সর্বশেষ সংবাদ-
হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাWaarom Fairplay casino online inloggen de toekomst van gokken verandertMonster Casino et sports en ligne une alliance pour les amateurs de paris sportifs

রোহিঙ্গারা গণহত্যার শিকার, পাশে আছি বাংলাদেশের- বিশ্বনেতারা

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো হত্যা-নির্যাতনের ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) ৬৩তম সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা। তাঁরা দেশে ফিরে গিয়ে তাঁদের জাতীয় ও প্রাদেশিক পার্লামেন্টে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা উত্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
একই সঙ্গে চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সিপিএ সম্মেলনে বিশেষ রেজুলেশন (সিদ্ধান্ত প্রস্তাব) গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন সিপিএ চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকায় অনুষ্ঠেয় সিপিএ সম্মেলনে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কোনো এজেন্ডা না থাকলেও প্রতিনিধিদের বিশেষ আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে সিপিএর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। গতকাল রবিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সিপিএ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ব্রিফ করেন। এ সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমসহ সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্য জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্রিফিং শেষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এ বিষয়ে সিপিএভুক্ত দেশগুলোর জাতীয় ও আঞ্চলিক পরিষদে আলোচনা এবং মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানান। এ সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মতো সিপিএ সম্মেলনে একটি রেজুলেশন গ্রহণের অনুরোধ জানান। এরপর আলোচনায় অংশগ্রহণকারী ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিপিএ চেয়ারপারসনের প্রস্তাব অনুযায়ী রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে নিজ নিজ দেশের পার্লামেন্টে আলোচনার প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁরা বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের দেওয়া প্রস্তাবের আলোকে সিপিএ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের রেজুলেশন গ্রহণের পক্ষে ঐকমত্য প্রকাশ করেন।
এ সময় সিপিএ চেয়ারপারসন প্রস্তাবটি বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি এ বিষয়ে নির্বাহী কমিটিতে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে প্রতিনিধিদের জানান। ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, ‘যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তিতে বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী। রোহিঙ্গা সংকট মিয়ানমারের সৃষ্টি। তাদেরই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। মিয়ানমারের কারণে আজ আমরা সংকটের মুখোমুখি। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের কারণে আমাদের কঠিন চাপে পড়তে হয়েছে। এ সংকট নিরসনে আমরা আপনাদের সহযোগিতা চাই। ’ এ সময় অস্ট্রেলিয়ার লেবার পার্টির এমপি মার্গারেট কোয়ার্ক রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের নিন্দা জানানোর পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত ও চীন কিভাবে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছে? জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরের সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। চীন ইতিমধ্যে সহায়তা পাঠিয়েছে।

ব্রিফিং শেষে আলাপকালে বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্ট সদস্যরা বাংলাদেশের পক্ষে তাঁদের অবস্থানের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরেন। মালদ্বীপের স্পিকার আব্দুল্লাহ মাসেহ মোহাম্মদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে মিয়ানমারে এ ধরনের নির্যাতন হচ্ছে, যা জঘন্যতম মানবাধিকার লঙ্ঘন। এটা গণহত্যা। এটা বন্ধ করতে হবে। এ জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সিপিএ সম্মেলনে আমাদের প্রস্তাব পাস করতে হবে। ’

যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য জন ফকস বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ যা করছে তা প্রশংসার যোগ্য। মিয়ানমার যা করেছে তা যে গণহত্যা, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এই সম্মেলনে কোনো একটা প্রস্তাব না এনে বাংলাদেশ ত্যাগ করাটা বাংলাদেশের ওপর অবিচার করা হবে। সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা কক্সবাজারে গিয়ে রোহিঙ্গাদের দুরবস্থা দেখে আসতে পারেন বলে তিনি প্রস্তাব দেন। আগামী ২৩ নভেম্বর হাউস অব লর্ডসে তিনি বিষয়টি তুলবেন বলেও শ্রতিশ্রুতি দেন।

পাকিস্তানের পার্লামেন্ট সদস্য নাফিজা শাহ বলেন, ‘পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ইতিমধ্যে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার খর্বের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের প্রতি আমরা আমাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করি। বাংলাদেশ একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে, এ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাই। আমরা চাই মিয়ানমার সরকার দ্রুত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়াসহ সব অধিকার নিশ্চিত করবে। ’

সাউথ ওয়েলসের পার্লামেন্ট সদস্য মো. আজগর বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যাটি আমি বুঝি। বাংলাদেশের ওপর যে চাপ এখন চলছে সেটাও সহজে অনুমান করা যায়। এ বিষয়টি নিয়ে সম্মেলনে একটি প্রস্তাব আনা হোক। কমনওয়েলথ একটি বড় প্ল্যাটফর্ম, যেখান থেকে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা যেতে পারে। ’

কানাডার সিনেটর সালমা আতাউল্লাহজান বলেন, ‘মিয়ানমারে যা হয়েছে তা গণহত্যা। আমরা চাই, এ সমস্যার সমাধান হোক। বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়া হোক। ’ তিনি বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ব্যাপক প্রশংসা করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার ডেপুটি স্পিকার লেসা সেলোনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতি আমরা একাত্মতা প্রকাশ করি। রাখাইনের ঘটনার নিন্দা জানাই। ’ চলমান সংকট নিরসনে মিয়ানমারের প্রতি চাপ অব্যাহত রাখতে তিনি সব দেশের প্রতি আহ্বান জানান।

মালয়েশিয়ার পার্লামেন্ট সদস্য ড. মো. হাতা রামলি বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারে প্রতিনিধিদল পাঠাতে পারি। সেখানে আমাদের বার্তা পৌঁছাতে পারি, যাতে তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়। তাদের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে এবং সব ধরনের নির্যাতন বন্ধ করে। ’

ক্যামেরুনের এমপি নোয়াম তেবো জন বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতি আমরা আন্তরিক সহমর্মিতা জানাই। নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মহানুভবতা দেখিয়েছে। তবে বাংলাদেশের পক্ষে একা এই চাপ সহ্য করা কঠিন হবে। দ্রুত সংকট নিরসন হবে বলে আমি আশাবাদী। ’

এদিকে গতকাল দিনের কার্যসূচি শেষে বিআইসিসি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর ব্রিফিংয়ে রোহিঙ্গাদের ইতিহাস তুলে ধরেছেন। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের সে দেশের নাগরিক বলে অস্বীকার করলেও রোহিঙ্গারা যে সেখানে পার্লামেন্ট সদস্য ছিল তার তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরেছে। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পাঁচ দফা প্রস্তাবের আলোকে তিনি রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সিপিএ প্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করেন। বলেন, প্রতিনিধিদের সবাই এ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাঁরা রাখাইনে হত্যা-নির্যাতনের ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি তাঁরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেওয়া পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাজী নাবিল বলেন, ‘ইতিমধ্যে সিপিএ প্রতিনিধিদের অনেকেই কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। তার পরও যাঁরা ক্যাম্প পরিদর্শনে যেতে চান, তাঁদের জন্য জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সংকট নিরসনে ইতিমধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও সে দেশ সফর করেছেন। আমরা আশা করছি, দ্রুত এ সংকট নিরসন হবে। ’

সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি, তানভীর ইমাম ও পংকজ দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন।

এশিয়া গ্রুপের বৈঠক : সম্মেলন চলাকালে গতকাল বিকেলে এশিয়া গ্রুপের একটি রিজিওনাল বৈঠকেও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়। এ সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, এ সমস্যা মিয়ানমারের সৃষ্টি, তাই তাদেরই এর সমাধান করতে হবে। পূর্ণ নাগরিকের মর্যাদা দিয়ে নিঃশর্তভাবে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি মিয়ানমার সরকারের প্রতি চাপ বাড়াতে এশিয়াভুক্ত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুটি রেজুলেশন আকারে গ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝাল খাবার খাওয়া কি আদৌ উচিত?

ঝাল, মশলা সহযোগে বানানো খাবার ছাড়া তো আমাদের মুখেই উঠেনা। কিন্তু এমন খাবার খাওয়াটা কি আদৌ উচিত? এ বিষয়ে হওয়া গবেষণা এবং চিকিৎসকেদের মতামত নিয়ে আলোচনা করা হবে, তবে তার আগে জানার চেষ্টা চালাবো কেন আমরা এমন ঝাল খাবার খেতে পছন্দ করি।
বেশ কিছু কেস স্টাডিতে একটা কথা সামনে এসেছে যে ঝাল খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতাকে অনেকে রোলার-কোস্টার রাইডের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন।

আসলে সবই জানেন ঝাল খেলে হুস-ফাস করতে হবে। হবে অল্প-বিস্তর কষ্টও। তবু সেই অভিজ্ঞতা পেতে সবাই মুখিয়ে থাকেন। আর যদি বাঙালির কথা বলেন তো, তাহলে বলতে হয়, আমাদের জিনেই রয়েছে তেল-ঝালের প্রতি এক অমোঘ প্রেম। কিন্তু প্রশ্ন হল এমন ঝাল দেওয়া খাবার খেলে কি শরীরে বিবিধ অঙ্গের ক্ষতি হয়ে থাকে? গবেষকদের মতে ঝাল খাবার খেলে শরীরের নানা উপকার হয়। যেমন…

১. ওজন কমে:
একেবারে ঠিক শুনেছেন! নিয়মিত ঝাল খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকতে বাধ্য হয়। কারণ লঙ্কার শরীরে উপস্থিত ক্যাপসিসিন নামক উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর মেটাবলিজেম রেট এতটা বাড়িয়ে দেয় যে ফ্যাট জমার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে ফ্যাট বার্ন করার প্রক্রিয়াকেও ত্বরান্বিত করে।
ফলে ওজন বাড়ার কোনও আশঙ্কা কমে। প্রসঙ্গত, ঝাল খাবার খাওয়ার পর প্রায় ২০ মিনিট পর্যন্ত ক্যাপসিসিন শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদকে গলাতে থাকে। তাই তো চটজলদি ওজন কমাতে লঙ্কা দিয়ে বানানো ঝাল জাল খাবার খাওযার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
সমগ্র বিশ্বজুড়ে হওয়া একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যেসব দেশের নাগরিকেরা বেশি মাত্রায় ঝাল খেয়ে থাকেন, তাদের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। কারণ লঙ্কা দিয়ে বানানো ঝাল খাবার খেলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। সেই সঙ্গে হার্টের অন্দরে হওয়া ইনফ্লেমেশনও কমে। ফলে নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৩. ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে:
আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে কাঁচা লঙ্কায় উপস্থিত ক্যাপসিসিন, ক্যান্সার সেলেদের মেরে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ঝাল খাবার তৈরি করার সময় ব্যবহৃত হলুদ এবং সরষের তেলও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেয়। গবেষণা অনুসারে হলুদ এবং সরষের তেল ক্যান্সার সেলের গ্রোথ আটকাতে এবং টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, আমরা অনেকেই খাবারের স্বাদ বাড়াতে গোলমরিত ব্যবহার করে থাকে। এই মশলাটিও ক্যান্সার রোগের প্রতিরোধে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

৪.ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে:
ঝাল খাবার খাওয়া মাত্র সারা শরীর গরম হয়ে যায়। ফলে রক্তের প্রবাহ বাড়ে যাওয়ার কারণে রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রায় নেমে আসতে সময় নেয় না। প্রসঙ্গত, লঙ্কায় উপস্থিত ভিটামিন এ এবং সি-ও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাকে মজবুত করতে এবং সংক্রমণকে দূরে রাখতেও সাহায্য় করে।

৫. মানসিক অবসাদ দূর করে:
বেশ কয়েকদিন ধরেই মনটা কেমন দিশেহারা। সেই সঙ্গে হাসিও যেন দূর পালিয়েছে! তাহলে আর সময় নষ্ট না করে পছন্দের ঝাল খাবার খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন নিমেষে মন ভাল হয়ে যাবে। কারণ এমন ধরনের খাবার খাওয়া মাত্র আমাদের মস্তিষ্কে সেরাটোনিন নামক “ফিল গুড” হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে মন খারাপের কালো মেঘ কাটতে সময় লাগে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসার ভাঙল অভিনেত্রী কিম শর্মার

বিনোদন ডেস্ক : ২০০০ সালে আদিত্য চোপড়ার হাত ধরে ‘মোহাব্বতে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ অভিনেত্রী কিম শর্মার। প্রথম সিনেমা সুপারহিট হওয়ার পর অন্যান্য সিনেমায় ভালো করতে পারেননি এই অভিনেত্রী। ২০১০ সালে ভারতের শিল্পপতি আলি পুঞ্জানিকে বিয়ে করেন তিনি।
তবে এক সময় শোনা গিয়েছিল, অন্য নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠায় কিমকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন তার স্বামী। সে সময় খবরটিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেও জানা গেল, আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে কিম ও তার স্বামীর।
কয়েক মাস আগে আলির বিরুদ্ধে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছিলেন কিম। অবশ্য বিবাহ বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে কিমের কাছ থেকে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭’ প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থানে জেসিয়া!

বিনোদন ডেস্ক : আগামী ১৮ নভেম্বর চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭’ এর ৬৭তম আসর। এবারের প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১২০টি দেশ থেকে সুন্দরীরা অংশগ্রহণ করছেন। এবার সেখানে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করতে অংশ নিয়েছেন মিস বাংলাদেশ-২০১৭ বিজয়ী জেসিয়া ইসলাম। সম্প্রতি চীনের এক হোটেলে মিস ওয়ার্ল্ড ‘হেড টু হেড চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন জেসিয়া।
এ রাউন্ডের ফলাফল থেকেই শীর্ষ ৪০জন প্রতিযোগীকে পরবর্তী রাউন্ডের জন্য নেওয়া হবে। যদিও এখনো ‘হেড টু হেড চ্যালেঞ্জ’ এর ফলাফল জানা যায়নি, তবে জেসিয়া আছেন গ্রুপ নম্বর ছয়ে।
মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭ প্রতিযোগিতায় আয়োজক কমিটির নির্বাচন প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ‘দ্য গ্রেট প্যাজেন্ট কমিউনিটি ডট কম’ নামের একটি অনলাইন সংস্থা এক গণভোটের আয়োজন করেছে। যে কোনো মানুষ বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকেই এ ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এমনকি একজন ব্যক্তি যত খুশি ইচ্ছা ভোটও দিতে পারবেন।
সম্প্রতি এ অনলাইন সংস্থাটি নিজেদের ওয়েব সাইটে লিখে- ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭’তে কোন দেশের সুন্দরী বিজয়ী হওয়া উচিত? ইতোমধ্যে সে সাইটে ব্যাপক পরিমাণ ভোট পড়ে এবং দর্শকদের এ অনলাইন ভোটে শীর্ষস্থানে চলে আসে বাংলাদেশের জেসিয়া ইসলামের নাম। মূল প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই অনলাইনে ভোটে জেসিয়ার এ শীর্ষস্থান অর্জনকে বিরাট সাফল্য হিসেবে দেখছেন মিস ওয়ার্ল্ডের বাংলাদেশের অনুসারীরা। ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭’র চূড়ান্ত পর্বে ফলাফল যাই আসুক না কেন, অনলাইন ভোটে জেসিয়ার এ এগিয়ে থাকাতে উচ্ছ্বসিত তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে টানা দ্বিতীয় জয় সিলেট সিক্সার্সের

স্পোর্টস ডেস্ক : ঘরের মাঠে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)র পঞ্চম আসরের দুর্দান্ত যাত্রা শুরু করছে সিলেট সিক্সার্স। এবারকুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকেও পরাজয়ের হাত থেকে বাচাতে পারে নি। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী। সিলেট সিক্সার্সে কাছে ৪ উইকেটে হারে নবীর ভিক্টোরিয়ান্স।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের দেওয়া ১৪৬ রানের টার্গেট। আর সেই লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে থারাঙ্গা ও ফ্লেচার ৭৩ রানের জুটি করে সিলেটকে অনেকটাই জয়ের দিকে এগিয়ে দেন। ফ্লেচারকে ব্যক্তিগত ৩৬ রানে সাজঘরে ফিরিয়েছেন ডোয়াইন ব্রাভো। এরপর মোহাম্মদ নবীর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাব্বিরও ফিরেছেন ৩ রান করে। ৫১ রান করে রান আউটের কবলে পড়েন থারাঙ্গা। অধিনায়ক নাসির ২০ বলে ১৮ রান করে আউট হয়ে সাজঘঅরে ফিরে যায়। তবে বেশিক্ষণ মাঠে থাকতে পারে নি রস হুইটলি ও শুভাগত হোম।
তবে মাঠে নেমেই প্রথম বলে ছক্কা হাকান নুরুল হাসান সোহান। ১৯.৫ বলের সময় ৪ মেরে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় সিলেট সিক্সার্স। এর আগে গতবারের চ্যাম্পিয়ান ঢাকা ডায়নামাইটসকে কোন প্রকার চান্স দেয়নি উদ্বোধনী ম্যাচে। ঢাকাকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথম ম্যাচে বিশাল জয় তুলে নেয় সিলেট সিক্সার্স।
শনিবার টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডায়নামাইটসের মুখোমুখি হয়েছে নাসির হোসেনের দল। ঐ ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো সিলেট সিক্সার্সের অধিনায়ক নাসির হোসেন। আজও টস জিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স বিপক্ষে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় নাসির হোসেন।
শুরুতেই সিলেট সিক্সার্সের বোলাররা মাঠে নেমেই কোণঠাসা করে তুলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ওপেনিংয়ে খেলতে নামা ইমরুল কায়েস ও লিটন দাসকে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৪৫ রান করে কুমিল্লা। জয়ের জন্য সিলেটের করতে হবে ১৪৬ রান। কুমিল্লার হয়ে ওপেন করতে আসেন লিটন কুমার দাস ও ইমরুল কায়েস। এ দুই ওপেনার দেখে-শুনে ভালোই জবাব দিচ্ছিলেন সিলটের বোলারদের। ৩৬ রানের একটি অসাধারণ জুটিও গড়ে তোলেন।
কিন্তু প্রথম দিনের মতোই এদিনও সিলেটের হয়ে প্রতিপক্ষে শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন নাসির হোসেন। ইনিংসের পঞ্চম ওভার করতে আসেন নাসির। নাসিরের পঞ্চম বলটি ইমরুল সজোরে খেলতে চাইলে, ব্যাটের কোনায় লেগে সরাসরি স্ট্যাম্পে আঘাত হানে। ফলে ১২ রান করেই সাজঘরে ফেরেন কুমিল্লার এ ওপেনার। এরপরই তাইজুলের জোড়া আঘাত। পর পর ব্যক্তিগত দুই ওভারে তুলে নেন লিটন দাস ও জস বাটলারের উইকেট। এরপর মারলন স্যামুয়েলসের ব্যাটে শেষ পর্যন্ত ১৪৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করাতে সক্ষম হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। স্যামুয়েলস ৪৭ বলে করেন ৬০ রান। এ ছাড়া ১৬ বলে ২৬ রান করেন অলক কাপালি। সিলেটের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন ক্রিসমরি সান্তোকি ও তাইজুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোবাইল ফোন পকেটে রাখেন? যে বিপদ ডেকে আনছেন!

স্বাস্থ্য ও জীবন : অফিস, দোকান বাজার যেখানেই যান না কেন, আপনার ফোনটি বুক পকেট বা প্যান্টের পকেটে থাকে, তাই তো? আর মহিলাদের ক্ষেত্রে পকেট দেওয়া জামা পড়ার তেমন প্রচলন নেই বলে, তারা অনেকেই অন্তর্বাসের ভিতরে মোবাইল রেখে দেন। এতে কি হচ্ছে বা হতে পারে, তা কি জানা আছে? আসলে মোবাইল কোম্পানিগুলি আপনাদের কখনোই তাদের ক্ষতিকারক দিকগুলি বোঝাতে আসবেন না।
এমনকি, সামান্য জানিয়ে দেওয়ার দায়িত্বও তারা নেবেন না। কারণ, তারা তাদের কোম্পানির ব্যবসা দেখবেন, তার লাভ দেখবে। আপনার শরীর নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যাথা থাকার কারণ নেই।
মোবাইল ফোনের এরকম বহু ক্ষতিকারক দিক আছে। সেগুলি নিয়েই আজকের আলোচনা-
১. মোবাইল ফোন বন্ধ্যাত্বের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। বহু সমীক্ষায় দেখা গেছে যে পুরুষদের জন্য মোবাইল মোটেও ভাল নয়। এর কারণ, মোবাইল পুরুষদের ক্ষেত্রে বীর্যের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। সমীক্ষায় দেখান হয়েছে যে, কথা বলার সময় ফোন যদি পুরুষাঙ্গের কাছাকাছি থাকে, তবে তা বীর্য উৎপাদনকারী কোষের মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে। এতে পরিমাণ মতো বীর্য তৈরি হতে পারে না।
এতে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত বীর্যের কারণে সন্তান দুর্বল এবং শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মাতে পারেন। যে সকল পুরুষ কানে ফোন ব্যবহার বা করে হেড সেট ব্যবহার করেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল ফোন পকেটে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা সবথেকে বেশি থাকে।
ক্লেভল্যান্ড-এ অবস্থিত সেন্টার ফর রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন-এ মোবাইল ফোনের ওপর একটি সমীক্ষা ছালান হয়। তাতে ৩২ জন পুরুষের ওপর এই সমীক্ষা হয়। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে বীর্যের নমুনা নিয়ে, তা দিয়ে নানা ধরণের পরীক্ষা নিরিক্ষা চালানো হয়। এক সময় নমুনাগুলির কাছাকাছি ফোন রেখে দিয়ে তার প্রভাব পরীক্ষা করা হয় এবং দেখা যায় যে, বীর্যগুলি যথারীতি খতিগ্রস্থ হয়েছে। এরই সঙ্গে বীর্য কম তৈরি বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ হিসাবে দায়ি করা হয়েছে পরিবেশ দূষণ এবং মূত্রসংক্রান্ত প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণকে।
২. আপনি কি মোবাইল ফোন অন্তর্বাসের ভিতরে রাখেন? ক্যালিফোর্নিয়ার ব্রেস্টলিঙ্ক নামক একটি সংস্থায় গবেষণা করে দেখা গেছে যে, স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, যে সমস্ত পরিবারে পূর্বে কোনও ক্যান্সারের ইতিহাস নেই বা আক্রান্তের কোনও তথ্য নেই, সেই পরিবারেও এখন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত, চল্লিশ বছরের মধ্যে যে সকল মহিলা রয়েছেন, তাদের ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা সবথেকে বেশি। গবেষণা থেকে প্রমাণিত, যে সকল নারী অন্তর্বাসের ভিতরে মোবাইল ফোন রাখেন, তাদের প্রত্যেকের বুকের কোনও না কোনও স্থানে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল এবং এদের সকলের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
৩. মোবাইলের বিকিরণ এবং ক্যান্সার:
মোবাইল ফোন থেকে কি সত্যিই ক্যান্সার হয়? এই প্রশ্নটি আমাদের মনে বারবার করে উঠে আসে। আসলে মোবাইল ফোনের থেকে সত্যি সত্যিই ক্যান্সারের সম্ভাবনা সম্পর্কিত। মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারণে নানা ধরণের ক্যান্সার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। এর বড় কারণ হল, মোবাইল ফোনের ক্ষতিকারক বিকিরণ। এই ক্ষতিকারক বিকিরণের কারণে নারী এবং পুরুষ দুইই দারুণভাবে শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হন। ফলে, আশঙ্কা বাড়ে স্তন ক্যান্সার সহ অন্যান্য ক্যান্সারের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ওয়্যারলেস ডিভাইসকে টু বি রিস্ক-এর আওতায় রেখেছে। এর কারণ এগুলি যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গকে ব্যবহার করে, যা মানুষের মধ্যে ক্যান্সারের প্রবণতা বৃদ্ধি করতে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করে। অনেকেই মনে করেন যে, মোবাইল ,ক্যান্সার হওয়ার অবশ্যম্ভাবী কারণ হিসাবে কাজ করে। এমনকি, এর ওপর বহু পরীক্ষা নিরিক্ষা করে বহু কিছু প্রমাণিতও হয়েছে।
৪. তাহলে কিভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে হবে?
মোবাইল ফোন যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন। একান্তই ব্যবহার করতে হলে, তাকে এমনভাবে রাখুন যাতে শরীরের কাছাকাছি না থাকে। সবথেকে বড় কথা, মোবাইল ফোন পকেটে রাখবেন না, বেল্টের সঙ্গে আটকাবেন না বা অন্তর্বাসের ভিতর রাখবেন না। সেই সঙ্গে ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন অফ করে রাখুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৩৫তম জন্মজয়ন্তী উদযাপিত

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় প্রতিকৃতিত্বে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, পদক ও বই বিতরণের মধ্য দিয়ে সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৩৫তম জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে। কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে রোববার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফকরুল হাসানের সভাপতিত্বে জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী। সম্মানিত অতিথি ছিলেন, কাজী ইমদাদুল হকের পৌত্রী কাজী নুসরাত সুলতানা ও কাজী নাহিদা আকবর। বিশেষ আলোচক ও সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন প্রফেসর আব্দুল মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওঃ শেখ কামাল হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহানারা খাতুন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, অধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, রবিউল ইসলাম, নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জুনায়েদুর রহমান, শিবসা সাহিত্য অঙ্গনের সভাপতি সুরাইয়া বানু, উপকূল সাহিত্য পরিষদের আহবায়ক সরদার মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র সাহিত্য পরিষদের সভাপতি রণজিত কুমার মন্ডল, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এ্যাডঃ মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের সভপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান। সাংবাদিক আব্দুল আজিজ ও এন ইসলাম সাগরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, প্রভাষক লুৎফা ইসলাম, নাজমিন নাহার, বজলুর রহমান, তরুণ কান্তি মন্ডল, আবু রাসেল কাগুজী, তারেক আহম্মেদ, প্রজিত রায়, কল্লোল মল্লিক, জিএম এমদাদ, প্রাণ কৃষ্ণ দাশ, সাংবাদিক রবিউল ইসলাম, আবুল হাশেম, জগদীশ চন্দ্র রায়, পঞ্চানন সানা, শিক্ষার্থী শাহানাজ পারভীন পপি, আফরোজা সুলতানা, পম্পা সরদার, আবু রায়হান, সুষ্মিতা দত্ত, আরজু সুলতানা, ঝর্ণা আক্তার, কাজী রিয়া ও মুন্নি সুলতানা। অনুষ্ঠানে প্রফেসর আব্দুল মান্নান ও কবি পঞ্চানন মল্লিককে কাজী ইমদাদুল হক পদক ও বিভিন্ন লাইব্রেরিতে কাজী ইমদাদুল হক রচনাবলী বই প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃতি ব্যক্তি ও সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের জন্মজয়ন্তী জাতীয়ভাবে পালন এবং পাঠ্যপুস্তকে তার জীবনী এবং “আব্দুল্লাহ” উপন্যাস পুনরায় অন্তর্ভূক্ত করার দাবী জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাঁশদহায় এমপি রবি’র উঠান বৈঠক

নিজস্ব প্রতিনিধি : বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে সদরের বাঁশদহ ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারবায়সা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এড. আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘দেশ রক্ষার চলমান আন্দোলনে দেশের জনগণ মুক্তিযোদ্ধাদের আবার ও ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে। কারণ স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সম্মানিত করেছেন। জনগণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান ও গুরুত্ব দিয়েছে এবং উপলব্ধি করেছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার ও মুক্তিযোদ্ধাদেরকে আবার ও দেশের ক্ষমতায় বসাবে। তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে জঙ্গি দমন, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ প্রতিটি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে দেশের জনগণ আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। বিএনপির জনগণের প্রতি আস্থা নেই বলেই নির্বাচনে আসতে ভয় পাই। বেগম খালেদা জিয়া তাই সহায়ক সরকারের কথা বলে নির্বাচন বানচালের নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। বিএনপি-জামাত জঙ্গি-সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক তারা ক্ষমতায় আসলে দেশে আবারো জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। আবারো সারা দেশে বোমাবাজি হবে। তাই জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কি জনগণের সাথে থাকবে, না জঙ্গিবাদের সাথে থাকবে।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মফজুলার রহমান খোকন, প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদিকা তহমিনা ইসলাম, আগরদাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হবি, বাঁশদহা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফজর আলী, বাশদহ ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি আমিনুর রহমান, কুশখালী ইউনয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, বাঁশদহ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল খালেক, সহ-সভাপতি অহেদ আলী প্রমুখ। এসময় দলীয় নেতৃবৃন্দ ও অসংখ্য সাধারণ নারী ও পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাঁশদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মো. মফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest