সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগশ্যামনগরের নীলডুমুরে ঘাটে হার্ডওয়্যার দোকান থেকে বিশাল আকৃতির অজগর সাপ উদ্ধার‘অথবা তুমি আমি’ নাটকে আলোচনায় ইভানা২৯ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীকানাডা পশ্চিম বিএনপির বিতর্কিত কার্যক্রম ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভশ্যামনগরে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা : সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্রসাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবিদেবহাটা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সৌজন্য সাক্ষাৎলবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিতে সাতক্ষীরার কৃষি, টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ার আহ্বানআদালতের আদেশ অমান্য করে বাঁশদহে পৈত্রিক জমি জবর দখলের অভিযোগ

‘আ’লীগ ছাড়া নির্বাচন করলে কী পরিস্থিতি হবে সবই জানেন ইনু’

আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন করলে কী পরিস্থিতি হবে সবই জানেন হাসানুল হক ইনু। তিনি (হাসানুল হক ইনু) এর আগেও আওয়ামী লীগ ছাড়া যে নির্বাচন করেছেন তখন কী পরিস্থিতি শিকার হয়েছিলেন তা ইনু ভুলে যাননি।

উল্লেখ্য, বুধবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে কুষ্টিয়ার মিরপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে জাসদের এক জনসভায় জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে বলে‌ছেন, আপনারা ৮০ পয়সা থাকতে পারেন। আপনি এক টাকার মালিক না। যতক্ষণ একটাকা হবে না ততক্ষণ ক্ষমতা পাবেন না। আপনি ৮০ পয়সা আর এরশাদ, দিলীপ বড়ুয়া, মেনন আর ইনু মিললে তবেই এক টাকা হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি না থাকি তাহল ৮০ পয়সা নিয়ে রাস্তায় ফ্যা ফ্যা কর ঘুরবেন। এক হাজার বছরেও ক্ষমতার মুখ দেখ‌বেন না। সুতরাং ঐক্য করছি জাতির জন্য, দেশের জন্য, মানুষের জন্য। সবই ঐক্যের ফসল হিসাবে আজ শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত শেখ মজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারী হেরিটেজের স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা বিতরণ অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। বলেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৪ দলের সম্বনয়ক মোহাম্মদ নাসিমের কাছে ইনুর বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগ থেকে জানতে চাওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ১৪ দল আমাদেরই একটি অঙ্গ সংগঠন। দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে সব ঠিক হয়ে যাবে। তার বক্তব্যে কারণ কী তা জানা গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে। অনেক সময় তিনি আত্মতৃপ্তির জন্য ডেকু তোলেন। পরে আবার ঠিক হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. রুহুল হক এমপিকে গর্বিত সাতক্ষীরাবাসীর উষ্ণ সংবর্ধনা

মো. বশির আহমেদ : ‘বাংলাদেশের প্রথম পরমাণু প্রকল্পÑ রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে অসামান্য অবদান রাখায়’ গর্বিত সাতক্ষীরাবাসীর পক্ষ থেকে সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্্রতী বাংলাদেশ আওয়ামীগের উপদেষ্টা ম-লীর সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রফেসর ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপিকে উষ্ম সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সার্কিট হাউজের হল রুমে সর্বস্তরের পেশাজীবীদের উপস্থিতিতে তাকে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. বশির আহমেদের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন প্রফেসর ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডাঃ কাজী হাবিবুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালের চিত্রের সম্পাদক আবু আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এস এম শওকত হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ওসমান গনি পিপি, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, সদর উপজেলা আ ’লীগ নেতা শেখ মাসুম, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মিনি, শরিফুল্লাহ কায়সার সুমন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ওয়াহিদুজ্জামান টিটু, হিরণ, ফারিব আজমীরসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ পৌছে গেছে উন্নয়নের মহাসড়কে। সরকার অন্যান্য বিভাগের মতো বিদ্যুৎ বিভাগেও এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে। তার অনন্য প্রমাণ বাংলাদেশের প্রথম পরমাণু প্রকল্প রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন। যা বর্তমান সরকারের অধিনেই সম্পন্ন হতে চলেছে। এটি স্বাধীনতার পর আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন প্রকল্প। আগামী মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশ নেত্রী শেখ হাসিনা যাকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে দলের পক্ষে কাজ করার আজবান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নজরুল ইসলাম ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র প্রশংসা করে বলেন, “রুহুল হক সাহেবের যোগ্যতাই তাকে জননেত্রী শেখ হাসিনার এত আস্থাভাজন করে তুলেছে। ডা. রুহুল হক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই তিনি শুধু সাতক্ষীরা বা বাংলাদেশের নন, তিনি একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব। আমরা সাতক্ষীরাবাসী তাকে পেয়ে গর্বিত। আমরা চাই আগামীতেও তার মাধ্যমে সাতক্ষীরার অসম্পূর্ণ উন্নয়ন কর্মকা- সম্পন্ন হোক।”

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার বলেন, “আমি নিজে দেখেছি আমার নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডা. রুহুল হককে কতটা গুরুত্ব দেন এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের কাছে ডা. রুহুল হকের গুরুত্ব কতটা। আমরা সাতক্ষীরাবাসী এমন একজন নেতাকে পেয়ে সত্যিই গর্বিত। ডা. রুহুল হক এমপি সাতক্ষীরা জেলার সবচেয়ে সম্মানিত মানুষ। আমরা তাকে আরও সম্মানিত দেখতে চাই।”

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপিকে সম্মাননা জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন হাথুরুসিংহে

চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চুক্তি ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তার অধীনে বাংলাদেশ ক্রিকেটবিশ্বের নতুন পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ওয়ানডে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল খেলেছেন মাশরাফিরা।

হাথুরু প্রায়ই বলেন, ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে এই বাংলাদেশকে দিয়ে তিনি ক্রিকেট বিশ্বকে আরেকবার চমকে দিতে চান। যাওয়ার আগে এই বাংলাদেশকে ১৯৯৬ সালের ‘শ্রীলঙ্কা’ বানিয়ে যেতে চান।

তবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে বিসিবির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। খবরটি প্রকাশ পেয়েছে ক্রিকইনফোতে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড চন্ডিকা হাথুরুকে কোচ হিসেবে পেতে চায়। দুপক্ষ ইতিমধ্যে সমঝোতায় এসেছে। তবে গত বছর অক্টোবরেও পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই কোচ।

মার্চে শ্রীলঙ্কা সফরে যেয়ে হাথুরু আবার নিজ দেশে ফেরার কথা বলেন। ওই সময় ক্রিকইনফোর সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছিলেন, ‘যদি শ্রীলঙ্কা আমাকে স্মরণ করে, তাহলে অবশ্যই আমি ফিরবো।’

বিসিবি এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করবে কী না, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। কোচ এবং কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ক্রিকইনফোর শ্রীলঙ্কা প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধির নামে প্রকাশিত এক যৌথ প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুস্মিতা সেনের ছবি ভাইরাল

কেউ বা সিক্স প্যাক আবার কেউ বা এইট প্যাক। এভাবেই পেটের মাংসপেশি বা সুগঠিত অ্যাবস তৈরির প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে বলিউডে। যে প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন সালমান খান, জন আব্রাহাম, শাহরুখ খান, আমির খানের মতো তারকারা। সুঠাম দেহের পাশাপাশি এই অ্যাবস যেন শরীরে যোগ করে বাড়তি আকর্ষণ। এবার নায়ক নন, বলিউডের নায়িকাও নেমেছেন সেই প্রতিযোগিতায়। প্রতিযোগী হলেন ‘বিবি নাম্বার ১’ খ্যাত তারকা সুস্মিতা সেন। এনডিটিভির খবরে প্রকাশ, শরীরচর্চার মাধ্যমে নিজের সুগঠিত পেটের ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার দিয়েছেন তিনি। যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গেছে ইন্টারনেট দুনিয়ায়।

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার দেওয়া ছবির ক্যাপশনে সুস্মিতা লেখেন, ‘আমার ৪২তম জন্মদিনের মাস শুরুর আগেই, আমি আমার শরীরকে যেমনভাবে চাই, ঠিক তেমনভাবে তৈরি করার জন্য আবারও প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেছি। অনেকে বলবেন এটা সম্ভব নয়। আমি এটাকে খুবই সহজ মনে করি এবং শুধু করে দেখাতে চাই। আমার শরীর… আমার আইন। প্রত্যেকটি বছর আমি উদযাপন করতে চাই একটি লাইন দিয়ে। সেটা আমার শরীরের ওপর হতে পারে অথবা আমার চেহারার ওপর। আমি তাদের অর্জন করেছি।’

বর্তমানে আরব আমিরাতের শারজাতে অবস্থান করছেন সুস্মিতা। ১৯৯৪ সালে মিস ইউনিভার্সের খেতাব জেতা সুস্মিতা একজন ‘সিঙ্গেল মাদার’। তাঁর দুই মেয়ে আলিশা ও রিনি। সুস্মিতা সেন এ পর্যন্ত অভিনয় করেছেন ‘বিবি নাম্বার ১’, ‘ফিলহাল’, ‘ম্যায় হু না’-এর মতো বেশকিছু জনপ্রিয় ছবিতে। তাঁকে সর্বশেষ দেখা গেছে একটি বাংলা চলচ্চিত্রে। ২০১৫ সালে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের নির্বাক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে আপাতত এই তারকার হাতে কোনো ছবি নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগে বৃটিশ সরকারের প্রতি আহ্বান

প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বৃটেনের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং নিরাপদে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করতে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে বৃটিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান ঢাকায় সফররত বৃটেনের লেবার পার্টির এমপি লাকি মারিয়া পাওয়েলের নেতৃত্বে দেশটির একটি প্রতিনিধিদল। সেখানে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী আলম বৈঠকে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সামরিক জান্তার নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বৃটিশ সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সে দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি রোহিঙ্গা জনগণের ওপর নির্যাতন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে বৃটিশ সরকারকে উৎসাহিত করতে অনুরোধ জানান এবং আগামী ১৩ই নভেম্বর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার ইস্যুতে তৃতীয় কমিটির প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন প্রদানের আহ্বান জানান।

বৃটিশ প্রতিনিধিদলটি বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করে এ বিষয়ে সমস্যা সমাধানে তাদের সরকার, হাউজ অব কমনস অ্যান্ড পিপল’র সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলে আশ্বাস প্রদান করে। পাশাপাশি বৈঠকে দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, ২০১৮ সালের প্রথমদিকে লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন, ব্রেক্সিট ইস্যু এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য ভূমিকার বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেল করায় শিক্ষকের বাড়িতে আগুন দিল শিক্ষার্থী!

এসএসসির টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে আকমল হোসেন নামের এক শিক্ষকের বাড়িতে আগুন দিয়েছে এক ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী। বুধবার (৮ নভেম্বর) পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার বিকেলে ঈশ্বরদী থানায় দেয়া শিক্ষক আকমল হোসেনের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত এসএসসি পরীক্ষায় বাঘইল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০৯ জন শিক্ষার্থী টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ৯৩ জন উত্তীর্ণ হয় এবং ১৬ জন অকৃতকার্য হয়। এই অনুত্তীর্ণ শিক্ষাথীদের একজন মোবাইলে কয়েকদিন ধরে শিক্ষক আকমল হোসেনকে হুমকি দিচ্ছিল। ওই শিক্ষার্থীর বক্তব্য ছিল, ‘তুই অঙ্কে ফেল করিয়েছিস; তোকে দেখে নেব’।

শিক্ষক আকমল হোসেনের বাড়ি চাটমোহর উপজেলায় হলেও, সম্প্রতি তিনি স্কুলের কাছেই জমি কিনে থাকার মতো একটি ঘর করেছেন। সেখানেই বসবাস করতেন তিনি। বুধবার সকালে এ ঘরটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় শিক্ষার্থী।

এর আগে মোবাইলে হুমকির কারণে ওই শিক্ষক ঘটনার দিন বাড়িতে ছিলেন না। আশপাশের মানুষজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও জিনিসপত্র রক্ষা করতে পারেনি। বাড়ির আসবাবপত্রসহ সবকিছু পুড়ে গেছে।

ওই শিক্ষকের দেয়া লিখিত অভিযোগটি তদন্তের জন্য থানা থেকে পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আলমগীর হোসেনের কাছে দেয়া হয়েছে। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সন্দ্বীপের বিচ্ছেদ, আবার বিয়ে করবেন কারিশমা

বলি পাড়ায় জোর গুঞ্জন চলছিল শিগগির নিজের প্রেমিক মুম্বাইয়ের ব্যবসায়ী সন্দ্বীপ তশনিওয়ালের সঙ্গে আবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেন কারিশমা কাপুর। কিন্তু কতটা তাড়াতাড়ি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন, তাঁরা তা নিশ্চিত করে বলতে পারছিলেন না। কারণ কারিশমার আইনগতভাবে বিচ্ছেদ হলেও সন্দ্বীপ ছিলেন বিবাহিত। তাই আইনের একটা বাধা ছিল সন্দ্বীপের জন্য। যদিও সন্দ্বীপেরও বিচ্ছেদের কথা চলছিল। অবশেষে আইনগতভাবে বিচ্ছেদ সম্পন্ন হলো সন্দ্বীপের। তাই দুজনের বিবাহ আবদ্ধ হতে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না।

মুম্বাই মিররের বরাত দিয়ে ডিএনএ ইন্ডিয়ার খবরে প্রকাশ, ২০১০ সালে স্ত্রী দন্তচিকিৎসক আশরিতার সঙ্গে আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন সন্দ্বীপ। যেখানে নিজের স্ত্রীকে সিজোফেনিয়ার রোগী বলে আখ্যা দেন সন্দ্বীপ। অন্যদিকে সন্দ্বীপকে ব্যভিচারী হিসেবে অভিযুক্ত করেন আশরিতা। আদালতের বাকবিতণ্ডা রূপ নেয় নোংরা এক লড়াইয়ে।

সন্দ্বীপ-আশরিতা দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। একটি সন্তানের বয়স ১২ বছর এবং অপরজনের বয়স নয় বছর। বিচ্ছেদের পর দুটি সন্তানেরই আইনগতভাবে দায়িত্ব পেয়েছেন আশরিতা। বিচ্ছেদের জন্য প্রত্যেক সন্তানকে ভরণপোষণের খরচ হিসেবে তিন কোটি রুপি করে দিতে হয়েছে সন্দ্বীপকে। এ ছাড়া আশরিতা নিজেও পেয়েছেন দুই কোটি রুপি।

এর আগে কারিশমা বিয়ে করেন সঞ্জয় কাপুরকে। সঞ্জয়-কারিশমার বিচ্ছেদের পর সঞ্জয় বিয়ে করেন প্রিয়া সাচদেবকে। কারিশমা ও সন্দ্বীপ দুজনেই নিজেদের সম্পর্কের ব্যাপারে ভীষণ খোলামেলা। প্রায়ই তাঁদের একসঙ্গে বিভিন্ন পার্টিতে অংশ নিতে দেখা যায়। যেহেতু সন্দ্বীপের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, তাই দ্রুতই কাপুর খানদানের সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছেন সন্দ্বীপ তশনিওয়াল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাচারকারীদের চোখ রোহিঙ্গা শিশুদের দিকে

ঝড় থেমে গেলে যেমন সবকিছু শান্ত হয়ে আসে, ঠিক তেমনি অবস্থা বিরাজ করছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সেনাবাহিনীর নির্যাতন-হামলা-ধর্ষণের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে উপকূলবর্তী বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের। কিন্তু নূর আলমের চোখে-মুখে সেই স্বস্তি নেই; কারণ গত দুদিন ধরে তিনি তাঁর ছয় বছরের মেয়েটিকে খুঁজে পাচ্ছেন না।

নূর আলমের মেয়ে ফাতিমা পাহাড়ের পাদদেশে ঘরের কাছেই ল্যাট্রিনের কাছে বসে খেলাধুলা করছিল, সর্বশেষ তাকে সেখানেই দেখা গেছে। কিন্তু তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রচণ্ড রোদের মধ্যে খুঁজতে খুঁজতে হাঁপিয়ে ওঠা নূর আলম ক্রোধের স্বরেই বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলছিলেন, ‘কেউ আমার মেয়েটার কোনো খবর দিতে পারছে না।’ এ সময় নূর আলমের পাশে বসে ছিলেন বাকরুদ্ধ, ক্লান্ত তাঁর স্ত্রী।

‘আমার খুব ভয় হচ্ছে, কেউ যদি আমার মেয়েকে বিক্রি করে দেয়, অন্য কোথাও নিয়ে যায়। অনেকেই আমাকে বলেছে, এখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে’, যোগ করেন নূর আলম।

নূর আলমের এই ভয় অমূলক নয়।

নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বিপদসংকুল নদী ও সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে গত দুই মাসে ছয় লাখের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, যারা কক্সবাজারের বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। এই শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া বিপন্ন জনগোষ্ঠীর ওপর নারী ও শিশু পাচারকারীদের লোলুপ দৃষ্টি রয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) মিয়ানমারের সেনা ও পুলিশ ক্যাম্পে হামলার জের ধরে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের খড়গ নেমে আসে। সেখান থেকে পালিয়ে রোহিঙ্গারা অভিযোগ করেছেন, গ্রামের পুরুষদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে সেনাবাহিনী আর নারীরা প্রতিনিয়ত ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। সেনাবাহিনী সেখানে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে রয়েছে বৌদ্ধ মগরাও।

বলপূর্বক বাস্তুচ্যুতির এই ঘটনা রোহিঙ্গাদের বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘দেশহীন জনগোষ্ঠীতে’ পরিণত করেছে। জাতিসংঘ এই ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী’ উদাহরণ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছে।

মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত হয়ে যেসব রোহিঙ্গারা আসছেন তাদের প্রতি ১০ জনের ছয়জনই নারী ও শিশু। এই সুযোগটিকেই কাজে লাগানোর জন্য ওত পেতে বসে আছে পাচারকারীরা। নারী ও শিশুদের গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগের প্রলোভন দিচ্ছে। এর মধ্যে আবার হাজারো শিশু রয়েছে, যারা রাখাইনের সংঘাতপূর্ণ অবস্থার মধ্যে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী জনস্রোতে ভেসে বাংলাদেশে এসেছে। এদের অনেকেরই বাবা-মা মারা গেছে, অনেকে আবার পরিবারকে হারিয়ে ফেলেছে।

জাতিসংঘের শিশু অধিকার রক্ষাবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রধান জেন লিবি বলেন, ‘এটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ একটি অবস্থা। যে কোনো তরুণী পাচারকারীদের ফাঁদে পা দিয়ে ফেলতে পারেন।’

পাচারকারীরা

রোহিঙ্গা যুবক নাজির আহমেদ দুই মাস আগে শরণার্থী ক্যাম্পের ভেতর একটি তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করেন। তাঁর কাজ হচ্ছে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া। এখন পর্যন্ত এমন এক হাজার ৮০০ হারিয়ে যাওয়া শিশুকে বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন নাজির।

নাজিরের তথ্যকেন্দ্রের সম্বল হচ্ছে একটি কাঠের টেবিল আর একটি মাইক। তিনি বলছিলেন, ‘রোহিঙ্গারা এখানে নতুন এসেছে। তাদের জন্য এই জায়গাটা নতুন। অনেক বাচ্চাই নিজেদের ঘর থকে একটু দূরে গেলেই পথ হারিয়ে ফেলে। আর ফিরে আসতে পারে না।’

একদিন সকালে রয়টার্সের প্রতিবেদক তথ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান সেখানে নাজির আহমেদের চেয়ারের পাশে হারিয়ে যাওয়া দুটি বাচ্চা বসে আছে। মাইকে নাজির বলছেন, ‘রোহিঙ্গা ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে, হারিয়ে যাওয়া দুটি শিশু পাওয়া গেছে, তারা এখন আমাদের কাছে আছে।’

শিশুদের বর্ণনা দিতে গিয়ে নাজির অব্যাহতভাবে মাইকে বলছিলেন, ‘তাদের গায়ে লাল ও হলুদ টি-শার্ট রয়েছে। একজনের পরনে প্যান্ট নেই, আরেকজনের হাতে একটি খেলনা রয়েছে। কেউ যদি শিশু দুটিকে শনাক্ত করতে পারেন তাহলে তাদেরকে নিয়ে যেতে পারবেন।’

সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নাজির শিশুদের নাম বলছিলেন না। কারণ, এটা হচ্ছে শিশুদের পাচারকারীদের হাত থেকে বাঁচানোর কৌশল। বাবা-মাকে এসে শিশুটিকে শনাক্ত করার জন্য ঠিকমতো নাম বলতে হয়, পাশাপাশি শিশুটিকেও আচরণের মধ্য দিয়ে নিশ্চিত করতে হয় যে, আগতরা তার বাবা কিংবা মা।

শুধু হারিয়ে যাওয়া বাচ্চাদের খুঁজে দেওয়াই নয়, নাজির আহমেদ ক্যাম্পের বাসিন্দাদের নারী ও শিশু পাচারকারীদের সম্পর্কেও সচেতন করছেন। এই তো একদিন আগেই সকালবেলা ফুটপাত থেকে একটি শিশুকে চুরির চেষ্টা করছিল। বাচ্চার আচরণে বোঝা যাচ্ছিল ওই ব্যক্তি তার পরিবারের না। পাশের দোকানে বাচ্চাটির আত্মীয় কেনাকাটা করছিল, নাজির সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে তাকে বিষয়টি জানান।

নাজির বলছিলেন, ‘আমরা সব বাবা-মাকেই সতর্ক করে দিয়ে বলছি, এখানে পাচারকারী আছে, তারা যেন তাদের বাচ্চাদের প্রতিমুহূর্ত দেখে রাখে।’

কিছুক্ষণ পরেই নাজিরের সেই দুটি শিশু হারানোর ঘোষণার ফল ফলতে শুরু করল। হঠাৎ করেই একজন নারী এসে নাজিরের টেবিলের সামনে দাঁড়ালেন। লাল-টি শার্টওয়ালা শিশুটি সেই নারীর দিকে দুই হাত বাড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো অনবরত কাঁদতে শুরু করল।

শিশুটির মা দেলোয়ারা বেগম সন্তানকে পাওয়ার আবেগে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, ‘আমার সোনামানিককে আমি হারিয়ে ফেলেছিলাম। সেদিন সকালে সে তার বাবার পিছু পিছু গিয়ে হারিয়ে যায়।’

‘কেউ কেউ আমাকে বলেছে, ছেলেটি হয়তো মরে গেছে। কেউ বলেছে, হয়তো পাচারকারীদের হাতে পড়েছে। কিন্তু যখন জানতে পারলাম যে, আমার সন্তান এখানে আছে, আমি খুবই খুশি হই। মনে হচ্ছে, আমি যেন হাতে চাঁদ পেয়েছি’, যোগ করেন দেলোয়ারা।

শ্রমদাস

রোহিঙ্গা নারী ও শিশুরা যে বাংলাদেশে শুধু পাচারের ভয়ের মধ্যে আছে, তা নয়। ইউনিসেফ জানাচ্ছে, অনেক বাবা-মা তাদের সন্তানদের শ্রমদাস হিসেবে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে কক্সবাজারের বিভিন্ন মাছের আড়তেই যাচ্ছে বেশির ভাগ রোহিঙ্গা শিশু। মাছের মৌসুমের নয় মাসের জন্য শিশুপ্রতি মৎস্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে রোহিঙ্গা অভিভাবকরা ১৮ হাজার টাকা পাচ্ছেন। অর্থাৎ প্রতি মাসের একজন শিশুর শ্রম বিক্রি করে বাবা-মা দুই হাজার টাকা কামাই করছেন।

ইউনিসেফ ২০০৬ সালে সহিংসতার মধ্যে পালিয়ে আসা এমন ৪০০ শিশুকে স্কুলে পাঠানোর পাশাপাশি তাদের পরিবারকেও ছোটখাটো ব্যবসা করার সহযোগিতা দিয়েছে। জাতিসংঘের এই সংস্থা সাম্প্রতিক সময়ে যারা এসেছে তাদেরকে এই ধরনের নগদ সাহায্য দেওয়ার পক্ষে, কিন্তু লাখ লাখ রোহিঙ্গা পানি ও ওষুধের মতো জীবনদায়ী জিনিসের জোগান দিতেই তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পকেন্দ্রিক পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত ফাতেমার বাবা নূর আলম। তিনদিন টানা খোঁজাখুঁজির পর তিনি ফাতেমাকে কুতুপালংয়ের একটি রাস্তায় খুঁজে পান। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, ‘এই সময়ে আমার মেয়েটি সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য  দিতে পারেনি। মানসিকভাবে আমি খুব ভেঙে পড়েছিলাম। এখন আমি খুবই খুশি। আমি জানতেও চাই না, ফাতেমা কোথায় ছিল, কেন গিয়েছিল। আমি তাকে পেয়ে গেছি এটাই যথেষ্ট।’

(রয়টার্সের প্রতিবেদন অবলম্বনে অনুবাদ)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest