সাতক্ষীরায় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ’র উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরায় সপ্তাহ ব্যাপি কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ-২০১৮ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে কৃমি সপ্তাহের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিভিল সার্জন ডা: তৌহিদুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, সদর উপজেলা প: প: কর্মকর্তা ডাঃ আবুল হোসেন,সিভিল সার্জন অফিসের এমও সিএস ডা: জয়ন্ত কুমার সরকার, জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক জগদিশ চন্দ্র হালদার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সন্দিপ কুমার রায়, স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মোঃ রইছ উদ্দিন। জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিনুর খাতুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ক্ষুদে ডাক্তারদের সহযোগিতায় ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সের সকল শিক্ষার্থীদের একটি করে কৃমি নাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। উল্লেখ্য ১ থেকে ৭ এপ্রিল কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ২০১৮ উপলক্ষ্যে জেলায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ২৬৮৩টি স্কুলের ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৪৬জন শিক্ষার্থী ও স্কুল বর্হিভূত শিশু কিশোরদের কৃমি নাশক ট্যাবলেট খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ৪ঠা এপ্রিল দৈনিক সাতনদী ও দৈনিক যশোর পত্রিকায় “জামায়াতের অর্থে পরিচালিত হচ্ছে মুরগীর ফার্ম ও ইলেট্রনিক্স শো-রুম” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। গত ১রা এপ্রিল ২০১৮ আনন্দ টিভির তালা উপজেলা প্রতিনিধি ও ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের কণ্ঠের পাটকেলঘাটা হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার পর একটি মহল আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার বিরুদ্ধে ভুল তথ্য দিয়ে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাথে সাথে সাংবাদিকতা পেশায় সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

মোঃ হাসানুর রহমান।
আনন্দ টিভির তালা উপজেলা প্রতিনিধি
দৈনিক আমাদের কণ্ঠের পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি
রিজিওনাল ম্যানেজার
মিনিষ্টার মাইওয়ান কোম্পানি, খুলনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের পরিচয়পত্র ও টাই বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের পরিচয়পত্র ও টাই বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুর দেড়টায় জেলা আইনজীবী সমিতির হল রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. এম. শাহ আলম। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও পিপি এড. ওসমান গনির সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির নব-নির্বাচিত সভাপতি এড. আবুল হোসেন (২), সাধারণ সম্পাদক এড. আ.ক.ম রেজাওয়ান উল্লাহ সুবজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন কার্যকারী কমিটির সহ-সভাপতি এড. একিউএম কুদরত-ই- মজিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. জাহাঙ্গীর কবির, কোষাধ্যক্ষ মোস্তফা জামান, সহ-সম্পাদক ক্রীড়া সালাউদ্দীন, সহ-সম্পাদক লাইব্রেরী মোঃ রফিকুল ইসলাম, সদস্য শফিকুল ইসলাম (৩), মোঃ সাহেদুজ্জামান সাহেদ, সাইদুজ্জামান জিকো প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, আইন পেশা একটি সম্মানজনক পেশা। আইনজীবীদের আচার-ব্যবহার হবে অন্যদের থেকে আলাদা। সে ভাবেই সিনিয়র আইনজীবীদের সম্মান প্রদর্শন পূর্বক সঠিক ভাবে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেভাবে দূর হবে পায়ের দুর্গন্ধ

পায়ে কি খুব দুর্গন্ধ হয় আপনার? ঘরে বাইরে সে জন্য নানা অস্বস্তিতেও পড়েন। মুখে কেউ কিছু না বললেও সহকর্মী বা বন্ধুরা হয়তো এর জন্য আড়ালে আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করেন। গ্রীষ্ম হোক বা শীত সারা বছরই কি এ সমস্যায় জর্জারিত আপনি? আর চিন্তা নেই। জেনে নিন পায়ের দুর্গন্ধ মুক্ত করার কয়েকটি সহজ টিপস।

চা পাতার কেরামতি:
১) ফুটনো চা-পাতা দিয়ে প্রতিদিন ২০ মিনিট করে পা ভিজিয়ে রাখুন৷ এতে পা কম ঘামবে।

২) ফুটানো চা-পাতার অ্যাসিড জীবাণুনাশক।

জরুরি মোজা:
১) জুতার সঙ্গে মোজাও পরুন। পাতলা সুতির মোজা পায়ের ঘাম শুষে নেয়। ফলে পায়ে জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে না।

২) প্রতিদিন একই মোজা ব্যবহার করবেন না।

অ্যান্টিফ্যাঙ্গাল ফুট পাউডার:
১) অ্যান্টিফ্যাঙ্গাল ফুট স্প্রে ব্যবহার করুন।

২) অ্যান্টিফ্যাঙ্গাল পাউডারও ব্যবহার করতে পারেন।

পাল্টে পরুন জুতা:
১) প্রতিদিন জুতা পাল্টে নিন। একই জুতাতে পায়ে ঘাম বেশি হয়।

২) পায়ের পাতায় অক্সিজেন লাগালে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমে যায়। ফলে দুর্গন্ধও হবে না।

পায়ে লাগুক হাওয়া:
১) ঢাকা জুতা না পরে খোলা জুতা পরুন।

২) যদি একান্তই ঢাকা জুতা পরতে হয় তা হলে কাজের ফাঁকে মাঝে মাঝে জুতা খুলে নিয়ে পাযে হাওয়া লাগান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তরমুজ বীজের নানা গুণ

গরম পড়তে শুরু করেদিয়েছে। আর এই গরমে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। এটা অবশ্য সবারই জানা। তরমুজ খাওয়ার সময় বীজ ফেলে দেয়, এমন অনেকেই আছে।

কিন্তু আপনি জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মরণ ব্যাধি থেকে আপনাকে রক্ষা করতে পারে এই তরমুজ বীজ।

এ বিষয়ে গবেষকদের দাবি, তরমুজ বীজে এমন এক রাসায়নিক থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

এছাড়া তরমুজের বীজে থাকা লাইসিন নামক উৎসেচক ডায়াবেটিস বা মধুমেহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই যতটা সম্ভব তরমুজের বীজ না ফেলেই খাওয়া উচিত, যাতে করে ডায়াবেটিস মতো রোগ গুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্তম কার্যকর ভূমিকা রাখে।

তাছাড়া তরমুজের বীজে ক্যালোরির মাত্রা অত্যন্ত কম। তরমুজ বীজে রয়েছে- ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ফোলেট, যা গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষ উপকারী।

তবে এ সবই থাকে তরমুজের বীজের খোলের নীচে থাকা অভ্যন্তরীণ অংশে।

ফলে তরমুজের বীজ চিবিয়ে খেলেই এটার সম্পূর্ণ উপকার পাওয়া যেতে পারে। কেননা, প্রাণীর পরিপাকতন্ত্র সাধারণত বীজের ওপরের কঠিন খোল হজম করতে পারে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটি; ১১ জনকে অব্যাহতি, ৩ জনের বিরুদ্ধে নতুন মামলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় গ্রেপ্তার ১১ বিমান কর্মকর্তার মধ্যে তিন জনের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে নতুন করে মামলার আদেশ দিয়েছে আদালত। ওই ঘটনায় করা রাষ্ট্রদ্রোহ ও নাশকতার মামলা থেকে ১১ আসামির সবাইকে অব্যাহতি দিয়ে বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এই আদেশ দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌসুঁলি তাপস পাল জানিয়েছেন।

নতুন মামলায় আসামি হবেন- বিমানের প্রকৌশলী নাজমুল হক, টেকনিশিয়ান সিদ্দিকুর রহমান, জুনিয়ার টেকনিশিয়ান শাহ আলম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস গণমাধ্যমকে বলেন, রাষ্ট্রদ্রোহ ও নাশকতার মামলা থেকে ১১ আসামির সবার অব্যাহতির আবেদন গ্রহণ করে এই তিনজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৮৭ ধারায় মামলা করতে তদন্ত কর্মকর্তাকে অনুমতি দিয়েছে আদালত।

২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিমানবন্দর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখায় ১১ আসামির অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিসিটি) ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক মাহবুবুল আলম।

পাশাপাশি চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সিদ্দিকুর, নাজমুল ও শাহ আলমের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ২৮৭ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলার অনুমতি চান তদন্ত কর্মকর্তা।

দন্ডবিধির ২৮৭ ধারায় যন্ত্রপাতি নিয়ে অবহেলামূলক আচরণের সাজার কথা বলা হয়েছে। অআমলযোগ্য এ অপরাধে আসামি দোষী সাব্যস্ত হলে ছয়মাস পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা একহাজার টাকা পর্যন্ত যে কোনো পরিমাণ অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় রাষ্ট্রদ্রোহ ও নাশকতার মামলার সব আসামি জামিনে রয়েছেন। এদের মধ্যে নাজমুল হাই কোর্ট থেকে এবং বাকি ১০ জন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।

ওই ঘটনায় বিমানের এই কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়, চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল সবাইকে ওই ঘটনায় বিমানের এই কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়, চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল সবাইকে এই মামলায় বুধবার অব্যাহতি পাওয়া বাকি ৮ জন হলেন- বিমানের প্রধান প্রকৌশলী (প্রডাকশন) দেবেশ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) এসএ সিদ্দিক, প্রধান প্রকৌশলী (মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড সিস্টেম কন্ট্রোল) বিল্লাল হোসেন, প্রকৌশল কর্মকর্তা এসএম রোকনুজ্জামান, সামিউল হক, লুৎফর রহমান, মিলন চন্দ্র বিশ্বাস ও জাকির হোসাইন।

২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৭৭ বিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাতে জরুরি অবতরণ করে। ত্রুটি মেরামত করে সেখানে চার ঘণ্টা অনির্ধারিত যাত্রাবিরতির পর ওই উড়োজাহাজেই প্রধানমন্ত্রী বুদাপেস্টে পৌঁছান।

ওই বছরের ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ বিমানের ছয় কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ১৪ ডিসেম্বর বরখাস্ত হন বিমানের তিন প্রকৌশলীও।

ওই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর তাদের তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়, যাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাদের গাফিলতিতে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল বলে বলা হয়।

এরপর ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিমানের প্রধান প্রকৌশলীসহ নয়জনকে আসামি করে ওই মামলা করেন বিমানের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়েল ম্যানেজমেন্ট) উইং কমান্ডার (অব.) এমএম আসাদুজ্জামান।

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ (গ) ধারায় করা ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, বিভাগীয় তদন্তে এই কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ‘পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে যন্ত্রপাতি নিয়া অবহেলামূলক আচরণ করতঃ অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।’

তবে গত বছর ৭ ডিসেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে জমা দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রমের অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে সবার অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছিল।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে নিয়োজিত উড়োজাহাজটির অয়েল প্রেসার সেন্সর পরিবর্তনের কাজটি করেন সিদ্দিকুর রহমান এবং সহযোগিতা করেন মেকানিক শাহ আলম। ওই সময় প্রকৌশলী নাজমুল হক পরীক্ষার জন্য তিনবার ভেতরে প্রবেশ করেন। তবে তিনি তদন্ত কমিটির কাছে একবার ভেতরে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন। ফলে নাজমুল হকের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। তবে তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণ এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় তদন্ত কমিটিগুলোর প্রতিবেদনের আলোকে মামলার ঘটনায় নাশকতা, আত্মঘাতী ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি।

উড়োজাহাজে শত শত মানুষ ভ্রমণ করে বলে এর রক্ষাণাবেক্ষণের কাজে নিয়োজিতদের বেশি মনোযোগী ও সতর্ক থাকা উচিত ছিল উল্লেখ করে প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটলে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ত।

‘মামলার সার্বিক তদন্তে এজাহারনামীয় আসামিদের বিরুদ্ধে নাশকতা, আত্মঘাতী ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তাই মামলার দায় থেকে তাদের অব্যাহতি প্রার্থনা করছি,’ বলা হয় চূড়ান্ত প্রতিবেদনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৮ শীর্ষ বিএনপি নেতার তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোতে দুদকের চিঠি

বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের আট নেতাসহ ১০ জনের ১২৫ কোটি টাকার ‘সন্দেহজনক’ লেনদেনের অভিযোগ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছে তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার এই চিঠি পাঠানো হয়েছে জানিয়ে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সামসুল আলম সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা তাদের বিভিন্ন সময়ের লেনদেনের স্টেইটমেন্ট চেয়েছি।’

দুদকের এই তদন্ত নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের বছর ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানির লক্ষ্যে’ দুদককে দিয়ে এই কাজ করাচ্ছে সরকার।

তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সেই অভিযোগ নাকচ করে বলেছেন, দুদকের কাজে সরকারের কোনো ‘হস্তক্ষেপ নেই’।

সোমবার দুদকের উপ-পরিচালক ঋত্বিক সাহা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বিএনপি নেতাদের ‘সন্দেহজনক’ লেনদেন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ‘৩০ দিনে তাদের একাউন্ট থেকে মানিলন্ডারিং ও সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ‌্যমে ১২৫ কোটি টাকা লেনদেনসহ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ।’

এই নেতারা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, এম মোরশেদ খান, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও নির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল।

একই অভিযোগ আসায় মোরশেদ খানের ছেলে ব্যবসায়ী ফয়সাল মোরশেদ খান এবং ঢাকা ব‌্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের বিষয়েও অনুসন্ধান করবে দুদক।

পাশাপাশি তাদের সবার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগও অনুসন্ধান করবে দুদক।

অনুসন্ধানের জন‌্য দুদক উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বে দুই সদস‌্যের অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। দলের অন্য সদস‌্য হলেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহ উদ্দিন।

দুদকের এক কর্মকর্তা বলেন, বিএনপির ওই নেতারা এইচএসবিসি ব‌্যাংক, স্ট‌্যান্ডার্ড চাটার্ড ব‌্যাংক, ডাচ বাংলা ব‌্যাংক, ন‌্যাশনাল ব‌্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব‌্যাংক, আরব বাংলাদেশ ব‌্যাংক ও ঢাকা ব‌্যাংকসহ বিভিন্ন বেসরকারি ব‌্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বিদেশে টাকা পাচারসহ বিভিন্ন নাশকতায় অর্থ লেনদেন করে যাচ্ছেন বলে একটি অভিযোগ দুদকে আসে।

বাংলা ইনসাইডার নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর দুদকের তদন্তে নামা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতারা।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বাংলা ইনসাইডারের মতো আওয়ামী লীগ ২৫টি পোর্টাল করেছে মিথ্যা নিউজ প্রচারের জন্য। ইতোমধ্যে প্রতিনিয়ত এই মিথ্যা অপপ্রচার আপনারা দেখতে পারছেন। আগামীতে এরকম মিথ্যাচার আরও দেখবেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউটিউবের সদর দপ্তরে হামলাকারী নারীর পরিচয় প্রকাশ

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ইউটিউবের সদর দপ্তরে হামলা চালানো নারীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছ, তার নাম নাসিম আগদাম।

পুলিশ জানিয়েছ, ইউটিউবের একজন কনটেন্ট মেকার ছিলেন নাসিম আগদাম।ইউটিউবের বিরুদ্ধে নাসিমের ক্ষোভ ছিল।

পুলিশ জানায়, নাসিমের অভিযোগ-ইউটিউব তার প্রতি বিরূপ আচরণ করছে। তার পোস্ট করা ভিডিওর কন্টেন্ট সীমাবদ্ধ করে পেজের ভিউ কমিয়ে দিচ্ছে। ভিডিওর জন্য তাকে অর্থ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে ইউটিউব। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই ইউটিউবের সদর দপ্তরে হামলা চালান তিনি।

প্রসঙ্গত, ৯ মিলিমিটারের একটি হ্যান্ডগান নিয়ে ইউটিউবের সদর দপ্তরে হামলা চালান নাসিম। তিনজনকে গুলি করার পর নিজের অস্ত্র দিয়েই আত্মঘাতী হন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest