সর্বশেষ সংবাদ-
Решения для обеспечения доступности сайта Lev Casino и партнерские возможностиসাজিদ এন্টারপ্রাইজের পক্ষ থেকে জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে সংবর্ধনাОбзор LEV Gambling Enterprise: разработка, игры, безопасность и опыт игроковPinco yüklə onlayn kazino oynamaq – əsl uduşların portalıশ্যামনগরে বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যুসৌদি আরবের সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরার ২৫ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ উল আযহাসাতক্ষীরায় অসহায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ সম্মানি বিতরনআশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং : মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানাম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী: উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদDigital Fairness in the Age of Big Tech

মাঠের বাইরে আনুশকাই অধিনায়ক

স্পোর্টস ডেস্ক: মহেন্দ্র সিং ধোনির কাছ থেকে বিরাট কোহলির হাতে অধিনায়কত্ব যাওয়ার পর থেকেই ভারতীয় ক্রিকেটে যেন এক নতুন যুগের শুরু হয়েছে। শুধু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সই নয়, দলকেও দারুণ সব সফলতা এনে দিয়েছেন কোহলি। তবে প্রতাপশালী অধিনায়কের ক্ষমতা শুধু মাঠে সীমাবদ্ধ, মাঠের বাইরে তার অধিনায়ক স্ত্রী আনুশকা শর্মা!

মাঠের বাইরে কোহলির জীবনের পুরোটাই নেতৃত্ব দেন তার সহধর্মিনী। এমনটা জানিয়েছেন কোহলি নিজেই। তার মতে, মাঠের ভেতরে কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তিনি কিন্তু মাঠের বাইরে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেন না কোহলির ব্যক্তিগত অধিনায়ক।

ভারতীয় টিভি চ্যানেল স্টার স্পোর্টসের সাক্ষাৎকারমূলক অনুষ্ঠান ‘ক্রিকেট লাইভে’ এসে এ কথা জানান কোহলি।

তিনি বলেন, অবশ্যই সে (আনুশকা শর্মা) মাঠের বাইরের অধিনায়ক। আমার জীবনের সকল সঠিক সিদ্ধান্ত সে-ই নিয়ে থাকে। সে আমার শক্তি এবং আমাকে সবসময় ইতিবাচক রাখে। একজন জীবনসঙ্গীর মাঝে আপনি এই জিনিসটাই খুঁজবেন। তাকে পেয়ে আমি অনেক বেশি কৃতজ্ঞ।

মাঠের ভেতরের ক্রিকেট খেলাটাও খুব ভালো বোঝেন আনুশকা, এমনটাই জানান ভারতীয় অধিনায়ক। কোহলি বলেন, সে ক্রিকেটের প্রতি অনেক বেশি আসক্ত। খুব ভালোভাবেই ক্রিকেট খেলা বোঝে সে এবং প্রত্যেক খেলোয়াড়ের আবেগের ব্যাপারটাও ধরতে পারে। কোন পরিস্থিতিতে একজন খেলোয়াড় কী ভাবছে তা বুঝতে পারে আনুশকা। এটি দুর্দান্ত একটি গুণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদিতে অভ্যুত্থানের ডাক : ক্ষমতা নিতে চাচাত ভাইকে যুবরাজের অনুরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি বাদশাহ সালমানকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে দুই চাচাত ভাইয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির নির্বাসিত এক যুবরাজ। ওই যুবরাজ বলেছেন, তিনি অভ্যুত্থানের ডাক দেয়ার পর এর সমর্থনে দেশটির পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অনেক সদস্যের কাছ থেকে ই-মেইলে সাড়া পেয়েছেন।

প্রিন্স খালেদ বিন ফারহান অপর দুই যুবরাজ আহমেদ বিন আব্দুলআজিজ ও মুকরিন বিন আব্দুলআজিজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সৌদি রাজপরিবার ও দেশের যে ক্ষয়-ক্ষতি বাদশাহ সালমানের নিয়ন্ত্রণহীন, নির্বোধ ও খামখেয়ালিপনা শাসনের মাধ্যমে হয়েছে তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইকে দেয়া এক স্বাক্ষাৎকারে প্রিন্স খালেদ এসব মন্তব্য করেন। সৌদি আরবের এই যুবরাজ ২০১৩ সাল থেকে জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যদি যুবরাজ আহমেদ এবং মুকরিন ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে রাজপরিবার, নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর ৯৯ শতাংশ সদস্য তাদের পাশে দাঁড়াবে।’

যুবরাজ খালেদ সৌদি রাজপরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন এক সদস্য। ক্ষমতার উত্তরাধিকারী নির্ধারণের ব্যাপারে রিয়াদ অত্যন্ত সংবেদনশীল। রাজপরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও উত্তরাধিকারের লড়াইয়ে অংশ নিতে পারেন এবং খালেদে সেই চেষ্টা করছেন।

সৌদি এই যুবরাজ বলেছেন, বাদশাহ সালমানের জীবিত বড় ভাই মাহমুদ বিন আব্দুলআজিজ সম্প্রতি এক বিবৃতিতে পুরো রাজপরিবারে বড় ধরনের অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেন।

খালেদ বলেন, ‘রাজপরিবারের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। আমি এই তথ্য পাওয়ার পর বাদশাহ সালমানের উচ্চশিক্ষিত দুই ছেলে আমার চাচাত ভাই আহমেদ এবং মুকরিন; যারা ভালো বুদ্ধিমান এবং আরও ভালো পরিবর্তন আনতে সক্ষম তাদের অনুরোধ জানিয়েছি। আমি বলেছি, আমরা সবাই তাদের সঙ্গে আছি এবং তাদের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে।’
সৌদি যুবরাজ আহমেদ আব্দুলআজিজ দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার প্রতি নিরাপত্তাবাহিনী ও উপজাতিদের গুরুত্বপূর্ণ অংশের সমর্থন এখনো রয়েছে। এছাড়া যুবরাজ মুকরিন ২০১৫ সালের এপ্রিলে মোহাম্মদ বিন নায়েফের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ক্রাউন প্রিন্স নিয়োগ পেয়েছিলেন। পরে ২০১৭ সালের জুনে তাকে সরিয়ে মোহাম্মদ বিন সালমানকে ক্রাউন প্রিন্স হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। সৌদি এই যুবরাজ বিদেশি গণমাধ্যমে সংক্ষেপে ‘এমবিএস’ নামে পরিচিত।প্রিন্স খালেদ বলেছেন, ‘তিনি অভ্যুত্থানের ডাক দেয়ার পর এর সমর্থনে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অনেক সদস্যের কাছে থেকে ই-মেইল পেয়েছেন। আমি তাদের এসব মেইলে বুঝতে পেরেছি যে, সৌদি আরবের বর্তমান পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য তারা দাবি জানানোর পরিবর্তে প্রিন্স আহমেদ বিন আব্দুলআজিজের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

গত এপ্রিলে রাজধানী রিয়াদের রাজপ্রাসাদে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনার পর বাদশাহবিরোধী অভ্যুত্থানের যে ডাক উঠেছে তা নিয়ে রহস্য দেখা দিয়েছে। ওই সময় রাজপ্রাসাদের সামনে বিনা অনুমতিতে উড়তে থাকা একটি ‘খেলনা ড্রোনে’ গুলি চালিয়ে ভূপাতিত করা হয় বলে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়া হয়।

কিন্তু সৌদি আরবের মুজতাহিদ ছদ্মনামের এক ব্লগার বলেছেন, ‘দুটি এসইউভি গাড়িতে করে ভারী অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রাজপ্রাসাদে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারী গোলাগুলিতে ছয় নিরাপত্তাকর্মী ও দুই হামলাকারী নিহত হয়েছেন।

রাজপ্রাসাদে গোলাগুলির এ ঘটনার পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে দীর্ঘদিন ধরে দেখা যায়নি। রাশিয়া ও ইরানের বেশ কিছু গণমাধ্যমে বলা হয়, অভ্যুত্থান চেষ্টার সময় গুলিতে মারা গেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে মৃত্যুর গুঞ্জন উড়িয়ে দিতে সম্প্রতি যুবরাজের কার্যালয় থেকে আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের তার একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। তবে এই ছবি কত তারিখে কোন সময় তোলা হয়েছে সে ব্যাপারে কোনো তথ্য দেয়নি যুবরাজের কার্যালয়।

প্রিন্স খালেদ বলেছেন, ‘মূল ঘটনাকে আড়াল করতে ড্রোনের গল্প সাজানো হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, মোহাম্মদ বিন সালমানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এটি প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা নয় বরং তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মাত্র।’

তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘এমবিএস’ যদি ক্ষমতায় থাকেন, তাহলে অভ্যুত্থান এড়ানো যাবে না। ‘আমি ইউরোপীয়দের বলতে চাই, সৌদি আরবের পরিস্থিতি আগ্নেয়গিরির রূপ ধারণ করেছে; যা বিস্ফোরণের মুখে রয়েছে। যদি এটি ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে শুধু সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ অথবা আরব অঞ্চলের পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলবে না; ইউরোপের ওপরও প্রভাব ফেলবে।’

খালেদ বলেন, সৌদি আরবে বিভিন্ন প্রজন্ম, উপজাতি, অঞ্চল ও ওয়াহাবীসহ বিভিন্ন মতাদর্শের সংমিশ্রণ রয়েছে। রাজপরিবারের বাইরে যদি অভ্যুত্থান শুরু হয়, তাহলে সৌদি কর্তৃপক্ষ ইসলামের কঠোর ওয়াহাবী ব্যাখ্যা অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করবে; যা সহজেই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রে পরিণত হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘সৌদি আরবে সন্ত্রাসী সেল ঘুমন্ত অবস্থায় অাছে এবং ওয়াহাবী মতাদর্শ একটি মৌলবাদী মতাদর্শ। এরা হচ্ছে সেই ইসলামপন্থী, যারা সবচেয়ে বেশি ভয়ের কারণ ইউরোপীয় এবং মার্কিনিদের জন্য। সুতরাং সৌদি আরবে যদি গোলমাল শুরু হয়ে যায়, তাহলে বিশ্বজুড়ে গোলমাল শুরু হবে এবং সৌদি আরব এ ধরনের সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করায় পুরো বিশ্বের সন্ত্রাসবাদের উৎস হবে দেশটি।’

সৌদি আরবের দুর্নীতিবিরোধী ধরপাকড়ের সময় ব্যাপক নিপীড়নের ব্যাপারে কথা বলেছেন খালেদ। রাজপরিবারের অনেক সদস্যকে গ্রেফতারের পর অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছেন যুবরাজ এমবিএস।

খালেদ বলেন, সাবেক বন্দিরা এখনো মুক্ত নয়। তাদের পায়ে মনিটরিং ডিভাইস বসানো হয়েছে। মোবাইল ফোন মনিটরিং করা হচ্ছে। এমনকি রাজ্যের বাইরে যেতে দেয়া হচ্ছে না তাদের। তারা অপমানজনক পরিস্থিতিতে বসবাস করছেন।

দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে প্রিন্স খালেদ বলেন, ‘প্রতিনিধি নির্বাচনের একক ক্ষমতা বাদশাহর, এতে কারো কোনো ক্ষমতা নেই। তবে নতুন কোনো বাদশাহ এলে সব পরিস্থিতির পরিবর্তন আসবে।’

বাদশাহ সালমানের প্রতি নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রিন্স খালেদ। তার মিসরীয় মাকে তালাক দিতে বাদশাহ সালমান খালেদের বাবাকে বাধ্য করেছিলেন বলে জানান তিনি। বাদশাহকে বর্ণবাদী হিসেবে উল্লেখ করে সৌদি এই যুবরাজ বলেন, তার বোনের কুয়েতি স্বামীকেও তালাক দিতে বাধ্য করেছিলেন বাদশাহ।
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সম্প্রতি বলেন, আগামী ৫০ বছর দেশ শাসন থেকে তাকে বিরত রাখতে পারে একমাত্র মৃত্যু। প্রিন্স খালেদ বলেন, আমি তাকে একটি প্রশ্ন করতে চাই। সে কী সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে চুক্তি করে নিয়েছে যে, ৫০ বছর বেঁচে থাকবে। এটার নিশ্চয়তা সে কীভাবে দিতে পারে?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শুক্রবার শান্তিনিকেতনে বৈঠকে বসছেন হাসিনা-মোদি-মমতা

ন্যাশনাল ডেস্ক: শান্তিনিকেতনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী শুক্রবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন উপলক্ষে শান্তিনিকেতনে মিলিত হচ্ছেন তারা। এসময় বহুল কাঙ্ক্ষিত তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তির ব্যাপারে মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা হতে পারে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে সকাল ৮টায় কলকাতার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার। ভিভিআইপি ফ্লাইটে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর হেলিকপ্টার যোগে সকাল নয়টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদি কলকাতা ছাড়বেন। পরে সেখান থেকে বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেবেন তারা।

বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক সবুজ কলি সেন সেখানে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদিকে অভ্যর্থনা জানাবেন। পরে শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করবেন।

এর আগে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্বের প্রতীক হবে বাংলাদেশ ভবন।’

তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশ এবং ভারতের সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে। বাংলাদেশ ভবনে বৈঠকে বসবেন শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি।

পরে রাজধানী নয়াদিল্লির উদ্দেশে কলকাতা ত্যাগ করবেন শেখ হাসিনা। আবারো কলকাতা ফিরে শনিবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরবেন তিনি। নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী শেখ হাসিনাকে বিদায় জানাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাগেরহাট-৩ উপনির্বাচনে নৌকা পেলেন খালেকের স্ত্রী

রাজনীতির সংবাদ: বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনের উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে খুলনা সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের স্ত্রী হাবিবুন নাহারকে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ

আজ সোমবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খুলনা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তালুকদার আবদুল খালেক। সেই আসনে উপনির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কেনা ও জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল আজ। হাবিবুন নাহার ছাড়া আর কেউ মনোনয়ন ফরম না কেনায় তাঁকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়। আগামী ২৬ জুন মোংলা ও রামপাল নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-৩ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন হাবিবুন নাহার। পরে দলের উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার কাছে জমা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্বামী ও খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক এবং দলের কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম কামালসহ খুলনার আওয়ামী লীগ নেতারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আবার দেখা হবে’ রোহিঙ্গা শিশুদের প্রিয়াঙ্কা চোপড়া(ভিডিও)

ন্যাশনাল ডেস্ক: কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ঢাকা থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে সেখান থেকে সড়কপথে ইনানীর একটি হোটেলে ওঠেন।

এরপর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া মেরিনড্রাইভ সড়ক হয়ে টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর ডায়রিয়া ট্রিটম্যান্ট সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং সেখানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন।

‘ফ্যাশন’ খ্যাত বলিউডের নামজাদা এই অভিনেত্রী শুধু একজন অভিনেত্রীই নন, তিনি জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) শুভেচ্ছা দূত। আর এরই সুবাদে আজ রোহিঙ্গাদের পাশে এসে দাঁড়ান তিনি।

পরিদর্শনের সময় রোহিঙ্গা শিশুরা প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। প্রিয়াঙ্কা চোপড়াও কথা বলেন হাসিমুখে। শিশুদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বাংলায় কথা বলেন তিনি। তাদের পড়াশুনার খোঁজ-খবর নেন। যাওয়ার সময় শিশুরা প্রিয়াঙ্কার হাত ধরে দৌঁড়াতে থাকে। প্রিয়াঙ্কা ওদের বলেন, ‘শুকরিয়া। খোদা হাফেজ। ফির মিলেঙ্গে (আবার দেখা হবে)।’ এ সময় শিশুদের পড়াশোনা করতেও বলেন তিনি।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ১৯ মে ব্রিটিশ রাজপরিবারের আমন্ত্রণে প্রিন্স হ্যারি আর মেগান মার্কেলের রাজকীয় বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে তিনি দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে আজ সকালে ঢাকায় আসেন। ঢাকায় এসে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া লিখেন, ‘রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু ক্যাম্পে যাচ্ছি। আমার ইনস্টাগ্রামে সেখানকার সব অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। আমাকে অনুসরণ করতে থাকুন। এ বিষয়টি নিয়ে বিশ্বের ভাবা উচিত। আমাদেরও ভাবতে হবে।’

কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র আফরাজুল হক টুটুল জানান, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে চারদিনের সফরে বাংলাদেশ এসেছেন। কাল মঙ্গলবার সকালে প্রথমে তিনি টেকনাফের সাবরাং খারীয়াখালী, লেদা ও উনছিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। এরপর বিকেলে উখিয়ার বালুখালী ও জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। বুধবার উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন প্রিয়াঙ্কা। বৃহস্পতিবার সকালে (২৪ মে) কক্সবাজার ত্যাগ করবেন এই বলিউড অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিবপুরে উন্মুক্ত বাজেট ও উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুরে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে সোমবার সকালে উন্মুক্ত বাজেট ও উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স ও সেভ দ্য চিলড্রেন’র টেকনিক্যাল সহযোগিতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হাই, রওশন আরা বানু, মজনুর রহমান গাজী, মহাদেব চন্দ্র সরকার, আজহারুল ইসলাম, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র সিএফএলজি প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান, উপজেলা ফ্যাসিলিটিটর মো. মাসুম বিল্লাহ সোহাগ প্রমুখ।

শিশু বান্ধব স্থানীয় সুশাসন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে জনপ্রতিনিধিরা ৯টি ওয়ার্ডের উপস্থিত শিশু সদস্য ও এলাকাবাসীর বিভিন্ন চাহিদা ও দাবী উপস্থাপনার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে ওয়ার্ডবাসী ও ৯টি ওয়ার্ডের শিশু প্রতিনিধিরা তাদের নিজ এলাকার রাস্তাঘাট, কালভার্ট, শিশু নির্যাতন, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি প্রভৃতি উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের উপর উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। জনগণের মুখোমুখি হয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সকলের প্রস্তাবনা ও আলোচনার ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

শিশু ও প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ রেখে পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, বাল্যবিবাহ ও যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে ইউনিয়ন পরিষদের অগ্রনী ভূমিকা রাখতে সভায় জনপ্রতিনিধিদের সাথে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। শিশুসহ এলাকাবাসী রাস্তাঘাট, স্যানিটেশন, স্কুল, কমিউনিটি ক্লিনিক এর অব্যবস্থাপনা সহ আরো নানা ধরনের সমস্যা ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

সমগ্র সভাটি উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আমিনুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর তাঁতীলীগের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা পৌর তাঁতীলীগের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ৪ রমজান শহরের পলাশপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পৌর তাঁতীলীগের সভাপতি নুরজাহান সাদিয়ার সভাপতিত্বে পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর ০৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আনিছ খান চৌধুরী বকুল, পৌরসভার ০৮ ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, জেলা যুবলীগ নেতা কাজী আক্তার হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি মীর আজহার আলী শাহীন, জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি মাহমুদ আলী সুমন, পৌর যুবলীগের মেহেদী আলী সুজয়, পৌর তাঁতীলীগের সহসভাপতি কাজী ওবায়েদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাংবাদিক মো. মাসুদ আলী, সৈয়দ হোসেন ইমাম, ০৯ নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, ০৮ নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের সভাপতি আকাশ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নাঈম হোসেন, ০৫ নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পলাশপোল জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পৌর তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় উদ্বোধন করা হলো মহানুভবতার দেওয়াল

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘তোমার যা প্রয়োজন নেই তা এখানে রেখে যাও, তোমার যা প্রয়োজন তা এখান থেকে নিয়ে যাও’ স্লোগান নিয়ে সাতক্ষীরায় উদ্বোধন করা হলো ‘মহানুভবতার দেওয়াল’।
সোমবার (২১ মে) সোমবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে ঝড়ে পড়া শিশুদের নিয়ে কাজ করা মজার পাঠশালা এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ আনিসুর রহিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘মহানুভবতার দেওয়াল’র উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক পত্রদূতে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লাইলা পারভিন সেজুতি, সাতক্ষীরা বিআরটিএ’র সহকারি পরিচালক তানভির আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মজার পাঠশালার পরিচালক আব্দুর রহিম।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার আহসানুর রহমান রাজীব, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমিরে সাধারণ সম্পাদক গাজী আসাদ, সহ-সভাপতি শামছুন্নাহার মুন্নি, সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ হাসান, প্রচার সম্পাদক নূরুহ হুদা, নিবার্হী সদস্য বাহলুল করিম, মফিজুল ইসলাম, মজার পাঠশালার শাহরিয়ার সোহাগ, সৈয়দা মায়শা নওশীন প্রমুখ।
অনুুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই কাজের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে মানবতার সৃষ্টি হবে। একে অন্যের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি হবে। নিজের অব্যবহৃত খেলনা, জামা-কাপড়, খাতা-কলমসহ বিভিন্ন উপকরণ এখানে রেখে দিবে। এবং যার নেই এবং প্রয়োজন সে এখান থেকে নিয়ে যাবে। শুধু তাই নয় এই দেওয়ালে রেখে যাওয়া বিভিন্ন উপকরণ সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest