সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আগুনে পুড়ে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার বেলা সাড়ে বারোটার দিকে কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া মমতাজ সরদার চন্দনপুর ইউনিয়নের ডারকি গ্রামের মৃত সোনাই সরদারের পুত্র। তিনি চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন এছাড়া তাঁর পুত্র শরিফুল ইসলাম যশোর এলজিডির নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান , রোববার বেলা বারোটার দিকে চন্দনপুর হাই স্কুলের পেছনের নিজস্ব বাগানের শুকনা পাতা ধ্বংস করার জন্য এক জায়গায় করে আগুন জ্বালিয়ে দেন ।এ সময় অসাবধানতাবশত তার লুঙ্গিতে আগুন ধরে যায়। সে সময় তিনি আগুনে পুড়ে মারাত্মক আহত হলে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক ঘটনাটি দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় মমতাজ সরদারের।

কলারোয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ নাসির উদ্দিন মৃধা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে পোস্টমর্টেম ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর চিংড়াখালী পারিবারিক মন্দির ঘর ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে । চিংড়াখালী গ্রামের মৃত রঙ্গলাল বৈদ্য পুত্র সতিন্দ্রনাথ বৈদ্য এঘটনায় শ্যামনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। লিখিত অভিযোগে সতিন্দ্রনাথ বৈদ্য বলেন চিংড়াখালী গ্রামের মৃত লোকমান গাজীর পুত্র করিম শেখ, আব্দুর রহিম শেখ, রাবেয়া খাতুনদের সাথে একই পাশাপাশি বসবাস। ভিটা-বাড়ীর সম্পত্তি নিয়ে তারা বিভিন্ন সময়ে আমাদের সাথে বিরোধ করে। বিষয়টি নিয়ে বিগত ০৩ বছর পূর্বে এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সমন্বয়ে আমাদের জায়গা জমি মাপ জরিপের মাধ্যমে সমাধান করে দেয়।

সে অনুযায়ী আমার যার যার অংশে ঘর বাড়ী তৈরী করে বসবাস করে আসছি। বিগত কিছুদিন পূর্বে অভিযুক্তরা পুনরায় আমাদের ভিটা বাড়ীর সম্পত্তির মধ্যে তাদের সম্পত্তি আছে মর্মে দাবী করে আসতে থাকে। একপর্যায়ে আমাদের বসত ভিটায় থাকা মন্দির ঘর ভাংচুর করে নতুন করে পাকা মন্দির ঘর নির্মাণ করাকালে ১০ মার্চ ২০২৩ তারিখ সন্ধ্যা’র সময় অভিযুক্তরা আমার বসত ভিটায় অনধিকার প্রবেশ পূর্বক কাজ বন্ধ করে দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করতে থাকে।

এর প্রতিবাদ করায় আমাকে মারপিট করতে উদ্যত হয় এবং নব-নির্মিত পাকা স্থাপনা (মন্দিরঘর) এর পাকা প্রাচীর /দেওয়াল ভাংচুর করে ক্ষতিসাধন করে। আমাকে সহ আমার পরিবারের লোকজনদেরকে মেরে খুন জখম করবে, ভিটা বাড়ী ছাড়া করবে মর্মে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদান করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
অভিযুক্ত রাবেয়া খাতুন বলেন, ওখানে আমাদের জায়গা পাওনা আছে। পুলিশ আসছিল আমাদের কাগজ নিয়ে বিকালে থানায় যেতে বলেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরায় বলৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় কলারোয়া পৌর সদরের তুলসীডাঙ্গা এলাকার একটি হাফিজিয়া থেকে ওই শিক্ষক কে গ্রেফতার করা হয়।

মাদ্রাসা শিক্ষক আরমান হোসেন (২২) যশোর জেলার শার্শা উপজেলার রুদ্রুপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

ভুক্তভোগী শিশুর পিতার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায় শিশু(১১) কলারোয়ার তুশলীডাঙ্গা গ্রামের আল মাদ্রাতু মইনুল ইসলাম এতিমখানা কমপ্লেক্স ও মাদ্রাসা নামক প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে। শিক্ষক আরমান হোসেন মাদ্রাসায় যোগদানের পর থেকে মাদ্রাসার একটি পক্ষে থাকার সুযোগে শিশু(১১) কে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একাধিকার বলৎকার করে। ফলে কিছুদিন ধরে শিশু মাদ্রাসা যেতে ভয় পায়। তারপরও জোর পূর্বক শিশুটিকে মাদ্রাসায় পাঠালে গত ৪ মার্চ রাত দেড়টার দিকে শিক্ষক আরমান হোসেন তাকে আবারো বলৎকার করে। বলৎকারের ফলে শিশুটি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে শিক্ষক তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সে সময় শিশুটি তার মাকে বিস্তারিত জানালে তার পিতা বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দীন মৃধা শিক্ষক আরমানকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিশুটির পিতার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালা সদরের আটারই গ্রামে নিজের মাকে ধর্ষণের অভিযোগে বিল্লাল হোসেন (২০) কে আটক করেছে তালা থানা পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাত ১ টার দিকে নিজ মাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বিল্লল। এ ঘটনায় শনিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আটক করা হয়।

আটক বিল্লাল হোসেন (২০) সাতক্ষীরা জেলার তালা সদরের আটারই গ্রামের মৃত. জসিম উদ্দীন মোড়লের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে বিল্লালের মা নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক একটার দিকে মায়ের ঘরে প্রবেশ করে বিল্লাল। এরপর মাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শনিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় মা বাদী হয়ে তালা থানাতে অভিযোগ দেয়।

এ বিষয়ে তালা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চৌধুরী রেজাউল করিম জানান, নিজ মায়ের দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিল্লাল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে তার অপকর্মের কথা স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে ধর্ষণ মামলা প্রক্রিয়াধীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ার খোরদো বাঁওড়ের জলমহাল নীতিমালা উপেক্ষা করে অবৈধ ভাবে মাছ ধরা বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

গত ৯মার্চ-২০২৩ তারিখে উপজেলার দরবাসা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের দেয়া জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দেয়া সূত্রে জানা যায়-বিগত ২৬ডিসেম্বর-২০২২ তারিখে জেলা প্রশাসকের
কার্যালয় থেকে একটি স্মারকে জলমহাল ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জলমহাল ইজারা বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য ১৩৪২৬ নং আবেদন করেন। কিন্তু বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতির কারনে উক্ত জলমহালটি দীর্ঘ চার বছর কোন উজারা বন্দবস্ত দেওয়া হয়নি। সে কারনে উক্ত জলমহালটিতে আবেদনকারী খোরদো মৎস্য বীজি সমবায় সমিতি লিঃ জলমহাল নীতিমালা উপেক্ষা করে পুরাতন
কিছু মাছ জোর পূর্বক ধরে নেওয়ার চেষ্টা করছে। যে কারনে অত্র এলাকার জনমনে
বিরাট খোব ও টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় বাঁওড়ে মাছ ধরাকে
কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রুপ নিতে পারে।

এদিকে উপজেলার দরবাসা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন-সমিতির
ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সহ এখাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে সরকার বিরোধী বিভিন্ন রকম নাশকতা মামলা রয়েছে। যা তদন্ত করিলে সত্যতা পাওয়া যাবে।
তিনি আরো বলেন-খোরদো বাঁওড় জলমহালটি ইজারা না পাওয়া পর্যন্ত কোন সমিতির
সদস্যরা মাছ ধরিতে না পারে তার জন্য জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

এদিকে শনিবার (১১মার্চ)২৩ তারিখে সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে-খোরদো মৎস্য বীজি সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি, সহ.সভাপতি ও সদস্যরা ওই জলমহাল থেকে জাল দিয়ে মাছ ধরে নিয়ে বিক্রিয় করে দিচ্ছেন। তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন-আমাদের কাছে কোন বৈধ কাগজ পত্র নেই।

জলমহাল ইজারা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেন। কোন প্রকার আদেশ আসলে তারা আর মাছ ধরবেন না বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে ১১০ পিচ ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার সকালে ভোমরা পোর্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের কে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সদরের ভোমরা নবাতকাটি গ্রামের মৃত সলেমান সরদারের পুত্র ফারুক হোসেন ও ভোমরা দাসপাড়া এলাকার মৃত ছব্বাত আলীর পুত্র মাছুম বিল্লাহ।

শনিবার বিকাল ৫টায় সদর থানা পুলিশের পাঠানো প্রেস বার্তায় জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার এএস আই সাইমুন ঢালী, আনিচুর রহমান ও এএসআই মাজহারুল ইসলামসহ সঙ্গীয় ফোর্স ভোমরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন ও মাছুম বিল্লাহ করে গ্রেফতার করে।

এ সময় তাদের দেহ তল্লাশি করে পৃথকভাবে ৭০ ও ৪০ পিচ মোট ১১০ পিচ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্বার পূর্বক জব্দ করা হয়। যার মূল্য অনুমান ৩৩ হাজার টাকা।

এঘটনায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। এছাড়া আদালতের মাধ্যমে আসামীদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা  প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালার খেশরা ইউনিয়নের কেএসডি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পাঁচটি পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, অফিস সহায়ক, ল্যাব সহকারী, পরীচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্কুলের অভিভাবকরা।
তাদের দাবি, নিয়োগে কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক স্বজনপ্রীতি ও অর্থের বিনিময়ে বিদ্যালয়ে পাঁচটি পদে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে।
ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. আকরাম হোসেন বলেন, পাঁচটি পদে দরখাস্তের আহবান করা হয়। এরপর থেকে এসব পদে অর্থ বাণিজ্য করার জন্য সভাপতির ভাইয়ের ছেলে বিশ্বজিৎ দাশসহ আরো ৪ জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রার্থী জানান, অনেক আশা নিয়ে চাকুরির জন্য বিদ্যালয়ে আবেদন করেছিলাম। আবেদন জমা দেওয়ার সময় প্রধান শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে বলে জানালেও এখন প্রতিটি পদের জন্য দশ লক্ষ করে টাকা নিয়ে তাদের চাকরি দিচ্ছে। আরেক প্রার্থী জানান, আমি গরীব মানুষ। একটা পদে দরখাস্ত করেছিলাম। কিন্তু এখানে যেভাবে নিয়োগ বাণিজ্য শুরু হয়েছে তাতে আমার যোগ্যতা থাকলেও আমার চাকরি পাওয়ার কোন সম্ভবনা নেই। এ বিষয়ে আমি উর্ধ্বতন কর্মকতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাধন কুমার দাশ জানান, আমরা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছি। কোন প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়নি। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিয়োগ সম্পন্ন হবে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতিয়ার রহমান জানান, এ ধরনের কোন অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস.ও সাজ্জাদুর রহমান ও অফিস পিয়ন খোরশেদ আলম এর বিরুদ্ধে টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এলাকাবাসী মহাপরিচালক পানি ভবন ও চেয়ারম্যান দুদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ওই অভিযোগপত্রে বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এস এম রবিউল ইসলাম সহ কয়েকজন ইউপি সদস্য এস.ও এবং পিওনের তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত সুপারিশ করেছেন।

গাবুরা ইউনিয়ন সাইফুল ইসলাম ও গোলাম কিবরিয়া, জি এম মাছুম বিল্লাহসহ এলাকাবাসী জানান, উপজেলার সুন্দরবন উপকূলীয় আটুলিয়া, বুড়িগোয়ালিনী ও দ্বীপ ইউনিয়নের গাবুরা আওতাধীন ৫ ও ১৫ নং পোল্ডারের দায়িত্বপ্রাপ্ত এস,ও সাজ্জাদুর রহমান ও অফিস পিয়ন খোরশেদ আলম টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মাণে চরম অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন।

শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া, বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের তিনটি ইউনিয়নে প্রতি বছরই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগকে আমরা ভীতু না হলেও দুর্বল বেড়ীবাঁধের কারনে আতংকে থাকতে হয়। টেকসই বেড়ীবাঁধ না থাকায় যখন তখন অতিরিক্ত জোয়ারের পানি ও নদী ভাঙ্গনে এলাকা প্লাবিত হয়।

এতে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয়। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মাণ করার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছেন। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মরত এস,ও সাজ্জাদুর রহমান ও পিয়ন খোরশেদ আলম তাদের ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করার উদ্দেশ্যে এবং পকেট ভারী করার জন্য বাহিরের ঠিকাদারদের সাথে যোগসাজসে তাদের কাজে অংশ গ্রহণ করার সুযোগ না দিয়ে পিয়ন খোরশেদ আলমের পরিচালনায় যেনতেন ভাবে বেড়ীবাঁধ সংস্কার করেন। ফলে প্রবল ও জোয়ারে নদী ভাঙ্গন দেখা দেয় এবং পুনরায় এলাকা প্লাবিত হয়। আমরা ২০০৯ সাল থেকে অদ্যবধি প্রাকৃতিক দূর্যোগের সাথে লড়াই করে অতিকষ্টে জীবন যাপন করিতেছি। শ্যামনগর উপজেলার এস,ও সাজ্জাদুর রহমান ও পিয়ন খোরশেদ আলমের নিকট শিডিউল ও ডিজাউন অনুযায়ী কাজ দেখতে চাইলে আমাদের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এস,ও সাজ্জাদুর রহমান ও পিয়ন খোরশেদ আলম দীর্ঘদিন একই এলাকায় কর্মরত থাকার কারনে কিছু অসাধু ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় এসব অপকর্ম করে আসছে। এস ও সাজ্জাদুর রহমান এবং খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের বলেন, খোরশেদ আলম একজন পিয়ন হলেও খোরশেদের হাতে জিম্মি এসও, এসডিও সাহেবরা। খোরশেদ আগেই জানেন সাতক্ষীরায় কোন ঠিকাদার কাজ পাচ্ছে। এসও, এসডিওরা ঠিকাদারকে বলেন, খোরশেদ আলমের মাধ্যম দিয়ে আসলে আপনি আমাদের সবাইকে পাবেন। খোরশেদ আলমের উপর বিরক্ত হয়ে তার কার্যক্রম স্থাগিত করার জন্য উপজেলা পরিষদে আমরা ইউনিয়ন পরিষদে জনগণের দাবি মুখে রেজুলেশন করেছি।
এবিষয়ে শ্যামনগর পাউবো’র এস,ও সাজ্জাদুর রহমান বলেন অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।
পাউবো’র অফিস পিয়ন খোরশেদ আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কিছু ষড়যন্ত্রকারীরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। আমি কোন অনিয়মের সাথে জড়িত নই। দুদকে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ভাই আপনার মোবাইল নাম্বারটি সংরক্ষন করে রাখছি। সাতক্ষীরা শহরে আসলে আপনার সাথে দেখা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest