সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরা সদরে ৫ হাজার ৭শ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণসাতক্ষীরা শহর থেকে তরুণ চিকিৎসক ও নৈশপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার

‘ধর্ষণ’ নিয়ে ঠাট্টা করা হয়েছিল

প্রিয় দর্শক, আজ একজন অভিনেত্রী হয়ে নয়, একজন নারী হিসেবে আপনাদের কিছু কথা বলতে চাই। আপনারা জানেন কয়েকদিন আগে একটি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের একটি অনুষ্ঠানে ‘ধর্ষণ’ নিয়ে ঠাট্টা করা হয়েছিল। বিষয়টি হাসি তামাশা করার নয়।

সঞ্চালিকা যেভাবে প্রশ্ন করলেন অতিথিকে আর তিনি যেভাবে উত্তর দিলেন তাতে মনে হলো আমরা যেন বোকার স্বর্গে বাস করছি। পরবর্তীতে ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেল এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার হতে শুরু করলো। পুরো বিষয়টি একজন নারী হিসেবে মেনে নেয়া ছিল পীড়াদায়ক।

আমরা চলচ্চিত্রে নানানরকম অভিনয় করে দর্শককে বার্তা দিয়ে থাকি। যাতে ভালো-মন্দ দুটোই থাকে, শেষে জয় হয় ভালোর; পরাজয় ঘটে মন্দের। সেসব ইতিবাচক বার্তা তুলে না ধরে সমাজের নেতিবাচক দিকগুলো টক-শোতে এনে শুধু একজন বা দুজনকে নয় পুরো নারী জাতিকে অপমান করা হয়েছে।

শুধু আমার নয়, অন্যান্য অনেকের ভক্ত, দর্শক বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি, সকলেই যার যার অবস্থান হতে প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমি তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, তাদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে এমন বক্তব্যের নিন্দা জানাচ্ছি।

আমি প্রত্যাশা করবো এ অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলে ভবিষ্যতের কোন একটি পর্বে এ ধরনের আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেবেন।

আপনাদেরই প্রিয় মৌসুমী।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের উদীয়মান ১০ তরুণের একজন বাংলাদেশি

শান্তি ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিতে সারা বিশ্ব থেকে উদীয়মান ১০ তরুণ নেতাকে পুরস্কৃত করতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই ১০ জনের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের তানজিল ফেরদৌস। আগামী ২ মে ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দফতরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ২৪ বছর বয়সী তানজিল সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি বাংলাদেশের কমিউনিটি পর্যায়ে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। ব্যক্তিগতভাবেও তিনি তার দেশে জেন্ডার বৈষম্যকে চ্যালেঞ্জ করে চলেছেন। তানজিল ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামভিত্তিক ‘ভলানটিয়ার্স ফর বাংলাদেশ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি। বাংলাদেশের বৃহত্তম এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি এখন পর্যন্ত কয়েক শ তরুণকে যুক্ত করে সমাজ উন্নয়নমূলক বেশ কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে। তানজিলসহ ২০১৮ সালে আর যারা এই পুরস্কার পাচ্ছেন তারা হলেন— ইরাকের সারা আবদল্লাহ আবদুল রহমান, ইন্দোনেশিয়ার দিওভিও আলফাত, তুরস্কের এস সিফতিসি, লিথুয়ানিয়ার জিনা সালিম হাসান হামু, পাকিস্তানের দানিয়া হাসান, নরওয়ের ন্যান্সি হার্জ, দক্ষিণ আফ্রিকার ইসাসিফিনকসি দিঙ্গি, পানামার রোজ রোড্রিগেজ ও তাজিকিস্তানের ফিরুজ ইয়োগবেকভ। যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সংক্রান্ত ব্যুরোর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তানজিল মনে করেন কমিউনিটি পর্যায়ে কাজে তরুণদের যুক্ত ও উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে তাদের চরমপন্থি কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা সম্ভব। বর্তমানে তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করছেন। জাগো ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতর ৫০০ শিশুর নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে তিনি সাহায্য করেছেন। কিশোরী ও নারীদের আগামীতে নেতৃত্বে আনতে তাদের সক্ষমতা তৈরিতে কাজ করছেন তানজিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেনাপোলে আবুল কালামের প্রজনন কেন্দ্রে ছাগলের মুল্য দেড় লক্ষ টাকা

মো. রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: প্রজনন ছাগল পেলে প্রতিদিন আয় হয় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। এমন একটি পরিবার এর সন্ধান মিলেছে বেনাপোল পোর্ট থানার কাগজপুকুর রেল লাইন এর বস্তিতে। আবুল কালাম এর বাড়িতে প্রজনন কাজে নিয়োজিত আছে ৮টি দেশি বিদেশি জাতের ছাগল। পালিত প্রজনন ছাগলের সর্বোচ্চ বড়টির মুল্য দেড় লক্ষ টাকা আর প্রকার ভেগে ৮০ হাজার ৬০ হাজার ও সর্বনি¤œ ৫০ হাজার টাকা মুল্য।
শনিবার বেলা সাড়ে ৪ টার সময় আবুল কালামের বস্তিতে যেয়ে দেখা যায় ৮টি ছাগলের তদারকি করছে সে এবং তার পরিবার। আবুল কালাম বলেন বেনাপোল পোর্ট থানা ও শার্শা এলাকায় যারা ছাগল পালে তারা প্রজননের সময় হলে আমার কেন্দ্র আসে। কারন আমার এখানে সব থেকে বড় জাতের ছাগল। আমি ভারত থেকে তোতা জাতের ছাগলটি ভারতীয় টাকায় ৮০ হাজার রুপীতে ক্রয় করেছি। বর্তমানে ছাগলটির মুল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। তিনি বলেন সে ৩০ বছর যাবত এ ব্যবসা করছে। তার পরিবারের ১২ সদস্যর ভরন পোষন চিকিৎসা সহ অন্যান্য খরছ এই ছাগল থেকে আয় হয়। বড় ছাগটির প্রজনন ফি ৫ থেকে ৭ শ’ টাকা। আর অন্যান্য ছাগলের প্রজনন ফি ৩ থেকে ৫ শত টাকা।

আবুল কালাম বলে সকাল থেকে ছাগলের পিছনে তার সময় কাটে। ছাগলের খাবার সপ্তাহে ১ দিন গোছল সহ প্রজনন কাজে তাকে এ সময় ব্যয় করতে হয়। তবে তার সাথে তার পরিবারের সদস্যরা ও তাকে সময় দেয়। আবুল কালামের ভাষ্য ছাগলগুলো খুব দুর্দান্ত। তাদের ঠেকাতে সব সময় শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। ঘর থেকে বের করতে খুব শক্তি প্রয়োগ করা লাগে। দুইজন মিলে একটি ছাগলকে ঠেকিয়ে রাখা খুব কষ্ট। প্রতিদিন ৮ টি ছাগলের পিছনে এক থেকে দেড় হাজার টাকা খাবার খরছ হয় বলে কালাম জানান।

এলাকার জনসাধান জানায় আবুল কালামের প্রজনন ফার্ম থেকে ছোট ছাগলের প্রজনন দিয়ে বড় বড় বাচ্চা পাওয়া গেছে। যদিও ঐ ফার্মের ছাগলের মত অত বড় হয় না। তবে দেশী ছোট জাতের ছাগলের থেকে অনেক বড় ছাগল হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেই থেকে পরীমণি নির্মলেন্দু গুণ’র স্বপ্নজালের মৌমাছি

গত ৫ এপ্রিল বসুন্ধরা শপিং মলের সিনেপ্লেক্সে গিয়াস উদ্দীন সেলিম পরিচালিত “স্বপ্নজাল” ছবিটির প্রিমিয়ার শো দেখতে গিয়েছিলাম। দেখতে গিয়েছিলাম সেলিমের ছবি বলে নয়, ওটা পরীমনি অভিনীত ছবি বলে। পরীমনি কেন? সুন্দরী বলে? ভালো অভিনেত্রী বলে? না, পরীমনি আমার স্বপ্নজাল “কবিতাকুঞ্জ”-এর আজীবন সদস্য বলে। কবিতাকুঞ্জ নির্মাণের সূচনাপর্বে আমি যখন অর্থসংকটে পড়ে ফেসবুকে সাহায্য চেয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, তখন নায়িকা পরীমনি সাংবাদিক আকবরের মাধ্যমে কবিতাকুঞ্জের জন্য আমার ব্যাংক একাউন্টে এক লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দিয়ে আমাকে খুবই বিস্মিত করেছিলো। সেই থেকে পরীমনি আমার স্বপ্নজালের মৌমাছি।

দুই বছর আগে সিনেমা হলে বসে দেখেছিলাম আমারি কবিতা অবলম্বনে মাসুদ পথিক নির্মিত– “নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ”। আমি ঐ ছবিতে কিঞ্চিত অভিনয়ও করেছিলাম। গত ৫ এপ্রিল সিনেমা হলে বসে আবারও বড়-পর্দায় দেখলাম পরীমনির ছবি স্বপ্নজাল। সেলিম, কিছু মনে করবেন না, আমি আপনার ছবিটিকে পরীমনির ছবি বলছি বলে।

ছবি শেষ হলে বাবুর সঙ্গে দেখা হলো। বাবু মানে আমাদের দেশের ‘ওয়ান পিস’ অভিনেতা ও গায়ক ফজলুর ররহমান বাবু। ছোট ভাইয়ের মতোই মনে করি ওকে। সঙ্গে ওর স্ত্রী ও দুই কন্যা। বাবু যে স্বপ্নজালে অভিনয় করছে, জানতামই না। স্বপ্নজালের খল-চরিত্রের বাবুর অভিনয় দেখে আমি মুগ্ধ। উৎপল দত্তের সমমানের অভিনেতা বাবু। বাবু আমার গ্রামে কাশবনে গেছে, ওর নাট্যগুরু আমার প্রিয় বন্ধু নাট্যকার ও অভিনেতা মামমুনুর রশীদের সঙ্গে।

বাবুকে নিয়ে ভক্তপরিবৃতা পরীমনির দিকে আমি এগিয়ে গেলাম। পরীর দৃষ্টি ও শ্রবণাকর্ষণ করে– একটু উচ্চস্বরেই বললাম, “এই যে পরী, একটু বিলম্বে হলেও আমি এসেছি। তোমার ছবি দেখলাম। তোমার অভিনয় খুব সুন্দর হয়েছে।”

আমাকে আমার ডাকনাম ধরে এমন উচ্চকন্ঠে কে ডাকে? আমি উপরের দিকে পরীকে ঘিরে থাকা ভক্ত ও চিত্রসাংবাদিকদের জটলাটির দিকে তাকিয়ে ছিলাম।নীচের দিকে তাকাতেই আমাদের চার চোখের মিলন হলো।

আমি প্রথমবারের মতো পরীমনিকে দেখলাম। ধবধবে শাদা মিহি-সুতোর শাড়ি এবং হাতের কব্জি পর্যন্ত আবৃত শাদা কাপড়ের ব্লাউজ পরিহিতা পরীকে উপরের সিঁড়ি থেকে নীচের সিঁড়িতে নেমে আসতে দেখে মনে হলো কাশবনের পুকুর পাড়ে এমন গন্ধরাজ ফুলই তো আমি ফুটতে দেখেছি। আমাকে দেখতে পেয়ে ভক্তদের ঠেলে সরিয়ে দিয়ে পরীমনি আমার পাশে এসে দাঁড়ালো।

আমি মনে করেছিলাম, এবার পরীমনি নিশ্চয়ই জানতে চাইবে স্বপ্নজালে ওর অভিনয় আমার ভালো লেগেছে কি না। আমার কোনো পরামর্শ আছে কি না ওর অভিনয় নিয়ে। কিন্তু না। আমাকে বিস্মিত করে দিয়ে পরীমনি বললো, “আমি কিন্তু আপনার কবিতাকুঞ্জ দেখতে যাবো।”

আরে এই মেয়ে বলে কী? কোথায় স্নপ্নজাল আর কোথায় কবিতাকুঞ্জ? পরী কি ওর ছবি স্বপ্নজাল দেখার বদলা নিতে চাইছে আমার কবিতাকুঞ্জ দেখে? আমি একটু বিব্রত বোধ করলাম। ভাবলাম, পরীমনি কবিতাকুঞ্জ দেখতে গেলে হাজার মানুষ ভিড় করবে কবিতাকুঞ্জে। এদের সামলাবো কী করে?

ওকে নিরুৎসাহিত করার জন্য বললাম, তুমি কি কবিতাকুঞ্জের ডোনার বোর্ডটি ফেইসবুকে দেখোনি? ওখানে তোমার নাম রয়েছে সর্বশীর্ষে। সবার উপরে তুমি। তুমি হলে কবিতাকুঞ্জের এক নম্বর সদস্য। কবিতাকুঞ্জ তো আমার নয়, তোমার। স্বপ্নজালও তোমার, কবিতাকুঞ্জও তোমার।

আমার রচনাবলির ২য় খণ্ডটি সঙ্গে নিয়েছিলাম। স্বপ্নজালে সুন্দর অভিনয় করার জন্য আশীর্বাদ জানিয়ে আমার নাম স্বাক্ষর করে বইটি উপহার দিলাম পরীকে। পরী খুশি হলো আমার বই উপহার পেয়ে। আমি খুশি হলাম পরীকে আমার বই উপহার দিতে পেরে। গল্পটা এখানেই শেষ। এরপর কোনো ডেভলাপমেন্ট হলে আপনাদের জানাবো।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শহরে ১৯৭১ এর বধ্যভূমি সংরক্ষণের দাবিতে সাইন বোর্ড স্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা শহরের আমতলা বধ্যভূমি সংরক্ষণের দাবিতে সাইন বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। শনিবার বিকালে শহরের সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বধ্যভূমির সামনে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ও নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ এই সাইন বোর্ড স্থাপন করেছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাস সরকার, জাসদের জেলা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ, প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা অপারেশন জ্যাকপটের নায়ক ইমাম বারি, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ সাতক্ষীরার আহবায়ক এড. ফাইমুল হক কিসলু, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের বিজ্ঞ পিপি এড. ওসমান গণি, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মাদ আলি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভিন সেঁজুতি, বাসদ নেতা নিত্যানন্দ সরকার, আন্দোলন মঞ্চ সাতক্ষীরার সদস্য সচিব আলি নুর খান বাবলু, জাসদ নেতা প্রফেসর ইদ্রিস আলি, আমির হোসেন খান চৌধুরী, রিয়াজুল ইসলাম, নাসির হোসেন, দিবা, সাথী, সুলতানা, প্রভাস প্রমুখ।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বধ্যভূমিটি স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এটি দিন দিন দখল হয়ে যাচ্ছে। এতে সাতক্ষীরাবাসী উদ্বিগ্ন। উপস্থিত সকলে অবিলম্বে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বধ্যভূমিটিসহ জেলার সকল বধ্যভূমি সংরক্ষণে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সঞ্চয় সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘সঞ্চয় আপনার ও জাতির সমৃদ্ধ আনে’ স্লোগানে সাতক্ষীরায় সঞ্চয় সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার সকালে জেলা অফিসার্স ক্লাব থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। এ সময় আলোচনা সভায় জেলা সঞ্চয় অফিস/ব্যুরো’র সহকারী পরিচালক কাজী হাসান উল্লাহ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল হান্নান। তিনি বলেন, সঞ্চয় প্রতিটি মানুষের জন্যই সোনালি ভবিষ্যৎ। এ চিন্তা মাথায় রেখেই প্রতিটি মানুষের উচিত লাভবান হওয়া এবং দেশকে লাভবান করা। ক্ষুদ্র সঞ্চয়ই একদিন বৃহত্তর ভূমিকা রাখবে। বিপদকে মোকাবেলা করার জন্য সঞ্চয়ের কোন বিকল্প নেই। প্রতিটি মানুষেরই সামর্থ অনুযায়ী সঞ্চয় করা উচিৎ। সরকার সঞ্চয়কারীদের পাশে রয়েছে, দিচ্ছে নতুন নতুন সুবিধা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত টিএন্ডটির প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, অবসরপ্রাপ্ত সমবায় কর্মকর্তা মো. আব্দুর রব ওয়ার্ছী, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক ম্যানেজার শেখ আজিজুল হক, মো. শাহিনুর রহমান প্রমুখ। র‌্যালি চলাকালে ঢাক ঢোল ও বাজনা বাজিয়ে এবং মাইকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার কথা প্রচার করে জনগণকে সঞ্চয়ের দিকে আকৃষ্ট করা হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সঞ্চয় অফিসের গ্রাহকরা অংশগ্র্রহণ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রাক্তন সঞ্চয় অফিসার কাজী আবু হেলাল মো. জিন্নু রায়েন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : “মেধাই সম্পদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই ভবিষ্যৎ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় তিন দিন ব্যাপি ৩৯ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ বিজ্ঞান মেলা এবং জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০১৮ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে ও জাতীয় বিজ্ঞান প্রযুক্তি যাদুঘর তত্বাবধানে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল হান্নান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনডিসি মোশারেফ হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক অধ্যক্ষ সুকুমার দাস, সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ প্রমুখ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারি জেলা শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, বিজ্ঞান সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান শিক্ষক সুকৃতি কুমার রায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে তিনদিন ব্যাপি ৩৯ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ বিজ্ঞান মেলা এবং জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০১৮ এর সমাপনীতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। জেলা পর্যায়ে তিন দিন ব্যাপি এ মেলায় ৪৪টি স্টল স্থান পেয়েছে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মীর রাফিউল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জার্মানিতে পথচারীদের ওপর চলন্ত গাড়ি, নিহত ৩

জার্মানির মুয়েনস্টার শহরে পথচারীদের ওপর চলন্ত ভ্যান তুলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবারের এই ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ২০ জন। ছয়জনের অবস্থা গুরুতর। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জার্মানির মুয়েনস্টার শহরে শনিবার পথচারীদের ওপর চলন্ত ভ্যান তুলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা সন্ত্রাসী হামলা নাকি দুর্ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে সে সম্পর্কে জানা যায়নি।

পুলিশের মুখপাত্র ভেনেসা আরলিট বলেন, ওই চালক মুয়েন্সটারের বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁরা ওপর দিয়ে চলে যায়। অ্যান্দ্রে বোদে নামে আরেক মুখপাত্র জানান, এখনই এটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না যে এটা হামলা না দুর্ঘটনা। নিশ্চিত হওয়া যায়নি চালকের পরিচয়ও।

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি।’

সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে জনসাধারণকে শহরের কেন্দ্রস্থল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়ায় পথচারীদের ওপর চলন্ত গাড়ি তুলে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। গত বছর ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সংলগ্ন ওয়েস্টমিনিস্টার ব্রিজে একটি গাড়ি পথচারীদের ওপর তুলে দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে জার্মানির রাজধানী বার্লিনের ক্রিসমাস মার্কেটে চালানো লরি হামলায় নিহত হন ১২ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest