সর্বশেষ সংবাদ-

সাংবাদিক তরিকুল ‘বিএমএসএফ’ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর কেন্দ্রীয় কমিটির ৩য় জাতীয় কাউন্সিলে ডেইলি সাতক্ষীরার প্রতিনিধ, কলকাতা টিভির নিজস্ব প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম লাভলু কলকাতা টিভির ব্যানারে কার্য-নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।
২৮ জুলাই শনিবার বিকাল ৩ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
তরিকুল ইসলাম লাভলু বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কার্য-নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় সাংবাদিক সাজেদুল হক সাজু, মোঃ রফিকুল ইসলাম, ডাঃ জি.এম ফজলুর রহমান, আউয়াল হোসেন, মাসুদ পারভেজ (ক্যাপটেন), শফিকুল ইসলাম, বি এম জালালউদ্দীন, রাইসুল ইসলাম রাসেল, মোঃ রেজাউল করিম ও শিমুল হোসেন তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন ডা: রুহুল হক এমপি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আজ রবিবার বিকাল ৪: ৩০ টায় চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন অধ্যাপক ডা: রুহুল হক এমপিসহ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল।
উল্লেখ্য, ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছিল নারী-শিশু ও কিশোরীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত কমিটির সম্মেলন। এই সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে পেপার প্রেজেন্টেশন করেন যা. রুহুল হক এমপি।
সম্মেলনে ভারত, ইন্দোনেশিয়া,মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড,সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, মিয়ানমার সহ দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৫০ জন সংসদ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি ছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যগণ হলেন বাংলাদেশ আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবেক খাদ্য মন্ত্রী ড: মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি, আইপিইউ এর সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুন্সি এমপি ও সিরাজগঞ্জ -পাবনার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সেলিনা বেগম স্বপ্না এমপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগরদাঁড়িতে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে স্থানীয় শিশু ফোরাম

এম. এ হোসাইন : স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার আইন ও ম্যানুয়ালে জনগণের অংশগ্রহণের বিষয়ে উল্লেখ থাকলেও প্রায় ৪৫% প্রতিনিধি অর্থাৎ শিশুদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়নি। ফলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে শিশুদের বিশেষত দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক শিশুদের অধিকার ও চাহিদা দৃশ্যমান হয় না। সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিনিধিবৃন্দ শিশুর অধিকারের প্রতি সংবেদনশীল হয়ে স্ব-উদ্যোগে শিশুদের অংশগ্রহণের একটি প্রক্রিয়া হিসেবে ‘ডায়ালগ’ অধিবেশনের মাধ্যমে শিশুদের মতামত প্রদানের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন ও বাস্তবায়ন করছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১০নং আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদ শিশুদের মতামত ও চাহিদার প্রেক্ষিতে স্ব-উদ্যোগে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সম্পৃক্ত করে ৫০জন শিশুকে নিয়ে ফোরাম কমিটি গঠন করেছে। যারা জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নিয়মিত মাসিক সভার মাধ্যমে শিশু কেন্দ্রিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে অগ্রনী ভুমিকা রাখে। এছাড়াও এই শিশু ফোরামের সদস্যরা স্থানীয় যুবকদের সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট কমিউনিটিতে শিশু অধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে ইউনিয়ন/পৌরসভাতে স্থাপিত অভিযোগ বাক্সে অভিযোগ জমা দেয় এবং তা জনপ্রতিনিধিদের নিকট উত্থাপন করেন। শিশুবান্ধব ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জবাবদিহিতার বিষয়টি জনপ্রতিনিধিরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা প্রত্যেক মাসের নিদিষ্ট দিনে শিশুদের সাথে নিয়মিত ডায়ালগ-এর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সময় বরাদ্দ করেন।
শিশুদের সরাসরি উত্থাপিত অভিযোগ এবং মতামত/চাহিদার প্রেক্ষিতে জনপ্রতিনিধিগণ প্রত্যাশিত সেবা প্রদান সংক্রান্ত জবাবদিহিমূলক উত্তর ও কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করেন। এর মাধ্যমে ইউনিয়নে ও পৌরসভাতে বসবাসরত সুবিধাবঞ্চিত, দরিদ্র ও প্রান্তিক শ্রেণির শিশুরা সামাজিক সুরক্ষাসহ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেবাপ্রদান পাচ্ছে। মূলত ডায়ালগ সেশনের মাধ্যমে শিশুদের শিশু কেন্দ্রিক সমস্যা/অভিযোগ উত্থাপনের জন্য একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষেত্র তৈরির সুযোগ দেয়া ও স্থানীয় সুশাসন নিশ্চিতকরণে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এই এর ফলে শিশুরা ক্ষমতায়িত হয় এবং আগামী দিনের নেতৃত্ব প্রদানের জন্য যোগ্য নাগরিক হিসাবে নিজেদের তৈরি করছে। সর্বোপরি, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার ক্ষেত্র তৈরি ও শিশুবান্ধব স্থানীয় সুশাসন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিদের সাথে কমিউনিটির শিশুদের মাধ্যমে সরাসরি ডায়ালগ সেশনের আয়োজন, শিশু সংশ্লিষ্ট গৃহীত সিদ্ধান্ত ইউনিয়নের কার্য-বিবরণীতে (রেজ্যুলেশন) অন্তর্ভূক্ত করা, অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা, শিশুদের (লিখিত, মোবাইল, সরাসরি) অভিযোগ ও মতামত গ্রহণ করে এর প্রেক্ষিতে সাড়া প্রদান করা হয়। যা সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে রেজিস্টার বইতে লিপিবদ্ধ ও ফলোআপ করা হয়। এছাড়া শিশুদের সাথে যেকোন সময় সরাসরি আলোচনার সুযোগ থাকছেই। এর ফলে শিশুদের মতামত ও চাহিদার প্রেক্ষিতে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন হচ্ছে। এছাড়া যৌন হয়রানি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে মাটি ভরাট, টয়লেট সংস্কার, স্কুলের বেঞ্চ মেরামত, ফ্যান প্রদান, ইটের সোলিং মেরামত, ভাঙা পুল মেরামত, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও কমিউনিটি ক্লিনিকে ঝটিকা অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের সচিব মো. আবুল কালাম বলেন, সকলে মিলে ইউনিয়নে শিশুবান্ধব সুশাসন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছি। তিনি সহ সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা শিশু ফোরামের সভায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন এবং শিশুদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করেন।
আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজনুর রহমান মালী বলেন, আগরদাড়ী মহিলা মাদ্রাসা, আবাদেরহাট গালস স্কুল এবং হলদার বাড়ি পুকুরের পাশে যৌন হয়রানি বন্ধ করা, আগরদাড়ি মহিলা মাদ্রসা ও বকচরা আমমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসাতে টয়লেট সংস্কার করা, আগরদাড়ি মাঝের পাড়া মোস্তাফা আমিনের বাড়ির পিছনের পুল ও ধলবাড়িয়া পুল সংস্কার, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান, ইন্দিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পরানদহা মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় পানির কল মেরামত, ওয়ার্ড ভিত্তিক খেলাধুলার উপকরণ বিতরণ, দরিদ্র ও অসহায় শিশুর পরিবারকে ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ড দেওয়া , প্রতিবন্ধী শিশুদের ভাতার কার্ড দেয়া, স্কুল ও কমিউনিটি ক্লিনিক চলাকালিন সময়ে ভিজিট করা, খেলার মাঠ শিশুদের ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করা, আগরদাড়ি পশ্চিমপাড়া বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাথরুমের দরজা ও ব্লাক বোর্ড স্থাপন, বকচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তা সংস্কারসহ নানাবিধ কাজ শিশুদের মতামত এর প্রেক্ষিতে ইতি মধ্যে বাস্তবায়ন করেছি। শিশুরা ওয়ার্ড সভা, প্রি-বাজেট সভা ও উন্মুক্ত বাজেট সভায় অংশগ্রহণ ও মতামত প্রদানের মাধ্যমে শিশুদের কল্যাণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আরো ৪৪ টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি যা চলতি অর্থবছরে বাস্তবায়ন করবো। এক্ষেত্রে সেভ দ্য চিলড্রেন এর সহযোগিতায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও শিশুদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করছে।

অভিযোগ গ্রহণ ও সাড়া প্রদান কমিটির সভাপতি মোছা. রেহেনা খাতুন বলেন, শিশুদের সাথে নিয়মিত মাসিক সভায় আমরা মত বিনিময় করি। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের মতামতের প্রতি গুরুত্ব দেই। আমাদের ইউনিয়নে বিভিন্ন কমিটিতে আমরা শিশু প্রতিনিধি হিসেবে তাদের সমান সুযোগ দেই। চলতি অর্থ-বছরে শিশুদের জন্য আমরা ২ লক্ষ ৫০ হাজর টাকা বাজেট রেখেছি। হত দরিদ্র শিশুদের লেখাপড়া ও খেলাধুলার মান উন্নয়নে আগামী অর্থ-বছরে শিশুদের জন্য আরো বেশি বাজেট রাখা হবে। শিশুদের কল্যাণে কাজ করতে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স ও সেভ দ্য চিলড্রেনকে টেকনিক্যাল সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে পিকনিকের বাস খাদে পড়ে নিহত ৩৩

বিদেশের খবর: ভারতের মহারাষ্ট্রে একটি পিকনিকের বাস গভীর খাদে পড়ে ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার ওই বাসটি রাজ্যের রায়গড় জেলায় আম্বানেলিঘাট পর্বতের খাদে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভি’র।

পুলিশ জানায়, মুম্বাই গোয়া মহাসড়ক দিয়ে মহাবলেশ্বরে পিকনিকে যাওয়ার সময় রাস্তা থেকে ছিঁটকে ৫শ’ ফুট নিচে পড়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায় বাসটি। বাসটিতে দাপোলি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪ আরোহী ছিলেন। এদের মধ্যে মাত্র একজন আরোহীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনাস্থলের রাস্তাটি গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে বেশ পিচ্ছিল ছিল। সে কারণে রাস্তাটি চলাচলের জন্য বিপজ্জনক হয়ে যায়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার এক কর্মকর্তা জানান, বেঁচে ফিরে আসা ব্যক্তি খাদ থেকে রাস্তায় উঠে আসতে সক্ষম হন। এরপর তিনি পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেই চুমুর দৃশ্য নিয়ে এবার ওয়াশিংটন পোস্টে প্রতিবেদন

ভিন্ন স্বাদের খবর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এক কপোত-কপোতির চুমুর যে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, সেটি নিয়ে প্রতিবেদন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টে। পত্রিকাটির ভারত ব্যুরো চিফ অ্যানি গোয়েনের করা এই প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘প্রেমিক-জুটির চুমুর ভাইরাল ছবি নিয়ে বাংলাদেশে অনেকের আপত্তি। যিনি ছবি তুলেছেন তিনি মার খেয়েছেন, চাকরিচ্যুত হয়েছেন।’

এতে বলা হয়, মৌসুমি বৃষ্টিতে দুই প্রেমিক-প্রেমিকার চুমুর স্বপ্নিল ছবিটি ফটোসাংবাদিক জীবন আহমেদ সোমবার নিজের প্রোফাইলে পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশে ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ওই জুটির এমন সপ্রতিভ মুহূর্ত নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে ছবিটি তোলা হয়েছিল, সেখানে এ ধরনের ঘটনা বেশ বিরল। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই ক্যাম্পাস বিক্ষোভ ও সহিংস ঘটনা নিয়ে উত্তপ্ত ছিল।

এতে আরো বলা হয়, হাত ধরে থাকার দায়ে দুই শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগে এই মাসেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন ‘রক্ষণশীল’ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে। তবে, প্রকৃতপক্ষে এই তিন শিক্ষার্থী ছিলেন ছাত্রলীগ কর্মী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ, যেই দেশটিতে চরমপন্থা ক্রমেই গভীরে পৌঁছাচ্ছে, সেখানে অনেকে মনে করেন, ওই ছবিটি আপত্তিকর ছিল। ভারতের নিউজ ১৮ ওয়েবসাইটে এক রক্ষণশীল ব্লগার লিখেছেন, ‘প্রেমিক যুগল দিনে দিনে দুঃসাহসী হয়ে উঠছেন। আগে এ ধরনের ঘটনা গোপনে হতো। এখন এসব দিনে দুপুরে হচ্ছে। সেই দিন আর বেশি দূরে নেই যেদিন তারা প্রকাশ্যেই ভালোবাসাবাসি করবে।’

ফটোগ্রাফার জীবন আহমেদ অবশ্য বলছেন, ছবি তোলায় ওই যুগলের কোনো আপত্তি ছিল না। তিনি এ-ও বলেছেন যে, নৈতিকতা ‘পুলিশিং’-এর ভুক্তভোগী হওয়া মেনে নেবেন না তিনি। তার ভাষ্য, ‘নৈতিকতার বিকৃত চেতনা একজন শিল্পীর কাজকে প্রভাবিত করতে পারে না।’

সেদিনের কাহিনী বর্ণনা করে তিনি ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসএসিতে তিনি যখন ছবি তোলার মতো মুহূর্ত খুঁজছিলেন, তখনই তিনি দেখতে পান বৃষ্টিতে ওই যুগল ‘লিপ-কিসিং’-এ মত্ত। এরপর এক ক্লিকেই তিনি নিজের ক্যামেরায় ধারণ করেন ওই ছবি। এরপর তিনি নিজের বার্তাকক্ষে পাঠান। তবে সেখানকার সম্পাদকরা এই ছবি প্রকাশে রাজি হননি, কেননা এ থেকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। জীবনের ভাষ্য, ‘আমি তাদেরকে বললাম, না, আপনি এই ছবিকে নেতিবাচক হিসেবে দেখাতে পারেন না। কারণ, আমার কাছে এটি ছিল বিশুদ্ধ ভালোবাসার প্রতীক।’ পরে তিনি ছবিটি নিজের ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইলে আপলোড করেন। আর এক ঘণ্টার মধ্যেই ৫ হাজার বার শেয়ার হয় ওই পোস্ট।

পরের দিন তারই কিছু ফটোসাংবাদিক সহকর্মী তাকে পেটান। আর একদিন পর বুধবার তারই বস তার কাছ থেকে আইডি ও ল্যাপটপ নিয়ে নেন। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই।

জীবন বলছিলেন, ‘ওই যুগল অবিরাম চুমুতে ছিল। আমি এতে কোনো ভুল খুঁজে পাইনি। অশ্লীলতা খুঁজে পাইনি। অবশ্যই আজ আমি হতাশ। আমার ছবির অন্তর্নিহিত মর্মার্থ বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা। আমি নিজের ব্যাপারেও কিছুটা চিন্তিত।’

খবরে আরো বলা হয়, এই ঘটনা এমন সময় ঘটলো, যখন বাংলাদেশে সাংবাদিকরা নানামুখী হুমকির সম্মুখীন। এ বছর কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্ট-এর এশিয়া প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর স্টিভেন বাটলার এক ব্লগ পোস্টে লিখেছেন, এই হুমকির মধ্যে রয়েছে জঙ্গি হামলা, যেগুলো বাংলাদেশের এক সময়কার সক্রিয় ব্লগার সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছে। আছে কঠোর মানহানি আইন ও ভিন্নমতের প্রতি শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা।

ঢাকার ইংরেজি পত্রিকা ঢাকা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিবেদক তানিম আহমেদের ‘কিসিং লিবার্টি গুডবাই?’ (চুমুর স্বাধীনতা বিদায়?) শীর্ষক একটি মতামত কলামকে উদ্ধৃত করা হয়। তিনি লিখেছেন, এ ধরনের ‘শ্বাসরোধী’ পরিস্থিতিতে এ ধরনের কুণ্ঠাহীন নিষ্কলুষতার ছবি আশার সঞ্চার করে, যা এখন নাই বললেই চলে। তিনি আরো লিখেন, ‘এই যুগেও এ ধরনের কিছু মানুষের অস্তিত্ব আছে যারা জীবন, ভালোবাসা কিংবা তারুণ্য নিয়ে হাল ছাড়েননি, এমন ভাবনাটা মনকে সজীব করে দেয়। উষ্ণ করে দেয় হৃদয়কে।’ সূত্র: মানবজমিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একনজরে বাংলাদেশের যত সিরিজ জয়

খেলার খবর: ওয়ার্নার পার্কে মুস্তাফিজের শেষ বলটি যখন অ্যাশলি নার্সের ব্যাটে লাগল তখনই উল্লাসে ফেটে পড়লেন মাশরাফি, মিরাজ-মাহমুদুল্লাহরা। কারণ গেইল-আন্দ্রে রাসেলদের তাদের মাটিতে হারানো তো চাট্টিখানি কথা না। তবে এ জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ ঘরে তুললো টাইগাররা। সেই সঙ্গে ৯ বছর পর বিদেশের মাটিতে সিরিজ জয়ের আক্ষেপ ঘোচালো তারা।

সব মিলিয়ে এটি ২২তম ওয়ানডে সিরিজ জয় বাংলাদেশের। এর মধ্যে দেশের বাইরে ৫টি এবং ঘরের মাঠে ১৭টি। ২০০৫ সালে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়েকে ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে হারায় স্বাগতিকরা। সেটিই ছিল টাইগারদের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়। এরপর সাফল্যের মুকুটে যোগ হয়েছে একের পর এক পালক।

দেশের বাইরে বাংলাদেশ প্রথম সিরিজ জিতে ২০০৬ সালে। কেনিয়াকে তাদের মাটিতে ৩-০ ব্যবধানে হারায় সফরকারীরা। আর বিদেশে সবশেষ সিরিজ জেতে ২০০৯ সালে। সেবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩-০তে ধোলাই করে সাকিব বাহিনী। অবশ্য বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বে সেই সিরিজে ছিলেন না ক্যারিবীয়দের মূল ক্রিকেটাররা। এবারো সেই সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ৪৮ রানের দাপুটে জয়ের পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও একই হাতছানি ছিল। তবে নাটকীয়ভাবে ৩ রানে হেরে যাওয়ায় তা হলো না। অন্যদিকে বাংলাদেশ ঘরের মাঠে সবশেষ সিরিজ জেতে ২০১৬ সালে। ওই বছরের অক্টোবরে আফগানিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারায় ম্যাশ বাহিনী।

একনজরে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ২২টি সিরিজ জয়

প্রতিপক্ষ – সাল – ব্যবধান – স্বাগতিক দেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০০৫/০৫ – (৩-২) – বাংলাদেশ

কেনিয়া – ২০০৫/০৬ – (৪-০) – বাংলাদেশ

কেনিয়া – ২০০৬ – (৩-০) – কেনিয়া

জিম্বাবুয়ে – ২০০৬/০৭ – (৫-০) – বাংলাদেশ

স্কটল্যান্ড – ২০০৬/০৭ – (২-০) – বাংলাদেশে

জিম্বাবুয়ে – ২০০৬/০৭ – (৩-১) – জিম্বাবুয়ে

আয়ারল্যান্ড – ২০০৭/০৮ – (৩-০) – বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০০৮/০৯ – (২-১) – বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ – ২০০৯ – (৩-০) – ওয়েস্ট ইন্ডিজ

জিম্বাবুয়ে – ২০০৯ – (৪-১) – জিম্বাবুয়ে

জিম্বাবুয়ে – ২০০৯/১০ – (৪-১) – বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ড – ২০১১/১২ – (৪-০) – বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০১১/১২ – (৩-১) – বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ – ২০১২/১৩ – (৩-২) – বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ড – ২০১৩/১৪ – (৩-০) – বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০১৪ – (৩-০) – বাংলাদেশ

পাকিস্তান – ২০১৫ – (৩-০) – বাংলাদেশ

ভারত – ২০১৫ – (২-১) – বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকা – ২০১৫ – (২-১) – বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে – ২০১৫ – (৩-০) – বাংলাদেশ

আফগানিস্তান – ২০১৬ – (২-১) – বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ – ২০১৮ – (২-১) – ওয়েস্ট ইন্ডিজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে আটক ৫৭, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১১ মাদক মামলার আসামী ও দুই জামায়াত নেতাসহ ৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে একটি শুটার গান, এক রাউন্ড গুলিসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ৫ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৮ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৯ জন, তালা থানা ৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ৭ জন, শ্যামনগর থানা ৭ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ৪ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের টেলিছবিতে কলকাতার শ্রীলেখা মিত্র

বিনোদন সংবাদ: বাংলাদেশের একটি টেলিছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন ভারতের কলকাতার জনপ্রিয় ও আলোচিত অভিনয়শিল্পী শ্রীলেখা মিত্র। ‘দার্জিলিংয়ের ভালোবাসা’ নামের টেলিছবিতে অভিনয়ের জন্য তাঁর সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানালেন পরিচালক রাশেদ রাহা। ভারতের কলকাতার ছোটপর্দা ও বড়পর্দা দুই মাধ্যমে সমানতালে কাজ করেন তিনি।

‘দার্জিলিংয়ের ভালোবাসা’ আগামী ঈদে বাংলাভিশনে প্রচারের জন্য তৈরি হবে। সময় যেহেতু কম, তাই আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে শুটিং শুরুর পরিকল্পনা করছেন পরিচালক।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে শ্রীলেখা মিত্র ঠিকই অভিনয় করেছেন কিন্তু নাটক কিংবা টেলিছবিতে এবারই প্রথম। তবে কলকাতায়ও ৯ বছর ধরে নাটকে কাজ করা হচ্ছে না এই অভিনেত্রীর। কলকাতার নাটক কিংবা টেলিছবিতে কাজ করার ক্ষেত্রে একটা অনীহাও আছে বলা যেতে পারে। কিন্তু সেখানে বাংলাদেশের টেলিছবিতে অভিনয় করতে রাজি হওয়ার কারণটা বললেন এভাবেই, ‘গল্পটা একটু আধুনিক মনে হয়েছে। বাংলাদেশে অসংখ্য ভক্ত-অনুসারী আছেন, যাঁরা আমার কাজ পছন্দ করেন, নিয়মিত মীরাক্কেল দেখেন। আমি টেলিভিশনে কাজ করছি না অনেক দিন। বাংলা ছবিও ওখানে মুক্তি দেওয়া হয় না, বলতে পারেন কৌশলগত কারণেও হ্যাঁ করা। আমি চাইছিলাম, বাংলাদেশের দর্শক একটু আমাকে দেখুক।’

শ্রীলেখা মিত্রের বাবার বাড়ি বাংলাদেশের মাদারীপুর। সময় পেলেই পরিবার নিয়ে বেড়িয়ে যান তিনি। জানালেন, গত বছর বাবাকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি। মাদারীপুর গিয়েছিলেন। ঢাকায় এসে উঠেছিলেন আলমগীর ও রুনা লায়লার বাড়িতে। চিত্রনায়ক আলমগীরকে বড় ভাই মনে করেন বলেও জানালেন এই অভিনয়শিল্পী।

‘দার্জিলিংয়ের ভালোবাসা’ টেলিছবিতে কোন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করবেন জানতে চাইলে শ্রীলেখা মিত্র বলেন, ‘এটা একজন দম্পতির গল্প। এই দম্পতির দাম্পত্যজীবনে মিষ্টি একটা ঘটনা ঘটে, স্থিতিশীলতা আসে-সেখান থেকে গল্পটার মোড় নেয়। বাকিটা দেখে নিতে হবে।’

শ্রীলেখা মিত্র এই গল্পের সঙ্গে কতটা প্রাসঙ্গিক? পরিচালক রাশেদ রাহা বলেন, ‘আমার গল্পের ধরনটা যেমন, সেখানে শ্রীলেখা মিত্রের মতো একজন অভিনয়শিল্পীর প্রয়োজন মনে করেছি। এরপর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি গল্প শুনে পছন্দ করেছেন। তা ছাড়া আমাদের দেশে শ্রীলেখা মিত্রের দর্শক আছে। তাই তাঁকে আমার টেলিছবির জন্য চূড়ান্ত করলাম।’

রাশেদ রাহা পরিচালিত ‘দার্জিলিংয়ের ভালোবাসা’ টেলিছবির গল্প লিখেছেন খায়রুল বাসার। এতে আরও অভিনয় করবেন ইমন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest