ছাত্র আন্দোলনে উস্কানি অভিযোগে ৫১ মামলায় ৯৭ জন গ্রেপ্তার

দেশের খবর: শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের দু’জন শিক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার প্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত গড়ে ওঠা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে সহিংস ঘটনা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানির ব্যাপারে বিভিন্ন থানায় মোট ৫১টি মামলা করা হয়। এ সব মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর মধ্যে দণ্ডবিধি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মোট ৪৩ মামলায় ৮১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিএমপি জানায়, আন্দোলনে সহিংস ঘটনা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানির প্রেক্ষিতে রমনা বিভাগে মোট ১৪টি মামলা করা হয় এবং মোট ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। যার মধ্যে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা হয় ১০টি। যেখানে গ্রেপ্তার করা হয় ২০ জনকে এবং ৮৪ জনকে আসামি করে করা ৪টি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ১১ জনকে। ১৪টি মামলার মধ্যে ১৩টির তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এবং ১টি মামলা তদন্ত করছে ডিবি পুলিশ।
লালবাগ বিভাগে একজনসহ অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জনকে আসামি করে ১টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ওয়ারী বিভাগে মোট মামলা হয়েছে ২টি। অজ্ঞাতনামা ৩৫০/৪৫০ জনকে আসামি করে করা দুই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে।
এ বিষয়ে মতিঝিল বিভাগে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ৬টি মামলা করা হয়েছে। ৬টি মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তেজগাঁও বিভাগে ৬ জনকে আসামি করে দু’টি মামলা করা হয়েছে। যার মধ্যে ২ জন এজাহারনামীয়সহ সন্দিগ্ধ আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মিরপুর বিভাগের মিরপুর মডেল থানায় বি.ইউ.বি.টি ইউনিভার্সিটি ও কমার্স কলেজসহ অন্যান্য কলেজের অজ্ঞাতনামা ৫০০/৬০০ জন ছাত্র শিক্ষককে আসামি করে ১টি মামলা, অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জনকে আসামি করে কাফরুল থানায় ১টি মামলা এবং ৯৬ জনকে আসামি করে আরও ৩টিসহ মোট ৫টি মামলা করা হয়েছে।
গুলশান বিভাগে অজ্ঞাতনামা ২০০০/২৪৫০ জনকে আসামি করে ৭টি মামলা এবং ৩১জনকে আসামি করে আরও ২টি মামলাসহ মোট ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ‍৯টি মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উত্তরা বিভাগে অজ্ঞাতনামা ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে ৩টি মামলা এবং ১১৩ জনসহ অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে ১টি মামলাসহ মোট ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে ২৯ জনকে আসামি করে দায়ের করা মোট ৮টি মামলায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৮টি মামলার মধ্যে ৪টি মামলা ডিএমপি’র সাইবার সিকিউরিটি এন্ড ক্রাইম বিভাগ, ১টি ডিবি পুলিশ এবং ১টি থানা পুলিশ তদন্ত করছে।
এই আন্দোলনে নানাভাবে গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তৎপর রয়েছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানের গজনিতে তালিবান ও সরকারি বাহিনীর লড়াই, নিহত ৪০০

বিদেশের খবর: আফগানিস্তানের গজনি শহরে জঙ্গি গোষ্ঠী তালিবান ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত দু’পক্ষের মধ্যে লড়াইয়ে আনুমানিক ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অগণিত। বাস্ত্যুচুত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। খবর আল জাজিরার।

খবরে বলা হয়, মার্কিন সমর্থিত আফগান বাহিনী অবিরত লড়াই করে যাচ্ছে তালিবানের বিরুদ্ধে। দুই পক্ষের লড়াইয়ে প্রাণহানী হচ্ছে অসংখ্য মানুষের। স্থানীয়রা বাঁচার কোন পথ খুঁজে পাচ্ছে না।

টানা পঞ্চম দিনেও দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই অব্যাহত রয়েছে। তালিবানের উদ্দেশ্য শহরের দখল নেওয়া। যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ায় সেখানকার পরিস্থিতি সম্বন্ধে নিশ্চিত করে কিছু জানা যাচ্ছে না। তবে জাতিসংঘ ও আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত লড়াইয়ে প্রাণ হারিয়েছেন আনুমানিক ৪০০ মানুষ। এর মধ্যে বেসামরিক রয়েছেন প্রায় ১৫০ জন।

‘আমরা বাঁচবো না’

কাবুলে পালিয়ে যাওয়া গজনির বাসিন্দা ইয়াসান ইয়াসান(২১) বলেন, লড়াই তীব্র আকার ধারণ করার পর আমরা বুঝে গিয়েছিলাম, আমরা সেখান থেকে কাবুলে না পালালে বাঁচবো না।

তিনি জানান, তালিবানরা পুরো শহরে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ কেটে দিয়েছে।

ইয়াসান বলেন, আমি নিজে এক দল পলায়নরত মানুষ উদ্দেশ্য করে রকেট ছুড়তে দেখেছি। তাদের সবাই মারা গেছে। সরকারি কার্যালয়গুলোতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে তালিবানরা। কাবুল-কান্দাহার হাইওয়ের বেশ কিছু জায়গা অবরোধ করে রেখেছে। আমাদেরকে অনেক বিপজ্জনক জায়গা অতিক্রম করে কাবুলে পৌঁছাতে হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক আফগান সমন্বয়ক জানান, লড়াইয়ে কমপক্ষে ১৩০ থেকে ১৫০ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন। তবে নিশ্চিত করে এই সংখ্যা যাচাই করা যায়নি।

‘আমরা তোমাদের বাঁচাতে পারবো না’

নিজের স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে গজনি ছেড়ে পালিয়েছেন মোহাম্মদ রহিম। তালিবানরা তার বাসার ছাদে ওঠে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তিনি বলেন, আমরা তাদের কাছে আমাদের আঘাত না করতে ভিক্ষা চেয়েছি।

তারা বলেছে, আমরা তোমাদের বাঁচাতে পারবো না। তোমরা থাকবে কি পালাবে সেটা তোমাদের বিষয়।

রহিম বলেন, আমরা এখন কাবুলে আমার এক আত্মীয়ের বাসায় রয়েছি। তারা খুবই গরীব। তারা আমাদের খাওয়াতে পারবে না। আমি জানি না আমি কি করবো।

এদিকে, শহরের দখল নিয়ে দুই পক্ষ দুই ধরণের মন্তব্য করেছে। মঙ্গলবার তালিবানের এক মুখপাত্র দাবি করেছে, লড়াই চলছে। কিন্তু সরকারি বাহিনী দাবি করেছে উল্টোটা।

প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নাসির আহমেদ ফকিরি বলেন, আফগান নিরাপত্তা বাহিনী তালিবানদের গজনি থেকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে। এখন অনুসন্ধান অভিযান চলছে। নিরাপত্তা বাহিনী এখন তালিবানদের সঙ্গে শহরের উপকণ্ঠে লড়াই করছে।

উল্লেখ্য, কাবুলের সঙ্গে আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর মধ্যকার প্রধান সংযোগ রুট হচ্ছে গজনি। এই শহরটি তালিবানদের দখলে চলে গেলে অনেকাংশের নিয়ন্ত্রণ হারাবে আফগান সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আর্জেন্টিনা ফুটবল দল থেকে মেসির সাময়িক অবসর

খেলার খবর: বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ২০১৯ কোপা আমেরিকার আগ পর্যন্ত মেসিকে আর আর্জেন্টিনা দলে দেখা যাবে না। আগামী সেপ্টেম্বরে গুয়াতেমালা ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ, পরের মাসে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচটিতেও মেসি থাকবেন না। মেসিবিহীন নতুন আর্জেন্টিনা কেমন করে, তার পরীক্ষাও হয়ে যাবে এবার।

রাশিয়া বিশ্বকাপটা ভালো কাটেনি আর্জেন্টিনার। সাবেক চ্যাম্পিয়ন জার্মানির মতো গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিতে না হলেও শেষ ষোলোতেই থেমেছে দুবারের চ্যাম্পিয়নদের যাত্রা। অনেক আশা নিয়ে রাশিয়ায় যাওয়া লিওনেল মেসিরা আবারও একরাশ হতাশা নিয়ে ফিরেছেন নিজ নিজ ক্লাবে। আর্জেন্টিনাও এর মধ্যে কোচ হোর্হে সাম্পাওলিকে ছাঁটাই করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন লিওনেল স্কালোনি।

স্কালোনির অধীনে আর্জেন্টিনা কত দিন খেলবে, এটা এখনো জানা যায়নি। আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন স্থায়ীভাবে কারও হাতে দলের দায়িত্ব দেবে কি না, এটাও বোঝা যাচ্ছে না এখন। তবে এটা আপাতত নিশ্চিত, আগামী এক বছর দলকে নতুনভাবে দলকে সাজিয়ে নিতে স্কালোনি ও তাঁর সহযোগী পাবলো আইমারকে। কারণ, দলের মূল তারকা মেসি যে আগামী এক বছর আর্জেন্টিনার হয়ে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন!

বিশ্বকাপের আগেই বিশ্বকাপপরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে অনেক কথা বলেছেন মেসি। টানা তিন ফাইনাল হারার পর বিশ্বকাপেও ব্যর্থ হলে আর্জেন্টাইনরা যে মেনে নেবে না, সে শঙ্কা তখনই জানিয়েছেন। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক তখন বলেছিলেন, এবার বিশ্বকাপ না জিতলেও হাল ছাড়বেন না। নিজ থেকে অবসরের চিন্তাও মাথায় আনবেন না। তাঁদের প্রজন্ম কাতারে আরেকটা পরীক্ষা দিতে চাইবে। কিন্তু বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর থেকেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা কিছুই আর জানাচ্ছেন না।

মেসি এখনো মুখ খোলেননি। তবে গতকাল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ২০১৯ কোপা আমেরিকার আগ পর্যন্ত মেসিকে আর আর্জেন্টিনা দলে দেখা যাবে না। টিঅ্যান্ডটি স্পোর্টসের বরাত দিয়ে এ খবর জানানো হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে গুয়াতেমালা ও কলম্বিয়ার সঙ্গে যে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা আর্জেন্টিনার। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য এ দুই ম্যাচেই থাকবেন না মেসি। এমনকি অক্টোবরে সৌদি আরবে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচটিও খেলার ব্যাপারে অপারগতা জানিয়ে দিয়েছেন বর্তমান অধিনায়ক।
২০১৯ কোপা আমেরিকাতেও কি মেসিকে পাবে আর্জেন্টিনা? নাকি সে টুর্নামেন্টেও মেসিকে ছাড়াই খেলতে হবে আলবিসেলেস্তেদের? এর চেয়ে বড় প্রশ্ন, দলের প্রাণভোমরাকে ছাড়া দল সাজিয়ে নিতে পারবে তারা? কারণ, মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনার কী অবস্থা হয়, সেটি তো বিশ্বকাপের আগে স্পেনের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ৬-১ ব্যবধানের হারেই বোঝা গেছে!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় নানা আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত

আরাফাত হোসেন লিটন: হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, মুক্তিযুদ্ধের স্থপতি, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস নানা আয়োজনে দেবহাটায় পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার সকালে শোক র‌্যালি শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন ও গীতা পাঠের মাধ্যমে শোক দিবসের কার্যক্রম শুরু করা হয়। উপজেলা মুক্তমঞ্চ চত্তরে আলোচনা সভায় নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল-আসাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রাণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলহাজ¦ আ.ফ.ম রুহুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গণি, দেবহাটা থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আব্দুল লতিফ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নাজমুস শাহাদাত নফর বিশ^াস, যুগ্ন-সম্পাদক আনোয়ারুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল ওহাব, মুক্তিযোদ্ধাকালীন মুজিব বাহিনীর কমান্ডার আশরাফ আলী, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হাই রকেট, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন প্রাণি সম্পাদক অফিসার ডাঃ বিষ্ণপদ বিশ^াস, কৃষি কর্মকর্তা জসিমউদ্দীন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অরুপ কুমার, যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা অধির কুমার গাঈনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার। শেষে যুবঋণের চেক বিতরণ, সমাজসেবার পক্ষ থেকে হুইল চেয়ার, প্রতিবদ্ধীদের বিভিন্ন উপকরণ, মেধাবী ও দারিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা বৃত্তি এবং রচনা, চিত্রাঙ্কন, উপস্থিত বক্তব্য, কুইজ প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। দেবহাটা প্রেসক্লাব: দেবহাটা প্রেসক্লাবে নানা আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তেন সভাপতি আব্দুল ওহাবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি রাশিদুল আলম রাশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান শাওন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মোমিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, নির্বাহী আবু হুরাইয়া, মীর খায়রুল আলম প্রমূখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদস্য এসএম নাসির উদ্দীন, আজিজুল হক আরিফ, আব্দুর রব লিটু, কবির হোসেন, এমএ মামুন, আরাফাত হোসেন লিটন সহ সহযোগী সদস্যরা। কুলিয়া ইউনিয়ন: কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ইউপি চেয়ারম্যান ইমাদুল ইসলামের নের্তৃত্বে বর্ণাঢ্য শোক র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গণি। বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সম গোলাম মোস্তফা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল মোমিন, ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলাম, রওনাকুল ইসলাম রিপন, অচিন্ত কুমার, প্রেম কুমার প্রমুখ। এছাড়া কুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামলীগের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস ও সাধারণ সম্পাদক বিধান বর্মণের নেতৃত্বে শোক র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক আজাহারুল ইসলাম, কুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, মোজাফ্ফর হোসেন খোকন প্রমুখ। পারুলিয়া ইউনিয়ন: পারুলিয়াস্থ উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে র‌্যালি ও দোয়া অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শোক দিবস পালিত। উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয় থেকে শোক র‌্যালি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে আলোচনা অনুষ্ঠানে সমাবেত হয়। এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবর রহমান, সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষসহ সর্বস্থরের আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নের্তৃবৃন্দ। এদিকে পারুলিয়ায় শহীদ আবু রায়হান এর মাজার সংলগ্নে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন বিশ^াস আবারার নেতৃত্বে দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরশাদ আলী, প্রচার সম্পাদক নারান চন্দ্র, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আজিজ, আলহাজ¦ রফিকুল ইসলাম, সদস্য ওহিদুল ইসলাম, উপজেলা তাঁতিলীগের সভাপতি সাইফুজ্জামান প্রিন্স, সাবেক উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, সাবেক স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান কেল্টু, সখিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত আলী, আওয়ামীলীগ নেতা ফরহাদ হোসেন, রাজু আহম্মেদ প্রমুখ। এছাড়া পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন ব্লক সুপারভাইজার উপ-সহকারি কৃষি অফিসার আহম্মদ সাঈদ, ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন হিরা, সালাউদ্দিন সরাফি, গোলাম ফারুক হোসেন, সাহেব আলী, শহিদুল্লাহ গাজী, বানু আল কাদেরী, হামিদা পারভীন, নারগিছ পারভীন, হামিদা পারভীন, যুবলীগ নেতা শেখ তাজুল ইসলাম তাজু প্রমুখ। সখিপুর ইউনিয়ন: উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে শোক দিবস পালিত হয়েছে। সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সচিব গোলাম রব্বানী, ইউপি সদস্য মোকলেছুর রহমান, আকবর আলী, পরিতোষ বিশ্বাস, আব্দুল করিম, জগন্নাথ মন্ডল, নির্মল কুমার, মোনাজাত আলী, আবুল হোসেন, হাফিজুল ইসলাম সহ গ্রাম পুলিশ বৃন্দ। সখিপুরের ঈদগাহ বাজারে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল হান্নানের নির্দেশনায় ৭ ও ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আয়োজনে পালিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি হারুন-অর-রশিদ, বিজন কুমার ঘোষ, নওয়াব আলী, আরশাদ আলী, ইউপি সদস্য মোনাজাত আলী ও আবুল হোসেন, হাফিজুর রহমান হাফিজ, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুর রব লিটু, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রুহুল আমিন খোকন, মঈনউদ্দীনসহ সর্বস্থরের জন সাধারণ। অন্যদিকে, সখিপুরের ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের কামটা বটতলা মোড়ে ইউপি সদস্য নির্মল কুমার মন্ডলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল গাজী, বাবুর আলী, নবাব আলী গাজী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য গোলাম রসুল, অরবিন্দ, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আব্দুস সবুর, সাধারণ সম্পাদক আনারুল, সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ গাজী, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শাহিন উল্লাহ, নুর ইসলাম পুটে, আরিবুল্লাহ গাজী, মনিরুজ্জামান। ৮নং ওয়ার্ডের পাকড়াতলা মোড়ে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আমিরুল ইসলামের উদ্যোগে শোক দিবস পালিত হয়েছে। এছাড়া সখিপুর মোড়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সরদার আমজাদ হোসেন, মিজানুর রহমান সহ বিভিন্ন পর্যয়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। সখিপুর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আয়োজনে সখিপুর কাঁকড়া সমিতির সামনে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলামের উদ্যোগে শোক দিবস পালিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম প্রমূখ। নওয়াপাড়া ইউনিয়ন: উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বাঙ্গালী জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। গাজীরহাটস্থ নওয়াপড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যালয় হতে শোক র‌্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলুর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাহেব আলীর সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম ঘোষ, ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ইমান আলী, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মামুন, ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য আবুল কাশেম, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য নুরুজ্জামান সরদার, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ, যুগ্ন-সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম ময়না, ইউনিয়ন পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আনিসউজ্জামান বকুল, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সুধান বর, সাধারন সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আনারুল ইসলাম, শ্রমিকলীগের মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ছাব্বির হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, যুবলীগনেতা আমিনুর রহমান বাবু প্রমূখ। নওয়াপাড়া ডায়মন্ড ক্লাবের আয়োজনে ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি কাছেদ আলীর সভাপতিত্বে সকাল ৭টায় ১ মিনিটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এসয় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়, তাপস রায়, সাইফুল ইসলাম আবু, জাফর বাবুল, জহুরুল ইসলাম, বকুল, সেলিম হোসেন, আবু হাসান প্রমূখ। সদর ইউনিয়ন: দেবহাটা সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে শোক দিবস পালিত হয়েছে। দেবহাটা বাজারে, সদর ইউনিয়ন পরিষদেসহ বিভিন্ন স্থানে শোক র‌্যালী ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদক আনারুল হক, আব্দুর রউফ, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আনিস সরদারসহ বিভিন্ন স্থরের নের্তৃবৃন্দ। এছাড়া টাউনশ্রীপুরস্থ সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে শোক দিবস পালিত হয়েছে। সভাপতি আবুল কাশেমের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কার গাজী, অধ্যাপক ডাঃ আনিসুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, মিহির কুমার মন্ডল, ডাঃ নিমাই চন্দ্র মন্ডল, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। এদিকে উপজেলার রাসেল স্মৃতি সংসদ চত্বরে আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল রউফের নেতৃত্বে শোক দিবসে কুরআন খাতম ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম।

দেবহাটার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শোক দিবস পালিত
দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। দিবসকে ঘিরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শোক র‌্যালী, আলোচনাসভা, চিত্রাঙ্কন, ভিডিও প্রদর্শন, উপস্থিত বক্তব্য, বঙ্গবন্ধুর জীবন আর্দশ নিয়ে রচনা, কুইজ প্রতিযোগীতা ও দোয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার সখিপুরস্থ হাজী কেয়ামউদ্দীন মহিলা কলেজে যথাযথ মর্যাদায় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সকাল ৬টায় কোরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচীর শুরু হয়। কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন কলেজের প্রতিষ্ঠা সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সালামতুল্লাহ গাজী, আব্দুল মাজেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামসেদ আলম, শেখ বাবুর আলী, আবু জাফর। এরসময় সকল কর্মসূচীর তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনা প্রদান করেন কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম ও উপাধাক্ষ্য আব্দুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কর্মসূচীর আহবায়ক জাহাঙ্গীর কবির সহ সকল শিক্ষক, কর্মচারী, একাদশ, দ্বাদশ ও ¯œাতক বর্ষের ৪৫০জন শিক্ষর্থী। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ কারীদের পুরস্কার বিতরণ ও একজন দরিদ্র-মেধাবী ছাত্রীকে বাই সাইকেল প্রদান করা হয়। সখিপুর হাই স্কুল: দেবহাটায় সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। আলোচনা সভায় সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ তহিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন ও অন্যান্য সদস্য উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক ইয়াকুব আলী, আলমগীর কবির, নির্মল কুমার গাইন, শাহিনা আখতার, রেকসোনা তরফদার, মনিকা রানী বসু প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৭১, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে পাঁচ মাদক মামলা ব্যবসায়ী ও জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর আরফিুল ইসলাম ও ছাত্র শিবিরের সহ-সভাপতি আজারুল ইসলামসহ ৭১ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
উদ্ধার করা হয়েছে ১৪১ বোতল ফেন্সিডিল, ৭২ পিচ ইয়াবা, একটি ওয়ান শুটার গান, এক রাউন্ড গুলি, জিহাদী বই, গঠনতন্ত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিলসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ১৭ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ২৫ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৭ জন, তালা থানা ৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ১৪ জন, শ্যামনগর থানা ৯ জন, আশাশুনি থানা ৭ জন,দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পল্লীমঙ্গল স্কুল অ্যান্ড কলেজে জাতীয় শোক দিবস উদযাপন

সাতক্ষীরা পল্লীমঙ্গল স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকীতে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকণ, রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার সকাল ৯টা থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে চিত্রাংকণ ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় প্রতিষ্ঠানের হলরুমে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সহ:প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম, শিক্ষকদের মধ্যে অনিমা দাস, মনোতোষ কুমার দাঁসহ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের জেনারেল, ভোক: ও কলেজ (বি.এম) শাখার সকল শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। সভায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর জীবনী তুলে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা ও দোয়া মোনাজাত করেন প্রতিষ্ঠানের সিনি: শিক্ষক মোঃ আব্দুল হামিদ আল হাফিজ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের জাতীয় শোক দিবস পালন

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় নানা কর্মূুচির মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি শোক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
র‌্যালি শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য রিফাত আমিন, পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জোছনা আরা প্রমুখ। আলোচনাসভা শেষে কাঙালি ভোজের খাবার বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে শোকদিবস উপলক্ষ্যে আলোচনাসভা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাঙ্গালি জাতিস্বত্ত্বার স্বাধিকার অর্জনই ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন সংগ্রামের এক ও অভিন্ন লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি জীবনব্যাপী জেল জুলুম অত্যাচার সহ্য করেছেন। প্রতিবাদী ভাষা দিয়ে তিনি পাকিস্তানিদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছেন। তাদেরকে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলেছেন। সেই প্রতিবাদী মানুষ হিমালয়তুল্য মানবসন্তান যিনি মহীরুহের মতো আমাদের মাথায় ছাতা ধরেছিলেন সেই বীর পুরুষকে হত্যা করে কাপুরুষরা নিন্দিত ও ঘৃণিত হয়ে বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর হয়েছে। তারা ফাঁসির রজ্জুতে ঝুলেছে আর না হয় বর্জ্যে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিক জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদের এ সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আবদুল বারী সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী , সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আনিসুর রহিম, দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নুর ইসলাম, সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম মিনি, প্রেসক্লাব সহসভাপতি আবদুল ওয়াজেদ, প্রবীন সাংবাদিক অরুন ব্যানার্জি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest