
Exif_JPEG_420
প্রেসবিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চকদরি খড়িতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশুতোষ ঘোষের বিরুদ্ধে একই বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকাকে নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সেলিনা সুলতানা এই অভিযোগ করেন। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি ওই বিদ্যালয়ে ০১/৪/১৩ তারিখ হতে কর্মরত আছেন। ২০১৬ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে একই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন আশুতোষ ঘোষ। ওই বিদ্যালয়ে ৩জন শিক্ষক থাকলেও একজন রয়েছেন পি.টি আই প্রশিক্ষণে। বিদ্যালয়ে সব সময় অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করলেও প্রধান শিক্ষক আশুতোষ ঘোষ তাকে নানাভাবে হয়রানি করতে থাকেন। এরই মধ্যে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় শিক্ষিকা সেলিনা সুলতানাকে বেড রেস্টের পরামর্শ দেন ডা. আকছেদুর রহমান। এর প্রেক্ষিতে তিনি ছুটির সকল নিয়ম মেনে কালিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে ১৮/৯/১৬ তারিখে ১৫ দিনের ছুটির আবেদন করেন। তখন শিক্ষা অফিসার ছুটির আবেদন প্রধান শিক্ষকের সুপারিশ গ্রহণের জন্য বিদ্যালয়ে পাঠান। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ওই আবেদন রিসিভ করেননি। এরই মধ্যে প্রধান শিক্ষক আশুতোষ ঘোষ স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তিকে নিয়ে সেলিনা সুলতানার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার ছড়াতে থাকেন। পরে শিক্ষা অফিসার ১৯/৯/১৬ তারিখে ৭৭৯নং স্মারকে ছুটির আবেদনে সংযুক্ত প্রেসক্রিপসনের সঠিকতা যাচাই করার জন্য সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন বরাবর প্রেরণ করেন। সিভিল সার্জন মেডিকেল বোর্ডের মতামত সাপেক্ষে অসুস্থতার সত্যতা স্বীকার করে ২৬/৯/১৬ তারিখে কালিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি প্রতিবেদন প্রদান করেন। এরপর শিক্ষা অফিসার ২৭/৯/১৬ তারিখে ছুটি মঞ্জুর করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ১৮/৯/১৬ তারিখ থেকে হাজিরা খাতায় তাকে অনুপস্থিত দেখাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, প্রধান শিক্ষক আশুতোষ ঘোষ একজন চরিত্রহীন ব্যক্তি। ইতোপূর্বে চারিত্রিক কারণে তিনি ১৮ বার বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত এবং কয়েকবার চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন। তিনি প্রতিনিয়ত ওই শিক্ষিকাকে বিদ্যালয় ছুটির পরও তার ব্যক্তিগত কাজে সময় দিতে বলেন। এছাড়াও ওই প্রধান শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ভ্যানেটি ব্যাগ তল¬াশী করেন। সংবাদ সম্মেলনে ওই শিক্ষিকা প্রধান শিক্ষক আশুতোষ ঘোষের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট: কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রসুল বিপ্লবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মানববন্ধনের অভিযোগে আশাশুনি উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিমের কুশপত্তলিকা দাহ করেছে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
কবিরুল ইসলাম, ব্রহ্মরাজপুরঃ- “আজকের আবিষ্কার আগামি প্রযুক্তির ও উন্নয়নের চাবিকাঠি”।এই প্রতিপাদ্য বিষয়টিকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়েছে ডি,বি ইউনাইটেড হাইস্কুলে বিজ্ঞান মেলা ও কুইজ প্রতিযোগিতা ২০১৬।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,সদর উপজেলার ২০১৬ সালের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক মোঃ মোমিনুর রহমান মুকুল।উপস্থিত ছিলেন বাবু ধনজ্ঞয় সরকার সহকারী সমন্বয়কারী,অগ্রগতি সংস্থা,সাতক্ষীরা।এছাড়াও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ছাড়া কোনো দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।তিনি বলেন,বিজ্ঞান বিষয়ে শিশুদের আগ্রহ বাড়াতে প্রতিবছর এইমেলার আয়োজন করা হবে।আজকের এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আবিষ্কারে শিক্ষার্থীদের মাঝে আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে।যা তাদের ভবিষ্যৎ জিবনে কাজে লাগবে । একদিন এইসব শিশুদের মধ্যে হতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী তৈরী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।তিনি প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী ও সহযোগী সংগঠনদের ধন্যবাদ জানান।এ প্রতিযোগীতায় মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। মিনি ড্রোন আবিষ্কার করে যৌথভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেন মাসুম বিল্লাহ(৯ম) ও কেয়ামনি রাণী মন্ডল(৭ম)।লবণ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন আল আমিন ও মেহেদী হাসান (১০) এবং ওয়াটার কুলার তৈরি করে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন সাইদুর রহমান (৬ষ্ঠ)।অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন “ফ্রিডম ফাউন্ডেশন,ঢাকা এবং বাস্তবায়নে-অগ্রগতি সংস্থা সাতক্ষীরা।সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মোঃ মুকুল হোসেন।

