সর্বশেষ সংবাদ-
বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসিরবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালা

যেসব ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

দেশের খবর: গত ২৫ জুলাইয়ের জাতীয় নির্বাচনে পাকিস্তানের ক্ষমতায় এসেছে দেশটির সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইমরান খানের দল পিটিআই। ক্ষমতায় আসার পরপরই তার দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- দুনিয়ার শীর্ষ উন্নত দেশ সুইডেনের মডেলে উন্নয়ন ঘটাবেন তিনি পাকিস্তানের। এমন দাবির জবাবে সম্প্রতি পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভির আওয়াম নামের টক শোতে ইমরানকে দেশের উন্নয়নের জন্য সুইডেন বাদ দিয়ে আগে বাংলাদেশকে অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

এই পরামর্শ দেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট জাইঘাম খান। উর্দু ভাষার ওই টিভি শো’র ভিডিও ক্লিপ এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় তুলেছে। এতে দেখা যায় জাইঘাম খান বাংলাদেশের উন্নয়নের ব্যাপক প্রশংসা করেন। আসুন জেনে নেয়া যাক পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের অগ্রগতির খতিয়ান।

১. বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জে বছরে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লেনদেন হয়, যেখানে পাকিস্তানে হয় মাত্র ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবার বাংলাদেশ বছরে রপ্তানি খাতে আয় করে ৪০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের আয় মাত্র ২২ বিলিয়ন ডলার।

২. বর্তমানে একজন বাংলাদেশী ৭২ বছর বাঁচার আশা করতেই পারেন, যেখানে পাকিস্তানিদের গড় আয়ু মাত্র ৬৬। ভারতীয়দের গড় আয়ুও বাংলাদেশীদের চেয়ে কম, মাত্র ৬৮। নারীদের গড় ইনকামের দিক থেকেও বাংলাদেশ অনেকটাই এগিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে। আর ভারতীয়দের চেয়েও সামান্য ব্যবধানে আমাদের দেশের নারীরা এগিয়ে। এর প্রধান কারণ হলো বাংলাদেশে তৈরী পোশাক শিল্পের প্রভূত উন্নতি। আর এই শিল্পটি তো মূলত নারীদের কল্যাণেই টিকে রয়েছে।

৩. শিশু পুষ্টির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুধু পাকিস্তান বা ভারতই নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যেই সেরা। অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য লাভের হার বাংলাদেশে ৩৬.১%, যা কিনা পাকিস্তান, ভারতসহ অধিকাংশ তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহের চেয়েই অনেক ভালো। বাংলাদেশ যে শুধু শিশু পুষ্টির দিক থেকেই এগিয়ে তা নয়, পরিসংখ্যান মোতাবেক বাংলাদেশ শিশু মৃত্যুর দিক থেকেও ভারতের চেয়ে সিকিভাগ এগিয়ে, আর পাকিস্তানের চেয়ে পুরো ৫০% এগিয়ে। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি হাজারে মাত্র ৩৭.৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়।

৪. চাকরির স্থায়িত্বের দিক থেকেও বাংলাদেশের অবস্থান এই অঞ্চলের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে ভালো। এদেশের কর্মজীবী মানুষের মধ্যে ৫৭.৮% স্থায়ী চাকরি করে থাকে, যা পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি। আর সেখানে ভারতের অবস্থা তো খুবই খারাপ। সেখানে ৮০% কর্মজীবী মানুষেরই স্থায়ী কোনো চাকরি নেই, অর্থাৎ আজ তারা যে কাজ করছে, কালও সেখানে কাজ করতে পারবে কি পারবে না তার কোনোই গ্যারান্টি নেই।

৫. প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি বিশেষভাবে লক্ষণীয়। বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগণ, যাদের ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে, তাদের ৩৪.১%-ই ২০১৭ সালে অনলাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল ট্রানজাকশন করেছে। সেখানে গোটা দক্ষিণ এশিয়াতেই গড় ডিজিটাল ট্রানজাকশনের হার হলো ২৭.৮%। এছাড়া বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্টগুলোর মধ্যে মাত্র ১০.৪% গত বছর ‘সুপ্ত’ অবস্থায় ছিল অর্থাৎ সেগুলোতে গত বছর কোনো টাকা যেমন জমা করা হয়নি, তেমনি সেখান থেকে কোনো টাকা তোলাও হয়নি। এই পরিসংখ্যানটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ ভারতে গতবছর বিশেষ কিছু অর্থনৈতিক রদবদলের পরও, ৪৮% ব্যাংক একাউন্টই পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় ছিল।

৬. শিক্ষা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খাত যেখানে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে গেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৭১% হলেও, পাকিস্তানে তা মাত্র ৫৫%।

৭. ২০০৬ সালের পর থেকে বাংলাদেশের জিডিপির অগ্রগতি পাকিস্তানের চেয়ে প্রতি বছরে ২.৫ শতাংশ বেশি। চলতি বছরেই বাংলাদেশের জিডিপি ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে। এছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার মাত্র ১.১%, যা পাকিস্তানের ২% এর থেকে অনেক কম। ফলে প্রতি বছরই বাংলাদেশের পার ক্যাপিটা ইনকাম পাকিস্তানের চেয়ে ৩.৩% বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধারা অব্যহত থাকলে, ২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের মানুষের পার ক্যাপিটা ইনকাম পাকিস্তানিদের চেয়ে বেশি থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এভ্রিলের ঈদ কেটেছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

বিনোদন সংবাদ: এবারের ঈদ কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কেটেছে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের। ২১ থেকে ২৬ আগস্ট ‘ব্লুসমস ফ্রম অ্যাশ’ নামের একটি তথ্যচিত্রের শুটিং করতে সেখানে ছিলেন তিনি।

এ বিষয়ে এভ্রিল জানান, অসহায় নিষ্পেষিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রথম থেকেই। খুব চেয়েছিলাম রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সময় কাটাতে। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাব কখনো ভাবিনি।

এভ্রিল বলেন, ‘নোমান রবিন ভাই আমার সেই ইচ্ছা পূরণ করতে সাহায্য করেছেন। যেটুকু সময় শুটিং করেছি, ওদের সঙ্গে কাটিয়েছি, চেষ্টা করেছি ওদের মুখে হাসি ফোটাতে। একটি ঈদ পার করলাম ওদের সঙ্গে। এটা জীবনের সেরা ঈদ হিসেবে রয়ে যাবে। এই প্রাপ্তির কথা কখনো ভোলার নয়।’

নোমান রবিনের পরিচালনায় তথ্যচিত্রটির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে এভ্রিলকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসুস্থ সৈনিকলীগ সভাপতি সুমনের শয্যাপাশে আসাদুজ্জামান বাবু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.এফ.এম এন্তাজ আলীর জ্যোষ্ঠ পুত্র মাহমুদ আলী সুমন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাড়িতে আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা।
এদিকে মাহমুদ আলী সুমনের অসুস্থতার খবরে সোমবার রাতে হাসপাতালে ছুটে যান সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবুসহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ। এসময় তিনি অসুস্থ সুমনের সার্বিক খোঁজ খবর নেন এবং তার আশু রোগমুক্তি কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টে বুধহাটা ও প্রতাপনগরের জয়

আশাশুনি ব্যুরো: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট (অনুর্ধ-১৭) -১৮ এর ১ম রাউন্ডের শেষ দিনে দু’টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ দল ও প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদ দল জয়লাভ করে। সোমবার দরগাহপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯ টায় দিনের ১ম খেলায় প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদ দল ও মুক্তিযোদ্ধা হাকিম স্মৃতি সংসদ দল মুখোমুখি হয়। খেলায় প্রতাপনগর ইউনিয়ন দল ২-০ গোলে জয়লাভ করে। বিকাল সাড়ে ৩ টায় দিনের দ্বিতীয় ও ১ম রাউন্ডের শেষ খেলায় বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ ও কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ মুখোমুখি হয়। খেলায় বুধহাটা দল ৭-০ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে। বুধহাটার আব্দুল্লাহ একাই ৫টি গোল করেন। খেলা পরিচালনা করেন আনিছুর রহমান। সহকারী রেফারী ছিলেন আকবর, বাবলুর রহমান ও ইমরান। মঞ্চে বসে খেলা উপভোগকারী অতিথিদের মধ্যে ছিলেন, সিনিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, আরডিও, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারী স ম সেলিম রেজা সেলিম, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দীপংকর কুমার সরকার, বুধহাটা ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি হাতেম আলি, সেক্রেটারী সামাদ ও তাঁতীলীগের সাবেক সভাপতি সেলিম রেজা এবং ইউপি সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার একই মাঠে দ্বিতীয় রউন্ডের ১ম খেলায় কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদ ও দরগাহপুর ইউনিয়ন পরিষদ দল এবং বিকালে ২য় খেলায় শ্রীউলা ও আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ দল মুখোমুখি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীউলা ইউনিয়ন তাঁতীলীগের কমিটি গঠন

মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলী ইউনিয়নের তাঁতীলীগের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি ইসমাইল সানা, সহ-সভাপতি পরীক্ষীত সরদার, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত পরাগ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান অারিফ ও শামীম রেজা কে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১ বছর মেয়াদী এই আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। এই উপলক্ষ্যে সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ অফিসে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি এস,এম সেলিম রেজার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি ঢালী সামছুর আলম। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সংসদ এ্যাম্বাসিডর ও দৈনিক ভোরের পাতার নিজস্ব প্রতিনিধি তৌষিকে কাইফু, আশাশুনি উপজেলা সৈনিকলীগ সভাপতি আলমগীর হোসেন, উপজেলা মহিলা যুবলীগের সভানেত্রী সিমা সিদ্দিকী, বুধহাটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবু, সাবেক সেক্রেটারী সামছুর রহমান রাজু, সৈনিকলীগ সভাপতি কেসমত আলী, দরগাহপুর ইউনিয়ন তাঁতীলীগ সভাপতি আবু মুছা গাজী, ছাত্রলীগ নেতা আলমগীর প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাল শুরু বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সম্প্রচার; দেখা যাবে সাফ ফুটবল

দেশের খবর: দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর ট্রান্সমিশন শুরু হচ্ছে আগামিকাল মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর)। দেশে অনুষ্ঠিতব্য সাফ ফুটবল (সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন) চ্যাম্পিয়নশিপ সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ট্রান্সমিশনে আসছে বঙ্গবন্ধু-১। বাংলাদেশ টেলিভিশন বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সাফ ফুটবলের খেলাগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা দেখানোর মাধ্যমে আমরা বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের ট্রান্সমিশনে যাচ্ছি।’ যদিও তিনি এটাকে ‘টেস্ট ট্রান্সমিশন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এই ধরনের খেলাধুলা দেখানো মাধ্যমে ট্রান্সমিশন করার উদ্দেশ্য হলো খেলার মাঠ থাকবে ফাস্ট মুভিং। সেটা আমাদের স্যাটেলাইট কতটা নিখুঁতভাবে ট্রান্সমিট করে সেটা দেখা। এজন্যই স্পোর্টস ইভেন্ট বেছে নেওয়া হয়েছে।’

ড. শাহজাহান মাহমুদ জানান, টেস্ট ট্রান্সমিশন সফল হওয়ার পরে এই মাসের শেষ দিকে বা অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রচারে যেতে পারে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। বিসিএসসিএল চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, আমরা তো এখনও কোনও ক্রেতার অভিজ্ঞতা জানি না। টেস্ট ট্রান্সমিশন সফল হলে তা আমরা ক্রেতাদের সামনে হাজির করতে পারবো।

তিনি আরও জানান, এখনও স্যাটেলাইটটি এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থ্যালেস অ্যালিনয়ার প্রকৌশলীরা দেখাশোনা করছেন। এ মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা এর পুরো নিয়ন্ত্রণ (অপারেশন) নিতে পারেন।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সময় গত ১১ মে বিকাল ৪টায় ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপিত হয়। স্যাটেলাইটটিকে নিরক্ষ রেখার ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রিতে স্থাপন করা হয়। স্যাটেলাইটটি সেখানে সেট হওয়ার পরে টেস্ট সিগন্যাল পাঠাতে শুরু করে। পরবর্তী সময়ে ইন অরবিট টেস্ট (আইওটি)-সহ সব ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষার পরে স্যাটেলাইটটিকে ট্রান্সমিশনের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১২ বছর পর বর্ষসেরার চূড়ান্ত তিনে নেই মেসি

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে তেমন কিছু করে দেখাতে পারেননি লিওনেল মেসি। আর এর খেসারতটা এবার হাড়ে হাড়ে দিতে হচ্ছে বার্সা ফরোয়ার্ডকে।বিস্ময়কর হলেও সত্যি, পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জয়ী সেই মেসিই নেই ফিফা বর্ষ সেরা খেলোয়াড়ের সেরা তিনের তালিকায়।

২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ফিফা বর্ষসেরার চূড়ান্ত তিনে জায়গা হলো না মেসির। ফলে দীর্ঘ এক যুগ পর এই তারকা ফরোয়ার্ডকে সরিয়ে সেরা তিনে জায়গা করে নিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, লুকা মদরিচ ও মোহাম্মদ সালাহ। এদের মধ্যে নিজেদের ফুটবল ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো এই তালিকায় নাম উঠেছে মদরিচ ও সালাহর।

২০০৮ সাল থেকে ফিফা বর্ষসেরার এই পুরস্কারটি মেসি ও রোনালদোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এবার পর্তুগিজ তারকা রোনালদো এই দৌড়ে থাকলেও ছিটকে গেছেন মেসি।

২০১৬ সালে ব্যালন ডি’অর থেকে আলাদা হয়ে এককভাবে পুরস্কার দেওয়া শুরু কর ফিফা। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের ৩ জুন থেকে ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত পারফরম্যান্সকে বিবেচনায় বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের চূড়ান্ত তিন ফুটবলের নাম ঘোষণা করেছে ফিফা। সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঘোষিত এই তালিকার মধ্যে কোনো এক জনের হাতে উঠবে পুরস্কার। ২৪ সেপ্টেম্বর এই পুরস্কার সেই তারকার হাতে তুলে দেওয়া হবে।

কিছু দিন আগে উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন মদরিচ। বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে কাটিয়েছেন ক্যারিয়ারের সেরা সময়। ক্রোয়েটদের প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার পথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে জিতে নিয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ‘গোল্ডেন বল’-এর পুরস্কারও।

‘লস ব্লাঙ্কোদের’ টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে একাই ১৫ গোল করেন রোনালদো। ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি বিশ্বকাপেও পর্তুগালের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা। স্পেনের বিপক্ষে রাশিয়া বিশ্বকাপে আছে হ্যাটট্রিকও। ফিফা বর্ষসেরার গত দুইবারের জয়ী এবার হ্যাটট্রিক পুরস্কার উঁচিয়ে তোলার অপেক্ষায় আছেন।

২০১৮ বিশ্বকাপে বলার মতো কিছু না থাকলেও লিভারপুলের জার্সিতে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগে স্বপ্নের মতো এক মৌসুম কাটিয়েছেন সালাহ। মিশরীয় এই ফরোয়ার্ডই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে প্রিমিয়ার লিগের ৩৮ ম্যাচে করেন ৩২ গোল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ৩৯ ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব তদন্তে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার ৩৯ জন ব্যবসায়ীর ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের (তিন সদস্যের ) একটি তদন্ত টিম আজ সোমবার সাতক্ষীরাতে পৌছে তালিকাভূক্ত ৩৯ ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব নাম্বার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানাগেছে। যাদের ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত হচ্ছে তাদের ব্যাংকিং লেনদেন অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনক বলে সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো তালিকাভূক্ত ৩৯ ব্যবসায়ীর মধ্যে রয়েছে সাতক্ষীরার জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকার জুয়েলার্স মালিক, ভোমরার একাধিক সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী, কয়েক জন গরু ব্যবসায়ী, কয়েক জন (বর্তমান ও সাবেক) ইউপি চেয়ারম্যান, একজন উপজেলা চেয়ারম্যান ও একজন জেলা পরিষদ সদস্য।

সাতক্ষীরার যেসব ব্যবসায়ীর ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত শুরু হয়েছে তারা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা শহরের খান মার্কেটের অংকন জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গৌর দত্ত, অমিত জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী জয়দেব দত্ত, তালার কুমিরার আদিত্য মজুমদার, ব্রাদার্স জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী আশুতোষ দে, আলিপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, জনপ্রিয় জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী সুমন কর্মকার ও বাবু কর্মকার, শ্যামনগরের নকীপুরের বিশ্বজিৎ মন্ডল, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মোর্শেদ, শ্রী জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী দীন বন্ধু মিত্র, ঝাউডাঙ্গার এম ভি জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী মুকুন্দ ভারতী, ঝাউডাঙ্গার সাগর জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী রবিন্দ্র নাথ দে, আশাশুনির নিউ দে জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী দেব কুমার দে, কলারোয়ার সন্ধ্যা জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী হরেন্দ্র নাথ রায়, আধুনিক জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গোপাল চন্দ্র দে, তালার দীপা জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গনেশ চন্দ্র শীল, তালার নিউ জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী বাসুদেব দত্ত, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারীর মো: রাশেদুল ইসলাম, পদ্মশাখরার মো: লিয়াকত হোসেন, ঘোনার মো: হাবিবুর রহমান, কলারোয়ার বলিয়ানপুরের জালালউদ্দিন গাজী, কলারোয়ার চন্দ্রনপুরের গরু ব্যবসায়ী নাসির, একই উপজেলার কাকডাঙ্গার গরু ব্যবসায়ী ইয়ার আলী মেম্বর, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য আল ফেরদৌস আলফা, বৈকারীর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অসলে, ভোমরার ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী, কলারোয়ার সোনাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা শহরের রয়েল স্যানেটারীর সত্বাধিকারী মো: নজরুল ইসলাম, ভোমরার এ এস ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী আজিজুল ইসলাম, বাঁকালের ফিরোজ ইন্টারপ্রাইজ এর সত্বাধিকারী ফিরোজ হোসেন, বাঁকালের কে হাসান ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী খালিদ কামাল , ভোমরার মামা-ভাগ্নে ভান্ডারের সত্বাধিকারী আজহারুল ইসলাম, মেসার্স কাজী ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু, মেসার্স সুলতান ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী ইসরাইল গাজী, মেসার্স সাব্বির ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী শাহানুর ইসলাম শাহিন, মেসার্স নাজিম ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী গোলাম ফারুক বাবু (দেবহাটার পারুলিয়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ), মেসার্স রিজু এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী আবু মুসা এবং মেসার্স রোহিত ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী রাম কৃষ্ণ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাংক ব্যবস্থাপক জানান, গত সপ্তাহে ৩৯জনের এই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো হয়। এসব ব্যসায়ীদের ব্যাংক লেনদেন ( ব্যাংক একাউন্ট ওপেন থেকে আজ পর্যন্ত ) অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক বলে সূত্র জানায়। এসব ব্যবসায়ীদের ব্যাংকের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে , যে কোন সময় বাংলাদেশের ব্যাংকের তদন্ত টিম সরেজমিন এসে তালিকাভূক্তদের ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করবে।

গত সপ্তাহে ৩৯ জন ব্যবসায়ীর এই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানোর পর ব্যাংক গুলোতে তোলপাড় শুরু হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত টিম সাতক্ষীরা পৌছে গেছে। তদন্ত টিম সোমবার সকাল থেকে তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। তবে তদন্তকারী ওই টিমের সদস্যদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।এনমে
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার ৩৯ জন ব্যবসায়ীর ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের (তিন সদস্যের ) একটি তদন্ত টিম আজ সোমবার সাতক্ষীরাতে পৌছে তালিকাভূক্ত ৩৯ ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব নাম্বার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানাগেছে। যাদের ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত হচ্ছে তাদের ব্যাংকিং লেনদেন অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনক বলে সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো তালিকাভূক্ত ৩৯ ব্যবসায়ীর মধ্যে রয়েছে সাতক্ষীরার জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকার জুয়েলার্স মালিক, ভোমরার একাধিক সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী, কয়েক জন গরু ব্যবসায়ী, কয়েক জন (বর্তমান ও সাবেক) ইউপি চেয়ারম্যান, একজন উপজেলা চেয়ারম্যান ও একজন জেলা পরিষদ সদস্য।

সাতক্ষীরার যেসব ব্যবসায়ীর ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত শুরু হয়েছে তারা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা শহরের খান মার্কেটের অংকন জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গৌর দত্ত, অমিত জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী জয়দেব দত্ত, তালার কুমিরার আদিত্য মজুমদার, ব্রাদার্স জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী আশুতোষ দে, আলিপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, জনপ্রিয় জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী সুমন কর্মকার ও বাবু কর্মকার, শ্যামনগরের নকীপুরের বিশ্বজিৎ মন্ডল, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মোর্শেদ, শ্রী জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী দীন বন্ধু মিত্র, ঝাউডাঙ্গার এম ভি জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী মুকুন্দ ভারতী, ঝাউডাঙ্গার সাগর জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী রবিন্দ্র নাথ দে, আশাশুনির নিউ দে জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী দেব কুমার দে, কলারোয়ার সন্ধ্যা জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী হরেন্দ্র নাথ রায়, আধুনিক জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গোপাল চন্দ্র দে, তালার দীপা জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গনেশ চন্দ্র শীল, তালার নিউ জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী বাসুদেব দত্ত, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারীর মো: রাশেদুল ইসলাম, পদ্মশাখরার মো: লিয়াকত হোসেন, ঘোনার মো: হাবিবুর রহমান, কলারোয়ার বলিয়ানপুরের জালালউদ্দিন গাজী, কলারোয়ার চন্দ্রনপুরের গরু ব্যবসায়ী নাসির, একই উপজেলার কাকডাঙ্গার গরু ব্যবসায়ী ইয়ার আলী মেম্বর, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য আল ফেরদৌস আলফা, বৈকারীর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অসলে, ভোমরার ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী, কলারোয়ার সোনাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা শহরের রয়েল স্যানেটারীর সত্বাধিকারী মো: নজরুল ইসলাম, ভোমরার এ এস ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী আজিজুল ইসলাম, বাঁকালের ফিরোজ ইন্টারপ্রাইজ এর সত্বাধিকারী ফিরোজ হোসেন, বাঁকালের কে হাসান ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী খালিদ কামাল , ভোমরার মামা-ভাগ্নে ভান্ডারের সত্বাধিকারী আজহারুল ইসলাম, মেসার্স কাজী ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু, মেসার্স সুলতান ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী ইসরাইল গাজী, মেসার্স সাব্বির ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী শাহানুর ইসলাম শাহিন, মেসার্স নাজিম ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী গোলাম ফারুক বাবু (দেবহাটার পারুলিয়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ), মেসার্স রিজু এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী আবু মুসা এবং মেসার্স রোহিত ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী রাম প্রসাদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাংক ব্যবস্থাপক জানান, গত সপ্তাহে ৩৯জনের এই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো হয়। এসব ব্যসায়ীদের ব্যাংক লেনদেন ( ব্যাংক একাউন্ট ওপেন থেকে আজ পর্যন্ত ) অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক বলে সূত্র জানায়। এসব ব্যবসায়ীদের ব্যাংকের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে , যে কোন সময় বাংলাদেশের ব্যাংকের তদন্ত টিম সরেজমিন এসে তালিকাভূক্তদের ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করবে।

গত সপ্তাহে ৩৯ জন ব্যবসায়ীর এই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানোর পর ব্যাংক গুলোতে তোলপাড় শুরু হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত টিম সাতক্ষীরা পৌছে গেছে। তদন্ত টিম সোমবার সকাল থেকে তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। তবে তদন্তকারী ওই টিমের সদস্যদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest