সর্বশেষ সংবাদ-
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালাকয়রায় ক্রয়কৃত জমির ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরণ

হাইহিল পরে বাগানে মেলানিয়া, নেটদুনিয়ায় হাসির খোরাক

বিদেশের খবর: তিনি মার্কিন ফার্স্ট লেডি। থাকেন হোয়াইট হাউসে। স্বভাবতই তার গতিবিধির দিকে নজর থাকে গোটা বিশ্বের। কখন কী করছেন, কোথায় যাচ্ছেন? আর সেজন্যই খুব মেপে মেপে পা ফেলতে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে। একটু অসতর্ক হলেই সমালোচনা শুনতে হবে সংবাদ মাধ্যমে, আর হাসির খোরাক হতে হবে নেটদুনিয়ায়।

কিন্তু নিজের উচ্ছ্বসিত জীবনযাত্রায় লাগান টানে ধরা কি এতই সহজ? না বোধ হয়। মার্কিন ফার্স্ট লেডি অন্তত তা পারছেন না। কদিন আগেই ৩ লাখ টাকার পোশাক পরে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন মেলানিয়া।
নেটদুনিয়ায় ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাকে। আবারও সেই একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো। এবার চার ইঞ্চি উঁচু হাই-হিল পরে বাগানে কাজ করতে গিয়ে হাসির খোরাক হলেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি।

আসলে হোয়াইট হাইসের প্রথামতো বছরের এই সময়টা বাগানে একটি করে গাছের চারা লাগাতে হয় ফার্স্ট লেডিকে। সেই প্রথা মেনেই বুধবার হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক বাগানে একটি ওক গাছের চারা লাগান মেলানিয়া। পরে টুইটার অ্যাকাউন্টে নিজেই সেই ছবি শেয়ার করেন ট্রাম্প। কিন্তু দুঃখের বিষয় তার প্রথামতো গাছ লাগানো নয়, জুতার জন্যই সমালোচনার শিকার হতে হয় ট্রাম্প পত্নীকে। শুধু জুতা নয়, পোশাকের দাম নিয়েও কটাক্ষ শুনতে হলো মেলানিয়াকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামীলীগের সরকার জনগণের সরকার-জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল

সেলিম হোসেন: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অুনষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের আয়োজনে সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গনি, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক এড. অনিত মুখার্জী, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, জেলা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি এড. আল মাহমুদ পলাশ, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আব্দুল আনিস খান চৌধুরী বকুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি তায়ফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আজগার আলী সরদার, আব্দুস সোবহান, মিজানুর রহমান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, শ্রম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এড. শাহেদ, সদস্য সুবর খান, আব্দুল মুজিদ, নুর মনোয়ার, আশরাফুল কবির খোকন, জুলফিকার আলী ভুট্টো, মহিদুল ইসলাম, আব্দুল করিম, আবু মুছা, আমজাদ হোসেন লাভলু, আজিম খান শুভ, শেখ রেজাউল হক, ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুস সামাদ, ৩নং ওয়ার্ডের আব্দুল আজিজ, শহিদুল ইসলাম পুটে, কবিরুল ইসলাম, ৬নং ওয়ার্ডের রাফিনুর, কোরবান, মজিবর, রোকেয়া বেগম, আব্দুর রহমান, ডা: বিকাশ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এসময় প্রধান অতিথি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন হিমালয়েরমত মানুষ। বঙ্গবন্ধু এদেশের মাটি ও মানুষের জন্য আজীবন লড়াই করে গেছেন। তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশ হবে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সুখি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা। যে দেশে থাকবেনা কোনো হানাহানি, মারামারি, সকলেই পারস্পারিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে বসবাস করবে। কিন্তু এদেশেরই একটি কুচক্রী মহল তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য বঙ্গবন্ধু সহ স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। বক্তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হয়েছে। যারা এখনও দেশের বাইরে আছে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার খুব দ্রুত হবে। বক্তারা আরো বলেন, আওয়ামীলীগের সরকার জনগনের সরকার। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশের মানুষ অনেক কিছু পায়। শেখ হাসিনা সরকার মানেই জনগনের সরকার, উন্নয়নের সরকার। আগামী মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরায় যাকে নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন দেওয়া হবে সকল ভেদাভেদ ভুলে তার পক্ষে কাজ করে নৌকা প্রতিককে বিজয়ী করে শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতানী ভাদড়া প্রাইমারি স্কুলে এসএমসি সদস্যদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

এম.এ হোসাইন : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাতানী ভাদড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির (এসএমসি) সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র আয়োজনে ও সেভ দ্য চিলড্রেন’র সহযোগীতায় দিন ব্যাপী একীভূত শিক্ষা ও শিশু বান্ধব পরিবেশ গঠনে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য মো. আজিজার রহমান, মোছা. মনজুরা খানম ইতি, শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজর সহকারি অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দীন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওবায়দুল্লাহ, মো. সিরাজুল ইসলাম সহ সকল সিএমসি সদস্যবৃন্দ। প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র জিসিসি প্রকল্পের কমিউনিটি মোবিলাইজার মো. আবুল হোসেন। এসময় সহায়ক হিসেবে সেশন পরিচালনায় সহযোগীতা করেন, ইয়ুথ ভলান্টিয়ার শারমিন আরা পারভিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আহলেহাদীছ আন্দোলনের ইমাম ও যুব সমাবেশ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় বাঁকাল দারুল হাদীস আহমাদিয়া সালাফিয়া কমপ্লেক্সে আহলে হাদীছ আন্দোলন ও বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুব সংঘ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে সহ- সভাপতি আলহাজ্ব মাও. ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ইমাম ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আহলেহাদীছ ওলামা ও ইমাম সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শায়খ আমানুল্লাহ বিন ইসমাইল আল মাদানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাও: মো: আলতাফ হোসেন, বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুব সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. আব্দুর রশীদ আক্তার, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আব্দুস সামাদ, আহলেহাদীছ আন্দোলনের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক শাহীদুজ্জামান ফারুক, উপাধ্যক্ষ মাও. মহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক মোফলেহুর রহমান, মুফতি মাও. মতিউর রহমান, অধ্যাপক মাও. ইউনুচ আলী, আলহাজ্ব কেরামত আলী, আব্দুল খালেক, মাও. আব্দুল মালেক, আলহাজ্ব শাহীনুর রহমান, মাও. হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক হাফেজ মোঃ মুহসীন, মাও. সামছুল আলম, মাও. নুরুল ইসলাম, আহলেহাদীছ যুবসংঘের জেলা সভাপতি মাও. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ-সভাপতি আসাদুল্লাহ বিন মুসলিম, সেক্রেটারী মাও. মুজাহিদুর রহমান, মাও. গোলাম সরোয়ার, মাও. আনোয়ার এলাহী, মাও. দেলোয়ার হুসাইন, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, আব্দুর রহমান সানা প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, আহলেহাদীছ আন্দোলন দুনিয়ার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে সাহাবে একরামের যুগ থেকে চলে আসা একটি বিশুদ্ধ ইসলামী আন্দোলন। যেটা মানবতার পার্থিব সুখ-সমৃদ্ধি ও পরলোকিক মুক্তির জন্য নবী-রাসুলগণের রেখে যাওয়া পথ ও পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। আমরা চাই মানুষের সার্বিক জীবনে আল্লাহর ইবাদত তথা দাসত্ব প্রতিষ্ঠা করতে। সুতরাং আসুন কোরআন সুন্নার আলোকে নিজেকে আলোকিত করি। বিভেদ মুক্ত শান্তির সমাজ গড়ি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মতবিনিময়সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে গতকাল বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোর্দারেছীন সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে বেলা ১০টায় একাডেমি মসজিদ মিলনায়তনে সদর উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব মাও.আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাও. মো: আলতাফ হোসেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব মাও. ফজলুর রহমান, মাও. আব্দুল্লাহ, মাও. মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, মাও. মোঃ মনিরুল ইসলাম, মাও. গোলাম রব্বানী, মাও. জাহাঙ্গীর মুর্ত্তেজা, মাও. আব্দুল লতিফ, মাও. সিরাজুল ইসলাম, মাও. মুহসিনুল ইসলাম, মোঃ রমজান আলী, মাস্টার মোঃ সাইফুল্লাহ, মাস্টার মোঃ নজরুল ইসলাম, মাও. গোলাম সরোয়ার, মাও. জিল্লুর রহমানসহ সকল মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ্ব এম এম বাহাউদ্দিন ও মহা সচিব আল্লামা সাব্বির আহমেদ মমতাজি সাহেবের আগমনে জেলা প্রতিনিধি সম্মেলন সফল করার জন্য মাদ্রাসার সকল শিক্ষক-কর্মচারীকে আহ্বান জানান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সেক্রেটারী মাও. জালাল উদ্দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চবি উপাচার্যকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। একই দাবিতে মানববন্ধন করেছে শাখা ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চত্বরের সামনে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির সভাপতি এ কে এম মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে এবং তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে রাখেন চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. আহমদ সালাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অলক পাল, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মহীবুল আজীজ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে.এম. নূর আহমদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. রাশেদ-উন-নবী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মশিবুর রহমান এবং পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন খান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অতিরিক্ত সচিব মোশতাক হাসান শুক্রবার সাতক্ষীরায় আসছেন

 

বিশেষ প্রতিনিধি:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মোঃ মোশতাক হাসান, এসডিসি শুক্রবার সাতক্ষীরায় আসছে। সরকারি সফরে তিনি বেলা ১২ টায় সাতক্ষীরায় পৌঁছাবেন। সফরকালে তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করবেন। অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মোঃ মোশতাক হাসান বিকেলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণের সাথে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করে বিকেলে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। ১ সেপ্টেম্বর তিনি খুলনা ও ২ সেপ্টেম্বর বাগেরহাটের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করবেন বলে সূত্র জানায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার তিন মোটর সাইকেল চালকের সংবাদ সম্মেলন

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আমরা চোর না, ডাকাতও না। আমরা মোটর সাইকেল ভাড়ায় চালিয়ে সংসার নির্বাহ করি। অথচ আমাদের প্রত্যেকের ঘাড়ে দশটিরও বেশি মামলা। আমরা আর পালিয়ে থাকতে পারছি না। তার চেয়ে আমাদের গুলি করে মেরে ফেলুক।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এই আকুতি প্রকাশ করেছেন শ্যামনগরের রমজাননগর ইউপির মানিকখালির রফিকুল ইসলাম, ভেটখালির মিজানুর রহমান ও টেংরাখালির নেছার আলি।
লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন তারা বলেন এখানেই শেষ নয়। সাতক্ষীরার কোথাও মোটর সাইকেল চুরি হলেই আমাদের আসামি বানানো হচ্ছে। পুলিশের কম্পিউটারে চোরের লিস্ট আছে। সেই লিস্টে আমাদের নাম উঠে গেছে। মোটর সাইকেল চুরির কোনো ঘটনা কোথাও ঘটলে ওই লিস্ট থেকে নাম নিয়ে আমাদের আসামি বানিয়ে দিচ্ছে পুলিশ। এ পর্যন্ত আটটি মামলার জামিন নিয়েছি আমরা। দুটি মামলার জামিন এখনও নিতে পারিনি টাকার অভাবে। শুনতে পারছি আরও মামলা নাকি দেওয়া হবে। শুধু শ্যামনগর বা সাতক্ষীরায় নয়, আমাদের নামে মামলা হচ্ছে যশোরেও । সেখানে তিনটি মামলা হয়ে আছে। অবশ্য দুটিতে ফাইনাল দিয়েছে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন ২০১৩ সালের ৩ জুলাই সাতক্ষীরার ডিবি পুলিশের একজন এসআই (নাম প্রকাশ করা হলো না) আমাদের ধরেন। বলেন তোরা মোটর সাইকেল চোর সিন্ডিকেটের সদস্য। ৫০ হাজার টাকা দে, না হলে মামলা দেবো। তারা বলেন আমরা টাকা দিতে পারিনি, তাই ধরে নিয়ে প্রথম মামলা দিলো। ওই মামলায় জেলে আটক থাকা অবস্থায় একই বছরের ১২ মে তারিখে আমাদের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা দিয়ে গ্রেফতার দেখায় সদর থানা পুলিশ। এ মামলায় জামিন নেওয়ার আগেই পুলিশ ফের আমাদের সদর থানার ৩ মার্চ তারিখের ৩৩ নম্বর মামলায় গ্রেফতার দেখায়। দীর্ঘদিন হাজতবাস করে অবশেষে আমরা জামিনে আসি।
অভিযোগ করে তারা বলেন বাড়ি আসার পর যশোরের একটি হত্যা ও মোটর সাইকেল ছিনতাই মামলায় আমাদের আসামি করা হয়। এ রকম দুটি মামলায় পুলিশ আমাদের সংশ্লিষ্টতা না পেয়ে পরে অবশ্য ফাইনাল দেয়। তারা বলেন এই পাঁচ মামলা থেকে রক্ষা পেতে আমাদের সব অর্থ সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়। এর পর থেকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতেই গত ২৮ জুলাই শ্যামনগরে মোটর সাইকেল চোর সিন্ডিকেট নেতা রেজাউল ইসলাম বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় বলে জানতে পারি। পরে জানতে পারি আমাদের তিনজনকে ওই মামলায়ও আসামি করা হয়েছে। রেজাউল নাকি আমাদের সাথে বন্দুকযুদ্ধ করে মারা গেছে। এই হত্যার দায় চেপেছে আমাদের ওপর। এরই মধ্যে শ্যামনগরে একটি মোটর সাইকেল চুরির মামলায়ও আসামি করা হয়েছে আমাদের। এরকম গোটা দশেক মামলা ঘাড়ে নিয়ে আমরা এখন ক্লান্ত।
অভিযোগ করে তারা আরও বলেন মোটর সাইকেল ছিনতাই কিংবা চুরি বা নাশকতার কোনো ঘটনা ঘটলেই আমরা আসামি হচ্ছি। এভাবে কি বেঁচে থাকা যায় প্রশ্ন রেখে তারা বলেন আমরা তো কোনোদিন কোনো দল করিনা। শ্যামনগরের এমপি এসএম জগলুল হায়দার ও রমজাননগরের চেয়ারম্যান শেখ আল মামুন আমাদের চেনেন। তারা আমাদের পক্ষে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে সুপারিশও করেছেন। তা সত্ত্বেও মামলা হচ্ছে একের পর এক। এ সময় তারা মামলার তালিকা তুলে ধরেন এবং এমপি ও চেয়ারম্যানের সুপারিশও দেখান।
তবে শ্যামনগর থানার ওসি মো. ইলিয়াস বলেন তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে মামলা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা আছে কিনা তার প্রমান মিলবে। ঢালাওভাবে তো মামলা হয় না। আর মামলা থেকে অব্যাহতি হতে পারে কেবলমাত্র তদন্তের মাধ্যমে।
রফিকুল, মিজানুর ও নেছার আলির দাবি পুলিশের কমপিউটার লিস্ট থেকে আমাদের নাম মুছে দিন। এ ব্যাপারে আমরা সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করতে চাই। তিনি তদন্ত করে আমাদের সহযোগিতা করলে মামলা থেকে বাঁচতে পারবো, লিস্ট থেকে নামও উঠে যাবে।

৩০.০৮.১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest