সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অসহায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ সম্মানি বিতরনআশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং : মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানাম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী: উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদDigital Fairness in the Age of Big TechSoftware de Trading para Inversores en Españaসাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারতালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যুতিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামীপাটকেলঘাটায় তাল গাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুহত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যু

সাতক্ষীরায় অনৈতিক কাজের অভিযোগে কলেজছাত্রীসহ দলিল লেখক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মুনসুর রহমানকে সরকারি কলেজের এক ছাত্রীসহ আটক করেছে সদর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

ভাড়াটিয়া কলেজছাত্রী শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী গ্রামের জয়নাল সরদারের মেয়ে। সে শহরে তার চাচা নূর ইসলামের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে বলে জানা যায়।

সেই ছাত্রী বলেন, আমি তার বাড়িতে বাসা ভাড়া থাকতাম। কিছু টাকা পাবে বলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তর্কবিতর্ক হচ্ছিল। তাছাড়া তার সাথে আমার কোনো প্রকার সম্পর্ক নেই।

সদর থানার ওসি মারুফ আহমেদ বলেন, অনৈতিক কাজের অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে তর্ক করছিল।

এদিকে, মুনসুর রহমান আঙুল ফুলে হয়েছেন কলাগাছ। অল্পদিনে বাড়িগাড়িসহ করেছেন ব্যাংক ব্যালেন্স। কীভাবে এত তাড়াতাড়ি হলো তার বাড়িগাড়ি-ব্যাংক ব্যালেন্স তা নিয়েও সন্দেহ করছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিযোগ সত্য হলে তুরিনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে আইন মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ মানবতাবিরোধী এক অপরাধীর সঙ্গে গোপনে আঁতাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা যদি সত্যি হয় তবে মন্ত্রণালয় অবশ্যই পদক্ষেপ নেবে।’

বুধবার (৯ মে) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুবে আলম আরও বলেন, ‘আমিতো আর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাই না, বা তাদের মামলাও পরিচালনা করি না। কাজেই এ বিষয়ে আমার পক্ষে বলা সম্ভব না।’

এদিকে এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু। এছাড়া, প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম বলেন, ‘গত ৭ মে চিফ প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে সংশ্লিষ্ট ওয়াহিদুল হকের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। তারপর গত ৮ মে তাকে প্রসিকিউশনের সব দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটরের দুটি চিঠি এবং ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তার (তুরিন আফরোজ) সঙ্গে আসামির কথোপকথনের (গত ১৮ ও ১৯ নভেম্বরের) সিডিসহ যাবতীয় নথি বুধবার সকালে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি।’

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং পাসপোর্ট অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হককে গত ২৪ এপ্রিল গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠান। ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান।

ট্রাইব্যুনালের সূত্রে থেকে জানা গেছে, গত ১১ নভেম্বর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে মানবতাবিরোধী অপরাধের আসামি ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে করা মামলা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ ওই আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ রয়েছে জানিয়ে তাকে পালিয়ে যেতে বলেন। এছাড়া, এ বিষয়ে ওয়াহিদুল হকের কাছে প্রসিকিউটর তুরিন মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। পরে বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার নজরে এলে প্রসিকিউটর তুরিনকে এ মামলা থেকে প্রাথমিকভাবে অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। পাশাপাশি এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত চলা অবস্থায় তার হাতে থাকা ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য মামলা থেকেও তুরিনকে অব্যাহতি দেন চিফ প্রসিকিউটর।  বুধবার (৯ মে) তুরিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সারাদেশে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২১ জনের

সারাদেশে বজ্রপাতে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। বুধবার সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

এর মধ্যে হবিগঞ্জে ছয়জন, সুনামগঞ্জে দুইজন, মানিকগঞ্জে দুইজন, কিশোরগঞ্জে দুইজন, রাজশাহীতে দুইজন, নীলফামারীতে দুইজন, সিরাজগঞ্জে একজন, গাইবান্ধায় একজন, ময়মনসিংহে একজন, নারায়ণগঞ্জে একজন ও জামালপুরে একজন মারা গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহরে চেয়ারম্যান বাবু সানার বিরুদ্ধে কর্মসৃজনের শ্রমিক দিয়ে ব্যক্তিগত পুকুর খননের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সানার বিরুদ্ধে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ করিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি (ইজিপিপি) শ্রমিকদের দিয়ে চেয়ারম্যান বাবু সানা তার ইচ্ছামত ব্যক্তিগত কাজ করিয়ে নিচ্ছেন। চেয়ারম্যানের বাড়িতে ৪০ দিনের কর্মসূচির এসব শ্রমিকদের ৪/৫ জন প্রতিনিয়ত কাজ করেন। ধান কাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যক্তিগত কাজ তাদের দিয়ে করানো হয় বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয় চেয়ারম্যানের পাশাপাশি তার ইউনিয়নের মেম্বাররাও তাদের বাড়ির ব্যক্তিগত কাজ এসব শ্রমিকদের দিয়ে করাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে ৪০ দিনের কর্মসূচির কর্মসৃজন প্রকল্পের শতাধিক শ্রমিকদের দিয়ে চেয়ারম্যান বাবু সানা তার শরিকদের একটি বড় পুকুরের পাড় বাঁধানোর কাজ করাচ্ছেন। সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার যোগসাজসে ৪০ দিনের কর্মসূচিতে এসব কাজে হরিলুট চলছে। এমনকি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা তাদের নিজেদের পকেটের লোকের নাম কর্মসূচির তালিকায় দিয়ে তারা টাকা সমস্ত টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে পুুরো ধুলিহর ইউনিয়নে ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। বুধবার সকালে সাতক্ষীরা থেকে গণমাধ্যম কর্মীরা সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে চেয়ারম্যানের বাড়ির পুকুরে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করার সত্যতা পান। অথচ চেয়ারম্যানের লোকজন এই কাজকে মসজিদের পুকুর পাড় নির্মাণের কাজ বলে প্রচার দিচ্ছেন।
২নং ওয়ার্ডের মেম্বর আনিছুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, মসজিদের পুকুর পাড় নির্মাণের কাজ চলছে কর্মসূচির লোক দিয়ে। এ সময় সাংবাদিকরা তার কাছে প্রশ্ন করেন মসজিদের নামে পুকুরটি আছে কিনা? এছাড়া এই কাজ কোন প্রকল্পের মাধ্যমে হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের তিনি কোন সদুত্তর তিনি দিতে ব্যর্থ হন।
এবিষয়ে ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান বাবু সানা বলেন, কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ করার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে এলাকাবাসীর সুবিধার্থে মসজিদের পুকুর পাড় সংস্কার করেছেন শ্রমিকরা। এছাড়া ঘটনাস্থলে গেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এঘটনায় সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের ব্যবহৃত ০১৭১৫ ২৮৭৬০০ নম্বারে বুধবার বিকেল ৫.৪৫ মিনিটে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রজ্ঞাপন না হলে কোটা সংস্কার নিয়ে রোববার থেকে ফের আন্দোলনের হুমকি

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে জারি করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। দাবি না মানা হলে আগামী রোববার থেকে কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওই সংগঠন।

আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব দাবি করেন সংগঠনের নেতারা। পরে তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিল করেন। মানববন্ধন ও মিছিলের ব্যানারে লেখা ছিল ‘আর নয় কালক্ষেপণ, দ্রুত চাই প্রজ্ঞাপন’।

দ্রুত কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনের দাবিতে দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো একযোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

কেন্দ্রীয়ভাবে এ কর্মসূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী এসে জড়ো হয়। তারপর সেখান থেকে মিছিলযোগে আন্দোলনকারীরা টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সমবেত হয়। রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে আন্দোলনকারীরা সারিবদ্ধভাবে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে তাদের মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা কোটা বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা বাতিলের যে ঘোষণা, তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করার দাবি জানান। প্রজ্ঞাপন জারি নিয়ে কোনো কোনো টালবাহানা হলে ছাত্রসমাজ তা মেনে নেবে না বলেও জানান তাঁরা।

মানববন্ধনে সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পর ২৭ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে। অথচ এখনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। এ নিয়ে সারা দেশের ছাত্রসমাজ ক্ষুব্ধ। ছাত্রসমাজ সব সময় আলোচনার পথ খোলা রেখেছিল। সরকারের পক্ষ থেকে ছাত্রসমাজের প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের যতবার ডাকা হয়েছিল, আমরা গিয়েছি।’

নুরুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন বন্ধ করে পড়ার টেবিলে ফিরে গেছে। তাদের আবার রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না। বৃহস্পতিবারের মধ্যে যদি প্রজ্ঞাপন জারি করা না হয়, তবে আগামী রোববার থেকে সারা দেশে ছাত্রসমাজের দাবানল রাজপথ উত্তপ্ত করবে। ছাত্রসমাজ যদি ক্ষেপে যায়, যেকোনো অশুভ শক্তিকে দাঁতভাঙা জবাব দেবে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা ৫৬ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিতে গত ফেব্রুয়ারি থেকে আন্দোলনে নামে সংগঠনটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিমের জুতা নিয়ে গবেষণায় ৭ বিশেষজ্ঞ!

কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। এই নেতার ব্যক্তি জীবন, পোশাক-পরিচ্ছদ, চলা-ফেরা, খাওয়া-দাওয়া নিয়ে প্রায়ই গণমাধ্যমে মুখরোচক খবর আসে। এবার আলোচনায় কিমের জুতা।

গত ২৭ এপ্রিল স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে নয়টায় দুই কোরিয়ার নেতা সীমান্তে উপস্থিত হন। দক্ষিণ কোরিয়ায় কিম জং উন পা রাখার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনের সঙ্গে হাত মেলান। দুই নেতা সাংবাদিকদের উদ্দেশে হাতও নাড়েন। কোরীয় উপদ্বীপ তো বটেই, গোটা বিশ্বের জন্যই এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তবে এ সময় ভিন্ন একটি কারণে কিমের দিকে নজর দিয়েছেন অনেকেই। সেটি হলো কিমের উচ্চতা। কিমের উচ্চতা বলা হয় পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি। তার বাবার উচ্চতা ছিল পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চি। তবে তিনি উঁচু জুতা পরে কিছুটা হলেও সেই ঘাটতি দূর করতেন।

সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ায় কিমের সফরের সময় আবার নতুন করে তার উচ্চতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের উচ্চতা পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি। কিন্তু উভয়ের সাক্ষাতের সময় কিমকে এক ইঞ্চি খাটো দেখা যায়। তবে বাস্তবে তিনি আরো খাটো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদপত্র ‘দ্য চৌসান ইলবো’ বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে ৭ জন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে। তারা কিমের জুতা পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছেন, তার জুতা ভেতরে ‘ইন সোল’ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রায় এক ইঞ্চি উচ্চতা বাড়ানো হয়েছে। ফলে বাস্তবে কিমের উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি বলেই অভিমত সেই বিশেষজ্ঞদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে আদেশ ১৫ মে

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১৫ মে দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বুধবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ আদেশের জন্য এদিন ধার্য করেন।

বুধবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি শুরু হয়। এদিন প্রথমে খালেদার পক্ষে অসমাপ্ত শুনানি শুরু করেন তার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী

রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

এর আগে, প্রথম দিন মঙ্গলবার সকালে দুদকের পক্ষে প্রথম শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। পরে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও শুনানি করেন। এরপর খালেদার পক্ষে এজে মোহাম্মদ আলী শুনানি শুরু করলেও অসমাপ্ত থেকে যায়। সেখান থেকেই সকালে শুনানি শুরু করেন তিনি।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ড হয় এবং তার পুত্র তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

রায়ের বিরুদ্ধে পরে আপিল করে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ওই আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট তাকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই জামিন স্থগিত চেয়ে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করে। শুনানি নিয়ে ১৪ মার্চ আপিল বিভাগ ওই জামিন স্থগিত করে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে এই সময়ের মধ্যে নিয়মিত লিভ টু আপিল করতে বলেন।

অন্যদিকে, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আবেদন করলে তা চেম্বার বিচারপতির আদালতে ওঠে। আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। পরে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২০১৮ সালে শ্যামনগরের ৯০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে- এমপি জগলুল হায়দার

শ্যামনগর প্রতিনিধি: গতকাল সকাল ১১টায় নকিপুর হরিচরণ সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা পরবর্তী মান উন্নয়ন উন্মুক্ত আলোচন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনায় প্রশ্ন উত্তর পর্বে সাতক্ষীরা-০৪ আসনের এমপি জগলুল হায়দার বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রীদের নানাবিধ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন। স্কুলের নবম শেণির ছাত্র তৌফিকের বিদ্যুৎ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে এমপি জগলুল হায়দার বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৮ সালের মধ্যে শ্যামনগর উপজেলার ৯০% মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। বাঁকি দশভাগ ২০১৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। বিদ্যুৎ না থাকা সংক্রান্ত এক পশ্নের জবাবে বলেন, প্রতিদিন রাত ও দিনে ২ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। বাঁকি ২২ ঘন্টা কোন অপৃতিকর ঘটনা না ঘটলে বিদ্যুৎ সচল রাখার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া এই বিদ্যালয়ের যে সমস্ত খুটি-নাটি অভিযোগ শিক্ষার্থদের মুখ দিয়ে জানতে পারলাম, তা আগামী এব বছরের মধ্যে নিরাশনের জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিচ্ছি। এসময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার, শিক্ষা বান্ধব সরকার। শিক্ষাকে পৃথিবীর মানচিত্রে আধুনিকায়ন করার জন্য সরকার প্রতিবছর শিক্ষা ক্ষাতে রেকর্ড পরিমার বরাদ্ধ দিচ্ছে। ১লা জানুয়ারিতে ৩৫ কোটি বিনামূল্যের বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছে। এক সাথে ২৭ হাজারবে- সরকারী প্রাইমারীর ১ লক্ষ ৪ হাজার শিক্ষককে সরকারি করণ করেছে যা বাংলাদেশ নয় পৃথিবীর নজীর বিহীন ঘটনা। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন। দেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকলে নতুন প্রজন্মকে সম্মান সূচক বিশ্ব দরবারে পৌছে দিবে। তাই আগামী নির্বাচনে দল মত ভুলে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে জন নেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধান মন্ত্রী বানানোর জন্য সকলের প্রতি আহবান করছি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তম্ময় কুমার সাহা অধ্যক্ষ শ্যামনগর মহাসীন ডিগ্রী কলেজ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহাসীন উল মুলক, অসীম মৃধা, সহ- সভাপতি শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ। আবুল কালাম মোঃ রফিকুজ্জামান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, সৈয়দ মান্নান আলী অফিসার ইনচার্জ, শ্যামনগর থানা। মাননীয় সংসদ সদস্যের পি,এস আশরাফ আলীসহ গণ মাধ্যম কর্মিরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest