ভারতে বিশ্বব্যাংকের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ জুনাইদ আহমেদ। চলতি মাস থেকেই তিনি এ পদের দায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁর পুরো নাম জুনাইদ কামাল আহমেদ।
বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে মঙ্গলবার আউটলুকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অর্থনীতিবিদ জুনাইদের অভিজ্ঞতা অনেক। ১৯৯১ সালে তিনি বিশ্বব্যাংকে যোগ দেন। আফ্রিকা ও পূর্ব ইউরোপে তিনি অবকাঠামো সংক্রান্ত উন্নয়নমূলক কাজ করেন।
জুনাইদ অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন ব্রাউন ইউনিভার্সিটি থেকে। হার্ভার্ডে অর্জন করেন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। পরে ‘অ্যাপলায়েড ইকনোমিকস’ নিয়ে পিএইচডি করেন স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে।
ভারতে নতুন পদে দায়িত্ব নেওয়ার আগে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমের চিফ অব স্টাফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। ভারতে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কাজ করছেন জুনাইদ।
জুনাইদ আহমেদ সম্পর্কে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যানেত্তি ডিক্সন জানান, পানি, নগরায়ন, সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ে জুনাইদের দৃঢ় অভিজ্ঞতা ভারতের উন্নয়ন যাত্রায় বিশ্বব্যাংকের কৌশল গ্রহণে সহায়তা করবে।
চলতি বছর জানুয়ারিতে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে যোগ দেন জুনাইদ। এর আগে বিশ্বব্যাংকের পানি সংক্রান্ত কর্মসূচি ‘ওয়ার্ল্ড গ্লোবাল প্র্যাকটিসে’র জ্যেষ্ঠ পরিচালক ছিলেন। এ সময় বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কাজের নেতৃত্ব দেন জুনাইদ।
এ ছাড়া এর আগের ১০ বছর মাঠে কাজ করেছেন জুনাইদ। জোহানেসবার্গে সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। ২০০৪ সালে ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্টের সদস্য ছিলেন। ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে কাজ করেন। এরপরই চলে যান আফ্রিকায়। ২০১২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা এলাকার টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচির পরিচালক ছিলেন।

আয়োজনে এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাহিত্য ভঞ্জন চৌধুরির পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সাতক্ষীরা জজকোর্টের এডিশনাল পিপি এড. মোজাহার হোসেন কান্টু, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রিয়াজ উদ্দীন, ডি এম সিরাজুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনোয়ারুল কবির লিটু, সাবেক যুবলীগ নেতা ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাস্টার শফিকুল ইসলাম, অমল কৃষ্ণ প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, সাঈদ মেহেদীকে বাদ দিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। তিনি ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি বিগত ২০১৩ সাল থেকে জামায়াত-শিবিরের সকল নাশকতা প্রতিরোধে সরাসরি নেতৃত্বে দিয়েছেন। তিনি এই উপজেলা আওয়ামীলীগের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। কিন্তু যে ঘটনায় তাকে আসামী করে মিথ্যা মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেদিন তিনি কালিগঞ্জে ছিলেন না। তার মত এক জনপ্রিয় নেতার নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া মানে তাকে হয়রানি করা ছাড়া আর কিছুই না। আজ সাঈদ মেহেদীর নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এ সমাবেশে হাজারো মানুষ উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও বিরোধী পক্ষে ভয়ভীতি ও পুলিশি বাধায় তা সম্ভব হয়নি। বক্তারা অবিলম্বে সাঈদ মেহেদীর নামে মিথ্যা প্রত্যাহার করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এর আগে পানিয়া স্কুল মাঠে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে সাঈদ মেহেদীর নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।





