সর্বশেষ সংবাদ-
ঈদ উল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শোসাতক্ষীরায় চার দিন ধরে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রীর মেলেনি সন্ধান : দিশেহারা পরিবারসাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ইফতারি বিতরণসাতক্ষীরা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের ইফতারদেবহাটার দর্জিরা আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেনবেতনা ও মরিচ্চাপ নদী রক্ষায় টিআরএম বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনদেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ইটভাটায় অনুমতি ছাড়া কাঠ পোড়ানোর অভিযোগ !

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই কৃষি জমি নষ্ট করে জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করে চলছে মিনি ভাটায় ইট পোড়ানোর কাজ। ফলে ভাটা সংলগ্ন লোকালয়ের পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইটভাটা তৈরিতে আবেদন পত্রের সঙ্গে নির্দিষ্ট ফি জমা দেওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালকের অনুমোদনের পর জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করতে হয়। এরপর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাসহ পাঁচ সদস্যের কমিটি তদন্ত করে জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন। প্রতিবেদনপক্ষে গেলে ওই ব্যক্তি ভাটা নির্মাণ করতে পারবেন। নীতিমালায় লোকালয়ের বাইরে এক একরের বেশি ও তিন একরের কম জমি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া কেউ ইটভাটা নির্মাণ করতে পারবেন না। ভাটায় জ্বালানী কাঠের ব্যবহার ও কৃষি জমির মাটি ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি। তাছাড়া বর্তমানে পরিবেশ বান্ধব ঝিকঝাক ভাটা ছাড়া পুরাতন পদ্ধতিতে ভাটার অনুমোদন দেওয়া হয়না।
সরেজমিনে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের শাহাপুর জামাইঘাটায় যেয়ে দেখা গেছে বালিয়াডাঙা বাজার থেকে নেঙ্গীগামী রাস্তার বাম পাশে গড়ে তোলা হয়েছে একটি মিনি ইটভাটা। সেখানে কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন কেএম১৭ ব্রাণ্ডের ইট তৈরি করছেন। ইট তৈরির কাজে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫জন শ্রমিক কাজ করছেন। ইট পোড়াতে কয়লা নয়, ব্যবহৃত হচ্ছে ফলজ ও বনজ গাছের গুড়ি ও ডাল।
শাহাপুর জামাইঘাটায় কেএম ব্রাণ্ডের ইট প্রস্তুতকারি শ্রমিক কালিগঞ্জ উপজেলার শঙ্করপুর গ্রামের আব্দুল মাজেদ তরফদারের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩২), একই গ্রামের মনসুর কাগুচীর ছেলে মুজিবর রহমান(৪৫), রামনগর গ্রামের হযরত কাগুচির ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন(৪০) ও মিজানুর রহমান (৫০) জানান, পার্শ্ববর্তী সাপমারা খাল ও খালের পার্শ্ববর্তী কৃষি জমির উপরের অংশের মাটি কিনে তারা ভাটায় নিয়ে এসে যন্ত্রের মাধ্যমে ইট তৈরির মাটি প্রস্তুত করে থাকেন। মজুরি বাবদ মাটি প্রস্তুত থেকে শুকানো পর্যন্ত তারা প্রতি হাজারে নয়শত টাকা দেওয়া হয়। ইট পোড়াতে আম, জাম, খেজুর, নারিকেল, কাঁঠাল, সৃষ্টিফুল গাছের গুড়ি ও ডাল ব্যতীত কোন রকম কয়লা ব্যবহার করা হয় না। গত বছর থেকে এ ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে। বছরে ছয় মাস এ ভাটায় কাজ চলে।
শাহাপুর জামাইঘাটার রমজান আলী, স্কুল ছাত্র তকিবর রহমান, গৃহবধু ফাতেমা খাতুনসহ কয়েকজন জানান, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ২০১৭ সাল থেকে তিনি জামাইঘাটায় লোকালয়ের মধ্যে কৃষি জমিতে মিনি ভাটা তৈরি করে জ্বালানি কাঠ দিয়ে ইট পোড়াচ্ছেন। এ ভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তর বা উপজেলা প্রশাসনের কোন অনুমতি নেই। কৃষি জমি নষ্ট করে লোকালয়ের মধ্যে এ ভাটা নির্মাণ করায় ধোঁয়ায় নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ ও প্রতিবেশ। প্রতিবাদ করেও কোন লাভ হয় না। লোকালয়ের পাশে এ ভাটা হওয়ায় গাছপালা শুকিয়ে যাচ্ছে। এমনকি ভাটায় কাঠ ব্যবহার হওয়ায় এলাকায় বনজ ও ফলজ গাছ কমে যাচ্ছে। এখনি এ ভাটা বন্ধ না করা গেলে আগামিতে পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব পড়বে। প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই মোশাররফ হোসেন এ ধরণের ভাটা পরিচালনা করে আসছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
জানতে চাইলে কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন জানান, তিনি গত বছর থেকে মিনি ভাটায় ইট পোড়াচ্ছেন। জ্বালীনী কাঠ পোড়ানো ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ইট পোড়ানোর কথা অস্বীকার না করেই বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড় পাওয়ার জন্য তিনি সম্প্রতি আবেদন করেছেন।
কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মঈনুদ্দিন হাসান জানান, মোশাররফ হোসেনের ভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তর বা জেলা প্রশাসনের কোন অনুমোদন নেই। বিষয়টি অবগত রয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনবল সংকটের কারণে ইচ্ছা থাকার পরও ওইসব ভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা সম্ভব হয় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের নতুন আহবায়ক নাসিম ॥ যুগ্ম আহবায়ক তৌহিদ

সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ১৮ এপ্রিল’১৮ তারিখে কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শওকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক খগেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ স্বাক্ষরিত এক পত্রে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম কে আহবায়ক ও শেখ তৌহিদ হাসানকে যুগ্ম আহবায়ক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা সংস্কার আন্দোলন: মামলা প্রত্যাহারে ৭ দিনের আল্টিমেটাম

সরকারী চাকুরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিল বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। আজ বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উল্লিখিত সময়ের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার করা না হলে সারাদেশে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।

লিখিত বক্তব্যে পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরুল হক বলেন, ‘অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলার কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা হয়রানি আশঙ্কা করছেন। আগামী সাত দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করলে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করা হবে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ও উপাচার্যের বাসায় ভাঙচুরের ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়েছে। মামলার শুরু থেকেই আন্দোলনকারীরা আশঙ্কা করছিল, এসব মামলায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের হয়রানি শিকার হতে পারেন।

বিভিন্ন মহল থেকে হুমকি-ধামকির কথা উল্লেখ করে নূরুল হক আরও বলেন, ‘আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারীদের নানারকম ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী এবং সক্রিয় ভূমিকা পালনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনুরোধ করছি।’

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেন, রাশেদ খানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসায় হামলার ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর, ছবি, ভিডিও এবং তথ্য নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বানও জানান তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহাভারতের যুগেও ইন্টারনেট ছিল ভারতে- ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

লক্ষ বছর আগে ভারতেই প্রথম ইন্টারনেটের আবির্ভাব ঘটেছিল বলে জানিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

আগরতলায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে রেশন শপ চালানোর ব্যাপারে একটি কর্মশালার ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘সঞ্জয় কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় মাঠে না গিয়েও যুদ্ধের সম্পুর্ণ বিবরণ ধৃতরাষ্ট্রকে শুনিয়েছিলেন। এটার মানে হল, তখনও আমাদের দেশে ইন্টারনেট প্রযুক্তি ছিল।’’ ভারতে বহু দিন আগে উপগ্রহের অস্তিত্বের কথাও জানান ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী।

বিপ্লব বলেন, ‘‘আমি গর্বিত যে, আমি এমন এক দেশে জন্ম নিয়েছি যা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেক উন্নত।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় পানিতে ডুবে এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার তালায় পানিতে ডুবে শুভশ্রী মুখার্জী (৬) নামে এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার গোপালপুর গ্রামে এ ঘটনটি ঘটে। নিহত স্কুল ছাত্রী গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী ও তালা উপজেলার মাগুরা চরগ্রামের শঙ্কর মুখার্জীর মেয়ে।
তালা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের তপন হালদার জানান, তার জামাতা শঙ্কর মুখার্জী বেনাপোল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে চাকুরি করেন। এ জন্য নাতনি শুভশ্রী মুখার্জীকে তার বাড়িতে রেখে গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করান। বেলা ১১ টার দিকে তিনি বাড়ির পাশে গোপালপুর খালে গোসল করতে গেলে শুভশ্রী তার সঙ্গে যায়। গোসলের এক পর্যায়ে তিনি শুভশ্রীকে না পেয়ে বাড়িতে চলে আসেন। বাড়িতে না পেয়ে খালে সন্ধান চালানোর একপর্যায়ে কয়েকজন জেলের সহায়তায় শুভশ্রীকে কাদা-পানির মধ্যে দাঁড়ানো মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে ডাক্তারা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান শুভশ্রীর মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাবি থেকে এশা’র বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার; ‘রগ কাটার ঘটনা ঘটেনি’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশার জন্য স্বস্তির খবর। তার ওপর থেকে সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে ঢাবি। কবি সুফিয়া কামাল হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান জানান, সুফিয়া কামাল হলের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি বুধবার (১৮ এপ্রিল) আইনশৃঙ্খলা কমিটির কাছে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে রগ কাটার কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এশা সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হলেন। রগ কাটার অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হলো।

বুধবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে ঢাবি উপাচার্য বলেছেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী কবি সুফিয়া কামাল হলে রগ কাটার কোনও ঘটনা ঘটেনি। যেহেতু রগ কাটার কোনও ঘটনা ঘটেনি, তাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হল ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশার সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে।’

এশাকে শারীরিকভাবে হেনস্তার ঘটনায় জড়িত ২৬ জন শিক্ষার্থীর নাম হল কর্তৃপক্ষ শৃঙ্খলা কমিটিতে জমা দিয়েছে বলেও জানান ঢাবি উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে এই ২৬ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রগ কাটার ঘটনা না হয়ে থাকলে মোর্শেদা খানম কীভাবে আহত হয়েছিলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাবি উপাচার্যের ভাষ্য, ‘মোর্শেদা নিজেই বলেছে যে, সে নিজেই আঘাত পেয়ে পা কেটেছে। আর সে কীভাবে আহত হয়েছে তা আমার চেয়ে সে-ই ভালো বলতে পারবে। তাকে জিজ্ঞাসা করলেই যথাযথ উত্তর পাওয়া যাবে।’

এশাকে হেনস্তার ঘটনা কি পূর্বপরিকল্পিত? নাকি তেমন পরিস্থিতি হঠাৎ সৃষ্টি হয়েছে? জানতে চাইলে ঢাবি উপাচার্য কোনও কথা বলতে রাজি হননি।

গত ১১ এপ্রিল রাতে কবি সুফিয়া কামাল হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশার বিরুদ্ধে হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোর্শেদা খানমের পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে এ ঘটনা ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা রাতে কবি সুফিয়া কামাল হলের সামনে এসে এশাকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। সেদিন এ ঘটনায় হলের ভেতরের ছাত্রীরাও আন্দোলনে ফেটে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলে প্রক্টরিয়াল টিম নিয়ে প্রক্টর একেএম গোলাম রব্বানী এলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়ে তাৎক্ষণিক মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে এশাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

একইসঙ্গে এশাকে ছাত্রলীগ থেকেও বহিষ্কার করা হয়। পরে ১২ এপ্রিল ছাত্রলীগ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী এশা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় ১৩ এপ্রিল ছাত্রলীগ এশার বহিষ্কারাদেশ তুলে নেয়। তাকে হেনস্তা করার অভিযোগে ১৬ এপ্রিল মোর্শেদা খানমসহ ২৪ ছাত্রলীগ নেত্রীকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে জমির মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিড়ম্বনায় বহু জমি মালিক

মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনিতে জমির মালিকানা পরিবর্তন (নামপত্তন) নিয়ে বিড়ম্বনায় ভুগছেন বহু জমির মালিক। ৪৫ দিনের মধ্যে নামপত্তন সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও ৫ থেকে ৬ মাস অপেক্ষা করেও নামপত্তন হাতে পায়নি উপজেলায় এমন জমি মালিক আছে প্রায় ২শতাধিক। এদের মধ্যে অনেকেই ভুগছেন বিভিন্ন অসুখে। এসকল অসুস্থ্য ব্যক্তিদের কিছু মানুষের ইচ্ছা জমির নামপত্তন হয়ে গেলেই জমিটা রেজিস্ট্রি করে চিকিৎসার জন্য ভারতে যাবে বা ভালো ডাক্তার দেখিয়ে শরিরের পরীক্ষা গুলো করাবে। কেউ কেউ আবার জমি ক্রয়ের জন্য বড় অংকের টাকা দিয়ে অপেক্ষায় আছে কবে নামপত্তনের কাজ হয়ে যাবে এবং জমিটা রেজিস্ট্রি করে নিতে পারবে। প্রায় সাড়ে ৪ মাস নামপত্তনের জন্য অপেক্ষা করে অবশেষে বুধহাটা বাজারের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম প্রতিবেদককে জানান, তিনি একটা জমি ক্রয়ের জন্য টাকা দিয়ে রেখেছেন কিন্তু নামপত্তনের জন্য জমিটা রেজিস্ট্রি করতে পারছেন না। ৫মাস অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর তার জমির নাপত্তনের খোজখবর নিতে আসা জৈনক ব্যক্তি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, জমির নামপত্তনটা হয়ে গেলে রেজিস্ট্রি করে দিয়ে টাকা নিয়ে বাবাকে ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করাতে চেয়েছিলাম কিন্তু মনে হচ্ছে সেটা আর সম্ভব হবে না কারন বাবার অবস্থা খুবই খারাপ। এ বিষয়ে কথা বললে বুধহাটা ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কর্মকর্তা মোস্তফা মনিরুজ্জামান বলেন, নামপত্তনের কাজ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) অফিসের। এব্যাপারে আমাদের কিছু করনিয় থাকে না। একাধিক ভূক্তভোগির বক্তব্য সরকারি খরজের দ্বিগুন টাকা দিয়ে তারা প্রত্যেকে কোন না কোন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে নামপত্তন কেচ ফাইল করে সেখানেই জমা দিয়েছিলেন। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিজাবে রহমত বলেন, নামপত্তনের ফাইলগুলো তদন্তের জন্য নায়েব সাহেবদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আমি যখন আছি সব কাজ হয়ে যাবে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফ্ফারা তাসনীনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, নতুন আসছে উনাকে একটু সময়তো দেওয়া লাগবে। উপজেলার সচেতন মহলের বক্তব্য যে ফাইল গুলোর সমস্যা আছে সেগুলো হয়তো দেরি হতে পারে কিন্তু অন্য গুলোর তো এত দেরি হওয়ার প্রশ্নই আসে না। নামপত্তন বিড়ম্বনা নিরসনে জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগিরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিকের গালে রাজ্যপালের চড়, ভারত জুড়ে তোলপাড়

সংবাদ সম্মেলনের মধ্যেই এক সিনিয়র নারী সাংবাদিকের গালে চড় মেরে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন ভারতের তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল বনওয়ারিলাল পুরোহিত। পরে রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়ে যাওয়ায় এবং এই ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে রাজ্যপালকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি ওঠায় বাধ্য হয়েই ক্ষমা চেয়ে নেন রাজ্যপাল।

গতকাল মঙ্গলবার রাজ্যটির রাজভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সম্প্রতি যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগে বিরুদ্ধনগরের এক নারী অধ্যাপককে আটক করা হয়। অভিযুক্ত ওই নারী অধ্যাপক জানান তিনি রাজ্যপালের খুব কাছের মানুষ। এদিন তার ভিত্তিতেই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেন রাজ্যপাল। সেখানেই অন্য সংবাদ কর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চেন্নাইয়ের (দ্য উইক) পত্রিকার স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট লক্ষী সুব্রম্মনিয়াম। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, সাংবাদিকরা ভিত্তিহীন প্রশ্ন করছেন। সংবাদ সম্মেলন শেষের পরই রাজ্যপাল ওই নারী সাংবাদিককে চড় মারেন বলে অভিযোগ।

ঘটনার পরই ওই নারী সাংবাদিক ট্যুইট করে রাজ্যপালের চড় মারার ছবিটি আপলোড করে দেন। একইসঙ্গে রাজ্যপালের এই ব্যবহারে খুব মর্মাহত হন বলেও জানান তিনি। এরপরই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। গণমাধ্যমের কর্মী ও রাজনীতিকদের মধ্যেও বিষয়টি শোরগোল পড়ে যায়। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে চিঠি লিখে রাজ্যপালকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবিও তোলা হয়।

এরপরই সুব্রাম্মনিয়ামকে লেখা চিঠিতে রাজ্যপাল ক্ষমা চেয়ে নেন। তিনি জানান, ‘আমি আপনাকে আমার নাতনি হিসেবেই আপনার গালে আদর করে চড় মেরেছি। স্নেহ বা ভালবাসা থেকেই এই চড়টি মেরেছিলাম এবং একজন সাংবাদিক হিসেবে আপনার দক্ষতাকে প্রশংসা জানাতেই এই কাজটা করা হয়েছিল। কারণ আমিও একটা সময় প্রায় ৪০ বছর এই সাংবাদিকতার পেশায় ছিলাম’।

পরে ওই নারী সাংবাদিকও ট্যুইট করে চিঠি পাঠিয়ে রাজ্যপালের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি গ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest