সর্বশেষ সংবাদ-
বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের দোয়াসাংবাদিক সুমন ফেসিয়াল ভাইরাসে আক্রান্ত : সুস্থতা কামনায় বিবৃতিদৈনিক প্রবাহ অফিসে হামলা: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নিন্দাবল্লীতে জমিজমা বিরোধের জেরে নারীসহ পরিবারের ওপর হামলা: থানায় অভিযোগদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ ১ জন আটক : থানায় মামলাআন্তর্জাতিক নাট্য প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পেলেন  আসাদুল ইসলামশ্যামনগরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ধান রোপন করে প্রতিবাদদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী আটকদেশের উন্নতির মূল প্রতিবন্ধকতাই হলো দুর্নীতিসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির বৃক্ষরোপন

জি.এম আবুল হোসাইন : টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামীলীগ সরকারের সাফল্য ও অর্জন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ভাবনা তৃণমূল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু।

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বিকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের পল্লীশ্রী মোড়, শ্রীরামপুরসহ পাশ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন তিনি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ জনগণকে বর্তমান জনকল্যাণমুখী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন বার্তা পৌছে দেন তিনি। এসময় সাতক্ষীরা সদর থানা আ’লীগের সাধারণ-সম্পাদক শাহ্জাহান আলী, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলামসহ স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সরকারের পদত্যাগসহ নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার পুন: প্রতিষ্ঠার একদফা এক দাবিতে সাতক্ষীরায় বিএনপির পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলীর নেতৃত্বে শহরের আমতলা মোড় থেকে পদযাত্রাটি শুরু হয়ে তালতলা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুল আলিম, যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, পৌর বিএনপির আহবায়ক শের আলী, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এড. নূরুল ইসলাম, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক সোলায়মান হোসেন, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মশিউল হুদা তুহিন প্রমুখ।
সমাবেশে নেতারা বলেন, এদেশের মানুষ শেখ হাসিনা সরকারকে আর দেখতে চায় না। শেখ হাসিনা সরকার ভোট চোর সরকার। অবিলম্বে এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সুন্দরবন টেক্সটাইলস মিলস চালুসহ উচ্ছেদ হওয়া ভূমিহীনদের পূর্নবাসন, নদী ও খাল খননে অনিয়ম বন্ধ, বিনেরপোতা রাফসান গ্রুপের অবৈধ দখলকৃত সরকারি জায়গা উদ্ধার, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সীমাহীন অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অপরিকল্পিত ভাবে স্থাপন পরিবেশ দূষণকারী অবৈধ ইটভাটা বন্ধের দাবিতে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা নদী, বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি এবং জেলা ভুমিহীন সমিতির যৌথ উদ্যােগে নিউ মার্কেট মোড়স্থ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ভুমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলী। জেলা ভুমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজীর সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক এড. আবুল কালাম আজাদ, সহ সভাপতি ও দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক অধ্যক্ষ আশিক এলাহী, বাংলাদেশ জাসদ এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী জেলা ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসূল রাসেল,শেখ শাহাজান গাজী, জেলা নদী, বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সহ সভাপতি শেখ শওকত আলী, মানবাধিকার কর্মী শেখ ফারুক হোসেন, সাংবাদিক সেলিম হোসেন, রহমত আলী, শেখ হাফিজুর রহমান, শাহাজান আলী ছোট বাবু, আলমগীর হোসেন, শেখ রিয়াজুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম শফি প্রমূখ।

পথ সভায় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরার ২২ লক্ষ মানুষের প্রাণের প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। দুই প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের শেষ নেই। বিশেষ করে হাসপাতালে অনিয়মের পাশাপাশি রোগীদের ব্যাপক হয়রানির শিকার হতে হয়। হাসপাতালের পরিচালক ডা: শীতল চৌধুরী সপ্তাহে মাত্র দুই দিন অফিস করেন। ঠিকমত অফিসে আসেন না। অথচ কোটি টাকা মূল্যের ব্যক্তিগত গাড়ী কিনেছেন। বর্তমানে হাসপাতালের স্টাফদের বেতন ছাড়াতে গেলেও টাকা দিতে হয় ওই দুনীতিবাজ পরিচালক ডা: শীতল চৌধুরীকে। বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেলের অর্থপেটিক ওয়ার্ডে মাসের পর মাস রোগীরা ভর্তি থাকলেও অপারেশনের সিরিয়াল পায় না। ১০ জনের বেশি আলটাসনো গ্রাফি করা হয় না, ৫ জনের বেশি ইকো, ইসিজি হয় না। চরম অব্যবস্থাপনায় চলছে সাতক্ষীরা মেডিকেল।

মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: রুহুল কুদ্দুস কলেজ যোগদানের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দ্বার প প্রান্তে পৌছে গেছে। কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাড়তি ফি আদায় করা হয়, অর্থের বিনিময়ে ইচ্ছামত মাস্টার রোলের কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে তা আবার ইচ্ছামত নিয়োগ বাতিল করে রুহুল কদ্দুস। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নানা অনিয়ম করে যাচ্ছে। অবিলম্বে ওই দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানান বক্তারা।

এছাড়া সাতক্ষীরা রাফসান গ্রুপ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক আবু হাসান কর্তৃক শহরের বিনেরপোতায় সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করেছে। এটি নিয়ে ভূমিহীন সমিতির পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও তা এখনো কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রকৃত ভুমিহীনদের ঘর দেওয়া হয় না। টাকা ছাড়া প্রকৃত ভুমিহীনরা ঘর পাই না। অবিলম্বে দখলকৃত সরকারি জায়গা উদ্ধার করে প্রকৃত ভুমিহীনদের পুনঃ বাসনের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান বক্তারা।
সম্প্রতি সাতক্ষীরায় নদী ও খাল খনন চলছে। এসব খাল ও নদী খননে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা খননের বরাদ্দ টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে পকেট ভরছে বলে বক্তারা জানান।
জেলায় কৃষি জমিতে ও ঘনবসতি ঘরবাড়ি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায় অপরিকল্পিত ভাবে স্থাপন হয়েছে একাধিক অবৈধ ইটভাটা। ইটভাটার কালো ধোয়ায় এলাকায় পরিবেশ দূষিত হয়ে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অনেক ইটভাটার মালিকদের নিবন্ধিত নেই। তারা পরিবেশ অফিসকে ম্যানেজ করে ইটভাটা পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর কোন পদক্ষেপ নেই না। তাই এসব ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানান বক্তারা।

পৌরসভার যানজট নিরসনের দায়িত্ব পৌরসভার। অবিলম্বে পৌরসভার রাস্তা ধারে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে যানজট নিরসন করতে হবে বলে দাবি জানান বক্তারা। সাতক্ষীরার একটি ঐতিহ্যবাহী কর্মমূখি প্রতিষ্ঠান সুন্দরবন টেক্সটাইলস মিলস। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে সেখানে কর্মরত অনেক শ্রমিক আজ বেকার। শ্রমিকরা কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। কর্মহীন শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে অবিলম্বে পুতিষ্ঠানটি চালুর জোর দাবি জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাটিয়া মাস্টারপাড়া এলাকায় আর সি সি ঢালায় রাস্তা নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ জুলাই) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে ঢালায় রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “২০১৪ সাল থেকে সাতক্ষীরা পৌরসভার যা উন্নয়ন কর্মকান্ড হয়েছে তা আমার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় অর্থ বরাদ্দ এসেছে।

প্রতিটি উন্নয়নের বরাদ্দ আনতে আমি ডিও দিয়েছি। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের অর্থায়নে সাতক্ষীরা পৌরসভার উন্নয়নে ৯টি ওয়ার্ডে কোভিড-১৯ প্রকল্পের আওতায় ১০ কোটি টাকায় রাস্তা নির্মাণ করা হবে। সাতক্ষীরা পৌরসভার নাগরিকদের উন্নত মানের
নাগরিক সেবা প্রদানে পৌর কর্তৃপক্ষকে আরো বেশি আন্তরিক হতে হবে। আমার স্বপ্ন সাতক্ষীরা পৌরসভাকে একটি নান্দনিক পৌরসভা তৈরী করতে চাই। সেজন্য সকলের সহযোগিতা দরকার।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম, পৌরসভার প্যানেল মেয়র রাবেয়া পারভীন, সাতক্ষীরা পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী কামরুল আখতার তপু, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, এএসএম মাকসুদ খান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শেখ মাহফুজুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ ফিরোজ আহমেদ, পৌরসভার ১নংওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. কায়ছারুজ্জামান হিমেল, পৌরসভার ১,২ ও ৩নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর নুরজাহান বেগম নুরী, প্রকৌশলী আবিদুর রহমান, পৌরসভার এস ও সাগর দেবনাথ, কামরুজ্জামান শিমুল, মহাব্বত হোসাইন, পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুস সালাম, বিশিষ্ট ঠিকাদার আশরাফুর রহমান খোকন, ছাত্রলীগ নেতা শীতল প্রমুখ।

ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের অর্থায়নে কোভিড-১৯ প্রজেক্ট এর আওতায় ফিরোজ পেশকারের বাড়ি হতে মরহুম এমপি জব্বারের বাড়ি পর্যন্ত ৩১০ মিটার আরসিসি রাস্তা প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এসময় দলীয় ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় পৃথক ঘটনায় প্রেমিকাকে হত্যার দায়ে প্রেমিক আব্দুর রহমান (২০) এবং তরুনীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক রবিউল ইসলাম(৩৫)কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। এসময় আসামী আব্দুর রহমান আদালতে উপস্থিত থাকলেও রবিউল ইসলাম পলাতক ছিলেন।

এছাড়া প্রেমিক আব্দুর রহমানকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ বছরের কারাদ- এবং ধর্ষক রবিউল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদ- দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ চাঁদ মোহাম্মদ আলিম আল রাজি এবং নারী ও শিশু আদালতের বিচারক এমজি আযম পৃথক দুটি ঘটনায় এ রায় দেন।

আসামী আব্দুর রহমান কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের আলতাফ হোসেনের পুত্র এবং রবিউল ইসলাম আশাশুনি উপজেলার মনিপুর গ্রামের মোকছেদ আলী গাজীর পুত্র।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামী আব্দুর রহমানের সাথে জালালাবাদ গ্রামের সোহরাব হোসেনের কন্যা কলারোয়া গার্লস পাইলট স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী সানজিদা হোসেন সেজুতির (১৪) প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। গত ২৭ মার্চ ২২ তারিখে রাতে সে নিখোঁজ হয়। পরের দিন সকালে সেজুতির লাশ বাড়ির পাশ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় সেজুতির মা লায়লা পারভীন পরদিন ২৮ মার্চ কলারোয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার জি আর মামলা নং ১৪৮/২২। আসামী আব্দুর রহমান আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলায় ১২ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

অন্যদিকে, ২০১০ সালের শুরুর দিকে আশাশুনি উপজেলার মনিপুর গ্রামের মেয়ে(১৯) কে একটি মৎস্যঘেরের পাশে পরিত্যাক্ত ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষন করে একই এলাকার মোকছেদ আলীর পুত্র রবিউল ইসলাম। ধর্ষনের ফলে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে ২৯ জুন ২০১০ তারিখে ধর্ষিতার পিতা আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। যার জি আর মামলা নং ২৩৯/১০। উক্ত মামলায় ৫ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।
সাতক্ষীরা জজকোর্টের পিপি এড. আব্দুল লতিফ দুটি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জি.এম আবুল হোসাইন : ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র আয়োজনে ও সেভ দ্য চিলড্রেন এর সহায়তায় শ্যামনগরে শিশু সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত মঙ্গলবার সকালে শিশু সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অনলাইন মাধ্যমে শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কিশোর কিশোরীদের সম্পৃক্তকরণ শীর্ষক দক্ষতা উন্নয়নমূলক এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ -বিন- শফিকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, ওসিসি’র প্রোগ্রাম অফিসার প্রণব বিশ্বাস, নকিপুর মাধমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণপদ মুখার্জী, জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সদস্য মো. সাকিবুর রহমান বাবলা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র সাতক্ষীরা অফিস ইনচার্জ ও ম্যানেজার (প্রোগ্রাম) মো. শরিফুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব‍্যুরো:
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ হুমায়ুন কবির বলেন, বড় কিছু হতে হলে, বড় করে স্বপ্ন দেখতে হবে। এপিজি আবুল কালাম আজাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা স্বপ্ন নয়, ঘুম কেড়ে নেয় যে স্বপ্ন, আমাদের সেই স্বপ্ন দেখতে হবে। ২০২১ সালের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন পুরন হয়েছে, যা বর্তমানে চলছে। এখন ২০৪১ সালের স্বপ্ন স্মার্ট বাংলাদেশ, তার জন্য আমাদের স্বপ্ন দেখতে হবে। সে সময় ডিসি, এসপি, মন্ত্রী, সচিব হবে আজকের কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। যারা এই কলেজ ক্যাম্পাসে বসে আছে।

মঙ্গলবার সকলে আশাশুনি সরকারি কলেজে বঙ্গবন্ধু কর্ণার ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার এর নবআঙ্গিকে উদ্বোধন, ২০২৩ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও বৃক্ষ রোপন, বার্ষিক বহি: ক্রীড়া প্রতিযোতায় বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বিগত দিনে বহু নামিদামি লোক বাঙ্গালী ছিলেন পরাধীন। কিন্তু, হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের একটি স্বাধীন দেশ বা রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন।

এজন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আমাদের কথা বলা উচিত। তিনি বলেন, পড়া লেখার পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ক্রীড়া, সাস্কুতি চর্চা ও বহি: জ্ঞান থাকতে হবে। সুতরাং স্মার্ট বাংলাদেশ দেখতে হলে, ভোগ করতে হলে নিজেদের সকল ক্ষেত্রে স্মার্ট হতে হবে। প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের সময় কাজে লাগিয়ে নিজেদের গড়ে তোলার আহবান জানান। তিনি কলেজের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে ভূয়ষী প্রশংসা করেন। প্রধান অতিথি যতদিন সাতক্ষীরায় থাকবেন ততদিন এ কলেজের জন্য প্রয়োজন সবকিছু করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক জাকির হোসেন ভূট্ট ও শিরির বাহার যুথির সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রনি আলম নুর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপা রানী সরকার, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মমিনুল ইসলাম (পিপিএম)। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, সহকারী অধ্যাপক হোসেন আলী, প্রভাষক বাকি বিল্লাহ, প্রভাষক নীলেন্দু মুখার্জি, বিদায়ী শিক্ষার্থী সরাবান তহুরা, খাদিজা খাতুন প্রমূখ। অনুষ্ঠান চলাকালে অতিথিবৃন্দের বক্তব্যের মাঝে সংগীত পরিবেশন করেন, প্রভাষক শিরিন বাহার, শিক্ষার্থী সুতপা রানী সরকার ও অরুপা সরকার।
অনুষ্ঠানপূর্ব বঙ্গবন্ধু কন্যার ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠান শেষে বৃক্ষ রোপন ও কলেজের বার্ষিক বনভোজনে মধ্যহ্ন ভোজে মিলিত হন।
বিকাল সাড়ে ৩ টায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ হুমায়ুন কবির মানিকখালি আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় এক সন্তানের জননিকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারন করায় দুই লম্পটের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এঘটনায় ওই নারী মঙ্গলবার (১৮জুলাই) সকালে কলারোয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে
তাদের বিচার দাবী করেছেন।
উপজেলার কুশোডাঙ্গা গ্রামের ওই গৃহবধু (২৩) সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন-তার স্বামী কাজ কর্মের
জন্য প্রায় সময় ভারতে থাকেন। এজন্য তিনি গত ৪জুন-২৩তারিখে পাসপোর্ট এর ভিসা লাগানোর জন্য আবেদন করতে উপজেলার কাজিরহাট বাজারের বিক্রম এন্টারপ্রাইজে যান।

সেখানে পূর্ব থেকে শিবানন্দকাটি গ্রামের আদম ব্যবসায়ী মৃত হোসেন আলীর ছেলে মোবারক আলী বসে থাকেন। এর কিছুক্ষণ পরে তিনি ওয়াস রুম কোথায় জিজ্ঞাসা করলে বিক্রম এন্টারপ্রাইজে এর স্বত্বকারী মোকন্দ দাস দফাদার বলেন উপরে দুই তলায়।
তিনি ওয়াস রুমে গেলে পিছে পিছে লম্পট মোবারক আলী ও মোকন্দ দাস উপরে দুই তালায় চলে আসেন। গলায় ছুরি ধরে জোরপূর্বক মোবারক আলী তাকে ওই রুমে ফেলে ধর্ষন করে।

এসময় মোকন্দ দাস বাইর থেকে দরজা লাগিয়ে দেয়। ধর্ষণের সময় মোবারক আলী মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে রাখে।
পরে মোকন্দ দাস ও মোবারক আলী ওই ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল করে দেয়ার ভয়
দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবী করে। স্বামীর সংসারের কথা চিন্তা করে ভয়ে ছাগল
বিক্রয় করে ১৫ হাজার টাকা তুলে দেয় তাদের হাতে।
কিন্তু টাকা নিয়েও তারা ভিডিও ডিলেট না করে আরো টাকা দাবী করছে। তাদের দাবীকৃত ওই টাকা দিতে না
পারায় তার স্বামীর কাছে ভিডিও ধারনের কথা বলে দেয় মোবারক আলী ও মোকন্দ
দাস। এনিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। পরে তাকে আর রাখবে না বলে স্বামী ওই নারীকে শিশু বাচ্চা সহ বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়।

বর্তমানে ওই অসহায় নারী কোন উপরন্ত পথ না পেয়ে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি পিটিশন নং-৩১৭/২৩মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি সাতক্ষীরা পিবিআই তদন্ত করছেন। এদিকে নিরহ ওই নারী ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest