সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠন

মদ পানে প্রতি বছর ২৮ লাখ মানুষের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: মাদক ও ধূমপানের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে নানা রকম প্রচার লক্ষ্য করা যায়। সিগারেটের প্যাকেট থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপন সবখানেই সতর্কবার্তা দেখা গেলেও মদপান রুখতে তেমন প্রচার দেখা যায় না। তবে কেবল মদপানের কারণে প্রতি বছর পৃথিবীতে মারা যাচ্ছে লাখ লাখ মানুষ।
সম্প্রতি লানসেট জার্নালে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় জানা গেছে, পুরো বিশ্বে মদপানের কারণে প্রতিবছর ২৮ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। কেবল তাই নয়, ১৫ থেকে ৪৯ বছরের মানুষের প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যুর জন্য দায়ী অপরিমিত মদপান।
সমীক্ষায় আরও জানানো হয়, ১৯৯০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে অ্যালকোহল ব্যবহার ও শরীরের উপর তার কুপ্রভাব ছড়িয়েছে ১৯৫টি দেশে। ধূমপানের মতোই মদ্যপানের ফলেও ক্যানসারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
সমীক্ষায় দেখা যায়, বর্তমান বিশ্বে তিনভাগের একভাগ (৩২ দশমিক ৫ শতাংশ) মানুষ মদ্যপানে আসক্ত। যার প্রায় ২৫ শতাংশই নারী। মদ্যপায়ীদের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিভিন্ন দেশে পড়াশুনার খরচ যেমন

শিক্ষা সংবাদ: পৃথিবীর অনেক দেশেই স্কুলে নতুন সেশনের ক্লাস শুরু হয় সেপ্টেম্বরে। আবার কোনো কোনো দেশে সেশন শুরু হয় জানুয়ারি মাসে। একেক দেশে স্কুলের একক নিয়ম-কানুন। সারা বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে অনেক পার্থক্য। বিভিন্ন দেশের কোমলমতি শিশুদের লেখাপড়ার সবচেয়ে বড় পার্থক্যটা পরিলক্ষিত হয় শিক্ষার পেছনে পরিবারের খরচের ক্ষেত্রে।

যুক্তরাষ্ট্রে কিন্ডারগার্টেন থেকে মাধ্যমিক স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর পেছনে গড়ে একটি পরিবারের খরচ হয় ৬৮৫ ডলার। গত এক যুগে খরচ দ্বিগুণের মতো বেড়েছে। এ হিসেবে সব খরচ এক সাথে যোগ দিলে যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৮ শিক্ষা বছরে অভিভাবকদের মোট খরচের পরিমাণ দাঁড়াবে ২ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হয় কম্পিউটারের পেছনে। প্রত্যেক পরিবারে এ খরচ ২৯৯ ডলার। তারপরে রয়েছে স্কুলের ইউনিফর্ম, পোশাক বাবদ খরচ হয় ২৮৬ ডলার। ট্যাবলেট ও ক্যালকুলেটরের মতো ইলকেট্রনিক যন্ত্রপাতি কিনতে লাগে ২৭১ ডলার। আর সবচেয়ে কম অর্থ খরচ হয় যেসব জিনিসের পেছনে তার মধ্যে রয়েছে ফাইল, ফোল্ডার, বই, হাইলাইটারসহ অন্যান্য সামগ্রী। এ সব জিনিসের পেছনে খরচ গড়ে ১১২ ডলার।

সন্তানের লেখাপড়ায় কত খরচ করতে হবে তা নির্ভর করছে কোন দেশে পড়াচ্ছেন তার ওপর। দেশ ভেদে এ পার্থক্য এক লাখ ডলারও ছাড়িয়ে যেতে পারে। স্কুলের বেতন, বইপত্র কেনা, স্কুলে যাওয়া আসার খরচ, থাকা-খাওয়া সব একসাথে যোগ করলে হংকং-এ প্রাথমিক স্কুল থেকে কলেজ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি খরচ হয়। অর্থাত্ স্কুলে লেখাপড়ার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হংকং। এবং অন্যান্য দেশের খরচের তুলনায় এটা খুব বেশি। হংকং-এ বৃত্তি, ঋণ, রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা এ সব বাদ দিলেও একজন শিক্ষার্থীর পেছনে অভিভাবকদের তাদের নিজেদের পকেট থেকে খরচ করতে হয় আরো ১ লাখ ৩১ হাজার ১৬১ ডলার।

এরপরেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেখানে অভিভাবকদের খরচ হয় ৯৯ হাজার ডলার। সিঙ্গাপুরে ৭১ হাজার ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮ হাজার ডলার। কিন্তু ফ্রান্সে একটি পরিবারকে তাদের সন্তানের শিক্ষা জীবনের পেছনে খরচ করতে হয় ১৬ হাজার ডলার।

গবেষণায় দেখা গেছে, ৩৩টি উন্নত দেশের মধ্যে রাশিয়ায় শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে কম সময় স্কুলে কাটাতে হয়। এক বছরে তারা স্কুলে থাকে গড়ে ৫শ ঘণ্টার মতো। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে এ সময় গড়ে ৮শ ঘণ্টা। তার মানে রাশিয়ায় একজন শিক্ষার্থী প্রতিদিন গড়ে পাঁচ ঘণ্টার মতো স্কুলে কাটায়। স্কুল খোলা থাকে আট মাস। আবার স্কুলে সময় কাটানোর জন্য রাশিয়ার ছেলে-মেয়েরা যে লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়ছে বিষয়টি তেমন নয়। রাশিয়ায় সাক্ষরতার হার ১০০%।

রাশিয়ার পরেই রয়েছে ডেনমার্কের অবস্থান। ডেনমার্কে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বছরে গড়ে এক হাজার ঘণ্টা ক্লাসে কাটাতে হয়। অর্থাত্ রাশিয়ার শিক্ষার্থীদের তুলনায় তাদের দুই মাস বেশি ক্লাস করতে হয়। ডেনমার্কে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন লম্বা সময় ধরে স্কুলে থাকতে হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা তাদের সদস্য দেশগুলোর শিক্ষার মান নিয়ে যে জরিপ পরিচালনা করে থাকে তাতে দেখা যায় ডেনমার্কের অবস্থান তালিকার শীর্ষস্থানীয় পাঁচটি দেশের ভেতরে। তার অর্থ কেউ কেউ এভাবেও ব্যাখ্যা করতে পারেন যে, বেশি সময় ধরে স্কুলে থাকলে তার একটা ভালো দিকও থাকে।— বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল গ্রেফতার

দেশের খবর: সড়ক মহাসড়কে পরিবহন দুর্ঘটনা রোধ ও দুর্ঘটনা কাজ করে আসা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার নিজ বাসা থেকে বুধবার দিনগত রাত সাড়ে ৩ টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সামসুদ্দিন চৌধুরী পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন, মিরপুর মডেল থানা পুলিশ প্রথমে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এবং পরে উপরের নির্দেশে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপি’র মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার এএসআই রিয়াজুল ইসলাম জানান, দুলাল নামের এক ব্যক্তি গতকাল থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। মামলা নং ১৪। ওই মামলায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছে।

সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘ঈদুল আজহায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন ২০১৮’ প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

সেখানে মোজাম্মেল হক বলেন, এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদযাত্রা শুরুর পর থেকে ঈদ শেষে ঢাকা ফেরার পথে মোট ২৩৭টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২৫৯ জনের।

বিগত তিনটি ঈদুল আজহায় ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার চিত্র তুলে ধরে মোজাম্মেল হক বলেন, গত ২০১৬ সালের ঈদুল আজহায় ১৯৩ দুর্ঘটনায় ২৪৮ জন মারা যায়, আহত হয় ১০৫৫ জন, ২০১৭ সালে ২০৫ দুর্ঘটনায় মারা যান ২৭৪ জন আর আহত হয় ৮৪৮ জন। দুর্ঘটনায় ১২ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১২ জন, ৪ জন চিকিৎসক, দু’জন প্রকৌশলী, ২ জন সাংবাদিক, দু’জন করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, ৪২ চালক ও হেলপার, ৫৯ জন নারী, ৩৪ শিশু ও ৮ জন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।
এসব তথ্য তুলে ধরার পর সড়ক দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু কমিয়ে আনতে ১০ দফা সুপারিশ করেন তিনি। গত ৪ বছর ধরে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ৭টি বিষয় পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতার আলোকে এ সুপারিশ করে সংগঠনটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ বছর বয়সেই সুপারমডেল!

ভিন্ন স্বাদের খবর: যে বয়সে খেলাধুলা, ছোটাছুটি আর অল্প বিস্তর পড়াশুনো নিয়ে থাকার কথা, সেই বয়সে একটি মেয়ে শিশু পৃথিবীজুড়ে সাড়া ফেলেছে তার অপূর্ব সৌন্দর্যের জন্য। তার বয়স সবে মাত্র ছয়; নাম অ্যানাস্তাসিয়া অ্যানা। এ বয়সেই বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ফলাও করে ছাপছে তার খবর। নিজের ইনস্টাগ্রামে রেকর্ডসংখ্যক অনুসারী রয়েছে তার এবং তারাই তাকে ‘বিশ্ব সুন্দরী’র খেতাবও দিয়েছে। ভবিষ্যতের সুপার মডেল হিসেবে এখনই তাকে নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

ইংলিশ জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড ‘মেট্রো’ জানিয়েছে, অ্যানার মা তাকে একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খুলে দেন। অবিশ্বাস্য ব্যাপার হল, অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পর পরই আড়াই মিলিয়ন অনুসারী যোগ দেয় তার ইনস্টাগ্রামে। ইতোমধ্যে সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ মিলিয়নেরও অধিক।

বলা যায়, অ্যানাকে এ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া কিংবা তাকে সুন্দরী হিসেবে বিশ্বের সামনে হাজির করার পেছনের কারিগর তার মা। যিনি নিয়মিত মেয়ের মডেলিং অ্যাডভেঞ্চারের ছবিগুলো ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন।

সামাজিক মাধ্যমে অ্যানার তুমুল জনপ্রিয়তা দেখে ইউরোপের মিডিয়া তাকে নতুন ‘থিলান ব্লনডিউ’ আখ্যা দিতে শুরু করেছে। কারণ ফরাসি মডেল থিলান ব্লনডিউয়ের মতোই অ্যানার রয়েছে আকর্ষণীয়া নীল চোখ আর বাদামি চুল। ছোটবেলায় দেখতে ঠিক এমনই ছিলেন ফরাসি মডেল থিলান ব্লনডিউ।

অ্যানার জনপ্রিয়তা দেখে হুমড়ি খাচ্ছে বড়সড় প্রতিষ্ঠানও। তাদের লক্ষ্য অ্যানাকে দিয়ে পণ্যের বিজ্ঞাপন করানো। ভক্তরাও তার গুণগানে পঞ্চমুখ। এক ভক্ত বলেই দিয়েছেন, অ্যানা একদিন রাশিয়ান সুপার মডেল ইরিনা শায়েকের আসন দখলে নেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেস্ট টিউবে জন্মানো বিশ্বের প্রথম সিংহশাবক

ভিন্ন স্বাদের খবর: বিশ্বে প্রথমবারের মতো জন্ম নিল টেস্ট টিউব সিংহশাবক। দক্ষিণ আফ্রিকার একটি অভয়ারণ্যে কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে জন্মানো এ সিংহশাবক দুটির একটি ছেলে ও অপরটি মেয়ে।

বলা হচ্ছে, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, তুষার চিতাসহ বিভিন্ন বিপন্ন বিড়াল প্রজাতিকে বিলুপ্তির কবল থেকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এ পদ্ধতি।

দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব প্রিটোরিয়ার একদল গবেষক বিড়াল প্রজাতির এ কৃত্রিম প্রজননবিষয়ক গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

তারা একটি পুরুষ সিংহের স্পার্ম নিয়ে একটি নারী সিংহের ভেতর স্থাপন করেন। প্রায় সাড়ে তিন মাস পর নারী সিংহটি দুটি স্বাস্থ্যবান শাবক জন্ম দেয়।

প্রিটোরিয়া ইউনিভার্সিটির স্তন্যপায়ী প্রাণী গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রফেসর আন্দ্রে গান্সউইন্দ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে জৈববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে।

বিগ ক্যাট বা বড় বিড়াল প্রজাতিগুলোও এতে আক্রান্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। এদের বিলুপ্ত হওয়া ঠেকাতেই আমাদের এ গবষণা।

জানা যায়, বিড়াল প্রজাতির প্রাণীদের বিলুপ্ত হওয়ার কবল থেকে রক্ষাবিষয়ক এক গবেষণামূলক প্রজেক্টের প্রাথমিক চেষ্টার ফসল এই সিংহশাবক দুটি।

কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিটি আফ্রিকান সিংহের ওপর প্রয়োগ করা হলেও বিড়াল প্রজাতির বাকি সদস্যদের ক্ষেত্রেও তা কার্যকর হবে এমনটাই আশা গবেষকদের।

প্রজেক্টের প্রধান গবেষক ইসাবেল বলেন, এ পদ্ধতিতে প্রজনন সিংহের জন্য এটাই প্রথম। এখন আমরা এই অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বিপন্ন বিড়াল প্রজাতির সদস্যদের রক্ষার কাজ চালাব। ভবিষ্যতে তুষার চিতা ও বাঘের ওপর এ পদ্ধতি প্রয়োগ করতে চলেছি আমরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলা সিনেমার নতুন নায়িকা রোদেলা

বিনোদন সংবাদ: রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ‘শাহেনশাহ’ ছবির মহরত অনুষ্ঠিত হয়ে গেল।

আগেই জানা গিয়েছিল, ছবিটিতে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান এবং নুসরাত ফারিয়া অভিনয় করবেন। কিন্তু, শাকিব খানের বিপরীতে আরেক নায়িকা কে হতে যাচ্ছেন তা জানা ছিল না।
অবশেষে ছবিটির সদ্যসমাপ্ত মহরত অনুষ্ঠানে সেই নবাগত নায়িকাকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হল। নতুন এই নায়িকার নাম হলো- রোদেলা জান্নাত। সবকিছু ঠিক থাকলে শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত এই ছবিটির শুটিং খুব শিগগিরই শুরু হবে বলে জানা গেছে।কে এই রোদেলা? যে সব দর্শকদের মনে এমন প্রশ্ন জমে আছে তারা জেনে নিন, শাকিব খানের এই নতুন নায়িকা মালয়েশিয়ার লিমককউইং ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি’র ছাত্রী। একটি বেসরকারি চ্যানেলে সংবাদ পাঠিকা হিসেবে কিছুদিন কাজও করেছেন রোদেলা। এছাড়াও নবাগত এই নায়িকা ক্ল্যাসিকাল নাচেও বেশ পারদর্শী।

অবশ্য এ নিয়ে ফিল্ম পাড়ার কেউ কেউ বলছেন রোদেলা নাকি ‘শাহেনশাহ’ ছবির পরিচালক রনির ‘ঘনিষ্ঠ’ বন্ধু। আর সে সুবাদেই নাকি রোদেলার নায়িকা হওয়ার পথটি তরান্বিত হল।

প্রসঙ্গত, ছবিটির পরিচালক শামীম আহমেদ রনি এর আগে শাকিব খানকে নিয়ে ‘রানা পাগলা: দ্য মেন্টাল’,‘বসগিরি’ও ‘রংবাজ’ নির্মাণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফ্রেঞ্চ লিগ থেকে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ এমবাপে

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। নিজের গতি আর ড্রিবলিং দিয়ে তিনি মন জয় করে নিয়েছেন সবার।

তবে বিশ্বকাপের নজরকাড়া পারফরমেন্সের পর ক্যারিয়ার জীবনে প্রথম লাল কার্ডের দেখা পেলেন এমবাপে। ফলে ফ্রেঞ্চ লিগ কমিটি থেকে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ হলেন ফ্রান্সের এ তরুণ তারকা।

পিএসজি শনিবারের ম্যাচে নিমেস অলিম্পিকের বিরুদ্ধে ৪-২ গোলে জয় পায়। ম্যাচটিতে এমবাপে তৃতীয় গোলটি করেন আর আরেকটি গোল করার ক্ষেত্রে অবদান রাখেন।

আর সে ম্যাচে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় ট্রেজি স্যাভানিয়ারকে ধাক্কা মারায় লাল কার্ড দেখতে হল তাকে। তবে এই ঘটনার জন্য তিনি পিএসজি সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। যদিও লাল কার্ডের জন্য তার কোন অনুশোচনা ছিল না।

তিনি বলেন, একই ঘটনা ঘটলে আবার ওই কাজ করবেন তিনি।

লাল কার্ডের ঘটনাটি ম্যাচের একেবারই শেষের দিকে ঘটে। ম্যাচের তখন কয়েক সেকেন্ড বাকি তখন একটি ট্যাকলের জন্য স্যাভানিয়ারকে ধাক্কা মারেন এমবাপে।

ঘটনাটি রেফারির নজরে আসলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখানো হয়। এর আগে ম্যাচের ১৮ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখতে হয় তাকে। ফলে দ্বিতীয় বার হলুদ কার্ড দেখায় স্বাভাবিকভাবে সেটি লাল কার্ড হয়ে যায়।

এ দিকে ওই ঘটনায় নিজের ভূমিকার জন্য চার ম্যাচ নিষিদ্ধ হন স্যাভানিয়ার। আগে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ থাকায় তার সামনে এখন পাঁচ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের আগে যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পদে পদোন্নতি শিগগিরই

দেশের খবর: জাতীয় নির্বাচনের আগেই প্রশাসনের আরও দুই স্তরের (যুগ্ম সচিব ও উপসচিব) পদোন্নতি আসছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে কয়েকটি বৈঠকও করেছে প্রশাসনের পদোন্নতির সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি)।

এবার যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পদে তিনশ’রও বেশি কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হতে পারে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এপিডি) শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, প্রশাসনে ইতিমধ্যে ১৬৩ অতিরিক্ত সচিবের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এবার যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পদে পদোন্নতির জন্য যোগ্য কর্মকর্তাদের তথ্য-উপাত্ত চাওয়া হয়েছে। এ দুই পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ চলছে। প্রক্রিয়া শেষে শিগগিরই পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জানা গেছে, এই দুই পদে নির্ধারিত পদের তুলনায় অতিরিক্ত কর্মকর্তা কর্মরত থাকলেও পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের তথ্য-উপাত্ত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে চেয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি উপসচিব পদে পদোন্নতি বিবেচনার জন্য প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্যান্য ক্যাডারের কাছ থেকেও নামের তালিকা চাওয়া হয়েছে।

গত ২৯ আগস্ট ১৬৩ অতিরিক্ত সচিবের পদোন্নতির পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৪ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে উপসচিবের নিয়মিত (ডিউটি) ১০০৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১৭৫৬ জন। আর যুগ্ম সচিবের ৪১১টি স্থায়ী পদের বিপরীতে আছেন ৬১৩ জন।

সূত্র জানায়, উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিসিএস ১৫তম ব্যাচকে পদোন্নতির জন্য নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৭ ও ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তাদেরও পদোন্নতির জন্য আমলে নেয়া হতে পারে।

এর মধ্যে ১৫তম ব্যাচের ১০৫ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৮১ জন, ১৭তম ব্যাচের ৫১ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৪০ জন ও ১৮তম ব্যাচের ৮৯ কর্মকর্তার মধ্যে ৭৬ জন পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

পদোন্নতির সব যোগ্যতা অর্জন করলেও ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের এখনই পদোন্নতি দেয়ার বিষয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন এসএসবি সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আগে পদোন্নতিবঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মকর্তাকে এই পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের গোয়েন্দা প্রতিবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেনি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদের পদোন্নতিতে নিয়মিত হিসেবে ২৫তম ব্যাচকে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই ব্যাচের ১৮৯ কর্মকর্তার মধ্যে উপসচিব পদে ১৫৮ জন কর্মকর্তা পদোন্নতির জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন। প্রশাসন ক্যাডারের পাশাপাশি অন্যান্য ক্যাডার থেকেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হবে।

এছাড়া যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আগে পদোন্নতিবঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কিছু কর্মকর্তাকেও এই পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হতে পারে। সব মিলে এই দুই স্তরে তিন থেকে সাড়ে তিনশ’ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হতে পারে। তবে উপসচিব পদে পদোন্নতির বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল উপসচিব পদে পদোন্নতির জন্য আগ্রহী বা যোগ্য বিভিন্ন ক্যাডারের ২৫তম ব্যাচ পর্যন্ত কর্মকর্তাদের তালিকা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছে, যেসব কর্মকর্তার সিনিয়র স্কেল পদে নূ্যূনতম পাঁচ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে অন্যূন ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে তাদের মধ্য থেকে ১০ জনের (জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে) নামের তালিকা ১০ মের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বর্তমান ঠিকানা ( টেলিফোন/মোবাইল নম্বরসহ), স্থায়ী ঠিকানা এবং চাকরির পূর্ণ বৃত্তান্ত আলাদা কাগজে পাঠাতে বলা হয়।

অযোগ্য কর্মকর্তাদের তালিকা না পাঠানোর নির্দেশনা দিয়ে চিঠিতে আরও বলা হয়, উপসচিব হতে অনাগ্রহী কর্মকর্তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

এছাড়া সিনিয়র স্কেলে চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ না হলে ও ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের যোগদানের জন্য নির্ধারিত তারিখের পরে যারা ক্যাডার সার্ভিসে যোগ দিয়েছেন তাদের নামও তালিকায় রাখা যাবে না।

একই সঙ্গে জ্যেষ্ঠতা সম্পর্কে কোনো আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকলে এবং ওই সব কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হলে আদালত অবমাননা হতে পারে এমন কর্মকর্তাদের নামও রাখা যাবে না। কর্মকর্তাদের তালিকার জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী সঠিক এবং নির্ভুলভাবে পাঠাতে হবে।

কোনো ব্যত্যয়ের কারণে কোনো কর্মকর্তা যদি ভুলক্রমে পদোন্নতি পান বা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হন তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে এর দায়িত্ব বহন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, সর্বশেষ যুগ্মসচিব পদে গত বছরের ২১ ডিসেম্বর ১৯৩ জন পদোন্নতি দেয়া হয়। আর উপসচিব পদে চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ৩৯৬ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে এবং গত ২৯ আগস্ট ১৬৩ জনকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেয় সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest