সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

অদ্ভুত ও বিচিত্র যত মৃত্যু!

অনলাইন ডেস্ক: প্রতিদিনই পৃথিবীতে নতুন প্রাণের আগমন ঘটছে, সাথে সাথে পৃথিবী ছেড়ে মহাকালের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছে কত মানুষ তারও হিসাব নেই। জন্ম নিয়ে মানুষের যতটা না কৌতূহল রয়েছে, মৃত্যু নিয়ে রয়েছে তার চেয়ে বেশি, সাথে আছে একটু ভয়ও। অধিকাংশই মৃত্যুকে ভয় পায় এবং সহজ উপায়ে মৃত্যু কামনা করে থাকে। তথাপি প্রতিদিন দুর্ঘটনাতেই বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। মৃত্যু তাই খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু স্বাভাবিক এই প্রক্রিয়া মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক এবং অদ্ভুত হয়ে ওঠে এর ধরনের জন্য। এমন কয়েকটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর কথা জেনে নেয়া যাক চলুন।

নিজের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া দেখে হার্ট অ্যাটাক
ফাজিলিউ মুখামেতজায়ানভ, জটিল এই নামটি যার, তার মৃত্যু হয়েছে আরো জটিল পন্থায়। ৪৯ বছর বয়সী এই ভদ্রমহিলা রাশিয়ার কাজান শহরে বাস করতেন। হঠাৎ একদিন প্রচণ্ড বুকব্যথা নিয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে। কয়েক ঘন্টা পর ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করে। ডেথ সার্টিফিকেটে লেখা হয়, বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক থেকে মৃত্যু হয়েছে মুখামেতজায়ানভের।

যা-ই হোক, তার শেষকৃত্যের দিন ঠিক করা হয় মৃত্যুর দুদিন পর। চার্চে যখন পরপারে তার আত্মার শান্তি কামনা করা হচ্ছে, তখন আত্মীয় স্বজনের মৃদু কান্নার স্বর পরিবেশ ভারী করে তুলেছে। এরকম ভারী পরিবেশে সকলের সামনে রাখা খোলা কফিনে হঠাৎ উঠে বসলেন মুখামেতজায়ানভ! পাঠে মগ্ন ফাদার তা খেয়াল করেননি, তবে আত্মীয় স্বজন সকলে স্থির হয়ে গেল, চিৎকার জুরে দিল বাচ্চারা। আর এমন পরিস্থিতিতে নিজের আত্মার জন্য শান্তি কামনা, শিশুদের চিৎকার, পরিচিতজনের ভীত চোখ, মোমবাতি আর ফুল, সবকিছু মিলিয়ে এক গম্ভীর ও গুরুভার পরিবেশ দেখে নিজেও চিৎকার করে উঠলেন মুখামেতজায়ানভ। এরপরই ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে। এবারের হার্ট অ্যাটাক ঠিকই তাকে পরপারে পাঠিয়ে দেয়।

ছবি যখন মৃত্যুর কারণ
কানাডার মন্ট্রিলের অধিবাসী মারিয়া প্যান্টাজুপুলাসের সবচেয়ে বড় শখ জীবনের গুরুত্বপুর্ণ ঘটনাগুলোকে ছবির অ্যালবামে বন্দী করে রাখা। আর এই শখই দুর্ভাগ্যক্রমে তার মৃত্যু ডেকে আনে। ২০১২ সালের মে মাসে বিয়ে করেন মারিয়া। কিন্তু নানা কারণে বিয়েতে মনমতো ছবি তুলতে পারেননি তিনি। ছবি তোলার এই আকাঙ্ক্ষা পূরণের সুযোগ পান সে বছর আগস্টে। একজন ফটোগ্রাফার ভাড়া করে নিয়ে, বিয়ের পোশাক পরে চলে গেলেন মন্ট্রিলের খরস্রোতা নদী কোয়ারুতে। ছবি তোলার একপর্যায়ে ‘ট্র্যাশ দ্য ড্রেস’ ট্রেন্ড অনুসরণ করার জন্য নেমে গেলেন ফুট দুয়েক গভীর পানিতে। সেখানে নানা ভঙ্গিমায় পোশাক ভিজিয়ে যখন ছবি তুলছেন, ততক্ষণে তার পোশাক ভিজে ভীষণ ভারী হয়ে গেছে। একসময় যখন বুঝতে পারলেন নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখা কষ্টকর, তখন ফটোগ্রাফারকে ডাক দিলেন সাহায্যের জন্য। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। পা পিছলে পড়ে যেতেই স্রোতের টানে একদম নদীর মাঝে চলে গেলেন। প্রায় ৪ ঘন্টা খোঁজাখুঁজির পর ডুবুরিরা মারিয়াকে খুঁজে পায়। ততক্ষণে তিনি বিয়ের পোশাকে মৃত বধু হিসেবে পত্রিকার শিরোনাম হয়ে গেছেন।

আত্মহত্যার অদ্ভুততম উপায়?
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডার অধিবাসী ৭৭ বছর বয়সী ডেভিড পেন্ডেলটনের মৃত্যু নিয়ে অনেক জল্পনা কল্পনা হলেও, অধিকাংশের মতে সেটি ছিল আত্মহত্যার ছক। ঘটনাটি ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসের। স্ত্রীর মৃত্যুর সপ্তাহখানেক পর পেন্ডেলটন নিকটবর্তী থানায় ফোন করে জানালেন তার বাড়ির সামনে একটি লাশ পড়ে আছে। পুলিশ সেখানে পৌঁছুতেই দেখা গেল পেন্ডেলটন পারিবারিক সমাধিক্ষেত্রে একটি শটগান নিয়ে বসে আছেন। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, পেন্ডেলটনের সদ্য মৃত স্ত্রীর সমাধির পাশে পেন্ডেলটনের সমাধিফলক, যেখেন পেন্ডেলটনের জন্মতারিখ লেখা তবে মৃত্যুর তারিখ লেখা ছিল না। পুলিশ কাছাকাছি পৌঁছুতেই হঠাৎ উদভ্রান্তের মতো আচরণ শুরু করেন পেন্ডেলটন। তিনি লোডেড শটগানটি একজন অফিসারের দিকে তাক করে বারবার গুলি করার হুমকি দিতে শুরু করলে একজন অফিসার তাকে গুলি করে হত্যা করেন। পেন্ডেলটনের ডাক্তারি ইতিহাস ঘেটে জানা যায় তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তাই অনেকের ধারণা, নিজের জন্য সমাধি বানিয়ে নিজেই পুলিশ ডেকে অভিনব উপায়ে আত্মহত্যা করেছেন পেন্ডেলটন!

পিরানহার পেটে জীবনদান
পিরানহা মাছের নাম কারোরই অজানা নয়। আকারে ছোট হলে কী হবে, এদের করাতে মতো দাঁত দেখলে এমনিই গা ছমছম করে। মাংসাশী এই মাছের পেটে যাওয়ার চেয়ে আগুনে পুড়ে মৃত্যুকেই অধিকাংশ গ্রহণ করে নেবে। এ মাছের খপ্পড়ে পড়ার কথা যেখানে স্বপ্নেও কল্পনা করা কষ্টকর, সেখানে কেউ ইচ্ছে করে পিরানহার পেটে গিয়েছেন, তা বিশ্বাস করাও কঠিন! এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছিল ২০১১ সালে। বলিভিয়ার রোজারিও শহরে নাম না জানা কোনো এক কিশোর পিরানহা আছে এমন এক নদীতে লাফিয়ে আত্মহুতি দেয়। আধাখাওয়া লাশ উদ্ধারের পর পরীক্ষা করে দেখা যায় নদীতে লাফানোর পূর্বে সে ব্যাপক পরিমাণে মদ পান করেছিল। তাই ধরে নেয়া হয়, এটি একটি আত্মহত্যা।

দেহের ভেতরে আগুন লেগে পুড়ে ছাই!
ধরুন, আপনি ঘরে বসে আপন মনে মদ পান করছেন। অনেকটা পান করার পর সিগারেট ধরাতে গিয়ে আপনার মুখের মধ্যে চলে গেল জ্বলন্ত সিগারেটের খানিকটা ফুলকি। ব্যস আপনার গলা থেকে পেট অবধি জ্বলতে শুরু করলো, আপনি মাটিতে পড়ে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন! খুব সম্ভবত এরকমটাই ঘটেছিল যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার বাসিন্দা ডেনি ভ্যানজান্ডটের ভাগ্যে। তার ফ্ল্যাটে যখন তার মৃতদেহ আবিষ্কৃত হয়, তখন তখন আর তাকে চেনার উপায় নেই। অটোপসি করার পর ডাক্তাররা জানান, ড্যানির মৃত্যু হয়েছে মৃদু আগুনে দীর্ঘক্ষণ ঝলসে, যার উৎপত্তি তার দেহের ভেতরেই! তাছাড়া মৃতদেহের আশেপাশে অক্ষত আসবাবপত্র দেখেও পুলিশের মনে হয়েছে বাইরে থেকে নয়, বরং ড্যানির সিগারেটই আগুনের উৎপত্তি ঘটিয়েছিল।

ইনজেকশনে স্যুপ প্রয়োগে রোগীর মৃত্যু!
ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরো শহরের নামকরা এক হাসপাতালে ‘পালমোনারি এমবোলিজম’ সমস্যা নিয়ে ভর্তি হন ৮৮ বছরের বৃদ্ধ ইলডা ভিতর মেসিয়েল। হাসপাতালে ভর্তির তৃতীয় দিন তিনি মারা যান। তার রোগের মাত্রা বেশ তীব্র ছিল এবং তার মৃত্যু হয়তো স্বাভাবিক বলেই ধরে নেয়া যেত। কিন্তু তা ঘটেনি এক নার্সের ভুলের কারণে। মৃত্যুর কয়েকঘন্টা পূর্বে ঐ নার্স ইলডাকে ফিডিং টিউবের স্থলে ভুলক্রমে ইনজেকশনেই স্যুপ দিয়ে দেয়! যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, স্যুপের জন্য ইলডার মৃত্যু হয়নি, তথাপি রক্তপ্রবাহে স্যুপ যে ইলডার মৃত্যু তরান্বিত করেছিল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ইলডার পরিবার পরে হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়।

বিশ্বাসের পরীক্ষা দিতে গিয়ে মৃত্যু!
“তারা (বিশ্বাসীরা) সাপ হাতে তুলে নেবে কিন্তু (সাপ) তাদেরকে কাটবে না; তারা যদি কোনো প্রাণনাশক কিছু খেয়ে ফেলে, তা তাদের ক্ষতি করবে না; তারা রোগের কপালে হাত বুলালে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে।”- পবিত্র বাইবেল, গসপেল অব মার্ক, অধ্যায় ১৬, অনুচ্ছেদ ১৮
ধর্মভীরু খ্রিস্টানদের মাঝে বাইবেলের বিশ্বাস কম-বেশি আছে। তবে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের যাজক ম্যাক উলফোর্ডের বিশ্বাস ছিল অবিশ্বাস্য রকমের শক্ত। তিনি নিজেকে খাটি বিশ্বাসী বলে পরিচয় দিতেন এবং সর্বদা বিশ্বাসের পরীক্ষা দিতে ভালোবাসতেন। ‘ওল্ড ইয়েলার’ নামক একটি বিষাক্ত র‍্যাটল স্নেক পুষতেন তিনি, যেটি হাতে নিয়ে কিংবা কাঁধে ঝুলিয়ে প্রায়ই এলাকায় হাঁটতে দেখা যেত তাকে। কারণ, যেহেতু তিনি বিশ্বাসী, তাকে তো সাপে কামড়াবে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে একদিন সত্যিই কামড় দিয়ে দিল তার পোষা ওল্ড ইয়েলার। প্রাথমিক বিষক্রিয়ায় মুষড়ে পড়লেও তিনি কঠোরভাবে নিষেধ করেন ডাক্তার আনতে। কারণ, তার বিশ্বাস ছিল ঈশ্বর তাকে মরতে দেবেন না! তার অনুরোধ, আকুতি কিংবা আদেশ যা-ই হোক না কেন, তার সম্মানে প্রথমে কেউ ডাক্তার ডাকেননি। কিন্তু ৬/৭ ঘন্টা পর যখন উলফোর্ড নিস্তেজ হয়ে যেতে শুরু করলেন, তখন তার অনুরোধ উপেক্ষা করেই ডাকা হয় ডাক্তার। কিন্তু ততক্ষণে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে বিশ্বাসের চূড়ান্ত পরীক্ষা দিয়ে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন উলফোর্ড।

যে মৃত্যু টাকা আনে!
২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লরেন্সভিলের বাসিন্দা উইলিয়াম মার্টিনেজ এক অদ্ভুত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। আর তার মৃত্যুপরবর্তী ঘটনাবলী ছিল আরো অদ্ভুত। মৃত্যুর এক সপ্তাহ পূর্বে, মাসাধিককাল বুকের ব্যথায় ভোগার পর ডাক্তারের শরণাপন্ন হন মার্টিনেজ। ডাক্তার তাকে আটদিন পর একটি ‘নিউক্লিয়ার স্ট্রেস’ টেস্ট করানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষার তারিখের একদিন আগে মৃত্যুবরণ করেন মার্টিনেজ। নিজের এক বান্ধবী ও বন্ধুর সাথে যৌনকর্ম করাকালীন তার মৃত্যু হয়। তদন্তে জানা যায় যে, যৌনকর্মে অতিরিক্ত শারীরিক শক্তি ব্যয়েই তার মৃত্যু হয়েছে। এজন্য তার পরিবার ডাক্তারকে দায়ী করে ৫ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করে, এজন্য যে ডাক্তার তাকে টেস্টের আগে সবধরনের শারীরিক পরিশ্রম থেকে দূরে থাকতে পরামর্শ দেননি! কিন্তু আদালতে দুই পক্ষের তর্ক-বিতর্কের পর ক্ষতিপূরণ ৩ মিলিয়নে কমিয়ে আনা হয়, যার কারণটি আরো অদ্ভুত। আদালতে প্রমাণিত হয় যে মৃত্যুর জন্য মার্টিনেজ নিজেও ৪০ শতাংশ দায়ী, তাই ক্ষতিপূরণের অর্থও ৪০ শতাংশ কমানো হয়!

ডুবে যায় যাক, তাকে ছোঁয়া যাবে না!
‘কুইন অব সিয়াম’ নামে পরিচিত হতেন থাইল্যান্ডের রানীগণ। সুনন্দা কুমারিরত্না ছিলেন এমনই একজন রানী। তিনি ছিলেন থাইল্যান্ডের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘকালীন সময়ের রাজাদের একজন রাজা মোংকাটের মেয়ে। ১৮৮০ সালে সুনন্দার মৃত্যু হয় এরকমই এক পন্থায় যার জন্য বহুকাল থাইল্যান্ডবাসী আফসোস করেছে। সে বছর মেয়ে মাসে তিনি তার দু’বছর বয়সী কন্যাশিশুকে নিয়ে নৌকাভ্রমণে বের হন। হঠাৎ একটা বড় ঢেউয়ে নৌকা উল্টে দিলে শিশু সন্তান সহ সকলের চোখের সামনে ডুবে যান সুনন্দা। হ্যাঁ, সকলের চোখের সামনেই! তাকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আরো একাধিক নৌকা এবং রক্ষী থাকলেও কেউ এগিয়ে আসেনি তাকে রক্ষা করতে। কারণ? রাজপরিবারের কঠোর হুকুম, সুনন্দা যদি মৃত্যুমুখেও পতিত হন, তথাপি তাকে কোনো রক্ষী ছুঁতে পারবে না! আর এরকম নিষ্ঠুর আইনের কারণে সেদিন অসহায় সুনন্দা আর তার শিশু কন্যাটি ডুবে মারা যায়।

তেলে ডুবে মৃত্যু
তামিল সিনেমা ‘অপরিচিত’ এর একটি দৃশ্যে একজন জীবন্ত মানুষের গরম তেলে পুড়ে যাওয়ার চিৎকার শুনে যে কারোর শরীরে ভয় ধরানো শিহরন জাগবে নিশ্চিত। গরম তেলের মধ্যে পুড়ে যাওয়া নিশ্চিতভাবেই সবচেয়ে কষ্টকর মৃত্যুর একটি। দুর্ভাগ্যক্রমে এরকমটি বাস্তবজীবনেও ঘটেছে ৬১ বছর বয়সী জন করোডি নামক এক শ্রমিকের সাথে। চলতি বছরের আগস্ট মাসে একটি তেল আর গ্রিজ ভর্তি চৌবাচ্চার ভেতরে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় করোডির। তিনি ছিলেন ‘হারভেস্ট পাওয়ার’ নামক একটি খাদ্যবর্জ্য ও উচ্ছিষ্ট পুনর্ব্যবহার কোম্পানির শ্রমিক। ফ্লোরিডায় ওয়াল্ট ডিজনির একটি ট্রাক থেকে তেল ও গ্রিজ একটি বিশাল চৌবাচ্চার মধ্যে স্থানান্তর করছিলেন করোডি এবং আরো একজন শ্রমিক। দুর্ঘটনাবশত পিছলে চৌবাচ্চার ভেতরে পড়ে যান করোডি। তাকে ওঠানোর চেষ্টা করা হলেও প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি। ফলে চৌবাচ্চার ভেতরেই মৃত্যু হয় তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিটিভিতে প্রচারিত সেরা ৩ বিদেশি টিভি সিরিজ

বিনোদনের খবর: আশির দশকে বিটিভির যে দাপুটে সময় শুরু হয়েছিল তা নব্বইয়ের দশকেও অব্যাহত ছিল। সেই সময়ে কালজয়ী সব নাটকের আলোয় বিটিভি হয়েছিল আলোকিত। শুধুমাত্র দেশীয় নাটকে সীমাবদ্ধ না থেকে দর্শকদের ভিন্ন স্বাদ দেওয়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত এই চ্যানেলটি বিদেশি টিভি সিরিজ দেখানো শুরু করে। কিছু সিরিজ মূল ইংরেজি ভাষাতেই দেখানো হয় আর কিছু সিরিজ বাংলায় ডাবিং করেও দেখানো হয়। ভিন্নধর্মী এই উদ্যোগকে দর্শকরা সাদরে গ্রহণ করেছিল। দীর্ঘ সময়ে অনেকগুলো বিদেশি টিভি সিরিজ প্রচার করেছে বিটিভি। এদের মধ্য থেকে মাত্র তিনটিকে বেছে নেওয়া আসলেই কিছুটা কঠিন। তারপরও উল্লেখযোগ্য তিনটি টিভি সিরিজ নিয়ে আজকের আয়োজন।

১. ম্যাকগাইভার
প্রথম যে বিদেশি সিরিজটি ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল সেটি ম্যাকগাইভার। পুরো দেশকে অন্যরকম নেশায় বুঁদ করে রেখেছিল। আশির দশকে প্রচারিত এই সিরিজটির কাহিনীর মূলে ছিল ম্যাকগাইভার নামক এক যুবক। পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র ম্যাকগাইভার একজন বিজ্ঞানী, তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেন। পেশায় গুপ্তচর হওয়া সত্ত্বেও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে সবসময় অনীহা প্রকাশ করেছেন তিনি, শৈশবে অসাবধানতাবশত গুলি চালাতে গিয়ে এক বন্ধুর মৃত্যুই এর মূল কারণ ছিল।

আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে আগ্রহ না থাকলেও গুপ্তচরবৃত্তি করতে গিয়ে বহুবার আগ্নেয়াস্ত্রের সম্মুখীন হতে থাকেন তিনি। তাহলে কীভাবে এসব বিপদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে দেশের হয়ে কাজ করবেন? বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগানোর ক্ষমতাই তার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে। নিশ্চিত মৃত্যুর মুখেও সেখান অতি অল্প সময়ে কীভাবে নানা ধরনের জটিল যন্ত্র তিনি উদ্ভাবন করতেন তা-ই এই সিরিজের মূল আকর্ষণ।
ম্যাকগাইভার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেছিলেন আমেরিকান অভিনেতা রিচার্ড ডিন অ্যান্ডারসন। ১৯৮৫ সালে শুরু হওয়া এই টিভি সিরিজ সাত মৌসুম চলার পর ১৯৯২ সালে শেষ হয়। বাংলাদেশে এই সিরিজটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা অন্যান্য বিদেশী টিভি সিরিজ প্রচারের পথ মসৃণ করে দেয়।

২. দ্য অ্যাডভেঞ্চার্স অব সিনবাদ
আটলান্টিস ফিল্ম ও অল আমেরিকান টেলিভিশন- এই দুই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মিলে ১৯৯৭ সালে তৈরি করে ‘দ্য অ্যাডভেঞ্চার্স অব সিনবাদ’। কানাডীয় এই টিভি সিরিজের সাথে আলিফ লায়লার সিনবাদের একমাত্র মিল ছিল দুটিতেই গল্পের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বাগদাদ শহর। বাকি সবকিছু আমূল বদলে ফেলা হয়েছিল।

গল্পের শুরুতে দেখা যায় বাগদাদের রাজার হবু পুত্রবধূকে তুরক নামের এক কালো জাদুকর অপহরণ করে ধরে নিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করার দায়িত্ব সিনবাদের উপরে এসে পড়ে। নিজের ভাই শক্তিশালী ডুবার, বন্ধু আবিষ্কারক ফিরোজ, ছোরা ছুঁড়তে ওস্তাদ রঙ্গারকে সাথে নিয়ে সেই কন্যাকে উদ্ধার করতে যাত্রা শুরু করেন সিনবাদ। পথিমধ্যে সাহায্যের জন্য সিনবাদ তার গুরু ভালো জাদুকর ডিমডিমের সাহায্য নেন। সেখানে দেখা হয় মেইভ নামক এক মেয়ের সাথে যিনি গুরু ডিমডিমের কাছে জাদুবিদ্যা শিখছিলেন।

কালো জাদুকর তুরককে শেষ করে দিয়ে হবু রাজবধূকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও সেটা করতে গিয়ে সিনবাদের গুরু ডিমডিম অজানা এক রাজ্যে হারিয়ে যান। এদিকে তুরকের কন্যা রুমিনা বাবাকে হারানোর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য সিনবাদের দলের উপর বার বার আঘাত হানতে থাকে। রুমিনার বাঁধা পার হয়ে সিনবাদ কি তার গুরু ডিমডিমকে ফিরে পাবে? মেইভের পোষা ঈগল পাখি ডারমটের রহস্যটাই বা কি? রুমিনার সাথে মেইভের কিসের শত্রুতা? এরকম নানা প্রশ্ন নিয়ে সিরিজটির কাহিনী এগিয়ে গেছে।

কাহিনীর মূল প্রেক্ষাপট ধরে রেখে প্রতিটি পর্বেই এক একটি নতুন গল্প উপস্থাপন করা হতো। সেই গল্পে রুমিনা ছাড়াও আরো অনেক শত্রুর সম্মুখীন হতো সিনবাদ ও তার বন্ধুরা। এসব রোমাঞ্চকর অভিযানের কারণে প্রতিটি পর্বই দর্শকরা খুব আগ্রহ নিয়ে দেখতো। এই অভিযানের সাথে সিনবাদ ও মেইভের দুষ্টু-মিষ্টি সম্পর্ক বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে যোগ হয়েছিল। সিনবাদ চরিত্রে জেন জেসনার ও মেইভ চরিত্রে জ্যাকুলিন কোলেনের মতো অসামান্য সুদর্শন দুইজন থাকায় এই জুটি প্রায় সবার মনেই আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল।

এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে জর্জ বুজা, টিম প্রগোশ, অরিস এরহুয়েরোর অভিনয়ও বেশ প্রশংসনীয় ছিল। বিশেষ করে খলনায়িকা রুমিনা চরিত্রে জুলিয়ান মরিস অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন। প্রথম মৌসুমের ২২টি পর্বের মধ্যে যেসব পর্বে রুমিনা থাকতো সেসব পর্বের গল্প অনেক বেশি জমজমাট হতো। তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে দ্বিতীয় মৌসুমে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন প্রথম মৌসুমের সেই উত্তেজনায় পানি ঢেলে দেয়। পারিবারিক সমস্যার কারণে জ্যাকুলিন কোলেন সরে যাওয়ায় সবার প্রিয় জুটি সিনবাদ-মেইভকে দ্বিতীয় মৌসুমে আর দেখা যায়নি। সে কারণে মেইভ চরিত্রটিকে সরিয়ে দিয়ে ব্রাইন নামক একটি চরিত্রকে গল্পে আনা হয়।
তবে ব্রাইন চরিত্রে মারিয়া শারলে দর্শকমহলে সেভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি। তাছাড়া দ্বিতীয় মৌসুমে মূল খলনায়িকা রুমিনাও অনুপস্থিত থাকায় গল্পের জৌলুসও অনেকখানি কমে যায়। পরিকল্পনা ছিল তৃতীয় মৌসুমের মাধ্যমে সিরিজটি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করা হবে। কিন্তু দুই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের দ্বন্দ্বের কারণে কাজ আর শুরু হয়নি। ফলে তুমুল জনপ্রিয় এই টিভি সিরিজটি অসমাপ্তভাবেই শেষ হয়ে যায়।

৩. দ্য নিউ অ্যাডভেঞ্চার্স অব রবিনহুড
ধনীদের কাছ থেকে সম্পদ লুটে নিয়ে নিপীড়িত সাধারণ মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া রবিনহুডের গল্প আমরা কমবেশি সবাই শুনেছি। সেই গল্পের সূত্র ধরেই ১৯৯৭ সালে নির্মাণ করা হয় ‘দ্য নিউ অ্যাডভেঞ্চার্স অব রবিনহুড’। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে প্রজারা নানাভাবে অত্যাচারিত হতো। সেই অত্যাচারী রাজদরবারের বিরুদ্ধে রবিনহুড নামের এক যুবক বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। অত্যাচারী শাসকদের বিরুদ্ধে তিনি নিজেই একটা বাহিনী গঠন করে ফেলেন যেখানে তার সঙ্গী ছিলেন সুন্দরী ম্যারিয়ন, যোদ্ধা লিটল জন ও জ্ঞানী ফ্রায়ার টাক।

মূল রবিনহুড গল্পে জাদুবিদ্যার কোনো প্রয়োগ ছিল না কিন্তু টিভি সিরিজে কিছুটা বাড়তি আকর্ষণ যোগ করার জন্য জাদুবিদ্যার প্রয়োগ দেখানো হয়েছিল। অত্যাচারীদের বিভিন্ন কালো জাদুর হাত থেকে কীভাবে রবিনহুডের দল সাধারণ প্রজাদের রক্ষা করে সেটা নিয়েই মূল গল্প এগিয়ে গেছে। পৌরাণিক চরিত্র হিসেবে রবিনহুড এমনিতেই জনপ্রিয়, টিভি সিরিজে কিছুটা ভিন্নভাবে এই চরিত্রটিকে উপস্থাপন করায় দর্শকরা সিরিজটির ব্যাপারে আরো বেশি আগ্রহ অনুভব করে।

তাছাড়া রবিনহুড চরিত্রে ম্যাথু পোরেটাকে বেশ ভালো মানিয়েছিল। ফ্রেঞ্চকাট দাঁড়ির সুদর্শন যুবক পোরেটা সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে গিয়েছিল। তার সাথে সাথে ম্যারিয়ন চরিত্রে অভিনয় করা অ্যানা গ্যালভিনের জুটিটাও বেশ জমে উঠেছিল। কিন্তু সিনবাদের মতো এই সিরিজটিতেও অভিনেতা পরিবর্তনের কারণে অনেককিছু এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় মৌসুমে ম্যারিয়ন চরিত্রে গ্যালভিনের পরিবর্তে বারবারা গ্রিফিনকে নিয়ে আসা হয়। গ্রিফিনের চেহারা কিছুটা গ্যালভিনের মতো হওয়ায় এই পরিবর্তনে তেমন ক্ষতি হয়নি।

আসল ধাক্কাটা আসে তৃতীয় মৌসুমে, সিরিজের মূল আকর্ষণ রবিনহুড চরিত্রের ম্যাথু পোরেটার বদলে নিয়ে আসা হয় জন ব্রাডলিকে। অত্যন্ত সুদর্শন যুবক পোরেটার বদলি হিসেবে কিছুটা বয়স্ক ব্রাডলিকে রবিনহুড চরিত্রে একদমই মানাচ্ছিল না। তাই সিরিজটির জনপ্রিয়তাও বেশ কমে যায়। শেষপর্যন্ত চার মৌসুম চলার পর সিরিজটি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অমৃতসরে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে

বিদেশের খবর: ভারতের অমৃতসরে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১ জন হয়েছে। অমৃতসর রেল স্টেশন থেকে তিন কিলোমিটার দূরে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এ তথ্য জানান। এ সময় ট্রেনটি জলান্ধর থেকে অমৃতসর যাচ্ছিল।
তিনি আরও জানান, আহত কমপক্ষে ৭৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে শুক্রবার সন্ধ্যায় অমৃতসরের যোধা ফটকের কাছে রেল লাইনের ধারে রাবণ বধের অনুষ্ঠান চলছিল। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে, রেললাইনের উপর উঠে অনুষ্ঠান দেখতে শুরু করেন অনেকে। এ সময় রাবণের কুশপুতুলে দাহের সময় বাজির শব্দে কোনো অন্য আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল না। এ কারণে ট্রেনের হুইসেল কেউ শুনতে পায়নি। ফলে ট্রেনটি দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের উপর দিয়ে চলে যায়। এতে শিশুসহ অন্তত ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭৪ জন। অমৃতসরে মহাকুমা ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ শর্মা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে অমৃতসর সিভিল হাসপাতালের চিফ মেডিকেল অফিসার জানিয়েছেন সেখানকার চিকিৎসকরা আহত কমপক্ষে ৮০ জনকে চিকিৎসা দিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মৃতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। সংবাদ সংস্থা আইএএসএস জানিয়েছে, ঘটনার সময় সেখানে ৭০০ মানুষ উপস্থিত ছিল।
এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই এক টুইটার বার্তায় ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ভারতীয় রেলওয়ে ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে নিহতের পরিবার ও আহতদের সাহায্যের জন্য পদক্ষেপ দিতে বলেছেন। তিনি নিহতের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
অপর এক টুইটার বার্তায় তাৎক্ষণিক শোকপ্রকাশ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, এ দুর্ঘটনায় যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছে আমি তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। পাশাপাশি যারা আহত হয়েছেন তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

এছাড়া কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীসহ অনেকে শোকপ্রকাশ এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় প্রার্থনা করেছেন।
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং বলেন, আমি দুর্ঘটনার খবর শোনামাত্রই ঘটনাস্থলে গিয়েছি। সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতাল খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছি। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের পাঁচ লাখ রূপি করে দেয়া হবে।
অপরদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের অতিরিক্ত আরও দুইলাখ রূপি করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে থেকে সংসদ নির্বাচন নয়

রাজনীতির খবর: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পদে থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা যাবে না। প্রার্থীর মনোনীত ব্যক্তিরাও এসব পদে থাকতে পারবেন না। নির্বাচনের সময় দলের পদধারীরাও পারবেন না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পর্ষদে থাকতে। নির্বাচনের আগেই তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
এসব বিধান যুক্ত করে সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি সংশোধনের সুপারিশ করেছে নির্বাচন কমিশনের আইন সংস্কার কমিটি। আইন সংস্কার কমিটি আরও তিনটি ক্ষেত্রে সংশোধনের সুপারিশ প্রস্তুত করেছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। রবিবার (২১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিতব্য কমিশন সভায় এসব বিধি চূড়ান্ত হতে পারে। ওই দিন বিকাল ৩টায় কমিশন সভা অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।
বৈঠকের এজেন্ডা হচ্ছে, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা ২০০৮ সংশোধন, স্বতন্ত্র (প্রার্থী সমর্থন যাচাই) প্রার্থী বিধিমালা ২০১১ সংশোধন ও বিদেশি পর্যবেক্ষক বিধিমালা ২০১৮। কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যমান আচরণ বিধিমালার ৬ এর (১) এর খ দফায় পরিবর্তন আসছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে নির্বাচনি সভার অনুমোদনের বিষয়টি সহজ করার কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে বিদ্যমান অনুমোদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সভার অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে না দেওয়া হলে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হবে। অনুমোদন পাওয়ার নিশ্চয়তার জন্য এই প্রস্তাব করা হয়েছে বলে সংস্কার কমিটি তাদের সুপারিশের কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে।
আচরণবিধির ৭ এর উপবিধি ৫ এর পর ৫ (ক) সন্নিবেশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রে নির্বাচনে প্রচারণায় ডিজিটাল ডিসপ্লে ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বিধির ৯ উপবিধির পর ৯ (ক) যুক্ত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রার্থীর প্রতীক হিসেবে জীবন্ত প্রাণী ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়া বিধি ১৪ এর উপবিধি ৪ সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কোনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক কমিটির সদস্য/নেতা/কর্মী, কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে আগে সভাপতি বা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত বা মনোনীত হয়ে থাকলে বা কোনও মনোনয়ন পেয়ে থাকলে নির্বাচনের আগে তিনি বা তদকর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে থাকতে পারবেন না।’
এই সংশোধনী প্রস্তাবের যৌক্তিকতায় সংস্কার কমিটি বলেছে- ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী। রাজনৈতিক দলের নেতারা সভাপতি বা সদস্য হিসেবে বহাল থাকলে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তার ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার রোধের জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।
বিদ্যমান বিধিমালায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পর্ষদে থাকার সুযোগ রয়েছে। তবে তারা নির্বাচনের আগে প্রতিষ্ঠানের কোনও অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করতে পারবেন না বা প্রতিষ্ঠানের কোনও কাজে জড়িত হতে পারবেন না বলে বিধান রয়েছে।
আচরণ বিধিমালার সংশোধন প্রস্তাব সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসির আইন ও বিধিবিধান সংস্কার কমিটির প্রধান কমিশনার কবিতা খানম বলেন, ‘আচরণবিধিতে সামান্য কিছু সংশোধনের সুপারিশ তৈরি করা হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত নয়। কমিশন সভায় এটি উপস্থাপন করা হবে। কমিশন অনুমোদন দিলেই তা চূড়ান্ত হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্যান্য নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য করতেই এই সংশোধনী আনা হচ্ছে। তবে এগুলো না হলেও নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনও সমস্যা হবে না।
কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, রবিবারের (২১ অক্টোবর) কমিশন সভায় সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। তবে কী কী সংশোধনী প্রস্তাব আসছে তা তিনি দেখেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রে আগুনে পুড়ে নিহত ৬

দেশের খবর: মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬ রোহিঙ্গা মুসলিম আগুনে পুড়ে মারা গেছে। খবর এএফপির।

স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস বিভাগের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার মধ্যরাতে ভোরে এই রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন লাগে। যা প্রায় ভোররাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা হ্যান সোয়ে বলেন, অনডু চ্যা আশ্রয়শিবিরে প্রায় ৪ হাজার রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

সেখানে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঘটে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা অনেক চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মধ্যরাতে লাগা এ আগুনে পুড়ে ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান, মৃতের মধ্যে একজন পুরুষ ও পাঁচজন নারী। অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫টি ঘর পুড়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শচীনকে চমকে দিলেন লারা, সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড়

খেলার খবর: ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে চমক দিলেন আরেক গ্রেট ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারা। চমক দিতে পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া আচমকা হাজির হলেন লারা শচীনের সামনে। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

সম্প্রতি দুই কিংবদন্তি এ ব্যাটসম্যানকে একই ফ্রেমে দেখতে পেয়েছে ক্রিকেট ভক্তরা। আর তা দেখতে পেয়ে আবেগে আপ্লুত ভক্তরা। সোশ্যাল মিডিয়াতে উঠেছে সেই ছবি নিয়ে ঝড়। দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে ছবিটি।

শচীন আজ শুক্রবার তার ইন্সটাগ্রামে অ্যাকাউন্টে ওই ছবি পোষ্ট করেন। ছবিতে দেখা যায়, একই রকম নীল শার্ট পড়ে আছেন দুই ক্রিকেট বোদ্ধা। দুজনের মাথায় রয়েছে টুপি।

শচীন ওই ছবি পোষ্ট করে লিখেন, একজন ভালো বন্ধুর ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’। এছাড়াও তিনি লিখেন, লারার সঙ্গে দেখার ফলে সাপ্তাহিক অবকাশের শুরুটা দারুণ হল।

শচীনের ওই ছবি কেউ লিখেন, দুই গ্রেটকে অনেকদিন পর একসঙ্গে ক্রিকেট বিশ্ব দেখতে পেয়ে ধন্য। আবার অনেকে লিখেছেন, যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকুক আপনাদের এই বন্ধুত্ব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌম্য সরকারের সেঞ্চুরিতে হেরে গেল জিম্বাবুয়ে

খেলার খবর: অধিনায়ক সৌম্য সরকারের অনবদ্য ১০২ রানের সুবাদে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ৮ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একাদশ। বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেদের ঝালিয়ে নেয় সফরকারী জিম্বাবুয়ে।

সাভারের বিকেএসপিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেয় জিম্বাবুয়ে। ব্যাট হাতে শুরুটা ভালো হয়নি তাদের। ৪৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে সফরকারীরা। ক্রেইগ আরভিন ১, ব্রেন্ডন টেইলর ৬, শিন উইলিয়ামস ১, সিকান্দার রাজা ৯ ও পিটার মুর ৪ রান করেন।

উপরের সারির স্বীকৃত পাঁচ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে খাদের কিনারায় পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন ওপেনার ও অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও সাবেক দলপতি এলটন চিগুম্বুরা। নিজেদের পরিকল্পনায় সফল হন মাসাকাদজা ও চিগুম্বুরা। ষষ্ঠ উইকেটে ১২৪ রান যোগ করেন তারা।

দলীয় ১৭১ রানে চিগুম্বুরাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিসিবি একাদশকে খেলায় ফেরান মিডিয়াম পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৮৩ বলে ৪৭ রান করেন তিনি। চিগুম্বুরা ফিরলেও, সেঞ্চুরির আশায় ছিলেন মাসাকাদজা। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। তিন অংকে পা দিয়ে দলীয় ১৭৬ রানে থেমে যান মাসাকাদজা। ১৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৩৮ বলে ১০২ রান করেন তিনি। এরপর ৪৫ দশমিক ২ ওভারে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

বিসিবি একাদশের ডান-হাতি পেসার এবাদত হোসেন ১৯ রানে ৫ উইকেট নেন। এছাড়া সাইফউদ্দিন ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন।

জয়ের জন্য ১৭৯ রানের টার্গেটে ভালো শুরু করতে পারেনি বিসিবি একাদশ। ওপেনার মিজানুর রহমান ৮ রানে থামেন। আরেক ওপেনার ফজলে মাহমুদ রাব্বিও ব্যর্থ বড় ইনিংস খেলতে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে প্রথমবারের মত দলে ডাক পাওয়া ফজলে ৩৪ বলে করেন ১৩ রান। ৫২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর বিসিবি একাদশের হাল ধরেন অধিনায়ক সৌম্য ও মোসাদ্দেক হোসেন।

তৃতীয় উইকেটে জুটি বেধে জিম্বাবুয়ের বোলারদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেন সৌম্য ও মোসাদ্দেক। এতে এই জুটির কাছ থেকে ১১২ রান পায় বিসিবি একাদশ। এতেই জয়ে ভিত পেয়ে যায় স্বাগতিকরা। ৪৮ বলে ৩৩ রান করে মোসাদ্দেক আহত অবসর নিলেও, সেঞ্চুরি তুলে নেন সৌম্য। শেষ পর্যন্ত আরিফুল হককে নিয়ে ১১ ওভার বাকী রেখে জয় নিশ্চিত করেন সৌম্য। ১৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১১৪ বলে অপরাজিত ১০২ রান করেন সৌম্য। ৯ রানে অপরাজিত থাকেন আরিফুল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :
জিম্বাবুয়ে : ১৭৮/১০, ৪৫.২ ওভার (মাসাকাদজা ১০২, চিগুম্বুরা ৪৭, এবাদত ৫/১৯)।
বিসিবি একাদশ : ১৮১/২, ৩৯ ওভার (সৌম্য ১০২*, মোসাদ্দেক ৩৩, রাজা ১/২১)।
ফল : বিসিবি একাদশ ৮ উইকেটে জয়ী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনুমতি না পেলেও সিলেটে সমাবেশ করার ঘোষণা ঐক্যফ্রন্টের

রাজনীতির খবর: পুলিশের অনুমতি না পেলেও সিলেটে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সদ্য গঠিত রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসায় আয়োজিত ফ্রন্টের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী, আগামী ২৩ অক্টোবর, মঙ্গলবার সমাবেশ করার কথা ছিল নতুন এই জোটের। কিন্তু ১৭ অক্টোবর সমাবেশের অনুমতি পেলেও পরে তা বাতিল করে এসএমপি।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মঙ্গলবার অনুমতি না পাওয়ায় একদিন পিছিয়ে বুধবার (২৪ অক্টোবর) সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

জোটের বৈঠক শেষে গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু বলেন, ‘যদি ২৪ অক্টোবর (বুধবার) সমাবেশের অনুমতি না দেওয়া হয়, তাহলেও সমাবেশ করবো আমরা।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২৪ অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সিলেটে হজরত শাহ জালাল, শাহ পরান ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানীর মাজার জিয়ারত করবেন। আগামী শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন।

ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন ও প্রেসিডিয়াম সদস্য তানিয়া রব প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest