সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অসহায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ সম্মানি বিতরনআশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং : মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানাম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী: উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদDigital Fairness in the Age of Big TechSoftware de Trading para Inversores en Españaসাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারতালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যুতিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামীপাটকেলঘাটায় তাল গাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুহত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যু

পাকিস্তানি জঙ্গিরাই ২৬/‌১১ ঘটিয়েছিল, স্বীকার নওয়াজ শরিফের

পাকিস্তানের সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনই ২৬/‌১১-এর মুম্বাই হামলা ঘটিয়েছিল। যা প্রতিহত করা যেত। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর হওয়া জঙ্গি হামলা প্রসঙ্গে শনিবার এভাবেই পাকিস্তানের ভূমিকা স্বীকার করে নিলেন পাকিস্তানের বহিষ্কৃত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ।

এদিন মৌলানা মাসুদ আজহার এবং হাফিজ সৈয়দের নাম না করে শরিফ বলেন, পাকিস্তানে রয়েছে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন। তারা রাষ্ট্র বিরোধী। তার প্রশ্ন, পাক সরকার কি কখনও তাদের বলতে পারে মুম্বই গিয়ে দেড়শো জন মানুষকে হত্যা করতে। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। তবুও শি জিনপিং এবং ভ্লাদিমির পুতিন এই অভিযোগ করেছেন। সেই মামলার বিচার এখনও কেন শেষ হচ্ছে না সেই প্রশ্ন তোলেন শরিফ।

তিনি আরও বলেন, বহু প্রাণহানি, আত্মত্যাগের পরও বিশ্বের কাছে সন্ত্রাসবাদ বন্ধে পাকিস্তান সরকারের ভূমিকায় বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পাকিস্তান সারা বিশ্বের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। অথচ আফগানিস্তানের বার্তা বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে। সে ব্যাপারে পাকিস্তানকে ভাবতে হবে।

ভারত সরকার দীর্ঘ দিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, মানুদ আজহার এবং হাফিজ সাইদের নেতৃত্বে ২৬/‌১১-এর মুম্বই হামলা ঘটিয়েছিল লস্কর জঙ্গিরা। পাকিস্তান এতদিন তা না মানলেও অবশেষে তাদের দেশেরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর এই স্বীকারোক্তিতে জাতিসংঘে ভারতের অভিযোগ প্রমাণিত হল বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় হাজী নাছির উদ্দীন কলেজের নবনির্মিত একাডেমিক ভবণ উদ্বোধন

কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: শনিবার দুপুরে কলারোয়ার হাজী নাছির উদ্দীন কলেজের নবনির্মিত চারতলা একাডেমিক ভবণ উদ্বোধন করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও তালা-কলারোয়ার সংসদ সদস্য এড মুস্তফা লুৎফুল্লাহ প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এ ভবনের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন। হাজী নাছির উদ্দীন কলেজের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ ইফতেখার হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ও বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এএম ফারুক, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌলী জাহিদ হাসান, হাজী নাছির উদ্দীন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ, দেয়াড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী মাহবুবুর রহমান মফে, যুগিখালী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হাসান, হাজী নাছির উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত)আব্দুল আলিম, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এলাকা পরিচালক মিনহাজ উদ্দীন, ইউপি সদস্য আকলিমা খাতুন, আব্দুল রশিদ, সুপার মনিরুল ইসলাম, প্রভাষক মামুন ও সাংবাদিক জুলফিকার আলী প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন- বাংলা বিভাগের প্রভাষক মুহাসিন রেজা। উল্লেখ্য- ১কোটি, ১১লাখ, ৫৬হাজার ৭শত টাকা ব্যায়ে হাজী নাছির উদ্দীন কলেজের নবনির্মিত চারতলা একাডেমিক উদ্বোধণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নগরঘাটায় ৭১’র গণহত্যায় শহিদদের স্মরণ ও জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ বিরোধী সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালের ৭ মে পাটকেলঘাটার নগরঘাটা ইউনিয়নের হরিণখোলা-গোয়ালপোতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসদের নৃশংস গণহত্যার শিকার শহিদদের স্মরণ এবং জঙ্গিবাদ ও মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, যেসকল শ‌হিদের রক্তের বি‌নিম‌য়ে এদেশ আজ স্বাধীন হ‌য়ে‌ছে তা‌দের স্মৃ‌তি‌কে সংরক্ষণ কর‌তে হ‌বে। ‌যেসকল শ‌হিদ প‌রিবার অব‌হে‌লিত সেসব প‌রিবা‌রে প্র‌য়োজ‌নে সরকা‌রি চাক‌রি দি‌তে হ‌বে। আমা‌দের মহান মু‌ক্তিযু‌দ্ধের চেতনা ছিল অসাম্প্রদা‌য়িক শোষণমুক্ত বাংলা‌দেশ। মৌলবাদ, সন্ত্রা‌স ও জ‌ঙ্গিবা‌দকে নি‌শ্চিহ্ন করে বঙ্গবন্ধু ও মু‌ক্তিযু‌দ্ধের শ‌হিদ‌দের স্ব‌প্নের সোনার বাংলাদেশ গড়‌তে হ‌বে। বর্তমান প্রজ‌ন্মকে মাদক ও জ‌ঙ্গিবাদের ভয়াবহতা সম্প‌র্কে স‌চেতন কর‌তে হ‌বে। ১৯৭১ সালের গণহত্যা ও দীর্ঘ ৯মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৩০ লক্ষ শহিদ ও ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানীর যারা করেছিল তাদের দোসরদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। ২০১৩ সালের নৃশংসতার সাথে যারা জড়িত ছিল তাদেরকে সমাজ থেকে উৎখাত করতে হবে।
বক্তারা এধরনের আয়োজন বারবার জেলার সর্বত্র করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

শনিবার বিকাল ৪ টায় ১৯৭১-এ হরিণখোলা-গোয়ালপোতার গণহত্যায় শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা -১(তালা-কলারোয়া) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
নগরঘাটা ইইনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও হরিণখোলা-গোয়ালপোতার গণহত্যায় শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক মো. কামরুজ্জামান লিপুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মো. ইফতেখার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান, তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোশাররফ হোসেন মশু, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(তালা সার্কেল) আতিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার। আলোচনা অনুষ্ঠান প‌রিচাললনা করেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ নেতা প্রণব ঘোষ বাবলু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা নারী মৈত্রী সংসদের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসরিন খান লিপি, সাতক্ষীরা গণজাগরণ মঞ্চের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম, তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কামান্ডার মফিজউদ্দীন, জাসদ (আম্বিয়া) এর জেলা সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ইদ্রিস আলী, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য কাজী নজরুল ইসলাম হিল্লোল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবারুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবিকা সমাবেশ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : নবারুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবিকা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক গাজী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সেলিমুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক নাজিমুল লায়লা, ফারুক হোসেন, তয়ৈবুর রহমান তুহিন, জাহিদ হাসান, লিপিকা রাণীসহ স্কুলের শিক্ষক এবং ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবিকাবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইডিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা আইডিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজের কৃতিশিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা-২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন সাতক্ষীরা আইডিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজের আবাসিক অনাবাসিক ক্যাম্পাসে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। স্কুলের অধ্যক্ষ নাসিমা খাতুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে সংবর্ধনা প্রদান করেন স্কুলের চেয়ারম্যান শেখ মুজিবুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সংকর কুমার মন্ডল। আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্যে-সাফল্যের এ ধারাবাকিতা রক্ষার্থে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ শ্লোগানে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্কুলের শিক্ষক মীর হাসানুজ্জামান, সাইফুল্লাহ সরদার, প্রতিম দাশ, অতুন বোস, আফিফা ফেরদৌস, মোস্তাক আহমেদ, হাবিবুল্লাহ গাজী, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আল – আমিন, মিজানুর রহমানসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে ২০১৮ সালের এস এস সি পরীক্ষায় হামিম আব্দুল্লাহ গোল্ডেন এ প্লাস এবং পিইসি পরীক্ষায় রাহানুর রহমান রিমন বৃত্তিপ্রাপ্তসহ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান ও প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষার ফলাফল প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৭ দিন পর সিগন্যাল পাবে বাংলাদেশ

মহাকাশে পাড়ি দেয়ার পরপর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি এবং কোরিয়ার তিনটি গ্রাউন্ড স্টেশন। এই তিন স্টেশন থেকে স্যাটেলাইটটিকে নিয়ন্ত্রণ করে এর নিজস্ব কক্ষপথে (১১৯.১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অরবিটাল স্লট) স্থাপনের কাজ চলেছে এখন। তবে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ২০ দিন লাগবে। স্যাটেলাইটটি সম্পূর্ণ চালু হওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের গ্রাউন্ড স্টেশনে হস্তান্তর করা হবে। আরও অন্তত সাত দিন পর সিগন্যাল পাবে বাংলাদেশে অবস্থিত দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন।

শনিবার (১৩ মে) বেলা ১২টার দিকে বেতবুনিয়া বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনের একাধিক কর্মকর্তা ও প্রকৌশলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম বেতবুনিয়া ও গাজীপুর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে সিগন্যাল পেয়েছে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে। তবে বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশনের একাধিক কর্মকর্তা ও প্রকৌশলী বিষটিকে ‘একবারে ডাহা মিথ্যে’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তারা বলেন, ‘৭ দিনের আগে কোনো সিগনাল পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এটি ট্যাকনিকাল বিষয়, এ নিয়ে যেনতেন কথা না বলাই ভাল।’

এর আগে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে মহাকাশপানে উড়াল দেয় স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। ফ্যালকন-৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে রওনা হয় নিজস্ব কক্ষপথে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স সফল উৎক্ষেপণের খবর দিয়ে টুইটে জানিয়েছে, স্যাটেলাইটের প্রথম ধাপের পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে ফ্যালকন-৯ রকেট ভূপৃষ্ঠে ফিরে এসেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ৪৭ মিনিটে সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছেছে বঙ্গবন্ধু-১।

রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ার গ্রাউন্ড স্টেশনের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, এটি মূলত ব্যাকআপ স্টেশন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে পাড়ি দেয়ার পর বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম এর নিয়ন্ত্রণ নেবে এই গ্রাউন্ড স্টেশন। স্যাটেলাইটটি সম্পূর্ণ চালু হওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ গাজীপুর গ্রাউন্ড স্টেশনে হস্তান্তর করা হবে।

মূলত বেতবুনিয়ায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন-২ এর ভৌগোলিক অবস্থানগত সুবিধা কাজে লাগাতেই এমনটা করা হবে। এরপর স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণের মূল কাজ হবে জয়দেবপুরে স্টেশনেই। তবে কখনও যদি গাজীপুর স্টেশন স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়, তখন বেতবুনিয়ার গ্রাউন্ড স্টেশন-২ কাজ শুরু করবে। অনেক ক্ষেত্রে দুই গ্রাউন্ড স্টেশনেই সমানতালে কাজ হবে।

স্যাটেলাইট নির্মাণে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের ওয়েব সাইট সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর, উপগ্রহটিকে পর্যায়ক্রমে বেতবুনিয়া ও ও গাজীপুর গ্রাউন্ড স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এসব পরীক্ষার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে জমির ঘনত্বের সংযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন হবে।

বেতবুনিয়ায় অবস্থিত গ্রাউন্ড স্টেশনের প্রকৌশলীরা জানান, উৎক্ষেপণ স্থান থেকে ৩৬ হাজার ৭০০ কিলোমিটার যাওয়ার পর রকেটের স্টেজ-২ খুলে যাবে। এ জন্য ৭ থেকে ১০ দিন লাগবে। স্যাটেলাইট উন্মুক্ত হওয়ার পরপরই এর নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি এবং কোরিয়ার তিনটি গ্রাউন্ড স্টেশন। একই সঙ্গে ৭ দিন পর থেকে বাংলাদেশের পক্ষে স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ নিতে অপেক্ষা করবে বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন। এর মাঝেই চলতে থাকবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এই প্রক্রিয়া শেষ হতে ২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগবে।

সূত্র জানায়, ফ্যালকন-৯ রকেটে চারটি অংশ রয়েছে। উপরের অংশে ছিল স্যাটেলাইট, তারপর অ্যাডাপটর। এরপর স্টেজ-২ এবং সবচেয়ে নিচে ছিল স্টেজ-১। দুটি ধাপে এই উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়া শেষ হয়। লঞ্চ অ্যান্ড আরলি অরবিট ফেইজ (এলইওপি) এবং স্যাটেলাইট ইন অরবিট। এলইওপি ধাপে ১০ দিন এবং পরের ধাপে ২০ দিন লাগবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা উপজেলা জাসদের কর্মী সভা

১২ মে শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের জাসদ মনোনীত ও ১৪ দল মনোনয়ন প্রত্যাশী সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ ওবায়দুস সুলতান বাবলুর পাটকেলঘাটাস্থ বাস ভবনে বিশ্বাস আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে ও মোল্যা আব্দুর রাজ্জাকের পরিচালনায় তালা উপজেলা জাসদের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা জাসদের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক সাতক্ষীরা-১(তালা-কলারোয়া) জাসদ মনোনীত ও ১৪ দল মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ ওবায়দুস সুলতান বাবলু, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন লস্কর শেলি, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ কামাল, তালা উপজেলা জাসদের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, জাতীয় নারীজোট সাতক্ষীরা জেলা সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস বীনা, জাতীয় যুব জোট জেলা সাধারণ সম্পাদক মিলন ঘোষাল, তালা উপজেলার জাতীয় যুবজোট সভাপতি এহছানুল হক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তালা উপজেলা সভাপতি এ এস এম আব্দুল আলিম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ধানদিয়া ইউনিয়ন সভাপতি ইয়াকুব আলী গাইন, সাধারণ সম্পাদক ডা: প্রশান্ত দাস, নগরঘাটা ইউনিয়ন সভাপতি রবিউল ইসলাম, কুমিরা ইউনিয়ন সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম, সরুলিয়া ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ মোক্তার আলী, সহ-সভাপতি মোসলেম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সরদার আবু মুছা,ইসলামকাটী ইউনিয়ন সভাপতি শেখ আজিজুর রহমান, খেশরা ইউনিয়ন সভাপতি আক্তার হোসেন জুয়েল, তেতুলিয়া ইউনিয়ন সভাপতি ডা: জালাল উদ্দিন, জালালপুর ইউনিয়ন সভাপতি ফারুক হোসেন, জাতীয় যুব জোট সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ সম্পাদক মিলন ঘোষাল, জাতীয় যুব জোট তালা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক বিকাশ মুখার্জী প্রমুখ।
কর্মী সভায় আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তালা- কলারোয়া সাতক্ষীরা-১ আসনে নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং নির্বাচনী কেন্দ্র কমিটি গঠনের উপর গুরুত্বারোপ করেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক শেখ ওবায়দুস সুলতান বাবলু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসক-নার্সদের আরো ভালো ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চিকিৎসক ও নার্সদের উচিত রোগীদের সঙ্গে সহানুভূতি নিয়ে কথা বলা। তবে দিনভর সরকারি চাকরি করে রাতে আবার বেসরকারি কাজ করলে অতিরিক্ত কাজে মেজাজ খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক।

আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবসে রাজধানীর মুগদায় জাতীয় নার্সিং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডাক্তার-নার্সের মানুষকে সেবা দেয়ার মনোভাবই হচ্ছে এই পেশার সবচেয়ে বড় কথা। তাদের মধ্যে সবসময় এই মানসিকতাটা থাকতে হবে যে, একজন মানুষ যখন রোগী হয়ে আসে, তখন ওষুধের চেয়েও ডাক্তার বা নার্সের ব্যবহার, কথাবার্তা ও সহানুভূতিশীল মনোভাব থেকেই অর্ধেক রোগী ভালো হয়ে যেতে পারে। আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ – এই বিষয়গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

‘তবে আমি দোষ দেই না। কেননা আমাদের দেশের লোকসংখ্যা এত বেশি, আর সেই তুলনায় ডাক্তার-নার্স এত কম, তাদের এত বেশি রোগী দেখতে হয় যে, তাতে সবসময় সবার মেজাজ ঠিক রাখাও বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।’

তবে এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিজেদের একটু সংযত হওয়া দরকার মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দিনভর সরকারি চাকরি করবেন, আর রাতে গিয়ে প্রাইভেট করবেন, তারপর তো মেজাজ এমনিই খারাপ হবে। এটা তো খুব স্বাভাবিক। ওই ক্ষেত্রেও আপনাদের একটু হিসেব করে চলা উচিত যে আপনি কতটা ধারণ করতে পারেন। ততটাই কাজ করেন।’

বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবা দিনদিন আরও উন্নত হলেও ডায়াগনোসিস বা রোগ নির্ণয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমি একটা বিষয় দেখি, ডায়াগনোসিসে কেন যেন কোথায় একটা বিরাট ভুল হয়ে যায়। তাহলে যাদেরকে দিয়ে আপনারা ডায়াগনসিস করান, অনেক মডার্ন মেশিন আছে এখন, সেগুলোকে ঠিকঠাক চালানোর মতো, রিডিং নেয়ার মতো, দেখার মতো যথেষ্ট যোগ্য লোক তৈরি করা প্রয়োজন।’

এক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নিয়ে কী কী করতে হবে সেটা সরকারকে জানাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। সরকারই তখন সব করে দেবে।

এই বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া দরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নইলে একটা কিছু হলেই রোগীকে এখন দৌড়াতে হয় সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড, ভারতসহ নানা দেশে। ‘কেন?’ প্রশ্ন রাখেন তিনি।

‘আর তারা ভালো করে দিতে পারলে আমরা কেন পারব না? এই প্রশ্নটাই আমার বারবার মনে হয় যে, আমরা কেন পারি না? আমরা কেন পারব না? আমাদেরও পারতে হবে। সমমানের, সমমর্যাদার চিকিৎসা সেবা আমরাও দিতে পারব, সেই শক্তিটা আমাদের অর্জন করতে হবে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest