সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

দুদক-এর নামে ভুয়া নোটিশ দিয়ে আর্থিক সুবিধা দাবি, সতর্কবাণী

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর লোগো ও সিল ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভুয়া নোটিশ দিয়ে আর্থিক সুবিধা দাবি করার অভিযোগ কয়েকটি চক্রের বিরুদ্ধে। এ ধরনের প্রতারক চক্র থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে দুদক।

বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ কর্মকর্তা) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, একাধিক সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্যরা দুদক কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিচয় দিয়ে মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ই-মেইল ব্যবহার করে; এমনকি কমিশনের লোগো সম্বলিত ভুয়া নোটিশ বা পত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি বা পেশার ব্যক্তিদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা দাবি করছে। এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুদকের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে জানিয়ে তা থেকে অব্যাহতির জন্য মিথ্যা আশ্বাস দিচ্ছে চক্রের সদস্যরা।

এ ব্যাপারে দুদুক উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, দুর্নীতি দমন কমিশনে কোনও একক ব্যক্তি বা কর্মকর্তার একক অভিপ্রায় অনুযায়ী কোনও অভিযোগ হতে কাউকে অব্যাহতি কিংবা কাউকে অভিযুক্ত করার আইনি সুযোগ নেই।

এছাড়া এ জাতীয় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সাক্ষী এবং আসামিদের সঙ্গে অনুসন্ধানকারী বা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সকল প্রকার যোগাযোগ লিখিত পত্রের মাধ্যমে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। অভিযোগ অনুসন্ধান বা তদন্তকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সাক্ষী এবং আসামিদের সঙ্গে দুদকের কর্মকর্তা কর্তৃক মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ই-মেইল বা ব্যক্তিগত যোগাযোগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ই-মেইল বা ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগপূর্বক দুদকের কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিচয় দিয়ে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা দাবি করলে, বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন) মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী (টেলিফোন নম্বর-৯৩৫২৫৫২, মোবাইল নম্বর ০১৭১১-৬৪৪৬৭৫)-এর নিকট অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হলো। কোনও প্রকার অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের দায়িত্ব দুর্নীতি দমন কমিশন গ্রহণ করবে না।

এ বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ নিজ কক্ষে আয়োজিত এক জরুরি সভায় জানান, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যে সকল সংস্থায় চিঠি দেওয়া হয়েছে তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। এ জাতীয় কর্মকাণ্ড দুর্নীতি দমন কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা মাত্র। তাই এদের আইনের আওতায় আনার জন্য আপনাদেরকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে হবে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে ভুয়া নোটিশ প্রদানকারী প্রতারক চক্রের একাধিক সদস্যকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যমুনা টেলিভিশনের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ভালোবাসার চার বছর পার করলো যমুনা টেলিভিশন। পা রাখলো পাঁচ বছরে। যে কোন ঘটনার নিরপেক্ষ ও নির্ভুল তথ্য দর্শকের কাছে পৌঁছে দেয়ার স্বপ্ন সামনে রেখে, চার বছর আগে ২০১৪ সালের ৫ এপ্রিল যাত্রা শুারু করে জনপ্রিয় সংবাদভিত্তিক চ্যানেল যমুনা টেলিভিশন। ‘সামনে থাকে ও সামনে রাখে’ এই শ্লোগানের সার্থকতা নিয়েই এগিয়ে চলছে সবার প্রিয় চ্যানেলটি ।দেশ-বিদেশের প্রতিটি সংবাদ সবার আগে জনগণের কাছে পৌঁছে দেবার অঙ্গীকার যমুনার।
চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল ) সকাল সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে কেক কাটা হয়।
যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার আহসানুর রহমান রাজীবের সঞ্চালানায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে যমুনা টিভি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যমুনা টিভির সংশ্লিষ্ঠ সকলকে শুভেচ্ছা জানান তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সহ-সভাপতি আব্দুল ওয়াজেদ কচি, সাধারন সম্পাদক আব্দুল বারি, সাবেক সাধারন সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, সাবেক সাধারন সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার সহকারি পরিচালক আনিছুজ্জামান , মানবকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি অসীম বরণ চক্রবর্তী, বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান আসাদ, খোলা কাগজের জেলা প্রতিনিধি ইব্রাহীম খলিল, আমার একুশের জেলা প্রতিনিধি আব্দুল আলিম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাজি আক্তার হোসেন, সেচ্ছাসেবক লীগ নেত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মুনমুন, ক্রিড়া প্রশিক্ষক আকবার হোসেন, বন্ধু চুলার পরিচালক মোস্তাক আহমেদ সিদ্দিকী ও বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিকের জেলা কর্মকর্তা মমো, সুপ্রভাত সাতক্ষীরার নাহিদ সরদার, বাহালুল, নুরুল, জগন্নাথ সরকার, আব্দুল কাদের, ফাহাদ হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাইকগাছায় ফ্রি চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পের উদ্বোধন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: সামাজিক অবক্ষয়রোধ ও উন্নত সমাজ গঠনে লাইব্রেরীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্লা বলেছেন, তথ্য ও প্রযুক্তি এগিয়ে যাওয়ার কারণে বই পড়া কমে গেছে। তথ্য ও প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের ফলে তরুণ প্রজন্ম যাতে বিপদগামী না হয় এ জন্য তাদেরকে লাইব্রেরী মুখো করতে হবে। তথ্য ও প্রযুক্তির সুফল ও কুফল দুটি দিক রয়েছে। কে কিভাবে নিচ্ছে তার উপর নির্ভর করে এর সঠিক ব্যবহার। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করার পাশাপাশি ছেলে মেয়েদের সু-নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে পরিবার থেকে তাদেরকে প্রকৃত শিক্ষা দিতে হবে। তারা কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে, কার সাথে চলছে সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে। শরীর ও মন ভাল রাখার জন্য খেলাধুলার মনোরম পরিবেশ তৈরী করার পাশাপাশি তাদেরকে বেশি বেশি বই পড়ায় অবস্থ্য করতে হবে। তিনি বলেন, অনির্বান লাইব্রেরী চিকিৎসা সেবাসহ নানামুখী সেবা মূলক কাজ করে সমাজে যে অবদান রাখছে তা প্রশংসার দাবীদার। ভবিষ্যতে লাইব্রেরীর এ ধরণের কর্মকান্ড যাতে অব্যাহত থাকে এ জন্য তিনি সমাজের সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল ও পাইকগাছার ঐতিহ্যবাহী অনির্বান লাইব্রেরী আয়োজিত ফ্রি চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন। মাহমুদকাটীস্থ অনির্বান লাইব্রেরী মিলনায়তনে লাইব্রেরীর সভাপতি সমীরণ দে এর সভাপতিত্বে ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধক অতিথি ছিলেন, প্রাক্তন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তা ডাঃ প্রভাত কুমার দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) মোঃ ইব্রাহিম, জেলা পুলিশ সুপারের সহধর্মীনি রানু আখন্দ, ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক নিখিল ভদ্র, অধ্যাপক অশোক ঘোষ, উপাধ্যক্ষ আফসার আলী, ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য শাকিলা রুমা। লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক প্রভাত দেবনাথের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ডাঃ রীতা ও ডাঃ সেলিনা, মীর মিজানুর রহমান, শেখ আব্দুল্লাহ, জসিম, মেহেদী, রাজিয়া সুলতানা, মীম, মিতা, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন ও মোঃ আব্দুল আজিজ। দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্পে আড়াই শতাধিক দুস্থ্য ও অসহায় রোগীকে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান ও ঔষধ বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ‘অজ্ঞাতনামা’, সর্বাধিক ‘আয়নাবাজি’

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। ৫ এপ্রিল তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এবারের চূড়ান্ত তালিকায় সর্বোচ্চ ৭টি বিভাগে পুরস্কার পাচ্ছে অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ‘আয়নাবাজি’। এরপর নাদের চৌধুরীর ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’ ৪টি, তৌকীর আহমেদের ‘অজ্ঞাতনামা’ ও গৌতম ঘোষের ‘শঙ্খচিল’ পেয়েছে ৩টি করে পুরস্কার।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ গণসংযোগ কর্মকর্তা মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
একনজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬ তালিকা:
আজীবন সম্মাননা: যৌথভাবে পাচ্ছেন চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি ববিতা ও ফারুক।
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র: অজ্ঞাতনামা, প্রযোজক ফরিদুর রেজা সাগর।
শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ঘ্রাণ, প্রযোজক এস এম কামরুল আহসান।
শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: জন্মসাথী, প্রযোজক একাত্তর মিডিয়া লি: ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
শ্রেষ্ঠ পরিচালক: অমিতাভ রেজা চৌধুরী, আয়নাবাজি।
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্র: চঞ্চল চৌধুরী, আয়নাবাজি।
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্র: যৌথভাবে তিশা, ছবি- অস্তিত্ব ও কুসুম শিকদার, ছবি- শঙ্খচিল।
শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রাভিনেতা: যৌথভাবে আলীরাজ, ছবি- পুড়ে যায় মন ও ফজলুর রহমান বাবু, ছবি- মেয়েটি এখন কোথায় যাবে।
শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রাভিনেত্রী: তানিয়া আহমেদ, কৃষ্ণপক্ষ।
শ্রেষ্ঠ খল-অভিনেতা: শহীদুজ্জামান সেলিম, অজ্ঞাতনামা।
শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী: আনুম রহমান খান সাঁঝবাতি, শঙ্খচিল।
শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: ইমন সাহা, মেয়েটি এখন কোথায় যাবে।
শ্রেষ্ঠ নৃত্যপরিচালক: হাবিব, নিয়তি।
শ্রেষ্ঠ গায়ক: ওয়াকিল আহমেদ, ছবি- দর্পণ বিসর্জন, গান- অমৃত মেঘের বারি।
শ্রেষ্ঠ গায়িকা: মেহের আফরোজ শাওন, ছবি- কৃষ্ণপক্ষ, গান- যদি মন কাঁদে।
শ্রেষ্ঠ গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ছবি- মেয়েটি এখন কোথায় যাবে, গান- বিধিরে ও বিধি।
শ্রেষ্ঠ সুরকার : ইমন সাহা, গান- বিধিরে ও বিধি।
শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার: তৌকীর আহমেদ, অজ্ঞাতনামা।
শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: রুবাইয়াত হোসেন, আন্ডার কনস্ট্রাকশন।
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: অনম বিশ্বাস ও গাউসুল আলম, আয়নাবাজি।
শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: ইকবাল আহসানুল কবির, আয়নাবাজি।
শ্রেষ্ঠ শিল্পনির্দেশক: উত্তম গুহ, শঙ্খচিল।
শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: রাশেদ জামান, আয়নাবাজি।
শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: রিপন নাথ, আয়নাবাজি।
শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা: যৌথভাবে সাত্তার, নিয়তি ও ফারজানা সান, আয়নাবাজি।
শ্রেষ্ঠ মেকাপম্যান: মানিক, আন্ডার কনস্ট্রাকশন।
২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেরাদের দেওয়া হচ্ছে এই পুরস্কার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিগগিরই বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেবেন বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রহ্মরাজপুর ইউপিতে বিভিন্ন কমিটির মাসিক সভা
৫ এপ্রিল বেলা ১১টায় ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটি, নারী ও শিশু নির্যাতিন প্রতিরোধ কমিটি ও আইন শৃংখলা কমিটির নিয়মিত মাসিক সভাগুলো ইউ.পি’র সম্মানিত চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম সভাপতিত্বে এবং সচিব মো. সেরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রহ্মরাজপুর ইউ.পি কতৃক আয়োজিত এবং অগ্রগতি সংস্থার সহযোগিতায় এ সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সাকিবুর রহমান, অগ্রগতি সংস্থার আলমগীর হোসেন ও ইউ.পি সদস্যবৃন্দ।
আলোচনায় স্কুল পর্যায়ে শিশু পাচার ও নির্যাতন রোধে প্রচারণা, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, চলাচলের রাস্তা নিরাপদ রাখা, নিরাপদ অভিবাসনের ক্ষেত্রে সিটিসি’র ডাটাবেজ করা, বিদেশ যাওয়ার পূর্বে টিটিসি’র থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া, নারী ও শিশুর নির্যাতন প্রতিরোধে স্থানীয়ভাবে মিমাংশা করা, যৌন হয়রানি বন্ধ সজাগ দৃষ্টি রাখা, বখাটেদের উৎপাত রোধ করে, বাল্যবিবাহ হয়ে গেলেও আইনের আওতায় আনাসহ ইউনিয়নের সামগ্রিক আইন শৃংখলা পর্যালোচনা করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ফাঁসির রায়ের পর আদালত থেকে আসামির পলায়ন !

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় নয় বছর আগে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর আদালত থেকে পালিয়ে গেছে আসামি স্বামী। সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক হোসনে আরা আক্তার বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।
সর্বোচ্চ সাজার আদেশ পাওয়া কামরুল সানার বাড়ি শ্যামনগর উপজেলার মিরগাং গ্রামে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহুরুল হায়দার জানান, কামরুল এ মামলায় জামিনে ছিলেন। সকালে তিনি আদালতে উপস্থিত হন। কিন্তু রায় ঘোষণার পরপরই তিনি পালিয়ে যান।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই যৌতুকের দাবিতে কামরুল তার স্ত্রী সালমা বেগমকে পিটিয়ে আহত করেন। এক পর্যায়ে সালমার মৃত্যু হলে কামরুল তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় সালমার ভাই রাশিদুল ইসলাম বাদী হয়ে কামরুলের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ কামরুলসহ চারজনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
মামলার বিচার শেষে বিচারক কামরুলের ফাঁসির রায় দিলেও হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত না হওয়ায় কামরুলের ছোট ভাই মাহমুদ ঢালী, বোন মোলিদা খাতুন ও বোনের জামাই নজির গাজীকে খালাস দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চোরা শিকারের দায়ে সালমান খানের ৫ বছর জেল
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্ত্রী হত্যায় স্বামীর ফাঁসির আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হোসনে আরা আক্তার এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম কামরুল ঢালী। তিনি জেলার শ্যামনগর উপজেলার চুনকুড়ি গ্রামের মৃত সাত্তার ঢালীর ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আসামিরা পরস্পর যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার দেয় তারা। লাশ ময়না তদন্তশেষে শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
এ মামলায় স্বামী কামরুল দোষী সাব্যস্থ হওয়ায় তাকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ মামলায় খালাস পেয়েছেন কামরুল ঢালীর ছোট ভাই মাহমুদ ঢালী, বোন মোলিদা খাতুন ও বোন জামাই নজির গাজী।
সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (বিশেষ পিপি) অ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু জানান, স্ত্রী হত্যার দায়ে বিজ্ঞ আদালত স্বামী কামরুলকে ফাঁসির আদেশ প্রদান করেছেন। বাকি তিনজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এ মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত কামরুল পালাতক রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest