সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার মহাদেব সাধুর ম্যানেজারের দায়ের করা মামলায় জামিন পেলেন ব্যবসায়ি ইসমাইলনানার বাড়িতে বেড়াতে এসে ঘেরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুসাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধন5 Vinkkiä Jackpottien Valloittamiseen Rizk Casinollaশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদক

লুটপাটে ব্যর্থ হয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের প্রকল্প বন্ধে সক্রিয় ‘সিন্ডিকেট’

দেশের খবর: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা দিতে সরকারের নেওয়া একটি প্রকল্প বন্ধের উপক্রম হয়েছে। লুটপাটের সুযোগ না পেয়ে প্রকল্প কর্মকর্তার (পিডি) বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে তাকে সরানোর পর পুরো প্রকল্পটিই বন্ধের তৎপরতা চালায় একটি সিন্ডিকেট। তবে সিন্ডিকেটের এই তৎপরতা আঁচ করতে পেরে সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা এই প্রকল্পটিকে সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ২০১৭ সালে এক হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা ব্যয় ধরে ‘আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষা প্রচলন (২য় প্রকল্প)’ প্রকল্প শুরু করে সরকার। প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ল্যাপটপ, মডেম ও সাউন্ডবক্সসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সরবরাহ করার কথা ছিল।
প্রকল্পের আওতায় প্রথম কিস্তিতে গত এপ্রিলে প্রায় ১৪ হাজার মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর কেনার জন্য ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্টের (ই-জিপি) মাধ্যমে দরপত্র আহ্বান করা হয়। প্রজেক্টরের উন্নতমানের স্পেসিফিকেশন ও প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ ও ইনস্টলেশনের শর্ত দেওয়া হয় দরপত্রে। এই শর্ত মানতে চায়নি স্মার্ট টেকলোজিসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
এরপর প্রকল্পকে ঘিরে একটি চক্র স্মার্ট টেকনোলজি লিমিটেডকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা চালায়। এর অংশ হিসেবে দরপত্রের শর্ত শিথিল করার প্রস্তাব দেওয়া হয় পিডিকে। কিন্তু প্রজেক্টরের উন্নতমানের স্পেসিফিকেশন এবং প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ ও ইনস্টলেশনের শর্ত শিথিল করতে রাজি হননি পিডি।
এই পরিস্থিতিতে পিডির বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যামিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে (মাউশি) আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ করে স্মার্ট টেকনোলজি লিমিটেড । যদিও তখন পর্যন্ত প্রকল্পের কেনাকাটা শুরুই হয়নি। অভিযোগের কোনও তদন্ত না করেই গত ৭ জুন প্রকল্প কর্মকর্তাকে এসডি করা হয়। পরে গত ১০ জুন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (নিরীক্ষা) আহমদ শামীম আল রাজীকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তা গত ১৯ জুন ১৩টি পর্যবেক্ষণসহ প্রতিবেদন জমা দেন। ওই প্রতিবেদনে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়। তবে অতি উৎসাহী হয়ে প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে মাউশি।
অন্যদিকে, প্রকল্প পরিচালক না থাকায় ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের বরাদ্দ ১৪৬ কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রায় পুরোটাই ফেরত যায়। এতে পুরো প্রকল্পে স্থবিরতা শুরু হয়। দুই মাস ধরে প্রকল্পটি স্থবির হয়ে রয়েছে। প্রকল্পের ১৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অলস সময় পার করছেন।
এ অবস্থা নিরসনে গত ২৪ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকের সুপারিশ অনুযায়ী প্রকল্পের কেনাকাটা ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পদ্ধতির পরিবর্তে ডিপিএম (ডিরেক্ট প্রকিউরম্যান্ট মেথড) পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বৈঠকে। সিদ্ধান্তের আলোকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘টেসিস’ থেকে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর,কম্পিউটারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়।
প্রকল্পে সিন্ডিকেটের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘প্রকল্প ভালভাবেই চলছিল। কিন্তু একটি চক্র সুযোগ নিতে নানা তৎপরতা শুরু করে। ভিত্তিহীন অভিযোগও করতে থাকে। এখন সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা এ প্রকল্পকে বাঁচাতে সরকারি সংস্থা টেসিসের মাধ্যমে সরঞ্জাম কেনার আলোচনা হয়েছে। প্রকল্প থেকে যারা অনৈতিকভাবে সুযোগ নিতে পারেনি তারাই প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত করেছে।’
প্রকল্পে দুর্নীতি ও মাউশির সুপারিশ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে আর্থিক দুর্নীতির কোনও প্রমাণ হয়নি। কিন্তু কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে মাউশি সুপারিশ করেছে তা আমার বোধগম্য নয়। প্রকল্প নিয়ে যে চক্রান্ত হয়েছে,আমার বিরুদ্ধে যে অবিচার হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে মন্ত্রণালয়ের কাছে লিখিতভাবে বিচার চেয়েছি।’
প্রকল্প কর্মকর্তাকে দরপত্রের শর্ত শিথিল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিলে কি-না জানতে চাইলে স্মার্ট টেকনোলজির আবুল বাশার মোহাম্মদ বলেন, ‘আমিসহ আরও প্রতিষ্ঠানের পক্ষে শর্ত শিথিলের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিলো। পিডি এমনভাবে শর্ত দিয়েছেন যে, আমরা যেন অংশ নিতে না পারি।’ সরকারের প্রকল্পটি বাতিল হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন আবুল বাশার মোহাম্মদ। যদিও প্রকল্পটি বাতিল হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের তিন হাজার ৩৪০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪৬ হাজার মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং আড়াই হাজার স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপনসহ পাঁচ লাখেরও বেশি শিক্ষক-কর্মকর্তাকে আইসিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিতে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। তিন বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় এক হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রজেক্টর, ল্যাপটপ, সাউন্ডবক্স, মডেম ইত্যাদি শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৯ দফা দাবির কী পেল শিক্ষার্থীরা

দেশের খবর: বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর ৯ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে ছয় দিন ধরে রাস্তায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও শিক্ষার্থীদের এসব দাবির ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষার্থীরা যেসব দাবি সামনে এনেছে, তার মধ্যে বেশ কয়েকটি দীর্ঘদিন ফাইলচাপা পড়ে ছিল। সরকারের নীতিনির্ধারকরাও বলছেন, শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসায় সড়ক ঘিরে দীর্ঘদিনের জঞ্জাল ও আবর্জনা দূর হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। রাস্তায় নামলেই নিত্যদিনের দুর্ভোগ আর ভোগান্তি যেন গা-সওয়া হয়ে গিয়েছিল। তাই অহিংস পন্থায় শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে শুরু থেকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেয় সরকারও। নেতা বা সাংগঠনিক ভিত্তি ছাড়া দাবি আদায়ের এমন জোরালো পদক্ষেপ অতীতে খুব কম দেখা গেছে। কিন্তু ধীরে ধীরে রাজপথের কর্মসূচি সহিংস মাত্রায় পৌঁছার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বাস ভাংচুর, আগুন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলার মধ্য দিয়ে এরই মধ্যে তার কিছু আলামতও মিলেছে। আবার কোথাও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়েছে। তাই সংশ্নিষ্টরা বলছেন, সরকারকে দাবি মানার শর্ত দিয়ে হলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের রাজপথ ছেড়ে যাওয়া উচিত।
সংশ্নিষ্টরা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর এরই মধ্যে সরকার ১৫টি পদক্ষেপ নিয়েছে। তা হলো- শহীদ রমিজ উদ্দীন কলেজকে পাঁচটি বাস বরাদ্দ, স্কুল-সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কে আন্ডারপাস নির্মাণ, দেশের সব স্কুল সংলগ্ন সড়কে গতিরোধক নির্মাণ, স্কুলের পাশে বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ, নিহত দিয়া খানম মীম ও আবদুল করিম রাজীবের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে প্রদান, সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে নতুন সড়ক পরিবহন আইন, দ্রুত মামলা শেষ করার বিধান রেখে আইন সংশোধন, জাবালে নূরের দুটি বাসের রুট পারমিট বাতিল ও ফিটনেসবিহীন সব বাসের রুট পারমিট বাতিলের উদ্যোগ, লাইসেন্সবিহীন ভুয়া চালকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ, নৌপরিবহনমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া, গাড়ির মালিককে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া, এ মামলায় আরও চারজনকে গ্রেফতার করা, জাবালে নূরের চালককে গ্রেফতার ও রিমান্ডে নেওয়া ও মহাসড়কে বিশ্রামাগার তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া। শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাস আজ সকালে হস্তান্তর করা হবে।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের নেতা ইলিয়াস কাঞ্চন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের যে দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে তা শুক্র ও শনিবারের মধ্যে হয়তো বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তবে রোববার থেকেই যেন আমরা দেখতে পাই- সেই কাজগুলোয় নীতিনির্ধারকরা হাত দিয়েছেন। এ ছাড়া সরকারকে দাবি মানার পদক্ষেপ নেওয়ার শর্ত দিয়ে শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা বিভিন্নভাবে এরই মধ্যে বলেছি, সরকার শিক্ষার্থীদের কোনো দাবির সঙ্গে দ্বিমত করেনি। সব দাবি পূরণ করা হবে। অনেক দাবি এরই মধ্যে পূরণও হয়েছে। ওভারপাস নির্মাণসহ কিছু দাবি রয়েছে যা রাতারাতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এর জন্য পরিকল্পনা হাতে নিতে হয়। তা শুরু হয়েছে। দাবি পূরণের পরও রাস্তায় থাকা যৌক্তিক নয়।
পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, শিক্ষার্থীদের সব দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। এখন তারা রাস্তায় থাকলে দুর্ভোগ বাড়বে। গণমাধ্যমসহ সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের ভুল বুঝিয়ে বা তাদের মধ্যে ঢুকে পড়ে কেউ যাতে আইন অমান্য করতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে।
র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, এখন তাদের ক্লাসরুমে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করব। কারণ এখন যেটা আশঙ্কার বিষয়, আন্দোলনকারীদের মধ্যে স্বার্থান্বেষী মহল ঢুকে পড়েছে। ছাত্রছাত্রীদের কারও মুখ থেকে এমন সব অশ্নীল শব্দ বের করানো হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এমন পরিস্থিতিতে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা রাস্তায় থাকলে তাদের নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অভিভাবক, শিক্ষক ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসহ সবাইকে অনুরোধ করব- সন্তানদের এখনই রাস্তা থেকে সরিয়ে নিন।
শিক্ষার্থীরা তাদের স্লোগান, ফেস্টুন, ব্যানার ও ফেসবুকের মাধ্যমে যে ৯ দফা দিয়েছে তার মধ্যে এক নম্বর দাবি ছিল- জাবালে নূরের সেই ঘাতক চালককে ফাঁসি দিতে হবে। এ ছাড়া ফাঁসির শাস্তি আইনে যুক্ত করতে হবে। এক নম্বর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে বাসচালক মাসুম বিল্লাহ ও তার সহকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে বাস মালিককেও। চালককে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। আইনমন্ত্রী এরই মধ্যে বলেছেন, দ্রুত এ মামলার বিচার সম্পন্ন করবে সরকার। এ ছাড়া মামলায় দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর সঙ্গে অপরাধজনিত হত্যার ধারা সংযোজন করা হয়েছে। আগামী সোমবার এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবনা মন্ত্রিপরিষদে তোলা হবে। সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়নে প্রস্তাবনাটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে ছিল। দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় চলমান বিক্ষোভের পর এ বিষয়টিতে গতি এসেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে নতুন আইন শিগগিরই সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
শিক্ষার্থীদের দুই নম্বর দাবি ছিল দুর্ঘটনার পর নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ভারতের দুর্ঘটনার উদাহরণ দিয়ে হাসতে হাসতে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সে ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া। এরই মধ্যে নৌপরিবহনমন্ত্রী ক্ষমা চেয়েছেন। মীমদের মহাখালীর দক্ষিণপাড়ার বাসায় গিয়ে তিনি তার হাসির ব্যাখ্যা দেন ও ক্ষমা চান। তবে আন্দোলন চলাকালে রাস্তায় কেউ কেউ মন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে স্লোগান দিয়েছে। তবে শাজাহান খান বলেছেন, শিক্ষার্থীরা তার পদত্যাগ চায়নি। বিএনপি তার পদত্যাগ দাবি করেছে।
আন্দোলনকারীদের তিন নম্বর দাবি ছিল শিক্ষার্থীদের চলাচলে এমইএস ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করে চলাচলে বিকল্প ব্যবস্থা করা। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্ঘটনাস্থলে ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাস নির্মাণে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেন। এ ছাড়া শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজকে ৫টি বাস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যাপারে শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সমকালকে বলেন, একটি নকশা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। তবে রাতারাতি কোনো ওভারপাস ও ফুটওভার ব্রিজ তৈরি সম্ভব নয়।
শিক্ষার্থীদের চার নম্বর দাবি হলো- প্রত্যেক সড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় স্পিডব্রেকার নির্মাণ করা। এরই মধ্যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিডব্রেকার নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার বলছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন সড়ক থাকলে সেখানে ট্রাফিক পুলিশ রাখা হবে। ৫ নম্বর দাবি ছিল সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রছাত্রীদের দায়ভার সরকারকে নিতে হবে। এরই মধ্যে নিহত দু’জনের পরিবারকে ২০ লাখ করে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয় সরকার বহনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার। ছয় নম্বর দাবি ছিল- শিক্ষার্থীরা বাস থামানোর সিগন্যাল দিলে থামিয়ে তাদের বাসে তুলতে হবে। এরই মধ্যে ট্রাফিক পুলিশকে এ নির্দেশনা মানতে বলা হয়েছে। সাত নম্বর দাবি হলো- শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করা। একসময় ঢাকায় প্রায় সব পরিবহনে শিক্ষার্থীরা তাদের পরিচয়পত্র দেখালে হাফ ভাড়া দিয়ে চলাচল করতে পারত। এখন দু-একটি বাস ছাড়া কোনো যানবাহনে হাফ ভাড়া নেওয়া হয় না। এ দাবির ব্যাপারে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। সরকার এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে কাজও শুরু করেছে। আট নম্বর দাবি ছিল- রাস্তায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল এবং লাইসেন্স ছাড়া চালকদের গাড়ি চালনা বন্ধ করতে হবে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, এরই মধ্যে লাইসেন্সবিহীন ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের গ্রেফতারে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের যানবাহন চালকদের লাইসেন্স সঙ্গে রাখতে বলা হয়। যাদের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদের দ্রুত নবায়ন করার ব্যাপারে নির্দেশ এসেছে। ৯ নম্বর দাবি ছিল- বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া যাবে না। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, বাসে অতিরিক্ত যাত্রী ও যততত্র লোক ওঠানোর ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। কারণ পাল্লা দিয়ে যততত্র জায়গায় যাত্রী তুলতে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পরিবহনশ্রমিক মাদকাসক্ত’

দেশের খবর: ঢাকা শহরের পরিবহনশ্রমিকদের মধ্যে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ মাদকাসক্ত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ। শুক্রবার বিকেলে মহাখালী বাস টার্মিনালে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ বিষয়টিকে দুর্ঘটনার একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এনায়েত উল্লাহ বলেন, বাসমালিকেরা পরিবহনশ্রমিকদের কাছে একরকম জিম্মি। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি আপনারা ভালো করে তুলে ধরুন।’ তিনি আরও বলেন, অনেক মালিক পরিবহনশ্রমিকদের চুক্তিতে বাস চালাতে দেন। তখন বেশি মুনাফার জন্য বাসগুলো সড়কে রেষারেষিতে লিপ্ত হয়। চুক্তিতে বাস না দেওয়ার জন্য মালিকদের উৎসাহিত করা হয়। কিন্তু অনেক সময় মালিকেরা সেটা শোনেন না।
এনায়েতউল্লাহ বলেন, শুক্রবার পর্যন্ত ছয় দিনে চার শর মতো বাস ভাঙচুর করা হয়েছে। আটটি বাস সম্পূর্ণভাবে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো বাসে বাইরে থেকে পেট্রল এনে গাড়ির কাচের পর্দায় ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে মালিক-শ্রমিকেরা নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন। যে কারণে ঢাকাসহ সারা দেশে মালিক-শ্রমিকেরা যাঁর যাঁর গাড়ি বন্ধ রেখেছেন। শ্রমিকেরা নিরাপদ বোধ করলেই গাড়ি চলবে।
খন্দকার এনায়েতুল্লাহ দাবি করেন, ‘এটা আমাদের মালিক-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ধর্মঘট নয়। মালিক-শ্রমিকদের কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে গাড়ি বন্ধ রাখতে বলা হয়নি। নাইট কোচ, ট্রাক তো চলছে।’ এ পরিবহন মালিক ও শ্রমিকনেতা দাবি করেন, তাঁরা ছাত্রদের দাবির সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। সরকার এর মধ্যে অনেক দাবি মেনে নিয়েছে। মোটরযান আইনকে সংশোধন করে সড়ক পরিবহন আইন অনেক পরে গিয়ে সংসদে পাস হওয়ার কথা ছিল। বর্তমান পরিস্থিতির কারণে আগামী সংসদেই এটা আইন আকারে পাস হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। নিয়মশৃঙ্খলা আনার জন্য এটাও একটা পদক্ষেপ। সরকার যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে বিষয়টি দেখছে। এখন শিক্ষার্থীদের উচিত ফিরে যাওয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাসশূন্য সড়ক, চরম ভোগান্তি

দেশের খবর: বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর প্রতিবাদে নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের পদত্যাগ এবং ঘাতক চালকের ফাঁসিসহ ৯ দফা দাবিতে আজও রাজধানীর অভ্যন্তরীণ রুটগুলোতে যাত্রীবাহী বাস নেই।
তবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরশেনের (বিআরটিসি) কয়েকটি বাস চলতে দেখা গেছে। সেগুলোতেও উঠতে হচ্ছে অনেক কষ্ট করে। ফলে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
শনিবার সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত মিরপুর রোড, রোকেয়া সরণি, সাতমসজিদ রোড, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, মানিক মিয়া এভিনিউ, প্রগতি সরণি, এলিফ্যান্ট রোডে কোনো গণপরিবহন দেখা যায়নি।
সড়কে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস চলাচল করছে। সেগুলোও অনেক কম। বেশি ভাড়াও অনেক দুর্ভোগে অফিস ও গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।
গত ২৯ জুলাই (রোববার) কর্মিটোলায় জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। প্রধানমন্ত্রী ২ আগস্ট নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে নিয়ে এসে তাদের সান্ত্বনা ও সমবেদনা জানান। পরে প্রধানমন্ত্রী নিহত দুই শিক্ষার্থীর প্রত্যেক পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে মোট ৪০ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র দেন।
বাসচাপায় শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। বুধবার চতুর্থ দিনের মাথায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঢাকার পর চট্টগ্রাম, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার বিকালে এ তথ্য সাংবাদিকদের জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। পাশাপাশি এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ও।
এদিন যাত্রাবাড়ী শনিরআখড়া এলাকায় উল্টোপথে আসা দ্রুতগতির একটি পিকআপ (মাঝারি ট্রাক) ফয়সাল নামে আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থীকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। আহতাবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জে পরিবহন শ্রমিকরাও সকাল থেকে ৬ ঘণ্টা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আটকে রেখে বিক্ষোভ করেন। সেখানে রাস্তায় শিক্ষার্থীদের মারধর করার ঘটনাও ঘটেছে।
এ অবস্থার মধ্যেই সচিবালয়ে নৌপরিবহনমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
পরে তিনি সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান। ঘাতক বাস জাবালে নূর পরিবহনের মালিক মো. শাহাদাৎ হোসেনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ ছাড়া ঘাতক বাসচালক মাসুম বিল্লাহকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
বুধবার সকাল থেকে ঢাকার সায়েন্সল্যাব, নিউমার্কেট, বনশ্রী, রামপুরা, খিলক্ষেত, ভাটারা, বাড্ডা, উত্তরা, কাকরাইল, বেইলি রোড, শান্তিনগর, ফার্মগেট যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সড়কগুলোতে অবস্থান নেন।
সিটি কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফ পাবলিক কলেজ, ঢাকা কলেজ, ধানমণ্ডি আইডিয়াল, উইলস ফ্লাওয়ার, নটর ডেম কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভিকারুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গালর্স কলেজ, হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ, উত্তরা ও মিরপুর এলাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসেন। তবে এদিন শহীদ রমিজউদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থীদের কোনো কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ঢাকার রাজপথ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিহত দিয়া-করিমের পরিবারকে নৌমন্ত্রী ৫ লাখ করে অনুদান দিলেন

দেশের খবর: রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বেপরোয়া বাসের চাপায় নিহত শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজিবের পরিবারকে পাঁচ লাখ করে ১০ লাখ টাকার চেক দিয়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খান।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আশকোনায় নিহত আব্দুল করিমের আত্মীয়ের বাসায় গিয়ে তার মাকে নৌপরিবহন মন্ত্রী সান্ত্বনা ও সমবেদনা জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী। সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এসময় মন্ত্রী করিমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি করিমের মা ও ছোট ভাইয়ের হাতে পাঁচ লাখ টাকার চেক তুলে দেন।এসময় মন্ত্রী করিমের ছোট ভাই আল-আমিনের লেখাপড়ার খরচ চালানোর জন্য মাসিক অনুদান দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন। মন্ত্রী তার বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত আচমত আলী খান ফাউন্ডেশন থেকে প্রতিমাসে এ অনুদান দেবেন।
তথ্য বিবরণীতে আরও বলা হয়, পরে নৌপরিবহন মন্ত্রী মহাখালী বাসস্ট্যান্ড মসজিদে মিম ও রাজিবের জন্য দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নিয়ে নিহতদের রুহের মাগেফরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করেন।
এছাড়া মন্ত্রী মিমের বাবার কাছে মহাখালীতে পাঁচ লাখ টাকার চেক দেন এবং মিমের ছোট ভাইয়ের লেখাপড়ার জন্য প্রতিমাসে আচমত আলী খান ফাউন্ডেশন থেকে অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
সন্ধ্যায় মন্ত্রী বাসচাপায় আহত হয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি শিক্ষার্থীদের দেখতে যান। তিনি তাদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন এবং ছয়জন শিক্ষার্থীকে ৩০ হাজার টাকা করে অনুদান দেন।
গত ২৯ জুলাই রাজধানীতে জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাসের পাল্লাপাল্লিতে শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। এ ঘটনার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমে পড়ে সারা দেশের শিক্ষার্থীরা। আর সরকারের পক্ষ থেকে সড়ক পরিবহন আইন দ্রুত পাস করা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিহতদের পরিবার প্রতি ২০ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ রমিজ উদ্দিন কলেজকে ৫ বাস হস্তান্তর

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রমিজ উদ্দিন কলেজকে পাঁচটি বাস দেওয়া হচ্ছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা সিএমএইচের বিপরীতে বাস পাঁচটি হস্তান্তর করা হবে।
বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য এ বাস পাঁচটি দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, দুই বাসের প্রতিযোগিতায় রবিবার কুর্মিটোলায় বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হয় আরো বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাসচাপায় নিহত দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মীম ও আবদুল করিমের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে অনুদান দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী রমিজ উদ্দিন কলেজকে পাঁচটি বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরাতে চতুর্মূখি পদক্ষেপ

দেশের খবর: সড়কে নিরাপত্তার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামাতে সরকারের পক্ষ থেকে নানা আশ্বাস দেওয়ার পরও শিক্ষার্থীরা রাজপথ ছাড়েনি। সহসা তারা ঘরে ফিরছে না, এটা ধরে নিয়ে সরকার কঠোর হতে যাচ্ছে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি সরকারের অনুরোধ ছিল, তারা সব দাবি মেনে নিয়েছে, এখন শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরাতে হবে।
বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর নিহতের প্রতিবাদে ঘাতক চালকের ফাঁসি নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের পদত্যাগ এবং সহ ৯ দফা দাবিতে শুক্রবারও রাজপথে ছিল শিক্ষার্থীরা।রাজধানীর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। এখন আর শুধু রাজধানীর সড়ক নয়, শিক্ষার্থীরা সারাদেশে নিরাপদ সড়ক চাইছে।
শিক্ষার্থীদের টানা পাঁচদিনের আন্দোলনে গত বৃহস্পতিবার সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকার বন্ধ ঘোষণা করলেও ছাত্রছাত্রীদের ঘরে আটকে রাখতে পারেনি। সবাই রাস্তায় নেমে গেলে অচল হয়ে পড়ে রাজধানী। শুক্রবারও শিক্ষার্থীরা রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় নেমে বিক্ষোভ করেছে।আগের মতোই এদিন শিক্ষার্থীরা রাজপথে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের চালকদের লাইসেন্স পরীক্ষা করে। অভিনেতা অভিনেত্রীরা একাত্মতা প্রকাশের পর মানববন্ধন করেন।
ঢাকার বাইরে বিভিন্ন শহরেও শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে। আন্দোলনকারীরা শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে স্লোগান দেয়। তারা জানায়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। অভিভাবকরা পরিবহন খাতের অব্যবস্থাপনা দ্রুত বন্ধের দাবি জানান। এদিন পরিবহন শ্রমিকরাও রাস্তায় নামেন। তারা গণপরিবহন চলাচলে বাধা দেন। এছাড়া শনিবার সকাল থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির (পরীক্ষা-ক্লাস বর্জন) পাশাপাশি সড়ক অবরোধেরও ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা। গণস্বাক্ষর সংগ্রহের কর্মসূচি ঘোষণার কথা ভাবছে শিক্ষার্থীরা।
এদিকে রাজধানীসহ সারাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ আন্দোলন দমনে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার। নিরাপদ সড়কের দাবিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি কোন দিকে যাচ্ছে তার প্রতিও নজর রাখছে তারা।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ না করতে এখন পর্যন্ত সরকারি সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিলে হালকা বল প্রয়োগের পাশাপাশি বিকল্প পদক্ষেপের বিষয়টিও সরকার চিন্তায় রেখেছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন পুঁজি করে বিরোধীপক্ষ বা যে কোনো ধরনের স্বার্থান্বেষীমহল অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পারে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ভেতর সরকারবিরোধী বহিরাগতরা ঢুকে স্যাবোটাজ করতে পারে বলে সরকারের কাছে গোপন রিপোর্ট রয়েছে। যে কারণে চলমান আন্দোলনের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে সরকার। পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দলের নেতাদেরও আন্দোলন-পরিস্থিতির দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীর রাস্তায় অবস্থান নিয়ে লাইসেন্সবিহীন পুলিশের গাড়ি, মন্ত্রীর গাড়ী এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আরো কয়েকজনের গাড়ি আটক করে। মন্ত্রীকে পর্যন্ত গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে যেতে হয়েছে। লাইসেন্স না থাকায় সাধারণ মানুষের গাড়িও আটকে দেয় শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়ে রাস্তায় গাড়ি নামায়নি পরিবহন সংস্থাগুলো। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন রাজধানীর মানুষ। তারপরও রাজধানীর মানুষের এই আন্দোলনে সমর্থনের অভাব হয়নি। অনেক পায়ে হেঁটে বা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে রিকশায় চলাচল করলেও আন্দোলনে সমর্থন দিচ্ছেন।
সাধারণ লোকদের কাছে এই আন্দোলন জনপ্রিয় হলেও সরকারের জন্য সৃষ্টি করেছে বিব্রতকর পরিস্থিতি। ফলে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন। এ সময় আন্দোলন দমন করতে কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্তে পুলিশের কর্মকর্তারা মতামত দেন।
ওই বৈঠক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে কঠোর হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। শেষ বারের মতো সবাইকে সতর্ক করা হলো। এরপরও যদি আন্দোলনকারীরা সতর্ক না হয়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়া উপায় থাকবে না।
সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্র জানায়, আগামী রবি ও সোমবার পর্যন্ত সরকার আন্দোলন-পরিস্থিতি নজরে রাখবে। এরপরই পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর হওয়ার চিন্তা মাথায় রয়েছে। সেক্ষেত্রে আন্দোলনকারীদের রাজপথ থেকে হটাতে মৃদু কঠোরতা দেখাতে পারে।
সূত্র আরো জানায়, শিক্ষার্থীরা গত কয়েকদিন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে, বড়রা যা পারেনি ছোটরা তা করতে পেরেছে। তারা নিরাপদ সড়কের দাবিতে যেসব দাবি তুলেছে তা মানতে ইতোমধ্যে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এবার শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরে পড়ালেখায় মনোযোগী হোক, এটাই এখন সরকারের চাওয়া। এজন্য সরকার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ পরিচালনা পর্ষদকেও অনুরোধ করছে শিক্ষার্থীদের ঘরে এবং ক্লাসে ফিরিয়ে নিতে। তারপরও শিক্ষার্থীরা না ফিরলে বিকল্প পদক্ষেপগুলো নিয়ে ভাবছে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ভেতর বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ইতোমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেশের সব জেলার পুলিশ সুপার ও মহানগর পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করতেও বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিস্থিতি বুঝে ‘নরম গরম’ পদক্ষেপ

দেশের খবর: রাজপথের শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি অসহনীয় মাত্রায় সহিংস হয়ে উঠলে পরিস্থিতি বুঝে সীমিত পর্যায়ে কঠোর হবে সরকার। তবে কোনোভাবেই এখনই চূড়ান্ত শক্তি প্রয়োগ করা হবে না। বর্তমান বাস্তবতায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই বার্তা দিতে চায় যে, বয়স যাই হোক না কেন আইন হাতে তুলে নেওয়া কারও জন্য মঙ্গলজনক নয়। আইন ভঙ্গ করলে সব বয়সের নাগরিকের জন্য সাজার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সরকার চায় না কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে কোনো শক্ত গ্রুপ রাস্তায় দাঁড়াক। এতে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে উঠতে পারে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর ও ডিএমপি কার্যালয় ও র‌্যাবের শীর্ষ কর্মকর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্নিষ্টরা চলতি সপ্তাহ থেকে ‘নরম-গরম’ পদক্ষেপ নেবেন বলে জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, সরকার প্রথম থেকেই শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। তবে এখন কেউ ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহার করে রাস্তায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করলে আমাদের বুঝেশুনে শক্ত হতে হবে। এরই মধ্যে এ ধরনের বার্তা দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে চলমান কর্মসূচিতে সরকার নানা হিসাব-নিকাশ করে চুপচাপ ছিল। রাস্তা অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের সংযত হয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সরকারও শুরু থেকেই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাটি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে আসছে। তবে পরবর্তীতে শত শত গাড়ি ভাংচুর ও জ্বালাও-পোড়াওকে ‘অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে মনে করছেন তারা। দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় সহপাঠীরা জড়িতদের বিচার দাবিতে রাস্তায় দাঁড়ালে সরকারও তাদের প্রতি নানাভাবে সহমর্মিতা জানায়। তবে সময় পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে ‘সুযোগ সন্ধানী’ গোষ্ঠী যুক্ত হয়েছে বলে দাবি করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। নীতিনির্ধারকদের ভাবিয়ে তুলেছে রাস্তায় ভাংচুর ও জ্বালাও-পোড়াও এবং সরকারি স্থাপনায় হামলা চেষ্টার বিষয়টি। তারা মনে করছে, শিক্ষার্থীদের উস্কে দিয়ে রাজপথে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ-র‌্যাবসহ সরকারি সংস্থাকে ক্ষেপিয়ে তুলছে চাচ্ছে কেউ কেউ, যাতে তারা বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয়।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে খুব বেশি সময় বাকি নেই। তাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ব্যাপারে সরকার শুরু থেকে চুপচাপ ছিল। কিন্তু কর্মসূচি নিয়ে চলমান পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখা হচ্ছে।
জানা গেছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন থেকে সড়কে সড়কে আরও বেশি দৃশ্যমান হবে। কেউ আইন হাতে তুলে নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিত্যদিনের খাবার-সামগ্রী চলাচলে যাতে কোনো ব্যাঘাত না হয় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া অতীতে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে যারা রাজপথে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সব স্থাপনায় রাখা হয়েছে বাড়তি সতর্কতা।
এদিকে অনেক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, আজ শনিবারও তারা রাস্তায় নামতে পারে। তবে তারা ভাংচুর-জ্বালাও-পোড়াও করতে চায় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest