সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ভারতে দুই ট্রেনের চাপায় নিহত ৫০

ভারতের রেল লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে উৎসব দেখার সময়ে দুটি ট্রেনের নিচে চাপা পড়ে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন। ভারতের সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে শুক্রবার সন্ধ্যায় পাঞ্জাবের অমৃতসরের চৌরি বাজার এলাকায় দশেরার রাবণ পোড়ানো উৎসব দেখার সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ভারতের বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে

ওই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সেখানকার সংসদ সদস্য ও রাজ্যের মন্ত্রী নভোজিৎ সিধুর স্ত্রী নভোজিৎ কাউর সিধু।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রেল লাইনের পাশে দশেরার রাবণের কুশপুতুল পোড়ানো হচ্ছিল। সেই উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন কয়েকশ মানুষ। পুতুল পোড়ানোর সময়ে ছিটকে আসা  আগুন থেকে বাঁচতে দর্শকদের একাংশ রেল লাইনের ওপরে উঠে আসে। আর তখনই ওই লাইন ধরে দ্রুত গতির ট্রেন চলে আসলে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, বিপরীত দিক থেকে আলাদা লাইনে দুটি ট্রেন এক সঙ্গে চলে আসায় কোনও দিকেই দর্শকেরা সরতে পারেনি। একারণেই প্রাণহানির ঘটনা বেড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে ঘটনাস্থলে প্রায় সাতশো মানুষ ছিলেন। অন্তত ৬০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, ট্রেন আসার বিষয়ে কোনও সতর্কতা দেওয়া হয়নি। এজন্য প্রশাসনকে দায়ী করেন তিনি। ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘এটা প্রশাসন এবং দশেরা কমিটির দায়। তাদেরই নিশ্চিত করা উচিত ছিলো হয় ট্রেন থেমে থাকবে, না হয় আস্তে যাবে’।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংহ বলেছেন, উদ্ধার ত্রাণ তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করে তিনি অমৃতসরের দিকে রওনা দিয়েছেন। সরকারি বেসরকারি সব হাসপাতাল খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘নিহতদের পরিবার প্রতি পাঁচ লাখ রুপি দেবে তার সরকার। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন আহতরা’। সম্ভাব্য সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কোথাও জুয়া বা অশ্লীল নৃত্য চললে সংশ্লিষ্ট অফিসারকে কৈফিয়ত দিতে হবে — জেলা প্রশাসক

মোস্তাফিজুর রহমান : সাতক্ষীরা জেলার কোথাও জুয়া বা অশ্লীল নৃত্য চললে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে কৈফিয়ত দিতে হবে। পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমানকে সাথে নিয়ে সাতক্ষীরায় সকল অন্যায় এবং অপকর্মকে প্রতিহত করার চেষ্টা করবো। সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিবাদ সাতক্ষীরার বুক থেকে চিরতরে মুছে দেওয়ার সকল প্রচেষ্টা আমাদের তরফ থেকে থাকবে। তিনি আরও বলেন নৌকাবাইচ প্রতিযোগীতা গ্রাম বাংলার একটি পুরানো ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। এ ঐতিহ্যকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামীতে এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগীতা সকল প্রকার সহযোগীতা করা হবে। শুক্রবার বিকালে আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের মহিষাডাঙ্গা নদীতে অনুষ্ঠিত নৌকাবাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলি বলেন জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল। তিনি আরও বলেন সনাতন ধর্মালম্বীদের সব চেয়ে বড় উৎসব শারদীয়া দূর্গোৎসব উপলক্ষে যে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে আগামীতেও এ নিরাপত্তা অব্যহত থাকবে। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সমগ্র সাতক্ষীরাবাসীকে কঠোর নিরাপত্তা দিয়ে যাবে পুলিশ। কোথাও কোন বিশৃঙ্খলা হলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে সেটা। যে কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পুলিশ আপনাদের নিরাপত্তা দিয়ে যাবে। সাবেক জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারি পুলিশ সুপার (সার্বিক) শেখ ইয়াছিন আলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফ্ফারা তাসনীন, আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি মাওঃ জিএম মুজিবুর রহমান, রিপোর্টার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারন সম্পাদক আকাশ হোসেন, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সভাপতি নীলকন্ঠ সোম, সাধারন সম্পাদক রনজিৎ বৈদ্য, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দিপংকর কুমার সরকার, ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন আঙ্গুর প্রমুখ। মনোমুগ্ধকর নৌকাবাইচ প্রতিযোগীতায় ষষ্ঠগ্রাম নৌকাবাইচ দল, সোনাবাধাল কালিমাতা নৌকাবাইচ দল, চরগ্রাম পঙ্খিরাজ নৌকাবাইচ দল, সোনাবাধাল নবদূর্গা নৌকাবাইচ দল, কুলপোতা জয়মাকালি নৌকাবাইচ দল ও কুলপোতা রকেট নৌকাবাইচ দল অংশ গ্রহন করেন। প্রতিযোগীতায় সোনাবাধাল কালিমাতা নৌকাবাইচ দল ১ম স্থান, চরগ্রাম নৌকাবাইচ দল ২য় স্থান এবং সোনাবাধাল নৌকাবাইচ দল ৩য় স্থান অধিকার করে। এছাড়া অংশ গ্রহনকারী ষষ্ট গ্রাম ও কুলপোতা এর রকেট নৌকা দলকে শান্তনা পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সাবেক জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রভাষক হিরোলাল বিশ্বাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝাউডাঙ্গায় ড. ইবাইস আমান ও ড. গোপাল চন্দ্র সরদারকে সংবর্ধনা

জি.এম আবুল হোসাইন : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গায় ড. ইবাইস আমান ও ড. গোপাল চন্দ্র সরদারকে পি.এইচ.ডি ডিগ্রী অর্জন করায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। পঙ্কজ সাহিত্য মজলিস, ঝাউডাঙ্গার আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, তালা সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ ও পঙ্কজ সাহিত্য মজলিসের সভাপতি প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যশোর এম.এম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন, মাধবকাটি সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম, নিধুবন কৃষ্ণ ঘোষ, বাংলাদেশ বেতারের নাট্যকার ও কবি ডা. মো. সামছুজ্জামান, মাধবকাটি সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জি.এম আবুল হোসাইন, পঙ্কজ সাহিত্য মজলিসের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রভাষক বদরুজ্জামান হাছান, যুগ্ন সম্পাদক ডা. ফজলুল কবির, বোয়ালিয়া মুক্তিযোদ্ধা কলেজের সহকারি অধ্যাপক নাসরিন সুলতানা, ঝাউডাঙ্গা কলেজের প্রভাষক মো. শহিদুল ইসলাম, হাতেখড়ির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক কাজী শাহিন, তরুন কবি আরিফ ইমান, মাগফুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে —- আসাদুজ্জামান বাবু

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : মহান বিজয়াদশমী উপলক্ষ্যে গোপীনাথপুরে আলোচনাসভা ও অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বিনেরপোতাস্থ গোপীনাথপুর সার্বজনীন পূজামন্দিরে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন, মন্দিরের সভাপতি মনরঞ্জন বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-পরিচালক গৌতম কুমার সরকার, লাবসা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বাবু, ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রশিদ, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা সরকার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ঠাকুর দাশ সরকার। এর আগে তিনি গোপীনাথপুর পূর্বপাড়া পূজা মণ্ডপ পরিদর্শণ করেন। এসময় তিনি বলেন, কোন ধর্মই অন্য ধর্মকে ছোট করতে বলেনি। ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব হবে সবার। বাংলাদেশ সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। কতিপয় ব্যক্তি ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে। তাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে। প্রত্যেকই স্ব স্ব ধর্ম সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে। যা অন্য সরকারের আমলে সম্ভব হয় না। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানবতার নেত্রী, জনগনের নেত্রী। আগামী নির্বাচনে এই মহাননেত্রী আবারো ক্ষমতায় আনতে সকলে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। শেষে তিনি নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলার খোসার চমকপ্রদ ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক: কলার খোসার অনেক ব্যবহার রয়েছে। ত্বকের যত্ন থেকে শুরু করে রান্নার কাজেও কলার খোসা অনন্য। আমরা সাধারণত কলা খেয়ে খোসা ফেলে দেই। এটাই স্বাভাবিক। অনেকেই অন্যান্য ফল ও সবজির খোসার স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে ধারণা রাখেন। কিন্তু কলার খোসার বেশ কিছু চমকপ্রদ ব্যবহার রয়েছে। এগুলো জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

চামড়ার পণ্য পরিষ্কারকরণ
এটা দারুণ এক গুণ। এর সম্পর্কে বেশিরভাগ মানুষই জানেন না। এর খোসার ভেতরের দিকটা জুতার মতো বিভিন্ন ধরনের পণ্য পরিষ্কার করার কাজে অনবদ্য। এর খোসায় আছে ময়েশ্চার এবং তেলতেলে উপাদান। কাজেই পলিশের কাজে এটা দারুণ এক জিনিস। হালকাভাবে ঘষতে থাকলে পুরনো চামড়ার পণ্যও নয়া দেখাবে।

ঘরে থাকা উদ্ভিদ সাফ করা
ঠিক চামড়ার পণ্যের মতোই কাজ করে। ঘরে উদ্ভিদ রাখলে কয়েক দিনের মধ্যেই এর পাতাগুলোতে ধুলোবালি পড়ে যায়। কেবল ঝাড়ু দিয়ে সাফ হয় না। এতে গাছের চকচকে ভাব নষ্ট হয়। কলার ছোলকা দেখাতে পারে জাদু। খোসার প্রাকৃতিক তেল পাতাগুলোকে প্রাণবন্ত করে তোলে। একেবারে সতেজ ও ঝকঝকে দেখাবে যদি কলার খোসা দিয়ে তা সাফ করেন।

দাঁতের ময়লা দূর করতে
ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্যে কলার খোসার গুণের কথা বেশিরভাগা মানুষই জানেন না। ছিলকায় থাকা ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম দাঁতের এনামেল পরিষ্কার করে। এই খোসা ভালোমানের টুথপেস্টের চেয়েও বেশি কার্যকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীলঙ্কায় টেস্ট জিতল বাংলাদেশের যুবারা

খেলার খবর: প্রথম ইনিংসে আশাজাগানিয়া ব্যাটিংয়ের পর দ্বিতীয় ইনিংসে বিপর্যয়। তবে প্রথম ইনিংসে করা বোলিংয়ের চেয়ে পরের ইনিংসের বোলিংটা হল দুর্দান্ত। তাতে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ১৩ রানে টেস্ট জিতে সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশের যুবারা।
কলম্বোয় চারদিনের যুব টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩০৯ রানের সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৮৮ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
টাইগার যুবারা দ্বিতীয় ইনিংসে বিপর্যয়ে পড়ে গুটিয়ে যায় মাত্র ১১৫ রানে। প্রথম ইনিংস থেকে পাওয়া ২১ রানের লিড মিলিয়ে স্বাগতিকদের ১৩৬ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে পারে সফরকারী যুবারা। জবাব দিতে নেমে ১২৩ রানে অলআউট হয়ে যায় লঙ্কান যুবারা।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে তিনশ পেরোনো লক্ষ্য পায় তানজিদ ৪২, নাবিল ৪৫, অধিনায়ক তৌহিদ ৫৪, শামিম ৪৩ ও অমিতের ৬৪ রানে।
শ্রীলঙ্কা পৌনে তিনশ ছোঁয় দিনুশার সেঞ্চুরিতে। ওই ইনিংস থেকে রাকিবুল ও তৌহিদ ৩টি করে উইকেট তুলে নেন। ২টি করে উইকেট নেন শরিফুল ও শাহীন।

দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে বাংলাদেশ নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে। দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন কেবল চার ব্যাটসম্যান। যার মধ্যে বিশের কোটা পেরিয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রান এসেছে আকবর আলির ব্যাটে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ আসে শামিমের থেকে।
ছোট রান তাড়া করতে নেমে লঙ্কানদের ছয় ব্যাটসম্যান দুঅঙ্কের কোটা পেরিয়েছেন। তবে কার্যকরী জুটি বা ম্যাচজয়ী ইনিংস গড়তে পারেননি কেউই।
শাহীন আলম ও রকিবুল হাসান ৩টি করে উইকেট নিয়ে জয়ের রাস্তা গড়েন। শরিফুল ও শামীম একটি করে উইকেট নিয়ে তাদের সঙ্গ দেন। বাকি দুই লঙ্কান যুবা রানআউটে কাটা পড়েন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাবির প্রশ্ন ফাঁস: জড়িত নামি দামি স্কুলের শিক্ষকসহ প্রেস কর্মচারী

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত চক্রে রাজধানীর বিভিন্ন নামি-দামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, প্রেস কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
এ চক্রের অর্ধশতাধিক সদস্যকে শনাক্ত করে সিআইডি বলছে দেড় থেকে ছয় লাখ টাকায় প্রশ্ন ফাঁস করছে এ চক্রের সদস্যরা। ছাপাখানা থেকে ভর্তি পরীক্ষার হল সবখানেই সক্রিয় জালিয়াতি চক্র। প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সদস্যরা দুই প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন ফাঁস করত।
২০১৭ সালে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শাহবাগ থানায় করা মামলা তদন্তে নেমে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে সিআইডি। শাহবাগ থানায় ওই মামলাটি হয়েছিল (নম্বর ২৬, ২০ অক্টোবর) তথ্যপ্রযুক্তি ও পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্টে। সিআইডির পরিদর্শক মো. আশরাফুল ইসলাম মামলাটি করেন।
এরই মধ্যে চক্রের মূল হোতাসহ ৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তাদের ৩৭ জন বিভিন্ন সময়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, ২০১৫ সাল থেকে একটি চক্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। দ্রুতই তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হবে।

মূল প্রশ্ন ফাঁস করা:
দুই প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন ফাঁসের একটি হচ্ছে মূল প্রশ্নটি ফাঁস করা।প্রেস কর্মচারী, প্রশ্ন পরিবহনকারী, পরীক্ষার কেন্দ্র ও বিতরণের সময় তা সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কেউ কেউ এটি করে থাকে।

ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস:
ভুয়া (ডামি) পরীক্ষার্থী পাঠিয়ে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে হলে বসে বাইরে প্রশ্ন বলে দেয়।বাইরে থাকা বিশেষজ্ঞ টিম দ্রুত প্রশ্ন সমাধান করে এ ডিভাইসের মাধ্যমে চুক্তিবদ্ধ পরীক্ষার্থীদের সমাধান বলে দেয়। এছাড়া প্রশ্ন বিতরণের সময় মোবাইল ফোনে দ্রুত ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস করা হয়।
ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে চক্রের অলিভ, ইব্রাহিম, বাধন, মুস্তফা, রাকিবুল হাসান, ইছামি, বনি মারুফ, তনয় প্রশ্ন ফাঁস করত ।

প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত শিক্ষক ও প্রেস কর্মচারীরা:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত চক্রে রাজধানীর বিভিন্ন নামি-দামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও প্রেস কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পায় সিআইডি। রাজধানীর অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি শিক্ষক বাবুল ও ধানমণ্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজের শিক্ষক হোসনে আরা প্রশ্নের ছবি তুলে বাইরে পাঠাত।

প্রেস কর্মচারী খান বাহাদুর, সাইফুল ও মিনহাজ সরাসরি মূল প্রশ্ন ফাঁস করত। প্রেস কর্মকর্তা খান বাহাদুর ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন ফাঁস করত। চক্রের অন্য সদস্যরা সেই প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি করত দেড় থেকে ছয় লাখ টাকায়।

প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীও চিহ্নিত:
জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে ঢাবিতে চান্স পাওয়া কয়েকজন ছাত্রকেও চিহ্নিত করেছে সিআইডি।

প্রশ্ন ফাঁস বন্ধে যা করনীয়:
সিআইডির কর্মকর্তারা বলছেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করা সম্ভব নয়। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি কেন্দ্রের সংখ্যা কমিয়ে আনা, আসন সংখ্যার বিপরীতে প্রাথমিক বাছাইয়ের মাধ্যমে পরীক্ষার্থী নির্ধারণ করাসহ পুরো প্রক্রিয়াকে নজরদারির মধ্যে আনতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাকারবার্গকে ফেসবুকের চেয়ারম্যান থেকে সরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক: সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না ফেসবুক এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মার্ক জাকারবার্গের। একের পর এক বিতর্কের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় এই মাধ্যমটি।
মার্কিন নির্বাচনে ভোটারদের তথ্য বেহাত হওয়ার অভিযোগ, কয়েকদিন আগে ‘ভিউ এজ’ ফিচারের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে দুই কোটি ৯০ লাখ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া, এমনকি এই প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সহিংসতা ছড়ানোর মতো বিভিন্ন অভিযোগে টালমাটাল হয়ে পড়েছে ফেসবুক। এরইমধ্যে ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গকে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব উঠেছে।
জানা গেছে, বুধবার নাকি সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে ফেসবুকে শেয়ার আছে যুক্তরাষ্ট্রের এমন চারটি বড় পাবলিক ফান্ড। যদিও ফেসবুকের সিংহভাগ শেয়ার নিজের করতলে থাকায় কার্যত হয়তো জাকারবার্গের কিছুই হবে না।
সেটি অবশ্য মানছেন রোড আইল্যান্ডের স্টেট ট্রেজারার সেথ মাগাজিনার। তিনি বলেন, জাকারাবার্গকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার এই প্রস্তাব তারপরও অর্থবহ, কেননা এর মাধ্যমে ফেসবুকের সমস্যা ও তা সমাধানে মনোযোগ আকর্ষণ করা যাবে।
মাগাজিনার আরও বলেন, এর ফলে ফেসবুকের বার্ষিক সভায় বিষয়টি আলোচনা করতে সবাই দায়বদ্ধতা অনুভব করবে। তবে এ বিষয়ে ফেসবুকের মুখপাত্র কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ফেসবুকের বিভিন্ন শেয়ারহোল্ডাররা চাইছে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান পদ থেকে জাকারবার্গকে সরিয়ে সেখানে স্বাধীন কাউকে নিয়োগ দেয়া হোক। যদিও এসব শেয়ারহোল্ডারের ভাষ্যমতে এতে করে হয়তো সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হবে না, তবে শেয়ারবাজারে ফেসবুকের অবস্থার কিছুটা হলেও উন্নতি হবে।
যেমনটা বলছিলেন ইলিনয়স স্টেটের ট্রেজারার মাইকেল ফ্রেরিকস। তিনি বলেন, স্বাধীন চেয়ারম্যান হয়তো ফেসবুকের সব ইস্যুর সমাধান করতে পারবেন না। কিন্তু এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির হয়তো কম সমস্যা হবে এবং শেয়ারের দরপতনটাও কিছুটা কমে যাবে।
আগামী বছরের মে মাসে ফেসবুকের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সভাকে টার্গেট করেই প্রতিষ্ঠান বড় শেয়ারহোল্ডাররা এই পরিবর্তনের পরিকল্পনার আশা করছেন।

চলতি বছর ফেসবুকের শেয়ারদর খুব ওঠানামার মধ্য দিয়ে গেছে। গত মার্চে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার সাথে ফেসবুকের কেলেঙ্কারির পর এক দফায় ফেসবুকের শেয়ারদর বেশ অনেকটাই পড়ে যায়। এরপর বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পারলেও জুলাই থেকে আবারও নানা কেলেঙ্কারিতে টালমাটাল হয়ে পড়ে প্লাটফর্মটি। এমনকি গত জুলাই মাস থেকে কোম্পানিটির ৩০ শতাংশ অর্থমূল্য কমে গেছেও বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৭ সালেও স্বাধীন একজন চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়ে শেয়ারহোল্ডাদের একটি প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। কেননা ফেসবুকে জাকারবার্গের সিংহভাগ শেয়ার থাকার কারণে বাইরে থেকে ওঠা কোনও প্রস্তাব কার্যত প্রতীকী। তবে ফেসবুককে বাঁচাতে মরিয়া জাকারবার্গ এখন কী করবেন সেটাই দেখার বিষয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest