সর্বশেষ সংবাদ-
দৈ‌নিক পত্রদূ‌ত সম্পাদক স. ম আলাউদ্দী‌নের ৩১তম হত্যা দিব‌স উপলক্ষে আলোচনাসভাশ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যুকালীগঞ্ঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী বিএনপি অফিসের সামনে থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের লাইসেন্স পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ : উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্নসাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ড

1
শেখ মমিন উদ্দীন : প্রায় দুই শতাব্দীর পুরানো প্রাচীন ঐতিহ্যের স্মারক স্থাপত্য শিল্পের কারুকার্য খচিত তেতুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী শাহী জামে মসজিদ। তালা উপজেলার খুলনা-পাইকগাছা সড়কের তেঁতুলিয়া বাজারে প্রধান সড়কের পাশে এ মসজিদটি অবস্থিত। এলাকায় এটি মিয়া মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদের উত্তর পাশে রয়েছে ২ একরের এক বিশাল দিঘি। ১৮’শ শতাব্দীর প্রথমদিকে মোঘল আমলে তেতুলিয়া গ্রামে তৎকালীন মুসলিম ধার্মিক জমিদার কাজী সালামতুল্লাহ খান বাহাদুর এটির নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদটির উত্তর পার্শ্বে রয়েছে বিশাল একটি দীঘি। মসজিদ থেকে সিড়ি গিয়ে মিশেছে দীঘির তলদেশে এবং মসজিদটির চারপাশ ঘিরে ৪ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট সীমানা প্রাচীর। মসজিদটিতে ছোটো বড় মিলিয়ে রয়েছে ১৮ টি মিনার। জমিদার কাজী সালামতউল্লাহর বংশধর দাবি করে লন্ডন প্রবাসী মন্টি সিদ্দিকীর লাগানো একটি প্লেটে উল্লেখ রয়েছে, মসজিদটি তেতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ নামে পরিচিত। যা ১৮৫৮-৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা খান বাহাদুর মৌলভী সালামতউল্লাহ। যা মোঘল মনুমেন্টস অব বাংলাদেশ নামক গ্রন্থে প্রকাশিত তথ্য দ্বারা প্রমাণিত। তিনি তেতুলিয়ার জমিদার ছিলেন। তেতুলিয়ার কুরসিনামা অনুযায়ী কাজী সালামতউল্লাহ ১৮০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ব্রিটিশ শসনামলের ডেপুটি কালেক্টর এবং ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন তিনি। ধারণা করা হয় রাস্তার অপর পাশের জমিদার বাড়িটিও একই সময়ে নির্মিত। এই মসজিটির সঙ্গে ১৮৪০-৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত কলকাতার শাহজানী বেগম মসজিদ এবং ১৮৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত কলকাতার ধর্মতলার টিপু সুলতান মসজিদের সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে শেষের দিকে কাজী সালামতউল্লাহর প্রো-পিতা সহ কাজী বাকাউল্লাহ খানকে যশোরের নায়েব কাজী এবং ফতেয়াবাদের (যা বর্তমানে ফরিদপুর নামে পরিচিত) কাজীর সনদ দেওয়া হয়েছিল। জনশ্র“তি রয়েছে, সালামতউল্লাহ শাহী জামে মসজিদ থেকে কোয়ার্টার মাইল উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এক গম্বুজ বিশিষ্ট পুরাতন শাহী জামে মসজিদটি (ভাঙ্গা মসজিদ) কাজী বাকাউল্লাহ খান বা তার অনুসারীরা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একই ধরণের এক গম্বুজ বিশিষ্ট আরো একটি মসজিদ রয়েছে তালা আলিয়া মাদ্রাসার সামনে। যেটা কাজী মসজিদ নামে পরিচিত। তেতুলিয়ার শাহী মসজিদটি দেখতে যাওয়ার সহজ পথ হলো সাতক্ষীরা -খুলনা মহাসড়কের নোয়াপাড়া বাজারে নেমে ভ্যানযোগে ৩কিঃমিঃ পূর্ব দিকে তেতুলিয়া বাজার অথবা সাতক্ষীরা -খুলনা মহাসড়কের আঠারমাইল বাজারে নেমে বাস অথবা ভ্যানে ৪কিঃমিঃ দক্ষিণে গেলে দেখতে পাওয়া যাবে ঐতিহাসিক তেতুলিয়া  শাহী জামে মসজিদ ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থানা, পৌর ও কলেজ শাখার উদ্যোগে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে পৌর ছাত্রদলের সভাপতি শেখ রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সভায় জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে আঃ মান্নান মিস্ত্রীকে সভাপতি, গোলাম মোস্তফাকে সম্পাদক করায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, পাইকগাছা থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আবহায়ক শেখ আবু তালেক, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ একরামুল হক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস হোসেন, থানা যুগ্ম আহবায়ক শেখ বেলাল হোসেন, আবু হাসান, ইস্রাফিল আহম্মেদ, এরশাদ আলী, রাজীব, ইয়াউর, রাহুল মন্ডল, সেলিম হোসেন, শাহিন, হারুন-অর-রশিদ লিপু, কামরুল, ফারুক, আক্তার, বাপ্পি, ফিরোজ, তানভীর, বাবু প্রমুখ।
পাইকগাছায় ছাত্রদলের জরুরি সভা
পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থানা, পৌর ও কলেজ শাখার উদ্যোগে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে পৌর ছাত্রদলের সভাপতি শেখ রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সভায় জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে আঃ মান্নান মিস্ত্রীকে সভাপতি, গোলাম মোস্তফাকে সম্পাদক করায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, পাইকগাছা থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আবহায়ক শেখ আবু তালেক, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ একরামুল হক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস হোসেন, থানা যুগ্ম আহবায়ক শেখ বেলাল হোসেন, আবু হাসান, ইস্রাফিল আহম্মেদ, এরশাদ আলী, রাজীব, ইয়াউর, রাহুল মন্ডল, সেলিম হোসেন, শাহিন, হারুন-অর-রশিদ লিপু, কামরুল, ফারুক, আক্তার, বাপ্পি, ফিরোজ, তানভীর, বাবু প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ৫ অক্টোবর হতে ৪ নভেম্বর মাস ব্যাপী জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান -২০১৬ সোমবার শ্যামনগরে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলা হলরুমে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবুল হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ভার প্রাপ্ত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরজাহান পারভীন ঝর্না। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসাইন সাগর। আরো বক্তব্য রাখেন সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আজিজ, এসএপিপিও মোঃ  নূর আলী, এসএএও মোঃ মাহফুজুর রহমান ও জামাল হোসেন, এফআই শেখ সিরাজুল ইসলাম, এফটি ফরিদা পারভীন প্রমুখ। বক্তগন ইঁদুর ফসল ছাড়াও কি ধরনের ক্ষতি করে থাকে এবং ইঁদুর নিধনের বিভিন্ন কৌষল সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। আইএফএমসি এবং এফএফএস এর সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন এসএএও মোঃ নূর আলী বিশ্বাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাটকেলঘাটা  প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটায় গতকাল ২জন ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, যুগিপুকুরিয়া গ্রামের মৃত আনার আলীর পুত্র মনিরুজ্জামান ও নজরুল ইসলাম থানার ৩২/৯৬ মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী থাকায় পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পানির অপর নাম জীবন। সেই পানিতে যদি থাকে পাট পঁচা দুর্গন্ধ, মরা কেঁচো, বিষাক্ত পোঁকা, অধিক আয়রনজনিত তাহলে সে পানিই হবে মরণ। পাটকেলঘাটার যমুনা সমাজ সেবা সংস্থার সাপ্লাই পানিতে এমন ধরনের গুরুতর অভিযোগ গ্রাহকদের। সরেজমিনে দেখাগেছে পাটকেলঘাটার পারকুমিরার গ্রামের সুবির মেম্বর, অমল ঘোষ, শিক্ষক রামপ্রসাদ, অধ্যাপক অলিক পাল, পাটকেলঘাটা গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ, প্রভাষক নাজমুল হক, নজিবুল হক প্রমুখ জানান, এই যমুনা সমাজ সেবা সংস্থার এ পানি পেতে আমরা পাঁচ হাজার টাকা জামানত এবং প্রতিমাসে দুইশত সত্তর টাকা পরিশোধ করছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় এতটাকা দিয়েও পানি খাওয়ার উপযোগী নয়। পানি খাওয়ার জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করে বাহির থেকে পানি আনতে হয়। বর্তমানে এ পানিতে কখনো বিভিন্ন ধরনের পোকা, কালো ময়লা অতিরিক্ত আয়রোন, পঁচা দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এ পানি দিয়ে গরু গোসল করানো ছাড়া কোন কাজে লাগে না। এ ব্যাপারে সংস্থার সভাপতি সাজেদুন্নেছার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমরা এ ধরনের রিপোর্ট পেয়েছি এমন কি আমি নিজেও এ পানি খেতে পারছি না, তবে আমাদের ফিল্টারটা নষ্ট হয়ে গেছে, ব্যাক ওয়ার্শ করলে ঠিক হয়ে যাবে। ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে আসছিলাম মেরামত করার জন্য কিন্তু তিনি বলেন, এটা ঠিক হতে তিন মাস সময় লাগবে। এ দূষিত নোংরা পানি গ্রাহকদের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি এ বিষয়ে পত্রিকায় ছাপানো  হতে পারে সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পত্রিকায় ছাপালে আমি খুশি হব। কারণ বিষয়টি উপরিমহল থেকে তখন আমি সাহায্য পাব। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে হয়তো বা একটা প্রকল্প পেতেও পারি। এ ব্যাপারে সংস্থার পরিচালকের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, উনার সাথে কথা বলে লাভ হবে না এখানে আমিই সব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো: শ্যামনগরের সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মৃত্যুবরন করছেন (ইন্না লিল্লাহে…রাজিউন)। গতকাল ১৭ অক্টোবার সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সভা চলাকালে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে স্ত্রী ১ পুত্র ও ২ কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। এমন সৎ ও যোগ্য সরকারি কর্মকর্তার অকাল মৃত্যুতে শ্যামনগর প্রেসক্লাবের কর্তব্যরত গভীর শোকহত। সাথে সাথে তার শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর কবীর এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুমন সহ সাংবাদিক বৃন্দ। আগামী শুক্রবার উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় সরকারি অডিটরিয়াম শহীদ এম,এ গফুর মিলনায়তন ভ্যান চার্জ, আবাসিক ও ক্লাবের দখলে। প্রশাসন নিরব। স্বাধীনতাকামী মানুষ মিলনায়তনের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আসতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা। জানা যায়, দেশ স্বাধীনের পর পাইকগাছায় সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তিদের সভা, সমাবেশ, সেমিনার করার জন্য সরকার ১৯৮৭ সালে অডিটরিয়াম নির্মাণ করে। যার নাম করা হয় ১৯৭০ সালের নির্বাচিত এমএনএ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ এম,এ গফুরের নামে। নির্মাণের পর থেকে উক্ত মিলনায়তনে পাইকগাছার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠণ সহ সর্বস্তরের জনগণ আবেদনের মাধ্যমে সরকারি ফি জমা দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। ইতিপূর্বে অডিটরিয়ামটি শহীদ এম,এ গফুরের পুত্র আনোয়ার ইকবাল মন্টু চলচ্চিত্র প্রদর্শন করে আসছিল। তবে সকল সংগঠণ তাদের চাহিদা মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে সেখানে সভা-সমাবেশ বা সেমিনারের কাজ করে আসছিল। কিন্তু অবাস্তব হলেও সত্য বর্তমানে অডিটোরিয়ামটি সিনিয়র-জুনিয়র ক্লাব নামে একটি সংগঠন দখল করে রেখেছে। অডিটোরিয়ামের প্রবেশ পথে দু’পাশের দুটি ভিআইপি রুমের একটিতে বসতবাড়ি এবং অন্যটিতে চলে কেরাম খেলা চলে। এছাড়া রাত-দিন চলে ব্যাটারি ভ্যানের চার্জ। এ যেন ভ্যান চার্জের দোকান। মিলনায়তনের পাশেই রয়েছে অফিসার্স ক্লাব। সেখানে অফিসাররা যাওয়া আসা করলেও দেখেও না দেখার ভান করে। অনেকের বলতে শোনা যায়, ভাষা সৈনিক এমএ গফুরের নামে তৈরি করা অডিটরিয়ামে হচ্ছে টা কি? তার নামে কলঙ্ক লেপন করা হচ্ছে। সিনিয়র-জুনিয়র ক্লাবের সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানান, আমরা অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়েছি। ভাড়ার টাকা দিতে হলে আমাদের আয় করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ-উল-মোস্তাক জানান, তাদের নিকট অফিসিয়াল ভাড়া দেয়া হয়নি। আমি আসার আগে তারা দখলে আছে শুনেছি। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1945213566_1476530628অনলাইন ডেস্ক: সত্যিই যেন নরকের দরজা! বিশাল বড় দরজার মুখে জ্বলছে গনগনে আগুন। কোনো বিরতি নেই। জ্বলছে তো জ্বলছে। আর ভয়ঙ্কর সেই আগুনের লেলিহান শিখাই যেন স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে নরকের কথা। সে কারণে এর নাম দেয়া হয়েছে ‘Door to hell’ তথা নরকের দরজা।
নরকের দরজা (ইংরেজিতেঃ Door to hell) তুর্কমেনিস্তানের ড্রাভা শহরের একটি প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র। কারাকুম মরুভূমিতে অবস্থিত অগ্নিমুখটির ব্যাস ৭০ মিটার ও গভীরতা ২০ মিটার।
আসলে সেখানে এক বিশাল গোলাকার গর্তের ভেতরে এই আগুন জ্বলছে। নরকের দরজা নামের গর্তটির অবস্থান তুর্কমেনিস্থানের কারাকুম মরুভূমির দারওয়েজা নামের এক গ্রামের কাছে।
এই আগুনের উত্তাপ এত বেশি যে হাজার চেষ্টা করেও কেউ এর কাছাকাছি পাঁচ মিনিটের বেশি থাকতে পারে না। রাতে ভয়ংকর সুন্দর লাগে এ নরকের দরজাকে। অন্ধকারে অনেক দূর থেকেও জায়গাটা দেখা যায়। তখন এর শিখার উজ্জ্বলতাও বোঝা যায় ভালোমতো।
বিশাল আকারের এ গর্তটা কিভাবে তৈরি হয়েছে তা নিয়ে রয়েছে নানা মত। কেউ বলেন, এটা একেবারেই প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে। আবার কারো মতে, এটা তৈরির পেছনে রয়েছে মানুষের হাত।
তবে ইতিহাস থেকে জানা যায়, এটি কোন প্রাকৃতিক গর্ত নয়। ১৯৭১ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রাকৃতিক গ্যাসসমৃদ্ধ দারউয়িজি এলাকায় অনুসন্ধানের সময় ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। প্রথমে তারা মনে করেছিল এটি একটি তেল ক্ষেত্র তাই ড্রিলিং মেশিন দিয়ে তেল উত্তলনের জন্য সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করে। কিন্তু পরে তারা সেখান থেকে বিষাক্ত গ্যাস বের হতে দেখে।
গ্যাস অনুসন্ধানের সময় অনুসন্ধানকারীরা গ্যাসবহুল গুহার মধ্যে মৃদু স্পর্শ করলে দুর্ঘটনাক্রমে মাটি ধসে পুরো ড্রিলিং রিগসহ পড়ে যায়। যদিও এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে বিষাক্ত মিথেন গ্যাসের ব্যাপারে গবেষকরা নিশ্চিত হন।
পরিবেশে বিষাক্ত গ্যাস প্রতিরোধ করার জন্য ভূতত্ত্ববিদরা তখন গ্যাস উদ্গিরণ মুখটি জ্বালিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের ধারণা ছিল এখানে সীমিত পরিমাণ গ্যাস থাকতে পারে। কিন্তু তাদের ধারণা ভুল প্রমান করে এটি ১৯৭১ সাল থেকে অনবরত জ্বলছে।
২০১০ সালের এপ্রিলে তুর্কমেনিস্তানের রাষ্ট্রপতি গ্যাসক্ষেত্রটি পরিদর্শন করে এটি বন্ধের কথা বলেন। তিনি বলেন তা না হলে ওই এলাকার অন্যন্য প্রকৃতিক গ্যাস উত্তলনের উপর এর প্রভাব পড়তে পারে।
বর্তমানে তুর্কমেনিস্তান তার প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তলন বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest