সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

ট্রাফিক আইন: রাজধানীতে একদিনে অর্ধকোটি টাকার মামলা

দেশের খবর: সেপ্টেম্বরকে ট্রাফিক সচেতনতা মাস ঘোষণা করে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এই অভিযানে ট্রাফিক আইন অমান্যের জন্য শুধুমাত্র ঢাকার সড়কে ৫২ লাখ টাকার মামলা দিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ জানিয়েছে, সোমবার ঢাকার ট্রাফিক-উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগে অভিযানে মোট ৬১৯৮টি মামলা দেয়া হয়েছে। এতে মোট ৫২ লাখ ৩৫ হাজার ৫০ টাকার জরিমানা করা হয়।
ট্রাফিক বিভাগ জানায়, অভিযানে গুরুতরভাবে ট্রাফিক আইন অমান্যের কারণে ৩৮টি যানবাহন ডাম্পিং করা হয়েছে, রেকার করা হয়েছে ৯২৬টি যানবাহন। ট্রাফিক আইন ভঙ্গের কারণে ২১৬০টি মোটরসাইকেল চালকের বিরুদ্ধে মামলা ও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ১১০টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে।
এছাড়াও গাড়িতে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ১০৭টি, হুটার বা বিকনলাইট ব্যবহারের জন্য ৯টি, পুলিশ স্টিকার লাগানোর জন্য ২টি ও মাইক্রোবাসে কালো গ্লাস লাগানোর জন্য ২০টি মামলা দেয়া হয়। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল বা এয়ারফোন ব্যবহারের জন্য মামলা খেয়েছেন ৩০ জন চালক।
ডিএমপি আরও জানায়, উল্টো পথে গাড়ি চালানোর অপরাধে ৩৯৬টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদোন্নতিসহ সংসদে বাড়ছে চাকরির সুযোগ

দেশের খবর: বেকারদের চাকরি পাওয়ার সুযোগ বাড়ছে জাতীয় সংসদে। এ জন্য সৃষ্টি হচ্ছে নতুন পদ। প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবং সংসদের মেডিকেল সেন্টারের জন্য চিকিৎসকের পদ বাড়ানো হচ্ছে। ফলে সেখানে কর্মরতদের পদোন্নতির সুযোগও বাড়ছে।
সংসদ সচিবালয়ের নিয়োগবিধি সংশোধন ও পদ সৃজন সংক্রান্ত গঠিত কমিটির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সূত্র জানায়, সংসদ সচিবালয় কমিশনের ২৯তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি বছরের মে মাসে অতিরিক্ত সচিব (এইচআর)-কে আহ্বায়ক করে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তিনটি বৈঠক করে এসব সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে সংসদের সিনিয়র সহকারী সচিব (মানবসম্পদ-১) ফারজানা জামান গত রোববার বলেন, কমিটির সর্বশেষ বৈঠক ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আইন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের দুজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। ওই দুজনের স্বাক্ষর নেয়ার জন্য আমি এ সপ্তাহে সচিবালয়ে যাব। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত হবে।

২২টি নতুন পদ সৃজনের সুপারিশ
কমিটি প্রশাসনিক কর্মকর্তার (১০ম গ্রেড) ১৫টি পদ সৃষ্টির সুপারিশ করেছে। এছাড়া সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস (ষষ্ঠ গ্রেড) এর দুটি নতুন পদ, ব্যক্তিগত কর্মকর্তার (১০ম গ্রেড) ১০টি পদ এবং সংসদ সচিবালয় মেডিকেল সেন্টারে বিভিন্ন গ্রেডের ১১টি পদ সৃষ্টির সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা
কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তার মোট মঞ্জুরীকৃত পদ ৬৫টি। সাতটি শাখায় প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদ না থাকায় দাফতরিক কাজে বিঘ্ন ঘটছে। পাশাপাশি আটটি শাখায় কাজের পরিধি আগের চেয়ে বেড়েছে। সংসদের প্রশিক্ষণ শাখা, মেইনটেন্যান্স শাখা-১ ও ২, এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার শাখা, উপ-পরিচালক (টেকনিক্যাল) শাখা, প্রটোকল শাখা ও মেডিকেল সেন্টারে প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদ নেই।
এছাড়া কমন সার্ভিস ও সমন্বয় শাখা (এ শাখায় দুটি এ.ও পদ সৃজন প্রয়োজন), প্রশাসন শাখা, পরিবহন শাখা, মানবসম্পদ শাখা-১ ও ২, কমিটি শাখা-২ এবং আইপিএ শাখা-১ এর কার্যপরিধি বেড়েছে। এ জন্য এসব শাখায় একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।

জানা যায়, প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিদ্যমান মঞ্জুরীকৃত পদ রয়েছে ৬৫টি। নতুন ১৫টি পদ সৃজন করা হলে মোট পদ হবে ৮০টি। বর্তমানে পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মরত রয়েছেন ৫৫ জন এবং সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে কর্মরত সাতজন। ১৫টি নতুন পদ সৃজন করা হলে বিদ্যমান নিয়োগবিধি অনুযায়ী ৮০টি পদের মধ্যে পদোন্নতি ও সরাসরি হিসেবে ১৩টি পদে পদোন্নতি এবং দুটি পদে সরাসরি নিয়োগ কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে।
বিদ্যমান নিয়োগ বিধিমালায় ৬৫ শতাংশ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হতে ২০ শতাংশ সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদ হতে এবং ১৫ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণযোগ্য।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিলে সরকারের বছরে সম্ভাব্য ব্যয় হবে ৫৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।

সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস
সংসদ সচিবালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস (নবম গ্রেড)-এর পদ রয়েছে পাঁচটি। বিদ্যমান নিয়োগবিধি অনুযায়ী একটি সরাসরি এবং চারটি পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণযোগ্য। সংসদ সচিবালয়ের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস সংসদ ভবন ও ভিআইপিদের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন যেমন- আইপিইউ, সিপিএ কনফারেন্স ইত্যাদির ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের স্পিকার, এমপি, মন্ত্রী, ভিভিআইপি এ দেশে আসেন এবং তাদের নিরাপত্তা প্রদানসহ অন্যান্য নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
সংসদ ভবনের নিরাপত্তা আগের চেয়ে কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সে মোতাবেক নিরাপত্তার নিমিত্তে সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসের অধীনে বর্তমানে তৃতীয় শ্রেণির ২৪১টি এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ১৫টি পদ রয়েছে। অন্যদিকে ২৫৬ জনবলের তদারকির জন্য প্রথম শ্রেণির পদ রয়েছে সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসসহ মাত্র আটটি।

সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস অধিশাখার অধীনে দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ২৫৬ জনবলের তদারকি এবং সংসদের নিরাপত্তার স্বার্থে এ সচিবালয়ে ষষ্ঠ গ্রেডের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসের দুটি পদ সৃজনের সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদ থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে সশস্ত্র বাহিনীর সমমর্যাদাসম্পন্ন কোনো কর্মকর্তাকে প্রেষণে বদলির মাধ্যমে এ নিয়োগ দেয়া যেতে পারে বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।
পদ দুটি সৃজনের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য আর্থিক ব্যয় বৃদ্ধি পাবে (গ্রেড-৬, ৩৫৫০০-৬৭০১০/- টাকা) বছরে প্রায় ১৫ লাখ ৯৫ হাজার ৮০০ টাকা।

ব্যক্তিগত কর্মকর্তা
সংসদে ব্যক্তিগত কর্মকর্তার (১০ম গ্রেড) মোট মঞ্জুরীকৃত পদ ৩০টি। সেখানে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ এবং তাদের একান্ত সচিব (প্রিভিলেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী একান্ত সচিবগণ উপ-সচিব পদমর্যাদার), পরিচালক (আইন অধিশাখা), পরিচালক (আইটি অধিশাখা) এবং ডেপুটি সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস (একজন বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার/স্কোয়াড্রন লিডার এবং একজন পুলিশ সুপার) দুটিসহ মোট ১০টি পদ নেই। ওই ১০টি পদ সৃজনের সুপারিশ করেছে কমিটি।
এসব পদ সৃজন করলে বছরে সম্ভাব্য আর্থিক ব্যয় বাড়বে প্রায় ৩৮ লাখ ২৪ টাকা।

মেডিকেল সেন্টার
সংসদের মেডিকেল সেন্টারে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনটি চিকিৎসকের পদ সৃজনের সুপারিশ করেছে কমিটি। এ শাখায় জুনিয়র কনসালটেন্ট/সহকারী অধ্যাপক (এন্ডোক্রাইনোলজি) একটি, জুনিয়র কনসালটেন্ট/সহকারী অধ্যাপক (শিশু) একটি, ডেন্টাল সার্জন একটি, সিনিয়র টেকনোলজিস্ট (ফিজিওথেরাপি) দুটি, সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি) একটি, সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) একটি, সিনিয়র স্টাফ নার্স তিনটি, সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) একটি ও সিনিয়র ফার্মাসিস্ট একটি পদ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কমিটি।

যে পদে পদোন্নতির হার বাড়ানোর সুপারিশ
সহকারী পরিচালক (রিপোর্টিং) : পদোন্নতির সুযোগ এবং কাজের গতি বাড়াতে সংসদের নিয়োগ বিধিমালার তফসিল ক্রমিক-৬৩, ৬৪ ও ৭১-এ উল্লেখিত নবম গ্রেডের সহকারী পরিচালক (গণসংযোগ), সহকারী পরিচালক (রিপোর্টিং) এবং কমিটি অফিসার পদে পদোন্নতির বিদ্যমান ৩০ শতাংশ এবং ৩৪ শতাংশ হারের পরিবর্তে শতকরা ৭০ শতাংশ করার সুপারিশ করছে কমিটি।
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর: জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কাজের গতি বৃদ্ধির জন্য এবং পদোন্নতির হার বৃদ্ধির জন্য অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির হার বিদ্যমান ৬৫ শতাংশ থেকে পাঁচ শতাংশ বাড়িয়ে ৭০ শতাংশ এবং সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ১০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
পদোন্নতি বাড়ানোর যৌক্তিকতা হিসেবে কমিটি অন্যান্য পদের সঙ্গে বৈষম্য তুলে ধরে দীর্ঘদিন একই পদে কর্মরত থাকায় তাদের কর্মস্পৃহা ও কর্মোদ্দম স্বল্পতা পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ২০১৩ সালে এক আদেশের মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্যাটালগার পদ ১২ হতে গ্রেড-১১ তে উন্নীত করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংসদের ক্যাটালগার পদের গ্রেড-১৪ হতে গ্রেড-১১ তে উন্নীতের সুপারিশ করে কমিটি।

এছাড়া ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সংসদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৯৪ এর তফসিল ক্রমিক ১৩৯-এ পিপিসি অপারেটর (গ্রেড-১৬) পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অন্যান্য পদের সঙ্গে অফিস সহায়ক-কাম চাবিরক্ষক পদটি অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে- বলে উল্লেখ করে কমিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬৯ বছর বয়সে বাবা হচ্ছেন রিচার্ড গেরে

অনলাইন ডেস্ক: ৬৯ বছর বয়সে ফের বাবা হতে চলেছেন হলিউড অভিনেতা রিচার্ড গেরে । তার বর্তমান স্ত্রী আলেজান্দ্রা গেরের বয়স ৩৫। হলিউড দম্পতি নিজেরাই এ খবর জানিয়েছেন।
গেরের স্ত্রী সম্প্রতি একটি ছবি তার ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেন। লিখেন, আমাদের নতুন অতিথির জন্য প্রার্থনা করবেন। আমরা বিশেষ মুহূর্তের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছি। আরও লিখেন, মাত্র কয়েক মিনিট আগে ধর্ম গুরু দালাই লামার কাছ থেকে আশীর্বাদ নিলাম।
রিচার্ড গেরের এটি দ্বিতীয় সন্তান। প্রথম বিয়েতে গেরের একটি সন্তান আছে। তার এখন বয়স ১৮ বছর। অন্যদিকে আলেজান্দ্রারও এটি দ্বিতীয় সন্তান। আগের বিয়েতে তারও একটি ৫ বছরের সন্তান আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘নানী’ শবনমের নায়ক শ্রাবণ

বিনোদনের খবর: নব্বই দশকে প্রচারিত একটি নাটকে হুরমতি চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফেরদৌসী মজুমদার। টিভি নাটকের বিখ্যাত একটি চরিত্র এটি।
এ ‘হুরমতি’ নাম নিয়েই আগে থেকে একটি ছবি নির্মাণ করছেন শবনম পারভীন। যিনি ইত্যাদির নানী হিসেবে ইদানীং পরিচিতি পেয়েছেন। পরিচালনার পাশাপাশি এ ছবিতে হুরমতি চরিত্রে অভিনয়ও করছেন তিনি। মূলত এটি কমেডি ঘরানার ছবি।
শবনম পারভীনের বিপরীতে সহজ সরল প্রেমিক রতন চরিত্রে অভিনয় করছে চিত্রনায়ক শ্রাবণ শাহ্। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে শ্রাবণ বলেন, ‘ছবিটির সংলাপ এতই মজার যে, শুটিংয়ের সময় সংলাপ ডেলিভারি দিতে গিয়ে আমরা নিজেরাই হেসে ফেলি। খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হয়েছে। শবনম আপু গোছানো ইউনিট নিয়ে কাজ করছেন। ভালো একটি প্রজেক্ট হচ্ছে।’
চলতি বছরের শেষের দিকে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান পরিচালক। এতে আরও অভিনয় করছেন বড়দা মিঠু, দিলারা জামান, সনি রহমান, নিলয়, টুকু, ইমরান হাসুসহ আরও অনেকে।
নেতিবাচক চরিত্রে অল্প যে কজন অভিনেত্রী বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে শক্ত অবস্থান গড়তে সক্ষম হয়েছেন শবনম পারভীন (Shabnam Parvin) তাদের অন্যতম। মঞ্চ নাটক থেকে তিনি ছোট পর্দায় এবং পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। তিনি প্রথম অভিনয় করেন ১৯৮২ সালে আলাউদ্দিন আহমেদের প্রযোজনায় ‘দুটি গানের একটি সুর’ নাটকে। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুন পানি’ ১৯৮৮ সালে মুক্তি পায়। কে এম আইয়ুবের এ ছবিতে নায়িকা চরিত্রে কাজ করেন তিনি। ১৯৮৬ সালে ‘শুকতারা’ ছবিতে খলনায়িকা চরিত্রে প্রথম অভিনয় তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রদল নেতার লাথিতে গৃহবধূর গর্ভপাত

অনলাইন ডেস্ক: বগুড়া শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের লাথিতে এক গৃহবধূর গর্ভপাত ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঋণের টাকার সুদ না পেয়ে গত শুক্রবার শহরের চেলোপাড়া এলাকায় ওই গৃহবধূর পেটে রবিউল লাথি মারেন বলে অভিযোগে বলা হয়। লাথির ঘটনায় রক্তক্ষরণ শুরু হলে ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর গর্ভপাত হয়।
ওই গৃহবধূর নাম শাপলা বেগম (২১)। সে উত্তর চেলোপাড়া এলাকার শফি আহমেদের স্ত্রী। তিনি বর্তমানে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ব্যাপারে স্বামী শফি আহমেদ বলেন, ‘তিন মাস আগে সাংসারিক প্রয়োজনে রবিউলের সমিতি থেকে তিনি স্ত্রী শাপলা বেগমের নামে ১০ হাজার টাকা ঋণ নেন। সময় মতো ঋণের টাকা পরিশোধও করে দেন। কিন্তু রবিউল তার কাছে সুদ বাবদ আরও টাকা দাবি করেন। তারা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রবিউল ও তার সহযোগীরা এসে তাদের বাসা থেকে খাট, সোফা সেটসহ কাঠের বেশ কিছু আসবাবপত্র নিয়ে যান।’

‘গত শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে ওই আসবাবপত্র চাইতে গেলে দত্তবাড়ি সেতুর কাছাকাছি চেলোপাড়া এলাকায় শাপলার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় রবিউলের। একপর্যায়ে রবিউল ক্ষিপ্ত হয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা শাপলার পেটে লাথি মারেন। সঙ্গে সঙ্গে রক্তক্ষরণ শুরু হলে প্রথমে মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল এবং পরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে গর্ভপাতের বিষয়ে আশঙ্কা করা হয়।’

গত শনিবার আলট্রাসনোগ্রাফি করা হলে গর্ভপাতের বিষয়টি ধরা পড়ে। ওই দিন থানায় রবিউল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

শফি আহমেদ অভিযোগ করেন, ‘তার স্ত্রীর গর্ভপাত ঘটলেও পুলিশ হাসপাতালে না গিয়ে চিকিৎসকদের কাগজপত্র চেয়েছে। কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর থানায় মামলা রেকর্ড হবে বলে জানিয়েছে। কিন্তু হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নেওয়ার আগে কোনো ধরনের কাগজপত্র পাওয়ার সুযোগ নেই। ফলে থানায় অভিযোগ দিয়ে ছাড়পত্রের জন্য অপেক্ষায় আছেন।’

তিনি দাবি করেন, ‘থানা থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। পুলিশও অভিযোগ তদন্তের ব্যাপারে উদাসীন।’

থানায় দেওয়া অভিযোগ ও আহত শাপলা বেগম এবং তার স্বামীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম উত্তর চেলোপাড়া এলাকায় অগ্রগতি সমবায় সমিতির কার্যক্রমের নামে দীর্ঘদিন ধরে দাদন ব্যবসা ও সুদের কারবার চালিয়ে আসছিলেন। রবিউল ওই সমিতির সভাপতি।

বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সম্পাদক নূরে আলম রবিউল ইসলামের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।

এ ব্যাপারে শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘তার সমিতি সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধিত। নিয়ম মেনেই তিনি ঋণ কার্যক্রম চালান। শফি আহমেদের স্ত্রী শাপলা বেগম সমিতি থেকে বছরখানেক আগে ৩৫ হাজার টাকা ঋণ নেন। সুদে আসলে পাওনা ৫০ হাজার টাকা। ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও এখনো তার কাছ থেকে সমিতির পাওনা ৩০ হাজার টাকা।’

‘পাওনা টাকা না দেওয়ায় সমিতির একজন নারী কর্মীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। আমার সঙ্গে তার দেখাই হয়নি, লাথি মারার প্রশ্নই আসে না। এখন পাওনা টাকা যাতে পরিশোধ করতে না হয়, এ জন্য গর্ভপাত ঘটানোর ঘটনা সাজাচ্ছে। ওই নারী গর্ভবতী ছিলেন না, কোনো গর্ভপাতও ঘটেনি।’

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম বদিউজ্জামান বলেন, ‘ওই গৃহবধূর স্বামী শফি আহমেদ বাদী হয়ে দাখিল করা অভিযোগটি তদন্তের জন্য নারুলী ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আবদুল হাইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রবিউল ছাড়াও তার সহযোগী বারিক, আন দালিভ এবং কুলসুমের বিরুদ্ধে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।’

নারুলী ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল হাই সোমবার রাতে বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে তবেই মামলা রেকর্ড হবে। তবে এখন পর্যন্ত অভিযোগের পক্ষে কোনো সাক্ষী মেলেনি।’

প্রাথমিক তদন্ত শুরুর আগে ভিকটিম শাপলা বেগম ও অভিযোগকারী শফি আহমেদের সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ করা হয়েছে কিনা কিংবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে কি না-প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবদুল হাই বলেন, ‘এখনো সময় হয়ে ওঠেনি।’
এ দিকে শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী বলেন, ‘ওই নারীকে গত শুক্রবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পরপরই গর্ভপাত ঘটে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার নামে হচ্ছে তাঁতপল্লী

দেশের খবর: মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার শিবচর ও জাজিরা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে তাঁতপল্লী স্থাপন করা হচ্ছে। এর আয়তন হবে ১২০ একর। এর মাধ্যমে উন্নত পরিবেশে তাঁতী এবং তাদের পরিবারের জন্য বিভিন্ন নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে তাঁতীদের জীবনযাত্রার মান ও আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন।

পরিকল্পনা কমিশন থেকে জানা গেছে, এ প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ২৫৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এর পুরোটাই জিওবি। এটি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি চলতি বছর হতে জুন, ২০২১ পর্যন্ত মেয়াদকালে বাস্তবায়িত হবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ তাঁতবস্ত্রের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহাসিক ও দীর্ঘদিনের। এদেশের তাঁতে উৎপাদিত মসলিন ছিল বিশ্ববিখ্যাত। তাঁতবস্ত্রের বুননশৈলী অত্যন্ত শৈল্পিক, অসামান্য এবং অদ্বিতীয়। তাঁতবস্ত্র দ্বারা এদেশের বস্ত্রের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ করা সক্ষম।

প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে তাঁতশিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। ওই সময় তিনি বলেন, মিরপুর ঘনবসতিপূর্ণ জায়গা। তাই বেনারসী পল্লী ও কর্মরত শ্রমিকদের উপযুক্ত বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। ঢাকার বাইরে খোলামেলা জায়গায় বেনারসী/তাঁতপল্লী স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া ২০১৪ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় আরেকটি নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, ঢাকার মিরপুরের বেনারসী পল্লী ঢাকার বাইরে খোলামেলা পরিবেশে স্থানান্তর করতে হবে। সেখানে তাদের জন্য ঘরবাড়ি, শিশুদের জন্য স্কুল ও কলেজের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তাঁত শিল্পকে টেকসই করা, অধিক পরিমাণে তাঁতবস্ত্র উৎপাদন, দেশের তাঁতীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং উন্মুক্ত ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাঁতবস্ত্র উৎপাদনের কথা বিবেচনায় রেখে দেশের বেনারসী এবং অন্য তাঁতীদের ঢাকার বাইরে স্থানান্তরসহ নাগরিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নিমিত্ত “শেখ হাসিনা তাঁতপল্লী স্থাপন” শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সে আলোকে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্পটি ওপর পরিকল্পনা কমিশনে পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রকল্পটি ২টি পর্যায়ে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রথম পর্যায়ে ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন, সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের ডিজাইন/লে-আউট প্ল্যান তৈরিসহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ডিপিপি প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য পেশ করা হয়েছে।

এর আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ-১২০ একর; ভূমি উন্নয়ন ও সাইট ডেভেলপমেন্ট-১২৬১৭২৮ ঘনমিটার; সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ-৪৩৫০ রানিং মিটার; প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের সকল অবকাঠামো নির্মাণের লে-আউট ও ডিজাইন প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করা; অফিস সরঞ্জামাদি ক্রয়-৪টি; আসবাবপত্র ক্রয়-৩২টি ও জিপ ক্রয় একটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাইজেরিয়ায় ভয়াবহ বন্যায় নিহত ১০০

বিদেশের খবর: গত কয়েকদিন ধরে নাইজেরিয়ার বিভিন্ন অংশে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় কমপক্ষে ১০০ জন নিহত এবং হাজার হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
সোমবার দেশটির জাতীয় জরুরী ব্যবস্থাপনা সংস্থা’র মুখপাত্র সানি দত্তির বলেন, আমাদের হাতে আসা তথ্য মতে দশটি রাজ্যে এখন পর্যন্ত ১০০ জন নিহত হয়েছে।
আর এ বন্যায় ফলে দেশটির কোগি, নাইজার, আনাবাড়া ও ডেল্টা এই চারটি প্রদেশে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের তল্লাশি, উদ্ধার এবং পুনর্বাসনের কাজ করে যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে

বিদেশের খবর: ঘূর্ণিঝড় মাংখুতের আঘাতে বাস্তচ্যুত মানুষের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ জনে।
রবিবার বিকেলে চীনের গুয়াংডং প্রদেশে ম্যাংখুত আঘাত হানে। মধ্যরাতে ঝড়টি গুয়াংজি প্রদেশের দিকে যায়। প্রদেশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। আর ঝড়ে উঁচু ভবনের জানালা, দরজা ভেঙে গেছে। গাছ উপড়ে পড়েছে। অনেক ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। কয়েক লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।
রবিবার সকালে ম্যাংখুত হংকংয়ে আঘাত হানে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা।
শনিবার ম্যাংখুত ফিলিপাইনে আঘাত হেনেছিল যেখানে বন্যায় অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সেখানে মারা গেছে অন্তত ৬৪ জন। -বিবিসি ও সিএনএন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest