সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির বৃক্ষরোপনযুব দিবসে দেবহাটায় ৫ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টমাদক প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় মাদক বিরোধী মটরসাইকেল র‍্যালিগণমাধ্যমে বক্তব্য চাইলেই ক্ষেপে যান সাতক্ষীরার ডিসি : প্রেসক্লাবের জরুরী সভায় নিন্দা ও প্রতিবাদআদেশে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর থাকলেও অস্বীকার : প্রশ্নবিদ্ধ হত্যা মামলার আসামির দায়ের করা মামলাদেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশশ্যামনগরে ভুল করে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে কিশোরীর মৃত্যুসাতক্ষীরা কারাগার ভেঙে পালানো দুই আসামি গ্রেপ্তারকাজী রওশন আলমের বিরুদ্ধে জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে লিখিত অভিযোগআশাশুনিতে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে অগ্রগতি সাধনে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা

সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমানের ৪৮ তম জন্মদিন উপলক্ষে কেককাটা অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের বাসভবনে কেক কাটা হয়। পরে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য: মিজানুর রহমান ১৯৯২ সালে ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যোগদান করেন। এরপর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি সদর উপজেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বজ্রপাত মোকাবেলা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষকে রক্ষার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পাটুলিয়া গ্রাম সহ মাঠের বিভিন্ন সড়কের পাশে ৫০০০ টি তালের চারা রোপন করা হয়েছে।

পরিবেশবান্ধব এ তালের চারাগুলো একদিকে যেমন বজ্রপাতে মৃত্যুহার কমাতে ভূমিকা রাখবে ঠিক তেমনিভাবে সড়কের পাশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে। গত ১মাস ধরে এ তালের চারা রোপন করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পাটুলিয়া গ্রামের মৃত রমজান গাজীর ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কৃষক সিদ্দিক গাজী।

তিনি তালের চারা রোপনের বিষয়ে বলেন-তার এলাকায় ধান সহ বিভিন্ন ফসলের জমি অনেক বেশি। এখন তো প্রায় সময় বৃষ্টি হচ্ছে। বজ্রপাতও বেশি। তিনি এলাকাবাসীর কথা চিন্তা করে বজ্রপাত মোকাবেলায় তার নিজ গ্রাম পাটুলিয়াসহ ঝিকরগাছার বাবু ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারে তালের চারা রোপন করেছেন।

তিনি আরো বলেন-এই গাছ বড় হলে ফলসহ গাছ কখনো তার নিজের বলে দাবী করবেন না। পাটুলিয়া গ্রামের নুর ইসলাম ও নুরুজ্জামান বলেন-তারা ৩শত টাকায় জোন হিসাবে এই তালের চারা রোপনের কাজ করছেন। তারা আরো বলেন-সিদ্দিক ভাই এক জন বড় মনের মানুষ। শুধুমাত্র এলাকাবাসীকে বজ্রপাত থেকে রক্ষা করতে নিজের ব্যক্তিগত টাকা খরচ করে তালের চারা রোপন করেছেন।

এই তালের চারা রোপন করে তিনি এলাকায় মহত্বের পরিচয় দিয়েছেন। উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান সাইদ আলী গাজী বলেন-আমার ইউনিয়নে যে একজন গাছ প্রেমিক মানুষ আছে জানতাম না। তিনি এলাকায় বজ্রপাত রক্ষায় তালের চারা রোপন করে চেয়ারম্যানি দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি তাকে ব্যক্তিগত ভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

দেয়াড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমান মফে বলেন-সিদ্দিক গাজী একজন ভাল মানুষ তাকে সাধুবাদ জানাই এলাকায় বজ্রপাত নিয়ন্ত্রনে তালের চারা রোপন করায়। উপজেলা কৃষি অফিসার সুভ্রাংশু শেখর দাস বলেন, তাল গাছ যুগ যুগ ধরে বজ্রপাত রোধে অবদান রেখে আসছে। যে অঞ্চলে তাল গাছ বেশি সে অঞ্চলে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যাও ততকম। কৃষক সিদ্দিক সাহেব এলাকায় তালের চারা রোপন করে মহত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তাকে উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষকে সাধুবাদ জানাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা শহরের উত্তর কাটিয়া জামিউল উলুম মাদ্রাসার জমি নিয়ে বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাদ জুম্মা উপস্থিত মুসুল্লীদের উপস্থিতিতে মাপ জরিম সম্পন্ন করে পিলার পুতে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।

মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য কাঠিয়া মৌজার ১৯০৩ দাগের ১৮.৭৫ শতক জমি মাওলানা জামাল উদ্দিন সাহেবের ছোট পুত্র বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী মোঃ সিরাজুল হক চৌধুরী ১৯৯৯ সালে মাদ্রাসার নামে দান করেন। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির সাথে বিরোধ চলে আসছিল। অবশেষে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় বিষয়টির সমাধান হয়েছে। পিলার পুতে সীমানা নির্র্ধারণ শেষে সাইবোর্ড লাগানো হয়।

পরে দোয়া মোনাজাত করেন উত্তর পশ্চিম কাটিয়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাও: সিরাজুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মসজিদের সভাপতি মুনজুর আহমেদ খান তাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক রাশিদ হাসান চৌধুরি বাবুসহ মসজিদের মুসুল্লীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অভিযোগে চার ব্যবসায়ি ও ১২ জন নারী শ্রমিককে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় জব্দ করা হয়েছে ৭শ কেজি অপদ্রব্য পুশকৃত চিংড়ি। শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বাঁশতলা বাজারের নিকটবর্তী গোয়ালঘেষিয়া নদীর ব্রীজের পাশে মাছের সেটে এ অভিযান চালানো হয়।
বিকেলে ভ্রাম্যমান আদালতে চার ব্যবসায়ির প্রত্যেককে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদÐ ও ১২জন নারী শ্রমিককে মুচলেকার মাধ্যমে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগুনে পুড়িয়ে গাড়ির চাকার তলায় পিষ্ট করার পর ওই বাগদা চিংড়ি মাটির তলায় পুঁতে ফেলা হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত চার ব্যবসায়িরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার মুহষকুড় গ্রামের ইসলাম বিশ্বাসের ছেলে সাইফুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আবুল কালাম ঢালীর ছেলে আলমগীর ঢালী, একই উপজেলার নীলকণ্ঠপুর গ্রামের হামিদ গাজীর ছেলে সাকিল হোসেন ও একই গ্রামের আসাদুল গাজীর ছেলে ফরিদ হোসেন।

কালিগঞ্জ উপজেলার জ্যেষ্ট মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হুদা জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে খুলনা র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা অফিসের সহকারি পুলিশ সুপার নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা উপজেলার বাঁশতলা বাজারের নিকটবর্তী গোয়ালঘেসিয়া নদীর ব্রীজের পাশে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় বেড়িবাঁধের পাশে রবিউল ইসলামের বাৎসরিক ১০ হাজার টাকায় ফরিদ হোসেন ও রেজায়ানের একটি ভাড়া নেওয়া ঘর, তার পার্শ্ববর্তী একটি ও মাছের সেটের মধ্যে আরো একটি ঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় চার ব্যবসায়ি ও ১২জন নারী শ্রমিককে আটক করা হয়। র‌্যাব এর উপস্থিতি টের পেয়ে মাছ ব্যবসায়ি বন্দকাটি গ্রামের রেজায়ানসহ দুইজন পালিয়ে যায়। তিনটি ঘর থেকে জব্দ করা হয় ৭শ কেজি পুশকৃত বাগদা চিংড়ি, পুশ করার কাজে ব্যবহৃত কয়েকটি সিরিঞ্জ, পানি মিশ্রিত ময়দা।

বিকেল তিনটার দিকে তিনি ও কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা ঘটনাস্থলে আসেন। বিকেল চারটার দিকে আটককৃত চার ব্যবসায়ির প্রত্যেককে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদÐ ও মুচলেকা দিয়ে ১২জন নারী শ্রমিককে মুক্তি দেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা। এ সময় পুশকৃত ৭শ কেজি বাগদা চিংড়িতে কেরোসিন ও প্রেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালানোর পর গাড়ির চাকায় পিষ্ট করে মাটির তলায় পুঁতে ফেলা হয়।
তিনি আরো জানান, সাজাপ্রাপ্ত চার ব্যবসায়িকে শুক্রবার বিকেলে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, জীবন-জীবিকা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও আনন্দ-বেদনার সংগ্রামী গল্প তুলে ধরে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ভাটির টানে, বাদার গানে’ শীর্ষক দিনব্যাপী অনুষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘বারসিক’ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন, বাঘ বিধবা সোনাভানু ও ঘূর্ণিঝড় আইলার সময়ে উপক‚লে জন্মগ্রহণকারী শিশু বন্যা।

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে উপক‚লীয় মানুষের জীবন-জীবিকার সাথে মিশে থাকা নানা পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এতে শোভা পায় সুন্দরবনের গোলফল, গোলপাতা, মধু, মোম, বাঁশি, জাল, খারা, স্থানীয় ১৫০ প্রজাতির ধানবীজ, মাটির তৈরি তৈজসপত্র, বাঁশ ও বেতের তৈরি গৃহস্থালির সামগ্রী, পরিবেশ বান্ধব বন্ধু চুলা, কুড়িয়ে পাওয়া পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবজি তেলাকুচা, শাপলা, সজিনা, হেলেঞ্চা, মালঞ্চ, কচুফুল, ডুমুর, তিতবেগুন, ব্রাহ্মী, কলার মোচাসহ উপক‚লের বৈচিত্র্যময় পণ্যসামগ্রী।

অনুষ্ঠানে নৃত্যের তালে, গানের সুরে ও নাটকের অভিনয়ে ফুটে ওঠে উপক‚লীয় মানুষের জীবন সংগ্রামের বাস্তব প্রতিচ্ছবি। শিশু কিশোর যুব বৃদ্ধসহ সকল শ্রেণীর মানুষ উচ্ছ¡াসে মেতে ওঠে হৃদয়হরা এ অনুষ্ঠানে। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে জলবায়ু পরিবর্তন ও সুন্দরবন সুরক্ষায় যুবদের ভূমিকা শীর্ষক বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। কৃষি জমি সুরক্ষার দাবি নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় নাগরিক সংলাপ। মঞ্চস্থ হয় পথনাটক, পরিবেশিত হয় উপক‚লীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতির নানা অনুসঙ্গ। অনুষ্ঠানে উপক‚লীয় অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখ হাসি কান্না মান-অভিমানের গল্প তুলে ধরেন বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।

অনুষ্ঠানে শ্যামনগর উপজেলা জনসংগঠন সমন্বয় কমিটির সভাপতি, চ্যানেল আই কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষক শেখ সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দ্লু হামিদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, সনাক সাতক্ষীরার সভাপতি হেনরী সরদার, মানবাধিকার কর্মী মাধব দত্ত, নাগরিক নেতা আলী নূর খান বাবুল, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হুমায়ুন কবির, বারসিক-এর আঞ্চলিক সসমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, জেলা সমন্বয়কারী মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও কৃষি জমি রক্ষায় প্রস্তাবিত আইন ও নীতিমালা দ্রæত বাস্তবায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দেশের সকল ধরনের কৃষিজমি রক্ষা ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন, নির্দিষ্ট শিল্পাঞ্চলের বাইরে কৃষি জমিতে যত্রতত্র অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধে আইন প্রণয়ন ও তার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত, কৃষি জমিতে ইট ভাটা নির্মাণ বন্ধ ঘোষণা, সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য কৃষি জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে যাচাই বাছাই, কৃষিজমি রক্ষায় অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট, দালানকোটা, বাসভবন নির্মাণ বন্ধ করাসহ নানা দাবি জানানো হয়। সবশেষে উপক‚ল ঘোষণার মধ্যদিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান। এতে উপক‚লের মানুষের জানমালের সুরক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, জলবায়ুর সুবিচার, পরিবেশ ও সুন্দরবন সুরক্ষার দাবি জানানো হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ দেশব্যাপি কর্মসুচির অংশ হিসেবে সংখ্যালঘু সুরÿা আইন প্রণয়নসহ তিন দফা দাবিতে বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদের সাতÿীরা জেলা শাখা মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকাল ১০টায় সাতÿীরা প্রেসক্লাবের সামনে উক্ত কর্মসুচি পালিত হয়।

বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদের সাতÿীরা জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চন্দ্র ঘোষ এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, সংগঠণটির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, সহসভাপতি স্বপন কুমার শীল, বাসুদেব সিংহ, রঘুজিৎ গুহ, বিকাশ চন্দ্র দাস, অধ্যÿ শিবপদ গাইন, বিশ্বরুপ সানা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে এদেশে বসবাসকারি হিন্দু, মুসিলম, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান সকলে অংশ নিয়েছিলো। ৩০ লাখ শহীদের মধ্যে হিন্দুরাও ছিল।

অথচ স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও হিন্দুরা অবহেলিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত ও নিষ্পেশিত। ২০০৮ সালে নির্বাচনী ই¯েÍহারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ইসলামকে রাষ্ট্রধর্মের পরিবর্তে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রæতি দিয়েছিল। ১৯১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্মীয় সংখ্যালঘু সুরÿা আইন সংসদে পাশ, দেবোত্তর বোর্ড গঠণ ও হিন্দু ফাউÐেশন বা¯Íবায়নসহ সাতদফা দাবি বা¯Íবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলো।

দূঃখের বিষয় গত সাড়ে ১৪ বছরেও আওয়ামী লীগ তাদের ই¯েÍহার অনুযায়ী হিন্দুদের অধিকার রÿায় কাজ করেনি। এরফলে হিন্দুদের জমি দখল, নাবালিকা মেয়েদের ফুসলিয়ে নিয়ে আইন বহির্ভুতভাবে ধর্মান্তরকরন, হিন্দুদের উপর হামলা, মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের উপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও মিথ্যা মামলা দেওয়ার ঘটনা চলছে। অধিকাংশ ÿেত্রে হিন্দু নির্যাতনের ঘটনায় ন্যয় বিচার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না। বক্তারা এ সময় আগামি সংসদীয় নির্বাচনের আগে বর্তমান সরকারের কাছে সংখ্যালঘু সুরÿা আইন প্রণয়নসহ তিনদফা দাবী মানার জোর দাবী জানান। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতÿীরার ঘোনা সীমান্তের বিপরীতে ভারতীয় সীমান্ত রÿী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে হাবিবুর রহমান (৩০) নামে এক বাংলাদেশী যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ঘোনা সীমান্তের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট মহকুমার উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পাকিরডাঙ্গা এলাকার মেইন পিলার ৭ এর নিকটবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত হাবিবুর রহমান সাতÿীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের গাইনপাড়া গ্রামের ইয়াকুব আলী গাজীর ছেলে।
ঘোনা গ্রামের অধিবাসি ইমদাদুল ইসলাম জানান, বুধবার রাতে অবৈধপথে ভারতের পাকিরডাঙা এলাকায় ফেন্সিডিল আনতে যায় ঘোনা গ্রামের শহীদুল ইসলামের ছেলে ইমদাদুল, একইগ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে এশারুল ইসলাম ও ইয়াকুব আলীর ছেলে হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন। রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টার দিকে তারা মাদক নিয়ে পাকিরডাঙা সীমান্তের ৭ নং মেইন পিলারের শূন্যরেখার মধ্যে ঢুকে পড়ার পর

পাকিরডাঙা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোঁড়ে। এতে হাবিবুর গুরুতর জখম হলে তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাবিবুরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘোনা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল বাসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের৷ জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মাহফুজুর রহমান জানান, হাবিবের মাথা, দুই হাতসহ কয়েকটি স্থানে ছররা গুলি লেগেছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা ৫০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঘোনা বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার সাহাবুদ্দিন জানান, বিষয়টি তারা লোকমুখে শুনেছেন বলে জানান। খোঁজ খবর নেয়ার জন্য তারা ইতিমধ্যে কাজ করছেন বলে আরো জানান, বি¯Íারিত পরে জানানো হবে বলে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি:

বেসরকারি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এডুকো বাংলাদেশের বাস্তবায়নে সাতক্ষীরার উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী, পদ্মপুকুর ও গাবুরা ইউনিয়নের পৃথক পৃথক স্থানে ইউডিএমসি, সি পি পি ও সিডিজি সদস্যদের সমন্বয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগীতায় ইউএনঅপস এর মাধ্যমে স্পেন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা এডুকো বাংলাদেশের ”দুর্যোগ ও জলবায়ুজনিত কারনে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের প্রতিকুল পরিস্থিতি মোকাবেলার ক্ষমতা জোরদার করা” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রকল্প সমন্বয়কারী মথি মন্ডলের সঞ্চালনায় দুর্যোগের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী, ইউডিএমসি সদস্য, সিপিপি ও সিডিজি সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। উক্ত মিটিং এ সকল সদস্যরা সম্মিলিতভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা বলেন যে, সম্মিলিতভাবে কাজ করলে কাজ সহজতর হবে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে। বিগত দিনে তারা যে সমস্ত কাজ করেছে সেগুলো উপস্থাপন করেন এছাড়া আগামীতে দুর্যোগ কালীন সময় দুর্যোগ পূর্ববর্তী সময় ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে তাদের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় সদস্যরা সহমত পোষন করেন যে তারা নিয়মিতভাবে সরকারি দপ্তরের সাথে যোগাযোগ রাখবে ও তাদের দায়িত্ব তারা যথাযথভাবে পালন করবে। সবশেষে তারা দুর্যোগ কালীন সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করার জন্য এডুকো বাংলাদেশের নিকট অনুরোধ জানান। তারা আরও জানান যে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এই অঞ্চলের মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে এলাকার ক্ষয়ক্ষতি কমে আসবে। তাই এনজিও ও সরকারি দপ্তর কে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest