সর্বশেষ সংবাদ-
শাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম – সদস্য সচিব শফিকুলইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮% শিশু-কিশোর, ৫৩% অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার২৪ ঘন্টা ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধান চায় পরিবারপুলিশও হবেন, দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেনএটা হতে পারে না, বললেন হাসনাতচতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে বাহুবলে এনসিপি নেতারাদেবহাটায় ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দ : তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানাশ্যামনগরের ভেটখালী বিলে পানিতে জলাবদ্ধতা : কৃষকের মাথায় হাতসংবাদ সম্মেলনে রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার : রাস্তাটি ক্রয়কৃত দাবি ওমর ফারুকেরদক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যুসাতক্ষীরায় ৩১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল ১৭ বিজিবি

আমরা ফিল্ডিংয়েই বেশি নজর দিচ্ছি: মিরাজ

খেলার খবর: এশিয়া কাপকে সামনে রেখে সোমবার (২৭ আগস্ট) থেকে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে টাইগারদের অনুশীলন ক্যাম্প। মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) চলছে ক্যাম্পের দ্বিতীয় দিনের অনুশীলন। এদিন মাঠে নেমে ঘাম ঝরিয়েছেন প্রাথমিক স্কোয়াডে ডাক পাওয়া ক্রিকেটাররা।
অনুশীলন শেষে সাংবাদিকদের মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, আসলে ক্রিকেটে ব্যাটিং বলেন, বোলিং বলেন দুইটাই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ফিল্ডিং। কারণ আপনি যদি দেখেন কোনো ওডিআই কিংবা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শেষের দিকের ২০-৩০ রান সেভ করতে পারাটা খুব প্রয়োজন।
তিনি বলেন, শেষের দিকে ২০-৩০ রান সেভ করতে পারলে পুরো টিমের মোমেন্টামই চেঞ্জ হয়ে যায়। দিন শেষে উইনিং মোমেন্টে ওইটাই বড় ভূমিকা হয়ে দাঁড়ায়। যার কারণে আমরা ফিল্ডিংয়েই বেশি নজর দিচ্ছি। যাতে শেষের দিকের রানগুলো সেভ করতে পারি। আর ফিল্ডিংটা ভালো করতে পারলে আমাদের ম্যাচে ভালো করার সম্ভবনাও বেশি থাকবে।
ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের পর ৩১ আগস্ট বিশ্রাম দেওয়া হবে ক্রিকেটারদের। এরপর আবার ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত চলবে অনুশীলন। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।
আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হবে এশিয়া কাপের ১৪তম আসর। টুর্নামেন্টটি শেষ হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর। ‘বি’ গ্রুপের খেলায় বাংলাদেশ মোকাবেলা করবে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেমের ফাঁদে ফেলে সাতক্ষীরার যুবককের কাছে চাঁদা দাবী : গ্রেফতার-১

 

আসাদুজ্জামান : প্রেমের ফাঁদে ফেলে সাতক্ষীরার এক যুবককে বাড়িতে আটকে রেখে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগে এক গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার কাথন্ডা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পালিয়ে গেছে সুচতুর ওই গৃহবধূ জাহানারা খাতুন।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম সিরাজুল ইসলাম মোড়ল (৪৫)। তিনি যশোরের কেশবপুর উপজেলার কাথন্ডা গ্রামের ইন্তাজ আলী মোড়লের ছেলে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার যুবক গাউসুল আযম সাকিলের সাথে মোবাইলে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন কেশবপুরের কাথন্ডা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম মোড়লের স্ত্রী গৃহবধূ জাহানারা খাতুন। মোবাইলে প্রেমের এক পর্যায়ে ওই গৃহবধূ গত রোববার কুরবানীর মাংশ খাওয়ার জন্য দাওয়াত করেন যুবক সাকিলকে। সাকিল যথারিতী সেখানে যায় দাওয়াত খেতে। এক পর্যায়ে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী দু জন মিলে তাকে ঘরে আটকে রেখে তার (সাকিলের) মোবাইল থেকে তার পরিবারের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। বিষয়টি সাথে সাথেই সাকিলের বাবা সিরাজুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশকে অবহিত করেন। এরপর পুলিশ কৌশলে সাকিলেরর পরিবারের পক্ষ থেকে ওই গৃহবধূর সাথে মোবাইলে কথা বলে একটি বিকাশ নাম্বার চান দাবীকৃত টাকা পরিশোধের জন্য। পুলিশ প্রথমে ওই বিকাশ নাম্বারে ১০ হাজার টাকা বিকাশ করেন। এরপর পুলিশ সাদা পোশাকে কেশবপুর পুলিশের সহায়তায় ওই বিকাশ নাম্বারটি খঁজে সেখানে ওৎ পেতে বসে থাকেন। একপর্যায়ে ওই বিকাশ কাউন্টার থেকে টাকা নেয়ার সময় পুলিশ ওই গৃহবধূর স্বামী সিরাজুলকে আটক করেন। এসময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হন ওই সুচতুর গৃহবধূ জাহানারা খাতুন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় যুবক সাকিলের বাবা বাদী হয়ে আটক সিরাজুল ও তার স্ত্রী জাহানারার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার সকালে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যমুনায় ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৩

অনলাইন ডেস্ক: মানিকগঞ্জের শিবালয়ের যমুনা নদীতে কার্গোর ধাক্কায় ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার আলোকদিয়া চরের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজদের মধ্যে দুইজন বৃদ্ধ ও একটি শিশু রয়েছেন।
শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন, পাবনার কাজিরহাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে আরিচা ঘাটে আসছিল। পথে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারের সঙ্গে বালুবাহী কার্গোর ধাক্কা লাগে। এতে ট্রলারটি ডুবে যায়। যাত্রীরা সাঁতরে চরে উঠতে পারলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছে তিনজন।
ওসি আরও বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, তাদের একটি দলও উদ্ধার কাজে অংশ নিতে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিনেমা হলে দেখা যাবে বিশ্বকাপ ২০১৯ এর খেলা

অনলাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো প্রেক্ষাগৃহে সরাসরি দেখানোর জন্য টেন্ডার আহ্বান করেছে। টুর্নামেন্টটির আঞ্চলিক কিংবা বিশ্বব্যাপী স্বত্ব ক্রয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠিত সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ, সিনেপ্লেক্স ও থিয়েটার এ সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে।
এ বিষয়ে সোমবার সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রস্তাব চেয়েছে আইসিসি। প্রস্তাব পাঠানোর পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে ক্রিকেট সংস্থাটি। গণমাধ্যম সংস্থাগুলোও এর জন্য আইসিসির পক্ষে আবেদন করতে পারবে।
আইসিসির মিডিয়ার রাইটস, ব্রডকাস্ট ও ডিজিটাল বিভাগের প্রধান আরতি সিং বলেন, ‘আইসিসি ও বিশ্ব ক্রিকেটকে ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির ভক্ত ও নতুন ভক্তদের আরও বেশি অনুপ্রাণিত করার সুযোগ করে দিচ্ছে আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯।’ সূত্র: আইসিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনতা ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারিতে জাজ মাল্টিমিডিয়ার নাম

দেশের খবর: ভুয়া রফতানি নথি তৈরি করে জনতা ব্যাংক থেকে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ তুলে নিয়েছে ক্রিসেন্ট গ্রুপ। এই গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। এই প্রতিষ্ঠানটির কাছে জনতা ব্যাংকের পাওনার পরিমাণ ১ হাজার ২৬ কোটি ৮৪ লাখ ৪০ হাজার ৬২৩ টাকা। ৩১ জুলাই জনতা ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এমএ আজিজের নামে একটি চিঠি ইস্যু করেছে। ব্যাংক বলছে, এই এমএ আজিজই হচ্ছেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার।তবে ব্যাংকের এ দাবি অস্বীকার করেছেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার।
এমএ আজিজ বলেছেন, ক্রিসেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএ কাদের তার ভাই। তবে তিনি জনতা ব্যাংক থেকে কোনও টাকা নেননি। রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের সঙ্গে তার কোনও সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘জনতা ব্যাংক যার নামে চিঠি ইস্যু করেছে তিনি আর আমি একই নই। জনতা ব্যাংক যে ঠিকানা ব্যবহার করেছে, সেই ঠিকানাও আমার নয়। জনতা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়েছে আমার ভাই। দোষ করলে ভাই করেছে। ভাইয়ের দোষ আমার কাঁধে আসবে কেন?’
জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুছ ছালাম আজাদ বলছেন, ‘রিমেক্স ফুটওয়্যারের চেয়ারম্যান এমএ আজিজকে আমরা এমএ কাদেরের ভাই বলেই জানি। যিনি সিনেমা তৈরি করেন বলেই শুনেছি।’
চামড়া খাতের উদ্যোক্তারাও বলছেন, রিমেক্স ফুটওয়্যারের মালিক ক্রিসেন্ট গ্রুপের এমএ কাদের ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার এমএ আজিজ দুই ভাই।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এমএ আজিজ ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার আজিজ একই ব্যক্তি। তারা চামড়াজাত পণ্যের এই ব্যবসা পৈত্রিক সূত্রে পেয়েছেন।
বর্তমানে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে সব চেয়ে আলোচিত নাম জাজ মাল্টিমিডিয়া। বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় তৈরি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রেও বিনিয়োগ করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। জাজ মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে বেশ কয়েকটি ব্যবসা সফল সিনেমাও হয়েছে।
জনতা ব্যাংক থেকে বলা হচ্ছে, আজিজের বড় ভাই কাদেরে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত, পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও রফতানি করা একাধিক প্রতিষ্ঠান আছে। এর মধ্যে রয়েছে, ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস, ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ, ক্রিসেন্ট ফুটওয়্যার, রূপালী কম্পোজিট লেদার, লেক্সকো লিমিটেড ও গ্লোরী অ্যাগ্রো।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিসেন্ট লেদারের রফতানির অর্থ দেশে না আসলেও নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে একের পর এক বিল কিনেছে জনতা ব্যাংক। ভুয়া রফতানি বিল কিনে গ্রুপটির হাতে নগদে টাকা দিয়েছে তারা। এখন রফতানির টাকা ফেরত আসছে না। এর বাইরে সরকারের নগদ সহায়তা তহবিল থেকেও ক্রিসেন্ট গ্রুপ নিয়েছে এক হাজার ৭৫ কোটি টাকা। বিদেশে রফতানির এক হাজার ২৯৫ কোটি টাকা আটকা রয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রুপটি সরকারি ব্যাংক ও সরকারের তহবিল থেকে ২০১৩ সাল থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত পাঁচ হাজার ১৩০ কোটি টাকা নিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রফতানি বিল কেনার ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম মানেনি জনতা ব্যাংক। বিলের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়নি তারা। রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান টাকা দিতে পারবে কিনা, সে ব্যাপারে কোনও খোঁজখবর নেয়নি ব্যাংকটি। জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখায় মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ক্রিসেন্ট গ্রুপের ছয় প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকটির ঋণ ২ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের অনুসন্ধানে এরই মধ্যে জালিয়াতির বিষয়টি চিহ্নিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইমামগঞ্জ শাখার এডি লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি জনতা ব্যাংক ও দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। রফতানির আড়ালে ক্রিসেন্ট গ্রুপের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচারের প্রাথমিক প্রমাণও পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ বিষয়ে জানতে এমএ কাদেরকে ফোন করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।
কী আছে ব্যাংকের চিঠিতে: চিঠিতে লেখা হয়েছে, আপনি অবগত আছেন যে, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়, ঢাকার ২৪ শে জুন, ২০১৮ তারিখের পত্র (সূত্র নং-এফইপিডি(এফইএমপি/০৩/(এ)/২০১৮-৫৬৩৩) এবং জনতা ব্যাংক লিমিটেড প্রধান কার্যালয়ের ফরেন ট্রেড ডিপার্টমেন্ট-এক্সপোর্ট-এর পত্র (সূত্র নং-এফটিডি/ইমামগঞ্জ/এডি লাইসেন্স/স্থগিত/১৮, তারিখ ২৫ জুন-২০১৮) মোতাবেক জনতা ব্যাংক লিমিটেড ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখায় পরিচালিত আপনার প্রতিষ্ঠানের দায়-দেনা জনতা ব্যাংক লিমিটেড লোকাল অফিস, ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা ঠিকানা হচ্ছে, হাউজ নং-৫৩৬, রোড নং-১১, বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি, আদাবর-১১, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
ব্যাংকটির বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের (এফটিডি) উপ-মহাব্যবস্থাপক রূহুল আমীন খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে রিমেক্স ফুটওয়্যারের সব দায়-দেনা পুরান ঢাকার ইমামগঞ্জ থেকে লোকাল অফিসে স্থানান্তর করার বিষয়টি জানানো হয়।
রিমেক্স ফুটওয়্যারের দায়-দেনার একটি হিসাবও উল্লেখ আছে চিঠিতে। তাতে দেখা যায়, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত রিমেক্স ফুটওয়্যারের কাছে রফতানি বিল ক্রয় (এফডিবিপি) বাবদ জনতা ব্যাংকের পাওনা রয়েছে ৫৩৫ কোটি ৮৫ লাখ ৭৪ হাজার ২৯০ টাকা। প্রতিষ্ঠানটি প্যাকিং ক্রেডিট (পিসি) বাবদ ১৬৬ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার ৪৫৭ টাকা ঋণ নিয়েছে। সাধারণত রফতানি পণ্য শিপমেন্টের জন্য এ ধরনের ঋণ দেওয়া হয়। রিমেক্স ফুটওয়্যার রফতানির জন্য অগ্রিম ক্যাশ সাবসিডি হিসেবে নিয়েছে ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৪২ টাকা। এছাড়া রফতানি বিল প্রত্যাবাসন না হওয়ায় প্রায় ১০৪ কোটি টাকা ফোর্সড লোন সৃষ্টি হয়েছে। রিমেক্স ফুটওয়্যারের অন্য দায়গুলো হলো— সিসি হাইপো ৯৪ কোটি ৩৮ লাখ ৪৫ হাজার ৬৭০ টাকা, সিসি প্লেজ ১০৮ কোটি ৯০ লাখ ৭ হাজার ৮৬৪ টাকা, আইএফডিবিসি ৭১ লাখ ৫ হাজার টাকা এবং এলসি বাবদ ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রিমেক্স ফুটওয়্যারের কাছে জনতা ব্যাংকের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬ কোটি ৮৪ লাখ ৪০ হাজার ৬২৩ টাকা। মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও জনতা ব্যাংকের কেনা রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের রফতানি বিলের অর্থ দেশে আসছে না।
চিঠিতে বলা হয়েছে, পিসি ঋণ অগ্রিম ক্যাশ সাবসিডি, পিএডি ক্যাশ ও লোন জেনারেল (ফোর্সড) এ ঋণ হিসাবগুলো দ্রুত সমন্বয় করা অপরিহার্য। তাছাড়া সীমাতিরিক্ত ইসিসি হাইপো, ইসিসি প্লেজ, সিসি হাইপো, সিসি প্লেজ দায় সমন্বয় করে ওই হিসাবগুলো নিয়মিত রাখা অত্যাবশ্যক। আমদানি বিল বাবদ অপরিশোধিত আইএফডিবিসি ও এলসি (যেসব ডকুমেন্ট ব্যাংকে জমা রয়েছে) দায়গুলো দ্রুত সমন্বয় করা আবশ্যক। এমএ আজিজকে দেওয়া চিঠিতে ব্যাংকের সব দায় পরিশোধের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধও করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরমে ডিহাইড্রেশন এড়াতে তাজা ফল

স্বাস্থ্য কণিকা: গরমে আমাদের শরীরে পানিস্বল্পতার সৃষ্টি হতে পারে। পানিস্বল্পতা থেকে শরীর হয় ক্লান্ত, অবসাদগ্রস্ত। মানুষের শরীরে পানিস্বল্পতার কারণে হিট স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এ সময় শরীর পানিস্বল্পতা তথা ডিহাইড্রেশন মুক্ত রাখতে পান করতে হবে প্রচুর পানি ও খেতে হবে তাজা ফল।
গরমে আমাদের শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে পানি বেরিয়ে এসে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করে। এ কারণে গরম কালে আমাদের ঘাম বেশি হয়। ফলে গরম কালে শরীরে পানির প্রয়োজন হয় প্রচুর। শরীরে পানিস্বল্পতা হলে বমি, মাথা যন্ত্রণা, জ্বর সহ নানান জটিলতা দেখা দিতে পারে এদের একত্রে ডিহাইড্রেশন বলে।
ডিহাইড্রেশন এড়াতে এ সময় আমাদের প্রচুর পানি পানের পাশাপাশি নানান ফলের জুস পান করতে হবে। পানি বা জুস পানের ক্ষেত্রে অবশ্যই কৃত্রিম চিনিজাতীয় উপাদানে তৈরি পানীয় পরিহার করতে হবে।
পুষ্টিবিদরা বলেন, “গরমে পানিস্বল্পতা এড়াতে তরমুজের বিকল্প নেই, তরমুজে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা তৃষ্ণা কমায় ও ডিহাইড্রেশন দূর করতে সাহায্য করে।“
তরমুজ ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল। তরমুজে রয়েছে ৯৭ ভাগ জলীয় অংশ ফলে গরমে তরমুজ খাওয়া ভালো, কারণ ক্রমাগত ঘাম হওয়ার দরুন যে জলীয় অংশ শরীর থেকে বেরিয়ে যায় এটা তা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে তরমুজ। এ ছাড়া কাঁঠাল, কালো জাম, আমে রয়েছে প্রচুর শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণ। যা তাজা খেলে গ্রীষ্মকালে ডিহাইড্রেশন, হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচা যাবে।

পানিসল্পতা এড়াতে আস্ত ও পাকা ফল খেতে হবে। ফল রান্না করা হলে ফলের কার্বোহাইড্রেট ও নিউট্রিয়েন্ট সল্ট নষ্ট হয়ে যায়। ফলের সালাদ বানিয়ে ও খেতে পারেন। আপেল, পেয়ারা, শসার মতো ফল খেলে খোসা না ফেলে খান। কারণ এসব ফলের খোসাতে ফাইবার থাকে। ফাইবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও শর্করা থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুষ্টিকর খাবারে দৈহিক শক্তি বাড়ে, ওষুধে নয়

স্বাস্থ্য কণিকা: দৈহিক শক্তি বাড়াতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ওষুধি কৌশল এবং মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এখন প্রায় সেকেলে হয়ে পড়েছে। আজকাল এই শক্তি বাড়াতে প্রাকৃতিকভাবেই দৈহিক শক্তি বর্ধক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই বিবাহিত জীবনে মিলনে ফিট থাকতে হলে আপনাকে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। কারণ সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক।
অথচ প্রায়ই দেখা যায়, দৈহিক দুর্বলতার কারণে সংসারে অশান্তি হয়, এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। তাই আগে থেকে সতর্ক থাকলেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি নাও হতে পারেন আপনি। আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোনো প্রকার ওষুধের প্রয়োজন নেই, তার জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবার দাবারই যথেষ্ট। আপনার খাবার মেনুতে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখুন আর নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করুন, তাহলে দৈহিক (যৌন) দুর্বলতায় ভুগবেন না।
ডিম: দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে ও উত্তেজনা বাড়াতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার যৌন দুর্বলতার সমাধান হবে।

দুধ: যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

মধু: দৈহিক দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।

রসুন: দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই দৈহিক উদ্দীপনা বাড়াতে এবং জননাঙ্গকে পূর্ণ সক্রিয় রাখতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

কফি: কফি আপনার মিলনের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মিলনের মুড কার্যকর রাখে।

জয়ফল: গবেষণায় দেখা গেছে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

চকলেট: ভালোবাসা ও মিলনের সঙ্গে সবসময়ই চকলেটের একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো মিলনের উত্তেজনা ও দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হলেও আপনার ক্লান্তি আসবে না।

ভিটামিন সি জাতীয় ফল: দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী।

গবেষণা দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। এসব ফলে মধ্যে তরমুজের প্রভাব বেশি। অনেকে মিলনের উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

গরুর মাংস: গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি মিলনকে আরও আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আলোচিত রেজাউল মেম্বরের চাল চুরির মামলা দুদকে; জনমনে স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি: এলাকায় একের পর এক বিতর্কিত কাজ করে জনগণকে অতিষ্ঠ করে তোলা আলোচিত ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউনিয়নের মেম্বর রেজাউলের বিরুদ্ধে দায়ের করা চাল আত্মসাতের মামলাটিও গ্রহণের জন্য দুদকে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান ডেইলি সাতক্ষীরাকে জানান, “নিয়ম অনুযায়ী মামলাটি গ্রহণের জন্য আমরা দুর্নীতি দমন কমিশনে আবেদন পাঠিয়েছি”।

এদিকে এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় সংসদ সদস্যের কথিত জামাতা পরিচয় দিয়ে গায়ের জোরে এলাকাবাসীর ঘের দখল, এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা আদায়, পুলিশ দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি, এলাকার স্থায়ীন উন্নয়ন কাজে বাঁধা প্রদান, জনগণের মালামাল দেওয়ার নাম করে আত্মসাৎ, সংখ্যালঘু পরিবারকে বিদ্যুতের লাইন পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাৎসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ড করে এলাকাবাসীকে অতিষ্ট করে তোলা রেজাউল মেম্বরকে আউনের আওতায় আনায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে এলাকাবাসী।
নির্বাচনের সময় তার হয়ে যারা কাজ করেছিল তাদের অবমূল্যায়ন। নদীর চর ইজারা নিয়ে স্থানীয়রা চলতো কিন্তু সদর এমপির বলে সেগুলো তাদের কাছ কেড়ে নেয়। স্ত্রী ও ছেলেকে দিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ও স্থানীয় ব্যক্তিদের অবমূল্যায়নের কারণে সবাই তার প্রতি ক্ষিপ্ত ছিল।গরীবের চাল চুরি করে ধানের গোলার মধ্যে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না বহুল আলোচিত ইউপি মেম্বর রেজাউল ইসলামের। তিনি জেলা কৃষকলীগের কথিত হেবিওয়েট নেতাও বটে। ত্রাণের চাল চুরির পর জনরোষে শিকার হয়ে তিনি একটি ধানের গোলার মধ্যে পালিয়ে গণধোলাইয়ের হাত থেকে রক্ষা পেলেও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কারাগারে পাঠিয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঈদের আগের দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ’র ১৩ বস্তা চাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আক্তার হোসেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছিকু একাধিক ব্যক্তি জানানা, এমপির কথিত জামাতা হওয়ার কারণে এলাকাবাসি তার উপর ক্ষিপ্ত ছিলো বিধায় জনরোষ দেখা দেয়।
জানা গেছে, রেজাউল মেম্বর স্থানীয় ৩০ জন সংখ্যালঘুর সাথে ঘের ব্যবসায় শুরু করেন। পরবর্তীতে এমপির বলে সকলকে গায়ের জোরে সরিয়ে নিজেই দখল করে নেয়।
এদিকে এলাকাবাসী আরো জানান, ইতোপূর্বে এসএম রেজাউল ইসলাম সদরের একজন জনপ্রতিনিধির জামাই পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ও ব্যক্তির নিকট থেকে চাঁদাবাজি করে আসছিল। এছাড়া ওই জনপ্রতিনিধির বিশেষ কোটায় বরাদ্দ থেকে এলাকার শ্মশানঘাট, মন্দির, ভূয়া ক্লাবসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সংস্কারের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। এসব টাকা দিয়ে সে টিন শেডের ঘরে এসি লাগিয়েছে। ঘনঘন নিজের এবং ছেলের মটরসাইকেলের মডেল পরিবর্তন করে লর্ড স্টাইলে চলাফেরা করেন।
সূত্র আরো জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বেতনার তীরে সরকারি জমি ইজারা নিয়ে পরবর্তীতে কাগজ টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে জালিয়াতি করে জমির পরিমাণ বৃদ্ধি করেছেন এই রেজাউল মেম্বর। বেতনার চরও গ্রাস করেছেন মেম্বর রেজাউল ইসলামসহ অন্যরা। তথ্য সূত্র: প্রতদূত অনলাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest