সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে

দেশের খবর: নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জানুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ, নতুন বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের স্কুল শুরু হয়ে যাবে। সে সময় নির্বাচন হলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি হবে। তাছাড়া ডিসেম্বরের শেষ দিকে শিক্ষার্থীদের ছুটি থাকে।
মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের নিজ কার্যালয়ে তিনি এ কথা জানান।
হেলালুদ্দীন বলেন, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সে অনুযায়ী নির্বাচনী সব প্রস্তুতি গ্রহণ করে কাজ করে চলেছে ইসি। নির্বাচনকে ঘিরে এরই মধ্যে ৮০ ভাগের বেশি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করার পরিকল্পনা ইসির আছে জানিয়ে তিনি বলেন, সে লক্ষ্যে ইসি দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে। নির্বাচনের আগে আইন পাস, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতসহ সবকিছু ঠিক থাকলে সংসদ নির্বাচনের এক-তৃতীয়াংশ আসনে ইভিএম ব্যবহার করার মতো সক্ষমতা থাকবে ইসির।
ইসি সচিব বলেন, ইভিএম ব্যবহার করার আগে ভিত্তিস্বরূপ আইন দরকার। ৩০ আগস্ট কমিশন সভায় আরপিও সংশোধন-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তারপর সেটা ভেটিংয়ের (যাচাই-বাছাই) জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আইন পাস হলে তারপরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলবে কমিশন। তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কি হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলে গেলেন শেক্সপিয়র গবেষক অধ্যাপক ইমতিয়াজ হাবিব

অনলাইন ডেস্ক: শেক্সপিয়র গবেষক যুক্তরাষ্ট্রের ওল্ড ডোমিনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইমতিয়াজ হাবিব ৬৯ বছর বয়সে মারা গেছেন।তার মৃত্যুর খবর জানিয়ে ডোমিনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ তাদের ফেইসবুক পৃষ্ঠায় এক বার্তায় বলেছে, “অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয়ে একজন পণ্ডিত, একজন বন্ধু, একজন পিতা, একজন সত্যিকারের ভদ্রলোক অধ্যাপক ইমতিয়াজ হাবিবের মৃত্যুসংবাদ আমাদের জানাতে হচ্ছে।”
শেক্সপিয়র বিষয়ে বহু বই ও নিবন্ধের লেখক ইমতিয়াজ হাবিব দেশে ও দেশের বাইরে তরুণদের পুরো একটি প্রজন্মকে শেক্সপিয়র পড়িয়েছেন। শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন অসাধারণ বাগ্মী, অনুসন্ধিৎসু, পাঠ ও গবেষণায় মগ্ন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক হিসেবে।
ডোমিনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইমতিয়াজ হাবিব পড়াতেন প্রাক আধুনিক ইংরেজি সাহিত্য, পোস্ট কলোনিয়াল থিওরি ও সহিত্য।
মিশিগান গ্র্যান্ড ভ্যালি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের লিবারেল স্টাডিজ এবং ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্টাডিজ-এর অধ্যাপক আজফার হোসেন তার ছাত্রজীবনে ইমতিয়াজ হাবিবকে পেয়েছিলেন শিক্ষক হিসেবে। ফেইসবুকে সে কথা স্মরণ করেছেন আজফার।
তিনি লিখেছেন, “জীবনের কঠিন একটা সময়ে টিকে থাকতে অধ্যাপক হাবিব যেভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন, সেজন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে তার কাছে ঋণী।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেইসব দিনে সাহিত্যের বাইরেও জীবন ও মৃত্যু নিয়ে অনেক কিছু শেখার কথা স্মরণ করেছেন আজফার হোসেন।
শেক্সপিয়র্স প্লুরালিস্টিক কনসেপ্টস অব ক্যারেক্টার: এ স্টাডি ইন ড্রামাটিক অ্যানামরফিজম, শেক্সপিয়র অ্যান্ড রেইস: পোস্ট কলোনিয়াল প্র্যাক্সিস ইন আর্লি মডার্ন পিরিয়ড এবং ব্ল্যক লাইভস ইন দ্য ইংলিশ আর্কাইভস ১৫০০-১৬৭৭: ইমপ্রিন্টস অব দি ইনভিজিবল অধ্যাপক হাবিবের অন্যতম আলোচিত গ্রন্থ।
আজফার হোসেন বলেন, হ্যামলেটের ওপর যে অসাধারণ লেকচার অধ্যাপক ইমতিয়াজ হাবিব দিতেন, সেজন্যও তার ছাত্রছাত্রীরা তাকে মনে রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালামান খান বন্যা দুর্গতদের জন্য ১২ কোটি রুপি সাহায্য দিলেন

অনলাইন ডেস্ক: স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে ভারতের কেরালা রাজ্য। মারা গেছেন কয়েকশ মানুষ। বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজার হাজার পরিবার। কেরালার বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন সমাজের সব স্তরের মানুষ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তারকারাও এগিয়ে আসছেন সাহায্য করতে। কখনও কুনাল কাপুর কখনও সুশান্ত সিং রাজপুতরাও ১.২ কোটি, ১ কোটি করে অনুদান দিচ্ছেন, সেই সময় অমিতাভ বচ্চন এবং শাহরুখ খান-রাও কিন্তু পিছিয়ে নেই। কিন্তু,কেরালার বন্যা দুর্গত মানুষকে সাহায্য করতে সালমান খান নাকি ১২ কোটি রুপির অনুদান দিয়েছেন!
সম্প্রতি বলিউড অভিনেতা জাভেদ জাফরি একটি টুইট করেন। যেখানে তিনি লেখেন, সালমান খানের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘বিং সালমান’-এর পক্ষ থেকে নাকি কেরালার বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ১২ কোটির অনুদান দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও লেখেন, যিনি এই পরিমাণ সাহায্য করেন, তাঁর মধ্যে অন্যরকম কিছু রয়েছে। কত মানুষের ভালবাসা এবং আশীর্বাদ নিয়ে তিনি চলেন। এরকম মানুষের ভাল যেন ভগবান করেন, এমনও টুইট করেন জাভেদ জাফরি।
জাভেদ জাফরির ওই টুইটের পর থেকেই শুরু হয় জোর শোরগোল। যদিও, সালমান খান এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। এরপরই জাভেদ আবার একটি টুইট করেন। যেখানে তিনি বলেন, বিয়িং সালমানের ওই অনুদানের বিষয়ে তিনি শুনেছেন বলে লিখেছেন। কিন্তু, কে কত অনুদান দিচ্ছেন, সে বিষয়ে বিষয়ে সব সময় রেকর্ড রাখা সম্ভব নয়। তাই, যতক্ষণ না পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে তিনি নিশ্চিত হতে পারছেন না, ততক্ষণ ওই টুইটটি নিয়ে যেন কেউ আর আলোচনা না করেন সেই আবেদনও জানান জাফরি।
জাভেদ জাফরির ওই পর পর দু’টি টুইটের পর থেকেই জোর শোরগোল শুরু হয়ে যায়। সালমান কি সত্যিই ওই বিশাল অঙ্কের অর্থ সাহায্য কেরালার মানুষের জন্য করেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
এদিকে কেরালার বন্যার পর প্রায় ১০ দিন পর বিষয়টি নিয়ে টুইট করেন সালমান খান। কেরালার মানুষের পাশে যাতে সবাই দাঁড়ান, সে বিষয়ে আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি যে বা যে সমস্ত সংগঠন কেরালার মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, তাঁদের পাশে সালমান খান সব সময় রয়েছেন বলেও ওই টুইটে জানান। যদিও, কেরালার বন্যার ১০ দিন পর কেন সালমান খান ওই টুইট করলেন, তা নিয়ে নেটিজেনদের একাংশ প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। এমনকী, সালমান এতদিন ঘুমিয়ে ছিলেন বলেও অনেকে মন্তব্য করতে শুরু করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমরা ফিল্ডিংয়েই বেশি নজর দিচ্ছি: মিরাজ

খেলার খবর: এশিয়া কাপকে সামনে রেখে সোমবার (২৭ আগস্ট) থেকে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে টাইগারদের অনুশীলন ক্যাম্প। মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) চলছে ক্যাম্পের দ্বিতীয় দিনের অনুশীলন। এদিন মাঠে নেমে ঘাম ঝরিয়েছেন প্রাথমিক স্কোয়াডে ডাক পাওয়া ক্রিকেটাররা।
অনুশীলন শেষে সাংবাদিকদের মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, আসলে ক্রিকেটে ব্যাটিং বলেন, বোলিং বলেন দুইটাই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ফিল্ডিং। কারণ আপনি যদি দেখেন কোনো ওডিআই কিংবা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শেষের দিকের ২০-৩০ রান সেভ করতে পারাটা খুব প্রয়োজন।
তিনি বলেন, শেষের দিকে ২০-৩০ রান সেভ করতে পারলে পুরো টিমের মোমেন্টামই চেঞ্জ হয়ে যায়। দিন শেষে উইনিং মোমেন্টে ওইটাই বড় ভূমিকা হয়ে দাঁড়ায়। যার কারণে আমরা ফিল্ডিংয়েই বেশি নজর দিচ্ছি। যাতে শেষের দিকের রানগুলো সেভ করতে পারি। আর ফিল্ডিংটা ভালো করতে পারলে আমাদের ম্যাচে ভালো করার সম্ভবনাও বেশি থাকবে।
ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের পর ৩১ আগস্ট বিশ্রাম দেওয়া হবে ক্রিকেটারদের। এরপর আবার ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত চলবে অনুশীলন। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।
আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হবে এশিয়া কাপের ১৪তম আসর। টুর্নামেন্টটি শেষ হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর। ‘বি’ গ্রুপের খেলায় বাংলাদেশ মোকাবেলা করবে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেমের ফাঁদে ফেলে সাতক্ষীরার যুবককের কাছে চাঁদা দাবী : গ্রেফতার-১

 

আসাদুজ্জামান : প্রেমের ফাঁদে ফেলে সাতক্ষীরার এক যুবককে বাড়িতে আটকে রেখে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগে এক গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার কাথন্ডা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পালিয়ে গেছে সুচতুর ওই গৃহবধূ জাহানারা খাতুন।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম সিরাজুল ইসলাম মোড়ল (৪৫)। তিনি যশোরের কেশবপুর উপজেলার কাথন্ডা গ্রামের ইন্তাজ আলী মোড়লের ছেলে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার যুবক গাউসুল আযম সাকিলের সাথে মোবাইলে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন কেশবপুরের কাথন্ডা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম মোড়লের স্ত্রী গৃহবধূ জাহানারা খাতুন। মোবাইলে প্রেমের এক পর্যায়ে ওই গৃহবধূ গত রোববার কুরবানীর মাংশ খাওয়ার জন্য দাওয়াত করেন যুবক সাকিলকে। সাকিল যথারিতী সেখানে যায় দাওয়াত খেতে। এক পর্যায়ে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী দু জন মিলে তাকে ঘরে আটকে রেখে তার (সাকিলের) মোবাইল থেকে তার পরিবারের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। বিষয়টি সাথে সাথেই সাকিলের বাবা সিরাজুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশকে অবহিত করেন। এরপর পুলিশ কৌশলে সাকিলেরর পরিবারের পক্ষ থেকে ওই গৃহবধূর সাথে মোবাইলে কথা বলে একটি বিকাশ নাম্বার চান দাবীকৃত টাকা পরিশোধের জন্য। পুলিশ প্রথমে ওই বিকাশ নাম্বারে ১০ হাজার টাকা বিকাশ করেন। এরপর পুলিশ সাদা পোশাকে কেশবপুর পুলিশের সহায়তায় ওই বিকাশ নাম্বারটি খঁজে সেখানে ওৎ পেতে বসে থাকেন। একপর্যায়ে ওই বিকাশ কাউন্টার থেকে টাকা নেয়ার সময় পুলিশ ওই গৃহবধূর স্বামী সিরাজুলকে আটক করেন। এসময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হন ওই সুচতুর গৃহবধূ জাহানারা খাতুন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় যুবক সাকিলের বাবা বাদী হয়ে আটক সিরাজুল ও তার স্ত্রী জাহানারার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার সকালে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যমুনায় ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৩

অনলাইন ডেস্ক: মানিকগঞ্জের শিবালয়ের যমুনা নদীতে কার্গোর ধাক্কায় ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার আলোকদিয়া চরের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজদের মধ্যে দুইজন বৃদ্ধ ও একটি শিশু রয়েছেন।
শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন, পাবনার কাজিরহাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে আরিচা ঘাটে আসছিল। পথে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারের সঙ্গে বালুবাহী কার্গোর ধাক্কা লাগে। এতে ট্রলারটি ডুবে যায়। যাত্রীরা সাঁতরে চরে উঠতে পারলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছে তিনজন।
ওসি আরও বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, তাদের একটি দলও উদ্ধার কাজে অংশ নিতে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিনেমা হলে দেখা যাবে বিশ্বকাপ ২০১৯ এর খেলা

অনলাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো প্রেক্ষাগৃহে সরাসরি দেখানোর জন্য টেন্ডার আহ্বান করেছে। টুর্নামেন্টটির আঞ্চলিক কিংবা বিশ্বব্যাপী স্বত্ব ক্রয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠিত সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ, সিনেপ্লেক্স ও থিয়েটার এ সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে।
এ বিষয়ে সোমবার সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রস্তাব চেয়েছে আইসিসি। প্রস্তাব পাঠানোর পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে ক্রিকেট সংস্থাটি। গণমাধ্যম সংস্থাগুলোও এর জন্য আইসিসির পক্ষে আবেদন করতে পারবে।
আইসিসির মিডিয়ার রাইটস, ব্রডকাস্ট ও ডিজিটাল বিভাগের প্রধান আরতি সিং বলেন, ‘আইসিসি ও বিশ্ব ক্রিকেটকে ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির ভক্ত ও নতুন ভক্তদের আরও বেশি অনুপ্রাণিত করার সুযোগ করে দিচ্ছে আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯।’ সূত্র: আইসিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনতা ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারিতে জাজ মাল্টিমিডিয়ার নাম

দেশের খবর: ভুয়া রফতানি নথি তৈরি করে জনতা ব্যাংক থেকে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ তুলে নিয়েছে ক্রিসেন্ট গ্রুপ। এই গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। এই প্রতিষ্ঠানটির কাছে জনতা ব্যাংকের পাওনার পরিমাণ ১ হাজার ২৬ কোটি ৮৪ লাখ ৪০ হাজার ৬২৩ টাকা। ৩১ জুলাই জনতা ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এমএ আজিজের নামে একটি চিঠি ইস্যু করেছে। ব্যাংক বলছে, এই এমএ আজিজই হচ্ছেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার।তবে ব্যাংকের এ দাবি অস্বীকার করেছেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার।
এমএ আজিজ বলেছেন, ক্রিসেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএ কাদের তার ভাই। তবে তিনি জনতা ব্যাংক থেকে কোনও টাকা নেননি। রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের সঙ্গে তার কোনও সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘জনতা ব্যাংক যার নামে চিঠি ইস্যু করেছে তিনি আর আমি একই নই। জনতা ব্যাংক যে ঠিকানা ব্যবহার করেছে, সেই ঠিকানাও আমার নয়। জনতা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়েছে আমার ভাই। দোষ করলে ভাই করেছে। ভাইয়ের দোষ আমার কাঁধে আসবে কেন?’
জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুছ ছালাম আজাদ বলছেন, ‘রিমেক্স ফুটওয়্যারের চেয়ারম্যান এমএ আজিজকে আমরা এমএ কাদেরের ভাই বলেই জানি। যিনি সিনেমা তৈরি করেন বলেই শুনেছি।’
চামড়া খাতের উদ্যোক্তারাও বলছেন, রিমেক্স ফুটওয়্যারের মালিক ক্রিসেন্ট গ্রুপের এমএ কাদের ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার এমএ আজিজ দুই ভাই।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এমএ আজিজ ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার আজিজ একই ব্যক্তি। তারা চামড়াজাত পণ্যের এই ব্যবসা পৈত্রিক সূত্রে পেয়েছেন।
বর্তমানে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে সব চেয়ে আলোচিত নাম জাজ মাল্টিমিডিয়া। বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় তৈরি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রেও বিনিয়োগ করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। জাজ মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে বেশ কয়েকটি ব্যবসা সফল সিনেমাও হয়েছে।
জনতা ব্যাংক থেকে বলা হচ্ছে, আজিজের বড় ভাই কাদেরে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত, পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও রফতানি করা একাধিক প্রতিষ্ঠান আছে। এর মধ্যে রয়েছে, ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস, ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ, ক্রিসেন্ট ফুটওয়্যার, রূপালী কম্পোজিট লেদার, লেক্সকো লিমিটেড ও গ্লোরী অ্যাগ্রো।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিসেন্ট লেদারের রফতানির অর্থ দেশে না আসলেও নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে একের পর এক বিল কিনেছে জনতা ব্যাংক। ভুয়া রফতানি বিল কিনে গ্রুপটির হাতে নগদে টাকা দিয়েছে তারা। এখন রফতানির টাকা ফেরত আসছে না। এর বাইরে সরকারের নগদ সহায়তা তহবিল থেকেও ক্রিসেন্ট গ্রুপ নিয়েছে এক হাজার ৭৫ কোটি টাকা। বিদেশে রফতানির এক হাজার ২৯৫ কোটি টাকা আটকা রয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রুপটি সরকারি ব্যাংক ও সরকারের তহবিল থেকে ২০১৩ সাল থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত পাঁচ হাজার ১৩০ কোটি টাকা নিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রফতানি বিল কেনার ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম মানেনি জনতা ব্যাংক। বিলের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়নি তারা। রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান টাকা দিতে পারবে কিনা, সে ব্যাপারে কোনও খোঁজখবর নেয়নি ব্যাংকটি। জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখায় মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ক্রিসেন্ট গ্রুপের ছয় প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকটির ঋণ ২ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের অনুসন্ধানে এরই মধ্যে জালিয়াতির বিষয়টি চিহ্নিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইমামগঞ্জ শাখার এডি লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি জনতা ব্যাংক ও দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। রফতানির আড়ালে ক্রিসেন্ট গ্রুপের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচারের প্রাথমিক প্রমাণও পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ বিষয়ে জানতে এমএ কাদেরকে ফোন করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।
কী আছে ব্যাংকের চিঠিতে: চিঠিতে লেখা হয়েছে, আপনি অবগত আছেন যে, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়, ঢাকার ২৪ শে জুন, ২০১৮ তারিখের পত্র (সূত্র নং-এফইপিডি(এফইএমপি/০৩/(এ)/২০১৮-৫৬৩৩) এবং জনতা ব্যাংক লিমিটেড প্রধান কার্যালয়ের ফরেন ট্রেড ডিপার্টমেন্ট-এক্সপোর্ট-এর পত্র (সূত্র নং-এফটিডি/ইমামগঞ্জ/এডি লাইসেন্স/স্থগিত/১৮, তারিখ ২৫ জুন-২০১৮) মোতাবেক জনতা ব্যাংক লিমিটেড ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখায় পরিচালিত আপনার প্রতিষ্ঠানের দায়-দেনা জনতা ব্যাংক লিমিটেড লোকাল অফিস, ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা ঠিকানা হচ্ছে, হাউজ নং-৫৩৬, রোড নং-১১, বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি, আদাবর-১১, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
ব্যাংকটির বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের (এফটিডি) উপ-মহাব্যবস্থাপক রূহুল আমীন খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে রিমেক্স ফুটওয়্যারের সব দায়-দেনা পুরান ঢাকার ইমামগঞ্জ থেকে লোকাল অফিসে স্থানান্তর করার বিষয়টি জানানো হয়।
রিমেক্স ফুটওয়্যারের দায়-দেনার একটি হিসাবও উল্লেখ আছে চিঠিতে। তাতে দেখা যায়, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত রিমেক্স ফুটওয়্যারের কাছে রফতানি বিল ক্রয় (এফডিবিপি) বাবদ জনতা ব্যাংকের পাওনা রয়েছে ৫৩৫ কোটি ৮৫ লাখ ৭৪ হাজার ২৯০ টাকা। প্রতিষ্ঠানটি প্যাকিং ক্রেডিট (পিসি) বাবদ ১৬৬ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার ৪৫৭ টাকা ঋণ নিয়েছে। সাধারণত রফতানি পণ্য শিপমেন্টের জন্য এ ধরনের ঋণ দেওয়া হয়। রিমেক্স ফুটওয়্যার রফতানির জন্য অগ্রিম ক্যাশ সাবসিডি হিসেবে নিয়েছে ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৪২ টাকা। এছাড়া রফতানি বিল প্রত্যাবাসন না হওয়ায় প্রায় ১০৪ কোটি টাকা ফোর্সড লোন সৃষ্টি হয়েছে। রিমেক্স ফুটওয়্যারের অন্য দায়গুলো হলো— সিসি হাইপো ৯৪ কোটি ৩৮ লাখ ৪৫ হাজার ৬৭০ টাকা, সিসি প্লেজ ১০৮ কোটি ৯০ লাখ ৭ হাজার ৮৬৪ টাকা, আইএফডিবিসি ৭১ লাখ ৫ হাজার টাকা এবং এলসি বাবদ ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রিমেক্স ফুটওয়্যারের কাছে জনতা ব্যাংকের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬ কোটি ৮৪ লাখ ৪০ হাজার ৬২৩ টাকা। মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও জনতা ব্যাংকের কেনা রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের রফতানি বিলের অর্থ দেশে আসছে না।
চিঠিতে বলা হয়েছে, পিসি ঋণ অগ্রিম ক্যাশ সাবসিডি, পিএডি ক্যাশ ও লোন জেনারেল (ফোর্সড) এ ঋণ হিসাবগুলো দ্রুত সমন্বয় করা অপরিহার্য। তাছাড়া সীমাতিরিক্ত ইসিসি হাইপো, ইসিসি প্লেজ, সিসি হাইপো, সিসি প্লেজ দায় সমন্বয় করে ওই হিসাবগুলো নিয়মিত রাখা অত্যাবশ্যক। আমদানি বিল বাবদ অপরিশোধিত আইএফডিবিসি ও এলসি (যেসব ডকুমেন্ট ব্যাংকে জমা রয়েছে) দায়গুলো দ্রুত সমন্বয় করা আবশ্যক। এমএ আজিজকে দেওয়া চিঠিতে ব্যাংকের সব দায় পরিশোধের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধও করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest