ভৌতিক বাড়ির গল্প আমরা অনেকেই শুনেছি। ভৌতিকতা নিয়ে আমাদের আগ্রহেরও কমতি নেই। এরকম একটি ভৌতিক বাড়ির দেখা মিলবে বেলারুশের রাতোমকা শহরে।
এই শহরের একজন সাধারণ ব্যবসায়ী এই বাড়িটি তৈরি করেছেন। তবে লোকটির নাম জানা যায়নি। তিনি মূলত এ বাড়িটিকে ইচ্ছা করেই ভৌতিক রূপ দেন। এর ফলে ভয়ের মাত্রাটা আরো বেশি যোগ হয়েছে।
ভীত লোকেরা এর ত্রিসীমানায় ঘেঁষতে চায় না। পাথরের দেয়ালের ওপার থেকে কঙ্কাল হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, ছাদের ওপর শয়তানের মূর্তি আর অসংখ্য কালো রঙের নরমুণ্ড বাড়িটাকে ভৌতিক রূপ দিয়েছে।
সম্প্রতি ইন্টারনেটের কল্যাণে এই বাড়ির ছবি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এর আশপাশে যারা বসবাস করে, তারা কিন্তু এই খ্যাতিতে মোটেও সন্তোষ প্রকাশ করেনি।
প্রতিবেশীদের বক্তব্য হলো—এই বাড়ির চৌহদ্দিতে যেতে তাদের ভয় লাগে, রাতে রাস্তা দিয়ে হাঁটা দায়, বাচ্চারা কঙ্কাল আর অন্যান্য বস্তু দেখে আতঙ্কে শিউরে ওঠে। ক্ষুব্ধ লোকেরা এমনকি পুলিশের কাছে অভিযোগ পর্যন্ত করেছিল, যাতে বাড়িটার এই ভয়াল রূপ পরিবর্তন করা হয়।
বছর দুই আগে এই বাসা বানানো শুরু করেন ঐ ব্যক্তি। এখন কাজ প্রায় শেষের দিকে। বাড়িটা নিয়ে অভিযোগের শেষ না থাকলেও এটা বানানো যে পুরো ব্যর্থ হচ্ছে, তা কিন্তু না।
অন্তত চোরেরা এমন বাসায় সহজে ঢুকতে চাইবে না বলেই ধারণা সবার। হোক তা নিছক মূর্তি; কিন্তু নরমুণ্ড আর শয়তানে ভরপুর বাসায় সিঁধ কাটার আগে চোরেরা অবশ্যই ভাববে।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের পক্ষ থেকে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা ক্যান্সার কেয়ার এন্ড ওয়েল ফেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলা এবং প¦ার্শবর্তী জেলার দরিদ্র জনসাধারনের মাঝে মরনব্যাধি ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা এবং চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বক্তারা এ সময় তাদের এ ধরনের মহৎ এই উদ্যোগকে সবাই সাধুবাদ জানান।
