সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ৩ শতাধিক দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বিএনপির বিনামূল্যে সবজি বিতরণবল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধনশাখরা কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠনসাতক্ষীরাবাসীকে ধর্মান্ধ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ : ডিসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশকালীগঞ্জে তাঁতীদলের বিক্ষোভ মিছিলহাওয়ালখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ম্যানেজিং কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের নিয়ে পিআইবির তিনদিনব্যাপি প্রশিক্ষণ শুরুনিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ কর্মীদের প্রতিহত করতে সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের মোটর সাইকেল শোডাউনসাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জেলা কমিটি গঠনএবার সাতক্ষীরায় ২লক্ষ ৫৩ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

খালেদা জিয়ার জন্য অপেক্ষা করবে বিএনপি

নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়া হচ্ছে না, মন্তব্য করে বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, তারা খালেদা জিয়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকবেন এবং তাকে নিয়েই নির্বাচনে যাবেন।

মঙ্গলবার দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আগামী নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই বেগম জিয়াকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। তার জনপ্রিয়তার কারণে মিথ্যা মামলায় আজ তিনি জেলে। আজকের মতো শুনানি মুলতবি ঘোষণা করেছে আদালত। আগামীকাল বুধবার আবার শুনানি শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, বেগম জিয়ার সামাজিক অবস্থান এবং বয়সের কথা বিবেচনা করে মাননীয় আদালত তাকে জামিন দিবেন বলে আমরা আশাবাদী।

শুনানি চলাকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল বুক পেপারের বিষয়ে যে কথা বলেছেন, তা অপ্রাসঙ্গিক। বুক পেপারের সঙ্গে মামলার কোনো সম্পর্ক নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দি আছেন। তিনি দলের সঙ্গে থাকতে পারছেন না। জনগণের পাশে যেতে পারছেন না, রাজনীতি করতে পারছেন না, চিকিৎসা পাচ্ছেন না। জামিন পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। সুপ্রিমকোর্টের দায়িত্ব সেটি। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট সেটা করছে না। এই অবস্থায় আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। তাকে নিয়েই আমরা নির্বাচনে যাবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমি শামিকে ডিভোর্স দেব না

হাসিন জাহানকে প্রতিদিন নতুন নতুন হুমকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। শামির বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে তার সাক্ষীদের সঙ্গে দেখা করতে তিনি রয়েছেন উত্তরপ্রদেশে। এদিন হাসিনের দাবি, শামির আত্মীয়দের থেকেও পরোক্ষ হুমকি আসছে। শামির মামা মুবির এদিন হাসিনকে জানান, শামি বলেছে উত্তরপ্রদেশে না থেকে কলকাতায় ফিরে যাও। তা না হলে আমরোহায় হাসিনের শ্বশুরবাড়িতে যেমন তালা পড়ে গেছে, বেশি বাড়াবাড়ি করলে কলকাতার বাড়িতেও তালা পড়ে যাবে।

হাসিন আরও বলেন পুলিশ-প্রশাসন এবং হাসিবের (শামির দাদা) গুন্ডারা আমাকে প্রতি মুহূর্তে চাপের মধ্যে রেখে দিয়েছে।

কলকাতা পুলিশের তরফে দেয়া নিরপত্তারক্ষী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় একাই হাসিন উত্তরপ্রদেশ পৌঁছেন। পরিবর্ত হিসেবে যিনি হাসিনের সঙ্গে যোগ দিতে উত্তরপ্রদেশ যাচ্ছিলেন, রাস্তায় গাড়ি খারাপ হয়ে যাওয়ায় তিনি এলাহাবাদেই আটকে রয়েছেন। ফলে হাসিনের গাড়ির চালক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী এখনও উত্তরপ্রদেশ পৌঁছতে পারেননি।

উত্তরপ্রদেশে থাকাকালীন প্রতিটি মুহূর্তেই তাকে অসহযোগিতার শিকার হতে হচ্ছে বলে এদিনও দাবি করেন হাসিন। আমরোহা জেলা-শাসকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েও তাকে চূড়ান্ত অসহযোগিতার মুখে পড়তে হয়েছে বলে জানান।

জেলাশাসক তার সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকার করেন বলে জানিয়েছেন হাসিন। এদিকে এখনও শামির বাড়িতে তালা। এ পরিস্থিতিতে কেন বারবার উত্তরপ্রদেশের শামির বাড়িতে যেতে চাইছেন এমন প্রশ্নে হাসিনের জবাব, এখনও ওটা আমার শ্বশুরবাড়ি। আমি শামিকে ডিভোর্স দেব না। আমার কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওই বাড়িতে রয়েছে। যেগুলো আমার মামলার জন্য ভীষণ জরুরি।

‘সেই কাগজগুলো নেওয়ার জন্যই শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এখানে এমনভাবে তালা দেয়া এবং বাইরে পুলিশ প্রহরা, ফলে আমার একার পক্ষে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’

কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) প্রবীণকুমার ত্রিপাঠীর নির্দেশে দ্বিতীয় দফার গোয়েন্দাদের একটি দল রোববারই পৌঁছেছে শামির গ্রামে। তাদের সঙ্গে কী কথা হয়েছে তা নিয়ে খোলাসা না করলেও হাসিন বলেন, এ বিষয়ে আমি বেশি কিছু বলতে পারব না। তবে ওদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কথা হয়েছে।

হাসিন জানান, আমি আরও কয়েকটা দিন এখানে থাকতে চাই। এখানে এখনও অনেক মানুষ আমাকে ভালোবাসেন। দেখছি গ্রামের বহু মানুষ শামির পরিবারের প্রতি বিক্ষুব্ধ। ওরা আমার পাশে আছে। কিন্তু এমনভাবে তাদের আমার থেকে দূরে রাখা হয়েছে, যেটা অবাক করা মতো।

হাসিনের জেদ, আমি এর শেষ দেখে ছাড়ব। জানি, এখানে যতদিন থাকব ততদিন প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে। প্রাণ সংশয় রয়েছে। আমি এ মুহূর্তে নিরাপত্তাহীন।

তবে চূড়ান্ত অসহযোগিতার মধ্যেও হাসিন কৃতজ্ঞ শামির এক তুতো ভাইয়ের কাছে। সে কথা স্বীকার করে বলেন, আমি কৃতজ্ঞ শামির এক খুড়তুতো দাদার কাছে। ভয়ের কারণে কেউ আমাকে এখানে আশ্রয় দেয়নি। উনি আমাকে পাশের গ্রামে নিয়ে এসেছেন। নিশ্চয়তা দিয়েছেন, আমার এবং বেবোর কিছু হবে না। এখান থেকেই আমি লড়াই চালিয়ে যেতে চাই। নিশ্চয়ই কলকাতা ফিরব। তবে সেটা কবে জানি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিডনি ভালো রাখতে যা করা উচিত!

আপনার শরীরে কি ভিটামিন ডি-র ঘাটতি আছে। সাম্প্রতিক সমীক্ষায় প্রকাশিত হয়েছে যে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে কিডনির অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ক্রমশ বাড়তে থাকে৷ যাদের ঘুমের সমস্যা আছে বা রোজ ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর সময় থাকে না, তারাও সাবধান হোন৷ ঘুমের অভাব কিডনির স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে৷

কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য যা যা করা উচিত-

* গ্রিন টি পান করলে নাকি কিডনির স্বাস্থ্য ভালো থাকে, সিট্রাস ফল বা নানা ধরনের লেবু খাদ্য তালিকায় থাকলে কিডনিতে স্টোন হয় না৷ আরো বলা হয় যে গর্ভাবস্থা থেকেই মায়ের নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়া উচিত, ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন৷ তাহলেই শিশুর কিডনির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে৷

* প্রচুর পানি পান করুন। তিন লিটারের কমে চলবে না, ৬০ কেজি ওজনের প্রাপ্তবয়স্করা সাড়ে ৪ লিটার পর্যন্ত পানি পান করতে পারেন। ওজন বেশি হলে বা খুব ঘামলে পানি পান করার পরিমাণ আরো একটু বাড়ান। পানি আপনার শরীরকে ভিতর থেকে সুস্থ রাখবে। যাদের হার্টের অসুখ বা অন্য কোনো সমস্যার কারণে পানি পানের উপর বিধি নিষেধ আছে, তারা ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

* কিডনি আপনার শরীরের ওয়াশরুম হিসেবে কাজ করে। সেটা পরিষ্কার রাখার চেষ্টাটা আপনাকেই করতে হবে। যাদের ইউরিক অ্যাসিড, হাইপারটেনশন বা ডায়াবেটিসের সমস্যা আছে, তারা প্রয়োজনীয় বিধি নিষেধ মেনে চলুন, রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকলে কিডনিও সুস্থ থাকবে। এই দু’টি রোগই কিন্তু কিডনির উপর নেগেটিভ প্রভাব ফেলে৷

* ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটা বন্ধ করতে হবে। এর সুদূরপ্রসারী ফল ভোগ করতে বাধ্য হয় আপনার শরীর৷ কিডনি সারা শরীরের ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। আপনি যত ওষুধ খাবেন, তার রেসিডিউ এসে জমা হবে কিডনিতে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া পেন কিলার বা অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা হাইস্কুল সরকারি হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ র‌্যালি

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটা উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপজেলার বহু পুরাতন স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ দেবহাটা বিবিএমপি ইনষ্টিটিউশান মডেল হাইস্কুল সরকারীকরন হয়েছে। সরকারী হওয়ার আনন্দে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় স্কুল মিলনায়তন থেকে একটি আনন্দ র‌্যালী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। সোমবার এই ঘোষনা হওয়ায় এলাকাবাসী, শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের বন্যা দেখা দিয়েছে। আর এজন্য সকলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। সূত্র মতে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা দিয়েছিলেন যেসব জেলা ও উপজেলায় সরকারী স্কুল ও কলেজ নেই, সেইসব জেলা ও উপজেলার একটি করে বেসরকারী স্কুল কলেজকে সরকারীকরন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ৩৭.০০.০০০০.০৭১.১৮.০০২.১৭-৫৪৮ নং স্মারকে গত ০৭-০৫-২০১৮ তারিখে দেবহাটা উপজেলা সদরের দেবহাটা বিবিএমপি ইনষ্টিটিউশান মডেল হাইস্কুলকে সরকারীকরন করে গেজেট ঘোষনা করে। এই গেজেটে দেবহাটা হাইস্কুলের পাশাপাশি দেশের আরো ১১টি হাইস্কুল সহ মোট ১২ টি হাইস্কুলকে সরকারী তালিকাভুক্ত করে গেজেট ঘোষনা করে। সকল কার্য সম্পন্ন করে সোমবার মন্ত্রনালয় থেকে এই ঘোষনা দিয়ে গেজেট প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, দেবহাটার স্বনামধন্য জমিদার দেবহাটার ১৮ জন জমিদারদের প্রধান ১৮৬৮ সালে প্রতিষ্টিত দেবহাটার টাউনশ্রীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান ফনীভূষন মন্ডল ১৯১৯ সালে সম্পূন্ন নিজের টাকায় উপজেলা সদরের এই স্কুলটি প্রতিষ্টা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় এসএসসির ফলাফলে ফাতেমা রহমান বিদ্যালয় সেরা

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটা উপজেলার মধ্যে এবছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে নাংলা ফাতেমা রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয় শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে। গত কয়েক দিন আগে সারাদেশে প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এই রেজাল্ট প্রকাশিত হয়। এবছর নাংলা ফাতেমা রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৬৩ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছিল। তার মধ্যে ৬০ জন পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। তার মধ্যে এ+ পেয়েছে ৩ জন, এ প্রেড পেয়েছে ১৮ জন, এ- পেয়েছে ২৪ জন, বি প্রেড পেয়েছে ১২ জন এবং সি গ্রেড পেয়েছে ৩ জন পরীক্ষার্থী। বিদ্যালয়ের পাশের হার ৯৩.২৩%। এ+ প্রাপ্তরা হলো সোহানা আক্তার (বানিজ্য বিভাগ), সানজিদা সুলতানা (বিজ্ঞান বিভাগ) ও খায়রুল ইসলাম (বিজ্ঞান বিভাগ)। বিদ্যালয়ের এই সাফল্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক এনামুল হক বাবলু জানান, বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও কঠোর মনিটরিং, অভিভাবকদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ, সর্বপরি সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে এই অভূতপূর্ব ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। উল্লেখ্য, এবছর জেএসসি পরীক্ষার ফলাফলেও এই প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার মধ্যে সেরা নির্বাচিত হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ জন আটক

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল সহ ১ জন আটক হয়েছে। আটককৃতের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। আটককৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেনের নির্দেশনা মোতাবেক এসআই ইয়ামিন ও এসআই উজ্জ্বল কুমার দত্তের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ফোর্স উপজেলার কুলিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দক্ষিন কুলিয়া গ্রামের নুর ইসলাম সাহাজী ছেলে নাসির হোসেন (২৭) কে ভারতীয় ৫০ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক করেন। এসময় তার সাথে থাকা অপর ১ জন আসামী পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে এসআই উজ্জ্বল কুমার দত্ত বাদী হয়ে আটককৃত নাসির ও তার অপর ১ জন সহযোগীকে আসামী করে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং- ০২, তাং- ০৮-০৫-১৮ ইং। আটককৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পি,এন হাইস্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পি,এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিার পুরস্কার বিতরণ ও বার্ষিক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পি,এন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শেখ শাফী আহমেদ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল আলীম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর শেখ হারুন উর রশিদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর বিদ্যালয় পরিদর্শক গাজী মনিবুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার, পৌর কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা, কাউন্সিলর অনিমা রাণী মন্ডল, পি,এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ভদ্রকান্ত সরকার, পি,এন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য শেখ সালাউদ্দিন, সাবেক সদস্য মো. আব্দুল আলীম, শেখ আশরাফুল ইসলাম, রেহেনাজ পারভীন, সাবেক শিক্ষক আহম্মদ আলীসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পি,এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক প্রসেনজিত বন্দোপাধ্যয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনী সংবাদ প্রচার নীতিমালার আগে ইসিকে তুলোধোনো করলেন সাংবাদিকরা

গণমাধ্যমে নির্বাচনী সংবাদ ও ফলাফল সংগ্রহ এবং প্রচার বিষয়ক নীতিমালা প্রণয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে নির্বাচন কমিশন-ইসিকে।

নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত নির্দেশনাগুলোর সমালোচনা ও সংশোধন দাবি করেন বেশিরভাগ সাংবাদিক। বিশেষ করে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি, ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বরত কোনো কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্টের সাক্ষাৎকার প্রচার না করার নির্দেশনার সরাসরি বিরোধীতা করেন সাংবাদিকরা।

এমন বিরোধীতার মুখে তাৎক্ষণিকভাবে ‘পোলিং এজেন্টদের সাক্ষাৎকার নেয়া যাবে না’ এমন অলিখিত নির্দেশনা তুলে নেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

মতবিনিময়ে সাংবাদিকদের জন্য পেশাগত প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে এমন নীতিমালা না করার আহ্বান জানিয়ে ভোটকেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য আচরণবিধি, নীতিমালা করার জোর দাবি জানানো হয়।

নির্বাচনী সংবাদ প্রচারের অভিজ্ঞতা থেকে এই দাবি উত্থাপন করে সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, নির্বাচন কেন্দ্রগুলোতে পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তাদের নানা ভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়।

মঙ্গলবার রাজধানীতে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ভোটের মাঠে কাজ করা সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্যে এসব বিষয় উঠে আসে।

এই মতবিনিময় সভার কার্যপত্র অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের মতে ভোট কেন্দ্রে শৃঙ্খলা, ফলাফল নিয়ে বিভ্রান্তি যেনো না হয় সেজন্য একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রয়োজন। কোনো আনুষ্ঠানিক নীতিমালা করা হয়নি জানিয়ে ভবিষ্যতে নীতিমালার ইঙ্গিত দিয়ে ১০টি নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।

তবে মতবিনিময়ে বেশিরভাগ সাংবাদিক জানান, এসব নির্দেশনা সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে গণমাধ্যমের সামনে বড় প্রতিবন্ধকতা হবে এবং ইতোমধ্যে হতেও শুরু করেছে।

সাংবাদিকদের জন্য প্রস্তাবিত ১০টি নির্দেশনার মধ্যে ৮ম নির্দেশনাটি হচ্ছে: ভোট কেন্দ্রের ভিতরে নির্বাচনে দায়িত্বপালনরত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী, পোলিং এজেন্টের সাক্ষাৎকার নিতে পারবেন না।

বেসরকারি টেলিভিশন ‘বাংলা ভিশন’ এর বার্তা প্রধান মোস্তফা ফিরোজ এমন নির্দেশনার সমালোচনা করেন।

এ নির্দেশনা নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন: এরকম কোন নির্দেশনা আগে তো কখনো ছিল না। নির্বাচন ভালো না মন্দ হচ্ছে এটা মিডিয়া কর্মীরা নিজে মুখে বলতে পারে না, সেটা বলার জন্য যারা দায়িত্বপালন করছেন তাদের বক্তব্য প্রচার করতে হয়। তাদের সাক্ষাৎকার প্রচার না হলে দেশের মানুষ বুঝতে পারবে না নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে কিনা। এরকম হলে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সংবাদে নির্বাচনের খবর প্রচার করার কোনো অর্থ থাকবে না।

আরও কয়েকজন সাংবাদিক প্রস্তাবিত ৮ নং নির্দেশনা নিয়ে সমালোচনা করায় তাৎক্ষণিকভাবে এই ধরনের নির্দেশনা দেয়ার চিন্তা থেকে সরে আসার কথা জানান নির্বাচন কমিশন সচিব।

অতীত নির্বাচন নিয়ে নিজের কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে এটিএন বাংলার প্রধান নির্বাহী সম্পাদক জ ই মামুন বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রে সহিংসতা হলে এখন সাংবাদিকরা দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের প্রশ্ন করতে পারবে না, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বলে দিতে পারবেন না আমার কথা বলা যাবে না, আমি কিছু দেখিনি। নির্বাচনে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে প্রিজাইডিং অফিসাররাইতো গণমাধ্যমে সেসব তুলে ধরবেন। তার যদি সেই অধিকার না থাকে তাহলে তো তার দরকারই নেই।

তবে নির্বাচনের সময় এবং ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রের শৃঙ্খলার স্বার্থে বর্তমান সময়ে কিছু বিধি আরোপের বাস্তবতাও এড়াননি জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা।

তাদের মতে, যদি সাংবাদিকরা সাংবাদিকতার পেশাগত নীতি মেনে চলতো তাহলে নির্বাচন কমিশনকে আলাদা করে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের কোনো নির্দেশনা, নীতিমালার করার কথা ভাবতে হতো না।

নির্বাচনী সংবাদ প্রচারে আর কোনো ক্ষেত্রে লিখিত নীতিমালা না হলেও ফলাফল প্রচারে নীতিমালা আরোপের আহ্বান জানান চ্যানেল আইয়ের প্রধান বার্তা সম্পাদক ও চ্যানেল আই অনলাইনের সম্পাদক জাহিদ নেওয়াজ খান।

সাংবাদিকের পেশাগত নীতির বরখেলাপ হচ্ছে এমন ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, আমরা এতো নীতিনিষ্ঠ যে, সব কিছুতেই আমাদের জন্য একটি নীতিমালা লাগে। আমার মতে সাংবাদিকরা যদি সাংবাদিকতার নীতি মেনে চলেন, তাহলে ইসিকে আলাদা কোনো নীতি প্রণয়ন করতে হয় না। সেক্ষেত্রে নিশ্চয়ই আমাদের সাংবাদিকদের মধ্যেও নীতিগত ত্রুটি আছে।

প্রস্তাবিত নির্দেশনার ‘ঘ’ বা ৪ নম্বরের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে জাহিদ নেওয়াজ খান বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী বা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষপাতিত্ব থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে। এই নির্দেশনা গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের প্রতি নাকি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাংবাদিকের প্রতি? কারণ সাংবাদিকরা পেশাজীবী হিসেবে বিভিন্ন প্রার্থীকে সমর্থন জানাচ্ছেন। গাজীপুরে একদল এবং খুলনায় একদল সাংবাদিক নেতা সরাসরি প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়ে গণসংযোগে নেমেছেন।

মতবিনিময় সভায় কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও মাঠ পর্যায়ের সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি ছিল পত্রিকার তুলনায় বেশি। এতে নির্বাচন কমিশন সচিব ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিব মিজানুর রহমান, যুগ্ম-সচিব (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest