সর্বশেষ সংবাদ-
জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

ভারতের ইসলামি বক্তা জাকির নায়েককে অপরাধী ঘোষণা করেছে মুম্বাইয়ের একটি বিশেষ আদালত। এখন আদালতের নির্দেশে তাঁর সম্পদ জব্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

সন্ত্রাসে মদদ ও অর্থ পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার রায়ে এই আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ শনিবার ভারতের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

এনআইএ জানিয়েছে, সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি বিশেষ আদালত জাকির নায়েককে অপরাধী ঘোষণা করেছেন। সে কারণেই তাঁর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ভারতের ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ৮৩ ধারার আওয়তায় তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে।

জাকির নায়েকের ধর্মীয় বক্তব্য শুনে বাংলাদেশের অনেকেই জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে- এমন অভিযোগ ওঠার পর এনআইএ সন্ত্রাসে মদদ ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। এর পরই ২০১৬ সালের ১ জুলাই জাকির নায়েক ভারত ত্যাগ করেন। নায়েক অবশ্য ওই বছরের জানুয়ারিতেই ১০ বছরের জন্য তাঁর পাসপোর্ট নবায়ন করেছিলেন।

সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের দেওয়া তথ্য মতে, জাকির নায়েক এরই মধ্যে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পেয়েছেন।

এনআইএ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৮ নভেম্বর একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করে। আর এই মামলার একদিন পরই ভারত সরকার জাকির নায়েকের প্রতিষ্ঠান ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে (আইআরএফ) বেআইনি ঘোষণা করে।

জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে বক্তব্যের মাধ্যমে ঘৃণা ছড়ানো, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং বছরের পর বছর ধরে হাজার হাজার রুপি বিদেশে পাচার করার অভিযোগ তোলা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতে উৎপাদিত কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সেদেশেরই প্রধান হিসাবপরীক্ষকের দপ্তর।

সংসদে পেশ করা কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেলের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণের জন্য দেশেই তৈরী ওই মিসাইলগুলো পরীক্ষার সময়ে ৩০% ব্যর্থ হয়েছে।

চীনের মোকাবিলা করার জন্য ছয়টি বিমানঘাঁটিতে এই মিসাইলগুলি মোতায়েন করার কথা ছিল।

হিসাবপরীক্ষক ক্ষেপণাস্ত্রগুলির নাম উল্লেখ না করলেও সেগুলি ‘আকাশ’ মিসাইল বলেই মনে করা হচ্ছে।

ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় পেশ করা প্রতিবেদনটিতে কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেলের দপ্তর জানিয়েছে, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ওই সব ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ২০টিকে পরীক্ষা করেছে বিমানবাহিনী। তার মধ্যে ছয়টি হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে, অথবা আদৌ আকাশে ওড়ে নি। অর্থাৎ ৩০% মিসাইলই ব্যর্থ হয়েছে।

প্রধান হিসাবপরীক্ষকের দপ্তরের ওই প্রতিবেদন উল্লেখ করে সংবাদসংস্থা পি টি আই জানিয়েছে, সরকারী সংস্থা ভারত ইলেক্ট্রনিক্সের তৈরী ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির ব্যর্থতার যদি এই হার হয়, তাহলে যুদ্ধের প্রস্তুতিতে এক বড় ফাঁক রয়ে যাবে।

চীনকে মোকাবিলা করার জন্য ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ছ’টি বিমানঘাঁটিতে রাখার কথা ছিল। তবে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় মিসাইলগুলি এখনও ঘাঁটিতে রাখা যায় নি।

হিসাবপরীক্ষকের প্রশ্নের জবাবে বিমানবাহিনী জানিয়েছিল, যে ছ’টি মিসাইল ব্যর্থ হয়েছে, সেগুলির পরিবর্তে নতুন মিসাইল বানিয়ে দিচ্ছে প্রস্তুতকারী সংস্থা। কিন্তু কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেলের প্রতিবেদন উল্লেখ করে পি টি আই জানিয়েছে যে শুধু ব্যর্থ হওয়া মিসাইলগুলি বদল করলেই হবে না, সরকারের উচিত সেগুলির গুনগত মান যাচাইয়ের ওপরে আরও জোর দিতে হবে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশে মাটির নিচে পানির স্তর ক্রমশই আরো নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। সরকারি হিসেব মতেই সারা দেশের নানা যায়গায় পানির স্তর ৪ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত কমে গেছে।
এ কারণে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনতে এর বদলে সরকারি কর্মকর্তারা এখন মাটির উপরিভাগের পানি অর্থাৎ পুকুর বা নদী নালার পানির ব্যবহার বাড়াতে জোর দেবার কথা বলছেন।
কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৪৪ শতাংশ মানুষ খাওয়ার জন্যে নিরাপদ পানি পায় না । এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে চলছে পানি বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন। পুকুর আর নদী নালার পানিকে কর্তৃপক্ষ কতোটা খাওয়ার যোগ্য করে তুলতে পারবে সরকার?
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পানি সরবরাহ) বেগম নাসরিন আক্তার বলছেন, “জলবায়ু পরিবর্তন অন্যতম একটা কারণ। এই যে আমাদের ইকলজিকাল ইমব্যালান্স যেটা হচ্ছে, আমাদের পুরো স্ট্র্যাটেজিটাই বদলাতে হচ্ছে”
তিনি বলছেন, “ঢাকার জন্য আশপাশে তিনটি নদী থেকে ইতিমধ্যেই পানি শোধন করা হচ্ছে। আর সারা দেশের জন্য যে পুকুরগুলো শুকিয়ে গেছে বা যেগুলোর পানি নষ্ট হয়ে গেছে সেরকম পুকুর পুনরায় খনন কিভাবে পরিশোধন করে ব্যবহার করা যায় সেই চেষ্টা করছি আমরা। এরকম সাড়ে তিন হাজার পুকুরকে আমরা পুন খনন কার্যক্রমের মধ্যে নিয়ে এসেছি”।
সরকারি হিসেবে দেশের একশ ভাগ মানুষই পানি পাচ্ছে। কিন্তু নিরাপদ পানির প্রশ্ন উঠলে দেখা যাচ্ছে ৮৭ শতাংশ মানুষ উৎসে নিরাপদ পানি পায়। তবে সেটি মানুষের ব্যবহারের পর্যায়ে যেতে যেতে অনেক ক্ষেত্রেই আর নিরাপদ থাকছে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ চলতি মাসেই নতুন কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের মোটে ৫৬ ভাগ মানুষ নিরাপদ পানি পানের সুযোগ পাচ্ছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রাক্টিকাল অ্যাকশনের বাংলাদেশ প্রধান হাসিন জাহান বলছেন, মাটির ওপরের পানি ব্যবহার করতে গেলে দূষণ একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দেবে।

তিনি বলছেন, “দূষণের দুটো প্রধান উৎস। একটা হচ্ছে মানবসৃষ্ট বর্জ্য, বাসা বাড়ির টয়লেট। এসব বাসাবাড়িতে তৈরি মল-মূত্রের সঠিক ব্যবস্থাপনা হয়না। তাই তা পানিতে মিশে যায়। এটা একটা বড় অন্তরায়। আর একটা দূষণের সূত্র হচ্ছে বিভিন্ন কলকারখানার বর্জ্য। সুতরাং আমাদের এই ধরনের দূষণ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে”।

কিন্তু বাংলাদেশে মানুষের ব্যক্তিগত আচরণের কারণেও অনেক সময় নিরাপদ পানিও তার মান হারায়। কি ধরনের পাত্রে এবং কিভাবে তা সংরক্ষণ করা হলো, কিভাবে তা বহন করা হলো আর নিজের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা কতটা রয়েছে সেটিও অনেক বড় ব্যাপার। শুধু হাতের ময়লা বা একটি অপরিচ্ছন্ন পাত্রও পানিকে বিশুদ্ধ করে তোলে।

পরিবেশ বিষয়ক প্রকৌশলী স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদ বলছেন, “সমস্যা যেটা হলো আমাদের মাটির ওপরের পানি হাইলি কন্টামিনেটেড। আমাদের যেসব প্ল্যান্টে পানি ট্রিটমেন্ট করা হয় তাতে ব্যাক্টেরিয়া কিছুটা থেকেই যায়। যার জন্য ডিজইনফেকশন বলে একটা ব্যবস্থা আছে যা দিয়ে আমরা মাইক্রোঅর্গানিজমগুলোকে মেরে ফেলতে পারি। ভবিষ্যতে এর একটা ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে”

কিন্তু সেটি সারা দেশে কোটি কোটি মানুষের জন্য করা কতটা সম্ভব হবে? এছাড়া বাংলাদেশের জন্য আরো চ্যালেঞ্জ হলো দুই কোটির বেশি মানুষ ইতিমধ্যেই আর্সেনিক যুক্ত পানি খাচ্ছে। আর উপকূলীয় এলাকায় পানিতে বাড়ছে লবণাক্ততা। এতসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলারই এখন চেষ্টা চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনোদন ডেস্ক : দেশের সুপরিচিত অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন। তবে নাটকে অভিনয় শুরু তারও আগে। পাকিস্তান রেডিওতে প্রযোজক হিসেবে কাজ করতেন তার মা। মায়ের হাত ধরে যেতে যেতে ৫/৬ বছর বয়সে বেতারে নাটক করেন।
১৯৭১ সালের আগ পর্যন্ত তিনি নিয়মিত শিশু শিল্পী হিসেবে কাজ করতেন যদিও সেটি কেউ মনে রাখেনি, বলেন সুবর্ণা। সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, “আমার সবকিছুই প্রায় একসাথে হয়েছে। টেলিভিশনে নাটক, ঢাকা থিয়েটারে সেলিম আল দ্বীনের নাটক ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুনে অভিনয় আর তার বছরখানেকের মধ্যে ঘুড্ডি চলচ্চিত্রে কাজ।”
তার প্রথম সিনেমা ঘুড্ডি। সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকির ঘুড্ডি চলচ্চিত্রের প্রসঙ্গে সূবর্ণা বলেন, “কিছুদিন আগে সিনেমাটি দেখলাম। খুব ভালো প্রিন্ট আছে। আমার মনে হলো, ঘুড্ডি যদি জাকি ভাই সাহস করে এখন একবার সিনেপ্লেক্সে রিলিজ করেন আমার মনে হয় লোকজন কিন্তু দেখবে। ছবিটি বোধহয় সময়ের আগে নির্মিত একটি ছবি, অ্যাহেড অব ইটস টাইম। এখন এটি দেখলে দর্শকরা আনন্দ পাবে। সেই পুরনো ঢাকাকে দেখা যাবে।”
কেন ছেড়ে দিলেন মঞ্চ? একটানা ২৫ বছর তিনি কাজ করেছেন মঞ্চে। ঢাকা থিয়েটারে সুবর্ণা মুস্তাফার অভিনীত অনেক চরিত্র এখনো অনেকের মনে দাগ কেটে আছে। সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, ঢাকা থিয়েটারে যারা কাজ করছেন তারা আমার ছোটবেলার বন্ধু। আমার মেন্টরিং এখানে। আমি থিয়েটার করা শিখেছি নাসিরউদ্দীন ইউসুফের হাত ধরে। কিন্তুএকটা সময় কাজ করতে করতে মনে হচ্ছিল আমার আরেকটু অ্যাডভেঞ্চারাস হওয়া দরকার। আর আমরা একধরনের নাটক করছিলাম – ন্যারেটিভ, সঙ্গীত-নির্ভর। সেলিম আল দ্বীন লিখছিলেন। আমার তো গানের গলা সেইরকম, মানে গান গাইলে ভূমিকম্প হয়ে যেতে পারে। সব মিলিয়ে মনে হলো আর না করি।”
সুবর্ণা বলেন, “অনেক সময় অনেক প্রিয় জিনিস, প্রিয় মানুষের স্মৃতি সুন্দর রাখার জন্য বা সম্পর্ক ঠিক রাখার জন্য দূরে সরে যাওয়া ভালো।”
অনেকে বলেন, অভিমান করে সুবর্ণা মুস্তাফা মঞ্চ ছেড়ে দিয়েছেন। সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন “সেসময় অনেক প্রতিষ্ঠিতরা এসেছেন, তারা তখনও গ্রুপের সদস্য। তারা বলেছেন নতুন দল গড়ার কথা। আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকেছি। কারণ আমি ঢাকা থিয়েটারের বিপরীতে দাঁড়িয়ে কখনো সিদ্ধান্ত নেইনি। যারা কাজ করছেন আমার সাথে তাদের সবার আজ পর্যন্ত দারুণ সম্পর্ক।” মানুষ দুইয়ে দুইয়ে চার দেখতে চায়। কিন্তু সবসময় দুইয়ে দুইয়ে চার হয়না, বলেন তিনি।
কোন মাধ্যম আনন্দ দেয় বেশি? আমার আসলে অভিনয় করেই ভালো লাগে, মাধ্যম যেটাই হোক অভিনয় করেই ভালো লাগে, বলেন সুবর্ণা। “ আনন্দ দিয়েছে সবচে বেশি টেলিভিশন। টেলিভিশনে আমার দীর্ঘ ক্যারিয়ার। ৩/৪ ক্যামেরার সামনে কাজ করেছি। আর কাজ শিখেছি মঞ্চে – চরিত্র কিভাবে নির্মাণ করতে হয়। তবে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজ হলো বেতারে। আর একজন অভিনেতার আল্টিমেট লক্ষ্য হলো সিনেমা-দ্য বিগ স্ক্রিন।”
মঞ্চ-টিভির মত চলচ্চিত্রে ততটা দাপুটে অভিনেত্রী নন – এমন সমালোচনা প্রসঙ্গে সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, যারা বলে তারা মূর্খ। কারণ আমি যে কয়টি বাণিজ্যিক সিনেমা করেছি ৯৫ শতাংশ সুপার-ডুপার হিট। তবে সিনেমায় কাজ করা অনেক কঠিন। এত কষ্ট করতে হয়, আমি আমার বাবা গোলাম মুস্তাফাকে দেখেছি, পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন হুমায়ূণ ফরীদিকে দেখেছি। লম্বা সময় দিতে হয়। কিন্ত আমার নিজের জন্য সময় দরকার।”
সুবর্ণা বলেন, “আমি শর্টকার্টে কোনও কাজ করতে পারিনা। যেটা করবো শতভাগ দিয়ে করবো।” চলচ্চিত্রে শতভাগ দিয়ে কাজ করাটা খুব কঠিন। যারা করেছেন তারা নমস্য, যোগ করেন তিনি।
বিয়ে বিচ্ছেদ ও নতুন সম্পর্ক : সুবর্ণা মুস্তাফার অভিনয়ের শুরুর দিনগুলোতে তাকে ঘিরে সমসমায়িক অভিনেতাদের নিয়ে রোমান্টিক সম্পর্কের গুঞ্জনের খবর বেরুতো পত্রিকার পাতায়। দর্শকদের মধ্যেও বিশেষ করে তাকে আর আফজাল হোসেনকে ঘিরে প্রেমের অনেক গল্প শোনা যেত। রাইসুল ইসলাম আসাদকে ঘিরেও ছিল এমন গুঞ্জন।
সুবর্ণা বলেন “আমি সবসময়ই এটা এনজয় করেছি। তখনও করেছি, এখনও। আমাকে, আফজাল এবং ফরিদী – তিনজনকে ত্রি-রতœ বলা হতো। আফজাল এবং আমার বন্ধুত্ব তো ছিলই। কেন বলবো যে ছিলনা? ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই আমরা একসাথে কাজ করেছি। শুধু টিভিতে আমাদের দেখা হতো, তা না। আমাদের ঢাকা থিয়েটারেও দেখা হতো”।
কিন্তু সেটা কি রোমান্টিক পরিণতির দিকে যাচ্ছিল? এ প্রশ্নের পরিস্কার কোনও জবাব মেলেনি। সুবর্ণা বলেন, “জানি না। আমাদের বয়স তখন ছিল খুবই কম। কাজ করতে গিয়ে প্রেম করতে হবে, এটা কি একটা ব্যাপার? আফজালের সাথে, নূর ভাইর সাথে আমার জনপ্রিয় অনেক নাটক আছে। ফরিদীর সাথে অনেক ভালো কাজ আছে। আফজালের সাথে বন্ধুত্ব ছিল সবচেয়ে বেশি। তবে সব বন্ধুত্বই ‘অত:পর তাহারা সুখে শান্তিতে ঘর-সংসার করিতে লাগিল’ তা নাও হতে পারে”।
তবে দর্শকরা যে সুবর্ণা-আফজাল জুটিকে অন্যভাবে দেখতো সেটা তিনিও অনুভব করেছেন। সেটা উপভোগও করতেন। সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, “দর্শক আমাদের একসাথে দেখতে পছন্দ করছে। দর্শক একটা রসায়ন পেয়েছে আমাদের জুটিকে ঘিরে। সিনেমায় যেমন উত্তম-সূচিত্রা, রাজ্জাক-কবরীকে ঘিরে দর্শক এমন ভেবেছে, তেমনি টেলিভিশনে তারা আমাদেরকে এভাবে দেখেছে”।
সুবর্ণা-আফজাল সম্পর্ক বিয়ের পরিণতিতে পৌছায় কিনাএ নিয়ে যখন জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই তেমনই সময় অনেকটা হঠাৎ করেই হুমায়ূন ফরিদী ও সুবর্ণা মুস্তাফা বিয়ে করেন। এরপর দীর্ঘ ২২ বছর তারা সংসার করেন। ২০০৮ সালে তাদের বিচ্ছেদের খবর সূবর্ণা মুস্তাফা নিজেই মিডিয়াকে জানান। এর পরপরই আলোচনা শুরু হয় তার দ্বিতীয় বিয়ের খবরে।
তবে সুবর্ণা মুস্তাফা মনে করেন, ভক্ত এবং দর্শকরা তার বিচ্ছেদ এবং নতুন বিয়ে নিয়ে খুব একটা প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। দেখিয়েছে মিডিয়ায় তার কাছের লোকজনই। কিন্তু দীর্ঘদিনের বিয়ের বিচ্ছেদ এবং পরে বয়সে ছোট, সিনেমা নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদকে বিয়ে প্রসঙ্গে নিজের সাথে কতটা বোঝাপড়া করতে হয়েছিল সেসময়? এমন প্রশ্নে এই অভিনেত্রী সোজাসাপ্টা জানান, “কোনও বোঝাপড়া করতে হয়নি। কারণ যখন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি আর ফরিদী একসাথে থাকবো না, থাকিনি। যখন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি আর সৌদ বিয়ে করবো, করেছি। এত দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ার বয়স তো অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। আমার ব্যক্তিগত জীবন সবসময়ই ব্যক্তিগত রাখতে পছন্দ করি।” একান্ত ব্যক্তি জীবন নিয়ে অন্যের আগ্রহকে তিনি গুরুত্ব দিতে রাজি নন। তাই বলেন, “হুমায়ূন ফরিদী আর আমি যখন বিয়ে করেছি তখন তো দর্শকদের অনুরোধে করিনি। তাহলে বিচ্ছেদের সময় দর্শকদের অনুমতি নিতে হবে বা কাউকে স্যরি বলতে হবে কেন?”
আবার দশর্কদের কৌতুহলকেও তিনি সম্মান দেখিয়ে বলেন, “তবে হ্যাঁ একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে আমি জানি একধরনের কৌতুহল দর্শকদের থাকবেই। তাই চেষ্টা করেছি সম্পর্কগুলো সম্পর্কে ওপেন থাকতে”। “আমি নিজেই বিচ্ছেদ এবং দ্বিতীয় বিয়ের খবর মিডিয়াকে জানিয়েছি কারণ আমি তো প্রচলিত আইনের বিরুদ্ধে কিছু করছি না। আর দ্বিতীয় বিয়ে যে পৃথিবীতে এই প্রথম ঘটলো তা নয়, আর কণের চেয়ে বরের বয়স কম এটাও প্রথম ঘটনা নয়”।
ব্যক্তি জীবন নিয়ে সামাজিকভাবে অনেক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে সেটা তার কথাতেও উঠে এসেছে। তবে সেসব তার কাছে গুরুত্বপুর্ণ মনে হয়নি। সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, “আমি এসব পাত্তা-টাত্তা দেইনা। আর হুমায়ূন ফরিদীর ডিভোর্সের পর আমাদের বিয়ে হয়েছিল। তখন যদি বিয়ের দু’বছর পর আমাদের বিচ্ছেদ হতো সেটা একটা কথা হতো। ২২ বছর একটি লম্বা সময়। ২২ বছর কোনও ফাজলামি না। ২২ বছর তো অনেকের আয়ুও হয়না। সুতরাং এটা নিয়ে আর কথা বলার কিছু আছে বলে মনে হয় না। তবে যেকোনো বিচ্ছেদই দু:খের অবশ্যই”। শেষপর্যন্ত হুমায়ুণ ফরিদীর সাথে তার দীর্ঘদিনের বিয়েটি টিকলো না কেন সে প্রসঙ্গে তার বক্তব্য ছিল সংক্ষিপ্ত। তবে তিনি বলেন, “পারস্পরিক সম্মান, বন্ধুত্ব বিয়েতে খুব জরুরি। ভালোবাসা কিন্তু থাকে। কিন্তু বন্ধুত্ব আর সম্মানের জায়গাটুকু যদি নড়বড়ে হয়ে যায় তখনই ওই বিয়ের আর কোনও মানে হয়না।” হুমায়ুন ফরিদী যেহেতু বেঁচে নেই তাই তার সম্পর্কে পাবলিক ফোরামে খুব বেশি কিছু বলতে চাননি সুবর্ণা মুস্তাফা।
শুধু বলেন, “এখন হুমায়ূন ফরিদীর কাজ নিয়ে কথা বলতে চাই, ব্যক্তি ফরিদী সম্পর্কে আমি খুব অল্পই বলবো যতটুকু বলতে চাই। কারণ তিনি তো নেই তার স্বপক্ষ সমর্থন করতে বা দ্বিমত প্রকাশ করতে। তাই তাকে নিয়ে কথা বলাটা অশোভন। তার সাথে ২২ বছর ছিলাম একসাথে। আর থাকার মত পরিস্থিতি ছিলনা, তাই ছিলাম না।”
তবে যে বিষয়টি আমাকে ভাবায়, “হুমায়ূন ফরিদীর মত এত বড় মাপের একজন অভিনেতা কেন মারা যাবে এত অল্প বয়সে?
ভবিষ্যত পরিকল্পনা : সুবর্ণা মুস্তাফা অভিনীত এবং তার স্বামী নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদের নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র সেন্সর থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। গ্রাম বাংলার জীবন-প্রকৃতি নিয়ে প্রেম-নির্ভর বাণিজিক্য এই সিনেমাটি দর্শকদের হলে টেনে আনতে পারবে এমনটাই তিনি বিশ্বাস করেন। ভবিষ্যতে তার নিজের চলচ্চিত্র নির্মাণের ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানান। জীবনের এত চড়াই-উতড়াই নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই বলে জানান। অভিনয়ের বাইরে তিনি নতুন একটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করছেন। ক্রিকেটের প্রতি অনুরাগ থেকে এখন ধারাভাষ্যকার হিসেবে এফএম রেডিওতে কাজ বেশ উপভোগ করছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : টানা ৮ দিনের অতি বর্ষণে ও ডেইয়ের বিলে প্রভাবশালীদের ঘের পরিচালনার জন্য অবৈধ বেড়িবাধের কারণে প্লাবিত হয়েছে সাতক্ষীরা পৌরসভার নিম্নাঞ্চল। তলিয়ে গেছে প্রায় ১০০ একর জমির আমন ধান ও সবজির ক্ষেত। পৌরসভার আলিয়া মাদ্রাসার পূর্বপাড়া, বদ্দীপুর কলোনী, ডাঙ্গীপাড়ায় ৩শ ঘরবাড়ী পানির তলায় রয়েছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট। স্কুলে যেতে পারছে না কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এলাকাবাসী জানায়, ডেইয়ের বিল দিয়ে বর্ষার পানি ছাগলার গেট দিয়ে বেতনা নদীতে প্রবাহিত হয়। কিন্তু প্রভাবশালীদের ডেইয়ের বিলে বেড়িবাধ দিয়ে মৎস্য ঘের করার কারণে এলাকার পানি নিস্কাশন হচ্ছে না। আর দুই এক দিন বর্ষা হলে তলিয়ে যেতে পারে অত্র অঞ্চল।
এদিকে শনিবার সকাল ৮টায় পৌর কাউন্সিলর শেখ সেলিম এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে পৌর কাউন্সিলর পৌরবাসীর স্বার্থে ভেড়ীবাধ অপসারণ করেন। এসময় তিনি বলেন, জেলা পরিষদ ও পৌরসভার হস্তক্ষেপে ডেইয়ের বিলে সকল ভেড়ীবাধ অপসারণ করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, আবু মুসা, আব্দুল করিম, কামরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, রহমত আলী, জব্বার মাস্টার, আবুল হোসেন, অশোক ঢালী, ছোট খোকন, মেহেদী হাসান কিরন, খলিলুর রহমানসহ এলাকার গণ্যমান্য বক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশনা মোতাবেক নতুন সদস্য সংগ্রহ, নবায়ণ ও দলকে সু-সংগঠিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ফরম বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে বালিয়াডাঙ্গা বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফরম বিতরণ করা হয়। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী বকস গাইনের সভাপতিত্বে ও থানা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী রাব্বি হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সংসদ কাজী আলাউদ্দীন। এসময় তিনি বলেন, “দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় জিয়ার আদর্শে গড়া জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপিতে) যোগ দেওয়ার কোন বিকল্প নেই। কারণ বর্তমান সরকারের নির্যাতনে সাধারণ মানুষ এখন দিশেহারা। আগামী দিনে বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপিতে যোগ দিয়ে খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে পারলে দেশের মানুষ মুক্তি পাবে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন মোড়ল, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল্লাহ বাহার, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি মাহবুবর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আমিনুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, যুব নেতা জামালউদ্দিন ঢালী, কাজী পলাশ হোসেন, শিমুল হোসেন প্রমুখ। এর পূর্বে সকাল ১০ টায় কালিগঞ্জÑশ্যামনগর মহাসড়কের খানপুর মোড়ে সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী আলাউদ্দিন বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় ও তাদের মাঝে ফরম বিতরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তালা উপজেলা শাখার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রত্যাহার দাবি করে বক্তব্য রাখেন।
সভায় ১৫ অগাস্ট ২০১৭ জাতীয় শোক দিবস পালন, কেন্দ্রীয় ঘোষিত বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, ভোটার তালিকা প্রণয়নে দলীয় নেতা কর্মীদের মনিটরিং এর ব্যবস্থাসহ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের নামে মিথ্যা মামলা বিষয়ে আলোচনা স্থান পায়।
পূর্বে মূলতবী সভা ২৮ জুলাই সকাল ১০.০০ টায় স্থানীয় তালা ডাকবাংলোয় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সমপাদক ঘোষ সনৎ কুমারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
কার্যকরী সভায় বক্তারা বলেন, যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৫ আগস্ট পালন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং তালা উপজেলা ছাত্রলীগের ও যুবলীগের সাবেক ২বার নির্বাচিত সভাপতি, তালা বাজার বণিক সমিতির নির্বচিত সভাপতি, তালা রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি, তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ১৫নং ওয়ার্ডের সদস্য মীর জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তালা উপজেলা নির্বাহী আফিসার ফরিদ হোসেন বাদি হয়ে ১১.০৭.২০১৭ ইং তারিখে তালা থানায় উদ্দেশ্য প্রণোদিত, হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এছাড়া আওয়ামী যুবলীগ তালা উপজেলা শাখার সভাপতি, তালা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। পরবর্তীতে গত ২৪ জুলাই প্রতারক সৈয়দ তরিকুলকে দিয়ে তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির তালা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ পূজা উৎযাপন পরিষদের তালা উপজেলা শাখার সদস্য শ্রী অরবিন্দ ম-ল, আওয়ামীলীগের সক্রিয় কর্মী মীর মাসুম, মীর রাসেল এর নামে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করে। উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন তালা উপজেলায় যোগদানের পর থেকে আওয়ামীলীগের মধ্য দ্বন্দ্ব বিবাদ সৃষ্টি করে দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বক্তরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান, অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং অবিলম্বে নির্বাহী কর্মকর্তার অপসারণ দাবি করেন। দাবি পূরণের লক্ষ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক কর্মসূচি দেওয়ার দাবি জানান। আলোচনা এবং পর্যালোচনান্তে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ঘটনা সমূহ তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ০৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।
২৮ জুলাই ১৭ তারিখে তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার ও দপ্তর সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) এম. এম. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি শনিবার ২৯ জুলাই আমাদের হাতে এসে পৌছেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ৩ নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেছে উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি। পারুলিয়া ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এসেছেন নাসিরুল ইসলাম, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক পদে আবু রায়হান এবং সহ-সভাপতি হয়েছেন আব্দুল্লাহ। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম হাফিজ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে যে, সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা পিছিয়ে পড়ায় দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সুসংগঠিত করতে এবং আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের বিজয় আনতে উক্ত কমিটিতে এই ৩ নতুন নেতৃত্বের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest