সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

শিশুকে শৃঙ্খলা শেখাবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য কণিকা: সন্তানকে যথাযথভাবে গড়ে তুলতে শৃঙ্খলা শেখানোর ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে শৃঙ্খলা মানেই কিন্তু শুধু কড়া ধমক বা শাস্তি নয়। এতে হতে পারে হিতে বিপরীত। সন্তানকে শৃঙ্খলা শেখাতে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখবেন। ভেরি ওয়েল ফ্যামিলির পক্ষ থেকে রইল কিছু পরামর্শ।

১। মনে রাখবেন, শিশুরা সব সময় মা-বাবাকেই বেশি অনুকরণ করে। নিজেকে তাই সন্তানের রোল মডেল করে তুলুন। আপনি সন্তানের জন্য যা নিয়ম করবেন, নিজেও তা মেনে চলুন। আপনি যদি সময়ে-অসময়ে টিভি চালিয়ে রাখেন কিংবা ফোনে গল্প করেন বা ইন্টারনেট চালান, তাহলে আপনার সন্তানও নিয়ম মেনে পড়তে বসবে না। সময়ের কাজ সময়ে করুন, সন্তান আপনাকে দেখেই শিখবে।

২। সন্তানকে শাসন করার সময় বাবা-মা দুজনই একটা ইউনিট হিসেবে কাজ করুন। একজন শাসন করলেন আর একজন আদর করলেন, এমন করলে চলবে না। শিশুকে বোঝান ভুলটা ভুলই। সন্তান যেন বুঝতে পারে অন্যায় করলে মা ও বাবা দুজনেই রাগ করেন।

৩। সন্তান যতই ছোট হোক না কেন, ওকে সম্মান করুন। ওর মতামতের গুরুত্ব দিন। ওর মতামত যদি মানার মতো না হয়, তাহলে ওকে যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে বলুন কেন তা মানা সম্ভব নয়।

৪। সন্তানকে শাসন করার সময় কোনো মন্দ বাক্য প্রয়োগ করবেন না। বা অনেকে গালাগালি করেন, সেটা একেবারেই করা যাবে না।

৫। অন্য কারো সঙ্গে সন্তানের তুলনা করে তাকে শোধরাতে বলবেন না। এতে ওর আত্মবিশ্বাস কমে যাবে।

৬। নেতিবাচকভাবে না বলে ইতিবাচকভাবে বলুন। যেমন ‘তোমার মাথায় একেবারেই বুদ্ধি নেই’ এমনটা না বলে বলতে পারেন, ‘এটা কি একটা বুদ্ধিমানের মতো কাজ হয়েছে?’

৭। কখনই শৃঙ্খলা চাপিয়ে দেবেন না। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ওর পছন্দ-অপছন্দকে গুরুত্ব দিন।

৮। একেকজন শিশুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য একেক রকম। তাই আপনার শিশু কীভাবে সময় কাটাতে ভালোবাসে, কোন সময়ে পড়তে স্বচ্ছন্দ বোধ করে, এগুলো মাথায় রেখে তবেই রুটিন বেঁধে দিন। স্কুল থেকে ফিরেই আবার পড়ার টেবিলে বসার জন্য চাপ দেবেন না। কিছুটা সময় ওকে খেলতে দিন। ছবি আঁকা কিংবা ওর শখের কাজে ওকে উৎসাহ দিন।

৯। কোনো অন্যায় করলে প্রথমে বুঝিয়ে বলুন। তারপর সাবধান করুন। আবার একই কাজ করলে কিছুদিনের জন্য ওর পছন্দের কোনো জিনিস দেওয়া বন্ধ করে দিন কিংবা ওর সঙ্গে কথা বলা কমিয়ে দিন। কিন্তু গায়ে হাত তোলা একেবারেই উচিত নয়।

১০। সবার সামনে সন্তানের সমালোচনা বা নিন্দা করবেন না। এতে ওর আত্মবিশ্বাস কমে যায়।

১১। সন্তান যদি নিয়ম মেনে চলে, তাহলে মাঝেমধ্যে ওকে ছোট উপহার দিন। ও যেন বুঝতে পারে ওর আচরণে আপনারা খুশি হচ্ছেন।

সন্তানকে সময় দিন। পরিবারের সবাই একসঙ্গে প্রতিদিন কিছুটা সময় কাটান। নিজেদের ছোটবেলার গল্প ওর সঙ্গে করুন। সব সময় মনে রাখবেন, সন্তান ছোট বয়সে এক-আধটু দুষ্টুমি করবেই। খেয়াল রাখবেন আপনার শৃঙ্খলার চাপ যেন অতিরিক্ত না হয়ে যায়। কারণ তাতে ওর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হবে। মাঝেমধ্যে রুটিন ভাঙার মজাটাও ওকে উপভোগ করতে দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে আটক ৬৩

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন মাদক মামলার আসামী ও ১১ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীসহ ৬৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ৫ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৯ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৮ জন, তালা থানা ৮ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন, শ্যামনগর থানা ৮ জন, আশাশুনি থানা ৭ জন, দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার হাবিবুল্লাহ হত্যায় ১জনের ফাঁসি ও ২ জনের যাবজ্জীবন

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার আশাশুনির চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র হাবিবুল্লাহ সরদারকে হত্যার দায়ে এক জনের মৃত্যুদণ্ড ও অপর দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদ- প্রদান করেছে আদালত। এ মামলায় আরও ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। একই সাথে আদালত বাকি ২৩ আসামিকে খালাস দিয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক অরুনাভ চক্রবর্তী এ আদেশ দেন।

ফাঁসির দ্বন্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামী হলেন, আশাশুনি উপজেলার বাঁকড়া গ্রামের ডাঃ সাইফুল্লাহ। এ রায়ের সময় তিনি পলাতক ছিলেন। যাবজ্জীবন দ্বন্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, একই এলাকার জিয়ারুল ও মামুন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১১ জুলাই কৃষি জমিতে গভীর নলকূপের পানি বিতরনকে কেন্দ্র করে আশাশুনি উপজেলার বাঁকড়া গ্রামের দুই পাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পানি বিতরন কমিটির সভাপতি আলিমুদ্দিন সরদারের ছেলে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র হাবিবুল্লাহ সরদারকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আলিমুদ্দিন সরদার বাদি হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০০/১৫০ জনের বিরুদ্ধে ১২ জুলাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক লুৎফর রহমান দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ৩৫ জন আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এ মামলার বাদি, পুলিশ ও ডাক্তারসহ ১৪ জন স্বাক্ষীরা সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত সোমবার দুপুরে এক জনের মৃত্যুদ-, দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও অপর ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- প্রদান করেন। দন্ডিত ৯ আসামিরা হলেন মো. জুলফিকার, আবু হাসান, আবদুল মালেক, আবদুস সালাম, রব্বানি, বেল্লাল হোসেন, জামান, রহিম ও পিকলু।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. তপন কুমার দাস। এ সময় তাকে সহায়তা করেন, অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. আব্দুস সামাদ, অ্যাড. জিএম লুৎফর রহমান, অ্যাড. অজয় কুমার সরকার, অ্যাড. তোজাম্মেল হোসেন তোজাম, অ্যাড. শহীদুল ইসলাম পিণ্টু প্রমুখ।
আসামীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাড. এসএম হায়দার আলী ও অতিরিক্ত পিপি অ্যাড.নিজামউদ্দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আলজেরিয়ায় ২ ফিলিস্তিনি বিজ্ঞানীর লাশ উদ্ধার

বিদেশের খবর: আলজেরিয়া থেকে সুলাইমান আল ফাররা (৩৪) এবং মোহাম্মদ আলবানা(৩৫) নামের ২ ফিলিস্তিনি বিজ্ঞানীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির রাজধানী আলজিয়ার্সের একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রবিবার আলজেরিয়ায় ফিলিস্তিনি দূতাবাসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, ওই দুই বিজ্ঞানী গাজা উপত্যকার খান ইউনিসের বাসিন্দা ছিলেন। আলজেরিয়ার রাজধানীর উপকণ্ঠে জারালদায় আল ফাররার অ্যাপার্টমেন্টে তাদের মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে তাঁদের মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

ফিলিস্তিনি দূতাবাসের প্রতিবেদন বলছে, এই দুই বিজ্ঞানী বিদ্যুতের শর্টসার্কিট কিংবা গ্যাসে শ্বাসরোধ হয়ে মারা যেতে পারেন।

এদিকে ফিলিস্তিনিদের অনেকে দাবি করছেন, এ দুই বিজ্ঞানী গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনসেবায় লাল ফিতার দৌরাত্ম্য যেন না থাকে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জনসেবায় লাল ফিতার দৌরাত্ম্য যেন না থাকে। জনগণ যাতে দুর্ভোগে না পড়েন। অহেতুক কোনও প্রকল্পও নেওয়ার দরকার নেই।’জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উদযাপন ও জনপ্রশাসন পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সোমবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এগিয়ে যেতে চাই। সমৃদ্ধ হতে চাই। নতুন নতুন উপায় উদ্ভাবন করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। জনসেবায় মেধা প্রয়োগ করতে হবে। জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সরকার ইনোভেশন প্রকল্পও নিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা অবশ্যই মেধাবী। মেধাবী বলেই তারা চাকরি পেয়েছেন। তাদের উদ্ভাবনী শক্তি নিয়ে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদান রাখতে হবে।’শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা রাজধানীবাসীর দুর্ভোগ কমাতে মেট্রোরেল করছি। আমাদের সক্ষমতাও বেড়েছে। মানুষের যেন সার্বিক উন্নয়ন হয়, জাতির পিতা সেই কথাই বলেছিলেন। তার রাজনীতি ছিল মানুষের উন্নয়ন করা। সেই লক্ষ্যে তিনি স্বাধীনতা অর্জন করেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হলি আর্টিজান হামলার চার্জশিট দাখিল; হাসনাত করিমক বাদ

দেশের খবর: হলি আর্টিজানে রক্তাক্ত জঙ্গি হামলার ঘটনায় পলাতক জঙ্গি নেতা শরিফুল ইসলাম খালেদ এবং মামুনুর রশীদ রিপনসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে সিটিটিসির দেয়া চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়।

আজ দিনের কোন এক সময়ে আদালতে ওই চার্জশিট জমা দেবেন গোয়েন্দারা। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের দৃষ্টি কাড়তে নব্য জেএমবি সদস্যরা ওই হামলা চালায় বলে গোয়েন্দা তদন্তে বের হয়ে এসেছে। দুপুরে সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম এ কথা জানান।

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ২০১৬’র পয়লা জুলাই রাতভর জিম্মি করে রেখে জঙ্গিরা দুই পুলিশ কর্মকর্তা এবং ৯ ইতালীয়, ৭ জাপানি, এক ভারতীয় ও এক মার্কিন নাগরিককে হত্যা করে। মামলায় কাউন্টার টেররিজম ইউনিট- সিটিটিসি’র তদন্তে উঠে আসে জঙ্গি নেতা কানাডীয় নাগরিক তামিম চৌধুরী, সারোয়ার জাহান, তানভীর কাদেরী শিপার, নূরুল ইসলাম মারজান বাশারুজ্জামান চকলেট, মেজর জাহিদ, ছোট মিজান এবং নিবরাসসহ জঙ্গিরা নাটোরের একটি বাসায় বসে হলি আর্টিজানে হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে।

ঘটনায় নিজেদের জড়িয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জঙ্গি রাশেদুর ইসলাম র‌্যাশ, রাজিব গান্ধি, হাতকাটা মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাকিবুল হাসান রিগ্যান এবং বড় মিজান। এরা ছাড়াও চার্জশিটে আরও দুই পলাতক জঙ্গির নাম যুক্ত হচ্ছে। হামলা ও হত্যা ঘটনায় ৮ জঙ্গির বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ জোগাড় করেছেন তদন্তকারীরা। তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেবে পুলিশ। আসামিদের দু’জন এখনও পলাতক। পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে গ্রেফতার একজনকে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হচ্ছে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন হামলার মোটিভ ছিলো নতুন গড়ে ওঠা নব্য জেএমবির অস্তিত্ব জানান দেয়া। নেতৃত্ব পর্যায়ে জঙ্গিদের একজনকে জীবন্ত ধরতে না পারায় হলি আর্টিজানের হামলার পেছনে দেশের কোনো রাজনৈতিক শক্তির পৃষ্ঠপোষকতা ছিলো কি না, জানতে পারেননি তদন্তকারী গোয়েন্দারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিনামূল্যে চিকিত্সা পাবেন মুক্তিযোদ্ধারা

দেশের খবর: মুক্তিযোদ্ধাদের দেশের সকল পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূলে চিকিত্সা সুবিধা প্রদানের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা অনুযায়ী এখন থেকে সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য কোনো খরচ করতে হবে না মুক্তিযোদ্ধাদের। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে সরকারি হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা ফ্রি ঘোষণা করেছে। কিন্তু সীমিত সম্পদের কারণে অনেক সময় জটিল রোগে আক্রান্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যয়বহুল চিকিত্সাসেবা ব্যয় বহন করতে পারে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এই ঘাটতির জায়গাটুকু পূরণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালগুলোতে ইতিমধ্যে প্রাথমিক বরাদ্দের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
রবিবার সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য সচিব (স্বাস্থ্যসেবা) সিরাজুল হক খান ও মুুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সচিব অপরূপ চৌধুরী স্বাক্ষর করেন। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহত্ উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় সম্মান ও গৌরবের সঙ্গে মাথা উঁচু করে পরিচয় দেওয়ার সাহস করেন মুক্তিযোদ্ধারা। অথচ বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে মুক্তিযোদ্ধারা নানাভাবে হয়রানি ও অবহেলার শিকার হয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জীবন সায়াহ্নে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে দেশের উপজেলা, জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ে অবস্থিত সকল পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে বা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বা বিশেষায়িত হাসপাতালে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে চিকিত্সাসেবা প্রদানের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। হাসপাতালে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহসহ সর্বোত্তমভাবে সকল চিকিত্সাসেবা প্রদান নিশ্চিত করা হবে। সকল ধরনের চিকিত্সা, পরামর্শ, শল্য চিকিত্সা, হাসপাতাল কর্তৃক সরবরাহযোগ্য ওষুধ, বেড সরবরাহ, পথ্য এবং নার্সিং ইত্যাদি চিকিত্সাসেবা অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে হাসপাতালে প্রদত্ত নিয়মিত সরকারি বরাদ্দের অতিরিক্ত চিকিত্সা সেবার প্রয়োজন হলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহার করা যাবে। এই সেবামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও বিশেষায়িত পর্যায়ে আলাদা আলাদা কমিটি গঠন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আমরা মাদক উৎপাদন করি না, কিন্তু কুফল ভোগ করি’

দেশের খবর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আমরা মাদক উৎপাদন করি না। কিন্তু এর সব ধরনের কুফল ভোগ করি। এটাতো হতে পারে না। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা যুদ্ধে নেমেছি। এই যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতেই হবে। নইলে আমরা পথ হারিয়ে ফেলব।’
রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ এর বিজ্ঞাপনচিত্র (টিভিসি) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারত ও মিয়ানমারে মাদক তৈরী হয়। সেগুলো আমাদের দেশে আসে। আগে ভারত থেকে ফেনসিডিল আসতো। ভারতের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর তারা সীমান্তে ফেনসিডিলের কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। যে কারণে ফেনসিডিল যে নেশার উপাদান ছিল তা মাদকসেবীরা ভুলতে বসেছে। তারা এখন ইয়াবায় আসক্ত। আর ইয়াবা আসে মিয়ানমার থেকে। মাদক বিরোধী অভিযানে আমরা সব রুট বন্ধের চেষ্টা চালাচ্ছি।’
আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘রয়টার্সের এক সাংবাদিক আমাকে প্রশ্ন করেছেন, তোমরা এভাবে মানুষ মারছো কেনো? আমি বললাম-কই, আমরাতো মানুষ মারছি না। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটছে তা তোমরাও জানো। যেখানেই অবৈধ ব্যবসা হয়, সেখানেই অবৈধ আর্থিক লেনদেন হয়। আর বড় অঙ্কের এসব অবৈধ আর্থিক লেনদেন রক্ষা করতেই তাদের দরকার হয় অবৈধ অস্ত্র। আর যখনই আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানে যাচ্ছে, তখন তারা চ্যালেঞ্জ করছে’। তিনি আরো বলেন, ‘পৃথিবীর কোনো দেশে অবৈধ অস্ত্রের চ্যালেঞ্জের মুখে নিরাপত্তা বাহিনী বসে থাকে না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদ দমনের মতো জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এর সফলতাও আছে। দেশের কারাগারগুলোতে যেখানে ৩৭ হাজারের কিছু বেশি বন্দি ধারণ ক্ষমতা রয়েছে, সেখানে বর্তমানে আছে ৯০ হাজারের ওপরে। এখানে ৪৩ হাজার রয়েছে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ী।’
অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) ড. মো.জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘মাদক একটি সামাজিক সমস্যা। সুতরাং এটি সামাজিক ভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। শুধু অভিযানের ওপর নির্ভর করলে চলবে না।’
র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ জানান, মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর গত ৮০ দিনে ৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান হয়েছে। এতে ৪৭জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এ সময় ১০২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
র‍্যাবের মহাপরিচালক আগামী কিছুদিন কক্সবাজার ও টেকনাফ এলাকায় সব ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, ‘ওই এলাকায় মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রতিদিন অস্বাভাবিক লেনদেন হচ্ছে। এটা কিছুদিন বন্ধ রেখে দেখা যেতে পারে প্রতিক্রিয়া কী হয়।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জামাল উদ্দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest