সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

কোটি যুবকের হৃদয় ভাঙ্গলেন দীপিকা!

বিনোদনের খবর: দীপিকা-রণবীরের বিয়ে ঘিরে নানা সময়ে বহু কথা শোনা গেলেও মুখ খোলেননি দুই তারকা। তবে এবার সেই অপেক্ষার অবসান হল। রবিবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে ট্যুইট করে জানালেন আগামী ১৪ এবং ১৫ নভেম্বের হল সেই শুভ দিন যেখানে চার হাত এক হতে চলেছে৷
টুইটারে দীপিকা লিখেন, ‘সকলের সঙ্গে এই খবর শেয়ার করতে পেরে আমি খুবই খুশি৷ দুজনের পরিবারের আশীর্বাদে আগামী ১৪ এবং ১৫ নভেম্বর বিয়ের দিন ধার্য করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ‘এত বছর ধরে সকলে যেভাবে আমাদের ভালোবেসেছেন তাঁর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’ নতুন সফরের জন্য সকলের থেকে আশীর্বাদও চেয়ে নিয়েছেন তাঁরা৷
প্রসঙ্গত, এর আগে বছরের প্রথমের দিকে রণভীরকে, দীপিকার পরিবারের সঙ্গে একটি রেস্টুরেন্টে ডিনার করতে দেখা যায়৷ জানা যায় দীপিকাও, রণভীরের বাড়িতে তাঁর পরিবারের সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা করে এসেছেন৷ তখনই তাঁদের বিয়ের বিষয়টি নিয়ে অনেকেই নিশ্চিত হয়ে যায়৷ যদিও তারপরেও জল্পনা চলছিল৷
শোনা যায় দীপিকা তাঁর শ্বশুরবাড়ি রেনোভেন নিয়েও বেশ ব্যস্ত ছিলেন৷ রণভীর একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে দুটি ফ্লোর কিনে নিয়েছেন৷ সেখানে তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে শিফ্ট করেছেন৷ সেখানেই নাকি অভিনেতা বিয়ের পর দীপিকাকে নিয়ে থাকবেন৷
সূত্রের খবর, দুটি ফ্লোরকে সুন্দর করে সাজানো হয়েছে, রেনোভেশনের কাজও হয়৷ দীপিকা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সব কাজ করিয়েছেন৷ বিয়ের পর রণভীরের পরিবারকে নিয়ে দীপিকা একসঙ্গে থাকবেন সেখানে৷ রণভীর হায়দরাবাদে ‘সিম্বা’র শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় সবটা দেখে শুনে নিয়েছেন তাঁর হবু স্ত্রী দীপিকা৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘প্যান্টের জিপ খুলে ফেলেন, আমার চুল ধরে ওর কোলের ওপর…’

বিনোদনের খবর: একদিকে নামী সব অভিনেত্রীরা অভিযোগ করছেন অন্যদিনে ফেঁসে যাচ্ছেন গুণী সব পরিচালক- প্রযোজক ও অভিনেতারা। চারদিকে শুধু অভিযোগ আর অভিযোগ। মেয়েদের যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে একের পর এক মুখ খুলছেন অভিনেত্রীরা।

#মিটু-র জেরে এরই মধ্যে নানা পাটেকার, সাজিদ খান, অলোকনাথের পর যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল আনু মালিকের বিরুদ্ধেও। শিল্পী সোনা মহাপাত্র ও শ্বেতা পণ্ডিতের পর এবার আরও এক নারী মালিকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনলেন।

আনু মালিকের বিরুদ্ধে মুখ খুলে এক নারী মিড ডে-কে জানিয়েছেন তাঁর সঙ্গে আনুর দেখা হয় ১৯৯০ সালে মুম্বইয়ের মেহবুব স্টুডিওতে। সেখানেই আনু তাঁকে চেপে ধরেন। পরে ক্ষমা চেয়ে নেন। এখানেই শেষ নয়।

আনু মালিকের সঙ্গে তাঁর একটি হয়রানির ঘটনা ঘটে সুরকারের নিজের বাড়িতে। ওই নারীর অভিযোগ, ‘নিজের বাড়িতে তাঁর পাশেই সোফাতে বসেছিলেন আনু। বুঝতে পারছিলাম ফাঁদে পড়েছি। কারণ ওইদিন আনুর বাড়ির কেউ ছিলেন না। উনি আমার স্কার্ট তুলে ধরেন। ওকে ঠেলে সরানোর চেষ্টা করছি এমন সময় দরজার বেল বেজে উঠল। ওই ঘটনার পর এনিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নিষেধ করেন আনু।’

ওই ধরনের যৌন হয়রানির ঘটনা আরও ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ওই নারী। তিনি জানিয়েছেন, ‘একবার সন্ধ্যে সাড়ে আটটা নাগাদ আনু মালিক তাঁকে নিয়ে একটি ফাঁকা মাঠের মধ্যে গাড়ি থামিয়ে দেন। ভয়ে জিজ্ঞাসা করলাম কোথায় এসেছি। সেসব কথায় কান না দিয়ে উনি প্যান্টের জিপ খুলে ফেলেন। আমি গাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উনি আমার চুল ধরে ওর কোলের ওপর আমার মাথা চেপে ধরেন।‘

প্রসঙ্গত, #মিটু-র অভিযোগের যখন গোটা বলিউড নড়ে- চড়ে বসেছে তখন এ তালিকা থেকে বাদ যাননি দীপিকা পাডুকোন, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চনের মতো অভিনেত্রীরাও। এছাড়া এ তালিকায় আরও রয়েছেন বঙ্গকন্যে তনুশ্রী দত্ত, অনন্যা বিশ্বাস, কারিশমা শর্মা, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, কঙ্গনা রানাউত, নয়নী দীক্ষিত, সোনা মহাপাত্র, আলোকনাথ, কঙ্গনা রানাউত, কেট শর্মা মতো অনেকেই।

এরই মধ্যে এক অভিনেত্রী শাহরুখের ঘনিষ্ট বন্ধু করিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। তারপরেই অভিযুক্ত অভিনেতাদের তালিকায় নাম উঠে ভাইজান নামে খ্যাত সালমান খানের। ভাইজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে পূজা মিশ্রা নামের এক মডেল-অভিনেত্রী। তার অভিযোগ সালমান খান তাকে অচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করেন। একাধিকবার তিনি এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন।

এছাড়া পরিচালক বিপুল অমৃতলাল শাহ’র বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুললেন ইরানি অভিনেত্রী ইলনাজ নরৌজি। তাঁর অভিযোগ, ছবিতে সুযোগ দেওয়ার কথা বলে কখনও জড়িয়ে ধরা, কখনও বা চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেছেন পরিচালক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বয়স আর বাড়ল না’

‘বয়স আর বাড়ল না’

কর্তৃক daily satkhira

বিনোদনের খবর: ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা। বলতে গেলে, বাংলাদেশের তরুণ থেকে বৃদ্ধ সবারই প্রিয় অভিনেত্রী তিনি।
শনিবার (২০ অক্টোবর) পূর্ণিমা তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে তিনটি সেলফি (ছবি) আপলোড করেছেন। ছবিগুলোর সঙ্গে পূর্ণিমা একটি ক্যাপশনও দিয়েছেন।
পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘Smile is a power to overcome all hurdles’ অর্থাৎ ‘সব বাধা অতিক্রম করার শক্তি হচ্ছে হাসি’।
বাংলা ছবির এই অভিনেত্রী সেলফি আপলোড করার পর তা দেখতে ভক্তরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। ছবিগুলোর নিচের অসংখ্য হাজার হাজার লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারে ভরে যায় পূর্ণিমার পোস্টটি।
কমেন্টে কেউ বলছেন, ‘ক্লাস থ্রী-তে থাকতে আপনার ছবি দেখতাম। তখন আপনি যেমন ছিলেন, এখনো ঠিক তেমনই আছেন।’
কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘দিন দিন আপনি জাতির ক্রাশ হয়ে উঠছেন’, কারো মন্তব্য- ‘বয়স আর বাড়লো না’।
আবার কেউ বলছেন, ‘একটা মানুষ কতজনের ক্রাশ হতে পারে!’
মনিরুল ইসলাম অপু নামে একজন লিখেছেন, ‘উফ…মাথা নষ্ট। আমি তো শেষ। দিন দিন তো আপনি জাতির ক্রাশ হইয়া উঠতাছেন। আমার যদি এত এত টাকা থাকতো, আমি আপনারে বিয়ের প্রপোজাল দিতাম। দেশে বর্তমানে যত হিরোইন আছেন… আমি মনে করি রুপে লাবণ্যে আপনি নাম্বার ওয়ান। বিয়ের পরেও আপনি সবাইকে পাগল করে চলেছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে রূপালি জগতে পথ চলার শুরু পূর্ণিমার। ক্যারিয়ারের শুরুতে চড়াই-উৎরাই ছিল, কিন্তু তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি কখনো। বরাবরই সবার প্রিয় নায়িকার তালিকায় তার নামটি প্রথম দিকেই ছিল। যদিও তার বয়সের ঘরে ৩৭ বছর বয়স যোগ হয়েছে। কিন্তু, তাতে কি রূপ-লাবণ্যে এখনও পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশীই রয়েছেন!
সিনে দর্শকের মনে একজন নায়িকা যেই ভালোবাসার জায়গা দখল করতে পারেন, সেটা ঠিকই নিজের করে নিয়েছেন পূর্ণিমা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশ্মীরে সেনা ও জঙ্গীদের সংঘর্ষে নিহত ৮

বিদেশের খবর: কাশ্মীরে নিরাপত্তা কর্মী ও জঙ্গীদের মধ্যে ভয়াবহ গুলিবর্ষণে ৮ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন জঙ্গী ও ৫ জন বেসামরিক লোক। গুরুতর আহত হয়েছে ২ জন সেনা। জম্মু কাশ্মীরের কুলগ্রাম জেলায় এ সংঘর্ষ ঘটে। খবর এনডিটিভির।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়, একটি গোপন সূত্র পুলিশকে জানায়, ওই এলাকার একটি বাড়িতে দু-তিনজন বিচ্ছিন্নতাবাদী লুকিয়ে রয়েছে। খবর পেয়ে এলাকায় তল্লাশি চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা। সে সময়ই দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বন্দুকযুদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলে ৩ জঙ্গী নিহত হয়।

পুলিশ আরও জানায়, নিষেধ করা সত্ত্বেও সংঘর্ষ চলাকালীন ওই অঞ্চলে কিছু বেসামরিক লোক ঢুকে পড়ে। আকস্মিক একটি বোমার বিস্ফোরণে ৫ জন নিহত হয়।
উল্লেখ্য, দুই দিন আগেই দুটি ঘটনা ঘটে ভূস্বর্গে। শুক্রবার, দক্ষিণ কাশ্মীরে আইইডি বিস্ফোরণে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সাত জওয়ান আহত হন। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে শ্রীনগর মিলিটারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেদিনের বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করেছে জৈইশ-ই মহম্মদ সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘খাসোগি হত্যায় সৌদি আরবের ব্যাখ্যা বিশ্বাসযোগ্য নয়’

বিদেশের খবর: সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যায় সৌদিআরব যে ব্যাখ্যা দিয়েছে তা কোনভাবেই বিশ্বাস যোগ্য নয়। এমন বক্তব্য করেছেন ব্রিটেনের ব্রেক্সিট মন্ত্রী ডমিনিক রাব। আজ বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বক্তব্য করেন। খবর রয়টার্সের।

বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, খাসোগি হত্যায় সৌদিআরব যে ব্যাখা দিয়েছে তা আমার কাছে বিশ্বাস যোগ্য নয়। আমরা তুরস্কের তদন্তকে সাপোর্ট করি। আমদের বৃটিশ সরকারও দেখতে যায় খাসোগি হত্যার পেছনে কে আছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেখতে চাই খাসোগি হত্যার আগে কি ঘটেছিল এবং আসলে কে অপরাধী এবং পরবর্তীতে কি হচ্ছে আমাদের দেশের মানুষ তা দেখতে চায়।

উল্লেখ্য, খাসোগি নিখোঁজ হওয়ার ১৭ দিনের মাথায় গত শুক্রবার সৌদি জানায়, তুরস্কের ইস্তাম্বুল কসন্যুলেটেই সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে। দেশটির দাবি, গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে খাশোগির মৃত্যু হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গোয়েন্দা সংস্থার উপ-প্রধান আহমদ আল আসিরি ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অন্যতম দেহরক্ষি সৌদ আল কাতানিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোট ১৮ জনকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইমরুলের বীরত্বে ২৭২ রানের বিশাল লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

খেলার খবর: ওপেনার ইমরুল কায়েসের ব্যাটিং বীরত্বে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রানের ২৭১ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। ১৪৪ রানের মহাকাব্যিক এক ইনিংস খেলেছেন ইমরুল। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে ৫০ রান করেছেন সাইফউদ্দিন। এছাড়া ৩৭ রান এসেছে মিথুনের ব্যাট থেকে।

মিরপুরে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ওপেনার লিটন দাসের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়ন্ত্রিত বোলিং উপহার দেয় জিম্বাবুয়ে। দলীয় ১৬ রানের মাথায় ৪ রান করা লিটনকে সাজঘরে ফেরত পাঠান টেন্দাই চাতারা। এরপরই চাতারার শিকার হন অভিষিক্ত ফজলে রাব্বি। রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি।

মুশফিক কিছুটা সাবধানে খেলে বিপর্যয় রোধ করেন। তবে দলীয় ৬৬ রানে মুশফিক বিদায় নিলে আবারও চাপে পড়ে টাইগাররা। ১৫ রান সংগ্রহ করেন তিনি। এরপর ইমরুল ও মিথুনের জুটিতে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ। কিন্তু ১৩৭ রানের মাথায় ৭১ রানের এই জুটি ভেঙ্গে যায়। ৩৭ রান করা মিথুনকে তুলে নন জার্ভিস। এরপর মাহমুদুল্লাহও জার্ভিসের শিকার হন রানের খাতা খোলার আগেই। মিরাজও যোগ দেন আউট হওয়ার মিছিলে। ফলে ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চরম চাপে পড়ে টাইগাররা।

সেখান থেকেই দলের হাল ধরেন ইমরুল ও সাইফউদ্দিন। শুরুতে বেশ সাবধানে খেলতে থাকেন। এরপর ধীরে ধীরে রানের চাকা সচল করেন দুই ব্যাটসম্যান। এরকম চাপের মুখেই অনবদ্য এক সেঞ্চুরি তুলে নেন টাইগার ওপেনার ইমরুল কায়েস। একপ্রান্তে প্রাচীরের মত দাঁড়িয়ে যান তিনি। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ঠান্ডা মাথায় ১১৮ বলে তুলে নেন নিজের ওয়ানডে শতক। এরপর আরো বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন তিনি। চার ও টি ছয়ের মার মেরেছেন এই ইনিংসের পথে। অন্যদিকে ক্যারিয়ারের সেরা রানের ইনিংস উপহার দেন সাইফউদ্দিন। শেষদিকে এসে প্রচন্ড আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তারা। একের পর এক চার-ছয়ে দ্রুত রান যোগ হয় স্কোরে। ইমরুল ১৪৪ রানে আউট হলে দ্রুত সাজঘরে ফেরেন ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করা সাইফউদ্দিন। পরে মাশরাফি ও মোস্তাফিজের ফিনিশিংয়ে ২৭১ রানের বিশাল স্কোর পায় বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ২৭১/৮ (৫০ ওভার শেষে)
ইমরুল ১৪৪, সাইফউদ্দিন ৫০
জার্ভিস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমাবেশের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টে ঐক্যফ্রন্টের রিট

দেশের খবর: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে সমাবেশের অনুমতি না দেয়ায় হাইকোর্টে রিট করেছেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ।
রবিবার দুপুরে হাইকোর্টে মঈনুল ইসলামের বেঞ্চে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে এই রিট দায়ের করেন তিনি। রিটের শুনানিতে অংশ নেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। এই তথ্য জানিয়েছেন সিলেট বিএনপি নেতা আলী আহমদ।
তিনি বলেন, সমাবেশ করতে অনুমতি না দেয়া অগণতান্ত্রিক, সংবিধান পরিপন্থি ও মৌলিক অধিকারের হরণ। আমরা এই বিষয়টি আদালতের গোচরে এনে রিট করেছি। রিটের প্রাথমিক শুনানিতে ড. কামাল হোসেন অংশ নেন।

আলী আহমদ জানান, সোমবার সকালে রিটের শুনানির জন্য সময় ধার্য করেছেন আদালত। সূত্র মতে এর আগে সিলেটে সমাবেশের অনুমতি কেন দেয়া হবে না জানতে চেয়ে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজিপি এবং সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার বরাবর আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা সিনিয়র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামী ২৩ অক্টোবর সিলেটে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়ে পুলিশের অনুমতি চেয়েছিল। তবে পুলিশ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কায় অনুমতি দেয়নি পুলিশ। পরে একদিন পিছিয়ে সমাবেশ নির্ধারণ করা হয় ২৪ অক্টোবর। এই সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ফের পুলিশে আবেদন করলেও প্রত্যাখ্যান করা হয়। তবে অনুমতি না মিললেও এদিন ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতারা সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরান (র.) এর মাজার জিয়ারতে আসবেন বলে দলীয় সূত্র জানায়।
এদিকে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের আগমন ও সিলেটে জনসভার আয়োজন, পুলিশী বাধা নিয়ে স্থানীয় ভাবে বেশ আলোচনা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের কর্মকান্ড ও তৎপরতা নিয়ে সাধারণের কৌতুহলেরও শেষ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাসুদা ভাট্টি ভীষণ রকম চরিত্রহীন মহিলা : তসলিমা নাসরিন

দেশের খবর: একটি টিভি চ্যানেলের টক শোতে লেখিকা মাসুদা ভাট্টিকে অশালীনভাবে আক্রমণ করায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। অনেক মানুষ মাসুদা ভাট্টির পাশে দাঁড়িয়ে মইনুল হোসেনকে ক্ষমা চাইতে বলছেন। দেশের ৫৫ জন বিশিষ্ট সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক তার পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন। কিন্তু বেশ আশ্চর্যজনকভাবেই প্রখ্যাত নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন মাসুদা ভাট্টির কঠোর সমালোচনা করলেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মাসুদা ভাট্টিকে তিনি ‘চরিত্রহীন’ আখ্যা দিয়েছেন!

তসলিমা লিখেছেন, ‘কে মইনুল হোসেন, কী করেন, কী তার চরিত্র, কী তার আদর্শ আমি জানি না, তবে জানি মাসুদা ভাট্টি একটা ভীষণ রকম চরিত্রহীন মহিলা। চরিত্রহীন বলতে আমি কোনোদিন এর ওর সঙ্গে শুয়ে বেড়ানো বুঝি না। চরিত্রহীন বলতে বুঝি, অতি অসৎ, অতি লোভী, অতি কৃতঘ্ন, অতি নিষ্ঠুর, অতি স্বার্থান্ধ,অতি ছোট লোক। মাসুদা ভাট্টি এসবের সবই।’

এরপরেই মাসুদা ভাট্টিকে এভাবে আক্রমণ করার কারণ বলেছেন তসলিমা, ‘মহিলাটির জন্য ১৯৯৬ বা ১৯৯৭ সালে আমার কাছে খুব করে আব্দার করেছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। লন্ডন থেকে স্টকহোমে আমাকে ফোন করে বলেছিলেন, মাসুদা ভাট্টি বাংলাদেশের মেয়ে। এক পাকিস্তানি লোককে বিয়ে করে এখানে ছিল। পাকিস্তানির সঙ্গে তালাক হয়ে গেছে। এখন ব্রিটেন থেকে ওকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন তুমিই একমাত্র বাঁচাতে পারো ওকে। ওর জন্য ব্রিটিশ সরকারকে একটা চিঠি লিখে দাও। লিখে দাও মাসুদা ভাট্টি বাংলাদেশে তোমার পাব্লিশার ছিল, তোমার জন্য আন্দোলন করেছে। ও যদি এখন দেশে ফিরে যায়, ওকে মেরে ফেলবে মৌলবাদিরা।’

‘আমি বললাম, মহিলাকে আমি চিনিই না। আর আপনি বলছেন ও আমার পাবলিশার ছিল? আমি মিথ্যে বলি না। আমি মিথ্যে কথা বলতে পারব না। এরপর ওই মহিলা আমাকে ফোন করে কান্নাকাটি, আমাকে বাঁচান। আপনি না বাঁচালে আমি মরে যাবো জাতীয় কান্না। কাউকে কাঁদতে দেখলে নিজের চোখেও জল চলে আসে। ব্রিটিশ সরকারের কাছে মাসুদা ভাট্টিকে না তাড়ানোর জন্য অনুরোধ করলাম। মহিলার জন্য মিথ্যে কথা আমাকে লিখতে হলো, লিখতে হলো, আমার পাবলিশার ছিল সে, দেশে ফিরলে তাকে মেরে ফেলবে মৌলবাদিরা। তখন আমার খুব নাম ডাক। আমার চিঠির কারণে মাসুদা ভাট্টির পলিটিক্যাল এসাইলাম হয়ে গেল, ব্রিটেনের নাগরিকত্বও হয়ে গেল।’

‘তারপর কী হলো? তারপর ২০০৩ সালে আমার আত্মজীবনীর তৃতীয় খণ্ড ‘ক’ যখন বাংলাদেশে বের হলো,আমি কেন নারী হয়ে দেশের এক বিখ্যাত পুরুষের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করেছি, আমি কেন নারী হয়ে নিজের যৌনতার কথা লিখেছি, সারা দেশের নারী-বিদ্বেষী আর ধর্মান্ধ মৌলবাদি গোষ্ঠি উন্মাদ হয়ে উঠলো আমাকে অপমান আর অপদস্থ করার জন্য, আমাকে অবিরাম অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালি তো দিতেই লাগলো, আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতে শুরু করলো, সেই মিছিলে সামিল হলো মাসুদা ভাট্টি।’

‘আমার বিরুদ্ধে এ যাবৎ প্রচুর কুৎসিত লেখা লিখেছে লোকে, সর্বকালের সর্বকুৎসিত লেখাটি লিখেছে মাসুদা ভাট্টি। সবচেয়ে জঘন্য, সবচেয়ে অবিশ্বাস্য, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর, সবচেয়ে বীভৎস সে লেখা। এত ভয়াবহ আক্রমণ আমার চরমতম শত্রুও আমাকে কোনোদিন করেনি। ‘ক’ বইটি নাকি ল্যাম্পপোস্টের নিচে বসে শরীরে ঘিনঘিনে ঘা ওলা রাস্তায় পড়ে থাকা এক বুড়ি বেশ্যার আত্মকথন! মাসুদাভাট্টি আমার উপকারের জবাব ওভাবেই দিয়েছিল। ও যদি চরিত্রহীন না হয়, দুনিয়াতে চরিত্রহীন কে?’

‘আজ দেশের ৫৫ জন বিশিষ্ট সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির পক্ষে লড়ছেন কারণ কেউ তাকে চরিত্রহীন বলেছে। যত অশ্লীল শব্দ বাক্য পৃথিবীতে আছে, তার সবই আমার বিরুদ্ধে উচ্চারিত হচ্ছে আশির দশক থেকে। আমি তো জনপ্রিয় কলাম লেখক ছিলাম তখন, জনপ্রিয় লেখক ছিলাম, কই কোনো বিশিষ্ট সম্পাদক আর কোনো সিনিয়র সাংবাদিককে তো আমার বিরুদ্ধে হওয়া লাগাতার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করতে কোনোদিন দেখিনি!’

‘আমার মাথার দাম ঘোষণা করা হলো, আমার বিরুদ্ধে লক্ষ লোকের লং মার্চ হলো, আমার ফাঁসির দাবিতে সারাদেশে দিনের পর দিন মিছিল হলো, সরকার একের পর এক আমার বই নিষিদ্ধ করলো, আমার মত প্রকাশের বিরুদ্ধে মামলা করলো, আমাকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিল, কই দেশের কোনো সম্পাদক বা সাংবাদিক কেউ তো টুঁ শব্দ করেননি। সে তো করেনইনি, বরং যে সব পত্রিকায় আমি নিয়মিত কলাম লিখতাম, সে সব পত্রিকার বিশিষ্ট সম্পাদকরা আমার কলাম ছাপানো বন্ধ করে দিয়েছেন।’
‘এই যে আজ ২৪ বছর আমাকে অন্যায়ভাবে কোনো সরকারই দেশে ফিরতে দিচ্ছে না, কোনো বিশিষ্ট জন তো মুখ খোলেন না। নারী সাংবাদিকরা আজ মাসুদা ভাট্টির পক্ষে প্রেস কনফারেন্স করছেন। নারীর সমানাধিকারের পক্ষে ৪০ বছর লিখছি , লেখার কারণে আমাকে যে এত হেনস্থা করলো পুরুষতান্ত্রিক সমাজ, কই কোনো নারী সাংবাদিককে তো আমার পক্ষে না হোক, আমার ওপর হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি ছোটখাটো প্রেস কনফারেন্সও কোনোদিন করতে দেখিনি। একজনের বেলায় বোবা, আরেকজনের বেলায় বিপ্লবী, এ খেলার নাম কী?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest