গত ২৮ আগস্ট ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক বাংলার ভোর ও সাতক্ষীরা থেকে দৈনিক সাতক্ষীরা সংবাদ পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকায় “কুখরালী আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি হাতিয়েছেন ৭৬লক্ষ টাকা” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।

আমি সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালে সহ-সুপারসহ ৫টি পদে নিয়োগ হয়েছে, তা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই কোন প্রকার অনিয়ম ছাড়াই হয়েছে। নিয়োগ বোর্ডে ডিজির প্রতিনিধিসহ শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সরকারের পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি পক্ষ আমাকে হয়রানি করার উদ্দেশে এধরনের মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। আমার পিতাকে আওয়ামী লীগের নেতা বানিয়েছে অথচ আমার পিতার বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতার মামলা রয়েছে। আমি নিজে ২০০৩ সালের ছাত্রদলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। অন্যদিকে শরিফুল ইসলাম জুয়েল ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এবং ইয়াছিন আরাফাতের পিতা আবু আব্দুল্লাহ আবু সাক্কার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে এলাকায় অত্যাচার চালিয়েছিল। এখন তারাই আমাদের হয়রানি করার চক্রান্ত শুরু করেছে। আমি উক্ত মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
মো: আসাদুজ্জামান খোকন
পিতা- মো: শহীদুল ইসলাম
কুখরালী আমতলা, সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় এক তরুণীকে গণধর্ষণ করার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় চারজন পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।মঙ্গলবার গভীর রাতে শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলো, শহরের দক্ষিণ পলাশপোল এলাকার মন্টু কারিকরের ছেলে সুলতান আহমেদ (২০), ছাত্তার গাজীর ছেলে আবদুল গফুর গাজী, পলাশপোল দক্ষিণপাড়ার কামাল হোসেনের ছেলে আবদুল্লাহ হোসেন জনি এবং কামালনগর গ্রামের সিদ্দিকুল ইসলাম বাবুর ছেলে জুম্মাতুল ইসলাম বনি। তাদের মধ্যে সুলতান আহমেদ ০৫ আগস্টের পরে উঠতি সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

র‌্যাব,সাতক্ষীরা ক্যাম্পের ইনচার্জ নাজমুল আহসান জানান,২৬ আগস্ট রাতে শহরের নিউমার্কেট এলাকায় আবদুল্লাহ হোসেন জনির বাড়িতে গণধর্ষণের শিকার হন মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া আশাশুনি এলাকার মানসিক ভারসাম্যহীন এক তরুণী।পরের দিন সকালে জনির বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ওই তরুণীকে। মঙ্গলবার নির্যাতিতা তরুণীর পিতা বাদি হয়ে সুলতান আহমেদ,আব্দুল গফুরসহ ৬ জনকে আসামি করে সাতক্ষীরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

তরুণীর পিতা জানান,দু’মাস আগে ভ্যান থেকে পড়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয় তার মেয়ে। সেই থেকে সে কিছুটা মানসিক সমস্যায় ভুগছিল। ২৬ আগস্ট সে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে চলে আসে। ধারণা করা হচ্ছে,ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে সে সাতক্ষীরাতে আসে। নিউমাকের্ট এলাকায় অবস্থানকালে আসামীরা তাকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান,বর্তমানে নির্যাতিতা তরুণী সাতক্ষীরার একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন আছেন। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে,সুলতান আহমেদের নেতৃত্বে কিশোর গ্যাং শহরের নিউমার্কেট ও পাকাপোলের মোড় সহ একাধিক এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। গত শহরের পাঁকাপোলের মোড়ে মো: আব্দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিতে ব্যাপক মারপিট করে সুলতান আহমেদ ও বাবু হোসেনসহ সন্ত্রাসীরা। এসময় সাংবাদিক রবিউল ইসলামের ছেলে আল শাহারিয়ার রুমন ও আল মেহরাব রুহান সন্ত্রাসীদের বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়।কেঁড়ে নেওয়া হয় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল। এনিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০১৪ সালের ১৮ জুলাই সাতক্ষীরার সদরের কুচপুকুর গ্রামের ওজিয়ার মোড়লের ছেলে আনিছুর রহমানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যশোর জেলার শার্শা থানাধীন বসতপুর গ্রামের একটি ফাঁকা মাঠে গুলি করে হত্যার পর ক্রসফায়ার দেওয়ার প্রচারের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিহতের ভাই মকফুর রহমান বাদি হয়ে মঙ্গলাবার সাতক্ষীরার তৎকালিন পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির , সদর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনামুল হক শার্শা থানার বসতপুরের উপপরিদর্শক কবীর হোসেন মোল্লাসহ ৩৩ জনের নামে সাতক্ষীরার জ্যেষ্ট বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক নয়ন কুমার বড়াল বাদির লিখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে (১৫৬(৩) ধারা মতে) এজাহার হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসাথে একজন সহকারি পুলিশ সুপার বা পুলিশ সুপার মর্যাদার একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দিয়ে মামলার তদন্ত করানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলায় অন্য আসামীরা হলেন, সদর উপজেলার কুচপুকুর গ্রামের নেছার আলী সরদারের ছেলে রফিকুল ইসলাম, একই গ্রামের নেছার আলীর ছেলে রব্উিল ইসলাম, কুচপুকুর জামতলা গ্রামের নজরুল সরদারের ছেলে এনামুল হক পলাশ, ও রণি আহম্মেদ, দক্ষিণ দেবনগর গ্রামের নেছার আলীর ছেলে মুনসুর আলী ও হামজার আলী, ভবানীপুর গ্রামের নয়দা ওয়াজেদ আলীর ছেলে ফারুক হোসেন, বালিয়াডাঙা গ্রামের ওজিয়ার রহমানের ছেলে মাঝারুল ইসলাম, কাশেমপুর হাজামপাড়া মোড়ের জনাব আলীর ছেলে ইকরামুল, কাটিয়া বাজারের পাশে খোকনের ছেলে শেখ ফারুক হোসেন, পলাশপোলের বাঙ্গালের ছেলে খায়রুল বাসার পাপন, সুলতানপুরের কাজী আবুল খায়েরের ছেলে কাজী ফিরোজ হাসান, বাগানবাড়ি মাঝেরপাড়ার শেখ মুজিবর রহমানের ছেলে শেখ আনোয়ার হোসেন মিলন, পায়রাডাঙা গ্রামের রাজ্জাক সরদারের ছেলে শফিকুল ইসলাম, জিফুলবাড়ি(গোবরদাড়ি) গ্রামের ওজিয়ার রহমানের ছেলে জয়নুল আরা (লালু), ভাবনীপুর গ্রামের ছাত্রলীগ নেতা নাজমুস সাকিব, একই গ্রামের আব্দুস সাত্তারের চেলে সামছুর রহমান (মেম্বর), আব্দুর রহিমের ছেলে শহীদুল ইসলাম, আড়–য়াখালি গ্রামের জামসেদ গাজীর ছেলে জাকির হোসেন, ও আব্দুর রকিব, মৃত সমছের সরদারের ছেলে ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম, শহরের মুনজিতপুরের আব্দুল গফুরের ছেলে জাহাঙ্গীর ও মজিবর রহমান, বাঁশঘাটা গ্রামের অছের আলীর ছেলে আক্তার হোসেন, শিয়ালডাঙা গ্রামের হেকমত সরদারের ছেলে ইমন ওরফে পটল, আগরদাঁড়ি গ্রামের আহম্মাদ গাজীর ছেলে আব্দুল বারী গাজী, বাবুলিয়া গ্রামের মতি মাষ্টারের ছেলে মাষ্টার পলাশ, কলারোয়া উপজেলার ওফাপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে আবু বক্কর ছিদ্দিক ও আশাশুনি উপজেলার কামালকাটি গ্রামের লুৎফর রহমান গাজীর ছেলে শাহাজাহান গাজী।

মামলার বিবরনে জানা যায়, কুচপুকুর গ্রামের ওজিয়ার রহমান মোড়লের ছেলে আনিসুর রহমানকে ২০১৪ সালের ১৮ জুলঅই রাত আটটার দিকে চারি পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুটি মাইক্রোবাসে করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় নিয়ে আসে। রাতে তাকে নির্যাতনের পর যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের একটি ফাঁকা মাঠে বুকে ও পায়ে গুলি করে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয়। পরদিন সকালে খবর পেয়ে সেখান থেকে লাশ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ একটি সাধারণ ডায়েরীর পর ওই লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়না তদন্তের জন্য যশোর জেনারল হাসপতালের মর্গে পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে আনিসুরের লাশ রাতেই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সাতক্ষীরা সদর থানায় এ ঘটনায় মামলা দিতে গেলে তা নেওয়া হয়নি।

ওই সময়কার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব না হওয়ায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তণ হওয়ায় মামলার বিলম্বের কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাড. মশিউর রহমান ফারুক চারজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৩৩জনের বিরুদ্ধে আদালতে দায়েরকৃত মামলাটি মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় এফআইআর হিসেবে গণ্য করার নির্দেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার মিথ্যা মামলায় ৭০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ দিন কারাভোগের পর অবশেষে জামিনে মুক্তি পেলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৪৬ নেতা-কর্মী।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকাস্থ উচ্চ আদালতের ১১ নং বেঞ্চ থেকে তিনিসহ বিএনপির সকল নেতা-কর্মীদের জামিন দেয়া হয়। এর ফলে তিনিসহ সকল নেতা-কর্মীদের কারাগার হতে বের হতে আর কোন বাধা নেই।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের স্ত্রী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এড. শাহানারা আক্তার বকুল জানান, ২০০২ সালে কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনার ১২ বছর পর কলারোয়া থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।

এই মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে মনগড়া মিথ্যা চার্জশীট দাখিল করেন। যার প্রেক্ষিতে বিতর্কিত চার্জশিট ও মিথ্যা স্বাক্ষরের ভিত্তিতে আদালত সাবেক এমপি হাবিবসহ ৫০ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে। এর মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবকে সর্বোচ্চ ৭০ বছরের সাজা প্রদান করে আদালত। নি¤œ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে কারাবন্দী বিএনপি নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়।

ইতোমধ্যেই এই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে চারজন বিএনপি নেতা কর্মী কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছে। সাবেক এমপি হাবিবসহ ৪৬ জন বিএনপি নেতাকর্মী অদ্যবধি কারা ভোগের পর মঙ্গলবার দুপুরে উচ্চ আদালতের ১১ নং বেঞ্চ থেকে তিনিসহ সকল নেতা-কর্মীদের জামিন প্রদান করা হয়। তিনি আরো জানান, এর ফলে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবসহ সকল নেতা-কর্মীদের কারাগার হতে বের হতে আর কোন বাধা নেই।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : অভ্যন্তরীণ জলাভূমি প্লাবিত ধানক্ষেত/প্লাবনভূমি/প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ’র উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর’র সহযোগিতায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শোয়াইব আহমাদ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য অফিসার মো. আনিছুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর খুলনার সহকারি পরিচালক রাজ কুমার বিশ্বাস, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মনির হোসেন ও সদর উপজেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান প্রমুখ।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পুকুর, সাতক্ষীরা পৌর দীঘি ও জেলা প্রশাসকের বাংলোর পুকুরসহ অভ্যন্তরীণ জলাভূমি প্লাবিত ধানক্ষেত/প্লাবনভূমি/প্রাতিষ্ঠানিক ২৬টি জলাশয়ে রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪৭১ কেজি রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
ছাত্র-জনতার যুগপৎ অন্দোলনের বিজয়কে টেকসই ও অর্থবহ করতে দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামীর কার্যকর ভূমিকা রাখার আহŸান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা নায়েবে আমীর শেখ নূরুল হুদা।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) শহরের মুন্সিপাড়াস্থ জামায়াত কার্যালয়ের কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে ইউনিট সভাপতি সেক্রেটারী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা শহর শাখার আমির জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী খোরশেদ আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওমর ফারুক, অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য জামশেদ আলম, শহর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, সহ: সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান, এড আবু তালেক, মাষ্টার বদিউজ্জামান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :
ইছামতি নদীর বাঁধ রক্ষায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের নেতেৃত্বে সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করে। সোমবার (২৬ আগস্ট) উপজেলার ভাতশালা বিশ্বাস বাড়ি এলাকায় এক কাজে অংশ নেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি দেশ রক্ষায় স্ব উদ্যোগে জামায়াত-শিবির, সদ্য বিলুপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান আল ফেরদাউসের টিম, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন দরদি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আমাদের টিম মানবিক পরিবার, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও সর্বস্থরের মানুষ এ কাজে অংশ নেন।

সকাল থেকে কেউ বস্তায় ইট ভর্তি করছেন, কেউ বালু ভর্তি করার কাজে ব্যস্থতা সময় পর করছে। আবার কেউ ইট ভর্তি বস্তা মাথায় করে নদীর পাড়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এসব মানুষের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য আমাদের টিম মানবিক পরিবারের নারী সদস্যরা স্যালাইন পানি বিতরণ করেন। অপরদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বল্লি পুতে বাঁধ রক্ষার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কয়েক ঘন্টার মধ্যে জড়ো হয় কয়েকশ মানুষ। নদী পড়ে মানুষের উপস্থিতিতে গণশক্তিতে পরিণত হয়। স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করতে আসা বকুল হোসেন, শেখ মনিরুল ইসলাম, সরফারাজ জানান, বেশ কিছুদিন ধরে জানতে পারি যে ইছামতি নদীর ভাতশালা এলাকায় বাঁধের অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সে কারণে সরকারের পাশাপাশি আমরা নিজ উদ্যোগে এ কাজে এসেছি।

আমরা দেশ ও এলাকার মানুষের জানমাল ও বাঁধ রক্ষায় কাজ করে যাব। উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল রহমান জানান, দেশ রক্ষায় ৫টি ইউনিয়ন থেকে আমাদের জামায়াত ইসলামের ৫ শতাধিক মানুষ এখানে কাজ করছে। দেশের ক্রান্তিকাল সময় বসে না থেকে নদীর বাঁধ রক্ষায় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করছি। একই সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাদ্দের অর্থ সচ্ছতার ভিত্তিতে সঠিক ব্যবহার করে সে বিষয় তাদের সাথে কথা বলেছি। পাশাপাশি আমাদের পক্ষ থেকে শুধু স্বেচ্ছাশ্রম নয় সাথে কয়েক হাজার ইটের ব্যবস্থা করেছি। বাঁধ রক্ষা শেষ না পর্যন্ত আমাদের সদস্যরা কাজ করে যাবে। দেশের মানুষের কল্যাণে বিশেষ করে সনাতন সহ অন্য ধর্মের অমুসলিম মানুষদের যাতে ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।

এদিকে, ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের চিফ অফিসার, নির্বাহী প্রকৌশলী সহ বিভিন্ন পর্যয়ের কর্মকর্তারা, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল রহমান, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাহাবুবুল আলম, জেলার অন্যতম সদস্য এম আসাদুজ্জামান মুকুল, উপজেলা নায়েবী আমীর মহিউদ্দীন মাহমুদ, উপজেলা জামাতের সেক্রেটারী মাওলানা এইচ এম ইমদাদুল হক,

উপজেলা বায়তুলমাল সম্পাদক সোলাইমান হোসেন, কুলিয়া ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আনারুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউনিয়ন আমীর (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা আবু ইউসুফ, সখিপুর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা ইয়াকুব আলী, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আমীর মাহাবুব আলম, দেবহাটা ইউনিয়ন আমীর আবুল হোসেন, উপজেলা ইউনিট সদস্য মাসুম খান চৌধুরী সহ বিভিন্ন বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবন্দরা। পরে সর্বস্থরের মানুষের এই কর্মসূচিকে সমার্থন জানিয়ে কন্ঠ শিল্পী শরিফুজ্জামান সোহাগ নিজ উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে পানি, বিস্কুট সরবাহ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
ভারতে যাওয়ার সময় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর এলাকা থেকে খুলনার রুপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি সালাম মুর্শেদীর পিএস চঞ্চল কুমার মিত্রকে আটক করেছে বিজিবি। সোমবার বিকেলে তাকে আটক করা হয়।
তিনি খুলনার রুপসা থানার তিলক এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশরাফুল হক জানান, সাবেক ফুটবলার ও খুলনার সাবেক এমপি সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি থাকাকালে তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা চলমান। চঞ্চল কুমার মিত্র সালাম মুর্শেদীর পিএস থাকাকালে এলাকায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে খুলনার রুপসা থানায় একাধিক মামলা।

সোমবার বিকেলে তিনি ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভোমরা স্থলবন্দর এলাকায় আসেন। বিষয়টি বিজিবি’র নজরে আসলে তাকে আটক করা হয়। তাকে রুপসা থানায় সোপর্দ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান বিজিবি অধিনায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest