
দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় জেলা প্রশাসক ফুটবল কাপ টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উক্ত প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রস্তুতি সভায় অতিরিক্ত নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দীন হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আফসার আলী মাস্টার, যুগ্ম-সম্পাদক আনারুল হক, গোলাম ফারুক বাবু, কোষাধ্যক্ষ বাবু সরৎ কুমার ঘোষ, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, বিশিষ্ট খেলোয়ার কাবিজ হোসেন প্রমূখ। এসময় জেলা প্রশাসক ফুটবল কাপ টুর্নামেন্টকে সফল করতে বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া ১৫/১১/২০১৬ তারিখের উদ্বোধনীয় খেলায় দেবহাটা বনাম কালিগঞ্জ অংশ গ্রহণ করতে খেলোয়ারদের বেশি বেশি অনুশিলনের পরামর্শ দেন অতিরিক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

প্রেসবিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নুর বিরুদ্ধে পারুলিয়া ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি ও জামায়াত-শিবিরের হামলায় নিহত আবু রায়হানের ভাই শহিদুল্লাহ গাজীকে নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ইউপি সদস্য শহিদুল্লাহ গাজী এই অভিযোগ করেন। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তার ভাই আবু রায়হানকে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা নৃশংসভাবে হত্যা করে। সম্প্রতি জামায়াত-শিবিরের কর্মী-সমর্থক ও তার ভাইয়ের খুনিদের সাথে নিয়ে দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নু তাকে নানাভাবে হয়রানি করছেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ তোলেন যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নু। যা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এরপরও নব্য আওয়ামী লীগার খায়রুল, ইমরান, রায়হান হত্যা মামলার আসামি সাইফুল, সাবেক ছাত্রদল নেতা আফসার, রিংকু ও রায়হানকে দিয়ে মিজানুর রহমান মিন্নু তাকে হয়রানি করছেন। তিনি বলেন, রায়হান হত্যা মামলার আসামিদের সঙ্গে মিন্নুর ভাইয়ের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ না নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



বিনোদন ডেস্ক: প্রকাশ্যে অনুষ্কা শর্মার কাছে ক্ষমা চাইলেন আলিয়া ভট্ট। অবশ্য কোনো প্রফেশনাল সমস্যা নয়। বরং সহকর্মী হিসেবে একে অপরের প্রশংসাই করে থাকেন। এ নিতান্তই অনুষ্কার ব্যক্তিগত বিষয়। আসলে ক্ষমা চাওয়ার কারণ বিরাট কোহলি!
অনলাইন ডেস্ক: এখনো কন্যা সন্তান জন্ম নেয়াকে অভিশাপ হিসেবে দেখা হয় ভারতীয় উপমহাদেশে। মেয়ে জন্ম দেয়ার ‘অপরাধে’ মায়েদের উপর অত্যাচারের ঘটনা প্রায়শই ঘটে। পুত্রসন্তান না হওয়ায় মাকে হত্যা, কখনো আবার কন্যাসন্তানকেই হত্যা করার এমন নজির কিন্তু কম নয়।