সর্বশেষ সংবাদ-
শাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম – সদস্য সচিব শফিকুলইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮% শিশু-কিশোর, ৫৩% অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার২৪ ঘন্টা ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধান চায় পরিবারপুলিশও হবেন, দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেনএটা হতে পারে না, বললেন হাসনাতচতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে বাহুবলে এনসিপি নেতারাদেবহাটায় ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দ : তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানাশ্যামনগরের ভেটখালী বিলে পানিতে জলাবদ্ধতা : কৃষকের মাথায় হাতসংবাদ সম্মেলনে রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার : রাস্তাটি ক্রয়কৃত দাবি ওমর ফারুকেরদক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যুসাতক্ষীরায় ৩১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল ১৭ বিজিবি

হানিমুন থেকে পালিয়েছিলেন অজয়!

বিনোদন সংবাদ: বলিউডের হ্যাপি কাপল অজয় দেবগান এবং কাজল। ১৮ বছর আগে ঘর বাঁধেন তারা। এরপর হানিমুন। তবে এই হানিমুন ছিল একটু ভিন্ন। কারণ তাদের ইচ্ছে ছিল বিয়ের পর দু’জন পুরো পৃথিবী ঘুরে দেখবেন। কিন্তু সেই হানিমুনের মাঝ পথে জল ঢালেন অজয়! ১৯৯৯ সালে সেই ঘটনা ১৮ বছর পর প্রকাশ করলেন কাজল।

সম্প্রতিক একটি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, বিয়ের পর ৬০ দিনের জন্য বেরিয়ে পড়েন তারা। অস্ট্রেলিয়া থেকে লস অ্যাঞ্জেলস হয়ে লাস ভেগাসে ঘুরছিলেন এই দম্পতি। তবে হঠাৎ ঠুনকো অজুহাতে সেখান থেকে পালিয়ে যান অজয়।

কাজলের বলেন, ‘আমরা তখন গ্রিসে। ৪০ দিন হয়েছে ঘুরছি। অজয় একটু ক্লান্ত ছিল। একদিন সকালে আমাকে বলে, ওর জ্বর হয়েছে, মাথাব্যথা, আমি বলেছিলাম ওষুধের ব্যবস্থা করছি। কিন্তু ও সমানে বলে যাচ্ছিল, ওর শরীর খুব খারাপ। তখন আমি জানতে চেয়েছিলাম, কী করলে ঠিক হবে? সঙ্গে সঙ্গে ও বলেছিল, বাড়ি চল।

কাজল বলেন, মাথাব্যথার জন্য গ্রিস থেকে বাড়ি আসার কথা কেন বলেছিলেন অজয় তা তিনি বুঝতে পারেননি। হঠাৎ সে হনিমুনের মাঝপথে পালিয়ে এসেছিলেন!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জামায়াতকে ফেলে বাম-ডান সব নিয়ে ‘জাতীয় যুক্তফ্রন্ট’ করছে বিএনপি!

দেশের খবর: জামায়াতকে বাদ দিয়ে ‘জাতীয় যুক্তফ্রন্ট’ করছে বিএনপি। এই ঐক্যে ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম থেকে শুরু করে অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারাসহ বাম, ডান সব ধরনের রাজনৈতিক দলকে অন্তর্ভুক্ত করে বৃহত্তর এই রাজনৈতিক ও নির্বাচনী জোটের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে চারটি জোট ‘জাতীয় এই ঐক্যফ্রন্টে’ যুক্ত হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। জোট চারটি হচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট, বিকল্পধারার নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট, সিপিবি নেতৃত্বাধীন বাম মোর্চা এবং চরমোনাইর পীরের ইসলামী শাসনতন্ত্র নেতৃত্বাধীন অপর একটি ইসলামিক মোর্চা (খুব শিগগিরই আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে)।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে আন্দোলনসহ ন্যায়পরায়ণ ও কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে নির্বাচনী জোটই হতে যাচ্ছে এই ‘জাতীয় যুক্তফ্রন্ট’।

এ সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমাদের এই বৃহত্তর ঐক্যে সব দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলসহ সর্বস্তরের নেতা-কর্মীকে স্বাগত। আমরা স্বৈরাচারের কবল থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করে একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করব। যেখানে আইনের শাসন থাকবে, সর্বস্তরের মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও জনগণের ভোটাধিকারসহ সব মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথভাবে কাজ করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি মহাসচিব দীর্ঘ দুই বছর ধরে এই ঐক্যফ্রন্ট গঠনে সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করে আসছেন। তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত আছেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খানসহ আরও কয়েকজন সদস্য। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোট ছাড়া ইতিমধ্যেই প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব। তাদের সবারই মতামত ও প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন তিনি। তারমধ্যে গণফোরাম ৭টি, বিকল্পধারা ১১টি, নাগরিক ঐক্য ৬টি, জেএসডি ১৫টি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৯টি, প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়াও ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর কাছ থেকেও মতামত নিয়েছেন। সবার মতামতের ভিত্তিতেই বিএনপি মোট ১০ প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। বিএনপির তৈরি ১০টি প্রস্তাব ইতিমধ্যেই উল্লিখিত সব দলই গ্রহণ করেছে। এখন শুধু ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতাটুকু বাকি আছে। গত শনিবার রাজধানীর নাজিম উদ্দীন রোডের পুরনো জেলখানায় দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে ‘জাতীয় যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের বিষয়ে তার চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে এসেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়া বৃহত্তর এই নির্বাচনী ঐক্য গঠনের ক্ষেত্রে যে কোনো বাধা অতিক্রম করে তা বাস্তবায়নেরও নির্দেশনা দেন।

তবে জামায়াতে ইসলামীর ব্যাপারে এতদিন যুক্তফ্রন্টসহ বেশ কয়েকটি দলের আপত্তি থাকলেও দলগতভাবে জামায়াত এই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে না থাকায় সংশ্লিষ্ট বাম ও ডানপন্থি সব দলের পক্ষ থেকেই সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে দলগতভাবে জামায়াত এই বৃহত্তর ঐক্য না থাকলেও ইসলামিক এই দলটির কমপক্ষে ২০ জন নেতা ব্যক্তিগতভাবে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে মনোনয়ন চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার মতে, জামায়াত তো বিএনপির সঙ্গে আছে। বিএনপি কী করবে, সেটা তারাই ঠিক করুক। তবে বৃহত্তর এই ফ্রন্টের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। সময়মতো আপনারা সবই জানতে পারবেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, বৃহত্তর এই রাজনৈতিক ঐক্যের জন্য জামায়াত কোনো বাধা নয়। নির্বাচনী কাজেও জামায়াতকে প্রয়োজনে সম্ভাব্য জোট নেতাদের আসনের বাইরে রাখা হবে। আর আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে যার যে এলাকা থেকে পাস করার অধিক সম্ভাবনা রয়েছে তাকেই মনোনয়ন দেবে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’।

অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, একমাত্র ভারসাম্যের রাজনীতিই স্বেচ্ছাচারমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পারে। নির্বাচনে কোনো দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে দেশে স্বেচ্ছাচারী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, ইতিহাস আমাদের এ শিক্ষা দেয়। স্বেচ্ছাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যেই আমরা এই বৃহত্তর ঐক্য গঠনের চেষ্টা করছি।
এদিকে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রস্তাব এবং মতামতের ভিত্তিতে তৈরি বিএনপির ১০টি প্রস্তাবের মূল প্রতিপাদ্যই হলো- ‘বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা’।

প্রস্তাবগুলো যথাক্রমে : ‘১. বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ সব রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি, সাজা বাতিল ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা। ২. একটি গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। ৩. সব রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অবসান। ৪. রাষ্ট্রকে দলীয়করণের ধারার বদলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসনের প্রতিষ্ঠা। ৫. রাষ্ট্রক্ষমতার গ্রহণযোগ্য ভারসাম্য। ৬. স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতা নিশ্চিত করা। ৭. দুর্নীতি প্রতিরোধে দায়িত্বরত প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথভাবে কার্যকর করা। ৮. সব নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান। ৯. সর্বনিম্ন আয়ের নাগরিকদের মানবিক জীবন নিশ্চিত করে আয়ের বৈষম্যের অবসান। ১০. রাষ্ট্রের সর্বস্তরে সুশাসনের প্রতিষ্ঠা।’

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- এই ১০টি প্রস্তাবের ভিত্তিতেই বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি। গত ১১ ও ১৩ আগস্ট দলের স্থায়ী কমিটির দুই দিনের টানা বৈঠকের পর এই ১০ দফা প্রস্তাব চূড়ান্ত করে বিএনপি। এরপর এই প্রস্তাবের কপি ড. কামাল হোসেন এবং বিকল্পধারা, নাগরিক ঐক্য, জেএসডিসহ সংশ্লিষ্ট নেতাদের দেওয়া হয় এবং তারা সবাই এর সঙ্গে একমত পোষণ করেন বলে জানা যায়।
সূত্র: বাংলঅদেশ প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমায় খেজুর

স্বাস্থ্য কণিকা: আমাদের অনেকেরই পছন্দের ফলের তালিকায় থাকে খেজুর। তবে খেজুর যারা ভালোবাসেন তারা হয়ত খেজুর খেলে কী কী শারীরিক সমস্যা দূর হয় এই বিষয়টি জানতেন না? আর যারা পছন্দ করেন না তারাও আজ থেকে খেতে শুরু করুন খেজুর। কারণ খেজুরের উপকারিতা গুলো জানলে অবশ্যই আপনি খেজুর খেতে না করবেন না। এক নজরে দেখা নিন সেই গুণাবলী-
১। বহু যুগ ধরেই কার্যকরী ল্যাক্সাটিভ হিসেবে খেজুর ব্যবহার করা হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ছাড়াও বদহজম, অ্যাসিডিটি এমনকি পাকস্থলীর আলসারেও উপশম আনে খেজুর।
২। রক্তে খারাপ কোলেস্টোরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। এছাড়া সোডিয়ামের মাত্রা (একশো গ্রামে মাত্র ২ মিলিগ্রাম) কম থাকায় এবং পটাসিয়ামের মাত্রা (প্রতি একশো গ্রামে ৬৫৬ মিলিগ্রাম) বেশি থাকায় হৃদযন্ত্রের পেশির সক্রিয়তা বাড়িয়ে তোলে খেজুর।
৩। উচ্চমাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম থাকার কারণে শরীরে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে খেজুর। স্নায়ুবিক দুর্বলতার সমস্যা কাটাতে খেজুরের জুড়ি মেলা ভার।
৪। প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকায় দাঁতের রোগে উপকার করে খেজুর। নাইট ব্লাইন্ডনেস বা রাত্রিকালীন অন্ধত্বের সমস্যা মেটায়।
৫। জৈব সালফার থাকার কারণে বিভিন্ন ভাইরাল, ফাঙ্গাল, ব্যাক্টেরিয়াল সংক্রমণ দূর করে খেজুর। বিভিন্ন ফুসফুসের সংক্রমণও মোকাবিলা করতে সাহায্য করে খেজুর।
৬। যারা সারাদিন শুধু খাই খাই রোগে ভোগেন, এক সঙ্গে বেশি খাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায় নিয়মিত খেজুর খেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৬ বছর বয়সে বাল্য বিয়ে করেছিলেন মোসাদ্দেক!

খেলার খবর: বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতন করে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনে ১০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তার স্ত্রী সামিনা শারমিন (সামিয়া)।

২২ বছর বয়সী এ অলরাউন্ডারের মামলার কারণে কাবিননামা সূত্রে জানা গেছে, মোসাদ্দেক বিয়ে করেছেন আরও ৬ বছর আগে ২০১২ সালের ২৮ অক্টোবর। সেই হিসেবে মাত্র ১৬ বছর বয়সেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এ ক্রিকেটার।

তাহলে কি মাত্র ১৬ বছর বয়সে বাল্যবিবাহের অপরাধ করেছিলেন মোসাদ্দেক? আপাতদৃষ্টিতে এই বিয়েকে বাল্যবিবাহই বলা যায়। কারণ ২০১২ সালে মোসাদ্দেক বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এমনকি বিয়ের ঠিক আগে যুব দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া সফরও করেছিলেন তিনি।

এছাড়া দেশে ফিরে বিয়ে করতে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিলেন মোসাদ্দেক। এমনটাই দাবি সামিয়া শারমিনের বড় ভাইয়ের (সম্পর্কে মোসাদ্দেকেরও খালাতো ভাই)। অভিযোগপত্র তিনি জানান বাল্যবিবাহের বৈধতা দিতে তখন নিজের বয়স বাড়িয়ে ২২ বছর লিখে দেন মোসাদ্দেক। কিন্তু কাগজপত্র অনুযায়ী ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ২২ বছর পূর্ণ হয়েছে তার।

শুধু বিয়ের কাগজে বয়স লুকিয়েই নয়, মোসাদ্দেক ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়েছে বিসিবির সাথেও, এমনটাই জানান মোজাম্মেল কবির। এতো অল্প বয়সে জাতীয় দলে কোন বিবাহিত ক্রিকেটার নেয়া হবে না জানিয়ে মোসাদ্দেক নিজের বিয়ের খবরটি গোপন রেখেছিলেন বলে জানান মামলার প্রধান সাক্ষী ও সামিয়া শারমিনের বড় ভাই মোজাম্মেল কবির।

মামলার বিবরণীতে সামিয়া বলেন, আমার স্বামী বাংলাদেশ জাতীয় দলের একজন নিয়মিত ক্রিকেটার। সে খেলার অজুহাতে বেশির ভাগ সময় ঢাকার বাসায় বসবাস করতেন। মাঝে মধ্যে ময়মনসিংহে আসত। এই অবস্থায় আমি স্বামীর সংসার করতে থাকি।

জাতীয় দলের খেলোয়ার হিসাবে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করতেন। সে সুবাদে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে তার পরিচয় হয়। বিভিন্ন জনের মাধ্যমে আমার স্বামীর পরকীয়া ও অবাধে মেলামেশার কথা জানতে পারি। পরে পরকীয়া ও অবাধে মেলামেশার কথা জানতে চাইলে, সে আমাকে মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করত। এরই মধ্যে সে (মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত) ঢাকায় একটি ব্যবসা করবে বলে আমাকে বাবার বাড়ি থেকে দশ লাখ টাকা যৌতুক বাবদ এনে দেয়ার কথা বলে। টাকা না দিতে পারায় শাশুড়ির প্ররোচনায় মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আমার উপর শারীরিক নির্যাতন করতে থাকে। নির্যাতন সহ্য করে এ ভাবেই সংসার করতে থাকি। এর মধ্যে আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে আমি বাবার বাড়িতে আসি। ১৪ আগস্ট আমাকে মোবাইল ফোনে তাদের বাড়িতে যেতে বলে। ১৫ আগস্ট দুপুরে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও শাশুড়ি বলেন এক সপ্তাহের মধ্যে দশ লাখ টাকা না দিতে পারলে দশ লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে অন্যত্র বিয়ে করবে বলে আমাকে জানায়।

পরে এর প্রতিবাদ করতেই আমার চুল ধরে নাকে-মুখে মারতে মারতে রক্তাক্ত করে ও বুকে-পেটে লাথি মেরে আমাকে ফেলে দেয়। আমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে রক্ষা করে। পরে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আমার বাবার বাড়িতে ফোন করে খবর দেয়। আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। পরে আমার ভাই এনামুল হক সুমনের সাথে আমি বাবার বাড়িতে চলে আসি। এ অবস্থায় আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে মামলা করি।

অন্যদিকে স্ত্রী সামিরার মামলার বিষয়ে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘বিয়ের পর থেকেই ও আমাকে আলাদা সংসার গড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। কিন্তু আমার বাবা নেই, যে মায়ের কারণে আমি আজ ক্রিকেটার। সেই মাকে ছেড়ে কিভাবে আলাদা থাকি? এটা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। আমি ওকে এটা নিয়ে অনেক বুঝিয়েছি।’

সৈকত আরও বলেন, ‘আমি যখন খেলার কারণে ট্যুরে থাকতাম তখন ও আমার মার সঙ্গে ঝগড়া করত। মাকে একাধিকবার মেরেছেও। এসব কারণে আমি গত ১৬ আগস্ট তাকে কোর্টের মাধ্যমে ডিভোর্স দেই।’

স্ত্রীর যৌতুকের অভিযোগ নিয়ে এ ক্রিকেটার বলেন, ‘দেখেন ওকে আমি গত ১৬ আগস্ট তালাক দিয়েছি। তার আগে ও কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি। তালাক দেয়ার পর ও নাটক শুরু করেছে। আমার ক্যারিয়ার ধ্বংসের চক্রান্ত করছে।

মোসাদ্দেক আরও বলেন, ‘আমি মনে করি যে এত খারাপ সময় আমার আসেনি যে যৌতুক নিয়ে আমার চলতে হবে। আমি শুনেছি যে ডিভোর্স দিলে নাকি এমন নারী নির্যাতন বা যৌতুকের একটা মামলা করা হয়। তারাও হয়তো তাই করেছে।’

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের সাথে তার আপন খালাতো বোন সামিয়া শারমিনের বিয়ে হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শোক দিবসের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে ভাইসহ যুবলীগ কর্মী নিহত

দেশের খবর: শোক দিবসের কর্মসূচি থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হামলায় এক যুবলীগ কর্মী ও তার ভাই নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার বড় দারোগার হাট এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। সীতাকুন্ড থানার এসআই মো. হাসান তারেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবলীগ কর্মী রমজান আলী ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার ভাই মোহাম্মদ সিজন (১৬) চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহত দুই ভাই একই উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের মহালঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। রমজান স্থানীয় বারৈয়ারঢালা ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ছিলেন।

হাসান তারেক বলেন, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সীতাকুন্ডের ছোট দারোগাহাস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে রমজান আলী ও তার ভাইয়ের ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। তাদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলেই রমজান আলীর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা তার ভাইকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠালে সেখানে তারও মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি। সন্দেহভাজন কাউকে আটক করা হয়নি।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলাব্রত বড়ুয়া বলেন, যুবলীগ কর্মীর রমজান আলীর ভাই সিজনকে রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে সে মারা যায়। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাতে চিহ্ন ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটারদের একের পর এক নারী কেলেঙ্কারিতে বিপাকে বিসিবি

খেলার খবর: বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন কিছুদিন আগেই বলেছিলেন, মাঠের বাইরে অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়া ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে বোর্ড। এর মধ্যেই ঘটে গেল আরেক ঘটনা। তরুণ অল-রাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা ঠুকে দিয়েছেন তার স্ত্রী সামিয়া। অভিযোগ অস্বীকার করে মোসাদ্দেক তালাকের কথা বলেছেন। চলছে পাল্টাপাল্টি বাকযুদ্ধ। কিন্তু কী ভাবছে বিসিবি?

বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বললেন, ‘এটা তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যাপার। অভিভাবক হিসেবে আমরা যেটা করণীয় করব। এসব ব্যাপারে বোর্ড যে কঠোর হবে এতটুকু বলতে পারি। বোর্ড সভাপতি দেশের বাইরে আছেন। তিনি যাওয়ার আগে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন। মোসাদ্দেকের বিষয়টা আসার আগে আরও কিছু বিষয় ছিল যেগুলো নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে যেটা আপনারা শিগগির জানতে পারবেন।’

মোসাদ্দেকের আগে একের পর এক নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটিয়েছেন ক্রিকেটাররা। যেতে হয়েছে জেলে। শাহাদাত হোসেন, রুবেল হোসেন, আরাফাত সানি, মোহাম্মদ শহীদ, নাসির হোসেন, সাব্বির রহমানের পর মোসাদ্দেক। বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানো আরও কয়েকজন ক্রিকেটার বিপদসীমার শেষ প্রান্তে আছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। যে কোনো মুহূর্তে সেইসব ঘটনাও প্রকাশ্যে আসতে পারে। এখন দেখার, বিসিবি কী পদক্ষেপ নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে এক নারী তিন দিন ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ, আটক ১

নলতা প্রতিনিধি : বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে গনধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ওই নারীকে। রোববার রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপোতা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ভাড়া বাড়ি থেকে এ উদ্ধার ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতারকৃতের নাম আব্দুল হান্নান। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রনগর গ্রামের জামাত আলী পাড়ের ছেলে।
এদিকে অসহায় নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নেতাকে সোমবার সন্ধ্যায় থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব হোসেন ও নিয়াজ মোহাম্মদ খানের কাছে তদ্বির করতে দেখা যায়।
সোমবার সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ থানায় অবস্থানকারী উপজেলার ঝায়ামারি গ্রামের এক নারী জানান, তার বাবা ও মা কেউ নেই। তিন বছর আগে তার বিয়ে হলেও স্বামীর আগের স্ত্রী ও সন্তান আছে জেনে সেখানে যাননি তিনি। পরে তাদের তালাক হয়ে যায়। ওই নারী আরো জানান,ইন্দ্রনগর গ্রামের আব্দুল হান্নানের সঙ্গে কয়েক মাস আগে মোবাইল ফোনে তার পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে হান্নান তাকে ভাল বেতনে চাকুরির প্রস্তাব দিয়ে বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে নলতা হাসপাতালের নিকটবর্তী ঘোড়াপোতা গ্রামের পুলিশ সদস্য রফিকুল ইসলামের বাড়িতে তোলেন। সেখানে বৃহষ্পতিবার রাতে খুন করার হুমকি দিয়ে আব্দুল হান্নান, একই গ্রামের হাসান পাড়ের ছেলে ফিরোজ হোসেন ও কাজলা গ্রামের নওশের আলীর ঘর জামাই ডা. মনিরুজ্জামান মনি তিনজন মিলে ধর্ষণ করে। মুখ খুললে হত্যার ভয় দেখিয়ে পরপর তিন রাত তারা ধর্ষণ করলেও রোববার রাতে আরো লোকজন নিয়ে এসে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। তার চিৎকারে শহীদুল ইসলাম, আবুল কালাম, মফিজুল ইসলাম, মুদি দোকানদার হাফিজাসহ কয়েকজন গ্রামবাসি ছুটে এলে ফিরোজ ও মনিরুজ্জামান মনি পালিয়ে গেলেও আব্দুল হান্নানকে আটক করে উপপরিদর্শক নিয়াজ মোহাম্মদ খান ও সহকারি উপপরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছে সোপর্দ করে।
কাজলা গ্রামের ঘরজামাই ডাঃ মনিরুজ্জামান মনির কাছে জানার জন্য ফোন দিলে তার ব্যবহৃত সব ফোন নম্বার বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক নিয়াজ মোহাম্মাদ খান ওসির সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। ওসি হাসান হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি বর্তমানে বাহিরে আছি তবে সম্ভবত মামলা হয়েছে। আপনারা থানা থেকে সঠিক তথ্য নিতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেনাপ্রধানসহ মিয়ানমারের শীর্ষ জেনারেলদের নিষিদ্ধ করেছে ফেসবুক

বিদেশের খবর: ফেসবুক জানিয়েছে, তারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী প্রধানসহ শীর্ষ স্থানীয় জেনারেলদের তারা ‘ঘৃণা এবং মিথ্যে তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে’ নিষিদ্ধ করেছে।

মিয়ানমারে সেনা প্রধান এবং সামরিক বাহিনীর ফেসবুক একাউন্টগুলো ফলো করে লাখ লাখ মানুষ। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের ফলে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যত ব্ল্যাকআউটের শিকার হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

জাতিসংঘ যেদিন মিয়ানমারের এই জেনারেলদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে তাদেরকে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের কথা বলেছে, ঠিক ঐ দিনেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই ঘোষণা দিলেন।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের ঘোষণায় জানিয়েছে, সুনির্দিষ্টভাবে মিয়ানমারের মোট বিশজন ব্যক্তি ও সংস্থাকে তারা নিষিদ্ধ করছে। এদের মধ্যে সেনা প্রধান জেনারেল মিন আং লিয়ান এবং সেনাবাহিনীর পরিচালিত একটি টেলিভিশন নেটওয়ার্কের ফেসবুক একাউন্ট।

ফেসবুকের এক ব্লগ পোস্টে জানানো হয়, আমরা মোট ১৮টি ফেসবুক একাউন্ট, একটি ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট এবং ৫২টি ফেসবুক পেজ তুলে নিচ্ছি। ফেসবুকের এসব একাউন্ট এবং পেজ ফলো করেন প্রায় এক কোটি বিশ লাখ মানুষ।

এক ব্লগ পোস্টে ফেসবুক জানিয়েছে, মিয়ানমারে যে জাতিগত সহিংসতা ঘটেছে তা ভয়ংকর। ফেসবুকে ঘৃণা ও মিথ্যে তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে আমরা কি করছি, সে সম্পর্কে এ মাসের শুরুতে আমরা জানিয়েছিলাম। আমরা এর আগে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক দেরি করলেও এখন এক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ঘৃণা বা বিদ্বেষ ছড়ায় এমন কথা-বার্তা চিহ্ণিত করার ক্ষেত্রে আমরা এখন উন্নত প্রযুক্তি এবং কৌশল ব্যবহার করছি।

ফেসবুক এই প্রথম কোন দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে এ ধরণের পদক্ষেপ নিল।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র ক্লেয়ার ওয়েরিং বলেন, জাতিসংঘ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা সবাই যেখানে মিয়ানমারের এসব কর্মকর্তা মারাত্মক মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত বলে দেখতে পেয়েছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর জনসংযোগ দফতরের কর্মকর্তা কর্নেল জ মিন টুন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ফেসবুক কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষের এই ঘোষণার পরেও কিছুক্ষণের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী প্রধানের ফেসবুক পাতায় ঢোকা যাচ্ছিল। তের লাখ মানুষ এই পেজে ‘লাইক’ দিয়েছেন। পরে অবশ্য পাতাটি অদৃশ্য হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest