসার্স নুরুন্নবি ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করেন। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

বরিশালে অভিযানে ১৬৫ টাকায় তেল বিক্রি: বরিশালে ভোজ্য তেলের বোতলের গায়ে লেখা পূর্বের রেটে সয়াবিন তেল বিক্রি করতে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

মঙ্গলবার (১০ মে) বেলা ১২টায় নগরীর সাগরদী বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের বাজার মনিটরিং টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান পরিচালনাকারী জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. শাহ শোয়াইব মিয়া বলেন, সাগরদী বাজারে সয়াবিন তেলের বোতলের গায়ে ১৬৫ টাকা লেখা থাকলেও তা ২০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সাগরদী বাজারের কবির স্টোরে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু বোতল সয়াবিন তেল পাওয়া যায়। দোকানের মালিক মো. কবির হোসেন ওই তেল ২০০ টাকা দরে বিক্রি করছিল। অথচ ওইসব তেলের বোতলের গায়ে পূর্বের ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা লিটার দর লেখা ছিল।

পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর তাৎক্ষণিক পূর্বের দরে তেল বিক্রি করতে বাধ্য করে দোকানিকে। পূর্বের দামে তেল কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা। আর এই ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানান শাহ শোয়াইব মিয়া।

অভিযান পরিচালনাকারী জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. শাহ শোয়াইব মিয়া বলেন, অভিযান চলাকালে বেশকিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়। উপস্থিত নাগরিকদের মাঝে ভোক্তা অধিকার আইন সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করা হয়। এছাড়াও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

মানিকগঞ্জে তেল বিক্রয়ে কারসাজি, ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা: মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় সয়াবিন তেলের অধিক মুনাফার কারণে বোতল খুলে খোলাবাজারে বিক্রি করার দায়ে অসাধু ৫ ব্যবসায়ীকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন জেলার ভোক্তা অধিকার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

মঙ্গলবার (১০ মে) দুপুরে ঘিওর বাজারে জোলার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক অবৈধ ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘিওর বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীরা সয়াবিন তেল বোতল খুলে বেশি টাকার লোভে খোলাবাজারে বিক্রয় করে আসছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে, ফারুক অ্যান্ড সন্স স্টোরে কোন বোতলজাত তেল না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির গুদামে অভিযান চালানো হয়। সেখানে দুই ও পাঁচ লিটারের শত শত খোলা বোতল দেখতে পায়। প্রতিষ্ঠানটির মালিকে অভিযান কারি দল খোলা বোতলের কথা জিজ্ঞাসাবাদ করলে বলেন, বোতলের তেল ঢেলে খোলা তেল হিসেবে বিক্রিয় করলে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলে ১৫ থেকে ২০ টাকা লাভে বিক্রয় করতে পারি। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর একই অপরাধের দায়ে বাজারের হানিফ স্টোরকে ২ হাজার টাকা, অসীম স্টোরকে ৩ হাজার টাকা, সাহা ব্রাদার্সক স্টোরকে ৫ হাজার টাকা, এবং সুমন স্টোরকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, বাজারে সয়াবিন তেলে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করতে এবং তেলে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। তিনি বলেন, অতিরিক্ত দামে নিত্যপ্রয়োজণীয় পণ্য বিক্রি যাতে না করে এবং পণ্যের মূল্যতালিকা প্রদর্শন করতে বাজারের ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনে লকডাউন: বেকায়দায় আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো

বিদেশের খবর: চীনে চলমান ‘শূন্য কোভিড’ নীতির কারণে বিপাকে পড়েছে দেশটিতে থাকা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো। দেশটিতে করোনা পরিস্থিতির কারণে লকডাউন চলায় সেখানে ব্যবসা চালানো বড় বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো বড় ব্যবসায়ীক ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চীনের সাংহাইসহ বেশ কয়েকটি বড় শহরে কয়েক সপ্তাহ ধরে লকডাউন চলছে। এতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যাপক সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। এমনিতেই রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের কারণে ক্ষতির শিকার হওয়া কোম্পানিগুলো নিজেদের লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর সঙ্গে চীনের করোনা পরিস্থিতি তাদের বড় ধরনের সংকটে ফেলেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ৩১টি শহরে পূর্ণ বা সীমিত পরিসরের লকডাউন চলছে। এতে ছোট তো বটেই বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও ভয়াবহ সংকটের মধ্যে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্কিনকেয়ার খাতের বহুজাতিক কোম্পানি এসটি লডার (ইএল) এরই মধ্যে নিজেদের পূর্বঘোষিত আয়-প্রাক্কলনে কলম দাগাতে বাধ্য হয়েছে। তারা জানিয়েছে, চলতি বছর যে আয় হবে বলে তারা ভেবেছিল, উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে তেমনটি তারা করতে পারবে না। আগে চলতি বছরে ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ১৩ থেকে ১৬ শতাংশ হবে বলে তারা জানালেও নতুন প্রাক্কলনে এ প্রবৃদ্ধি ৭ থেকে ৯ শতাংশ হবে বলে তারা জানিয়েছে।

চীন বৈশ্বিক বাজারের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বর্তমান পরিস্থিতি বলে দিচ্ছে। এ বিষয়ে ব্যবসায়িক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চায়না মার্কেট রিসার্চ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বেন ক্যাভেন্ডার সিএনএনকে বলেন, ‘পছন্দ করুন, আর না করুন, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান হলে আপনাকে মানতেই হবে যে, চীন বিশ্বের বৃহত্তম বাজার। আর এটিই সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎপাদন ক্ষেত্রও। আপনার পণ্যের সরবরাহ চেইনের একটি বড় অংশই এই দেশটির নিয়ন্ত্রণে।’

চীনের সাংহাইয়ে লকডাউন চলছে ছয় সপ্তাহ ধরে। ফলে কোটি মানুষ এখন আক্ষরিক অর্থেই ঘরবন্দী হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রেই বিশেষ অনুমতি না মিললে ঘর থেকে বের হতে পারছে না সাংহাইবাসী। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ব্যবসার ওপর। অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজারে পরিণত হলেও এর ব্যবসাকেন্দ্রগুলো এখন নীরব বলা যায়। গত এক মাসে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই দেশের অর্থনীতিতে বড় মন্দা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে ভোক্তাদের ব্যয় শুধু নয় কর্মসংস্থানও সংকুচিত হয়েছে।

কিছু কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তো এতটাই সংকটে পড়েছে যে, তারা এমনকি পূর্বাভাস দেওয়ার পর্যায়েও নেই। সিএনএনের তথ্যমতে, গত সপ্তাহে স্টারবাকস আগামী ছয় মাসের জন্য তাদের যাবতীয় অর্থনৈতিক নির্দেশনা রদ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাওয়ার্ড শুলজ বলেছেন, ‘এই সময়ে এটিই একমাত্র দায়িত্বশীল অবস্থান। চীনের পরিস্থিতি অভাবনীয়। চলতি বছর দেশটিতে আমাদের ব্যবসা পরিস্থিতি কেমন হবে, তা আগে থেকে অনুমানের কোনো ক্ষমতাই আমাদের নেই।’

একই কথা জানিয়েছে বিখ্যাত ব্র্যান্ড গুচি ও বোটেগা ভেনেটাও। তারাও বলছে, চীনে তাদের প্রতিষ্ঠানে ব্যবসা সম্পর্কে আগে থেকে অনুমানের কোনো সুযোগ নেই। এখন শুধু অপেক্ষা করা যেতে পারে।

চীনকে কারখানা হিসেবে ব্যবহার করা বৈশ্বিক কোম্পানিগুলোও বড় সংকটের মধ্যে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্যযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যেসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের উৎপাদন কারখানা চীনের বাইরে সরিয়ে নিয়েছিল, তারা এখন কিছুটা স্বস্তির শ্বাস ফেলছে। যদিও ছোট-বড় সব প্রতিষ্ঠানই কম-বেশি চীনের কোভিড নীতির কারণে বিপাকে রয়েছে। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল এরই মধ্যে জানিয়েছে, তারা বড় ধরনের লোকসানে পড়তে পারে। কারণ হিসেবে তারা চীনের কোভিড-নীতির কথাই বলেছে। চলতি প্রান্তিকে শুধু সরবরাহ চেইনে হওয়া সংকটের কারণেই তাদের ৪০০ থেকে ৮০০ কোটি মার্কিন ডলারের লোকসান হতে পারে।

গত মাসে একই রকম বার্তা এসেছিল আরেক প্রযুক্তি মুঘল মাইক্রোসফটের কাছ থেকে। তারা জানিয়েছিল, চীনে উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় তাদের সারফেস ল্যাপটপ ও এক্সবক্স কনসোলের সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে, যা চলতি প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির আয়ে বড় প্রভাব ফেলবে। শুধু মাইক্রোসফট নয়, বিশ্বের সেরা কম্পিউটার ব্র্যান্ডগুলোর কারখানা বলতে হবে চীনকে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই এখন সংকটে রয়েছে। বাজে অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও। সম্প্রতি ফক্সওয়াগন ও টয়োটার উৎপাদন কয়েক সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা অন্তত এর সাক্ষ্যই বহন করছে।

টুইটার কেনার মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসা ইলন মাস্কের কোম্পানি টেসলাও যাচ্ছে একই বাস্তবতার মধ্য দিয়ে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স গত সপ্তাহে জানায়, টানা কয়েক সপ্তাহ বন্ধ রাখার পর চীনে নিজেদের কারখানা আবার চালু করে টেসলা। কিন্তু দেশটিতে চলা লকডাউন ও প্রয়োজনীয় কাঁচামালের সরবরাহ সংকটের কারণে তা আবার বন্ধ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে টেসলার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

চীন সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু একই সঙ্গে তারা শূন্য কোভিড-নীতিতে অটল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গতিপথ বদলেছে ঘূর্ণিঝড় অশনি, অন্ধ্রপ্রদেশে রেড অ্যালার্ট

বিদেশের খবর: গতিপথ পরিবর্তন করেছে ঘূর্ণিঝড় অশনি। আর এরপরই ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উড়িষ্যা বা পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে নয় বরং অশনি ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে। ইতোমধ্যেই সেখানে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। বুধবার (১১ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

ভারতের আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় অশনি ইতোমধ্যেই বেশ কিছুটা শক্তি হারিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে পূর্ব উপকূল বরাবর এগোচ্ছে এবং তা অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া উপকূল স্পর্শ করে করে ফের পূর্ব দিকেই অগ্রসর হবে। বিশাখাপত্তনমের সাইক্লোন ওয়ার্নিং ডিরেক্টর জানিয়েছেন, কাকিনাড়া ও বিশাখাপত্তনমের মাঝ বরাবর সমুদ্রপথে অগ্রসর হবে অশনি।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশে রেড অ্যালার্ট বা লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হলেও গত ছয় ঘণ্টায় তা গতিপথ পরিবর্তন করে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমানে ঘণ্টায় ১২ কিলোমিটার বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড়টি। অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া উপকূলের খুব কাছ থেকে বয়ে যাবে ঘূর্ণিঝড়টি।

সংবাদমাধ্যম বলছে, বুধবার সকাল থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ বদলে উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং কাকিনাড়া উপকূল স্পর্শ করার পর তা বিশাখাপত্তনম উপকূল বরাবর উত্তর-পূর্ব অভিমুখে অগ্রসর হতে থাকবে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কাকিনাড়া, গণগাভরম ও ভীমুনিপত্তনম বন্দর এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া বিশাখাপত্তনম, পূর্ব গোদাবরী, কৃষ্ণা ও গুন্টুর জেলার মতো অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এই অঞ্চলগুলোতে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও ক্ষয়ক্ষতির সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। এছাড়া কাঁচা বসতবাড়ি, কাঁচা রাস্তা, কৃষি জমিও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

এর পাশাপাশি অতি ভারী বৃষ্টির কারণে পানি জমতে পারে এমন জায়গাগুলো এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে ইতোমধ্যেই বিশাখাপত্তনম বন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রায় ৩০টি বিমান বাতিল করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সরকার যেন ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি’

রাজনীতির খবর: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, সাধারণ মানুষের জন্য সরকারের কোনো দরদ নেই।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে পার্টির কো-চেয়ারম্যানদের সাথে ঈদপরবর্তী এক সভায় গোলাম মোহাম্মদ কাদের এ কথা বলেন।

গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে। ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতেই সরকার বুঝে না বুঝে সমর্থন দিচ্ছে। কৃত্রিম সংকট মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়েছে সংশ্লিষ্টরা। মন্ত্রীর বক্তব্যে মনে হচ্ছে সরকার যেন ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। গেলো সপ্তাহে বাজারে সয়াবিন তেল ছিল না। কিন্তু এখন বিভিন্ন গুদাম থেকে শত শত বোতল সয়াবিন তেল উদ্ধার হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার জ্বালানি তেল, জ্বালানি গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এ কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়ে গেছে অনেক। মানুষ সংসার চালাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। মানুষের জীবনে স্বস্তি নেই, শান্তি নেই। সাধারণ মানুষ এমন অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চায়।

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরও বলেন, সীমাহীন কষ্টে দিনাতিপাত করছে দেশের সাধারণ মানুষ। করোনার কারণে অনেকেই কাজ হারিয়েছে। আবার প্রতিদিন বেকারের সংখ্যা বেড়েই চলছে। তার ওপর প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে। খেটে খাওয়া মানুষ অবর্ণনীয় কষ্টে আছে, দেখার যেন কেউ নেই। দেশের মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতার কথা বিবেচনা করে রেশনিং সিস্টেম চালু করতে সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি। সরকার টিসিবির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে চাচ্ছে। টিসিবির মাধ্যমে এমন বাস্তবতা মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না। ওয়ার্ডভিত্তিক রেশনকার্ড চালুর মাধ্যমে মানুষকে স্বস্তি দিতে হবে।

এ সময় বক্তৃতা করেন জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সালমা ইসলাম এমপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’র প্রভাবে সারাদেশে সোমবার (৯ মে) থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি আগামী তিনদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ মেঘলা রয়েছে। মঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। তবে বেলা ৩টার পর থেকে মেঘের আনাগোনা বেড়ে যায়। সাড়ে তিনটার দিকে চারপাশ অন্ধকার হয়ে যেন সন্ধ্যা নামে রাজধানীতে। এরপরই শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি।

সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশেই বৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি ২০৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় অশনির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী (২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (৮৯ মিলিমিটার বা এর বেশি) বর্ষণ হতে পারে।

অন্যদিকে আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর- ১৩) ঘূর্ণিঝড় অশনির বিষয়ে জানানো হয়, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ২০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ১৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীলঙ্কা সংকট: সেনাবাহিনী ও পুলিশকে জরুরি ক্ষমতা ন্যস্ত

বিদেশের খবর: শ্রীলঙ্কায় সামরিক বাহিনী ও পুলিশের হাতে জরুরি ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয়েছে। এই ক্ষমতার ফলে তারা যেকোনো লোককে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করতে পারবে। সোমবার সহিংসতায় সাতজন নিহত ও অন্তত ২০০ লোক আহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সহিংসতার কারণে প্রধানমন্ত্রী মহিন্দা রাজপাকসে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। তবে তার পদত্যাগেও সহিংসতা বন্ধ হয়নি। ক্ষুব্ধ জনতা তাঁরসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে। বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী হেনস্তার শিকারও হয়েছেন। বিক্ষোভকারী প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজপাকসের পদত্যাগ দাবি করছে।

ত্রিঙ্কোমালির নৌঘাঁটিতে আশ্রয় নিয়েছেন রাজাপাকসে!

শ্রীলঙ্কার বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী মহিন্দা রাজাপাকসে প্রাণ বাঁচাতে ত্রিঙ্কোমালির নৌঘাঁটিতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার ভোররাতে ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে তাকে রক্ষা করতে তার বাসভবন থেকে সরিয়ে নেয় সেনাবাহিনী। তবে বাণিজ্যিক রাজধানী কলম্বোতে নতুন করে সহিংসতা না হলেও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

পদত্যাগী এই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে কয়েক হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালানোর পর আজ মঙ্গলবার সকালে সেখান থেকে তাঁকে সরিয়ে নেওয়া হয়। আলজাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

একজন শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘ভোর রাতে হামলার ওই ঘটনার পর সেনাবাহিনী সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গেছে।’ বাসভবনে কমপক্ষে ১০টি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

গতকাল সোমবার পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন মাহিন্দ রাজাপাকসে। এরপর পরিস্থিতি শান্ত না হয়ে আরও অশান্ত হয়েছে। সহিংসতায় কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ক্ষুব্ধ জনতা মহিন্দা রাজাপাকসের সরকারি বাড়ির প্রধান ফটক ভাঙতে চাইলে ভেতর থেকে গুলি ছোড়া হয়। এতে তারা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে পার্ক করে রাখা একটি ট্রাকে আগুন দেয়। তবে তারা রাজাপাকসের পৈতৃক বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে।

রাজাপাকসের পৈতৃক বাড়িতে আগুন

বিক্ষোভকারীরা কেবল মহিন্দা রাজাপাকসের সরকারি বাড়িতে হামলা চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, তারা দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট গোতবায়া রাজাপাকসে এবং সদ্য প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া মাহিন্দা রাজাপাকসের পৈতৃক বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে। কোনো কোনো প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বিক্ষোভকারীরা সোমবার শাসকদলের আরও এক এমপি এবং এক সাবেক মন্ত্রীর বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। এছাড়া শাসকদলের এমপি সনৎ নিশান্তের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মারফত প্রকাশ্যে আসা ভিডিওতে মাউন্ট লাফিনিয়ায় দেশের সাবেক মন্ত্রী জনসন ফার্নান্ডোর বাড়ি জ্বলতে দেখা গেছে।

গণরোষে নিহত শ্রীলঙ্কার শাসক দলের এমপি

সোমবার বিকেলে মাহিন্দা রাজাপাকসের ইস্তফার পর তার সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন অমরকীর্তি আতুকোহালা। বিক্ষোভকারীদের হটাতে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘণ্টাখানেক পরেই তার লাশ পাওয়া যায় বিক্ষোভস্থল থেকে।

উল্লেখ্য, নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে গত মাসে দেশটি বিক্ষোভ শুরু হয়। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সঙ্কট, জ্বালানির দুষ্প্রাপ্যতায় নাজেহাল জনতা মাঠে নেমে আসে। সরকার জরুরি অবস্থা জারি, কারফিউ জারি করেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি।

থমথমে কলম্বো

সোমবারে ঘটনার পর থেকেই থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে রাজধানী কলম্বোতে। ওই দিন কারফিউ উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমেছিল হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। দোকান, বাড়ি, সরকারি কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। হামলা চালানো হয় সরকারপক্ষের এমপি ও নেতাদের বাড়িতে।

এদিকে বিক্ষোভকারী ও শ্রীলঙ্কার ধর্মীয় নেতারা রাজাপাকসের পরিবারের সমর্থকদের বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালানোর জন্য উসকানি দেওয়ার জন্য দোষারোপ করেন। তারা বলেন, ওই হামলার জন্যই প্রতিশোধমূলক হামলার জন্ম নিয়েছে।

বাড়িতে আগুন ও গুলি

সোমবার দিনভর বিক্ষোভের পর রাত গভীর হতে থাকলে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা সরকার সমর্থক এবং সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালাতে শুরু করেন।

শ্রীলঙ্কার পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা কলম্বোর উপকণ্ঠে একজন সরকার দলীয় এমপি অমরাকীর্তি আথুকোরালার গাড়িতে হামলা চালালে তিনি দুজনকে গুলি করেন। এতে একজন মারা যান। এরপর সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা তাকে ঘিরে ধরেন। পরে নিজের পিস্তল দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই সংসদ সদস্য। রাত বাড়ার সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজাপাকসের বাড়িতে, বিভিন্ন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

মন্ত্রী সানাৎ নিশান্তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এর মধ্যে হাম্বানটোটায় রাজাপাকসের পরিবারের নিজস্ব একটি বাড়ি যা একটি বিতর্কিত জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়েছিল, সেটিও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাড়িগুলো ঘিরে আগুনের লেলিহান শিখা ঘিরে মানুষজন উল্লাস করছে। প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের চারপাশের এলাকাতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কলম্বোজুড়ে উত্তেজনা চলছে। দেশটির বিমানবন্দরে যাওয়া ও আসার সড়কগুলোতে লাঠি এবং রড নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে ওই রাস্তাগুলোতে পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর যেমন উপস্থিতি দেখা যায়, এখন তা দেখা যাচ্ছে না।

১৯৪৮ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পর সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট পার করছে শ্রীলঙ্কা। জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ ব্যাপক ক্ষুব্ধ। সরকার জরুরি আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য কোভিডকে দায়ী করেছে সরকার। মহামারিতে দেশটির পর্যটন বাণিজ্য যা শ্রীলঙ্কার অন্যতম বৃহৎ বৈদেশিক আয়ের উৎস, তা প্রায় ধসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বিশ্লেষকেরা মনে করেন, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনাই এর অন্যতম কারণ। সূত্র : আলজাজিরা, বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা সিএন্ডএফ’র ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে ৯ জনের মনোনয়ন জমা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (সিএন্ডএফ) কার্যনির্বাহী কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে ১০ মে মনোয়ন পত্র জমা দানের শেষ দিনে ৯টি পদের বিপরীতে ৯ জন মনোয়ন জমা দিয়েছেন। এর আগে গত ৯ মে (সোমবার) ৯টি পদের বিপরীতে ১৮ টি মনোয়ন বিক্রি হয়।

মঙ্গলবার

নির্ধারিত সময়ের ভিতরে উক্ত ১৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৯টি পদের বিপরীতে মোট ৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তফশীল অনুযায়ি ১৫ মে চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার কথা এবং ২৬ মে ভোট গ্রহনের তারিখ ছিল।

তবে, আগামী ২৬ মে নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করা হলেও যেহেতু ৯ টি পদের বিপরীতে ৯ জন মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন সেহেতু কারো মনোনয়ন বাতিল না হলে এই নয় জনই বেসরকারী নির্বাচিত হবেন বলে জানিয়েছেন ভোমরা স্থলবন্দর কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার আশরাফুর রহমান।

বেসরকারীভাবে যারা নির্বাচিত হবেন তারা হলেন, সভাপতি পদে আলহাজ্ব কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু, সহ-সভাপতি পদে শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক পদে এ.এস.এম মাকছুদ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে জি.এম আমির হামজা, সাংগঠনিক, বন্দর, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে দীপংকর ঘোষ, কাস্টম্স ও দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক পদে আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক পদে মোঃ আবু মুছা, সদস্য পদে যথাক্রমে আশরাফুজ্জামান আশু ও শাহানুর ইসলাম শাহিন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নির্বাচন কমিশনার আশরাফুর রহমান, সদস্য সচিব জালাল উদ্দীন আকবর ও সদস্য এস.এম আব্দুস সালাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই নয়টি পদের জমাকৃত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest