সর্বশেষ সংবাদ-
জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম আজ রাতে স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল মাই টিভি(My TV )’র এক টক শো-তে অংশগ্রহণ করবেন। তৃণমূলের রাজনীতি বিষয়ক টক শো-টি সরাসরি সম্প্রচারিত হবে আজ রবিবার রাত ৮টায়।

টক শো-তে তিনি কথা বলবেন তৃণমূলের রাজনীতি নিয়ে। অনুষ্ঠানটি দেখবার জন্য সাতক্ষীরাবাসীকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

একবার ভাবুন তো, আপনি কোথাও বেড়াতে গেছেন, হঠাৎ এক রেস্তোরাঁয় দেখতে পেলেন, সেখানে বসে আছে হুবহু আপনারই মতো দেখতে একজন! কি ভয় পাবেন তো?

এমনই এক ‘ভয়ের’ ঘটনা ঘটেছে আয়ারল্যান্ড ও সুইডেনের দুই তরুণীর ক্ষেত্রে। তাঁরা জমজ তো ননই, মা-বাবাও এক নন, এমনকি রক্তের কোনো সম্পর্কই নেই তাঁদের মধ্যে। তবু তাঁদের চেহারায় এতটাই মিল বাবা নিজেই তাঁর মেয়ে কোনজন তা চিহ্নিত করতে পারেননি!

এই দুই নারী হলেন আয়ার‍ল্যান্ডের কেরি কাউন্টির শ্যানন লোনারগ্যান এবং সুইডেনের সারা নর্ডস্ট্রম। একজনের বয়স ২১, অন্যজনের ১৭।

ডেইলি মেইল জানিয়েছে, শ্যানন ও সারা অনলাইনে প্রথম পরিচিত হন। পরে ডাবলিনে দেখা করতে গিয়ে দুজনেই চমকে যান। তাদের চুল, মুখের গঠন থেকে শুরু করে সবকিছুই হুবহু একই রকম।

প্রথম দেখা সম্পর্কে শ্যানন বলেন, ‘দরজা খুলেই আমি যখন দেখি সারা দাঁড়িয়ে আছে, তখন আক্ষরিক অর্থেই আমার হৃদপিণ্ড লাফ দিয়ে যেন মুখে উঠে এসেছিল! আমার আত্মা যেন উধাও হয়ে গিয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রকাশভঙ্গি, ঠোঁট বাঁকানো, হাসি সবই হুবহু একই রকম। এটা খুবই ভুতুড়ে ব্যাপার।’

শ্যানন বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করছেন। গত গ্রীষ্মে তিনি একটি ‘জমজ আগন্তুক’ বিষয়ের একটি ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করেন। এরপর থেকে নিয়মিত তিনি খোঁজ রাখছিলেন নিজের মতো কারো দেখা তিনি পান কি না।

আর সারা ওই সাইটে নিবন্ধন করেন গত মাসে। এরপর দু-একবার সার্চ দিতেই মিলে যায় শ্যাননের ছবি। পরে তাঁরা ডাবলিনে দেখা করেন।

সারা বলেন, আমি যখন বিমানে করে আয়ারল্যান্ড যাচ্ছিলাম, তখন খুবই নার্ভাস ছিলাম। আমার ভয় ছিল, শ্যানন আর আমি হয়তো বাস্তবে একইরকম দেখতে হবো না। কিন্তু পরে যা দেখলাম …। সে হুবহু আমারই মতো।’ তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কিছুটা পরাবাস্তব মনে হচ্ছিল, অনেকটা নিজের দিকে তাকানোর মতো।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিখ্যাত কোমল পানীয় কোকাকোলা। এটা শরীরের জন্য কত ক্ষতিকর তা বোঝাতে কোকাকোলার সাথে পয়সার বিক্রিয়া কিংবা কোকাকোলা গরম করলে কী বিক্রিয়া হয়, তা নিয়ে বহু ভিডিও আমরা প্রায় সবাই দেখেছি। কিন্তু তারপরও কি কোকাকোলা খাওয়া একদিনের জন্য বাদ দিয়েছি আমরা?

মিষ্টি এই পানীয় আসলেই শরীরের ভেতরে কীভাবে কাজ করে তা জানতে বেশ কিছুদিন ধরে গবেষণা করেছেন ফার্মাসিস্ট নিরাজ নায়েক। আর তিনি যা পেয়েছেন সেটা সত্যিই চিন্তিত হওয়ার মতো।

যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম ডেইলি স্টার অনলাইন জানিয়েছে, কোকাকোলা খাওয়ার এক ঘণ্টা পর এটি শরীরের মধ্যে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা একটি গ্রাফের মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করেছেন নিরাজ। সেখানে দেখা গেছে, প্রথম চুমুক দেওয়ার পর থেকে ৬০ মিনিট পর পর্যন্ত সাতটি ধাপে এই কোমল পানীয় শরীরের মধ্যে বিক্রিয়া করে।

একটি ৩৩০ মিলিলিটারে এক ক্যান কোকাকোলা পানের মাধ্যমে ১০ চা চামচ পরিমাণ চিনি সরাসরি আপনার শরীরে প্রবেশ করে। যা প্রতিদিন গ্রহণযোগ্য চিনির পরিমাণের মাত্রার প্রায় আড়াই গুণ।

এ বিষয়ে নিরাজ তাঁর নিজস্ব ব্লগে লিখেছেন, চিনির মাত্রাটা এতটা বেশি যে এটা সরাসরি গ্রহণ করলে যে কারো বমি পেয়ে যেতে পারে। কিন্তু কোকাকোলার ভেতরে থাকা ফসফরিক এসিড এই অতিরিক্ত মিষ্টি স্বাদকে হালকা করে দেয় ফলে আরামসে পানীয়টি গলধঃকরণ করেন আপনি।

পুষ্টিবিদ ইলা এলার্ড মেট্রো ডেইলি স্টার অনলাইনকে বলেন, ‘কোক সম্পর্কে এই ভয়ঙ্কর তথ্য আপনাকে চমকে দেবে। তবে এসব জানার কারণে উপকার যেটা হয়েছে সেটা হলো এখন থেকে কোকাকোলা পানের আগে সেটা ভেবে আপনি বিরত থাকবেন।’

শরীরের ভেতরে কোকাকোলার প্রতিক্রিয়া নিরাজ দেখিয়েছেন কয়েকটি ধাপে :

প্রথম ১০ মিনিট পরে : ১০ চা চামচ চিনি আপনার শরীরের ভেতরের ব্যবস্থাকে আঘাত করে। এটার অতিরিক্ত মিষ্টতার কারণে আপনি বমিও করে দিতে পারেন। কিন্তু এর রেসিপিতে থাকে ফসফরিক এসিড। আর এটাই অতিরিক্ত মিষ্টতা কমিয়ে দেয় যাতে আপনি এটা পান করতে পারেন।

২০ মিনিট পরে : আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায় আর ইনসুলিনের বিস্ফোরণ ঘটে। প্রচুর পরিমাণ চিনি যকৃতের মধ্যে চর্বি তৈরি করে।

৪০ মিনিট পরে : এই সময়ের মধ্যে ক্যাফেইন পুরোপুরি শোষিত হয়ে যায়। আপনার রক্তচাপ বাড়তে থাকে। এতে করে আপনার যকৃত বা লিভারে আরো চিনি ঢুকে পড়ে।

৪৫ মিনিট পর : এই সময় আপনার শরীরের ডোপামিন উৎপাদন বেড়ে যায় এবং আপনার মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগায়। মাদক হেরোইন যেভাবে কাজ করে ঠিক সেভাবেই এটা আপনার ওপর কাজ করে।

৬০ মিনিট পর : আপনার শরীরের অন্ত্রের নিচের দিকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়া ও জিংকের সাথে বিক্রিয়া করে ফসফরিক এসিড। যা বিপাককে হঠাৎ করে বাড়িয়ে দেয়। উচ্চমাত্রার চিনি ও কৃত্রিম চিনির কারণে রেচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যালসিয়াম দেহ থেকে বের হয়ে যায়।

এই সময়ের পরে ক্যাফেইনের মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য কাজ করতে শুরু করে। এর মানে এই সময় আপনার প্রসাবের বেগ আসে। অর্থাৎ এবার প্রসাবের মাধ্যমে আপনার শরীর ও হাড় থেকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, সোডিয়াম, ইলেকট্রোলাইট ও পানি বের হয়ে আসবে।

এ সময় আপনি খিটখিটে হয়ে যেতে পারেন। কারণ কোকের সঙ্গে আপনি যেটুকু পানি গ্রহণ করেছিলেন সেটুকুও আপনার শরীর থেকে বের হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে কোকাকোলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের এক মুখপাত্র বলেন, ‘১২৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ আনন্দের সাথে কোকাকোলা পান করে আসছে। অন্য সব কোমল পানীয়র মতো এটাও পানের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সুষম খাদ্য হিসেবে গ্রহণের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রাজধানীর সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য রুখতে এবার মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পর্যায়ক্রমে সারাদেশের কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের তালিকা করবে দুদক।

শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোচিং বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি ও তাদের সম্পদের অনুসন্ধানও শুরু করেছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি। এজন্য সারাদেশের কোচিংবাজ শিক্ষকদের কোচিং সেন্টার খুঁজতে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়-১-এর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ একটি টিমও গঠন করেছে দুদক।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোচিংবাজ শিক্ষকদের তালিকা করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আজিমপুর গভ:মেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং  উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০০ জনের মতো শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত বলে প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

আরো জানা গেছে, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, হলি ক্রস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মতিঝিল সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, গভ:মেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, অগ্রণী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ধানমন্ডি গভ:মেন্ট বয়েজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পর্যায়ক্রমে সারাদেশের কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের তালিকা করবে দুদক।

এদিকে ২০১২ সালের ২০ জুন কোচিং বন্ধের নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং বা প্রাইভেট পড়াতে পারবে না। তবে তারা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি সাপেক্ষে অন্য স্কুল, কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে দিনে সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে নিজ বাসায় পড়াতে পারবেন। তবে কোনো কোচিং সেন্টারের নামে বাসা ভাড়া নিয়ে কোচিং বাণিজ্য পরিচালনা করা যাবে না। কিন্তু কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এই নীতিমালার তোয়াক্কা না করেই দেদারছে কোচিং বাণিজ্য করে যাচ্ছে। তাই শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষার্থীরা যেন প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই দুদক এই কর্মকাণ্ড হাতে নিয়েছে।

শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিপ্তর, শিক্ষা প্রকৌশল অধিপ্তরের কার্যক্রম ও কর্মকর্তাদেরও কড়া নজরদারি করা হচ্ছে। জনসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, সেবা গ্রগিতাদের হয়রানি, দুর্নীতির কারণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখে দুর্নীতিবাজদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে মাউশির মহাপরিচালককে কিছু দিনের মধ্যে চিঠি দেবে কমিশন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ছেন। আর এতে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত জ্ঞান অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কেননা কোচিং বাণিজ্যের মাধ্যমে দুর্নীতি হচ্ছে। আমরা কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের তালিকা করছি এবং তাদের সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেছি। কোচিং ব্যবসায় জড়িত শিক্ষকদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। কেননা তারা শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছে। তাই কোচিং ব্যবসায় জড়িত শিক্ষকদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় শুরু থেকেই জানিয়েছে, দুর্নীতির ব্যাপারে আমরা জিরো ট্রলারেন্স। শিক্ষামন্ত্রলয়কে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তবে কিছু শিক্ষক দুর্নীতি করছেন এটা সত্য। সেই দুর্নীতিবাজদের শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে সরাতে চাই, কিন্তু পারছি না। তবে দুদকের এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। কেননা দুদক তথ্য দিলে আমরা সেই সব দুর্নীতিবাজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুতই ব্যবস্থা নিতে পারব। দুর্নীতি সব স্থানেই রয়েছে যা চেষ্টা করলেই তাৎক্ষণিক বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে দুর্নীতি সমাজের একটি ব্যাধি যা নির্মূল করতেই হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কম দামে ফোন না কিনে ভালো চলার জন্যে দাম দিয়ে স্মার্টফোন কিনেছেন। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই ফোন থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স পাচ্ছেন না। হতাশ হয়ে দু’দিন পর পর সার্ভিস সেন্টারে ছুটছেন। এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়ে কমবেশি সকলেই ভুগছেন। কিন্তু আপনি জানেন কি আপনার কিছু ভুলের কারণে এমনটা হয়। একটু ঠিকঠাক নজরে রাখলে এমন সমস্যার সম্মুখিন কারও হতে হয়না। আসুন দেখে নেওয়া যাক সহজে কি করে ফোন সমস্যার হাত থেকে বাঁচবেন।

১. অনেকেই ফোন মেমোরি ফুল না হওয়া পর্যন্ত আলাদা মেমরি কার্ড বা এসডি ব্যবহার করেন না। এর প্রভাব পড়ে ফোনের পারফরম্যান্সেও। কারণ ফোন মেমোরিতে পুরোপুরি ভর্তি হয়ে গেলে ফোনের পারফরম্যান্সে তার প্রভাব পড়ে। ফলে প্রথম থেকেই ফোনে মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা উচিত।

২.ফোন ব্যবহার করতে শুরু করলে অনেকেই দীর্ঘদিন তা শাট ডাউন বা রিবুট করেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সপ্তাহে অন্তত একদিন ফোন শাট ডাউন অথবা রিবুট করা উচিত। এর ফলে ফোনের ক্যাশ ক্লিয়ার হয়।

৩.পানি লাগলে ফোনের ক্ষতি হয়, একথা মোটামুটি সবাই জানেন। তা সত্ত্বেও অবশ্য ভেজা হাতে অনেকেই ফোন ধরেন। এতে কিন্তু ফোনের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। বিশেষত, ফোনের হোম বাটন-এ কখনওই ভিজা হাত লাগাবেন না।

৪. ভাইরাস থেকে ফোনকে অবশ্যই বাঁচান। এর জন্য কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার আগে সতর্ক হোন। একবার ফোনে ভাইরাস ঢুকলে আপনাকে বড় সমস্যায় পড়তে হবে।

৫. ফোন নির্মাতা যে সফটওয়ার ইনস্টল করার অনুমতি দেয় না, অনেকেই জোর করে সেই সমস্ত সফটওয়ার নিজের স্মার্টফোনে ইনস্টল করার চেষ্টা করেন। যাকে বলা হয় ‘রুটিং’। এমনটা না করারই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বর্ষা কালে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশ কিছুটা কমে যায়। এই সময় পেটের সমস্যা যেমন বেড়ে যায়, তেমনই অ্যালার্জি, ত্বকের ইনফেকশনও ভোগায়। তেতো খাবার শরীরে পিত্তরসের মাত্রা স্বাভাবিক করে হজমে সাহায্য করার পাশাপাশি এই সব খাবারের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ সংক্রমণ কাটাতেও সাহায্য করে। বর্ষায় প্ততিদিন এই সব খাবার খেলে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়।

চিচিঙ্গে, চালকুমড়ো, উচ্ছে জাতীয় সবজি যেমন পুষ্টিকর, তেমনই বর্ষায় শাক পাতা থেকে পেটের সমস্যা হতে পারে। তাই শাকের বদলে বেশি পরিমাণ এই জাতীয় সব্জি রাখুন ডায়েটে। এই সব সবজি থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

১। কাঁচা হলুদ-

কাঁচা-হলুদের স্বাদ তিতকুটে, কষ্টা হলেও রোগ প্রতিরোধক হিসেবে খুবই উপকারি। নিউট্রাল অ্যান্টিসেপটিক অ্যান্টিবায়োটিক কাঁচা হলুদ। প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে হলুদ।

২। মেথি-

বর্ষা কালে পেটের সমস্যা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। ডায়েটে মেথি ও জিরে রাখলে এই সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারবেন। সকালে উঠে মেথি ভেজানো জল খেলে পেট পরিষ্কার থাকবে।

৩। নিম-

নিম পাতার রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ। যা বৃষ্টির জল ভিজে ত্বকের ইনফেকশন সারাতে দারুণ উপকারি।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চোরের চরিত্রে চঞ্চল

কর্তৃক Daily Satkhira

‘রসু চোর’ শিরোনামে একটি নাটকে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। বৃন্দাবন দাসের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করছেন তাইফুর জাহান আশিক। গলায় মাদুলি, কাঁচাপাকা চুল, চেহারায় ক্লান্তির ছাপ, গায়ে সাদা ছেঁড়াফাটা গেঞ্জি- এমন রূপে চঞ্চল হাজির হচ্ছেন রসু চোর হিসেবে।

চঞ্চল চৌধুরী বলেন, একজন চোর ও তার নিজস্ব নীতি নিয়েই নাটকের কাহনী। রসু চোর কখনো নিজের গ্রামে চুরি করে না। বেশ মজার একটি গল্প হলেও নাটকটি মাধ্যমে দর্শক কিছু বার্তা পাবেন।

‘রসু চোর’ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন শাহানাজ খুশি, আ খ ম হাসান, প্রাণ রায়, আল মুনসুর প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সকাল বেলা চায়ের কাপে প্রথম শান্তির চুমুক। তারপরই শুরু হয় দিন। কিন্তু এই চা থেকেই অজান্তে শরীরে ছড়িয়ে পড়ছিল বিষ। গবেষণায় এই বিষয়টি উঠে এসেছে।

গ্রীন টি হোক বা আদা চা, সাধারণ লিকার চা বা মশলা চায়ে সব টি ব্যাগেই থাকে স্টেপল পিন। যত সমস্যা লুকিয়ে ওই পিনেই।

চায়ের ব্যাগে পিনের ব্যবহার নিয়ে অনেক আগে থেকেই অভিযোগ উঠেছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, গরম পানিতে চায়ের ব্যাগটি ডুবিয়ে চা বানানোর সময় ধাতব পিনের অংশের বিক্রিয়া চা বিষাক্ত হয়ে ওঠে যা শরীরের ক্ষতি করে।

এছাড়া পিনটি খুলে চায়ে মিশে গেলেও বড়সড় বিপদের সম্ভাবনা তৈরি হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest