সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপির সাথে জিপির সাক্ষাত

 

সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনিযুক্ত জিপি সরকার জামিনী কান্ত। শুক্রবার বাদ জুম্মা এমপির নিজস্ব বাসভবনে উপস্থিত হয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন,বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগ নেতা সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মোঃ আকবর আলী, জিপি সহকারী ও শিবপুর ইউনিয়ন তাঁতীলীগের আহবায়ক নেতা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। সাক্ষাতকালে ডা. রুহুল হক এমপি বলেন, নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় সব সব সময় সচেষ্ট থাকতে হবে। নবনিযুক্ত জিপি সরকার জামিনী কান্ত নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালনের প্রতিশ্র“তি ব্যক্ত করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলে গেলেন স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী রঙ্গলাল দেব চৌধুরী

বিনোদনের খবর: না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রঙ্গলাল দেব চৌধুরী। কানাডার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় টরন্টোর সেইন্ট মাইকেল হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
মুক্তিযুদ্ধের শব্দসৈনিক ছিলেন শিল্পী রঙ্গলাল দেব। তার মৃত্যুর খবর ছড়ালে টরন্টোর বাংলা কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। টরন্টোর শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মীরা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে শিল্পীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন এবং তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
টরন্টো ফিল্ম ফোরাম, টরন্টো থিয়েটার ফকস স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রঙ্গলাল দেব চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
জালালাবাদ এসোসিয়েশন অফ টরন্টোর সভাপতি দেবব্রত দে তমাল এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শিল্পী রঙ্গলাল দেবের মৃত্যুতে শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। দেবব্রত দে তমাল বলেন, ‘গত সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্ব সিলেট সম্মেলনে তাকে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মানিত করা হয়। এবং এটাই তার জীবিত অবস্থায় শেষ সম্মাননা। আমরা জালালাবাদ এসোসিয়েশন অফ টরন্টো তাকে সম্মান দিতে পেরে খুবই গর্বিত।’
রঙ্গলাল দেব চৌধুরী ১৯৩৬ সালের ৭ জুলাই মৌলভীজারের শ্রীমঙ্গলে জন্মগ্রহন করেন। খ্যাতিমান সঙ্গীত শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদের আহ্বানে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি সঙ্গীত জীবনে যাত্রা শুরু করেন। সঙ্গীতের সাধনায় মনোযোগী হলেও স্বাধিকার আন্দোলন তার মনকে উতলা করে তোলে। দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে তিনি বাঙালির প্রাণের আকাঙ্ক্ষাকে ছড়িয়ে দিতে শুরু করেন।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে যোগ দেন। দেশাত্মবোধক এবং জনউদ্দীপনামূলক গান গেয়ে তিনি মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতাকামী জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
শিল্পী রঙ্গলাল খ্যাতিমান সুরকার হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রথম ঢাকা ও চট্টগ্রামে বেতারে সঙ্গীত লাইব্রেরি প্রথা তার হাত দিয়েই শুরু হয়। তার লেখা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের পেছনের কথা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি মূল্যবান দলিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার ইছামতিতে স্ব স্ব জলসীমানার মধ্যে থেকে দু-বাংলার মিলন মেলা

 

আসাদুজ্জামান : হিন্দু সম্প্রদয়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজার শুক্রবার ছিল শেষ দিন। এবারও বিজয়া দশমীতে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সীমান্ত নদী ইছামতিতে স্ব স্ব জলসীমানার মধ্যে থেকে প্রতিমা বিসর্জন দিতে হয়েছে। এর ফলে তেমন জাক-জমক পূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি শত বছরের ঐতিহ্যবাহী দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলা। সকাল থেকে ইছামতি নদীর দু’পারে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হলেও স্ব স্ব জলসীমার মধ্যে নৌকা ভাসানোর কারনে দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলায় কিছুটা হলেও ভাটা পড়ে। আর এর ফলে অনেকটা হতাশ হয়ে ফিরে যান দু’বাংলার মানুষ।
তবে, এবারের এ প্রতিমা বিসর্জনের মিলন মেলায় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক এস.এম, মোস্তফা কামাল, পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজ আল আসাদ, দেবজাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
সাতক্ষীরা শহর থেকে ইছামতির পাড়ে দু’বাংলার মিলন মেলায় অংশ নিতে উপস্থিত হওয়া কালিদাস কর্মকার জানান, বিজয়া দশমীতে এপার বাংলা-ওপার বাংলার মানুষ কিছুটা সময়ের জন্য একাকার হয়ে যেত। কিন্তু গত ৪/৫ বছর ধরে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বিজয়া দশমীর আনন্দ উৎসব থেকে আমাদের বঞ্চিত করা হয়। যার যার জলসীমানায় বিজয়া দশমীর আনন্দ উৎসব করতে দেয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দেবহাটা সীমান্তের ওপারে ভারতের টাকি বিএসএফ ক্যাম্প ও এপারের বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্তে কড়া নজরদারি করছে।
কিন্তু এবারও দুই বাংলার সীমান্ত জুড়ে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হলেও তারা মিলন মেলার উৎসবে মেতে সেভাবে উঠতে পারেনি। দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করায় ইছামতি নদীতে নৌকা, লঞ্চ নিয়ে স্ব স্ব জলসীমার মধ্যে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠতে হয়েছে।
স্ব-স্ব দেশের সীমানার মধ্য থেকেই আনন্দ উৎসব পালন করতে হয়েছে। অনেকেই নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এ ব্যাপারে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজ আল আসাদ জানান, সীমান্ত নদী ইছামতিতে স্ব স্ব জলসীমানার মধ্যে থেকে প্রতিমা বিসর্জন দিলেও দুই বাংলার মানুষ স্বতঃস্ফুর্তভাবে মিলন মেলার আনন্দ উপভোগ করেছেন। তিনি আরো জানান, এর আগে গত ১৪ অক্টোবর উভয় দেশের সীমান্ত এলাকায় সীমান্তবর্তী জনসাধারনের অবাধে গমণাগমন, বিচরনসহ যে কোন প্রকার অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনা রোধ কল্পে কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে এই পতাকা বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠক থেকে সিদ্ধা›ত নেয়া হয়, শারদীয় দূর্গাপূজা বিসর্জনের দিন উভয় দেশই সীমান্ত নদী ইছামতিতে নিজেদের সীমানায় দূর্গা বিসর্জন দেবেন। নৌকা বা ট্রলার নিযে কেউ কোন সীমান্ত অতিক্রম করবেননা। নদী মাঝ বরাবার লাল ফিতা টানানো অবস্থান কেউ অতিক্রম করতে পারবেননা। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের অনুমতি নিয়ে ইছামতি নদীতে নামতে হবে। বিকেল ৫ টার পর কেউ নৌকা ও ট্রলার নিয়ে আর নদীতে থাকতে পারবেননা ।
উলে¬খ্য ঃ অবিভক্ত বাংলার এককালের ইছামতি নদী কালের প্রবাহে আজ দুইটি দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে। দেশ বিভাগের পর ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী বয়সের ভারে নুহ্য যারা এখনও জীবিত আছেন, তারা আজ জীবন সায়াহ্নে এসেও মাতৃভূমির মাটি একবারের মত স্পর্শ করার জন্য এই দিনটির অপেক্ষা করে থাকেন। বিজয়া দশমীতে ইছামতি নদীতে এসে তাই তারা সে সাধ পূর্ন করার চেষ্টা করে থাকেন। বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাতক্ষীরা সীমান্তের ইছামতি নদীর আর্ন্তজাতিক সীমানা মুছে দু’বাংলার মানুষ কিছুক্ষণের জন্য একাকার হয়ে যান। দ’ুদেশের মানুষের আবেগ আর উচ্ছাসের কাছে হার মানে সীমান্তের বেড়াজাল। ভারতের কলকাতা থেকে জাহাজ ভাড়া করে মানুষ আসত এই মিলনমেলায়। দুপুরের সাথে সাথে নদী গর্ভে ভরে যেত দুই পারের নৌকা, ট্রলার, কার্গো, লঞ্চ এবং জাহাজে। কেউ আসত স্বপরিবারে, আবার কেউ আসত বন্ধুদের নিয়ে এই মিলন মেলা উপভোগ করার জন্য। প্রতিমা বিসর্জন কালে সীমান্তের ইছামতি নদীতে ভারতের টাকী ও বাংলাদেশের টাউন শ্রীপুর এলাকা পরিণত হতো দুই বাংলার মানুষের এক মিলন মেলায়। তবে গত ৪/৫ বছর ধরে এটির ব্যতিক্রম হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তি পেয়েছে ‘দেবী’ ও ‘নায়ক’

বিনোদনের খবর: হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘দেবী’ অবলম্বনে নির্মিত সিনেমার মধ্য দিয়ে মিসির আলী প্রথমবার বড় পর্দায় আসলো।
আজ শুক্রবার সারাদেশের মোট ২৯ প্রেক্ষাগৃহে অনম বিশ্বাস পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। এরমধ্যে রাজধানী ঢাকার ৭টি ও ঢাকার বাইরে ২২টি প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি দেখা যাবে সিনেমাটি। ঢাকায়- ‘স্টার সিনেপ্লেক্স’, ‘ব্লকবাস্টার’, ‘বলাকা’, ‘শ্যামলী’, ‘মধুমিতা’, ‘চিত্রামহল’ ও ‘পুনম’ প্রেক্ষাগৃহে চলছে ‘দেবী’।
এছাড়াও ঢাকার বাইরে সান্তাহারের ‘পূর্বাশা’, কুমিল্লার ‘গ্যারিসন’, নারায়ণগঞ্জের ‘নিউ মেট্রো’, টঙ্গীর ‘চম্পাকলি, জয়দেবপুরের ‘বর্ষা’, সাভারের ‘সেনা’, চট্টগ্রামের ‘আলমাস’ ও ‘সিলভার স্ক্রিন’, বরিশালের ‘অভিরুচি’, সিলেটের ‘নন্দিতা’, খুলনার ‘লিবার্টি, যশোরের ‘মনিহার’, খুলনার ‘শঙ্খ’, দিনাজপুরের ‘মডার্ন’, রংপুরের ‘শাপলা’, পাবনার ‘রূপকথা’, কিশোরগঞ্জের ‘মানসী’, বগুড়ার ‘সোনিয়া’ ও ‘মম ইন’, ময়মনসিংহের ‘ছায়াবানী, নেত্রকোনার ‘হীরামন’ এবং শেরপুরের ‘সত্যবতী’তে মুক্তি পেয়েছে।
‘দেবী’ সিনেমায় মিসির আলী চরিত্রে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। এছাড়া রানু চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান ও নীলু হয়েছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ২০১৫-১৬ সালের সরকারি অনুদান ও অভিনেত্রী জয়া আহসানের ‘সি তে সিনেমা’র প্রযোজনায় ‘দেবী’ নির্মিত হয়েছে। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন অনিমেষ আইচ ও ইরেশ যাকের।
আজ আরও মুক্তি পেয়েছে বাপ্পি ও অধরা খান জুটির ‘নায়ক’ ছবিটি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন যুগল নির্মাতা ইস্পাহানী আরিফ জাহান। ঢাকার অভিসার, সনি, জোনাকি, সৈনিক ক্লাব, এশিয়া, পূরবী, বিজিবি, মুক্তি, যমুনা ব্লক বাস্টারসহ ৭১টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে নায়ক।
এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর মাত্র একটি সিনেমা হলে মুক্তি পায় ‘নায়ক’ ছবিটি। এর ঠিক দুই সপ্তাহ পর ১২ অক্টোবর প্রযোজকের পক্ষ থেকে বড় পরিসরে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দিলে ‘মেঘকন্যা’ ছবির প্রযোজকের করা মামলায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ছবিটির মুক্তি আটকে যায়। সব ধরনের জটিলতা শেষে অবশেষ মুক্তি পেল ছবিটি।
‘নায়ক’ ছবির গল্প প্রসঙ্গে ইস্পাহানি বলেন, ‘এ ছবিতে একটি সুন্দর গল্প আছে। গল্পটা আমাদের চারপাশ থেকে নেওয়া, দর্শকরা যে ধরনের গল্প দেখতে চান। বর্তমান সময়ের দর্শকের কথা মাথায় রেখেই ছবিটি নির্মাণ করেছি। ’
ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন মৌসুমী, অমিত হাসান, আমান রেজা, নুসরাত জাহান পাপিয়াসহ অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌম্যের সেঞ্চুরিতে প্রস্তুতি ম্যাচে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে

খেলার খবর: অফফর্মের কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে জায়গা হয়নি সৌম্য সরকার। তিনিই প্রস্তুতি ম্যাচে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হাঁকালেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের হার না মানা ১০২ রানের ইনিংসে ভর করে সফরকারি জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেট আর ৬৬ বল হাতে রেখে হারিয়েছে বিসিবি একাদশ।

সৌম্য সরকারের চোখ ধাঁধানো ইনিংসটি ছিল ১১৪ বলের। ১০২ রানের ইনিংস তিনি সাজিয়েছেন ১৩টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কায়। ৪৮ বলে ৩৩ রান করে মোসাদ্দেক হোসেন স্বেচ্ছা অবসরে যান।

এর আগে, বিসিবি একাদশের পক্ষে বল হাতে ইনিংসের সূচনা করেছিলেন এবাদত হোসেন চৌধুরী ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন। এদের দুজনের বিধ্বংসী বোলিংয়ে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। মাঝে তাদের বিশ্রাম দেন অধিনায়ক, জুটি গড়ে ফেলে সফরকারীরা। শেষে আবার আক্রমণে আসেন এবাদত ও সাইফ। আবারো এ দুজনের তোপে দিশেহারা হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

সাভারের বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা পরিষদের (বিকেএসপি) তিন নাম্বার মাঠে চলমান প্রস্তুতি ম্যাচে সফরকারী জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং প্রস্তুতিটা পুরোপুরি ভেস্তে দিয়েছেন মূলত এবাদত এবং সাইফউদ্দীনই। এ দুজনের বোলিং তোপে মাত্র ১৭৮ রানেই অলআউট হয়েছে জিম্বাবুয়ে, তাদের ইনিংসে বাকি ছিলো আরও ২৮টি বল।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ক্রেইগ আরভিনকে উইকেটের পেছনে ক্যাচে পরিণত করেন এবাদত হোসেন চৌধুরী, আউট হওয়ার আগে আরভিন করেন ১ রান।

পরের ওভারের শেষ বলে জিম্বাবুইয়ানদের অন্যতম ভরসার পাত্র ব্রেন্ডন টেলরকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন। তার ব্যাট থেকে আসে ৬ রান। তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও শন উইলিয়ামস। তখনই আবার আঘাত হানেন এবাদত। ফিরিয়ে দেন উইলিয়ামসকে।

নিজের প্রথম স্পেলে এবাদত হোসেন চৌধুরীর বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৫-২-৭-২! এবাদতকে আক্রমণ থেকে সরিয়ে নেয়ার পরে উইকেট নেয়ার খাতায় নাম লেখান মোহর শেখ অন্তর ও ইমরান আলী। দলীয় ২৮ রানে সিকান্দার রাজাকে ফেরান মোহর, ৪৭ রানের মাথায় ইমরানের শিকারে পরিণত হন পিটার মুর।

মাত্র ১৬ ওভারেই ৪৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসা জিম্বাবুয়ের ইনিংসের হাল ধরেন অধিনায়ক মাসাকাদজা এবং সাবেক অধিনায়ক এল্টন চিগুম্বুরা। দুজন মিলে ২৮ ওভারে গড়েন ১২৪ রানের জুটি। ভদ্রস্থ করেন দলের সংগ্রহটা। ঠিক তখনই দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে আসেন এবাদত ও সাইফউদ্দীন।

৪৪তম ওভারের শেষ বলে চিগুম্বুরাকে সরাসরি বোল্ড করার মাধ্যমে জুটি ভাঙেন সাইফ। হাফসেঞ্চুরি থেকে মাত্র তিন রান দূরে থাকতে ফেরেন চিগুম্বুরা। তিনি ফিরে গেলেও উইকেটে টিকে থেকে সেঞ্চুরি তুলে নেন মাসাকাদজা।

শুরুতে রয়ে সয়ে খেলা মাসাকাদজা নিজের ফিফটি করেন ৯১ বল খেলে। ফিফটি পরেই শুরু করেন মেরে খেলা। দ্বিতীয় পঞ্চাশ করতে নেন আর মাত্র ৪৩টি বল। সব মিলিয়ে ১৩৪ বলে ১৪ চার ও ১ ছক্কার মারে সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। তবে সেঞ্চুরির পর আর তাকে বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে দেননি এবাদত।

ইনিংসের ৪৫তম ওভারে চার বলের মধ্যে তিন উইকেট নেন এবাদত। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০২ রান করে ফেরেন মাসাকাদজা। তার উইকেট দিয়েই এবাদত পূরণ করেন নিজের পাঁচ উইকেট। ৪৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ডোনাল্ড তিরিপানোকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসে সিলমোহর বসিয়ে দেন সাইফ।

নয় ওভারের স্পেলে তিন মেইডেনের সাহায্যে মাত্র ১৯ রান খরচায় ৫টি উইকেট নেন এবাদত। ৭.২ ওভার বোলিং করে ৩২ রান খরচায় তিনটি উইকেট নেন সাইফ। এছাড়া মোহর শেখ ও ইমরান আলী নেন ১টি করে উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের বিশাল ব্যবধানে জয়

খেলার খবর: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে জিততে না পারার আক্ষেপ থাকলেও দ্বিতীয় টেস্টে বিশাল ব্যবধানে জিতেছে পাকিস্তান। আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে পাকিস্তান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩৭৩ রানে জয় তুলে নেয়।
টসে জিতে ব্যাট ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান দল প্রথম ইনিংসে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে তুলে ২৮২ রান। এদিন ফখর জামান ও পাকিস্তান অধিনায়ক সেঞ্চুরি থেকে ৬ রান দূরে থেকে আউট হলেও দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নাথান লিয়ন সর্বোচ্চ ৪ টি উইকেট পায়।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ছিল যাচ্ছেতাই। সবকয়টি উইকেট হারিয়ে দলটি কোনমতে ১৪৫ রান সংগ্রহ করে। সর্বোচ্চ ৩৯ রান করে অ্যারন ফিঞ্জ।
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস অল্প রানে গুটিয়ে দিতে সাহায্য করে পাক বোলার মোহাম্মদ আব্বাস ও বিলাল আসিফ। মোহাম্মদ আব্বাস দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৫ টি উইকেট শিকার করে নেয়। অন্যদিকে বিলাল নেয় ৩টি উইকেট।
১৩৭ রান লিড নিয়ে থাকা পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসও ছিল দুর্দান্ত। দলটি দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪০০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা দেয়। ৫৩৭ রানের বিশাল লিড দেয় অস্ট্রেলিয়াকে।
পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন বাবর আজম। আজম ব্যক্তিগত ৯৯ রান করে আউট হয়ে যান। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও দারুণ খেলেন ফখর জামান ও অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। দ্বিতীয় ইনিংসে ফখর জামান খেলে ৬৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। অন্যদিকে সরফরাজ খেলেন ৮১ রানের ইনিংস। আজহার আলিও এদিন ৬৪ রান তুলে হাস্যকরভাবে রান আউট হয়ে যান।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসও সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেয় নাথান লিয়ন।
৫৩৭ রানের জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নামা অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা মোটেই ভাল ছিল না। দলীয় ১০ রানের মাথায় দলটি প্রথম উইকেটের পতন ঘটে। দলটি প্রথম ইনিংসের মত দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানি বোলারদের মুখে দাঁড়াতে পারেনি। ১৬৪ রানেই দলটির সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ফেলে।
প্রথম ইনিংসের মত দ্বিতীয় ইনিংসেও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে ধস নামায় মোহাম্মদ আব্বাস। মোহাম্মদ আব্বাস দ্বিতীয় ইনিংসেও ৫টি উইকেট তুলে নেয়। ৩ টি উইকেট শিকার করে ইয়াসির শাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫, দাবি আদায়ে শাহবাগে চলবে কর্মসূচি

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে আবারো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন চাকরিপ্রার্থী ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শনিবার থেকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ অক্টোবর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে সকাল ১১টায় পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে উপস্থিত হয়। কিন্তু শারদীয় দুর্গা উৎসবের কারণে শাহবাগ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোন কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না বলে জানায় পুলিশ। এতে করে শনিবার থেকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
এদিকে শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে এসে আন্দোলনটির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন গোপালগঞ্জের শেখ রাজু আহমেদ (সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি, খুলনা পলিটেকনিক ইনিস্টিউট)। এরপর শারমিন সুলতানা সালমা, (সাবেক সহসভাপতি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ) বর্তমানে ৬নং ওয়ার্ড মুগদা থানার সাধারণ সম্পাদক মহিলা আওয়ামী লীগ এই দাবির সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেন।
চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন, অনেকেই বলেন বর্তমানে দেশে সেশনজট নেই, কিন্তু পূর্ববর্তী সেশনজটের শিকার এই ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া সেই বছরগুলো ফেরত চান। আন্দোলনটি ২০১২ সাল থেকে চলছে। কিন্তু একাধিকবার বিভিন্ন মহল থেকে বয়স বাড়ার কথা বলা হলেও তা এখনো বাস্তবতার মুখ দেখেনি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর সুপারিশ করে। কিন্তু ৪০তম বিসিএস পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগে সেটি বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে অশুভ তৎপরতা রুখে দিন: রাষ্ট্রপতি

দেশের খবর: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী অশুভ শক্তি বারবার দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেছে। ষড়যন্ত্র এখনও চলছে।
তিনি বলেন, দেশ আজ উন্নতি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে অশুভ তৎপরতাকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিতভাবে রুখে দিতে হবে। এ দুর্গাপূজায় এটিই আমাদের সবার অঙ্গীকার হওয়া উচিত।
শুক্রবার শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যের জন্য বঙ্গভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপ্রতি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এ উৎসব উদযাপন করে। পারিবারিক ও সামাজিক এ উৎসবের মাধ্যমে গড়ে ওঠে সৌহার্দের সেতুবন্ধ। এই ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব সব ধর্মের মানুষের মধ্যে ঐক্যের বন্ধন তৈরি করে। তাই এ উৎসব সর্বজনীন।

আবদুল হামিদ বলেন, অসুর শক্তি পরাস্তের মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে দুর্গাপূজার মর্মবাণী। অশুভ অসুর শক্তি আজও বিরাজমান। কালের বিবর্তনে এর রূপ হচ্ছে ভিন্ন থেকে ভিন্নতর।
তিনি বলেন, আমরা এখন স্বাধীন দেশের নাগরিক। ৪৭ বছর আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জাতি স্বাধীনতা লাভ করলেও আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের স্বাধীনতা এখনও পুরোপুরি অর্জন করতে পারিনি।
‘মানবতাকে ধর্মের মর্মবাণী’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের পাশাপাশি মানবতার কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাঙালির চিরকালীন ঐতিহ্য। সম্মিলিতভাবে এ ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিতে হবে আমাদের সামাগ্রিক অগ্রযাত্রায়।

অনুষ্ঠানে আবদুল হামিদ ও তার স্ত্রী রাশিদা খানম অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলাসহ বিভিন্ন পূজা কমিটির নেতা এবং বিশিষ্ট হিন্দু ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: ইউএনবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest